DUA BLESSING
DUA BLESSING in light of Science
দুনিয়াতে আমলের গণনা হয়। উদাহরণস্বরূপ, পবিত্র কুরআনের এক হরফ তিলাওয়াতে দশ নেকি। একবার দরুদ পাঠ করলে দশটি নেকি লেখা হয়, দশটি গুনাহ মাফ হয়, দশটি মর্যাদা লাভ হয় ফাতিমী তাসবিহ সংখ্যা ভিত্তিক
নামায সংখ্যা ভিত্তিক ফজরে দুই রাকায়াত ফরজ। অনুরূপ যোহরে ৪ রাকায়াত, আসরে ৪ রাকায়াত, মাগরিবে ৩ রাকায়াত, এশায় ৪ রাকায়াত ফরজ।
আমলের ওজন করা হবে আখিরাতে
“আর ওজন হবে সেদিন সত্য। তারপর যাদের পাল্লা ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে। আর যাদের পাল্লা হালকা হবে তারাই নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।” [সূরা আল-আরাফ: ৮–৯]
/b>
১০১ : ৬ فَاَمَّا مَنۡ ثَقُلَتۡ مَوَازِیۡنُهٗ ۙ﴿۶
অতঃপর যার পাল্লা ভারী হবে, আল-বায়ান
“আর ওজন হবে সেদিন সত্য। তারপর যাদের পাল্লা ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে। আর যাদের পাল্লা হালকা হবে তারাই নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।” [সূরা আল-আরাফ: ৮–৯]
মানুষ আমলের যে পুঁজি নিয়ে আল্লাহর আদালতে আসবে তা ভারী না হালকা, অথবা মানুষের নেকী তার পাপের চেয়ে ওজনে বেশী না কম-এরি ভিত্তিতে সেখানে ফায়সালা অনুষ্ঠিত হবে। [দেখুন: মাজমু ফাতাওয়া শাইখিল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ: ১০/৭৩৫–৭৩৬, https://www.hadithbd.net]
আবার কোথাও বলা হয়েছে, “হে নবী! বলে দিন, আমি কি তোমাদের জানাবো নিজেদের আমলের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ কারা? তারাই ব্যর্থ যাদের দুনিয়ার জীবনে সমস্ত আমল নষ্ট হয়ে গেছে। কিয়ামতের দিন আমি তাদের কোন ওজন দেবো না।” [সূরা আল-কাহাফ: ১০৪–১০৫] https://www.hadithbd.net]
উদাহরণস্বরূপ, একজন কোটিপতি। তাঁর কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে নৌ জাহাজ সাগরে ডুবে গেলে যেমন আর কোটিপতিত্ব থাকে না, তেমনি যার বিশাল পরিমাণের নেক আমল, কিন্ত্ত এমন কর্ম দুনিয়াবী জীবনে করেছেন তাতে নেক আমল নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শুন্য আমল নিয়ে মৃত্যুবরণ করায় পরকালে তাঁর আমল ওজনের প্রয়াোজন হবে না। কারণ,আমলের ওজন হবে দুই বিপরীত কর্মের মধ্যে ভালো কাজ এবং মন্দ কাজের তুলনামূলক পরিমাপের জন্য। আল্লাহ তায়ালার বিধান হচ্ছেঃ যার নেক কাজ বেশি হবে তার নেকির পাল্লা ভারি হলে তার গন্ত্বব্যঃ জান্নাত,যার বদ কাজ বেশি হবে তার বদের পাল্লা ভারি হলে তার গন্তব্যঃ জাহান্নাম।
যার পাল্লাসমূহ ভারী হবে সে থাকবে সন্তোষজনক জীবনে। পাল্লাভারী হওয়ার অর্থ সৎকর্মের পাল্লা অসৎকর্ম থেকে ভারী হওয়া। [সা'দী]
তাফসীরে জাকারিয়া
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি কিয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করব, সুতরাং কারো প্রতি কোনো অবিচার করা হবে না, কোনো কাজ যদি তিল পরিমাণ ওজনের হয় তবুও আমি তা উপস্থিত করব, হিসাব গ্রহণকারী হিসেবে আমিই যথেষ্ট।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ৪৭)
‘যখন শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে তখন (ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে) পরস্পরের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন থাকবে না এবং একে অপরের খোঁজখবর নেবে না। যার (ভালো কাজের) দাঁড়িপাল্লা ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে। এবং যাদের (ভালো কাজের) দাঁড়িপাল্লা হালকা হবে তারাই নিজেদের ক্ষতি করেছে, তারা জাহান্নামে স্থায়ী হবে। ’ (সুরা মুমিনুন : আয়াত ১০১-১০২)
