Conclusion Insha Allah

Conclusion Insha Allah 1. ٨٢- إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ◯ 82. Verily, when He intends A thing, His Command is, “ Be ”, and it is ! (Sūra 36: Yā-Sīn (being Abbreviated Letters),Verses 83 — Makki; Revealed at Makka — Sections 5, Ayat:82,https://quranyusufali.com/36/) Ala lahul Kholq Wal Amru 2. أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْر সৃষ্টিও তারই এবং হুকুম তারই’ (সূরা আরাফ : আয়াত-৫৪)। Sūra 7: A’rāf, or The Heights, Ayat:54, Verses 206 — Makki; Revealed at Makka — Sections 24,https://quranyusufali.com/7/ উপরোক্ত পবিত্র কুরআনের আয়াতদ্বয়ের প্রথম আয়াতের প্রথমে (কিছু) হওয়ার আদেশ পরে সৃষ্টি, দ্বিতীয় আয়াতে প্রথমে সৃষ্ট পরে আদেশ।এই অআদেশটি বিধায়ক 3. ٥- الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ ◯ The sun and the moon Follow courses (exactly) computed ; Sūra 55: Rahmān, or (Allah) Most Gracious.Verses 78 — Madani; Revealed at Madina — Sections 3,Ayat:5,Verses 78, https://quranyusufali.com/55/ সূর্য এবং চন্দ্র আল্লাহর বেঁধে দেওয়া নিয়মে, আদেশে চলে। 4. وَلَهُ الْحُكْمُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ◯ For Him is the Command, And to Him shall ye (All) be brought back. Sūra 28: Qasas, or the Narration, Ayat: 70,Verses 88 — Makki; Revealed at Makkaa — Sections 9, https://quranyusufali.com/28/ ‘ওয়ালাহুল হুকমু ওয়া ইলাইহি তুরজাউন’। অর্থাৎ, একমাত্র তারই হুকুম চলে এবং তোমরা সবাই তারই দিকে প্রত্যাবর্তন করবে’ (সূরা কাসাস : আয়াত-৭০)। আ'লাম আন্নাল্লাহা আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর ওয়ান্নাল্লাহা আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন ই'লমা ► হযরত রাসূল (সা:) বলেছেন, প্রত্যেক জিনিসের একটি ‘ক্বলব’ আছে। কোরআনের ক্বলব হচ্ছে ‘সূরা ইয়াসিন’। ► প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী আল আরাবী)। ► প্রত্যেক বিষয়ের রয়েছে সুনির্দিষ্ট পরিণতি (আলবার্ট আইনস্টাইন)। ► পদার্থ চুপসে যেতে যেতে এক পযার্য়ে পরম বিন্দুতে এসে থেমে যায়। এ পরম বিন্দুর নাম সিঙ্গুলারিটি। দাবনাকৃতির একটি নক্ষত্র যখন তার নিউক্লিয়ার ক্ষয় হতে হতে এক পর্যায়ে মৃত্যু বরণ করে তখন সব শক্তি একীভূত হয়ে পরিণত হয় পরমবিন্দুতে যাকে ব্ল্যাকহোল বলা হয়। বিজ্ঞানের উপসংহারঃ এই মহাবিশ্ব কিভাবে এলো? এই আদি প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায় বিং ব্যাংকে, আধুনিক প্রশ্নঃ বিগ ব্যংয়ের পূর্ব কী ছিল? এই প্রশ্নের জবাবও রয়েছে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেলের থিওরিতে। এই থিওরি কিভাবে এলো? তারও ইতিহাস রয়েছে ব্যাক গ্রাউন্ড রেডিয়েশনের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে। আমরা সাধারণত কোন বস্তু-পদার্থকে কোন না কোন নামে-ধামে দেখি বা জানি।