EDIT
► আল্লাহতায়ালা আসমান ছাড়া আসমান তৈরি করেছেন
► জমিন ছাড়া জমিন তৈরি করেছেন
বিজ্ঞানীরা অআল্লাহ সৃষ্ট দুটি মৌলিক বস্ত্ত কণাকে কেবল মিশ্রিত,একত্রিত করে যৌগিকে পরিণত/রূপান্তর করা বিজ্ঞানীদের মূল কর্ম
সকল বস্ত্তর বস্ত্তগত মূল হচ্ছে শক্তি যার ক্ষয়ও নেই লয়ও নেই-এই শক্তির উৎস কি কেউ জানে না।
► মানুষ ছাড়া মানুষরূপে আদম আলাইহিমুস সালামকে বানিয়েছেন।
► প্রত্যেক বিষয়ের মূল আছে আল হাদীস
► প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে ফারাবী আল আরাবী
► প্রত্যেক বস্তুর সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু আছে আইনস্টাইন
► মহাবিশ্বের সৃষ্টিগত আদি সিঙ্গুলারিটির নাম হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন নামক আলোকবিন্দু
► মহাবিশ্বের বস্ত্তগত আদি সিঙ্গুলারিটির নাম কোয়ার্ক যার আয়তন মাত্র ১০-১৬ সেন্টিমিটার
E=mc2 বিশেষ অআপেক্ষিকতা থেকে বেরিয়ে অআসা এক কালজয়ী সমীকরণ শুধু নয়, কালজয়ী অআখ্যানও বটে। ১৯০৫ সালে অআলবার্ট অআইনস্টাইনের প্রতিষ্ঠা করা এই সমীকরণই কণা পদার্থ বিজ্ঞান থেকে জ্যাএইনে
প্রাণ এবং প্রাণীর ইতিকথা
‘সায়ানোব্যাকটেরিয়ার : পৃথিবীর প্রথম জীব
সায়ানোব্যাকটেরিয়ার পৃথিবীর প্রথম জীব, যারা সালোকসংশ্লেষণের বিকাশ ঘটিয়েছে এবং সূর্যালোকের সাহায্য নিয়ে অক্সিজেন তৈরি করেছে। ২৪০ কোটি বছর আগে এ প্রক্রিয়াটি হঠাৎ করে ত্বরান্বিত হওয়ার ফলে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ নাটকীয়ভাবে বেড়ে গিয়েছিল। এটি সম্ভবত পৃথিবীতে প্রাণের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনা।
প্রসঙ্গত, এগুলোই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ছাড়া বর্তমান পৃথিবীর কথা ভাবাই সম্ভব নয়। প্রাণের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য এ প্রক্রিয়া বিপুল পরিমাণে কোষ উৎপাদনে সক্ষম। অক্সিজেন তৈরির প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হওয়ার পর থেকে পৃথিবীতে কোষের সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি বিভিন্ন বিপর্যয়ে ব্যাপকভাবে বিলুপ্তও হয়েছে।
‘সায়ানোব্যাকটেরিয়ার’ (দৈনন্দিন জীবনে ‘নীল-সবুজ শৈবালও’ বলা হয়) সংখ্যা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি। এটি অত্যন্ত দ্রুত বংশবিস্তার করতে সক্ষম।
কানাডার অটোয়ায় অবস্থিত কার্লটন ইউনিভার্সিটির ভূ-বিজ্ঞানী পিটার ক্রকফোর্ডের নেতৃত্বে একদল গবেষক এ গবেষণাটি চালিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, পৃথিবী সৃষ্টির শুরু থেকে উৎপাদিত হয়েছে আরো বহু বহু গুণ বেশি কোষ।
https://www.kalerkantho.com/online/science
মহাকাশঃ মহেবিশ্বের মহাবিস্ময়!