তাফসির : কিয়ামতের দিন মানুষের কাজ পরিমাপের জন্য ‘মিজান’ তথা দাড়িপাল্লা স্থাপন করা হবে। কারো ভালো কাজ ভারী হবে এবং কারো মন্দ কাজ ভারি হবে। কোরআন-হাদিসে আমল পরিমাপের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘মিজান’-এর পরিচয় : ‘মিজান’ শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো, দাড়িপাল্লা বা বস্তুর ভার পরিমাপের জন্য যা দিয়ে ওজন করা হয়। পরিভাষায় ‘মিজান’ হলো, একটি বাস্তবিক দাঁড়িপাল্লা যা মহান আল্লাহ সৃষ্টিজগতের ভালো-মন্দ আমল পরিমাপের জন্য কিয়ামতের দিন স্থাপন করবেন। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্রতম বস্তুও পরিমাপ করা যাবে এবং সামান্যতম কম-বেশি হবে না। আমল পরিমাপে কারো প্রতি বিন্দু পরিমাণও অবিচার করা হবে না।
হজরত সালমান রা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন আমল ওজন করার জন্য এতো বড় ও বিস্তৃত দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করা হবে যে, এতে আকাশ ও পৃথিবীকে ওজন করতে চাইলে তারও সংকুলান হবে। ((মুসতাদরাকে হাকিম, আল-সিলসিলা আস-সহিহাহ ৯৪১)
► উচ্চারণে সহজ, ওজনে ভারিঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আজীম।
► শক্তিবর্ধক দোয়াঃ সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার
► কাজ সহজীকরণের দোয়াঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।
► সকল ব্যাধির আরোগ্যঃ সুরাহ ফাতিহা।
► ক্ষতিকর বস্ত্ত-প্রাণী থেকে আত্মরক্ষার দোয়াঃ আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফীনুহুরিহীম, ওয়া নাউযুবিকা মিন শুরুরিহীম।
► অত্যাসন্ন বিপদমুক্তির দোয়াঃ বিসমিল্লাহিল্লাজী লা-ইয়াদিররু মাআসমিহী শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা-ফিসসামায়ি ওয়াহুয়াস সামিইল আলীম।
► পুরো সৃষ্টি জগতের চাইতে অধিক ভারি যে দোয়াঃ লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ।
باب قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى {وَنَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ} وَأَنَّ أَعْمَالَ بَنِي آدَمَ وَقَوْلَهُمْ يُوزَنُ وَقَالَ مُجَاهِدٌ الْقُسْطَاسُ الْعَدْلُ بِالرُّومِيَّةِ وَيُقَالُ الْقِسْطُ مَصْدَرُ الْمُقْسِطِ وَهُوَ الْعَادِلُ وَأَمَّا الْقَاسِطُ فَهُوَ الْجَائِرُ
حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِشْكَابٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " كَلِمَتَانِ حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمَنِ، خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ، ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
৭০৫৩। আহমাদ ইবনু আশকাব (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি কলেমা (বানী) রয়েছে, যেগুলো দয়াময় আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়, উচ্চারণে খুবই সহজ (আমলের) পাল্লায় অত্যন্ত ভারী। (বাণী দু’টি হচ্ছে), "সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহান্নাল্লাহিল আযীম" আমরা আল্লাহ তায়ালার প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, মহান আল্লাহ অতীব পবিত্র।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৮৬/ জাহ্মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ (كتاب الرد على الجهمية و غيرهمو التوحيد), ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাদিস নাম্বারঃ ৭০৫৩, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৭৫৬৩)
