উপসংহার

“মৌলিকভাবে স্ট্রিং থিওরির কিছু প্রমাণ আছে। খুব উচ্চশক্তিতে পার্টিকেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটালে স্ট্রিংগুলোর কাঠামো দেখতে পাওয়া যাওয়ার কথা” (অশোক সেন) এই বিশ্ব হলো অসম্ভব ভালোবাসা ও নৈতিক গভীরতায় পরিপূর্ণ নিদারুণ সুন্দর এক জায়গা। (প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগান) স্ট্রিংঃ অসম্ভব প্রেম-ভালবাসার প্মডেল! সুতায় বোনানো মহাবিশ্ব! “বিনি সুতার মালা” নামে বাংলায় একটি প্রবাদ বাক্য রয়েছে-যার সাথে স্ট্রিং থিওরির নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। মহাকাশের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় গ্রহ-নক্ষত্রগুলো যেন একে অপরের সাথে সুতার মালার মতো প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। Computer Programming এর মাধ্যমে ১০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরত্বের ভেতর কসমিক নেটওয়ার্ক যেটুকু দেখা যা তাতে দেখা যায় মহাবিশ্ব স্ট্রিং বা সুতায় বোনানো (বিজ্ঞানচিন্তা, ডিসেম্বর, ২০২০, বর্ষঃ ৫ল সংখ্যাঃ ৩, পৃষ্ঠা ৫২)। “নিউটনের সূত্রমতে, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষ বল এমনভাবে থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দুটিকে বেঁধে রাখার ফলে সূর্যের চার পাশের কক্ষপথে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে পৃথিবী”( বিজ্ঞানচিন্তা পৃষ্ঠাঃ ৬৩)। পানির স্ট্রিং পানির রাসায়নিক মূল উপাদান ২টি। ১) হাইড্রোজেন ২) অক্সিজেন । ২টি হাইড্রোজেন আর ১টি অক্সিজেন পরমাণু মিলে পানির অণু (অ্যাটম) গঠিত হয়। এক ফোটা পানিতে কয়েক লক্ষ পানির অণু থাকে। অণুগুলো এক সাথে তড়িৎ অআকর্ষণ বলের প্রভাবে আণবিক বন্ধনে আটকে থাকে। পানির পরমাণুর এই বন্ধনকে বলা হয় হাইড্রোজেন বন্ধন। শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে পানির অণুগুলো একে অপরের সাথে লেগে থাকে। পানির মধ্যে কিছু অন্য উপাদান থাকে। অণুগুলো এদের সাথেও প্রীতির বন্ধনে অআবদ্ধ হয় যাকে বলা হয় আসক্তি। এই আসক্তির কারণে পানিতে প্রবাহের সৃষ্টি হয় ফলে পানি গড়িয়ে চলে সমতল ভূমিতেও। একটি ঋণাত্মক পায়ন যখন প্রোটনের সাথে প্রীতির বন্ধনে অআবদ্ধ হয় তখন দুটো মিলে তৈরি হয় নিউট্রন কণা। নিউক্লিয়াসের মধ্যে এভাবে মেসনদের প্রভাবে প্রোটন ভেক বদল করে পাল্টে যাচ্ছে নিউট্রন কণায়। আবার নিউট্রন ভেক বদল করে পাল্টে যাচ্ছে প্রোটনে। ঋণাত্মক মেসন তৈরি হয় একটা ডাউন কোয়ার্ক অআর একটা অ্যান্টি অআপ কোয়ার্ক দ্বারা। বিদ্যুতে স্ট্রিংঃ বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয় তারের মাধ্যমে। এনালগ টেলিফোনে স্ট্রিংঃ আজও এনালগ টেলিফোনে