" মহাবিশ্বটা বড়। অনেক বড়। মহাবিশ্বের যেকোন দিকে তাকালে আমরা সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬০০ কোটি আলোকর্ষ দূর পর্যন্ত দেখতে পাই"(প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ৪৬)।
"প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতিবিদ র্যাচেল বিটনের মতে, আমরা মহাবিশ্বেরর যে অংশে বাস করছি, তা হয়তো বাকী অংশ থেকে ভিন্ন"(প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ৪৮)।
ত্রিমাত্রিক জগৎ কী? দৈর্ঘ্য+প্রস্থ+উচ্চতা।
চতুর্মাত্রিক জগৎ কী? দৈর্ঘ্য+প্রস্থ+উচ্চতা+সময়।
আলোর স্ট্যান্ডার্ড গতি নির্ধারণ
কালজয়ী বৈজ্ঞানিক সমীকরণ, কালজয়ী আখ্যানও যেভাবে বদলে যেতে পারে !
বলা হয়ে থাকে যে, E=mc2 বিশেষ আপেক্ষিকতা থেকে বেরিয়ে আসা এক কালজয়ী সমীকরণ শুধু নয়, কালজয়ী আখ্যানও বটে। ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রতিষ্ঠা করা এই সমীকরণই কণা পদার্থ বিজ্ঞান থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাস নতুন করে লিখতে বাধ্য করেছিল। এই সমীকরণকে ঘিরেই গড়ে উঠেছিল কণা পদাদর্থ বিজ্ঞানের জগৎ (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষঃ ৪,সংখ্যাঃ ০৬, পৃষ্ঠা ২৪)।
"নিউক্লিয়ার বোমা থেকে শুরু করে নক্ষত্রের জন্ম-মৃত্যু সবই আসলে ঘটে চলেছে অ্যাটম বা পরমাণুর ভাঙা গড়ার খেলার ফলাফল থেকে। এই যে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ডায়গনস্টিক যনন্ত্রপাতির এত জয়জয়কার, এক্সরে, এমআরআইয়ের ব্যবহার চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিত্যদিনের ঘটনা। এর পেছনে আছে পরমাণুর ক্যারিশমা। (প্রাগুক্ত পৃঃ ২৪)।
"যুদ্ধ থেকে ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাষ্টীয় এমনকি আন্তর্জাতিক জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে পরমাণু বিজ্ঞানের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া"(প্রাগুক্ত পৃঃ ২৪)। "পরমাণুর ভেতরে খবর জানতেই এ সমীকরণের ভূমিকা ব্যাপক। অ্যাটম বা আধুনিক পরমাণু বিজ্ঞানের চর্চার শুররু তখন থেকেই" (প্রাগুক্ত পৃঃ ২৪)।
"একটি সমীকরণ বদলে দিয়েছিল বিজ্ঞানের ইতিহাস। মানব ইতিহাসও ওলট-পালট করে দিয়ছিলে।লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল পৃথিবীর মানচিত্র"(প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ২৪)। আবার প্রায় ভরশুন্য (অতি অল্প ভর বিশিষ্ট) এবং প্রায় অদৃশ্যমান নিউট্রিনো নামক এক অদ্ভূত কণা যা কিনা কয়েক অআলোকবর্ষ পরিমাণ পুরু সীসার পাতকে অনায়াসে ভেদ করে অনায়াসে চলে যেতে পারে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে সেই নিউট্রিনো কিনা আইনস্টাইনের জগৎ কাঁপানো এই সমীকরণে ধস নামানোর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ২০১১ সালে আলোর গতির চাইতে মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত প্রমাণিত হওয়ায়।
