মহাকর্ষের গোড়ার কথা

► আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সেদিন আমি আকাশমণ্ডলী গুটিয়ে নেব যেমন লিখিত কাগজপত্র গুটিয়ে রাখা হয়। ’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ১০৪) ► আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে (ধরে) স্থির রাখেন, যাতে ওরা কক্ষচ্যুত না হয়। [১] ওরা কক্ষচ্যুত হলে তিনি ব্যতীত কেউ ওগুলিকে স্থির রাখতে পারে না। [২] তিনি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।[৩] ► পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘সূর্য তার নির্ধারিত পথে ছুটে চলে। চাঁদেরও রয়েছে নির্ধারিত কক্ষপথ। (সুরা ইয়াসিন, আয়াত : ৩৮,৩৯) ঝুঁকি বাড়ছে আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলিটিভিটি থিও, ঝুঁকিতে আছে খোদ স্ট্যান্ডার্ড মডেলও ► যেই কোয়ান্টামের কারণে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেলে ঠাঁই হচ্ছে না মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় মহাকর্ষের সেই কোয়ান্টাম বাস্তব বিজ্ঞান জগতে কতটুকু কার্যকর-যেখানে ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের সরব অস্তিত্ব উপলদ্ধি সত্ত্বেও মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোর ভিত্তিমূল স্ট্রেন্জ কোয়ার্কের মতো টিকিটা পর্যন্ত দেখা মিলছে না-প্রশ্ন বটে! অবশ্য আধুনিক বিজ্ঞান এখনও পুরোপুরি কোয়ান্টাম তত্ত্ব মেনে চলছে এবং এতে ঝুঁকি বাড়ছে কেবল আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলিটিভিটি থিওরির নয়, ঝুঁকিতে আছে খোদ স্ট্যান্ডার্ড মডেলও। স্মরণ করা যেতে পারে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর সার্ণ কর্তৃক বিজ্ঞান সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়, ১৬০০০ তম অপেরা প্রোজেক্টের পরীক্ষান্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, নিউট্রিনো আলোর গতির চাইতে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে আছে। ► মহাবিশ্বের সংঙ্গে আমাদের পরিচয় দৃশ্যমান বস্তুর আঙ্গিকে। পরমাণু ও পরমাণু দ্বারা গঠিত যৌগ বস্তু/পদার্থ দিয়ে এই দৃশ্যমান বিশ্ব গঠিত। গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস ঈসাব্দপূর্ব ৪০০ অব্দে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম বস্তু ‘কণা’ (atom) নিয়ে মতবাদ পোষণ করেন। গ্রীক ‘অ্যাটোমাস’ (atomas) শব্দ থেকে এটম (atom) শব্দটির বুৎপত্তি- যার অর্থ আর ভাঙা যাবে না অর্থাৎ এটম অবিভাজ্য। পরবর্তীতে মধ্যযুগে জাবির ইবনে হাইয়ান আল আরাবি ডেমোক্রিটাসের এটম-কে যথাক্রমে ১. আব, ২. আতস, ৩. খাক, এবং বাত-বস্তু/পদার্থের এই চতুর্মাত্রিক রূপ দান করেন।পক্ষান্তরে অ্যারিষ্টটলের মতে, পদার্থসমূহ নিরবচ্ছিন্ন (continuous) একে যতই ভাঙ্গা হোক না কেন, পদার্থের কণাগুলো ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতর হতে থাকবে। বিজ্ঞানী রাদার ফোর্ড তার পরীক্ষালব্ধ ফলাফল থেকে বলেন যে, পরমাণু হলো ধনাত্মক আধান ও ভর একটি ক্ষুদ্র জায়গায় আবদ্ধ’। তিনি এর নাম দেন ‘নিউক্লিয়াস’। প্রোটন ও ইলেকট্রন নিয়ে গঠিত হয় পরমাণু কেন্দ্র-এই কেন্দ্রকে বলা হয় নিউক্লিয়ার্স। নিউক্লিয়ার্স এর চার পাশে ঘুরতে থাকে পরমাণুর ইলেকট্রন। “পরমাণু তৈরি হয় ইলেকট্রন আর প্রোটন দিয়ে। অন্য দিকে প্রোটন-নিউট্রন তৈরি হয় কোয়ার্ক