তার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। নিউরিনে স্ট্রিংঃ মস্তিস্কে স্ট্রিং একজনের মাথায় যে পরিমাণ স্ট্রিং বা তার থাকে সেই তারে পুরো পৃথিবীকে বেধে রাখা সম্ভব বলে বিজ্ঞানীদের দাবী। মহাকাশে স্ট্রিং Computer Programming এর মাধ্যমে ১০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরত্বের ভেতর কসমিক নেটওয়ার্ক যেটুকু দেখা যা তাতে দেখা যায় মহাবিশ্ব স্ট্রিং বা সুতায় বোনানো (বিজ্ঞানচিন্তা, ডিসেম্বর, ২০২০, বর্ষঃ ৫ল সংখ্যাঃ ৩, পৃষ্ঠা ৫২)। অণু-পরমাণুতে স্ট্রিং কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হচ্ছে, প্রকৃতির উপাদানগুলো ভাঙলে এক সময় মূল কণিকা গুলো পাওয়া যায়। স্ট্রিং থিওরি বলে, এই মূল কণিকাগুলো আসলে এক ধরণের তন্ত্ত বা সুতার কম্পন। সেই সুতা বা স্ট্রিংগুলো বিভিন্ন মোডে কম্পনের কারণেই সেগুলোকে কণা হিসেবে অআমরা দেখি(বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠা ৪৭) প্রোটন-প্রোটনের মধ্যে যে বন্ধন সেখানে স্ট্রিং বা হাঁড়ের ভূমিকা পালন করে নিরপেক্ষ পায়ন মেসন।(বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি ২০২১, পৃষ্ঠা ৬৮)। হেনেরিক ইউকাওয়া বলেন, একটা প্রোটন আর একটা নিউটনের মধ্যে ধনাত্মক পায়ন কণা বিনিময় হয়। ফলে তৈরি হয় শক্তিশালী নিউক্লিয় বল। অনেকে মনে করেন ভবিষ্যতে সব শক্তিকেই এই স্ট্রিং থিওরি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে।(অশোক সেন, স্ট্রি বিশেষজ্ঞ)। “মৌলিকভাবে স্ট্রিং থিওরির কিছু প্রমাণ আছে। খুব উচ্চশক্তিতে পার্টিকেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটালে স্ট্রিংগুলোর কাঠামো দেখতে পাওয়া যাওয়ার কথা” (অশোক সেন) ১১ মাত্রার স্ট্রিং তত্ত্ব প্রাথমিক পর্যায়ে বোসন কণারা শুধু শক্তির কণা বলে পরিচিত ছিল। পরবর্তিতে বিজ্ঞানীরা বোসন আর ফার্মীওনের মধ্যে একটি যোগসূত্র আবিস্কার করেন যেটি সুপারসিমেট্রি নামে পরিচিত। সুপারসিমেট্রি তত্ত্ব ব্যবহার করে বোসন আর ফার্মিওন এই দুই ধরণের কণার আচরণ ব্যাখ্যা করা যায়। এতে সুপারসিমেট্রি ও অতিরিক্ত মাত্রার ধারণা সংযুক্ত করে একগুচ্ছ তত্ত্ব তৈরি করা হয়। স্ট্রিং থিওরির এই গুচ্ছ তত্ত্বটিকে ১১ মাত্রার স্ট্রিং তত্ত্ব বলা হয়। এম-থিওরি তত্ত্ব এম-থিওরি নামক এই তত্ত্ব গ্রাভিটিসহ সকল মৌলিক বল ও এদের মিথস্ক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করতে পারে, তাই বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি আমাদের মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে বর্ণনা করতে পারবে এবং সবকিছুর তত্ত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। স্ট্রিং থিওরিতে তিনের অধিক স্থানিক মাত্রার ধারণায় অদৃশ্যে বিশ্বাস ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক-সবাই এক অসীম মহান সত্বায় অআপনাঅআপনি বিশ্বাসী হয়ে অআছি যা অআমাদের অস্তিত্বের সাথেও নিবিড়ভাবে জড়িয়ে অআছে।