একসময় বিজ্ঞানের যুগ বলতে গ্রীক বিজ্ঞানী ডেমোক্রিটাসের যুগ, পরে অ্যারিস্টটল, তৎপরে জাবের ইবনে হাইয়ানের, তারপর নিউটন, তারপর অআইনস্টাইন তারপর চলছে বর্তমানে ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম যুগ।এসব যুগ পেরিয়ে বিজ্ঞান নিউটনের যুগে পৌঁছে গিয়েছিল সবজান্নার কাতারে। কিন্ত্ত সময় গড়ানোর সাথে সাথে বিজ্ঞানের জানার হার কমতে কমতে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪ থেকে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত যা স্ট্যান্ডার্ড মডেল তথা পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সূত্রগুলি হুমকির মধ্যে ঠেলে দিতে পারে মর্মে বিজ্ঞানীদের অআশংকা। উদাহরণস্বরূপ,
২০১১ সালে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে সেই সাড়া জাগানো সমীকরণটি।
১৯০৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন E= MC± (theory) নামে যে Special theory of relativity বা বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ উত্থাপন করে রীতিমত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জগতে বিপ্লব সাধন করেছিলেন সে তত্ত্বের মূল কথাঃ “আলোর চেয়ে দ্রুতগতির কোন কিছু এ জগতে নেই”।
বস্ত্ততঃ এ তত্ত্বের উপর দাঁড়িয়ে আছে পদার্থ বিজ্ঞানের অন্য যত সব তত্ত্ব। তাই আইনস্টাইনের special relativity তত্ত্বে কোন প্রকার বিপদ বিপর্যয় ঘটলে তাতে বৈশ্বিক গুরুত্বর্পূর্ণ যতসব বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব-সূত্রাবলী ধসে পড়তে পারে-এ আশংকার মধ্যেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরের কাছে ফ্রান্সের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র CERN কর্তৃক কয়েক হাআর বার পরীক্ষার পর সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে ঘোষণা করা হয় “নিউট্রিনো আলোর চেয়ে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত চলে" সার্ণের বিজ্ঞানীরা তিন বছর গবেষণার পর এই তথ্য প্রকাশ করে। ফলে এ তথ্য হুমকির মধ্যে ফেলে দেয় বিশ্বখ্যাত সমীকরণ E= MC± নামক আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (theory of special relativity) ফলে স্টিফেন হকিংসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের আপত্তির মুখে সার্ণ এই ঘোষণা প্রত্যাহার করে নেয় যান্ত্রিক কেবলের ত্রুটির কথা জানিয়ে।
উপরোক্ত বর্ণনার অআলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, যত প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বই হোক না কেন, হুমকির মধ্যে পড়া অনেকাংশে সময়ের ব্যাপার হয়ে যেতে পারে। এ থেকে সুরক্ষার জন্য IRRSTC এর প্রস্তাবঃ আলোর স্ট্যান্ডার্ড গতি নির্ধারণ করা হোক যাতে আলোর গতির হ্রাস-বৃদ্ধিতে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত থিওরিসমুহের সুরক্ষা হয়।
উল্লেখ্য, আলোর প্রকৃত সাধারণ গতি হচ্ছেঃ ভগ্নাংশসহ প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮২.৩৯৭ মাইল। রাউন্ড ফিগারে ১,৮৬,০০০ মাইল।
নিউট্রিনো পরীক্ষার নির্ভুলতাঃ
