Final Information 02
Final Information 02
A.
আলোর স্ট্যান্ডার্ড গতি নির্ধারণ
১৯০৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন কর্তৃক রচিত E= MC± নামক Special theory of relativity বা বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের মূল কথাঃ “আলোর চেয়ে দ্রুতগতির কোন কিছু এ জগতে নেই”। পক্ষান্তরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরের কাছে ফ্রান্সের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র CERN কর্তৃক কয়েক হাআর বার পরীক্ষার পর সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে ঘোষণা করা হয় “নিউট্রিনো আলোর চেয়ে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত চলে"। ১ ন্যানো সেকেন্ড=১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ।
উল্লেখ্য, E= MC± অর্থাৎ Special theory of relativity (বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব) এর উপর দাঁড়িয়ে আছে Cosmological Standard Model Theoryসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত যত সব তত্ত্ব।
বলা হয়ে থাকে যে, E=mc2 বিশেষ আপেক্ষিকতা থেকে বেরিয়ে আসা এক কালজয়ী সমীকরণ শুধু নয়, কালজয়ী আখ্যানও বটে। ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রতিষ্ঠা করা এই সমীকরণই কণা পদার্থ বিজ্ঞান থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাস নতুন করে লিখতে বাধ করেছিল। এই সমীকরণকে ঘিরেই গড়ে উঠেছিল কণা পদাদর্থ বিজ্ঞানের জগৎ (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষঃ ৪,সংখ্যাঃ ০৬, পৃষ্ঠা ২৪)।
তাই আইনস্টাইনের special relativity তত্ত্বে বিন্দু পরিমাণ সন্দেহ-অবিশ্বাসের কারণ ঘটলে আধুনিক বিজ্ঞানে বড় ধরণের বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে-এ আশংকা সত্ত্বেও সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরের কাছে ফ্রান্সের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র CERN কর্তৃক তিন বছর গবেষণান্তে কয়েক হাআর বার পরীক্ষায় নির্ভুল প্রমাণিত হওয়ার পর বিগত সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে ঘোষণা করা হয় যে, “নিউট্রিনো আলোর চেয়ে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত চলে"।।
এ ঘোষণা বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (theory of special relativity)-কে হুমকির মধ্যে ফেলে দেয়।। ফলে স্টিফেন হকিংসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সুরক্ষার তাগিদে আবিস্কারটি পুনবিবেচনার প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সার্ণ ১৬০০১তম পরীক্ষায় প্রমাণ পায় যে, নিছক যান্ত্রিক কেবলের ত্রুটির কারণে নিউট্রিনোর গতি আলোর গতির চাইতে বেশি দেখাচ্ছিল।
উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, যত প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বই হোক না কেন, হুমকির মধ্যে পড়া অনেকাংশে সময়ের ব্যাপার হয়ে যেতে পারে। এ থেকে সুরক্ষার জন্য IRRSTC এর প্রস্তাবঃ আলোর স্ট্যান্ডার্ড গতি নির্ধারণ করা হোক যাতে আলোর গতির হ্রাস-বৃদ্ধিতে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত থিওরিসমুহের সুরক্ষা হয়।
প্রস্তাবিত আলোর স্ট্যান্ডার্ড গতির নামকরণ করা যেতে পারেঃ "Einstinian Standard Light Force" (ESLF).
