BENGALI
BENGALI
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এটি একটি বরকতময় কিতাব, যা আমি আপনার প্রতি বরকত হিসেবে অবতীর্ণ করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসমূহ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে এবং বুদ্ধিমানরা যেন তা অনুধাবন করে।’ (সুরা : সোয়াদ, আয়াত : ২৯)
মানবজাতির বোঝার সুবিধার্থে মহান আল্লাহ তাআলা কোরআনকে সহজ করে দিয়েছেন। কোরআন বোঝার জন্য আহ্বান করেছেন। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি কোরআনকে বোঝার জন্য সহজ করে দিয়েছি।
অতএব, কোনো চিন্তাশীল আছে কি?’ (সুরা : কামার, আয়াত : ২২)
কোরআন নিয়ে যারা চিন্তা করে না এবং কোরআন গবেষণা থেকে বিরত থাকে মহান আল্লাহ তাদের নিন্দা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না। নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (সুরা : মুহাম্মদ, আয়াত : ২৪)
কোরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা এবং কোরআন মানুষকে বুঝিয়ে দেওয়া নবুয়তি দায়িত্ব। আল্লাহ তাআলা রাসুল (সা.)-কে এ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি তোমার প্রতি এক স্মরণিকা (কিতাব) অবতীর্ণ করেছি, যেন তা তুমি মানুষের জন্য বয়ান তথা ব্যাখ্যা করে সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দাও, যা তাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে।
’ (সুরা : জুমা, আয়াত : ২)
রাসুল (সা.) মানুষকে কোরআন শিক্ষা দিতেন। পাশাপাশি সে যুগের প্রেক্ষাপট সামনে নিয়ে কোরআনের ব্যাখ্যাও বলে দিতেন। তিনি নিজে কোরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতেন। সাহাবিদেরও কোরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে উৎসাহিত করেছেন। আউফ বিন মালিক বলেন, একবার আমি রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে অবস্থান করলাম। তিনি মিসওয়াক করলেন। অতঃপর অজু করে নামাজে দাঁড়ালেন। আমিও তাঁর সঙ্গে দাঁড়ালাম। তিনি সুরা বাকারা তিলাওয়াত শুরু করলেন। রহমত ও দয়া বিষয়ক কোনো আয়াত এলে তিনি থামতেন এবং তা কামনা করতেন। আবার শাস্তিবিষয়ক কোনো আয়াত এলে তখনো তিনি থামতেন এবং তা থেকে মুক্তি চাইতেন। (নাসায়ি, হাদিস : ১১৩১)
রাসুল (সা.)-এর সাহাবিরা কোরআনের নির্দেশনাকেই অগ্রগণ্য হিসেবে গ্রহণ করতেন এবং তা বাস্তবায়নে আয়াতে কোরআন ভালোভাবে অনুধাবনের চেষ্টা করতেন। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) বলেন, ‘আমাদের মাঝে যখন কেউ ১০টি আয়াত শিখতেন, তখন তিনি সেগুলোর অর্থ অনুধাবন ও নিজের জীবনে বাস্তবায়ন ব্যতীত সেগুলো অতিক্রম করতেন না।’ (তাফসিরে তাবারি, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ২৭)
সাহাবিরা কোরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার ফজিলত ও মর্যাদা উপলব্ধি করেছিলেন। তাঁরা কোরআনকেই সব কিছুর ওপর প্রাধান্য দিতেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই কোরআনের একটি আয়াত পুনরাবৃত্তি করতে করতে পুরো রাত কাটিয়ে দিতেন। ইবনে আব্বাস (রা.) চিন্তা-ভাবনা ছাড়া সুরা বাকারা পাঠের চেয়ে মনোযোগ সহকারে সুরা জিলজাল ও আল-কারিয়া তিলাওয়াত করতে পছন্দ করতেন। (সুনানুন নাসায়ি, খণ্ড : ২, পৃষ্ঠা : ২২৩)
আবদল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) বলেছেন, ‘যে জ্ঞান অন্বেষণ করতে চায়, সে যেন আল-কোরআনকে প্রাধান্য দেয়। কেননা এর মধ্যে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সব জ্ঞানই নিহিত আছে।’ (বাহরুল উলুম, আবুল লাইস সামারকান্দী, খণ্ড : ১, পৃ. : ৭১)