কণা ডিটেক্টরে সেই বস্ত্ত-পদার্থকে দেখা যায় কণারূপে, তরঙ্গ ডিটেক্টরে সেই কণাকে দেখা যায় তরঙ্গ আকারে। উদাহরণস্বরূপ, কারো মাথাকে আমরা দেখি চুল আকারে, টেকো মাথাকে দেখি চামড়া মোড়ানো আকারে, কিন্ত্ত এক্সরে মেশিনে না চুল না চামড়া কোনভাবে দেখা যাবে না, তা দেখা যাবে খুলি আকারে। এম.অআর.অআই. মেশিনে দেখা যাবে স্ট্রিং বা লম্বাটে তার সদৃশ্য অসংখ্য রগ আকারে।প্রতিটি কণার পরম বিন্দু রয়েছে তা স্ট্রিং তাত্ত্বিক পরিভাষায় বলা হয় কম্পমান লম্বাটে সূক্ষ্ণ তার। অসীমের পথে বিজ্ঞান ► এক বিলিয়ন বছরের বেশি অআগে দুটি কৃষ্ঞগহবরের মধ্যে সংঘর্ষে সৃষ্ট কম্পন থেকে মহাকর্ষ তরঙ্গের সৃষ্টি হয়েছে।(বিচি মার্চ ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৮)। ► পুরো মহাবিশ্বে বর্তমানে যে পরিমাণ মহাকর্ষ অআছে, তার মাত্র ১০ শতাংশ আমাদের জানা পদার্থের জন্য সৃষ্টি হয়েছে বাকী ৯০ শতাংশই হয় অজানা কিছুর জন্য। আমরা জানি না জিনিসটা কী, সেটা কেমন কিংবা কিভাবে কাজ করে। জিনিসটা যাই হোক, এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত, একটা কিছু অবশ্যই আছে। যেহেতু জিনিসটা লুকিয়ে আছে, এখনো ধরা দেয়নি, কিন্ত্ত এটি মহাকর্ষ সৃষ্টি করতে পারছে। এসব সমসার সমাধান পেতে হলে আমাদের এমন এক তত্ত্ব আবিস্কার করতে হবে, যেটি চারটি বলকে একীভূত করতে পারবে। ►“বিশাল ভরের কোনো নক্ষত্র তার আয়ুস্কাল ফুরিয়ে জীবনের শেষ প্রান্তে উপনীত হলে এদের নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া কমে যেতে থাকে। তখন ভেতরের বস্ত্তগুলো পরস্পরের খুব কাছাকাছি চলে আসে। ফলে আরও বাড়তে থাকে এদের মধ্যে ক্রিয়াশীল মহাকর্ষ বল। এতে বস্তুগুলো আরও কাছাকাছি আসতে শুরু করে । এ প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদে চলতেই থাকে। একসময় অবস্থা এমন হয় যে, গোটা নক্ষত্রের ভর একটা বিন্দুতে এসে মিলিত হয়। সে বিন্দুটির মহাকর্ষ বল তখন এতটাই বেশি হয় যে, এর চার পাশের স্থান-কাল বেঁকে যায় অসীম মাত্রায়।” (বিজ্ঞানচিন্তা) ►সে মাত্রায় সূর্যের মতো নক্ষত্রের আয়তন দাঁড়াবে......., পৃথিবী পরিণত হবে সূঁচের আগার বিন্দুর ন্যায়। ►“একটি সুষম গোলাকার সুশৃঙ্খল প্রতিসম নক্ষত্র সংকুচিত হয়ে একক অসীম ঘনত্বের একটি বিন্দুতে পরিণত হবে। এ রকম বিন্দুকে বলা হয় সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু।” (বিজ্ঞানচিন্তা,মার্চ, ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৯) ►তত্ত্বটি (স্ট্রিং) বলছে, কণাগুলো বিন্দুর মতো নয় বরং স্ট্রিং বা সুতার মতো (প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ৪৪)। ►IRRSTC মনে করে আমরা এখনও বিগ ব্যাং পূর্বাবস্থায় রয়েছি তবে তা মনস্তাত্বিকভাবে। তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানমতে “একটি সুষম গোলাকার সুশৃঙ্খল প্রতিসম নক্ষত্র সংকুচিত হয়ে একক অসীম ঘনত্বের একটি বিন্দুতে পরিণত হবে। এ রকম বিন্দুকে বলা হয় সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু।” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৯) যা স্ট্রিং তত্ত্বমতে কণাগুলো বিন্দুর মতো নয় বরং স্ট্রিং বা সুতার মতো (প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ৪৪) উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, কেবল সংকোচনের মাধ্যমে বস্ত্ত-পদার্থকে পরমবিন্দু অর্থাৎ স্ট্রিংয়ে পরিণত করা সম্ভব যার প্রমাণিত রূপ হচ্ছে কোয়ার্ক যা ১০-১৬ সেন্টিমিটার বিশিষ্ট। তবে IRRSTC মনে করে পরম দূরত্বেও বস্ত্ত-পদার্থকে পরমবিন্দু অর্থাৎ স্ট্রিংয়ে পরিণত করা সম্ভব। উল্লেখ্য, কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূরত্বে অবস্থান সত্ত্বেও নক্ষত্র বা গ্যালাক্সিকে বিরাট-বিশালতার কারণে এখনও খালি চোখে, কখনও দূরবীন দ্বারা দেখা সম্ভব হচ্ছে । IRRSTC মনে করে আরও বিরাট বিশাল গ্যালাক্সি রয়েছে যা আমরা খালি চোখেতো দূরের কথা অত্যাধুনিক ডিজিটাল দূরবীক্ষণ যন্ত্রেও সম্ভবপর নয় পরম দূরত্বের কারণে। ইসলামী মহাকাশীয় তত্ত্বমতে আকাশের সংখ্যা সাতটি একেকটি আকাশ একের চাইতে বিরাট বিশাল। প্রথম আকাশের তুলনায় দ্বিতীয়, দ্বিতীয় আকাশের তুলনায় তৃতীয় আকাশ, তৃতীয় আকাশের তুলনায় চতুর্থ, চতুর্থ আকাশের তুলনায় পন্চম, পন্চম আকাশের তুলনায় ষষ্ঠ, ষষ্ঠ আকাশের তুলনায় সপ্তম, সপ্তম আকাশেরর তুলনায় আরশে আজীম বৃহৎ। অর্থাৎ প্রথম আকাশের তুলনায় দ্বিতীয়, দ্বিতীয় আকাশের তুলনায় তৃতীয় আকাশ, তৃতীয় আকাশের তুলনায় চতুর্থ, চতুর্থ আকাশের তুলনায় পন্চম, পন্চম আকাশের তুলনায় ষষ্ঠ, ষষ্ঠ আকাশের তুলনায় সপ্তম, সপ্তম আকাশেরর তুলনায় আরশে আজীম বৃহৎ। অর্থাৎ ►দ্বিতীয় আকাশের তুলনায় প্রথম আকাশ ছোট, ►তৃতীয় আকাশের তুলনায় দ্বিতীয় আকাশ ছোট, ►চতুর্থ আকাশের তুলনায় তৃতীয় আকাশ ছোট, ►পন্চম আকাশের তুলনায় চতুর্থ আকাশ ছোট, ►ষষ্ঠ আকাশের তুলনায় পন্চম আকাশ ছোট, ►সপ্তম আকাশেরর তুলনায় ষষ্ঠ আকাশ ছোট এবং ► আরশে আজীমের চেয়ে সপ্তম আকাশ অনেক ছোট। এই বিবেচনায় আরশে আজীমের চেয়ে সপ্তম আকাশ অনেকটা পরম বিন্দুর ন্যায়। কথিত আছে যে, এক বুজুর্গ কাশফ বা অন্তর্দৃষ্টিতে আরশে আজীম পৌঁছে মন্তব্য করেছিলেনঃ হায় আল্লাহ! আপনার সৃষ্টি জগত এত ক্ষুদ্র! এক নজরে বস্ত্ত-পদার্থের পরমত্বের স্বরূপ নাম মাত্রা স্ফটিক ১০-৭ সেন্টিমিটার পরমাণু ১০-৮ সেন্টিমিটার পরমাণুর নিউক্লিয়াস ১০-১২ সেন্টিমিটার নিউক্লিয়ন ১০-১৩ সেন্টিমিটার কোয়ার্ক ১০-১৬ সেন্টিমিটার ইলেকট্রন .............. স্টিং (সম্ভাব্য) ১০-৩৩ সেন্টিমিটার অ্যাটম=নিউট্রন+প্রোটন নিউক্লিয়ার=ইলেকট্রন+কোয়ার্ক ল্যাপটন=চার্জধারী+চার্জবিহীন। চার্জবিহীন কণাঃ ১) ইলেকট্রন নিউট্রিনো ২) মিউন মিউট্রিনো ৩) টাউ ইলেকট্রিনো মহাবিশ্ব ১) ডার্ক এনার্জি ....