Final Insha Allah

1► “এই মহাবিশ্ব কোথা থেকে এলো? এটা হলো আদি প্রশ্ন। ১৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণ ঘটেছিল, যা থেকে এই মহাবিশ্ব জন্ম নিল। কেন? কেমন করে? তার আগে কী ছিল? কেউ জানে না” (বিচি, জুন, ২০১৯, পৃঃ ৩৬-৩৭)। রিভিউ নং- ৩ঃ ► প্রথম প্রশ্নটি হচ্ছেঃ “এই মহাবিশ্ব কোথা থেকে এলো? তার জবাবে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরির আওতায় ১৯৬৪ সালে মহাবিশ্বের আদি অবশেষরূপে প্রাপ্ত Back Ground Radiation এর Computer Simulation মাধ্যমে জানা যায় যে,আজ থেকে অন্ততঃ ১৩.৭৫ কোটি বছর পূর্বে বিদ্যমান "উচ্চশক্তির বিকিরণে" (Highest Enegetic Radiationn ) সংঘটিত এক মহাবিস্ফোরণের (Big Bang) ফলে আজকের এই দৃশ্যমান মহাবিশ্বের (Universe) উদ্ভব হয়েছিল। 2দ্বিতীয় প্রশ্নটি হচ্ছে কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে? এ প্রশ্নটি সম্পর্কে স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে চিন্তা-ভাবনা-আলোচনা কিংবা গবেষণা আদৌ আছে কিনা আমাদের জানা নেই। তবে ইসলামী সৃষ্টিতত্ত্বে বলা হয়েছে যা কিছু সৃষ্টি করা হয়েছে তা কেবল মানুষের জন্যই। উদাহরণস্বরূপ, স্থানিকভাবে পৃথিবীর অবস্থান সৌরজগত বা গ্যালাক্সি জগতের কেন্দ্রস্থলে কিনা আমাদের জানা নেই। তবে চাঁদ-সূর্যের যে আয়তন এবং যে অবস্থান তা যেন অনেকটা পৃথিবীকে কেন্দ্র করে বা উপলক্ষ্য করেই করা হয়েছে। পৃথিবীর চাইতে ১৩ লক্ষ গুণ বড় সূর্যকে ১৩ লক্ষ গুণ ছোট পৃথিবীর ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল দূরত্বে স্থাপন করা হয়েছে যাতে পৃথিবীতে সহজে সূর্য গ্রহণ সম্পন্ন হয় এবং পৃথিবীর তুলনায় চাঁদের আয়তন ৫০ ভাগের ১ ভাগ । পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪,৪০০ কিলোমিটার (প্রায় ২৩৮,৮৫৫ মাইল)। দেখা যাচ্ছে, চাঁদকে এমন অবস্থানে অবস্থান করা হয়েছে যাতে অনায়াসে চন্দ্র গ্রহণ সম্পন্ন করা যায়। যতক্ষণ না তাপমাত্রা মানব জাতির সহনীয় হয়নি ততক্ষণ বিগ ব্যাং পরবর্তী বৈশ্বিক তাপমাত্রা 1000 ট্রিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে তাপমাত্রার সিঙ্গুলারিটি হিসেবে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে স্থির হয়নি। বর্তমানে যে অসহনীয় তাপমাত্রা তা ফরাসী শিল্প বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ জনিত কারণে মর্মে জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ প্যানেল কমিটির সর্ব সম্মত অভিমত। এই হচ্ছে মহাবিশ্ব কেন জন্ম নিল? তার আধ্যাত্মিক উত্তর। IRRSTC মনে করে যে, বিজ্ঞানের সাথে আধ্যাত্মিকতার দূরত্ব বা ব্যবধান নিরসনে নিহিত রয়েছে আইনস্টাইনের লালিত স্বপ্নের Grand Unification Theory (সার্বিক একীভূত তত্ত্ব) সফল বাস্তবায়ন। কারণ, আধ্যাত্মিকতা ছাড়া বিজ্ঞান অসম্পূর্ণ (আইনস্টাইন)। তাপমাত্রার তারতম্যের উপর ভিত্তিশীল পৃথিবীর ঋতুচক্র । ঋতুচক্র পৃথিবীর বৈচিত্র্য সুরক্ষা করে মানব জীবনকে করে তোলে প্রাণবন্ত। 3তৃতীয় প্রশ্নটি হচ্ছে : কেমন করে মহাবিশ্বের জন্ম হলো? মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি জানায়, বিগ ব্যাং মডেল অনুযায়ী মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল একটা ভীষণ ঘন ও উষ্ণ দশা থেকে। সেই সময় থেকে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ চলেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা শুরুর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মহাবিশ্বের অতিস্ফিতী (inflation) হয়- যা কিনা দেশ বা স্থানের প্রতিটি অংশে প্রায় একই তাপমাত্রা স্থাপন করতে সাহায্য করে। বিগ ব্যাংয়ের শুরুতে কোনো কণার উদ্ভব হয়নি। মহাবিশ্বের শুরুতে ভরশুন্য আলোর কোয়ান্টা ফোটন আর ফোটনের বন্যা বইছিল। পরবর্তীতে সম্ভবতঃ ভরশুন্য ফোটন হিগস ফিল্ডে বিরাজমান শক্তির সংস্পর্শে ভরসম্পন্ন বোসন কণায় পরিণত হয়ে পরবর্তীতে গ্রহ-উপগ্রহ,সৌরজগত,গ্যালাক্সির উদ্ভব ঘটায়। 