যাঁরা কোরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করেন এবং কোরআনের আয়াত শুনে বিগলিত হয়ে যান তাঁরা বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হয়ে থাকেন। আল্লাহ তাআলা তাঁদের প্রকৃত মুমিন ও জ্ঞানী বলে আখ্যায়িত করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, বলো, ‘তোমরা কোরআনে বিশ্বাস করো কিংবা বিশ্বাস না করো, ইতোপূর্বে যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তাদের যখন কোরআন পাঠ করে শোনানো হয়, তখন তারা অধোমুখে সাজদায় লুটিয়ে পড়ে।’ আর তারা বলে, ‘আমাদের রব মহান পবিত্র; আমাদের রবের ওয়াদা অবশ্যই পূর্ণ হবে। তারা কাঁদতে কাঁদতে অধোমুখে সাজদায় লুটিয়ে পড়ে আর তা তাদের বিনয় ও নম্রতা বাড়িয়ে দেয়।’ (সুরা : আল-ইসরা, আয়াত : ১০৭-১০৯)
কোরআনের আয়াত নিয়ে চিন্তা, ভাবনা ও গভীর মনোনিবেশ বান্দার জন্য ইহকালীন ও পরকালীন সৌভাগ্য নিয়ে আনে। এর মাধ্যমে আল্লাহর ভয় জাগ্রত হয়। ঈমান বৃদ্ধি পায়। ভালো-মন্দ বুঝতে পারে। মন্দ ও অকল্যাণ থেকে দূরে থাকে। অন্তরে দুনিয়ার বাস্তবতা ফুটে ওঠে। হৃদয় কোমল হয়। আল্লাহর রহমত ও ফেরেশতারা তাদের পরিবেষ্টন করে রাখেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘মুমিন তো তারাই, আল্লাহর কথা আলোচিত হলেই যাদের অন্তর কেঁপে ওঠে, আর তাদের কাছে যখন তাঁর আয়াত পঠিত হয়, তখন তা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করে আর তারা তাদের রবের ওপর নির্ভর করে।’ (সুরা : আনফাল, আয়াত : ২)
রাসুল (সা.) বলেন, যখন কোনো সম্প্রদায় আল্লাহর গৃহসমূহের কোনো একটি গৃহে একত্রিত হয়ে আল্লাহর কিতাব পাঠ করে এবং একে অপরের সঙ্গে মিলে (কোরআন) অধ্যয়নে লিপ্ত থাকে তখন তাদের ওপর শান্তিধারা অবতীর্ণ হয়। রহমত তাদের আচ্ছন্ন করে ফেলে এবং ফেরেশতারা তাদের পরিবেষ্টন করে রাখেন। আর আল্লাহ তাআলা তার নিকটবর্তীদের (ফেরেশতাগণের) মধ্যে তাদের কথা আলোচনা করেন। (মুসলিম, হাদিস : ২৬৯৯)
প্রকৃতি একটি নির্বাক বিষয়, যার কোনো প্রতিনিধি বা মুখপত্র কিংবা মুখপাত্র নেই। প্রকৃতির নৈসর্গিক সবুজ শ্যামল উদ্যান রয়েছে যাকে আধ্যাত্মিক পরিভাষায় স্বর্গ বা জান্নাত বা বেহেশত বলা হয়। প্রকৃতির অন্যতম বিষয় বিসুবীয় আগ্নেয়গিরি, উপ্তত লাভা, দাবানল অন্যতম যা অআধ্যাতিক পরিভাষায় বলা হয় নরক বা নার-জাহান্নাম বা দোযখ। প্রকৃতিতে আখেরাত বিষয়ে অবস্থান নেই।বিজ্ঞানে আখেরাতের কাছাকাছি বিষয় হচ্ছে কক্সি নামক হাঁড়ের অতিপারমাণবিক ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র কণা বিশেষ যা হাদিস শরীফ তথা আধ্যাত্মিক পরিভাষায় বলা হয় উসউস-এতে আখেরাতের উল্লেখ রয়েছে এক হাদিসের বর্ণনায়।
►আমরা আমাদের যাবতীয় শোককে ওআইসির আদলে বিশ্বকে জ্ঞাননির্ভর শান্তির সূত্র উপহার দিতে নিউটনের তৃতীয় সূত্রের সংস্কার করতে চাই।
আমরা শক্তির মধ্যে পেয়েছি মহাবিশ্বের মহাশক্তির মহাভিত্তি।
অপবাদের অংশ বিশেষের দাও আমাদের উপর পরোক্ষভাবে বর্তায় অআমাদের বিজ্ঞানের প্রতি উদাসীনতা, অনাসক্তি ও বিলাসপ্রবণতার কারণে।
মানব জাতি ক্রমেই পৃথিবীতে অযোগ্য প্রাণী বলে প্রমাণ দিচ্ছে, পৃথিবী ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পবিত্র কুরআনে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে অপর জাতি চাপিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে। স্টিফেন হকিংসহ বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানীরা ভিন গ্রহের অতিবুদ্ধিমান প্রাণীর পৃথিবী দখলে নেওয়ার এলিয়েন, ইউফও ধরণের অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন।
আই.আর.আর.এস.টি.সির গবেষণায় জানা গেছে, বিজ্ঞান ক্রমেই জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে, যদিও প্রযুক্তির কারণে বিজ্ঞান এখনও সমাদৃত। কিন্ত্ত মানুষ যতই পরিবেশ সচেতন হয়ে উঠছে প্রযুক্তির অপব্যবহার জনিত পরিবেশ দূষণের কারণে বৈশ্বিক উষ্ঞতা বৃদ্ধির ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য এর দায় বর্তানো হচ্ছে বিজ্ঞানকে। কারণ, বিজ্ঞানের উর্বর ফসল হচ্ছে প্রযুক্তি।
তাছাড়া বিজ্ঞানে রয়েছে অআভ্যন্তরিন অনেক জটিলতা। রয়েছে অনেক অমীমাংসিত বিষয়। উনবিংশ শতাব্দীতে যেখানে বিজ্ঞান প্রায় সব জানার দাবী করেছে সেখানে বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় বর্ষের কোয়ান্টাম মেকানিক্স অনেকটা নড়ে বড়ে করে দেয়। একবিংশ শতাব্দীতে ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটারের সরব আলামত বিজ্ঞানীদের জানার হারকে ৪ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছে।পাশাপাশি মহাকর্ষ ও তার প্রতিবল গ্র্যাভিটন পরিণত হয়েছে মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়ে।
উল্লেখ্য, বিগত বিংশ শতাব্দীতের অআশির দশক থেকে বিজ্ঞানীরা নতুন ফ্রন্টিয়ার বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছেন।
আশার আলো স্ট্রিং থিওরিকে ১০-৩৩ সেন্টিমিটারের বেড়াজালে অআটকে দেওয়ায় তা এখন বিজ্ঞানীদের জন্য অআকাশ কুসুম কল্পনায় পরিণত হয়েছে।
আলোর গতি আটকে আছে আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব E=mc2 ফ্রেমে। ফলে আজও সায়েন্স ফিকশন হয়ে আছে ওয়ার্ম হোল, র্যা প ড্রাইভের মতো নভোতরী। নিউট্রিনো বেচারা মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড আগাতে গিয়ে স্টিফেন হকিংদের চাপের মুখে আগাতে পারেনি। মহাকর্ষের মাত্র শতকরা ১০ শতাংশ নাকি দৃশ্যমান মহাবিশ্বের ভৌত কাঠামোতে নিহিত বাকী ৯০ অজানা কিছুর মধ্যে লুকিয়ে আছে।
পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে প্রয়োজন উত্তরের গভীরতা। উত্তরের গভীরতার জন্য প্রয়োজন জ্ঞানের গভীরতা । আই.আর.এস.টি.সি জ্ঞানভিত্তিক উত্তরের গভীরতা অনুশীলন পূর্বক সকল নেতিবাচক প্রশ্নের উত্তর প্রদানে মুসলিম উম্মাহর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দোয়া কালামের বৈজ্ঞানিকতা
বিশ্ব কখনও নিউটনের চিরায়ত ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের নির্ধারিত নিয়মে কখনও ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম আর হাইজেনবার্গের অনির্ধারিত অনিশ্চয়তা নীতিতে চলছে। প্রতিদিন পূর্বদিকে সূর্য উদিত হচ্ছে পশ্চিমে অস্ত যাচ্ছে, জোয়ার-ভাটা হচ্ছে, রাতের পর দিন, দিনের পর রাত, আমাবস্যার পর পূর্ণিমা, পূর্ণমার পর আমাবস্য, সুখের পর দুঃখ, দুঃখের পর সুখ, হাসির পর কান্না,কান্নার পর হাসি, শীতের পর গ্রীষ্ম, গ্রীষ্মের পর শীত যেমন নির্ধারিত নিয়মে ঘটছে তেমনি অনির্ধারিত নিয়মেই চলছে আবহাওয়ার সকল পূর্বাভাষ, সকল বার্তা, ভূমিকম্প, দাবানল আর অগ্নুৎপাতের ঘটনা ছাড়াও পর মুহুর্তে কী ঘটতে যাচ্ছে, কার মৃত্যু কখন তা আজও অনির্ধারিত, অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। পাশাপাশি মানব জ্ঞানে কুলায় না