যতক্ষণ প্রাণ অআছে ততক্ষণ ব্যক্তিবিশেষ স্ব স্ব নামে অভিহিত। তাঁর সর্বাঙ্গ সচল থাকে। যখনই লোকটি প্রাণ ত্যাগ করে তখন লোকটি একটি বিশেষ নামে পরিণত হয় নামটি হচ্ছে লাশ (ডেথ বডি)। যদিও আজ পর্যন্ত প্রাণের অস্তিত্ব সনাক্ত করা সম্ভবপর হয়নি ডিজিটাল টেকনোলজির এই বিশ্বে। ১০-১৭ সেন্টিমিটার বস্ত্তকণার সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণতা পরিমাপক মাইক্রোস্কোপ যন্ত্র হাতে থাকা সত্ত্বেও। যদিও স্ট্রিং থিওরি এখন বোসন ও ফার্মিওন দুই শ্রেণীর কণাদের আচরণ নিয়েই কাজ করছে কিন্তু সুপারস্ট্রিং থিয়োরির জন্য গণিত তত্ত্ব ব্যবহার করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেলেন যে, সুপারস্ট্রিংয়ে কতগুলো অতিরিক্ত মাত্রার দরকার। আমরা আমাদের স্থানের মাত্র তিনটি মাত্রাকে (দৈর্ঘ্য+প্রস্থ+ব্যাস)দেখতে পারি, কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানীরা উপলদ্ধি করলেন যে, এই তত্ত্বের গাণিতিক ভিত্তি গঠন করতে গেলে তাদেরকে আরও কয়েকটি অতিরিক্ত মাত্রা আছে বলে ধরে নিতে হচ্ছে। অর্থাৎ এই তত্ত্বমতে, আমরা যদিও এই অতিরিক্ত মাত্রাগুলোকে দেখাতে পাচ্ছি না বা কোন পরীক্ষার দ্বারা এদের অস্তিত্ব প্রমাণ করতেও পারছি না, কিন্তু আমারদের স্ট্রিং থিয়োরির গণিত দাবী করছে যে, কয়েকটি অতিরিক্ত মাত্রা রয়েছে। এই তত্ত্ব মতে, অতিরিক্ত স্থানিক মাত্রাগুলো স্থানের খুব সংকীর্ণ জায়গায় জড়িয়ে-পেচিয়ে আছে, তাই আমরা তাদেরকে দেখতে পাই না। বিস্তারিত বিশ্ব দুই তত্ত্বের উপর চালিত নিউটনীয় এবং কোয়ান্টাম। ফৌজদারীমতে দেখা অপরিহার্য শর্ত, প্রত্যক্ষদর্শিতা, কোয়ান্টামে শর্ত নয়। যা খালি চোখে দেখা যায় না তা দেখা যেতে পারে কণা ডিডেক্টরে ,যা কণা ডিটেক্টরে নয় তা তরঙ্গ ডিটেক্টরে তা তরঙ্গডিটেক্টরেরও নয় তা অন্তর্দৃষ্টিতে, বিশ্বাসে। আইনস্টাইন বলতেন আমার বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা আমার জ্ঞান নয় আমার কল্পনাশক্তি দ্বারা চালিত। অআইজ্যাক নিউটন বলতেনঃ :আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীনতার নাম গবেষণা এবং তার লদ্ধ ফসল। কবিতায় হোক, গল্পে, সাহিত্যে হোক কিংবা বৈজ্ঞানিক গবেষণা হোক কিংবা সাধারণ কথাবার্তায় হোক।একের পর এক শব্দ বিন্যাসের উৎসমূল স্মায়ু বিজ্ঞানীদের মতে এ জগতে নয়, এমন জগতে যা দূরতম গ্যালাক্সির কোথাও অবস্থিত, যার সরাসরি প্রত্যক্ষকরণ রীতিমত অসম্ভব ব্যাপার কেবল বিশ্বাস করা ব্যতিত। মানব জ্ঞানের সমীবদ্ধতা বা দৌড়ঃ অস্তিত্বহীন থেকে সব কিছু অস্তিত্বশীল।বিশ্ব তত্ত্বমতে, বিগ ব্যাং হচ্ছে মহাবিশ্বের উৎসমূল অআর বিগ ব্যাংয়ের উৎসমূল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন। এই রেডিয়েশনের উৎসমূল কি?কে? অথবা কোথায়? এমন প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক উত্তর হচ্ছেঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই। তেমনই একটি প্রশ্নঃএনার্জেটিক রেডিয়েশন। এই রেডিয়েশনের উৎসমূল কি?কে? অথবা কোথায়? পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের উক্তিঃ পৃথিবীকে অর্থবহ করতে প্রয়োজন সাহসী প্রশ্ন এবং তার উত্তরের গভীরতা। মধ্যপন্থা উত্তম অআল হাদীস, মুসলমান মধ্যপন্থী উম্মাহঅআল কুরঅআন, মধ্যপন্থা নবুয়াতের অংশ অআল হাদীসল পদার্থ বিজ্ঞান এবং কার্ল সাগানের পরস্পর দ্বন্দ্বমূলকনীতির মধ্যপন্থা হচ্ছে উত্তর গোলার্ধ কি অআছে ? এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকা। পদার্থ বিজ্ঞানের নীতি মেনে এই প্রশ্ন না করা যে, উত্তর গোলার্ধের উত্তরে কি অআছে? পক্ষান্তরে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের উৎসমূল কি? এই প্রশ্ন করা কার্ল সাগান উক্ত অর্থবহ পৃথিবী সংগঠনে জরুরী তা নাহলে মূলে পৌছা যাবে না।অথচ প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে ফারাবী অআল অআরাবী। প্রতিটা বিষয়ের একটা সুনির্দিষ্ট পরিণতি রয়েছে অআইনস্টাইন। এই বিশ্বাসে তাড়িত হয়ে অআইনস্টাইন রচনা করেন বিশেষ থিওরি, তাতে অআলোরগতিকে নির্দিষ্ট করেছেন সেকেনড এক লাখ ছিয়াসি হাজার মাইলে। তিনি ছিলেন নিউটনের একান্ত ভক্ত। তিনি বিশ্বাস করতেন নিউটন প্রকৃতির সব ভাষা বুঝতেন অংকের মাধ্যমে। নিউটনের সূত্রের ব্যাঘাত হোক তা তিনি কামনা করতেন না বলে মহাবিশ্বকে স্থির ধরে রচনা করেছিলেন স্পেশাল থিওরি যদিও এই থিওরির প্রবণতা মহাবিশ্বের সম্প্রসারণতায়। তিনি মনে করতেন কোয়ান্টাম মেকানিকস সরাসরি ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের বিরোধী। ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের সুরক্ষার জন্য অআইনস্টাইন কোয়ান্টামের শুরুতেই বিরোধিতা করে নিল বোরের সাথে যে ঐতিহাসিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তা ইতিহাসে কোপেনহেগেন..নামে পরিচিত নিউটন যেমন মাধ্যাকর্ষণের সাথে মহাকর্ষের মিল খুঁজে না পেয়ে তেমনি আইনস্টাইন স্পেশাল থিওরির মাধ্যমে নিউটনীয় ক্লাসিকাল বল বিজ্ঞানকে সংহত করতে গিয়ে রচনা করেন জেনারেল...