নিউট্রিনো আবিস্কারের ক্ষেত্রে গৃহীত এক পরীক্ষার প্রথম ধাপে সুইজারল্যান্ডের সিনক্রোটোন নামের একটি ভূগর্ভ যন্ত্রে প্রোটন কণা তৈরী করে তা গ্রাফাইটের ওপর নিক্ষেপ করা হয়। এতে প্রোটন কণাগুলি ভেঙে কিছু জটিল কণা তৈরী হয়, যেগুলি অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষয় হয়ে মিউয়ন এবং মিউ নিউট্রিনো তৈরী করে। এ কণাগুলিকে তখন লোহার ওপর নিক্ষেপ করা হয়। এতে মিউয়ন নিউট্রিনো বাদে অন্য সব কণা প্রতিফলিত বা শোষিত হয়। মিউয়ন নিউট্রিনোগুলি পৃথিবীর মাটি-পাথর ভেদ করে চলে প্রায় ৭৫০কিলোমিটার দূরে ইতালিতে পৌঁছায়। এই নিউট্রিনো লোহাও ভেদ করে অনায়াসে এপার থেকে ওপারে ছুটে যেতে পারে আলোর গতির চাইতেও বেশী গতিতে। মজার ব্যাপার হলো যে, ভরবিহীন অর্থাৎ অশুন্য ভরের (Mass-less) অধিকারী আলোর কণাই সাধারণতঃ ভরপূর্ণ পারমানবিক কণার চাইতে দ্রুতগামী হয়ে থাকে। কিন্তু অশুন্য ভরের অধিকারী অর্থাৎ ভরযুক্ত নিউট্রিনো যার গতিবেগ নাকি শুন্য ভরের আলোকেও ছাড়িয়ে গেছে। এখানেই বৈজ্ঞানিক জগতের চরম ও পরম বিস্ময়।
আইনস্টাইনের আলোক তত্ত্ব বনাম নিউট্রিনোঃ
পরীক্ষার নির্ভুলতাঃ নিউট্রিনো প্রচলিত আলোর গতির সামান্য উর্ধ্বে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বেগে) ছুটে চলে। সুইজারল্যান্ড হতে ইতালিতে আসতে যে সময় লাগত পরীক্ষান্তে দেখা গেছে যে, বর্তমান প্রচলিত আলোর গতির চাইতে অন্ততঃ ৬০ ন্যানো সেকেন্ড (১ ন্যানো সেকেন্ড=১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ) আগে ইতালিতে নিউট্রিনো পৌঁছে গেছে। উল্লেখ্য, যেকোন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর বিজ্ঞানীদের প্রথম কাজই হলো, পরীক্ষাটির ভুল-ত্রুটি দূর করা। এ ধরণের ভুল-ত্রুটি দূর করার জন্য বিজ্ঞানীরা যা করে থাকেন তা হচ্ছে একই পরীক্ষা বার বার করা। বিভিন্ন কারণে পরীক্ষার ফলাফল অভিন্ন নাও আসতে পারে। তখন একাধিক পরীক্ষার গড় ফলাফল হিসাব করা হয়। সেই সাথে ভুলের আশংকাও হিসাব করা হয়। আলোচ্য অপেরা পরীক্ষায় নিউট্রিনোর গতি পরিমাপ করা হয়েছে কয়েক বছর ব্যাপী প্রায় ১৬,০০০ (ষোল হাজার) বার। তারপরও গড় যে ফলাফল পাওয়া গেছে, তাতে ভুলের আশংকা গণ্য করার পরও নিউট্রিনোর গতি আলোর গতির চেয়ে বেশী প্রমাণিত হয়। এখন বাকী থাকল আসলে পরীক্ষাটিতেই অর্ন্তনহিতি কোন ভুল আছে কিনা তা যাচাই করা। অপেরা পরীক্ষাটিতে এখন পর্যন্ত কোন ভুল পাওয়া যায়নি বিধায় সার্ণের পরীক্ষকরা তাই সব তথ্য ইন্টারনেটে প্রকাশ করে দিয়েছেন।
B.
অসীম আমাদের মাথার উপরে
“১ হাজার ৩৮০ কোটি বছর আগে জন্মের পর থেকে মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ ৪,৬০০,০০০০০০০০ আলোকবর্ষ দূরের আলো আমাদের কাছে আসতে পেরেছে। তবে এটাও নিছক অনুমান। অন্ততঃ আমাদের পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বটা কত বড় তা-ও সঠিক বলতে পারবে না” (সূত্রঃ বিজ্ঞানচিন্তা, অক্টোবর, ২০২১, বর্ষ ৬, সংখ্যা ১, পৃষ্ঠা ৪৬)।
মহাকাশ কত বড়? এই প্রশ্নের জবাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বরং এতটুকু বলে ক্ষ্যান্ত হচ্ছেন “জানা মহাকাশের চেয়ে অজানা মহাকাশ অ-নে-ক বড়”
দৃশ্যমান এই বিশাল মহাবিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে লক্ষকোটি গ্যালাক্সি। আর এসব গ্যালাক্সির মাঝে ছড়িয়ে রয়েছে লক্ষকোটি নক্ষত্র। কিন্তু তার পরও বলতে হয়, মহাবিশ্ব মূলত ফাঁকা। মহাবিশ্বের বেশির ভাগ এলাকাজুড়েই রয়েছে শূন্যতা।
যাকে আমরা সহজ ভাষায় বলি মহাশূন্য। এর মানে হলো, যেখানে কিছুই নেই। কিন্তু আসলেই কি মহাশূন্য একেবারেই শূন্য? নাকি এই অসীম শূন্যতার মাঝে অন্য কিছুর অস্তিত্ব রয়েছে, যা আমাদের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয়?