%+২) ডার্ক ম্যাটার...% ৩) ৪/৫% জানা বস্তুকণা (কোয়ার্ক+ইলেকট্রন+হিগস বোসন তথা স্ট্রিং কম্পন ইত্যাদি) ইলেকট্রনঃ মহাবিশ্বের জানা মৌলিক কণাঃ ১) ইলেকট্রনঃ ২) কোয়ার্ক কোয়ার্ক ক) আপ কোয়ার্ক ও ডাউন কোয়ার্কঃ সাধারণ পদার্থের ক্ষুদ্র কণা। প্রোটন ও নিউট্রনে আপ+ডাউন কোয়ার্ক থাকে। খ) চার্ম কোয়ার্কঃ ধনাত্মক আধানযুক্ত প্রোটনের চেয়ে তিন গুণ ভারী গ) স্ট্রেন্জ কোয়ার্কঃ ঋণাত্মক আধানযুক্ত ঙ) টপ কোয়ার্কঃ সবচেয়ে ভারী মৌলিক কণা। ভর প্রায় স্বর্ণের পরমাণুর সমান। চ) বটম কোয়ার্কঃ প্রোটনের চেয়ে চারগুণ ভারী। টপ প্রত্যেক বিষয় জোড়া, জোড়াঃ কণা পদার্থবিজ্ঞানমতে, মহাবিশ্ব বস্ত্তগতভাবে মাত্র দুটি কণা দিয়ে গঠিত। কণা দুটি হলো ১. ফার্মিয়ান ২. হিগসবোসন। কণা পদার্থবিদদের মতে, প্রত্যেক কণা কম্পমান। প্রত্যেক বস্তুর অতিপারমাণবিকতা হচ্ছে দুটি যথাঃ ১) অতিপারমাণবিক কণা ২) তরঙ্গমালা কণার রয়েছে প্রতি কণা, বলের রয়েছে প্রতিবল, পদার্থবিজ্ঞানের রয়েছে দুটি শাখা।বিগ ব্যাংয়ে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পরিণতি ঘটেছে ২টি যথাঃ ১)আকাশ অর্থাৎ মহাশুনা এবং ২) পৃথিবীসহ গ্রহ, নক্ষত্র। তাছাড়া রয়েছে ১)জড় ২)প্রাণী। প্রাণীর রয়েছে জোড়া ১) নর ২) নারী। "প্রকৃতির মন পুরোপুরি এখনো বুঝে উঠতে পারেনি মানুষ। এখনকার পদার্থ বিজ্ঞানের দুটি শাখা। বড়দের জগৎকে অর্থাৎ গ্রহ, নক্ষত্রের গতি, ভর, বেগ, বল মহাকর্ষ ইত্যাদি ব্যাখ্যা করে অআইনস্টাইনের সাধারণঅআপেক্ষিকতায়। অন্যদিকে পরমাণুর অন্দর মহলের যে জগৎ সেটা ব্যাখ্যার জন্য দরকার কোয়ান্টাম বল বিদ্যার। কোয়ান্টাম বলবিদ্যা দিয়ে বড়দের জগৎকে ব্যাখ্যা করা যায় না। অন্যদিকে সাধারর অআপেক্ষিকতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না খুদে কণাদের অথচ মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্ব ব্যাখ্যা করতে অর্থাৎ বিগ ব্যাং তত্ত্বের সত্যিকার প্রমাণ পেতে হলে দরকার এই দুই তত্ত্বের মিলন" (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃ্ষ্ঠা ৪৫)। ‘Emanre’ শব্দ থেকে যার অর্থ To flow from...to pour fourth or out of অর্থাৎ কোন উৎস হতে বয়ে আসা, প্রবাহিত বা আগত, উৎসারিত ইত্যাদি। ইমানিজমের ধারণা-বিশ্বাস হচ্ছে, সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। ইমানিশনিজম হচ্ছে Transcendental Print অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictonary)| Latin emanatus, past participle of emanare, from e- + manare to flow emanate applies to the coming of something immaterial (such as a thought) from a source. emanate