থিওরি,যার নিজস্ব নাম ছিলঃ ইনভেরিয়েন্ট থিওরি, অনুসারীদের প্রদত্ত নামঃ জেনারেল রিলিটিভিট থিউরি। এই নামকরণেই নিহিত ছিল আইনস্টাইনের বিজ্ঞান জগত থেকে চুপসে যাওয়ার ভিত্তি। তিনি চাইতেন জগতের সব কিছুর সুনির্দিষ্টতা, এখন দেখা যাচ্ছে সবই আপেক্ষিক, সবই এমনকি তার বৈজ্ঞানিক এমনকি ব্যক্তিগত জীবনও। আইনস্টাইনের বৈজ্ঞানিক আপেক্ষিক জীবনঃ আইনস্টাইনের জীবনের সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক আপেক্ষিকতা হচ্ছে যে আইনস্টাইন স্পেশাল থিওরির মাধ্যমে নিউটনীয় ক্লাসিকাল বল বিজ্ঞানকে সংহত করতে গিয়ে কোয়ান্টম তত্ত্বকে প্রধান বৈরি মনে করে কোয়ান্টাম প্রতিহতকরণে রচনা করেন ইনভেরিয়েন্ট থিওরি, তারই বিপরীত অর্থবোধক হয়ে দাড়ায় তারই অনুসারীদের প্রদত্ত নামঃ জেনারেল রিলিটিভিট থিউরি। এই নামকরণেই নিহিত ছিল আইনস্টাইনের বিজ্ঞান জগত থেকে চুপসে যাওয়ার ভিত্তি। তিনি চাইতেন জগতের সব কিছুর সুনির্দিষ্টতা তিনিই আবার তার ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্টে কোয়ান্টাম ব্যবহার করে লাভ করেন নোবেল পুরস্কার-এটা এক চমৎকার আপেক্ষিকতা। ধর্ম এবং বিজ্ঞানের মধ্যে সেতুবন্ধে রয়েছে আইনস্টাইনের শ্রেষ্ঠ প্রবাদ বাক্যঃ......পাশাপাশি জীবনের শেষ দিকে তার একটা মন্তব্য তাকে ধর্ম ও বিজ্ঞানে অআপেক্ষিক করে তুলে। প্রশ্নের সম্মুখীন করে ধর্ম এবং বিজ্ঞানের ব্যাপারে প্রদত্ত মন্তব্য অআদৌ অআইনস্টাইনের কিনা। আইনস্টাইনের রয়েছে জীবনেও অআপেক্ষিকতা।বৈজ্ঞানিক জীবনে তিনি ছিলেন প্রখর বুদ্ধিমত্তা র অধিকারী পোষা বেড়াল কিভাবে ঘরে ঢুকবে-এটা আইনস্টাইনের মাথায় ধরেনি বলেঃ নির্মাতাকে প্রশ্ন করেছিলেনঃ কেন তিনি বেড়াল ঢোকার জন্য দরজা রাখেন নি। যা রেখেছেন তাতে মানুষ ঢুকতে পারে। আইনস্টাইনের জ্ঞানেঃ ছোট দরজা ছোটদের বড় দরজা বড়দের জন্য সুনির্দিষ্ট। যেমন স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক। এতকাল পযন্ত নিউট্রিনোকে না দেখেই বিশ্বাস। বিজ্ঞানীরা অদৃশ্যমানকে দৃশ্যমানে অআনার পূর্বে না দেখে বিশ্বাসের ফলশ্রুতি। হিগস বোসন অআছে-এই বিশ্বাস নিয়ে বছরের পর বছর কাজ করে বার সালে তারা প্রমাণ করতে পেরেছেন।দেখার শর্তে অনড় থাকলে মহাবিশ্বের বস্ত্তগত কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্ব কোয়ার্ক যাকে মহাবিশ্বের ইট বা দেওয়াল এবং হিগসবোসনকে সিমেন্ট বলা হয়। ইট বা দেওয়ালকে সুদৃড় ভিত্তির মূলে রয়েছে যেমন সিমেন্ট তেমনি মহাবিশ্বের ইট বা দেওয়ালরূপ কোয়ার্কের মজবুতির উৎস হিগসবোসন-এই বৈজ্ঞানিক বিশ্বাস এ কারণে সম্ভব হয়েছে যে, ছয় প্রধান কোয়ার্কের অন্যতম স্ট্রেনজ কোয়ার্ককে না দেখে বিশ্বাস। অনুরূপ স্ট্রিং এবং তার কম্পনকে দেখার কঠিন শর্তারোপ করা হয়েছে ...মাত্রার যা অআপাততথ- অবিশ্বাস্য।এবং অনেকটা অনিশ্চিতল বর্তমান ডিজিটাল যুগীয় পরম উৎকর্ষতার যুগের সক্ষমতা যদি....হয় তাহলে ....