Islamic Cosmology Vs Modern Cosmology
ইসলামী সৃষ্টিতত্ত্ব
“বিশ্ব বলিতে পূর্বে কিছুই ছিলনা”। (ফাতওয়ায়ে সিদ্দিকীন, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠাঃ ৭৪, কুরআন হাদীস রিসার্চ সেন্টার (ফুরফুরা দরবারের গবেষণা প্রতিষ্ঠান), প্রকাশনায়ঃ ইশায়াতে ইসলাম, কুতুবখানা, মার্কাজে ইশায়াতে ইসলাম, ২/২, দারুস সালাম, মীরপুর, ঢাকা-১২১৬), প্রকাশকালঃ সাবান-১৪২০হিজরি, নভেম্বর ১৯৯৯ ঈসায়ী
“পবিত্র কুরআনের মতে, বিশ্ব জগৎ আদিতে ছিল একটি বিশালকার একক পিন্ডাকৃতির বস্তু-বস্তু-সুক্ষ্ণাতি সুক্ষ্ণ অণু পরমাণু বিশিষ্ট গোলক।”(সূত্র: কম্পিউটার ও আল-কুরআন, কুরআন-হাদিস রিসার্চ সেন্টার, ইশায়াতে ইসলাম কুতুবখানা, দারুস্ সালাম, ঢাকা)।
সৃষ্টিতত্ত্বের প্রকার ভেদ
2.(ক) আস্তিক্যবাদী সৃষ্টি তত্ত্ব (খ) বস্ত্তবাদী সৃষ্টি তত্ত্ব
3.
4. এই সৃষ্টিতত্ত্ব বিজ্ঞানমনস্ক ধর্মবিশ্বাসী সাধারণ জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদের ধারণা-বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। আস্তিক্যবাদী এই সৃষ্টি তত্ত্বের নাম ইমানিসনিজম (Emanisnism)| । ‘ইমানিসনিজম’ (মহাবিশ্বের উৎপত্তি, সৃষ্টি ও পরিবর্তন সম্পকিত একটি ধারণার নাম। ইংরেজী ‘Emanisnism’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘Emanate’ শব্দ থেকে। Latin emanatus, past participle of emanare, from e- + manare to flow.To flow from...to pour fourth or out of অর্থাৎ কোন উৎস হতে বয়ে আসা, প্রবাহিত বা আগত, উৎসারিত ইত্যাদি।
ইমানিজমের ধারণা-বিশ্বাস হচ্ছে, সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। ইমানিশনিজম হচ্ছে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)|
►“আসমান-যমীন, আরশ কুরসী লাওহ-কলম, গাছ পালা, বৃক্ষ লতা, এক কথায় দৃশ্যমান ও অদৃশ্য যত কিছু রয়েছে “সব কিছুই সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ” (প্রাগুক্ত পৃঃ ৩৩)।
2.
3. ►“আল্লাহ তায়ালা সমস্ত বস্তুকে পূর্ব উপাদান ব্যতীত সৃষ্টি করেছেন” (প্রাগুক্ত পৃঃ ১৬২
কণা তত্ত্বের আলোকে মহাবিশ্ব
►(আল্লাহপাক) “বিশেষ মুছলেহাতের কারণে প্রথমে বিনা উপাদানে উপকরণে সৃষ্টি করে, সেই সব উপাদানের মাধ্যমে বিভিন্ন বস্তু সৃষ্টি করার ব্যবস্থা চালু করেছেন”(সূত্রঃ ফাতাওয়ায়ে সিদ্দিকীন, ১-৪ খন্ড, পৃষ্ঠা ১৬৩)
“পবিত্র কুরআনের মতে, বিশ্ব জগৎ আদিতে ছিল একটি বিশালকার একক পিন্ডাকৃতির বস্তু-সুক্ষ্ণাতি সুক্ষ্ণ অণু-পরমাণু বিশিষ্ট গোলক-যাকে দুখান বলা হয়েছে। এই দুখান হলো স্তর বিশিষ্ট এমন এক গ্যাস জাতীয় পদার্থ যা স্থিরভাবে ঝুলানো এবং যার মধ্যে বস্তু-সুক্ষ্ণাতি সুক্ষ্ণ অণু কণা উচ্চতর বা নিম্নতর চাপের দরুণ কখনও কঠিন, এমনকি কখনও বা তরল অবস্থায় বিদ্যমান ছিল।
মহাকালের বিভিন্ন পর্যায়ে সেই মহাপিন্ডটি খন্ড বিখন্ড হয়ে তৈরী হয়েছে এক একটি নীহারিকা বা ছায়াপথ এবং সেই সব ছায়াপথ সূর্যের মত কোটি কোটি নক্ষত্র নিয়ে একটা একটা পৃথক জগৎ রূপে মহাশূণ্যে সঞ্চারমান। আদি গ্যাসীয় পিন্ডের খন্ড বিখন্ড হয়ে পড়া বিশালকার টুকরাগুলি কালক্রমে আবার একীভুত হয়ে সূর্যের মত এক একটি নক্ষত্র সৃষ্টি করেছে। ...... বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্ব সৃষ্টির আদিতে ছিল ‘নীহারিকা’ বা ‘নেবুলা’ যা মূলতঃ গ্যাসীয় ধুম্রপিন্ড এর অনুরূপ। দেখা যাচ্ছে, বিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের বক্তব্য আধুনিক বিজ্ঞানের আবিস্কৃত তথ্যের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।” {সূত্র: কম্পিউটার ও আল-কুরআন)।