4চতুর্থ প্রশ্নটি হচ্ছে : তার আগে অর্থাৎ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কী ছিল? কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি মতে, জন্ম নেয়ার আগে ডার্ক এনার্জি,ডার্ক ম্যাটারসহ ৪ মহাবল যথাক্রমে মহাকর্ষ,বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল,সবল এবং দূর্বল নিউক্লিয় বলের সমন্বয়ে মহাবিশ্ব ফোটনসহ সকল ভরশুন্য এবং হিগসবোসন, কোয়ার্ক, ইলেকট্রনসহ সকল ভরযুক্ত মৌলিক অণু কণার একক বিন্দু কিংবা স্ট্রিং তথা মহাবিশ্বের বীজ 'হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন'(উচ্চশক্তির বিকিরণ) অবস্থায় বিদ্যমান ছিল। কিন্ত্ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কী ছিল? এ ধরণের বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন পদার্থ বিজ্ঞানে রয়েছে কিনা আমাদের জানা নেই। বরং মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে বলা হয়ে থাকেঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এই চতুর্মাত্রিক বিশ্বে ত্রিমাত্রিক দুই চক্ষু বিশিষ্ট জীব মানুষের আয়ত্বের বাইরে-যার কারণে এই প্রশ্নের জবাবে বলা হয়ঃ তার আগে অর্থাৎ "হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের আগে কী ছিল কেউ জানে না"। (বিজ্ঞানচিন্তা, জুন, ২০১৯, পৃঃ ৩৬-৩৭)। তবে প্রশ্ন করার জন্য উৎসাহিত করেছেন প্রখ্যাত মার্কিন জ্যােতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগান। তিনি বলেনঃ "আমরা পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে পারি আমাদেরর প্রশ্ন করার সাহস ও উত্তরের গভীরতা দিয়ে" (বিজ্ঞানচিন্তা)। এমতাবস্থায়, IRRSTC মনে করে, সাগান কথিত "উত্তরের গভীরতা" দিয়ে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্ব অবস্থা খতিয়ে দেখা যেতে পারে। আর তা পাওয়া যেতে পারে পরমাণুর অন্দর মহলে বারে বার অসীমের যে হাতছানি বিজ্ঞানীরা পাচ্ছেন তাতে সাড়া দেওয়ার মাধ্যমে। উল্লেখ্য, আইনস্টাইনই তার বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে 'অসীম' শব্দ ব্যবহার করে বলেছিলেন যে, কেবল 'অসীম শক্তি' ব্যতিত কণা পদার্থ আলোর বেগ প্রাপ্ত হতে পারে না। তবে অসীমের সম্ভাবনাকে নাকচ করে আইনস্টাইন বলেছিলেনঃ "অসম্ভব" অর্থাৎ অসীমের সম্ভাবনা অসম্ভব। অনুরূপ বার বার অসীমের হাতছানি পেয়ে স্টিফেন হকিং ২০১১ সালে তাতে সাড়া দিতে নারাজি ছিলেন এই বলেঃ "মহাবিশ্ব সৃষ্টিতে অসীম কোনো সত্বার আলো জ্বালাবার প্রয়োজন নেই। মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে মহাকর্ষ থেকে"।(স্টিফেন হকিং, বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী এবং বিগ ব্যাং থিওরির অন্যতম স্থপতি)। অবশ্য, আইজাক নিউটন মহাকর্ষ বিষয়ে অসীমে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি মনে করতেনঃ "সূর্যের মতো কোনো বস্ত্তর মহাকর্ষও অসীম বেগে ছড়িয়ে পড়ে"(বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি ২০২১, পৃষ্ঠা ৬৩)। নিউটন আরও বলেনঃ "মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে, গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে। কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন"। নিউটনের কথাগুলিতে রয়েছে অসীমত্বের বহিঃপ্রকাশ। IRRSTC আরও মনে করে যে, জাগতিক বিবেচনায় বহুল উচ্চারিত,বহুল জনপ্রিয় "প্রকৃতি" (Nature) শব্দের মধ্যে নিহিত রয়েছে অসীমত্বের চমৎকার বহিঃপ্রকাশ। Nature, in the broadest sense, is the physical world or universe. "Nature" can refer to the phenomena of the physical world, and also to life in general. The study of nature is a large, if not the only, part of science. Although humans are part of nature, human activity is often understood as a separate category from other natural phenomena.[Source: Ducarme, Frédéric; Couvet, Denis (2020). "What does 'nature' mean?". Palgrave Communications. Springer Nature. 6 (14). doi:10.1057/s41599-020-0390-y]. The word nature is borrowed from the Old French nature and is derived from the Latin word natura, or "essential qualities, innate disposition", and in ancient times, literally meant "birth".[Source: Harper, Douglas. "nature". Online Etymology Dictionary. Retrieved September 23, 2006] In ancient philosophy, natura is mostly used as the Latin translation of the Greek word physis (φύσις), which originally related to the intrinsic characteristics of plants, animals, and other features of the world to develop of their own accord.