এর জন্য দূর গ্রহের অতিবুদ্ধিমান প্রাণীকে এ কাজে নিয়োগ ছাড়া এ গ্রহের হাজার অআইনস্টাইনীয় মেধা একত্রিত করলেও পারার সম্ভবনা নেই বল্লে চলে। এমতাবস্থায় স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক প্রাণ,রুহ, এমনকি বাতাস যাকে অনুভব করি দেখি না, না দেখে বিশ্বাস করি প্যারিস ফ্রান্সের রাজধানী.......অমুক দেশের অমুক প্রেসিডেন্টের এই নাম, বিশ্বাস করি না দেখে পিতাকে মাতাকে, দাদা-দাদী নানা-নানীকে, বিশ্বাস করি প্রকৃতিকে। তাহলে গড-কে বিশ্বাস করতে অআপত্তি কোথায়? বস্ত্ততঃ নিউটনের বৈজ্ঞানিক অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে থেমে যায়-সেদিন তিনি মহাকর্ষের সাথে মাধ্যাকার্ষণের অমিল খুঁজে পান। এ প্রসঙ্গে নিউটন বলেনঃ “মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে । কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহ► IRRSTC মনে করে যে, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে-যেদিন ‘ফিজিক্স’ ‘ম্যাটারিয়াল সায়েন্সে’ সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। অনুরুপ যেদিন থেকে নিউটন মহাকর্ষের সাথে মাধ্যাকার্ষণের অমিল খুঁজে পান তখনই কার্যতঃ নিউটনের বৈজ্ঞানিক অগ্রযাত্রা থেমে যায়- এই বলেঃ “মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে । কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহ গুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন?”https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন “নিউটনের সূত্রমতে, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষ বল এমনভাবে থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দুটিকে বেঁধে রাখার ফলে সূর্যের চার পাশের কক্ষপথে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে পৃথিবী”( বিজ্ঞানচিন্তা পৃষ্ঠাঃ ৬৩)। অতঃপর নিউটন বলেনঃ “আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল”।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন প্রথমতঃ পৃথিবীর ভূ-ত্বকীয় খনিজ লৌহ কণিকা সমৃদ্ধ মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে ঋণাত্মক চার্জ এবং দ্বিতীয়তঃ বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় ম্যাগনেট প্রভাবিত উর্ধ্বাকাশীয় মহাকর্ষ বল-কে সার্বিক একীভূতকরণের আওতায় ধনাত্মক ধরা হলে পরস্পরের মিথস্ক্রিয়ায় উদ্ভব হতে পারে কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন । এক্ষেত্রে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সৃত্র কার্যকর হবে । যার ফলে চৌম্বকীয় ধর্ম আপেক্ষিকভাবে পরিবর্তিত হবে। অর্থাৎ চুম্বকের ধর্ম লোহার ধর্মে এবং লোহার ধর্ম চুম্বকে রূপ নেবে। ফলে চুম্বক লোহাকে টানার পরিবর্তে বরং লোহা টানবে চুম্বককে। কারণ হচ্ছে, চুম্বক সেই লোহাকে টানবে-যে লোহা চুম্বক থেকে ছোট। কিন্ত্ত যে লোহা চুম্বক থেকে বড় সেই