উল্লেখ্য, আলোর প্রকৃত সাধারণ গতি হচ্ছেঃ ভগ্নাংশ (Fraction) সহ প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮২.৩৯৭ মাইল। হিসাব সহজীকরণের সুবিধার্থ রাউন্ড ফিগার ১,৮৬,০০০ মাইল ধরা হয়।
"পরমাণুর ভেতরে খবর জানতেই এ সমীকরণের ভূমিকা ব্যাপক। অ্যাটম বা আধুনিক পরমাণু বিজ্ঞানের চর্চার শুররু তখন থেকেই" (প্রাগুক্ত পৃঃ ২৪)।
"নিউক্লিয়ার বোমা থেকে শুরু করে নক্ষত্রের জন্ম-মৃত্যু সবই আসলে ঘটে চলেছে অ্যাটম বা পরমাণুর ভাঙা গড়ার খেলার ফলাফল থেকে। এই যে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ডায়গনস্টিক যনন্ত্রপাতির এত জয়জয়কার, এক্সরে, এমআরআইয়ের ব্যবহার চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিত্যদিনের ঘটনা। এর পেছনে আছে পরমাণুর ক্যারিশমা। (প্রাগুক্ত পৃঃ ২৪)।
"যুদ্ধ থেকে ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাষ্টীয় এমনকি আন্তর্জাতিক জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে পরমাণু বিজ্ঞানের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া"(প্রাগুক্ত পৃঃ ২৪)।
"একটি সমীকরণ বদলে দিয়েছিল বিজ্ঞানের ইতিহাস। মানব ইতিহাসও ওলট-পালট করে দিয়ছিলে।লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল পৃথিবীর মানচিত্র"(প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ২৪)। আবার প্রায় ভরশুন্য (অতি অল্প ভর বিশিষ্ট) এবং প্রায় অদৃশ্যমান নিউট্রিনো নামক এক অদ্ভূত কণা যা কিনা কয়েক অআলোকবর্ষ পরিমাণ পুরু সীসার পাতকে অনায়াসে ভেদ করে অনায়াসে চলে যেতে পারে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে সেই নিউট্রিনো কিনা আইনস্টাইনের জগৎ কাঁপানো এই সমীকরণে ধস নামানোর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ২০১১ সালে আলোর গতির চাইতে মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত প্রমাণিত হওয়ায়।
নিউট্রিনো আলোর চেয়ে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত চলে !
<
সদা পরিবর্তনশীল জগতে বিজ্ঞানের চিরন্তন সত্যের মানদন্ড জরুরী
একসময় বিজ্ঞানের যুগ বলতে গ্রীক বিজ্ঞানী ডেমোক্রিটাসের যুগ, পরে অ্যারিস্টটল, তৎপরে জাবের ইবনে হাইয়ানের, তারপর নিউটন, তারপর অআইনস্টাইন তারপর চলছে বর্তমানে ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম যুগ।এসব যুগ পেরিয়ে বিজ্ঞান নিউটনের যুগে পৌঁছে গিয়েছিল সবজান্নার কাতারে। কিন্ত্ত সময় গড়ানোর সাথে সাথে বিজ্ঞানের জানার হার কমতে কমতে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪ থেকে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত যা স্ট্যান্ডার্ড মডেল তথা পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সূত্রগুলি হুমকির মধ্যে ঠেলে দিতে পারে মর্মে বিজ্ঞানীদের আশংকা।
বস্ত্ততঃ E= MC± (theory) নামে যে Special theory of relativity বা বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের উপর দাঁড়িয়ে আছে পদার্থ বিজ্ঞানের অন্য যত সব তত্ত্ব। তাই আইনস্টাইনের special relativity তত্ত্বে কোন প্রকার বিপদ বিপর্যয় ঘটলে তাতে বৈশ্বিক গুরুত্বর্পূর্ণ যতসব বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব-সূত্রাবলী ধসে পড়তে পারে-এ আশংকার মধ্যেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরের কাছে ফ্রান্সের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র CERN কর্তৃক কয়েক হাআর বার পরীক্ষার পর সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে ঘোষণা করা হয় “নিউট্রিনো আলোর চেয়ে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত চলে"। এ তথ্য হুমকির মধ্যে ফেলে দেয় বিশ্বখ্যাত সমীকরণ E= MC± নামক আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (theory of special relativity)-কে। ফলে স্টিফেন হকিংসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের আপত্তির মুখে সার্ণ এই ঘোষণা প্রত্যাহার করে নেয় যান্ত্রিক কেবলের ত্রুটির কথা জানিয়ে।