[Sources i) An account of the pre-Socratic use of the concept of φύσις may be found in Naddaf, Gerard (2006) The Greek Concept of Nature, SUNY Press, and in Ducarme, Frédéric; Couvet, Denis (2020). "What does 'nature' mean?" ii)The first known use of physis was by Homer in reference to the intrinsic qualities of a plant: ὣς ἄρα φωνήσας πόρε φάρμακον ἀργεϊφόντης ἐκ γαίης ἐρύσας, καί μοι φύσιν αὐτοῦ ἔδειξε. (So saying, Argeiphontes [=Hermes] gave me the herb, drawing it from the ground, and showed me its nature.) Odyssey 10.302–303 (ed. A.T. Murray). (The word is dealt with thoroughly in Liddell and Scott's Greek Lexicon Archived March 5, 2011] The concept of nature as a whole, the physical universe, is one of several expansions of the original notion;it began with certain core applications of the word φύσις by pre-Socratic philosophers (though this word had a dynamic dimension then, especially for Heraclitus), and has steadily gained currency ever since. During the advent of modern scientific method in the last several centuries, nature became the passive reality, organized and moved by divine laws.[Sources i) Isaac Newton's Philosophiae Naturalis Principia Mathematica (1687),ii)The etymology of the word "physical" shows its use as a synonym for "natural" in about the mid-15th century: Harper, Douglas. "physical". Online Etymology Dictionary. Retrieved September 20, 2006] With the Industrial revolution, nature increasingly became seen as the part of reality deprived from intentional intervention: it was hence considered as sacred by some traditions (Rousseau, American transcendentalism) or a mere decorum for divine providence or human history. Generally Earth, Sun, Moon, Solar era, Galaxies, Water on the Water: Ponds, Cannels, Rivers, Occeans, Forests, Hills,Air, Fire, Soil, Ice,Cold, Hot, Seasons, Life, Animals,Rain, Geology, Historical perspective,Ecosystems, Atmosphere, Climate and Weather. Plants and animals, Matters and Energies etc. Note that the entire world is known as "World Nature". The knowledge about the nature of the world is called physics. We recognize as "universal nature" everything that exists on earth free from human hands, in the celestial realm outside the earth, whether visible or invisible, small and large, inanimate. The word physics comes from the Latin physica ('study of nature'), which itself is a borrowing of the Greek φυσική (phusikḗ 'natural science'), a term derived from φύσις (phúsis 'origin, nature, property') ....Physics is the natural science of matter, involving the study of matter,[a] its fundamental constituents, its motion and behavior through space and time, and the related entities of energy and force. Physics is one of the most fundamental scientific disciplines, with its main goal being to understand how the universe behaves. A scientist who specializes in the field of physics is called a physicist.(Source:https://en.wikipedia.org/wiki/Physics) Physics is one of the oldest academic disciplines and, through its inclusion of astronomy, perhaps the oldest. Over much of the past two millennia, physics, chemistry, biology, and certain branches of mathematics were a part of natural philosophy, but during the Scientific Revolution in the 17th century these natural sciences emerged as unique research endeavors in their own right.[c] Physics intersects with many interdisciplinary areas of research, such as biophysics and quantum chemistry, and the boundaries of physics are not rigidly defined. New ideas in physics often explain the fundamental mechanisms studied by other sciences and suggest new avenues of research in these and other academic disciplines such as mathematics and philosophy.