►উল্লেখ্য, এক সময় কেবলই আল্লাহ (ﺎﻠﻠﻪ) আর আল্লাহ-ই ছিলেন। মহান আল্লাহ ব্যতিত সৃষ্টি (ﻣﺨﻟﻖ) সত্বার কোন অস্তিত্ব কখনই ছিল না। কোন এক মহাসন্ধিক্ষণে আল্লাহপাক তাঁর কুদরতি এক মহাপরিকল্পনার (Master Plan) অধীনে ‘কুন’ হয়ে যাও‘’- এই কুদরতি আদেশ বা হুকুমবলে সম্পূর্ণ ‘নাই’ (Nil/Zero) থেকে কোন প্রকার জাগতিক তত্ত্ব, তথ্য, উপাত্ত, সূত্র, আইন-কানুন, বিধি-বিধান থেকে সম্পূর্ণ পুতঃপবিত্র (সুবহান) এবং অনির্ভরশীল(স্বমাদ) হয়ে সৃষ্টি করলেন এক মহাসৃষ্টি সত্বা (Great Creation) বা ﻣﺨﻟﻖ)-যাতে সম্মিলিতভাবে (Combined) নিহিত ছিল আকাশ/মহাকাশ[(ﺍﻠﺴﺎﻮﺍﺕ)( (Sky)] ও জমিন [ﻼﻠﺭﺽ Earth (পৃথিবী) আবার কোন এক বিশেষ মুহুর্তে তা পৃথক করে আজকের আসমান ও জমিন-এই দু’টি পৃথক পৃথক সত্বা সৃষ্টি করেছেন।
Islamic cosmology
"There was nothing before the world." (Fatwaye Siddiquin, Volume 1, Page: 74, Quran Hadith Research Center (Furfura Darbar Research Institute), Published by: Ishaate Islam, Qutb Khana, Markaje Ishaate Islam, 2/2, Darus Salam, Mirpur, Dhaka-1216), Date of Publication: Saban-1420 Hijri, November 1999 Christian
"According to the Holy Qur'an, the universe was in the beginning a large, single-body-shaped object-substance-substance-subtle molecule atomized sphere." (Source: Computer and Al-Quran, Quran-Hadith Research Center, Ishaate Islam Qutubkhana, Darus Salaam, Dhaka).
Different types of cosmology
2. (a) Theistic creation theory (b) Materialist creation theory
3.
4. This cosmology is based on the ideas and beliefs of science-minded religious laymen. Theistic creation theory is called Immanism . 'Emanisnism' (the name of a concept related to the origin, creation and change of the universe. The English word 'Emanisnism' comes from the Latin word 'Emanate'. Latin emanatus, past participle of emanare, from e- manare to flow. To flow from...to pour fourth or out of means flowing from a source, flowing or coming, sourced etc.
The concept of Emanism is that all creations, all objects have originated from First Reality or First Principle or Perfect God. Immanenceism is the Transcendental Principle, that is, a matter beyond human knowledge (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary).
► "Heaven-Earth, Arsh-Kursi-Lawah-Kalam, tree-plant, tree-creeper, in one word all that is visible and invisible "All things have been created by Almighty Allah" (previous p. 33).
2.
3. ► "Allah Ta'ala created all things without pre-elements" (previous p. 162
Universe in light of particle theory
►(Allah p.a.w.) "Due to a special mushlehat, he first created the materials without materials, and introduced the system of creating various things through those materials" (Source: Fatawaye Siddiquin, vol. 1-4, page 163)
"According to the Holy Qur'an, the universe was originally a large, single-body object consisting of minute molecules and atoms.