উল্লেখ্য, আলোর প্রকৃত সাধারণ গতি হচ্ছেঃ ভগ্নাংশসহ প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮২.৩৯৭ মাইল। রাউন্ড ফিগারে ১,৮৬,০০০ মাইল। রাউন্ড ফিগারের সুবিধার জন্য ১,৮৬,০০০ মাইল স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। পদার্থ বিজ্ঞানীরা মনে করেন, নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বাড়তি গতির অনুমোদন দেয়া হলে আলোর গতি তাতে ফ্রাকশন হয়ে পড়লে স্ট্যান্ডার্ড মডেলসহ পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র নড়েবড়ে হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।
উদাহরণস্বরূপ, লন্ডনের স্থানীয় সময়কে একক ধরে আন্তার্জতিক সময় মান হিসাবে গ্রীনীচমান সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুরূপ আলোর গতির স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়েছে রাউন্ড ফিগারে ১,৮৬,০০০ মাইল। কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি এই রাউন্ড ফিগার অনুযায়ী প্রণীত বিধায় মাত্র ১ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত দেখানো হলেও স্ট্যান্ডার্ড মডেল অকার্যকর হয়ে যাবে। সুতরাং, এ কারণে অআলোর প্রকৃত গতি প্রতি সেকেন্ডে ২৮২.৩৯৭ মাইল বেশি হওয়া সত্ত্বেও স্ট্যানডার্ড মডেলের স্বার্থে এই ফ্রাকশান ধরা হয়নি একই কারণে ৬০ ন্যানো সেকেন্ডও বিজ্ঞানীদের জন্য গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় স্টিফেন হকিংসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা ঘোর আপত্তি জানিয়েছিল নিউট্রিনোর বাড়তি গতির জন্য।
B. Infinite and Universe অসীম বনাম মহাবিশ্ব
"বিজ্ঞান" এমন এক বিষয় যাকে খুব ছোটও মনে করা যাবে না আবার খুব বড় করেও সব জান্তা বলেও মনে করা যাবে না বরং বিজ্ঞানের ব্যাপারে আমাদেরকে মধ্যপন্থী ধারণার অনুসারী হতে হবে।
বিজ্ঞানীদের স্বাকারোক্তি যে, তারা না পারে সৃষ্টিতে না পারে ধ্বংসে বরং তারা একাধিক সৃষ্ট বস্ত মৌলিক বস্ত্ত বা বস্ত্ত কণাকে মিশ্রনে, সংযোজনে যৌগিকরূপ মৌলিক বস্ত্তর অবস্থা পরিবর্তন করে থাকেন। মানুষ পারে না গাছ সৃষ্টিতে যা পারে তাহচ্ছে গাছকে কাটতে। কাটা গাছের নাম হয় কাঠ। কাঠ মানব হস্তক্ষেপযুক্ত, গাছ মানব হস্তক্ষেপমুক্ত-যাকে বলা হয় প্রাকৃতিক (ন্যাচারাল) কিংবা গড গিফটেড।
"প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না" (বিজ্ঞানচিন্তা)।
সৃষ্টির উৎসমূল আজও বিজ্ঞানীদের নিকট Super natural বা Telepathy অর্থাৎ "Transcendental Principle হয়ে আছে।মনে করা হচ্ছিল, বিগ ব্যাং এবং হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের ধারণা পাওয়ার পর মহাবিশ্ব তথা সত্যকে জানার অগ্রযাত্রা শেষ হয়ে গেছে। কিন্র্র ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটারের ধারণা পাওয়ার পর বুঝা গেল বিজ্ঞানের সবে মাত্র অগ্রযাত্রার শুরু। উল্লেখ্য, মহাবিশ্ব তথা সত্য জানার হার মাত্র চার থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ শতাংশ ।বাকী ....শতাংশ ডার্ক এনার্জিতে এবং ...শতাংশ ডার্ক ম্য্যটারে নিহিত।
IRRSTC মনে করে মাত্র আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে শেষ হতে পারে মহাবিশ্ব কিভাবে? এই অধ্যায়ের। প্রশ্নটি হচ্ছে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল? হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যেহেতু অবিস্ফোরিত আস্ত একটা মহাশক্তি বিন্দুর নাম সেহেতু প্রশ্ন দাঁড়ায়ঃ মহাশক্তির পূর্বে কি ছিল?