(Source:https://en.wikipedia.org/wiki/Physics). In the light of the above description, it seems clear that the much-pronounced, much-popular word nature in worldly considerations is an important factor in the universe that points the way to infinity. But the IRRSTC believes that nature's role and contribution to the immaterial cosmology of the universe and its rigidly ordered, highly intelligent management is insufficient. Infinity lies deeper and deeper within. So, in this case, it can be seen that the theist called Immanism (Emanisnizm) is a novel creation theory. Brief description of which is as follows: জীবন সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে নিউটন বলেন Advertisement * আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই। * সত্য সবসময় সহজবোধ্যতার মাঝে পাওয়া যায়। কখনও জটিলতার মাঝে পাওয়া যাবে না। * পৃথিবীর এই বিপুল জ্ঞানভাণ্ডারকে জানার ক্ষেত্রে আমি সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এক শিশুর মতো, যে শুধু সারাজীবন নুড়িই কুড়িয়ে গেল। সমুদ্রের জলরাশির মতো বিশাল এই জ্ঞান আমার অজানাই থেকে গেল। * কার্ল সাগান বলেনঃ এমন অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা আছে, যেগুলোর ফলাফল জানার আকুল আকাঙ্খা আমার মধ্যে কাজ করেন। যেমন আমাদের সৌরজগতের বাকি গ্রহ-উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ বা আর কোনো জায়গায় প্রাণের অস্তিত্ব আছে কিনা। * আমি বুঝতে চাই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বাঁকগুলো-অআশা ও ঝন্ঝাটপূর্ণ উভয়ই। এগুলোকে নিয়ে কাজ করে বের করতে চাই অআমাদের প্রযুক্তির শুভ ও বিপজ্জনক দিকগুলো। যেমন প্রযুক্তিবিদ্যায় আরোহণ এবং আন্তনাক্ষত্রিক অভিযান। In light of Spirituals. There are two kinds of way for contributing in Cosmology i) আস্তিক্যবাদী এক তাত্ত্বিক সৃষ্টি তত্ত্ব ইমানিসনিজম (Emanisnizm) নামক আস্তিক্যবাদী এই সৃষ্টি তত্ত্ব বিজ্ঞানমনস্ক ধর্মবিশ্বাসী সাধারণ জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদের ধারণা-বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত।এই সৃষ্টিতত্ত্ব ইসলামী সৃষ্টিতত্ত্বের সাথে পুরোপুরি সংগতিশীল নয়, যেমন সামর্থক নয় প্রকৃতি আর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার মধ্যে। বস্ত্ততঃ ‘ইমানিসনিজম’ (মহাবিশ্বের উৎপত্তি, সৃষ্টি ও পরিবর্তন সম্পকিত একটি ধারণার নাম। ইংরেজী ‘Emanisnizm’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘Emanre’ শব্দ থেকে যার অর্থ To flow from...to pour fourth or out of অর্থাৎ কোন উৎস হতে বয়ে আসা, প্রবাহিত বা আগত, উৎসারিত ইত্যাদি। ইমানিজমের ধারণা-বিশ্বাস হচ্ছে, সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। ইমানিশনিজম হচ্ছে Transcendental Print অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictonary)| i) আস্তিক্যবাদী ইসলামী একত্ববাদী সৃষ্টি তত্ ISLAMIC COSMOLOGY Latin emanatus, past participle of emanare, from e- + manare to flow Relavant Synonym for emanate spring, arise, rise, originate, derive, flow, issue, emanate, proceed, stem mean to come up or out of something into existence. spring implies rapid or sudden emerging. arise and rise may both convey the fact of coming into existence or notice but rise often stresses gradual growth or ascent. originate implies a definite source or starting point. derive implies a prior existence in another form. flow adds to spring a suggestion of abundance or ease of inception. issue suggests emerging from confinement through an outlet. stem implies originating by dividing or branching off from something as an outgrowth or subordinate development. বর্তমানের মহাজাগতিক মডেল অনুযায়ী মহাবিশ্বের মূল উপাদান মূলতঃ কৃষ্ণ বা অন্ধকার শক্তি। ধারণা করা হচ্ছে যে, এই শক্তি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে এবং মহাবিশ্বের প্রসারণের পিছনে মূল ভূমিকা পালন করছে। কৃষ্ণ বস্তুর অস্তিত্ব পরোক্ষভাবে গ্যালাক্সির ঘূর্ণন, গ্যালাক্সিপুঞ্জ, মহাকর্ষীয় লেন্সিং, ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। কৃষ্ণ বস্তু যেহেতু মহাকর্ষ ছাড়া অন্য কোন বলের সংঙ্গে পারতপক্ষে কোন মিথষ্ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না, সেই জন্য তাকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা কঠিন। মহাবিশ্বের সংঙ্গে আমাদের পরিচয় দৃশ্যমান বস্তুর আঙ্গিকে। পরমাণু ও পরমাণু দ্বারা গঠিত যৌগ পদার্থ দিয়ে এই দৃশ্যমান বিশ্ব গঠিত। পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত। প্রোটন ও নিউট্রনকে ব্যারিয়ন বলা হয়। ব্যারিয়ন তিনটি কোয়ার্ক কণা দিয়ে গঠিত। অন্যদিকে দুটি কোয়ার্ক কণা দিয়ে গঠিত কণাদের মেজন বলা হয়। অন্যদিকে লেপটন কণা কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত নয়। সবেচেয়ে পরিচিত লেপটন কণা হচ্ছে ইলেকট্রন। প্রমিত মডেল বা স্ট্যান্ডার্ড মডেল কোয়ার্ক, লেপটন ও বিভিন্ন বলের মিথষ্ক্রিয়ায় সাহায্যকারী কণাসমূহ (যেমন ফোটন, বোজন ও গ্লুয়োন) দিয়ে তৈরি। বর্তমানের কণা পদার্থবিদ্যাকে ব্যাখ্যা করতে এই মডেল সফল হয়েছে। মহাবিশ্বের গঠন ও আকার সূর্য আমাদের নিকটবর্তী নক্ষত্র। সূর্য থেকে আলো আসতে ৮ মিনিটের মত সময় লাগে, কাজেই সূর্যের দূরত্ত্ব হচ্ছে আনুমানিক ৮ আলোক মিনিট। আমাদের সৌর জগতের আকার হচ্ছে ১০ আলোক ঘন্টার মত। সূর্যের পরে আমাদের নিকটবর্তী তারা ৪ আলোক বর্ষ দূরত্বে অবস্থিত। আমাদের গ্যালাক্সি ছায়াপথ সূর্য থেকে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ৩০,০০০ আলোক বর্ষ। গ্যালাক্সির ব্যাস ১০০,০০০ বা এক লক্ষ আলোক বর্ষ। কেন্দ্রের উল্টোদিকের অংশকে আমরা দেখতে পাই না। স্থানীয় গ্যালাক্সিপুঞ্জ আমাদের ছায়াপথের ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লক্ষ আলোকবর্ষের মধ্যে অবস্থিত স্থানীয় গ্যালাক্সিগুলো। এই স্থানীয় গ্যালাক্সি দলের মধ্যে বড় তিনটি সর্পিল গ্যালাক্সি - ছায়াপথ, অ্যান্ড্রোমিড বা M31 এবং M33 একটি মহাকর্ষীয় ত্রিভুজ তৈরি করেছে। অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি আমাদের নিকটবর্তী বড় গ্যালাক্সি। এর দূরত্ব হচ্ছে ২.৫ মিলিয়ন বা ২৫ লক্ষ আলোকবর্ষ। স্থানীয় দলের মধ্যে বেশীর ভাগ গ্যালাক্সিই বড় ম্যাজিল্লান মেঘের মত গ্যালাক্সি। স্থানীয় গ্যালাক্সি মহাপুঞ্জ স্থানীয় গ্যালাক্সি দল থেকে স্থানীয় গ্যালাক্সি মহাপুঞ্জের অন্যান্য দলের ভিন্ন ভিন্ন দূরত্ব রয়েছে। এই মহাপুঞ্জের কেন্দ্র কন্যা গ্যালাক্সি দল হওয়াতে তাকে কন্যা মহাপুঞ্জ বা মহাদল বলা হয়। কন্যা গ্যালাক্সি পুঞ্জ আমাদের থেকে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বা ৬.৫ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এই ধরণের মহাপুঞ্জগুলো ফিতার আকারের মত। সাবানের বুদবুদ সাথে এই ধরণের গ্যালাক্সিপুঞ্জ গঠনের মডেল তুলনা করা যায়। দুটো বুদবুদের দেওয়াল যেখানে মেশে সেখানেই যেন গ্যালাক্সির ফিতা সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের ৫০০ মিলিয়ন বা ৫০ কোটি আলোকবর্ষের মধ্যে অবস্থিত প্রধান গ্যালাক্সিপুঞ্জ ও গ্যালাক্সি দেওয়াল রয়েছে। কন্যা গ্যালাক্সি মহাপুঞ্জসহ ৫০ মেগাপার্সেকের (৫০ মিলিয়ন পার্সেক বা ১৬৩ মিলিয়ন আলোকবর্ষ)মধ্যে সমস্ত পদার্থ ৬৫ মেগাপার্সেক দূরের নর্মা পুঞ্জের (Abell 3627)দিকে ৬০০ কিমি/সেকেন্ডে ছুটে যাচ্ছে। মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য উদঘাটনে আরো একধাপ মহাজাগতিক ঘর্ষণ বা বিগ ব্যাং-এর পরে মহাকাশ থেকে মাধ্যাকর্ষণের যে তরঙ্গ প্রবাহিত হয়, প্রথমবারের মতো তা আবিষ্কৃত হয়েছে৷ এর থেকে মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে অনেক অজানা রহস্যের সমাধান সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা মহাজাগতিক ঘর্ষণ বা বিগ ব্যাং ঠিক কত বছর আগে হয়েছিল, অর্থাৎমহাবিশ্ব সৃষ্টি ঠিক কত কোটি বছর আগে – এটা নিয়ে আছে নানা জল্পনা-কল্পনা৷ হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টারের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানান, যে তরঙ্গ প্রবাহের সন্ধান তাঁরা পেয়েছেন, তা একটি মাইল ফলক। ১৪শ' কোটি বছর আগে এই তরঙ্গের উৎপত্তি হয়েছিল বলে জানান তাঁরা৷ এর সাথে আলবার্ট আইনস্টাইনের এক শতকের পুরোনো আপেক্ষিক তত্ত্বের মিল পাওয়া যায়৷ এ থেকে এই প্রথম ‘কসমিক ইনফ্লেশন' বা মহাজাগতিক স্ফীতির সরাসরি তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেল৷ শুধু তাই নয়৷ এই তত্ত্ব থেকে এ কথা সহজেই বলা যায় যে, মহাবিশ্ব ‘চোখের পলক ফেলার সময়ে' একশ ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গুণ বিস্তার লাভ করেছে৷ দক্ষিণ মেরুতে অবস্থানরত বিআইসটেলিস্কোপের সাহায্যে এই আলোক তরঙ্গ নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে৷মহাবিশ্বের সৃষ্টি ঠিক কত কোটি বছর আগে – এটা নিয়ে আছে নানা জল্পনা-কল্পনা ে অতিপারমাণবিক জগতের অন্দর মহলের যতই গভীর থেকে গভীরাভ্যন্তরে বিজ্ঞানীরা প্রবেশ করছেন, ততই জানার পরিবর্তে অজানাই যেন বিজ্ঞানীদের অক্টোপাসের মতো জড়িয়ে ধরছে।