verb em·a·nate ˈem-ə-ˌnāt emanated; emanating 1 : to come out from a source এই সৃষ্টিতত্ত্ব মতেঃ Nothing থেকে Everything সৃষ্টি হয়নি বরং অত্যন্ত সূক্ষ্ণদর্শী এবং মহা প্রবল প্রতাপশালী মহাজ্ঞানী একক সৃষ্টিকর্তাই সুপরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খলিত এবং কঠোর নিয়মানুবর্তিতার মধ্য দিয়ে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন (সুবহা-নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী, সুবহা-নাল্লাহিল আজিম)। আধুনিক সৃষ্টিতত্ত্বমতে, "পৃথিবী, গ্রহাণু ও অন্যান্য গ্রহগুলো একই উৎস থেকে এসেছে" (বিচি বর্ষঃ ৪, সংখ্যা ৪, জানুয়ারি ২০২০, পৃষ্ঠা ৭৩)। বস্তুগতভাবে উৎসটি হচ্ছে শক্তি, শক্তির উৎসমূল হচ্ছে মহাশক্তি যার জাগতিক নামঃ প্রকৃতি, আধ্যাত্মিক নাম গড, ঈশ্বর, খোদা, আল্লাহ ইত্যাদি। এক বিলিয়ন বছরের বেশি অআগে দুটি কৃষ্ঞগহবরের মধ্যে সংঘর্ষে সৃষ্ট কম্পন থেকে মহাকর্ষ তরঙ্গের সৃষ্টি হয়েছে।(বিচি মার্চ ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৮)। পুরো মহাবিশ্বে বর্তমানে যে পরিমাণ মহাকর্ষ অআছে, তার মাত্র ১০ শতাংশ অআমাদের জানা পদার্থের জন্য সৃষ্টি হয়েছে বাকী ৯০ শতাংশই হয় অজানা কিছুর জন্য। অআমরা জানি না জিনিসটা কী, সেটা কেমন কিংবা কিভাবে কাজ করে। জিনিসটা যাই হোক, এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত, একটা কিছু অবশ্যই অআছে। যেহেতু জিনিসটা লুকিয়ে অআছে, এখনো ধরা দেয়নি, কিন্ত্ত এটি মহাকর্ষ সৃষ্টি করতে পারছে। এসব সমসাআর সমাধান পেতে হলে অআমাদের এমন এক তত্ত্ব অআবিস্কার করতে হবে, যেটি চারটি বলকে একীভূত করতে পারবে। ►কেবল জবাব পাওয়া যায় না এই মহাবিশ্বে এবং তার প্রতিটি অণু কণা, অণু পরমাণু কি দিয়ে তৈরি? বিজ্ঞানে রয়েছে দুটি জগত। স্থূল এবং সূক্ষ্ণ । নিউটনের ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান, আইনস্টাইনের বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব স্থূল জাগতিক এবং ম্যাকস্ প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম আর হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব সূক্ষ্ণ জগতের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি। যেদিন মানুষ নিজ হাতে প্রথমবারের মত কোনো বস্ত্তকে আছড়ে দু টুকরা করতে শিখল- সেদিন থেকে অতি পারমাণবিকতার অগ্রযাত্রার সূচনা হলো। এর পর যাতা নামক যন্ত্রের সাহায্যে পিষে গম-কে আটা, আটাকে ময়দা অর্থাৎ পাউডার করতে শিখল। এই হলো সাধারণ মানুষের দিব্যি দর্শনের রেন্জ বা পরিধি। পাউডারের চাইতেও সূক্ষ্ণতার অগ্রযাত্রার সূচনা সেদিন থেকে শুরু হলো যেদিন প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস একটা বস্ত্তকে ভাংতে ভাংতে এমন পর্যায়ে পৌঁছে হয়রান পেরেশান হয়ে বলে উঠেছিলেনঃ “আর ভাঙা যাবে না”। এই বাক্য গ্রীক