প্রশ্নটির সাধারণ বা জাগতিক এবং আধ্যাত্মিক উত্তর রয়েছে। জাগতিক সাধারণ উত্তরটি আইজাক নিউটনের দার্শনিক উক্তির আলোকে বিবেচ্য তা হচ্ছে, নিউটনের ভাষায় সত্য নিহিত সহজ পথে। সেমতে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বা মহাশক্তি বিন্দুর উৎসমূল খুঁজতে হবে সহজ পথে যা সাধারণ সর্বস্তরের মানুষের জন্য সহজবোধ্য এবং সহজসাধ্য IRRSTC মনে করে সহজবোধ্য এবং সহজসাধ্য হতে প্রয়োজন মাত্র একটি শব্দের যাতে নিহিত রয়েছে মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টির মূল। প্রত্যেক বিষয়ের ক্বলব বা মূল আছে অআল হাদীস, প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী আল আরাবী)
উল্লেখ্য, বিজ্ঞানীদের দাবী, এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এই জগতে পাওয়া যাবে না । যেমন, আকাশের শেষ সীমা কোথায়? কিংবা প্রোটন+প্রোটনের আন্তঃমিথস্ক্রিয়ার ফলাফল বিকর্ষণ হওয়া সত্ত্বেও সূর্যের প্রোটন কেন তরঙ্গে পরিণত হয়ে পরস্পর আকর্ষণ করে হিলিয়াম সৃষ্টি করে দহন ক্রিয়া সম্পন্ন করে? কিংবা “বোসন আসলে একটা কোয়ার্ক আর একটা অ্যান্টি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি।এটা আরেক বিস্ময় একই কণা তার অ্যান্টি অর্থাৎ প্রতি কণা এক সঙ্গে থাকতে পারে না কণা আর প্রতি কণা পরস্পরের সংস্পর্শেএলে বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে উভয় কণাই ভ্যানিশ হয়ে যায়। তৈরি হয় শক্তি” (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি ২০২০, বর্ষ ৫, সংখ্যা ৪ পৃষ্ঠা ৬৯)। এমতাবস্থায়, কোয়ার্ক এবং অ্যান্টি কোয়ার্কের মধ্যে মিথস্ক্রিয়ায় পরস্পর ভ্যানিশ না হয়ে কেন বোসন কণায় রূপ লাভ করে? এ ধরণের প্রশ্ন তেমনি অর্থহীন প্রশ্ন যা কেবল প্রশ্নেরই উদ্ভব ঘটায়। যেমন অর্থহীন ও সময়ক্ষেপনকারী প্রশ্নঃ উত্তর মেরুর উত্তরের উত্তরে কি আছে?
C. হিগস বোসনঃ পদার্থ বিজ্ঞানের নিয়ম ভেঙ্গে যে কণার উদ্ভব
কোয়ার্ক যদি হয় মহাবিশ্বের বস্ত্তগত গাঠনিক অবকাঠামোর ইট, বোসন কণা হবে সিমেন্ট। সেই বোসনও আবার কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত। বোসন বলবাহী কণা। ভরশক্তির সমীকরণ মতে ভর এবং শক্তি, বস্ত্ত এবং শক্তি অভিন্ন সেমতে কোয়ার্ক এবং শক্তি, এবং শক্তি এবং কোয়ার্ক অভিন্ন। বোসন হচ্ছে শক্তির প্রকাশমাত্র।বোসন আসলে একটা কোয়ার্ক আর একটা অ্যান্টি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি।এটা আরেক বিস্ময় একই কণা তার অ্যান্টি অর্থাৎ প্রতি কণা এক সঙ্গে থাকতে পারে না কণা আর প্রতি কণা পরস্পরের সংস্পর্শেএলে বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে উভয় কণাই ভ্যানিশ হয়ে যায়। তৈরি হয় শক্তি (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি ২০২০, বর্ষ ৫, সংখ্যা ৪ পৃষ্ঠা ৬৯)।