প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার মাঝেও জ্ঞান সাগরেরর অতল তল থেকে উঠে অআসা সম্ভব হচ্ছে না ফলে অদ্যাবধি না জানার হার দাঁড়িয়েছে ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশে। অথচ বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু হয়েছে যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল। বিজ্ঞানীদেরকে অবশ্য অআশার অআলো দেখাচ্ছে অসীম নামক অতীন্দ্রীয় এক উৎস।কিন্ত্ বিজ্ঞানীরা অনিবার্য কারণে অসীম এড়িয়ে চলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। b>Final Insha Allah নিউট্রিনো ৬০ ন্যানো সেকেন্ড (১ ন্যানো সেকেন্ড=১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ) আগে ইতালিতে নিউট্রিনো পৌঁছে গেছে। ► Theory of special relativity বা বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের মূল কথা “আলোর চেয়ে দ্রুতগতির কোন কিছু এ জগতে নেই"। মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যানডার্ড মডেল থিওরিতে বেঁধে দেওয়া আলোর রাউন্ড গতি হচ্ছে : ১,৮৬,০০০ (এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার) মাইল আর ফ্রেকশন গতি হচ্ছেঃ ১,৮৬,২৮২.৩৯৭ [(1,86,282.397) এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার দুইশত বিরাশি দশমিক তিন নয় সাত] মাইল। CERN কর্তৃক সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে ঘোষিত নিউট্রিনোর সেকেন্ডে গতিঃ ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬০ ন্যানো সেকেন্ড। এই ঘোষণা প্রচলিত কসমোলজিক্যাল স্ট্যানডার্ড মডেল থিওরির বেঁধে দেওয়া অআলোর গতির প্রতিকূল এবং স্ট্যান্ডার্ড মডেলের প্রতিষ্ঠিত ধারার জন্য ব্যত্যয় স্বরূপ এবং এতে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সুত্রকে নতুন করে লেখার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। ধরি মাছ, না ছুঁই পানি-এই প্রবাদ বাক্যকে অবলম্বন করে IRRSTC এর প্রস্তাবঃ ১,৮৬,০০০ মাইল-কে গ্রীণীচ মান সময়ের মতো "আইনস্টাইন স্ট্যান্ডার্ড লাইট ফোর্স" (ESLF)ঘোষণা করা হলে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সুরক্ষার পাশাপাশি অনিবার্য কারণে নিউট্রিনো জাতীয় বস্ত্ত কণার আলোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়ার কিংবা মহাকাশে ব্ল্যাকহোল জাতীয় অতি ভারি বস্ত্রর কারণে দূর নক্ষত্রের অআলা সূর্যের কোল ঘেঁষে পৃথিবীতে অআসার সময় বেঁকে যাওয়ার কারণে যদি ন্যানো সেকেন্ডও আলোর গতি কমে যায় তাহলেে সৃষ্ট তাত্ত্বিক জটিলতা দূর হতে পারে মর্মে IRRSTC মনে করে। মহাকর্ষঃ এখনো স্ট্যান্ডার্ড মডেলে স্বীকৃতিবিহীন মহাকর্ষ এক প্রকার হাইপোথেসিস বিষয়। প্রথমতঃ নিউটনীয় মহাকর্ষের সাথে আইনস্টাইনীয় মহাকর্ষের ভুল-শুদ্ধের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিউটনের মহাকর্ষ যতটা না পৃথিবীতে কার্যকর ততটা অকার্যকর মহাকাশে। তাছাড়া, পৃথিবীতে ...খ্যাত মহাকর্ষ কিভাবে প্রাণীকূলকে ভূত্বকে অআটকে রাখে তা আজও এক বিস্ময়কর ব্যাপার যা কাটিয়ে উঠতে যে গ্রাভিটনের কথা বলা হচ্ছে তা আগাগোড়া স্রেফ কল্পনা hypotheses ছাড়া আর কিছু নয়। Highest Energetic Radiation বিগ ব্যাং মডেল অনুযায়ী মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল একটা ভীষণ ঘন ও উষ্ণ দশা থেকে। সেই সময় থেকে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ চলেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা শুরুর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মহাবিশ্বের অতিস্ফিতী (inflation) হয়- যা কিনা দেশ বা স্থানের প্রতিটি অংশে প্রায় একই তাপমাত্রা স্থাপন করতে সাহায্য করে। ইমানিসনিজম (Emanisnism) অসীম তাত্ত্বিক সৃষ্টি তত্ত্বকে বলা