কোয়ান্টাম মেকানিক্স সূত্রমতে, শুন্যের মাঝে শক্তি বিরাজ করে যাকে “হিগস এনার্জেটিক ফিল্ড” বলা হয়।
এক একটি পরমাণু যেন এক একটি মহাকাশ।পরমাণুর কেন্দ্র নিউক্লিয়াসে থাকে একটি প্রোটন। প্রোটনের চারিদিকে ঘুরছে একটি ইলেকট্রন।
উদাহরণস্বরূপ হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের প্রোটনের চারপাশে ঘুরছে ইলেকট্রন।কিন্তু হাইড্রোজেন পরমাণুর অত্যন্ত সামান্য একটু অংশ জুড়ে থাকে ইলেকট্রন এবং প্রোটন। হাইড্রোজেন পরমাণুর ভেতরের শতকরা ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৬ ভাগ অংশই হলো ফাঁকা।
আমাদের পৃথিবীতে যত পরমাণু আছে, তার ভেতর থেকে যদি সব ফাঁকা অংশ সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমাদের পুরো পৃথিবীর আয়তন চুপসে গিয়ে হবে একটি টেনিস বলের সমান।
মহাবিশ্বে শূন্যতার গুরুত্ব অপরিসীম। শূন্যতা না থাকলে পরমাণু গঠিত হতে পারত না। পরমাণু না থাকলে বস্তুও গঠিত হতো না। আর বস্তু না থাকলে মহাবিশ্বেরও সৃষ্টি হতো না। সে জন্য অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, শূন্যতা থেকেই মহাবিশ্বের সূচনা হয়েছে।
শূন্যতা থেকে কিভাবে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হতে পারে, সেটা বুঝতে হলে আমাদেরকে কোয়ান্টাম মেকানিকসের শরণাপন্ন হতে হবে। বস্তুর অভ্যন্তরে যে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জগৎ তার নিয়ামক হলো কোয়ান্টাম মেকানিকস।
পরমাণুর ভেতর যে শূন্যতা রয়েছে তাকে বলা হয় কোয়ান্টাম শূন্যতা। এটি আসলে পুরোপুরি শূন্য নয়। এই শূন্যতার মাঝে লুকিয়ে রয়েছে এক ধরনের শক্তি। যার ফলে এই কোয়ান্টাম শূন্যতার ভেতরে সব সময় এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করে। একে বলা হয় কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশন। এর ফলে কোয়ান্টাম শূন্যতার মাঝে সর্বদাই ভার্চুয়াল কণা এবং প্রতি-কণার উদ্ভব হয়, আবার মুহূর্তের মধ্যেই তারা শূন্যে মিলিয়ে যায়।
অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, সৃষ্টির সূচনায় মহাবিশ্বের সব শক্তি একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত ছিল। এই বিন্দুটির ভেতর কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশনের ফলে হঠাৎ করেই একটি পরিবর্তনের ঘটনা ঘটে। এটাই হলো বিগ ব্যাং। এর পরপরই মহাবিশ্ব ব্যাপক হারে স্ফীত (inflation) হয়ে উঠেছিল।
কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশনের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের উৎপত্তির একটি ধারণা দিয়েছেন। আমরা জানি, এখন থেকে ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে একটি মহাবিস্ফোরণ বা বিগব্যাংয়ের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সূচনা হয়েছিল।
বিগ ব্যাংয়ের আগে কী ছিল সে ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের বক্তব্য হলো, এর আগে কিছুই ছিল না। বিগ ব্যাংয়ের ফলেই স্থান এবং কালের সৃষ্টি হয়েছে।
বিগ ব্যাংয়ের আগে যেহেতু সময়ের অস্তিত্ব ছিল না, সেহেতু এর আগে কী ছিল সে প্রশ্নটি অবান্তর। কিন্তু বিগ ব্যাং কেন হয়েছিল, সে ব্যাপারটি বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো স্পষ্ট নয়। এ নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে। IRRSTC
বিজ্ঞানীদের হিসাবে, জ্যামিতিক হারে এই ব্যাপক স্ফীতিটি হয়েছিল বিগ ব্যাং ঘটার ১০-৩৭ থেকে ১০-৩৫ সেকেন্ডের মধ্যে। এই অতি সামান্য সময়ের মধ্যেই মহাবিশ্বের আয়তন জ্যামিতিক হারে বহু গুণে বৃদ্ধি পায়। এরপর মহাবিশ্বে যাবতীয় বস্তুকণার উদ্ভব ঘটে। পরবর্তী সময়ে বস্তুকণার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার ফলে হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম পরমাণুর সৃষ্টি হয়। তারপর ধীরে ধীরে এসব পরমাণু পুঞ্জীভূত হয়ে বিভিন্ন নক্ষত্র ও গ্যালাক্সির জন্ম হয়, যা এখন দৃশ্যমান মহাবিশ্বের অংশ। https://www.kalerkantho.com/online/science/2024/01/06/1352462
3. অসীম আমাদের দেহের ভিতরে
প্রাণ-প্রাণীর ইতিকথা
সারা পৃথিবীতে যতগুলো বালুর কণা কিংবা মহাকাশের নক্ষত্রের চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে জীবকোষ !
বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘কারেন্ট বায়োলজিতে সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণায় জানা যায় যে, সারা পৃথিবীতে যতগুলো বালুর কণা রয়েছে বা মহাকাশে যতগুলো নক্ষত্র রয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে জীবকোষ।
গবেষণামতে, বর্তমানে পৃথিবীতে এক মিলিয়ন ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন জীবিত কোষ রয়েছে।
পৃথিবীতে মোট বালুর দানার সংখ্যা গণনা করা হয়েছে ৭.৫ বিলিয়ন বিলিয়ন ।
উল্লেখ্য, মহাবিশ্বে নক্ষত্রে সংখ্যা ২০০ বিলিয়ন ট্রিলিয়ন।
নক্ষত্র গণনার ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত হওয়া গবেষণার ভিত্তিতে মহাবিশ্বে গ্যালাক্সির সম্ভাব্য সংখ্যা দুই ট্রিলিয়ন (এক ট্রিলিয়ন হচ্ছে এক লাখ কোটি) ধরা হয়েছে এবং প্রতিটি গ্যালাক্সিতে আবার তারার সংখ্যা ১০০ বিলিয়ন (এক বিলিয়ন হচ্ছে ১০০ কোটি) করে ধরা হয়েছে।
বালুকণার সম্ভাব্য সংখ্যা নির্ধারণ করতে পৃথিবীর নানান মরুভূমি, সমুদ্রসৈকতসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বালু সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত নমুনাগুলোর বালুর দানা গণনা করা হয়েছে। নমুনার আকার থেকে স্পষ্ট গড় হিসাব পাওয়া গেছে যে কতটুকু জায়গায় কতটি দানা ধরতে পারে। তারপর পৃথিবীর আয়তনের মধ্যে বালুর উপস্থিতি হিসাব করা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই পাওয়া গেছে সম্ভাব্য মোট বালুকণার সংখ্যা।
প্রতিদিনই আমরা অসীমের মুখোমুখি হই। খবরে প্রকাশ, মার্কিনীরা নাকি প্রতিদিন অসীমের অস্তিত্ব অনুভব করেন তাদের দৈনন্দিন জীবনাচরণে। অআমাদের মাথার উপরেই রয়েছে নীলিম অআকাশ নামের অসীম। শুধু তাই নয়, অআকাশের নীচে, অআমাদের কাধের উপরে অসীম হয়ে বসে অআছে মস্তিস্ক নামক এক অসীম।
মহাবিশ্বের বস্তুগত কাজকর্মের মতই মস্তিষ্ নামক জটিল বস্ত্তগত অঙ্গ নিয়ে আমাদের জীবন গঠিত। আমাদের মস্তিষ্কেকে বলা হয় থ্রি পাউন্ড ইউনিভার্স বা দেড় কেজি ভরের মহাবিশ্ব। আমাদের মস্তিষ্কে প্রায় ১০ হাজার কোটি (১০০ বিলিয়ন) নিউরন আছে। এই ১০ হাজার কোটি নিউরনের প্রায় ১ কোটি (১০০ ট্রিলিয়ন) জটিল স্নায়বিক সংযোগের মাধ্যমে চলে আমাদের মস্তিষ্কের সব কাজকর্ম।
ইতালির বোলোগনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী ফ্রাঙ্কো ভাজ্জা এবং ভেরোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব নিউরোসার্জারির স্নায়ুবিজ্ঞানী আলবার্তো ফেলেত্তি মহাবিশ্বের কসমিক নেটওয়ার্ক বা মহাজাগতিক জাল এবং মস্তিষ্কের নিউরাল নেটওয়ার্ক বা নিউরনের জালের গঠনবিজ্ঞানের মধ্যে চমকপ্রদ মিল খুঁজে পেয়েছেন। ২০২০ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি ফ্রন্টিয়ার্স ইন ফিজিকস জার্নালে তাঁদের গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
এতে দেখা যায় যে, মস্তিষ্কের নিউরনের নেটওয়ার্ক এবং মহাবিশ্বের কসমিক নেটওয়ার্কের কার্যপদ্ধতির মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকলেও তাদের গাণিতিক গঠনবিজ্ঞানে আশ্চর্য সাদৃশ্য রয়েছে।