দিয়ে” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২১)। “সব মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভেতর ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা এক নয়, প্রতিটির আলাদা” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২১)। “তাই এক মৌলের পরমাণুর সঙ্গে আরেক মৌলের পরমাণুর ভরের পার্থক্য দেখা দেবে এটা নিশ্চিত” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২১)। “পরমাণুকে ভাঙলে শেষ পর্যন্ত যা পাওয়া যাবে তা হচ্ছে কোয়ার্ক আর ইলেকট্রন” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২১)। কোয়ার্ক আর ইলেকট্রন আসলো কোত্থেকে?‌ “পরমাণু জগতে এত এত কণা, কিন্তু এসব কণা কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না” (বিজ্ঞানচিন্তা)। দৃশ্যমান মহাবিশ্বকে দেহ ধরা হলে মহাবিশ্বের প্রাণ বলা যেতে পারে প্রকৃতি (নেচার)-কে। বস্তুতঃ মহাবিশ্বের তাবৎ জ্ঞান একীভূত রয়েছে এই প্রকৃতি শব্দের মধ্যে। নিকট অতীতেও মহাবিশ্বের সার্বিক জ্ঞানের একক নাম ছিল প্রকৃতি। ফিজিক্সের ভিত্তিমূল হচ্ছে প্রকৃতি। ফিজিক্স ইংরেজী শব্দ যা গ্রীক........শব্দ থেকে নিস্পন্ন যার বাংলা অর্থ হচ্ছে প্রকৃতি ইংরেজীতে নেচার। হালে ফিজিক্স বলতে মূলতঃ বা কার্যতঃ ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স (পদার্থ বিজ্ঞান)-কে বুঝানো হয়ে থাকে। ফলে ব্যাপক অর্থবোধক ফিজিক্স সার্বিকভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে বস্তু-পদার্থ তান্ত্রিকতায়। ফলশ্রুতিতে বিশেষ এবং আপেক্ষিকতার সফলতার পর আইনস্টাইন আর এগুননি। তিনি বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সফল পরিসমাপ্তির লক্ষ্যে বাকী চার দশক সময় অতিবাহিত করেছিলেন সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের গবেষণায়। তাঁর মৃত্যুর অন্ততঃ.....বছর পর ১৯৭০ সালে আবদুস সালাম........প্রমুখ কোনোমতে তাত্ত্বিকভাবে ৩ মহাবল-কে একীভূতকরণে সফল হলেও পুরোপুরি সফল হতে পারেন নি। কারণ চতুর্থ মহাবল মহাকর্ষকে কোনো বলের সাথে মিথস্ত্রিয়া করা সম্ভবপর হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, মহাকর্ষের প্রতিবল গ্র্যাভিটন কণা এখনও কল্পনা হয়ে আছে। এর উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, ব্ল্যাকহোলের সিঙ্গুলারিটি বা ঘটনা দিগন্ত যেখান থেকে আলো পর্যন্ত বেরিয়ে আসতে পারে না, হজম হয়ে যায় ব্ল্যাকহোলের পেটে। এছাড়া কোয়ান্টাম থিওরির নামে ইলেকট্রন, নিউট্রিনো, সূর্যের ...........কণার মাঝপথে হঠাৎ ভেক বা ধরন পরিবর্তন করে তরঙ্গ ফাংকশনে রূপ লাভ করে .........সাথে মিথস্ক্রিয়া করে...... এসব ব্যাপার স্যাপার বিজ্ঞানীদের অনেকটা টেলিপ্যাথিতে পরিণত হওয়ায় “অবিশ্বাস্য হলেও সত্য”, “অদ্ভূতুড়ে”, “অতিপ্রাকৃতিক” ইত্যাদি শব্দে/বাক্যে প্রকৃত সত্য উপেক্ষা ব্যতিত এর কোনোরূপ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দেয়া সম্ভব না হওয়ায় গত বিংশ শতাব্দীর শেষদিকে বিজ্ঞানীরা নতুন বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে এই বিজ্ঞানের নাম করণ করেছিলেন ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স । বিজ্ঞানীরা আশা করছেন নতুন এই বিজ্ঞান সার্বিক একীভূতকরণে সহায়ক হতে পারে। মহাকর্ষের গোড়ার কথা মহাবিশ্বের বুদ্ধিমাত্রিক সরুপ ► কখনো কি ভীষণ বিস্ময়ে ভেবেছেন, আপনি পৃথিবীতে আটকে আছেন কেন? মহাকাশে ছিটকে পড়ছেন