হয় ইমানিসনিজম (Emanisnism)| । ‘ইমানিসনিজম’ (মহাবিশ্বের উৎপত্তি, সৃষ্টি ও পরিবর্তন সম্পকিত একটি ধারণার নাম। ইংরেজী ‘Emanisnism’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘Emanate’ শব্দ থেকে যার অর্থ To flow from...to pour fourth or out of অর্থাৎ কোন উৎস হতে বয়ে আসা, প্রবাহিত বা আগত, উৎসারিত ইত্যাদি। ইমানিজমের ধারণা-বিশ্বাস হচ্ছে, সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। ইমানিশনিজম হচ্ছে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)| Latin emanatus, past participle of emanare, from e- + manare to flow spring, arise, rise, originate, derive, flow, issue, emanate, proceed, stem mean to come up or out of something into existence. . emanate applies to the coming of something immaterial (such as a thought) from a source. বর্তমান মহাবিশ্বের উপাদান সমূহ মহাবিশ্বের আকার বিশাল। বর্তমান বিশ্বতত্ত্বের মডেল অনুযায়ী মহাবিশ্বের বর্তমান বয়স ১৩.৭৫ বিলিয়ন বা ১,৩৭৫ কোটি বছর। এই মহাবিশ্বের দৃশ্যমান অংশের "এই মুহূর্তের" ব্যাস প্রায় ৯৩ বিলিয়ন আলোক বছর। মহাবিশ্বের ব্যাস ১৩.৭৫ x ২ = ২৭.৫০ বিলিয়ন আলোক বছরের চাইতে বেশী। তাছাড়া, পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাবিশ্বকে যদি একটা গোলক কল্পনা করা হয় তবে তার ব্যাসার্ধ হবে প্রায় ৪৬ বিলিয়ন আলোক বর্ষ। যদিও সেই দূরত্বে অবস্থিত গ্যালাক্সি থেকে এই মুহূর্তে যে বিকিরণ বের হচ্ছে তা আমরা কখনই দেখতে পাব না। জ্যোতির্বিদরা মনে করছেন দৃশ্যমান মহাবিশ্বে প্রায় ১০০ বিলিয়ন গ্যালাক্সি আছে। এই গ্যালাক্সিরা খুব ছোটও হতে পারে, যেমন মাত্র ১০ মিলিয়ন (বা ১ কোটি) তারা সম্বলিত বামন গ্যালাক্সি অথবা খুব বড়ও হতে পারে, যেমনঃ দৈত্যাকার গ্যালাক্সিগুলিতে ১০০০ বিলিয়ন তারা থাকতে পারে (আমাদের গ্যালাক্সি ছায়াপথের ১০ গুণ বেশী)। স্থানীয় গ্যালাক্সিপুঞ্জ আমাদের ছায়াপথের ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লক্ষ আলোকবর্ষের মধ্যে অবস্থিত স্থানীয় গ্যালাক্সিগুলো। এই স্থানীয় গ্যালাক্সি দলের মধ্যে বড় তিনটি সর্পিল গ্যালাক্সিঅ্যান্ড্রোমিডা বা M31 এবং M33 একটি মহাকর্ষীয় ত্রিভুজ তৈরি করেছে। অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি আমাদের নিকটবর্তী বড় গ্যালাক্সি। এর দূরত্ব হচ্ছে ২.৫ মিলিয়ন বা ২৫ লক্ষ আলোকবর্ষ। স্থানীয় দলের মধ্যে বেশীর ভাগ গ্যালাক্সিই বড় ম্যাজিল্লান মেঘের মত অনিয়মিত গ্যালাক্সস্থানীয় গ্যালাক্সি মহাপুঞ্জ। এই মহাপুঞ্জের কেন্দ্র কন্যা গ্যালাক্সি দল হওয়াতে তাকে কন্যা মহাপুঞ্জ বা মহাদল বলা হয়। কন্যা গ্যালাক্সি পুঞ্জ আমাদের থেকে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বা ৬.৫ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এই ধরণের মহাপুঞ্জগুলো ফিতার আকারের মত। সাবানের বুদবুদ দিয়ে এই ধরণের গ্যালাক্সিপুঞ্জ গঠনের মডেল করা যায়। দুটো বুদবুদের দেওয়াল যেখানে মেশে সেখানেই যেন গ্যালাক্সির ফিতা সৃষ্ট। । কন্যা গ্যালাক্সি মহাপুঞ্জসহ ৫০ মেগাপার্সেকের (৫০ মিলিয়ন পার্সেক বা ১৬৩ মিলিয়ন আলোকবর্ষ)মধ্যে সমস্ত পদার্থ ৬৫ মেগাপার্সেক দূরের নর্মা পুঞ্জের (Abell 3627)দিকে ৬০০ কিমি/সেকেন্ডে ছুটে যাচ্ছে। বৃহত্তর স্কেলে গ্যালাক্সি সৃষ্টির জন্য ব্যারিয়ন ধ্বনি স্পন্দন (Baryon Acoustic Oscillation) যথেষ্ট সফল হয়েছে। এই মডেল অনুযায়ী গ্যালাক্সি পুঞ্জ মোটামুটি ১০০ মেগাপার্সেক (~৩০০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ)স্কেলে বা স্থান জুড়[১৪] বিজ্ঞানীদের দাবীঃ আবিস্কৃত নিউট্রিনো বর্তমান প্রচলিত সাধারণ আলোক কণা থেকে দ্রুত বেগ সম্পন্ন। উল্লেখ্য, বিজ্ঞানী পাউলি উপলদ্ধি করেন যে, ভরবেগ, শক্তি, কৌণিক ভরবেগ ইত্যাদি নিত্যতা বজায় রাখার জন্য ইলেকট্রনের সাথে আরেকটি খুবই হালকা, আধানহীন এবং প্রায় অদৃশ্য কণার উপস্থিতি প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় এই কণাটিরই নাম দেয়া হয় “নিউট্রিনো”। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো Model (আদর্শ) নামের একটি এই মডেল অনুসারে মৌলিক কণাগুলো প্রধানতঃ তিন প্রকার যথাঃ কোয়ার্ক, বোসন ও লেপটন। এর মধ্যে লেপটন দুই প্রকার যথাঃ ইলেকট্রন ও নিউট্রিনো। নিউট্রিনোর ধারণা প্রথম বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন পরমাণুর বেটা ক্ষয়ের বিশ্নেষণ করতে গিয়ে। নিউট্রিনো ও ইলেকট্রন প্রকৃতিতে দুই ভাইয়ের মত। তিন ধরণের ইলেকট্রনের মধ্যে রয়েছে (১) ইলেকট্রন ইলেকট্রন (অথবা শুধুই ইলেকট্রন) (২) মিউ ইলেকট্রন (মিউয়ন) এবং (৩) টাউ ইলেকট্রন (টাউয়ন) এবং এর প্রতিটি ইলেকট্রনের সাথে আছে একটি করে নিউট্রিনো যথাঃ (১) ইলেকট্রন নিউট্রনিউট্রিনো আবিস্কার ‘প্রজেক্ট অপেরা’ নামের এক বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের অধীনে ইউরোপীয় পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সাড়া জাগানো নিউট্রিনো আবিস্কারের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। নিউট্রিনো আবিস্কারের ক্ষেত্রে গৃহীত এক পরীক্ষার প্রথম ধাপে সুইজারল্যান্ডের সিনক্রোটোন নামের একটি ভূগর্ভ যন্ত্রে প্রোটন কণা তৈরী করে তা গ্রাফাইটের ওপর নিক্ষেপ করা হয়। এতে প্রোটন কণাগুলি ভেঙে কিছু জটিল কণা তৈরী হয়, যেগুলি অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষয় হয়ে মিউয়ন এবং মিউ নিউট্রিনো তৈরী করে। এ কণাগুলিকে তখন লোহার ওপর নিক্ষেপ করা হয়। এতে মিউয়ন নিউট্রিনো বাদে অন্য সব কণা প্রতিফলিত বা শোষিত হয়। মিউয়ন নিউট্রিনোগুলি পৃথিবীর মাটি-পাথর ভেদ করে চলে প্রায় ৭৫০কিলোমিটার দূরে ইতালিতে পৌঁছায়। এই নিউট্রিনো লোহাও ভেদ করে অনায়াসে এপার থেকে ওপারে ছুটে যেতে পারে আলোর গতির চাইতেও বেশী গতিতে। মজার ব্যাপার হলো যে, ভরবিহীন অর্থাৎ অশুন্য ভরের (Mass-less) অধিকারী আলোর কণাই সাধারণতঃ ভরপূর্ণ পারমানবিক কণার চাইতে দ্রুতগামী হয়ে থাকে। কিন্তু অশুন্য ভরের অধিকারী অর্থাৎ ভরযুক্ত নিউট্রিনো যার গতিবেগ নাকি শুন্য ভরের আলোকেও ছাড়িয়ে গে ► অ্যাটম যদি হয় বস্ত্ত অণু কোয়ার্ক হবে পরম অণু (পরমাণু)। আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণমতে, জমে থাক শক্তি জমাটবদ্ধ বস্ত্তর মতই। অর্থাৎ শক্তিই বস্ত্ত, বস্ত্ই শক্তি। ► মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে,বিগ ব্যাং এর পর মুহুর্তে সর্বপ্রথম যে সৃষ্টি সত্বার উদ্ভব ঘটেছিল তা ছিল আলোর ভরশুন্য কোয়ান্টা ফোটন যা হিগস ফিল্ডে বিরাজমান শক্তির সংস্পর্শে সম্ভবতঃ ভরপ্রাপ্ত হয়ে ভরযুক্ত হিগস বোসন কণায় পরিণত হয়েছিল। সুতরাং, বলা যেতে পারে, সকল বস্ত্ত-পদার্থের মূলোৎস হচ্ছে শক্তি যা নিত্যতার সূত্রে লয় নাই,ক্ষয় নাই। ► প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে।সেমতে, শক্তির মূলে রয়েছে মহাশক্তি যার বৈজ্ঞানিক নাম হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যাতে বিগ ব্যাং পূর্ব নিহিত ছিল ৪ মহাবল যথাক্রমেঃ ১.বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল ২.সবল নিউক্লিও বল ৩.দূর্বল নিউক্লিয় বল এবং মহাকর্ষ বল। IRRSTC মনে করে, সম্ভবতঃ ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক মাটারও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে একীভূত অবস্থায় ছিল এবং বিগ ব্যাংয়ের সময় থেকে মহাকাশে অবিস্ফোরিত অবস্থায় ছিল। বিজ্ঞানে বলা হচ্ছেঃ এ জগতে এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর কখনও পাওয়া যাবেনা। অআইনস্টাইনের মতে, মানুষ ত্রিমাত্রিক জীব হওয়াও মহাকর্ষের মত বিষয়টির সঠিক ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেে না। বিজ্ঞানীরা অআরও মনে করে যে, মহাকাশের সম্প্রসারণের হিসাবের রকমফের হওয়ার পেছেন রহসা হচ্ছে মানুষ দুই চক্ষু বিশিষ্ট জীব হওয়া। পুরো বিশ্বকে সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণে দরকার তৃতীয় চক্ষুর। কিংবা অআমরা যে বিশ্বে বসবাস করছি তা-ই একমাত্র বিশ্ব নয়, মাল্টি ইউনিভার্সের সম্ভবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না বিজ্ঞানীরা। অনুরুপ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে থাকতে পারে মহাশক্তি যার আধ্যাত্মিক নাম হতে পারে গড । কারো মতে, প্রকৃতি (নেচার)। মহাবিশ্বের প্রাণস্পন্দনরূপ ৪ মহাবল কেন্দ্রীভূত ছিল । পদার্থ বিজ্ঞানের বস্ত্তগত কাঠামোর ক্ষেত্রে শক্তির মূল হতে পারে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন। প্রশ্ন হচ্ছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মূল কি? কোথায়? কিংবা কে? কেউ বলেন ঈশ্বর (গড) আবার কেউ বলেন, প্রকৃত (নেচার)।

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah

নিউট্রিনো

উপসংহার