উল্লেখ্য, আমাদের মস্তিষ্কের মোট ভরের ৮০ শতাংশ হলো গ্রে ম্যাটার। এই গ্রে ম্যাটারে আছে প্রায় ৬০০ কোটি নিউরন এবং ৯০০ কোটি অন্যান্য কোষ। মস্তিষ্কের সেরিবিলামে (cerebellum) আছে প্রায় ৭ হাজার কোটি নিউরন এবং প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি অন্যান্য কোষ। মানুষের মস্তিষ্কের মোট নিউরনের সংখ্যা মহাবিশ্বের মোট গ্যালাক্সির সংখ্যার প্রায় সমান।
নিউরনগুলো মস্তিষ্কে জোটবদ্ধ হয়ে পরস্পরের মধ্যে স্নায়বিক সংযোগের মাধ্যমে তৈরি করে জটিল নিউরাল নেটওয়ার্ক। একইভাবে মহাবিশ্বের গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে মাধ্যাকর্ষণ এবং অন্যান্য জটিল প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় কসমিক নেটওয়ার্ক। যদিও কসমিক নেটওয়ার্ক নিউরাল নেটওয়ার্কের তুলনায় বিলিয়ন বিলিয়ন বিলিয়ন (১০২৭) বা ১০ লাখ কোটি কোটি কোটি গুণ বড়। নিউরাল নেটওয়ার্ক ও কসমিক নেটওয়ার্কের মধ্যে আছে আশ্চর্য দৃশ্যমান সাদৃশ্য।
শ্যত, একই আকারের দুটি চিত্রের পাওয়ার স্পেকট্রাম অ্যানালাইসিস করে দেখা গেছে, এই দুটি নেটওয়ার্কের গঠনবিজ্ঞান প্রায় কাছাকাছি। কসমিক নেটওয়ার্কে পাওয়া গেছে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ৭০০ নোড বা সংযোগস্থল। প্রতিটি সংযোগস্থলে গড়ে ৩ দশমিক ৮ থেকে ৪ দশমিক ১টি সংযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে নিউরাল নেটওয়ার্কে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার নোড পাওয়া গেছে। প্রতিটি নোডে আছে ৪ দশমিক ৬ থেকে ৫ দশমিক ৪ স্নায়বিক সংযোগ।
মস্তিষ্কের উপাদানের ৭৭-৭৮ শতাংশ পানি, ১০-১২ শতাংশ লিপিড, ৮ শতাংশ প্রোটিন, ১ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট, ২ শতাংশ অন্যান্য জৈব যৌগ, লবণ ১ শতাংশ। পানি স্নায়বিক সংযোগে কোনো ভূমিকা রাখে না। দেখা যাচ্ছে, মস্তিষ্কের মোট ভরের ৭৭ থেকে ৭৮ শতাংশ কোনো ধরনের স্নায়বিক সংযোগে অংশ নেয় না। এদিকে মহাবিশ্বের মোট শক্তির প্রায় ৭৫ শতাংশ অদৃশ্য শক্তি বা ডার্ক এনার্জি। কসমিক নেটওয়ার্কে এই অদৃশ্য শক্তির সরাসরি কোনো ভূমিকা আমরা এখনো দেখতে পাই না। দেখা যাচ্ছে, নিউরাল ও কসমিক উভয় নেটওয়ার্কেই প্রায় ৭৫ শতাংশ উপাদানের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নেই।
কসমিক নেটওয়ার্কের উদ্ভব কীভাবে হয়েছে, তা সঠিকভাবে খুঁজে বের করা খুব সহজ কাজ নয় বলেই বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না ঠিক কীভাবে কী হয়েছে। কারণ, কম্পিউটারে মহাবিশ্বের একটি সার্থক মডেল তৈরি করতে ১ থেকে ১০ পেটাবাইট (১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট) ডেটা দরকার। আর এত বিপুল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করার জন্য দরকার সুপারকম্পিউটার। আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে কি এর তুলনা চলে?