না কেন? এর একটিই উত্তর, মহাকর্ষ। এই বলটাই আপনাকে ভূপৃষ্ঠে আটকে রেখেছে। মহাকর্ষ ছাড়া আমরা কেউই পৃথিবীতে আটকে থাকতে পারতাম না, থাকতে হতো মহাশূন্যে ভেসে। অবশ্য তখন মহাবিশ্বও পরিণত হতো ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন ও বিশালাকৃতির গ্যাস আর ধূলিকণায়। মহাকর্ষ না থাকলে গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ বলে কিছু থাকত না। কাজেই বলতেই হচ্ছে, মহাকর্ষের প্রভাব বলেন আর প্রতিপত্তি বলেন, তা বিশাল, বিপুল। অনেক বড় পরিসরের। ► “বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর মানে দাঁড়ায়, মহাকর্ষকে বাতিল করা যায় না। সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত। কিন্তু পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে। তাই তারা বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে পরস্পরকে সেভাবে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়। তাই সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল বাতিল হয়ে যায়। ÒAvmgvb-hgxb, Avik Kzimx, jvIn-Kjg, MvQ cvjv, e…¶ jZv, GK K_vq `…k¨gvb I A`…k¨ hZ wKQz i†q†Q me wKQzB m…wó K†i†Qb gnvb AvjøvnÓ|(dvZIqv†q wmwÏKxb, 1g LÛ, c…ôvt 33, KziAvb nv`xm wimvP© †m›Uvi (dzidziv `iev†ii M†elYv cÖwZôvb) ► “কখনো কি ভীষণ বিস্ময়ে ভেবেছেন, আপনি পৃথিবীতে আটকে আছেন কেন? মহাকাশে ছিটকে পড়ছেন না কেন? এর একটিই উত্তর, মহাকর্ষ। এই বলটাই আপনাকে ভূপৃষ্ঠে আটকে রেখেছে। মহাকর্ষ ছাড়া আমরা কেউই পৃথিবীতে আটকে থাকতে পারতাম না, থাকতে হতো মহাশূন্যে ভেসে। অবশ্য তখন মহাবিশ্বও পরিণত হতো ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন ও বিশালাকৃতির গ্যাস আর ধূলিকণায়। মহাকর্ষ না থাকলে গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ বলে কিছু থাকত না। কাজেই বলতেই হচ্ছে, মহাকর্ষের প্রভাব বলেন আর প্রতিপত্তি বলেন, তা বিশাল, বিপুল। অনেক বড় পরিসরের”। ► “এই লেখাটা যাঁরা বিছানায় শুয়ে, বসে কিংবা মাটিতে দাঁড়িয়ে পড়ছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই জানেন মহাকর্ষ কী। অন্তত এটুকু নিশ্চয়ই জানেন, মহাকর্ষের টান না থাকলে এই লেখাটা পড়তে হতো মহাকাশে ভাসতে ভাসতে”। ► অন্য তিনটি মৌলিক বলের তুলনায় প্রায় ১০৩৬ ভাগ দুর্বল এই মহাকর্ষ। অর্থাৎ ১/১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ ভাগ। ► গ্যালিলিওর মৃত্যুর বছরে জন্ম স্যার আইজাক নিউটনের। তিনি অগ্রজ বিজ্ঞানীদের কাজগুলোকে পূর্ণতা দিলেন। দিলেন কেপলারের সূত্রের ব্যাখ্যা। গ্যালিলিও জড়তার নীতির গণিতিক প্রমাণ দিলেন। আবিষ্কার করলেন মহাকর্ষের সুন্দর ও কাঠামোবদ্ধ এক সূত্র। ► অন্যান্য বলের তুলনায় মহাকর্ষের দুর্বলতা কতটুকু, তা বুঝতে আরেকটা পরীক্ষা করা যায়। সে জন্য দরকার হবে একটি চিরুনি ও ছোট ছোট টুকরা করে কাটা কিছু কাগজ। শুকনা চিরুনিটা দিয়ে আপনার মাথার শুকনো চুল কিছুক্ষণ আঁচড়ে কাগজের টুকরার কাছে ধরুন। দেখা যাবে, কাগজের টুকরাগুলোকে চিরুনিটা আকর্ষণ করছে। কিছু কাগজ চিরুনির সঙ্গে লেগেও যাবে। এর কারণ স্থির বিদ্যুৎ। চিরুনির সামান্য বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলও কাগজের টুকরাগুলোকে চিরুনির সঙ্গে আটকে রাখে। অথচ কাগজের টুকরাগুলোর ওপর পৃথিবীর মহাকর্ষ কাজ করছে। কিন্তু গোটা পৃথিবীর মহাকর্ষও চিরুনির সেই আকষ৴ণ ঠেকাতে