পরিভাষায় বলা হয় “অ্যাটম” বলা যায় অ্যাটম হচ্ছে পারমাণবিকতা থেকে অতিপারমাণবিকতার সূচক যার বর্তমানে সূক্ষ্ণতার সর্বশেষ স্তর হচ্ছে মারে গেলমান কর্তৃক অআবিস্কৃত কোয়ার্ক যা এ যাবৎকালের মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেলের থিওরি তথা পদার্থ বিজ্ঞানের মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোয় কীভাবে? এ প্রশ্নের জবাব আপাততঃ এখানেই শেষ যে, মহাবিশ্বের মূল বস্ত্তগত কাঠামোর মূল উপাদান হচ্ছে কোয়ার্ক। কোয়ার্ককে বলা হচ্ছে মহাবিশ্বের মহাপ্রাচীরের ইট। আর হিগস বোসন কণাকে বলা হয় সিমেন্ট। মহাবিশ্ব কীভাবে এলো? এই প্রশ্নের আপাততঃ জবাব হলোঃ মহাবিশ্ব কোয়ার্ক থেকে জন্ম নিল। আইনস্টাইন তাঁর বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব তথা স্থূল জাগতিকতার সাথে ম্যাকস্ প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম আর হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব তথা সূক্ষ্ণ জগতের একটা অভিন্ন সেতুবন্ধ তৈরির আমরণ প্রায় চার দশক ধরে চেষ্টা করেছিলেন । চার বল-কে আবারও এক করতে চেয়েছিলেন। বিগ ব্যাংয়ের অআগে এমনকি বিগ ব্যাংয়ের পরও নাকি একত্র ছিল, পরে পৃথক হয়েছে। সত্তর দশকে প্রফেসর আবদুস সালাম প্রমুখ তিন বল-কে তাত্ত্বিকভাবে এক করতে পারলেও মহাকর্ষ এখনও অধরা রয়ে গেছে। স্ট্রিংয়ের মাধ্যমে একীভূত তত্ত্বের স্বপ্ন দেখছেন বিজ্ঞানীরা। আটকে অআছেন মহাকর্ষ এবং তার প্রতিবল গ্র্যাভিটনে। ► নিরাপত্তা দানকারী অভিভাবকই আমাদেরকে পৃথিবীর মাটিতে আটকে থাকার মহাকারণ। ► আলোর গতিবেগ বাড়লেও যে কারণে স্ট্যান্ডার্ড মডেল টিকে থাকবে তা হচ্ছেঃ ভগ্নোংশে এমনিতেই আলোর প্রকৃত গতি এক লক্ষ ছিয়াছি হাজার দুইশত মাইলেরও অধিক তাই নিউট্রিনোর গতি ৬০ ন্যানো সেকেনড বাড়লেও আই.আর.আর.টি.সির মতে স্ট্যান্ডার্ড মডেল টিকে থাকবে। কারণ, স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ভিত্তি প্রাকৃতিক প্রকৃত অআলোর গতি ভিত্তিক নয় বরং বিজ্ঞান কর্তৃক ধার্য্যকৃত রাউন্ড ফিগার এক লক্ষ ছিয়াছি হাজার মাইল। ► যেহেতু মহাবিশ্বের অআদি অবস্থা ছিল শক্তিবস্থা যার বৈজ্ঞানিক নাম হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যার মহা বিস্ফোরণকে বিগ ব্যাং বলা হচ্ছে। স্টিংয়ের কম্পনের উৎসমূলও শক্তি। অআইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ মতে জমে থাকা শক্তি জমাট বদ্ধ বস্তুর মতই। তাছাড়া ভর এবং শক্তি শক্তি এবং ভর সমার্থক। আই.আর.আর.টি.সি মনে করে তরল শক্তির নাম ভর অআর জমাট শক্তির নাম বস্ত্ত-পদার্থ। কণা পদার্থ বিজ্ঞান মতে, প্রতিটি কণা কম্পমান।