লোহা টানবে চুম্বক-কে। উল্লেখ্য, খনিজ লৌহ কণিকা সমৃদ্ধ ভূ-ত্বক বাস্তবে একটা বিশাল আস্ত লৌহ খন্ড ব্যতিত আর কিছু নয়। একটা উল্কাপিন্ডে ৮৪% খনিজ লৌহ উপাদান পাওয়া গেছে। অন্যদিকে মহাকাশ জুড়ে রয়েছে বিশাল আকারের চৌম্বক ক্ষেত্র। সেই সাথে রয়েছে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল। মহাকর্ষ চৌম্বক ক্ষেত্র এবং বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের সাথে মিথস্ত্রিয়া করে গড়ে তোলে কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন বল যা ভরশক্তি সমীকরণ তত্ত্ব মতে এক প্রকার শক্তি। যেহেতু শক্তির ভর আছে এবং একাধিক ভরের (Mass) সমন্বয়ে ওজন (Weight) গঠিত এবং যেহেতু নিম্নমুখী শক্তিতে সৃষ্টি হয় নিম্নচাপ সেহেতু এই চাপই আমাদের মাথার উপর চেপে বসায় আমাদের উপর বায়ুর উর্ধ্বচাপ হয়ে পড়ে অকার্যকর। অন্যদিকে অন্যান্য মহাবলের তুলনায় মহাকর্ষ দূর্বল প্রকৃতির হওয়ার কারণেই আমরা মহাকর্ষের চাপ অনুভব করি না। যেমন অতি ক্ষুদ্র ভর সম্পন্ন হওয়ার কারণে নিউট্রিনো কণার অস্তিত্ব আমরা অনুভব করি না অথচ আমরা নিউট্রিনোর মহাসাগরে আকন্ঠ নিমজ্জিত। প্রতিনিয়ত আমাদের দেহের এ ফোড়ঁ ওফোঁড় করে অনায়াসে চলে যাচ্ছে ভরযুক্ত অজস্র নিউট্রিনো কণা। তাছাড়া উদ্ভিদ ভোজির কারণে আমাদের দেহেও রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম। বৃদ্ধ এবং রোগজনিত দূর্বল রোগীদের ম্যাগনেটিক পাওয়ার কমে যাওয়ায় তাদের লাঠিভর করে চলতে হয়। ম্যাগনেটিক ব্যালান্সলেসের কারণে ঘুমন্ত মানুষ ঢলে পড়ে। দূর্বল প্রকৃতির রোগী বা বৃদ্ধ পানিতে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ঘোড়া ছাড়া অন্য প্রাণী তাই দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে না। নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানমতে, প্রত্যেক বস্ত্ত আলাদা, আলাদা পক্ষান্তরে ফারাবী আল আরাবির পরমাণু তত্ত্ব এবং ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কীয় কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানমতে, প্রত্যেক বস্তু-পদার্থ আলাদা আলাদা নয় বরং একসূত্রে গাঁথা। উদাহরণস্বরূপ, কেহ যদি একটি আপেল হাতে নিয়ে একটি অন্ধকার ঘরে আবদ্ধ থাকে তখন ইচ্ছা করলে আপেলটি টর্চলাইটে পরিণত করে অন্ধকার দূর করতে পারেন।কিংবা টর্চলাইট হাতে নিয়ে আবদ্ধ থাকলে এবং ক্ষুধার সময় যদি টর্চলাইটি আপেল বানিয়ে নিতে চান তাহলে পবিত্র কুরআনের সূরাহ হাদীদের নিম্নোক্ত ২৫নং আয়াত, সূরাহ ইউনুসের ৮১ নং আয়াত কিংবা আইনস্টাইনের ভর শক্তিসমীকরণ প্রয়োগ করে স্ট্রিং তাত্ত্বিকভাবে অনায়াসে আপেল বানিয়ে নেওয়া যেতে পারেঃ

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah

নিউট্রিনো