পারছে না। এতে বোঝা যায়, বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের তুলনায় মহাকর্ষ কত দুর্বল। একটি ছোট চুম্বক লোহাজাতীয় কিছুর কাছে ধরলে তা বিশাল পৃথিবীর মহাকর্ষকে বুড়ো আঙুল দেখাবে। কারণে মহাকর্ষ কোয়ান্টাম মেকানিক্সে ব্যাখ্যার অতীত ► কোয়ান্টাম মেকানিকসের মাধ্যমে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা না করতে পারার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। প্রথমত স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষকে খাপ খাওয়াতে গেলে মহাকর্ষও কোনো কণার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় বলে কল্পনা করে নিতে হয় (বিজ্ঞানচিন্তা)। ► গ্রহ, নক্ষত্র ও ছায়াপথগুলোকে বৃহৎ পরিসরে নিয়ন্ত্রণ করে মহাকর্ষ। ► আইনস্টাইন মনে করেন, সব ধরণের শক্তিই হলো মহাকর্ষের উৎস। (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২১,পৃষ্ঠা ৬৩)। ► “মহাকর্ষীয় ভর বলে আমরা যেটাকে জানি, যার কারণে আমাদের ভারী ও হালকা অনুভূতি হয়, সেটা আসলে ওজন (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২০)। ► মহাকর্ষ বল শুন্য কোনো স্থানের কল্পনা করাও অসম্ভব (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০,পৃষ্ঠা ২১)। “মহাকর্ষ বলের প্রাবল্য যেখানে কম, সেখানে আপনার ওজন কম হবে, নিজেকে তত হালকা মনে করবেন আপনি। আর মহাকর্ষ প্রাবল্য খুব বেশি যেখানে, সেখান থেকে পা তুলতেই আপনি হিমশিম খাবেন” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০,পৃষ্ঠা ২১)। ► কথিত আছে লন্ডনে প্লেগ রোগ মহামারী আকার ধারণ করেছে। নিউটন প্লেগের হাত থেকে বাঁচতে লন্ডন ছেড়ে এক বাস করছেন গ্রামের বাড়িতে। সেখানেই তাঁর মাথায় মহাকর্ষ বলের কারণটা মাথায় আসে। সেটা ১৬৬৫ সালে। কাজ শুরু করেন সেটা নিয়ে। সঙ্গে ছিল গতিসূত্রের ব্যাখ্যা। দু বছর খেটেখুটে সেগুলো গণিতের ভাষায় লিখে ফেলন। জন্ম হয় কালজয়ী বই প্রিন্সিপিয়া অব ম্যাথমেটিকা। অদ্ভুত কারণে বইটি তিনি প্রকাশ করেন বিশ বছর পর। মহাকর্ষ, গতিসূত্র আর বলবিদ্যার আসল রহস্য তখন উন্মোচিত বিজ্ঞানী সমাজে। ► নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রের মূল সুর ছিল, মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুই পরস্পরকে আকর্ষণ করছে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তু দুটোর ভরের গুণফলের সমানুপাতিক। এবং দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপতিক। এই আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। মহাকর্ষ ► নিউটনের সূত্রমতে সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষ বল এমনভাবে থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দু'টিকে বেঁধে রাখার ফলে সূর্যের চারপাশের কক্ষপথে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে পৃথিবী (বিচি প্রাগুক্ত ৬৩) ► আপেক্ষিকতার সাধারণতত্ত্ব চূড়ান্তভাবে প্রণয়নের আগেই আইনস্টাইন বুঝতে পারেন যে, স্থান-কালের বক্রতার কারণে দুই নক্ষত্রের আলো সূর্যের পাশ দিয়ে পৃথিবীতে আসার সময় তার গতিপথ বেঁকে যায়। এতে স্থান কিছুটা বেঁকে যাওয়ায় আলোও বেঁকে চলে। আপেক্ষিকতার সাধারণতত্ত্বের সারমর্ম হলোঃ বস্ত্ত স্থান-কালকে কিভাবে বাঁকতেহবেঅআর বক্রতা স্থান-কাল-বস্তুকে বলে কীভাবে চলতে হবে (বিচি প্রাগুক্ত ৬৩) ► আইনস্টাইনের তত্ত্ব মতে,বক্র স্থান-কালই হলো মহাকর্ষ। অআমাদের স্থান চারমাত্রিক।