কম্পনের উৎসমূলও শক্তি। পরীক্ষাঃ একটি অতি সূক্ষ্ণ তারের উভয় প্রান্ত শক্তভাবে বেধে রাখি। যতক্ষণ শক্তি প্রয়োগ না হবে ততক্ষণ তারটি স্থির, নিঃশব্দ থাকবে। তারটির মধ্য বরাবর জায়গায় তর্জনী অআঙ্গুল দ্বারা শক্তি প্রয়োগ বা নাড়া দিলে তারটি নিরবতা ভঙ্গ করে মৃদু শব্দের উৎপন্ন হবে। শব্দ এক প্রকার শক্তি। প্রয়োগকৃত হস্তশক্তি শব্দ শক্তিতে পরিণত হতে পারে। শুন্যস্থানে শক্তি বিরাজমান থাকা কোয়ান্টাম তত্ত্বে নতুন কথা নয়। বিগ ব্যাংয়ের অআগে যেমন হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন নামে শক্তি বিরাজমান ছিল, বিগ ব্যাংয়ের পরও ৪ মহাবলের নামে একক শক্তিরূপে বিদ্যমান ছিল। পৃথক হওয়ার পরও হিগস ফিল্ডে শক্তি বিদ্যমান ছিল। আই.আর.আর.টি.সির মতে সম্ভবতঃ ভরশুন্য ফোটন কণা হিগস ফিল্ডে বিদ্যমান শক্তির সংস্পর্শে এসে ভরত্ব লাভ করে হিগস বোসন কণায় পরিণত হয়। আই.আর.আর.টি.সি আরও মনে করে যে, অআইন্টাইনের একীভূত তত্ব স্বপ্ন নয় বরং বাস্তব যা নাটকীয়ভাবে সাধারণ অআপেক্ষিকতা নামের তত্তেই ঘটেছিল। ইনভেরিয়েন্ট শব্দ দিয়ে স্পেশালের ভিত্তি মজবুত করতে গিয়ে অআইনস্টাইন সব কিছুকে অআপেক্ষিক করে কোয়ান্টাম জগতে নিয়ে যান স্বীয় দ্বিতীয় তত্ত্বকে অবচেতন মনে কেবল নাম সংস্কার করে। তা না হলে জগত এখনও নিউটনীয় বিজ্ঞানে চলমান থাকতো বৈকি। মহাবিশ্বকে বস্ত্তগত কাঠামোয় জানতে হলে পদার্থ বিজ্ঞানে অনুত্থাপিত অআরেকটি প্রশ্নের উত্তর জরুরী তা হচ্ছেঃ প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি? এ প্রশ্নটি। বিজ্ঞানে জগতে বলা হয়, কেউ জানে না। আই.আর.আর.টি.সির মতে, আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ কিংবা স্ট্রিং থিওরিতে রয়েছে কণা গুলি কী দিয়ে তৈরি তার তত্ত্ব বা জবাব।স্ট্রিং থিওরির নাম দেয়া যেতে পারে কম্পশক্তি তত্ত্ব। কারণ, কম্পনের মাত্রা নির্ধারণ করে দেয় স্ট্রিংয়ে ইলেকট্রন না কি কোয়ার্ক নাকি অন্য কোন মৌলিক পারমাণবিক কণা উৎপন্ন হবে। বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে প্রায় আলোর গতিশক্তিতে পরস্পর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সৌরকেন্দ্রের চাইতে লক্ষ গুণ উত্তাপ সৃষ্টি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন শক্তি উৎপন্ন করে তৈরি করা হয় কৃত্রিম হিগসবোসন কণা।এতে স্ট্রিং তত্বের বাস্তবতা প্রমাণ করে। স্ট্রিং তত্ত্বের মূল কথাঃ কম্পনের মাত্রা ঠিক করে দেয় কোনটি ইলেকট্রন, কোনটি কোয়ার্ক কিংবা অন্য কোনো মৌলিক কণা। পদার্থ কিভাবে এবং কি দিয়ে তৈরি? এই দুইটি প্রশ্ন পদার্থ বিজ্ঞানে মহাজগতেক বস্ত্তগতভাবে জানতে সহায়ক।কিন্ত্ত তা পুরোপুরি নয়। কারণ, মহাবিশ্বের সুশৃঙ্খল, সুবিন্যস্ত পরিচালনা-ব্যবস্থাপনায় বুদ্ধিদীপ্ত বিষয়টি মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামো বহির্ভূত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এতে দেখা যায়, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের যে মহাবিস্ফোরণ তা নিছক কোন দূর্ঘটনা ছিল না বরং তা ছিল উদ্দেশ্যপূর্ণ তার প্রমাণ বিগ বাাংয়ের পরমুহুর্ত থেকে যে একটা বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাপার ঘটেছিল তা ছিল এন্টিপি।