আমাদের মস্তিষ্কের সব নিউরনকে কাজে লাগালে আমরা ২ দশমিক ৫ পেটাবাইট ডেটা আমাদের মাথার মধ্যে রাখতে পারব যদ্বারা পুরো মহাবিশ্বের নেটওয়ার্কে যত তথ্য আছে, তার সব তথ্য ধরে রাখার মতো ক্ষমতা আমাদের মস্তিষ্কের নিউরনে আছে। এই ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর জন্য দরকার নিয়মিত মাথা খাটানো। অর্থাৎ মগজের চর্চা। যে যত বেশি চর্চা করবে, তার নিউরাল নেটওয়ার্ক হবে ততই কার্যকর।আমরা আমাদের মস্তিষ্ককে যত বেশি খাটাব, মস্তিষ্কের নিউরাল নেটওয়ার্ক তত বেশি শক্তিশালী হবে, তত বেশি জটিল সমস্যার সমাধান আমরা করতে পারব।
লেখক: শিক্ষক ও গবেষক, বায়োমেডিকেল ফিজিকস বিভাগ, আরএমআইটি, মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া
EDIT
Quran and the multiverse concept
1-Reference is made to another dimension in the Quran where space and time does not exist.(A spiritual domain/place)
2-This dimension is referred to as " samaa:" in the Quran
Quran 53-17 "And how many angels there are in the "samaa"whose intercession will not avail at all ...."
(NB- samaa has multiple interpretations)
3-Allah SWT informs us of entities that is not present in this universe viz
A-Al Bait-ul-Ma’mur -Baitul Ma’mur, also known as the “Frequented House”
“And by the Bait-ul-Ma'mur ” (52:4)
B-Sidra tul-Muntaha (Lote Tree of the furthest boundary') /Garden of eternal abode
Quran 53 14-16
14. at the Lote Tree of the most extreme limit
15. near which is the Garden of ˹Eternal˺ Residence—
16. while the Lote Tree was overwhelmed with ˹heavenly˺ splendours!
C- Angels and the Throne
“Those (angels) who bear the Throne and those around it glorify the praises of their Lord, and believe in Him, and ask forgiveness for those who believe” (40, 7)
4-The concept of the multiverse and that there may be other universes operating according with different laws is now coming into the mainstream of modern physics.
List of popular theories that support the existence of a multiverse are inter alia (see comments for references)
A. Inflationary multiverse
The theory of the inflationary multiverse changes the way we
understand the whole picture of the universe.The theory of inflationary multiverse is based on unification of inflationary cosmology, anthropic considerations, and particle physics.The eternal inflation model implies that all macroscopic histories permitted by laws of physics are repeated
an infinite number of times in the infinite multiverse.
B. The String Theory -The presence of "extra dimensions" must be present to enable string theory to have mathematical logic. String theorists believe that these extra dimensions are tied up inside space's three traditional dimensions. Since humans have only developed sight in three dimensions, they are still invisible to us. The string theory multiverse could be approachable through these extra dimensions. In the string theory
everything in the universe is made up of microscopic strings. The various
rates at which these threads/strings may vibrate produce the many kinds
of particles that comprise our natural environment.One of the most striking implications of extra dimensions and string theory is the possibility of a multiverse. The idea is that our universe is just one of many, possibly infinite, universes that exist in a “multiverse.” Each the universe would have its own set of physical laws and constants, which could be vastly different from ours.
C. The Black Hole Multiverse - A black hole's center has a singularity where the mass is so enormous that the space-time curvature becomes infinite, and the rules of physics are broken. A singularity could be replaced by an entire universe, that could then give existence to a multiverse.
Allah SWT knows best
Comments
Post a Comment