এমন অহরহ ঘটে চলেছে এমন সব ঘটনা যাকে “অবিশ্বাস্য হলেও সত্য”, “ভূতুড়ে”, “অদ্ভূতুড়ে”, “অলৌকিক”, “হ্যালুয়েশন”, “হ্যালিপ্যাথি” ইত্যাদি কিছু প্রচলিত প্রবাদ বচনে এড়িয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। তাছাড়া মহাজাগতিক কিছু ব্যাপার আছে যার উত্তর অআপাততঃ নেই, ভবিষ্যতে পাওয়ার আশা করা যায় আবার এমন ব্যাপারও রয়েছে ভবিষ্যতেও পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই পদার্থ বিজ্ঞানীদের দাবী এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই।
উদাহরণস্বরূপ, কোটি কোটি ডিগ্রি ফারেনহাইউত্তাপ বিশিষ্ট হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে মহা বিস্ফোরণ ঘটার পর কেন এনট্রপির ঘটনা ঘটল অর্থাৎ উষ্নতা থেকে ক্রমশঃ শীতলতার দিকে গেল? উষ্ন থেকে উষ্নতর, উষ্মতম হলো না কেন? প্রাণ কি, কেমন? কেন ঘূর্ণিঝড় আকস্মিকভাবে দিক পরিবর্তন ঘটায়? কিংবা মহাকাশের শেষ কোথায়? ইত্যাদি।
সব কিছু নির্ধারিত নয়, অআবার সব কিছু অনির্ধারিত নয় বরং বিশ্ব চলছে মধ্যপন্থায়। এমন ব্যাপার অআছে ঘটবেই ঘটবে, এমন ব্যাপার রয়েছে ঘটতে পারে অআবার নাও পারে যেমন ঘূর্ণিঝড়, অআঘাত হানতেও পারে নাও পারে। এখন কি হচ্ছে বলতে পারছি, কিন্ত্ত পর মুহুর্তে কী ঘটতে যাচ্ছে? যা অআচ করা মানব জ্ঞানের বাইরের ব্যাপার।
জগতে এমন ব্যাপারও রয়েছে যা সুনির্ধারিত যা জাগতিক চেষ্টা তদ্বিরেও অপরিবর্তনীয়। পক্ষান্তরে এমন ব্যাপারও রয়েছে নির্ধারিত তবে চেষ্টা তদ্বিরে তথা দোয়া-কালামে পরিবর্তনশীল।
তাই এমন দোয়া কালাম রয়েছে যা নির্ধারিত বিষয়কে অনির্ধারিত, অনির্ধারিত বিষয়কে নির্ধারিত করে তোলে। (একমাত্র দোয়া তাকদিরকে খন্ডায় (আল হাদীস)।
প্রকৃতি বনাম ধর্ম
মহাবিশ্ব কীভাবে জন্ম হয়েছে, কেন হয়েছে, আমরা কে? আমাদেরকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে? এসব বিষয়ে প্রাকৃতিক নির্বাচন বা প্রাকৃতিক আইনে লিখিত কোন জবাব নেই। এমন এক লিখিত গ্রন্থের প্রয়োজন যাতে জ্ঞান বিজ্ঞানের কিছুই বাদ দেয়া হয়নি, যাতে দ্ব্যর্থহীন ভাবে গ্যারান্টি দেয়া হয়েছে যে, এতে কোন সন্দেহ নাই যা সত্য-মিথ্যার মান দন্ড, যাতে রয়েছে শান্তির ঠিকানা এসব প্রশ্নের জবাব রয়েছে পৃথিবীতে মাত্র একটি গ্রন্থে যার নাম আল কুরআন।
১. মহাবিশ্ব কীভাবে জন্ম হয়েছেঃ সূরা আম্বিয়ার ৩০ আয়াত দ্রষ্টব্য
২. কেন হয়েছে? মানুষের সেবার জন্য, কল্যাণের জন্য।
৩. আমরা কে? লাকাদ কাররামনা বনি আদামা। সন্মানিত সত্বা
৪. আমাদেরকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে? একমাত্র আমার গোলামী, আমার কথা মতে, আদেশমতে চলার জন্য।
মহান আল্লাহর পক্ষ হতে খুলুক্বিল আজীম, আল আমিন, আস সাদিক মহানবী ﷺ এর উপর সন্মানিত ফেরেশ্তা জিবরাঈল আলাইহিমুস সালামের মাধ্যমে, হাজার মাসের চাইতে উত্তম রাতে, শ্রেষ্ঠ মাস রমজানে, সন্মানিত স্থান মক্কা মুয়াজ্জিমায় অবতীর্ণ এই কিতাবে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করা হয়েছেঃ এতে কোন সন্দেহ নাই, এতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের কিছু বাদ দেয়া হয়নি, এটা সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের একমাত্র মানদন্ড বিশেষ, যাতে রয়েছে শান্তির ঠিকানা সূরাহ রদ এর ২৮ নং আয়াতে এই বলেঃ জেনে রাখ! আল্লাহর জিকির করেই হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে। (১৩-সূরা রাআদ: আয়াত ২৮) একমাত্র আমার স্মরণে শান্তি।
Comments
Post a Comment