ENTRIPI. ► প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী আল আরাবী)। প্রত্যেক বস্ত্‌কণার এ যাবৎকালের প্রমাণিত মূল হচ্ছে কোয়ার্ক যার আকার ১০-১৬ সেন্টিমিটার। অপ্রমাণিত মূল হচ্ছে স্ট্রিং -যার সম্ভাব্য আকার হচ্ছে ঃ ১০-৩৩ সেন্টিমিটার। স্ট্রিংয়ের মূল হচ্ছে কম্পন।কম্পনের মাত্রাভেদে বস্ত্তকণার উদ্ভব হয়। যেমন সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন, ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টির মাধ্যমে সার্ণের সাইক্রোটন যন্ত্রঃ ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে কৃত্রিম উপায়ে মহাবিশ্বের আদি ভরযুক্ত কণা হিগস বোসন উৎপন্ন করা হয়েছিল। ► আই.আর.আর.এস.টি.সিঃ মনে করে কম্পনের উৎসমূল শক্তি। প্রমাণঃ মনে করি, একটি সূক্ষ্ণ শক্ত তার (ওয়্যার) নিই। উভয় প্রান্ত মজবুত করে ঠান ঠান ভাবে বেঁধে দিই। যতক্ষণ তাকে মৃদু কিংবা জোরে নাড়া না দিই ততক্ষণ তারটি কম্পনবিহীন অবস্থায় নীরব,নিস্তব্দ থাকে। যখন দৈহিক শক্তি প্রয়োগে অআস্তে নাড়া দিলে একরকম শব্দ, জোরে নাড়া দিলে অন্য রকম শব্দ, অআস্তে নাড়া দিলে অআরেক রকম শব্দ। রাতে মশা তার পাখাদ্বয় যতক্ষণ নাড়াবে না ততক্ষণ তার উপস্থিতি প্রমাণিত হবে না। স্ট্রিং থিওরির কম্পন বস্ত্কণার মূল যা উৎসারিত হয় শক্তি থেকে। বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে ৪ মহাবলসহ তাবৎ বলের একক নাম হাইয়েস্ট এনার্জেটক রেডিয়েশন। মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি ডেমোক্রিটাস সূচিত অ্যাটম তত্ত্ব পেরিয়ে পারমাণবিক এবং অতিপারমাণবিক স্তরে পৌঁছে সর্বশেষ পরীক্ষিত ও প্রমাণিতভাবে কোয়ার্ক পর্যন্ত পৌঁছেছেন এব বিগ ব্যাং নামে মহাবিশ্বের সূচনা থেকে শুরু করে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন নামে সূচনা পূর্ব অবস্থা সম্পর্কেও পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন করে। অআর.অআর.এস.টি.সি মতে মহাবিশ্ব কিভাবে জন্ম নিল? এ প্রশ্নের পরিসমাপ্তির জন্য অআরেকটি প্রশ্নের উত্তর জরুরি। প্রশ্নটি হচ্ছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কী ছিল? কিংবা কে ছিলেন? প্রশ্নটির সম্ভাব্য উত্তরটি অনেকটা অসীম । আর.আর.এস.টি.সি আরও মনে করে যে, প্রশ্নটি নিউটনের সরল উক্তির আলোকে বিবেচ্য। নিউটন বলেনঃ সত্য সবসময় সরলতার মধ্যে অবস্থিত। জাগতিক দৃষ্টিতে উত্তর হচ্ছেঃ প্রকৃর আর আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকে সৃষ্টিকর্তা অআল্লাহ/গড। পরবর্তী আরেক প্রশ্নঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? অ্যাটম-কোয়ার্ক-স্ট্রিংয়ের কম্পন।

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah

নিউট্রিনো

উপসংহার