কিন্ত্ত ত্রিমাত্রিক জীব হওয়ায় কারণে স্থান কালের এইউপত্যকাকে অআমরা বুঝতে পারি না। সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর গতি ব্যাখ্যা করতে আমাদের তাই এতকাল মহাকর্ষের মতো একটা বস্ত্ত উদ্ভাবন করতে হয়েছে (বিচি প্রাগুক্ত ৬৩) ► রহস্যময় মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যাকী? এই বল দূর্বল কেন? কেন অন্য বলগুলো মতো নয়? এর কারণ এমনও হতে পারে,মহাকর্ষ হয়তো বিশেষ বল । স্থানকালের বক্রতাই মহাকর্ষ। বিরাট আকারের বা অত্যন্ত ঘন কোনও বস্তুর আশেপাশের অঞ্চল ওই বস্তুর উপস্থিতির জন্যই বক্রতা প্রাপ্ত হয়। এই বক্রতা স্থানকালের অন্তর্বর্তী/স্বকীয় বক্রতা (Intrinsic Curvature) যাকে কোনওভাবেই দূর করা যায়না। ► মহাকর্ষকে অন্য বলের মতো হতে হবে কিংবা একটি মাত্র তত্ত্ব দিয়ে সব কিছু ব্যাখ্যা করতে হবে এমনটা নাও হতে পারে। বড় দৃষ্টিভঙ্গির দিকে আমাদের মন খোলা রাখতে হবে। কারণ, মহাবিশ্বের মৌলিক কিছু সত্য সম্পর্কে আমরা এখনো অন্ধকারে রয়ে গেছি (টানে সবাইকে কিন্ত্ত জড়ায় না, (বিচি, নভেম্বর, ২০১৯, বর্ষ ৬, সংখ্যা ২, পৃষ্ঠা৫৪)। (সি.আই.আর.এন.এন.মনে করেঃ মহাকর্ষের মৌলিক সত্য এটাও হতে পারে যে, মহাকর্ষ চাপে সবাইকে কিন্ত্ত টানে না) মানব দেহ কাদা মাটির সমন্বয়ে গঠিত। দেহ পচনশীল, ক্ষয়ুষ্ঞ কেবল উসউস ছাড়া। উসউস বীজ আকারে সুপ্তভাবে নিহিত থাকে। প্রাণীর প্রাণ দ্বিবিধঃ ১) মরণশীল, ২) আমরণ। মানবাত্মা ব্যব আয়রণ বা লৌহ কণিকা শুধু রক্তে নয়, দেহেরও অন্যতম খনিজ উপাদান। মানব দেহে এত পরিমাণ আয়রণ বা লৌহ কণিকা থাকে যদ্বারা একটি বড় মাপের পেরেক তৈরি সম্ভব যা দ্বারা একজন মানুষকে গেঁথে আটকানো যাবে বড়শিঁর মাছের মতো করে। মাটিতেও রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম বা চৌম্বকীয় উপাদান। মানব দেহেও বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলে কারণে কিংবা অন্য কারণে হোক মানব দেহেও ম্যাগনেট রয়েছে। ফলে পৃথিবীতে আটকে রাখার জন্য মাটির উপাদানগত ভূমিকা এবং দেহের উপাদান অভিন্ন হওয়ায় মাটি কখনও দেহকে আকর্ষণ করতে পারে না। না আয়রণিক না ম্যাগনেটিক কোনো ভাবে নয়। তাহলে আমাদের ভূত্বকে লেগে থাকার ক্ষেত্রে একমাত্র ভূমিকা দেখা যায় দৈহিক ওজন বা ভরের। দু'টি কণাকে একসঙ্গে রাখা হলে সেগুলোর মধ্যকার মহাকর্ষ বল প্রায় শূন্য হতে দেখা যায়। আর তখন সেখানে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, সবল ও দূর্বল পারমাণবিক বল অনেক বেশি শক্তিশালী ।(বিচি, নভেম্বর, ২০২১, পৃঃ ৫৩)। 1764 mv‡j weÁvbx AvBRvK wbDUb gnvwe‡k¦i ci¯úi †hvMm~Înxb e¯‘mg~‡ni mvg¨ve¯’v eRvq _vKv Ges m~‡h©i Pviw`‡K MÖnmg~‡ni N~Y©‡bi KviY wnmv‡e GK ai‡bi mve©Rbxb e‡ji aviYv Dc¯’vcb K‡ib| Gi bvg †`qv nq gnvKl© ej| GB ej n‡jv gnvwe‡k¦i cÖ‡Z¨KwU e¯‘ KYvi g‡a¨ ci¯úi‡K AvKl©Y ej| A_©vr †h ej Øviv gnv we‡k¦i cÖwZwU e¯‘ KYv G‡K Aci‡K wb‡Ri w`‡K AvKl©Y K‡i Zvi bvg gnvKl© ej| GB gnvKl© ej m¤ú‡K© wbDUb GKwU m~Î †`b| GwU wbDU‡bi gnvKl© e‡ji m~Î bv‡g L¨vZ| m~ÎwU n‡jv: gnvwe‡k¦i cÖwZwU e¯‘KYv G‡K Aci‡K wb‡Ri w`‡K AvKl©Y K‡i| GB AvKl©Y e‡ji gvb e¯‘KYv؇qi f‡ii ¸Yd‡ji mgvbycvwZK, G‡`i ga¨eZx© `~i‡Z¡i e‡M©i e¨¯ÍvbycvwZK Ges GB ej e¯‘KYv؇qi †K›`ª ms‡hvRK mij †iLv eivei wµqv K‡i| এমন একটি তত্ত্ব নির্মাণ করা, যা প্রকৃতির সবগুলো বলকে একীভূত করতে পারে। মূলধারার গবেষকরা বুঝতে পারেন, প্রকৃতিতে যে চারটি মৌলিক বল আছে তাদের একীভূত না করতে পারলে নতুন নতুন সমস্যার সমাধান করা সম্ভব না। আর প্রকৃতিকেও বোঝা সম্ভব না। আইনস্টাইনের স্বপ্নের “ ইউনিফাইড ফিল্ড থিওরি ” তখন বিজ্ঞানীদের বাস্তব প্রয়োজন হয়ে দ্বারায় এমন একটি তত্ত্ব গঠন যা প্রকৃতির জানা সকল বল ও ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে; এমন একটি সমীকরণ, যা দিয়ে প্রকৃতির সবকিছু বর্ণনা করা যায়। আইনস্টাইনের বিশ্বাস ছিল, এমন একটি তত্ত্ব অবশ্যই আছে, যা দিয়েই প্রকৃতির সবকিছু বর্ণনা করা যাবে। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের মৃত্যুর পর, বিশ্বের সব পত্রিকার শিরোনাম করা হয়, “The unfinished manuscript of the greatest work, of the greatest scientist of our time”। কি সেই অসমাপ্ত কাজ ? আর কেনই বা তার মত একজন কিংবদন্তী বিজ্ঞানী তা শেষ করে যেতে পারলেন না ? আইনস্টাইন তার জীবনের শেষ ৩৫ বছর এই অসমাপ্ত কাজ শেষ করার চেষ্টা করে গেছেন, কিন্তু কোনভাবেই কুল-কিনারা করতে পারেন নি। সাধারণ মানুষের কাছে তাই সবচেয়ে বড় ধাঁধা ছিল, কি এমন কাজ যা আইনস্টাইনের মত একজন বিজ্ঞানী তার জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত চেষ্টা করেও সফল হতে পারলেন না !তিনি যে তত্ত্বের জন্য তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে গেছেন তার নাম, ইউনিফাইড ফিল্ড থিওরি(Unified Field Theory) বা “সমন্বিত ক্ষেত্র তত্ত্ব” । আইনস্টাইন মারা যাবার দশক দুয়েক পরেই বেশ কিছু বড়সড় পরিবর্তন আসে। ষাটের দশকের শেষের দিকে বিজ্ঞানীরা এমন একটি তত্ত্বের প্রয়োজন অনুভব করেন। তখন নতুন নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে পরমাণুর জগত ও মহাকাশের অনেক অজানা রহস্য উন্মোচিত হতে থাকে। এসময় তাদের প্রধান লক্ষ হয়ে দ্বারায় এমন একটি তত্ত্ব নির্মাণ করা, যা প্রকৃতির সবগুলো বলকে একীভূত করতে পারে। মূলধারার গবেষকরা বুঝতে পারেন, প্রকৃতিতে যে চারটি মৌলিক বল আছে তাদের একীভূত না করতে পারলে নতুন নতুন সমস্যার সমাধান করা সম্ভব না। আর প্রকৃতিকেও বোঝা সম্ভব না। আইনস্টাইনের স্বপ্নের “ ইউনিফাইড ফিল্ড থিওরি ” তখন বিজ্ঞানীদের বাস্তব প্রয়োজন হয়ে দ্বারায় এমন একটি তত্ত্ব গঠন যা প্রকৃতির জানা সকল বল ও ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে; এমন একটি সমীকরণ, যা দিয়ে প্রকৃতির সবকিছু বর্ণনা করা যায়। আইনস্টাইনের বিশ্বাস ছিল, এমন একটি তত্ত্ব অবশ্যই আছে, যা দিয়েই প্রকৃতির সবকিছু বর্ণনা করা যাবে। মহান ধর্ম ইসলামে আলহামদুলিল্লাহতে রয়েছে ইউনিফাইড ফিল্ড থিওরি(Unified Field Theory) বা “সমন্বিত ক্ষেত্র তত্ত্ব” এর সারমর্ম। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র অআল্লাহতে কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। ইউনিফাইড ফিল্ড থিওরি(Unified Field Theory) বা “সমন্বিত ক্ষেত্র তত্ত্বে যেমন বহুত্বের অবকাশ নেই তেমনি ইসলামের একত্ববাদেও বহুত্বের অবকাশ নেই।