তথ্যপুন্জী
► “গোটা সৃষ্টিকূলের মধ্যে আল্লাহ তাআলার কুন ফাইয়া কুনের তাজাল্লীই বিরাজমান” (প্রাগুক্ত পৃঃ ৩৮)।
►প্রত্যেক বিষয়ের ক্বলব আছে, কুরআনের ক্বলব হচ্ছে সূরাহ ইয়াসিন (আল হাদীস)
►প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী আল আরাবী)
►প্রত্যেক বস্ত্তর নির্দিষ্ট পরিণতি রয়েছে (আলবার্ট আইনস্টাইন)
2. “বিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীগণ পরমাণুবাদের সমর্থক” (সূত্রঃ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকিদাঃ ফতেহ্ আলী মোহাম্মাদ আয়াতুল্লাহ সিদ্দিকী আল্ কোরাইশী, নেদায়ে ইসলাম, বর্ষঃ ৭৩, সংখ্যা-৬, মহররম-সফর ১৪৩
মধ্যাকর্ষণ শক্তির আবিস্কারক আইজ্যাক
নিউটন মহাকাশে মহাকর্ষের এহেন কারিশমা দেখে হতভম্ব হয়ে নিউটন মহাকর্ষ সম্পর্কে
বলেছিলেনঃ
“পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষ বল এমনভাবে থাকে যেন অদৃশ্য কোনো
দড়ি দিয়ে এই বস্তু দুটিকে (সূর্য এবং
পৃথিবী) বেঁধে রাখা হয়। ফলে সূর্যের চারপাশের কক্ষপথে চিরকালের জন্য বাধা
পড়ে পৃথিবী”।পক্ষান্তরে মহাকর্ষ সম্পর্কে আলবার্ট আইনস্টাইন বলেনঃ “সূর্যের মতো ভারী বস্ত্ত আসলে তার চারপাশের স্থান-কাল-কে বাঁকিয়ে দিয়ে
উপত্যকার মতো তৈরি হয়, আর উপত্যকার ঢালুতে গড়িয়ে চলতে বাধ্য হয় পৃথিবী”
(বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠাঃ ৬৩)।
আইনস্টাইনের মতে, স্থান-কালের বক্রতার কারণে দুই
নক্ষত্রের আলো সূর্যের পাশ দিয়ে পৃথিবীতে আসার সময় তার গতিপথ বেঁকে যায়। এতে
স্থান কিছুটা বেঁকে যাওয়ায় আলোও বেঁকে চলে। আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বের সারমর্ম
হলোঃ বস্তু স্থান-কাল-কে বলে কিভাবে বাঁকতে হবে আর বক্রতা স্থান-কাল-বস্তুকেবলে
কীভাবে চলতে হবে (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃঃ ৬৩)
নিউটনের
মহাকর্ষীয় সংজ্ঞা আইনস্টাইনের মনঃপুত হয় নি, আইনস্টাইনের সংজ্ঞা মনঃপুত
হচ্ছে না আধুনিক কসমোলজিস্টদের। কারণ, মহাকর্ষের সাথে বলতে গেলে পুরো মহাবিশ্বের অস্তিস্তকে
জড়ানো হয়েছে। স্টিফেন হকিং প্রথমে বলেছিলেনঃ মহাবিশ্ব শুন্য থেকে উদ্ভব হয়েছে।
পরে বলেছেনঃ মহাবিশ্বের উদ্ভবের জন্য গনিউটনের
মহাকর্ষীয় সংজ্ঞা অআইনস্টাইনের মনঃপুত হয় নি, আইনস্টাইনের সংজ্ঞা মনঃপুত
হচ্ছে না আধুনিক কসমোলজিস্টদের। কারণ, মহাকর্ষের সাথে বলতে গেলে পুরো মহাবিশ্বের অস্তিস্তকে
জড়ানো হয়েছে। স্টিফেন হকিং প্রথমে বলেছিলেনঃ মহাবিশ্ব শুন্য থেকে উদ্ভব হয়েছে।
পরে বলেছেনঃ মহাবিশ্বের উদ্ভবের জন্য গডের আলো জ্বালানোর প্রয়োজন নেই, মহাবিশ্ব
মহাকর্ষ বল থেকে উদ্ভব হয়েছে। অআবার বলা হচ্ছে বিগ ব্যাংয়ের সময় ৩ বলের সাথে
মহাকর্ষ বলও একত্রিত ছিল। পরে পৃথক হয়েছে। অআবার বলা হচ্ছে, মহাবিশ্বে যত মহাকর্ষ অআছে তার মাত্র ১০ শতাংশ মহাবিশ্বের
বস্তুগত কাঠামোতে বিদ্যমান। বাকী ৯০% অজানা কিছুর জন্য। অআবার বলা হচ্ছেঃ মহাকর্ষ
অচিন্তনীয়ভাবে দূর্বল। এত দূর্বল যে, চিরুনীতে বিদ্যমান স্থির চুম্বক শক্তির
মোকাবিলায় ছোট ছোট কাগজের টুকরাকে ধরে রাখার শক্তি নেই মহাকর্ষের । তাই সংগত
কারণে মহাকর্ষকে ঘিরে খোদ বিজ্ঞানীদের মনে প্রশ্ন জাগছে এই বলেঃ
“রহস্যময় মহাকর্ষের
সঠিক ব্যাখ্যা কী? এই বল দূর্বল কেন? কেন অন্য বলগুলোর মতো নয়? এর কারণ এমনও হতে
পারে, মহাকর্ষ হয়তো বিশেষ কোনো বল।
মহাকর্ষকে অন্য বলের মতো হতে হবে কিংবা একটিমাত্র তত্ত্ব দিয়ে সব কিছু
ব্যাখ্যা করতে হবে-এমনটা নাও হতে পারে। বড় দৃষ্টিভঙ্গির দিকে অআমাদের মন খোলা
রাখতে হবে। কারণ, মহাবিশ্বের মৌলিক কিছু সত্য সম্পর্কে আমরা এখনো অন্ধকারে রয়ে
গেছি” (টানে সবাইকে কিন্তু বাঁধনে জড়ায় না)।
Comments
Post a Comment