https://www.hadithbd.com/hadith/filter/?book=1&hadith=%28বুখারি+৭৫৬৩
পবিত্র হাদিসের আলোকে দোয়া-কালামের শক্তির (এনার্জি) স্বরূপ
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، أَنَّ فَاطِمَةَ، عَلَيْهَا السَّلاَمُ شَكَتْ مَا تَلْقَى مِنْ أَثَرِ الرَّحَا، فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَبْىٌ، فَانْطَلَقَتْ فَلَمْ تَجِدْهُ، فَوَجَدَتْ عَائِشَةَ، فَأَخْبَرَتْهَا، فَلَمَّا جَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ عَائِشَةُ بِمَجِيءِ فَاطِمَةَ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَيْنَا، وَقَدْ أَخَذْنَا مَضَاجِعَنَا، فَذَهَبْتُ لأَقُومَ فَقَالَ " عَلَى مَكَانِكُمَا ". فَقَعَدَ بَيْنَنَا حَتَّى وَجَدْتُ بَرْدَ قَدَمَيْهِ عَلَى صَدْرِي وَقَالَ " أَلاَ أُعَلِّمُكُمَا خَيْرًا مِمَّا سَأَلْتُمَانِي إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا تُكَبِّرَا أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ، وَتُسَبِّحَا ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ، وَتَحْمَدَا ثَلاَثَةً وَثَلاَثِينَ، فَهْوَ خَيْرٌ لَكُمَا مِنْ خَادِمٍ ".
পরিচ্ছেদঃ ২০৮৮. আবু হাসান আলী ইবন আবু তালিব কুরায়শী হাশিমী (রাঃ) এর মর্যাদা নবী করীম (সাঃ) আলী (রাঃ) কে বলেছেন, তুমি আমার ঘনিষ্ঠ আপনজন আমি তোমার একান্ত শ্রদ্ধাভাজন। উমর (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ওফাত পর্যন্ত তার উপর সন্তুষ্ট ছিলেন।
৩৪৪০। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা (রাঃ) যাঁতা চালানোর কষ্ট সম্পর্কে একদিন (আমার নিকট) অভিযোগ প্রকাশ করলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দী আসল। ফাতিমা (রাঃ) (এক জন গোলাম পাওয়ার আশা নিয়ে) হি
باب قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى {وَنَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ} وَأَنَّ أَعْمَالَ بَنِي آدَمَ وَقَوْلَهُمْ يُوزَنُ وَقَالَ مُجَاهِدٌ الْقُسْطَاسُ الْعَدْلُ بِالرُّومِيَّةِ وَيُقَالُ الْقِسْطُ مَصْدَرُ الْمُقْسِطِ وَهُوَ الْعَادِلُ وَأَمَّا الْقَاسِطُ فَهُوَ الْجَائِرُ
حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِشْكَابٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " كَلِمَتَانِ حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمَنِ، خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ، ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
৭০৫৩। আহমাদ ইবনু আশকাব (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি কলেমা (বানী) রয়েছে, যেগুলো দয়াময় আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়, উচ্চারণে খুবই সহজ (আমলের) পাল্লায় অত্যন্ত ভারী। (বাণী দু’টি হচ্ছে), "সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহান্নাল্লাহিল আযীম" আমরা আল্লাহ তায়ালার প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, মহান আল্লাহ অতীব পবিত্র।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৮৬/ জাহ্মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ (كتاب الرد على الجهمية و غيرهمو التوحيد), ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাদিস নাম্বারঃ ৭০৫৩, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৭৫৬৩)