বিজ্ঞানীরা বস্ত্তগত দৃষ্টিতে ইউনিফাইড ফিল্ড থিওরি(Unified Field Theory) বা “সমন্বিত ক্ষেত্র তত্ত্ব” এর মাধ্যমে কোনো এক বস্ত্তগত বিন্দুকে একক উৎস বিশ্বাস করতে উৎসাহী। অবস্ত্তগত অ্যাবাস্ট্রাক্ট হিসাবে কোনো অসীম সত্বার অস্তি্ত্বের হাতছানি যখনই বিজ্ঞানীরা লাভ করেন তখনই তা এড়িয়ে যেতে পছন্দ করেন। বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে কেবল মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বে বর্তমান পদার্থ বিজ্ঞান স্থির রয়েছে তা নয় বিজ্ঞান এ ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে রয়েছে বিগ ব্যাং পূর্ববর্তী অবস্থা জানান দিয়ে। পূর্বাবস্থাটির নাম হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন (উচ্চ শক্তির বিকিরণ)।বলা যায় বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার এখানেই যাত্রাবিরতি। যদিও সংগত কারণে একটি প্রশ্ন এসে যায় যে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন (উচ্চ শক্তির বিকিরণ) এর পূর্বে কি ছিল? প্রশ্নটি অভূতপূর্ব কিংবা অশ্রুতপূর্ব অর্থাৎ অনুত্থাপিত বিধায় পদার্থ বিজ্ঞানে এ বিষয়ে গবেষণা নেই বল্লেই চলে। তবে বিজ্ঞানীরা অতিপারমাণবিক অন্দর মহলের গভীরে যতই যাচ্ছেন ততই এ ধরণের অসীমত্বের প্রশ্ন ক্রমাগত এসে পড়ে পড়ায় নতুন বিজ্ঞানের তাগিদ অনুভব করছেন ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স নামে। ২০১১ সালে নিউট্রিনোর অআলোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়ার সার্ণ কর্তৃক ঘোষণার পর Particle: “এত এত মৌলিক কণা প্রকৃতিতে। এখন পর্যন্ত এরা অন্য কিছু দিয়ে তৈরি বলে জানা নেই(বিচি, মার্চ, ২০২০, পৃঃ ৪৪) ” প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের প্রতিটির জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক প্রতি কণা। সবল নিউক্লিয় বলের জন্য রয়েছে গ্লুয়ন, দূর্বল নিউক্লিয় বলের জন্য ডব্লিউ ও জেড বোসন অআর বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের জন্য ফোটন বা আলোর কণা, মহাকর্ষের জন্য সম্ভাব্য গ্র্যাভিটন কণা। স্থান-কালের বক্রতা অনেক গভীর থেকে গভীরতর হলে এবং ক্রমেই অসীম হয়ে গেলে, সেখানে স্থান-কালের প্রচলিত নিয়ম-কানুন আর প্রয়োগ করা যায় না (বিচি, মার্চ, ২০২০, পৃঃ ৪০) https://www.blogger.com/blog/posts/7892812967245174455 ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট (Photo electric effect) ► যে ধাতব পদার্থের ওপর যথোপযুক্ত কম্পাঙ্কের দৃশ্যমান আলোক কিংবা অন্য কোনো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ আপতিত হলে ওই পদার্থ হতে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই ঘটনাকে আলোক তড়িৎ কিয়া বা ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট (Photo electric effect) বলে। ► আলোক রশ্মি যখন কোনো ধাতবপৃষ্ঠে আপতিত হয় তখন ধাতবপৃষ্ঠের ইলেকট্রন আলোক রশ্মি থেকে শক্তি গ্রহণ করে। যখনই ইলেকট্রন দ্বারা গৃহীত শক্তি ধাতবপৃষ্ঠে তার বন্ধন শক্তির চেয়ে বেশি হয়, তখনই ইলেকট্রন ধাতবপৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হয় বা বেরিয়ে আসে। এ ঘটনাকে ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া বা আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলা হয়। ► ইলেকট্রন নিঃসরনের জন্য ধাতবপৃষ্ঠে যথোপযুক্ত কম্পাঙ্কের আলো ফেলতে হয় তা না হলে ইলেকট্রন নিঃসরণ হয় না। নিঃসৃত ইলেকট্রনকে বলা হয় ফটো ইলেকট্রন। নির্গত ইলেকট্রন প্রবাহিত হওয়ার ফলে যে তড়িৎ প্রবাহ চলে তাকে বলা হয় ফটো তড়িৎ প্রবাহ। সোডিয়াম, পটাশিয়াম, সিজিয়াম ইত্যাদি ক্ষারধর্মী পদার্থের উপর দৃশ্যমান আলো আপতিত হলে ফটো ইলেকট্রন নির্গত হয়। এক্স-রে বা গামা-রশ্মির প্রভাবে সব ধাতব পদার্থে আলোক তড়িৎক্রিয়া সংঘটিত হয়। ► যথোপযুক্ত উচ্চ কম্পাঙ্কবিশিষ্ট আলোক রশ্মি কোনো ধাতবপৃষ্ঠে আপতিত হলে তা থেকে ইলেকট্রন নিঃসৃত হয়, এ ঘটনাকে ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া বা আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলে।https://nagorikvoice.com/6264/ ► “এ পর্যন্ত মহাবিশ্বের মূল কণিকার সংখ্যা হলো ১৬। এগুলোর মধ্যে সব ধরণের কোয়ার্ক-ইলেকট্রনসহ ১২টিকে বলে ফার্মিয়ান শ্রেণীর কণা। আলোর ভরশুন্য ফোটন কণাসহ বাকী ৪টিকে বলে বোসন শ্রেণীর কণা। কিন্তু স্ট্রিং তত্ত্ব অনুযায়ী এই ১৬টি কণাই শেষ কথা নয়, বস্তুর আরও ক্ষুদ্রতম অস্তিত্ব রয়েছে, সেটা হলো স্ট্রিং তন্তু। স্ট্রিংয়ের ঘূর্ণনেই বস্তুর কণার সৃষ্টি” (বিজ্ঞান চিন্তা)। ইলেকট্রন উৎপাদনঃ স্ট্রিংয়ের দলিল-প্রমাণ‌ ► ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট এর এক্সপেরিমন্টে বায়ুশূন্য একটি কোয়ার্টজ নলের মধ্যে দস্তার তৈরি দুটি পাত যুক্ত করা হয়। একটি পাত সোডিয়াম, পটাশিয়াম, সিজিয়াম ইত্যাদি ক্ষারধর্মী পদার্থযুক্ত প্রলেপ অন্য পাতটি প্রলেপবিহীন অবস্থায় থাকে। ক্ষারকীয় প্রলেপযুক্ত পাতটিকে তড়িৎ কোষ তথা ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয় আর প্রলেপবিহীন পাতটিকে একটি গ্যালভানোমিটারের মাধ্যমে ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। এবার প্রলেপযুক্ত পাতের উপর উচ্চ কম্পাঙ্কবিশিষ্ট আলোক রশ্মি আপতিত হতে দিলে সেখানকার ধাতু থেকে বিভিন্ন মাত্রার উচ্চগতি সম্পন্ন ইলেকট্রন নির্গত হবে। পতিত আলোর ইনটেন্সিটি (তীব্রতার) এর উপর নির্ভর করে ইলেকট্রনের সর্বোচচ গতিশক্তি। ► নির্দিষ্ট কম্পাংকের আলো যখন মেটালিক সারফেসে (পরিবাহী তলে) পতিত হয় তখন সে সারফেস থেকে ইলেক্ট্রন নির্গত হয়। সব কম্পাংকের আলো থেকে ইলেক্ট্রন নির্গত হয় না। ► সহীহ সনদে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন এর অর্থ হচ্ছেঃ আসমান ও যমীন পরস্পর মিলিত ছিল তারপর আমরা সে দুটিকে পৃথকীকরণ করেছি। হাসান ও কাতাদা রাহেমাহুমাল্লাহ বলেনঃ এতদুভয়ের মধ্যে বাতাস দ্বারা পৃথকীকরণ করেছেন। [ইবন কাসীর; কুরতুবী] ► আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সেদিন আমি আকাশমণ্ডলী গুটিয়ে নেব যেমন লিখিত কাগজপত্র গুটিয়ে রাখা হয়। ’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ১০৪) String Theory ► “ধরা যাক, ইলেকট্রন বা কোয়ার্কের কথা। এগুলোকে যদি খুব সূক্ষ্ণভাবে দেখা যেতো, তাহলে দেখতাম, আসলে এগুলো কণা বা বিন্দু নয়, সুতার মতো অতি সূক্ষ্ণ তন্তুর কম্পন। সুতার বিভিন্ন মাত্রার কম্পনের ফলে বিভিন্ন কণার সৃষ্টি। ইলেকট্রনের জন্য তন্তুর (সুতার) কম্পনের মাত্রা এক রকম। কোয়ার্কের জন্য তন্তুর কম্পনমাত্রা আরেক রকম। অন্য ১৪টি কণার জন্য তন্তুর আলাদা কম্পন নির্দিষ্ট আছে। তন্তুর কম্পনের মাত্রাই ঠিক করে দেয় কম্পন থেকে সৃষ্ট কণার ভর, চার্জ, স্পিন কেমন হবে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই এক ধরণের কণা আরেক ধরণের কণার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। এ সব বিচিত্র কণা দিয়েই গড়ে উঠেছে আমাদের মহাবিশ্ব। এই বিশ্ব তাই সুতায় বোনা মহাবিশ্ব” (বিজ্ঞান চিন্তা)।

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah

নিউট্রিনো

উপসংহার