INFINITE IN REALITY

INFINITE IN REALITY আবহমানকাল থেকে মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হয়েও মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়ে অভিভূত হয়ে থাকে। বিশেষ করে এর অপরূপ সৌন্দর্য, বিস্ময়কর সৃষ্টি কৌশল,মহাবিশ্বের প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত পরিচালনা-ব্যবস্থাপনায় যারপর নাই বিস্মিত, অভিভূত হয়ে মানুষ প্রথমবারের মত আবিস্কার করেন এক প্রকার সৃষ্টিতত্ত্ব ইমানিশনিজম। ল্যাটিন emanatus শব্দ থেকে emanate, যার past participle emanare থেকে ইংরেজী ইমানিশনিজম শব্দের বুৎপত্তি বা উদ্ভব। Emanate applies to the coming of something immaterial (such as a thought) from a source.বস্ত্ততঃ ইমানিশনিজম হচ্ছে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)। , Nature শব্দটিও Transcendental Principle এর শ্রেণীভুক্ত মনে করে IRRSTC. এই তত্ত্বমতে,মহাবিশ্বের সব সৃষ্টির,সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। Nature, in the broadest sense, is the physical world or universe. "Nature" can refer to the phenomena of the physical world, and also to life in general. The word nature is derived from the Latin word natura, or "essential qualities, innate disposition" etc.[Harper, Douglas. "nature". In ancient philosophy, natura is mostly used as the Latin translation of the Greek word physis (φύσις), which originally related to the intrinsic characteristics of plants, animals, and other features of the world to develop of their own accord.[3][4] Physics is the natural science of matter, involving the study of matter, its fundamental constituents, its motion and behavior through space and time, and the related entities of energy and force. Physics is one of the most fundamental scientific disciplines, with its main goal being to understand how the universe behaves. A scientist who specializes in the field of physics is called a physicist. Physics is one of the oldest academic disciplines and, through its inclusion of astronomy, বিশুদ্ধ ইসলামী সৃষ্টিতত্ত্ব মতে, মহাবিশ্বের সব সৃষ্টির,সব বস্তুর উদ্ভব সরাসরি First Reality বা First Principle বা Perfect Allh হতে নয় বরং First Reality বা First Principle বা Perfect Allh এর পক্ষ হতে কুন শব্দে। emanate applies to the coming of something immaterial (such as a thought) from a source. মহাবিশ্বের সব সৃষ্টির,সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। “নিউটনের সূত্র মতে, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষবল এমন থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দুটিকে বেঁধে রাখা হয়েছে। ফলে সূর্যের চার পাশের কক্ষ পথে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে পৃথিবী”। (বিজ্ঞানচিন্তা)। গতি বাড়লে ভর বাড়বে-স্বাভাবিক চিরায়ত ক্ল্যাসিকেল বল বিজ্ঞানের এই ইনভেরিয়েন্টের উপর গভীর আস্থা-বিশ্বাস রেখে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ই.এম.সি.স্কয়ার রচনা করেন পাশাপাশি এই ইনভেরিয়েন্টের অআপেক্ষিকতার ইংগিত দেন ‘অসীম’ শব্দে এই বলেঃ “অসীম শক্তি ছাড়া আলোর গতি অর্জন অসম্ভব”। নিউটনের কথিত “অদৃশ্য দড়ি” আর আইনস্টাইনের ‌কথিত “অসীম শক্তি”এর মধ্যে নিহিত ছিল আগামী দিনের ম্যাক্স প্ল্যাংক উদ্ভাবিত কোয়ান্টাম মেকানিক্স যা নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের ভিত্তিমূল। আর ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স হচ্ছে পরম অসীমত্ব তথে আধ্যাত্মিকতার ভিত্তিমূল অআর পরম ‌আধ্যাত্মিকতা নিহিত আছে সুবহান আর সামাদ শব্দে। (Sūra 59: Hashr, or The Gathering (or Banishment),Ayat: Verses 24 — Madani; Revealed at Medina — Sections 3,https://quranyusufali.com/59/) . ٢١- هُوَ اللَّـهُ الَّذِي لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ ۖ هُوَ الرَّحْمَـٰنُ الرَّحِيمُ ◯ 22. God is He, than Whom There is no other god ;— Who knows (all things) Both secret and open ; He, Most Gracious, Most Merciful. ٢٢- هُوَ اللَّـهُ الَّذِي لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ ۚ سُبْحَانَ اللَّـهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ ◯ 23. God is He, than Whom There is no other god ;— The Sovereign, the Holy One, the Source of Peace (and Perfection), The Guardian of Faith, The Preserver of Safety, The Exalted in Might, The Irresistible, the Supreme : Glory to God ! (High is He) Above the partners They attribute to Him. ٢٣- هُوَ اللَّـهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯ 24. He is God, the Creator, The Evolver, The Bestower of Forms (Or Colours). To Him belong The Most Beautiful Names : Whatever is in The heavens and on earth, Doth declare His Praises and Glory : And He is the Exalted In Might, the Wise. যে শব্দাবলী পদার্থ বিজ্ঞানে একের পর উদ্ভূত প্রশ্নের সমাধানকারীঃ বিগ ব্যাং সংঘটিত হয় হাইয়েস্ট এনার্জেটিক থেকে। হাইয়েস্ট এনার্জেটিক এর পূর্বে কি ছিল? এর উত্তর নেই পদার্থ বিজ্ঞানে। তবে বলা হয়েছেঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর পাওয়া যাবে না। “হাইয়েস্ট এনার্জেটিক এর পূর্বে কি ছিল?” বলা বাহুল্য, এই প্রশ্নটি হচ্ছে চিরায়ত নিউটনীয় পদার্থ বিজ্ঞানে না পাওয়া যাওয়া ধরণেরই একটি প্রশ্ন। যা চিরায়ত নিউটনীয় পদার্থ বিজ্ঞানে না পাওয়া যাওয়ার কথা তা পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানের নাম কোয়ান্টাম মেকানিক্স। এই বিজ্ঞানে উত্তর অযোগ্য প্রশ্নের উত্তর মেলে সত্য কিন্ত্ত এমন প্রশ্ন রয়েছে তা এই মেকানিক্সেও নেই বরং জানার হার কমতে কমতে চার পাঁচ শতাংশে নেমে এসেছে তাই অনিবার্য হয়েছে পরম অসীমত্বের সন্ধান লাভ। মহাবিশ্ব কিভাবে তৈরি-এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞান “হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন পর্যন্ত পৌঁছেছে? মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এর উত্তরে বলা হয়ঃ কেউ জানে না। মহাবিশ্ব কত বড়? এ প্রশ্নের জবাবে বলা হয়ঃ জানা মহাকাশের চেয়ে অজানা মহাকাশ অনেক বড়। কত বড়? এর উত্তরে বলা হয়ঃ কেউ জানে না। মহাবিশ্বকে যথার্থভাবে বুঝতে হলে সাহসী প্রশ্নের জন্য জরুরী উত্তরের গভীরতা। এর জন্য সাহসী এক প্রশ্ন হতে পারে প্রকৃতি কি? অথবা প্রকৃতির উৎসমূল কি? তাঁকে জানতে অআরএসটিসির মতে মাত্র দুটি বিষয় জরুরী ১) প্রকৃতির শক্তিমত্তা ২) প্রকৃতির জ্ঞান প্রজ্ঞা। আ’লাম আন্নাঁল্লাহা আ’লা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, ওয়ান্নাঁল্লাহা ক্বদ আহা-ত্ব বিকুল্লি শাইয়্যিন ই’লমা। আরাদা শাইয়্যুন জেনে রাখুন, নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টির যাবতীয় বস্ত্তর উপর সর্বময় ক্ষমতাসম্পন্ন। আর আল্লাহ তায়ালার জ্ঞান সর্বব্যাপী, সৃষ্টির যাবতীয় বস্তুতে পরিবেষ্টিত। ওয়ালা-হাওলা ওয়ালা-ক্বুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আ’লিয়্যিল আ’জীম: সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা ব্যতিত কারও কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই। “নিউটনের সূত্র মতে, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষবল এমন থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দুটিকে বেঁধে রাখা হয়েছে। ফলে সূর্যের চার পাশের কক্ষ পথে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে পৃথিবী”। (বিজ্ঞানচিন্তা)। “এই মহাবিশ্ব কোথা থেকে এলো? এটা হলো আদি প্রশ্ন। ১৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণ ঘটেছিল, যা থেকে এই মহাবিশ্ব জন্ম নিল। কেন? কেমন করে? তার আগে কী ছিল? কেউ জানে না” (বিচি, জুন, ২০১৯, পৃঃ ৩৬-৩৭)। মৌলিক কণা কীভাবে এলো? “সেই আদি মহাবিস্ফোরণের শক্তি থেকে মৌলিক কণা এবং প্রতিকণার সৃষ্টি হলো। পদার্থ বিদ্যার (ফিজিক্স বা প্রকৃতি বিজ্ঞানের) আইন মেনে এই কণাগুলো জুটি বাঁধল, তৈরি হলো প্রোটন, নিউট্রন জাতীয় কণা। তারপর তৈরি হলো অণু, পরমাণু। এদের অবিরাম সংঘর্ষ থেকে তৈরি হলো গ্যালাক্সি, তারা, গ্রহ”(বিচি, জুন ২০১৯, পৃষ্ঠা ৩৭)। “প্রশ্ন হলো কণারা ভর পায় কোত্থেকে? ধরে নেওয়া হলো, প্রকৃতিতে এমন একটা অতিরিক্ত কণা আছে, যার নিজের ভর আছে এবং সে শুন্যের মধ্যে খানিকটা শক্তি ছড়িয়ে রাখে। শুন্য অবস্থায় শক্তি বিরাজ করা কোয়ান্টাম তত্ত্বে নতুন কথা নয়। হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্বের মধ্যে লুকিয়ে আছে এর মূল সূর” (বিচি, জুন, ২০১৯, পৃষ্ঠা ৩৫)।

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah

নিউট্রিনো

উপসংহার