https://www.hadithbd.com/hadith/filter/?book=1&hadith=%28বুখারি+৭৫৬৩
পবিত্র হাদিসের আলোকে দোয়া-কালামের শক্তির (এনার্জি) স্বরূপ
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، أَنَّ فَاطِمَةَ، عَلَيْهَا السَّلاَمُ شَكَتْ مَا تَلْقَى مِنْ أَثَرِ الرَّحَا، فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَبْىٌ، فَانْطَلَقَتْ فَلَمْ تَجِدْهُ، فَوَجَدَتْ عَائِشَةَ، فَأَخْبَرَتْهَا، فَلَمَّا جَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ عَائِشَةُ بِمَجِيءِ فَاطِمَةَ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَيْنَا، وَقَدْ أَخَذْنَا مَضَاجِعَنَا، فَذَهَبْتُ لأَقُومَ فَقَالَ " عَلَى مَكَانِكُمَا ". فَقَعَدَ بَيْنَنَا حَتَّى وَجَدْتُ بَرْدَ قَدَمَيْهِ عَلَى صَدْرِي وَقَالَ " أَلاَ أُعَلِّمُكُمَا خَيْرًا مِمَّا سَأَلْتُمَانِي إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا تُكَبِّرَا أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ، وَتُسَبِّحَا ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ، وَتَحْمَدَا ثَلاَثَةً وَثَلاَثِينَ، فَهْوَ خَيْرٌ لَكُمَا مِنْ خَادِمٍ ".
পরিচ্ছেদঃ ২০৮৮. আবু হাসান আলী ইবন আবু তালিব কুরায়শী হাশিমী (রাঃ) এর মর্যাদা নবী করীম (সাঃ) আলী (রাঃ) কে বলেছেন, তুমি আমার ঘনিষ্ঠ আপনজন আমি তোমার একান্ত শ্রদ্ধাভাজন। উমর (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ওফাত পর্যন্ত তার উপর সন্তুষ্ট ছিলেন।
৩৪৪০। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা (রাঃ) যাঁতা চালানোর কষ্ট সম্পর্কে একদিন (আমার নিকট) অভিযোগ প্রকাশ করলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দী আসল। ফাতিমা (রাঃ) (এক জন গোলাম পাওয়ার আশা নিয়ে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে গেলেন। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে, আয়িশা (রাঃ) এর কাছে তাঁর কথা বলে আসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘরে আসলেন তখন ফাতিমা (রাঃ) এর আগমন ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আয়িশা (রাঃ) তাঁকে অবহিত করলেন। (আলী (রাঃ) বলেন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এখানে আসলেন, যখন আমরা বিছানায় শুয়ে পড়েছিলাম। তাঁকে দেখে আমি উঠে বসতে চাইলাম। কিন্তু তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ অবস্থায় থাক এবং তিনি আমাদের মাঝখানে এমনভাবে বসে পড়লেন যে আমি তাঁর পদদ্বয়ের শীতলতা আমার বক্ষে অনুভব করলাম। তিনি বললেন, আমি কি তোমরা যা চেয়েছিলে তার চেয়েও উত্তম জিনিস শিক্ষা দিবনা? (তা হল) তোমরা যখন ঘুমানোর উদ্দেশ্যে বিছানায় যাবে তখন চৌত্রিশ বার "আল্লাহু আকবার" তেত্রিশবার "সুবহানাল্লাহ" তেত্রিশবার "আল্ হামদুলিল্লাহ" পড়ে নিবে। এটা খাদিম (যা তোমরা চেয়েছিলে) অপেক্ষা অনেক উত্তম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাদীস নাম্বারঃ ৩৪৪০, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৩৭০৫, পরিচ্ছেদঃ ২০৮৮। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫০/ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء
https://www.hadithbd.com/hadith/filter/?book=1&hadith=বুখারি+হাদিস+%3A+৩৪৪০
https://www.facebook.com/beautifulislambd/videos/tasbih-fatemi/167026482
9705841/
Comments
Post a Comment