D. পদার্থেরও কি প্রাণ আছে?
আসমান জমিনের সবাই তাছবিহরত (অআল কুরঅআন)
স্থির গাছ যেমন নিস্প্রাণ নয়, তেমনি স্থির জড় পদার্থও অআভ্যন্তরীণভাবে স্থির নয়। কণা পদার্থ বিজ্ঞানমতে, প্রতিটি কণা কম্পমান অর্থাৎ অস্থির।
মহাবিশ্বের সব কণারা সুখে শান্তিতে পরমাণুর ভেতর চুপটি করে বাস করে না। কিছু পদার্থ অতি উত্তেজিত, নিজেকে নিজে না ভাঙলে চলে না। তেজস্ত্রিয় রশ্মি বিকিকরণ করে নিজে ভেঙ্গে অন্য মৌলের পরমাণুতে রূপ বদল করে।
মৌলিক পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে প্রোটন আর নিউট্রন কণা। এসব কণা প্রাকৃতিকভাবে ভেঙ্গ গিয়ে জন্ম দেয় গতিশীল তেজস্ত্রিয় রশ্মির। সেসব রশ্মি আলোক রশ্মির মতো হলেও এর মধ্যে থাকে নানা রকম কণা আর শক্তি হিসেবে থাকে অআলো বা আলোর কোয়ান্টা ফোটন।
E. আজকের রূপকথা আগামীকাল বাস্তব
কল্প বিজ্ঞানের অনেক প্রযুক্তিই পরে বাস্তবে পরিণত করেছেন বিজ্ঞানীরা। (বিচি, জুন, ২০১৯, বর্ষ ৩, সংখ্যা ৯, পৃঃ ৩)
আজকের অবিশ্বাস্য আগামীকালের বিশ্বাস্য বিষয়। আজকের রূপকথা আগামীকাল বাস্তব হতে পারে তা প্রমাণিত হয় বিজ্ঞানের মাধ্যমে যাকে বলা হয় কল্পবিজ্ঞান। আকাশে উড়ার স্বপ্ন অআদিকালে ছিল অআকাশ কুসুম কল্পনা যা রাইটভ্রাতৃদ্বয় বাস্তব প্রমাণ করেন। হতে পারে ওয়ার্মহোল বা র্যাছপ ড্রাইভ অআজ স্বপ্ন, অআগামীতে বাস্তব।
একসময় জ্বীন ভূত ছিল সমাজ সংস্কার। বৈজ্ঞানিক ভূত বলা হয় নিউট্রিনোকে। রাক্ষস ছিল রূপকথার গল্প। বৈজ্ঞানিক রাক্ষস বলা হচ্ছে ব্ল্যাকহোলকে যা কিনা অআছে পাশের দৈত্য আকৃতির বিরাট বিশাল নক্ষত্রকে অনায়াসে গিলে খেতে পারে, এমনকি আলোকেও।
F. ইলেকট্রনঃ বৈজ্ঞানিক জ্বীন!
যারা জ্বীনে বিশ্বাসী তাঁদের বিশ্বাস, জ্বীন সব অআকৃতির রূপ নিতে পারে। কখনও মানুষের,কখনও অন্য কোনো প্রাণী, কখনও কখনও অন্য জড় বস্ত্তর রূপ নিতে পারে। বিজ্ঞানে এ জ্বীন প্রকৃতি বস্ত্তকণার নাম ইলেকট্রন যা অবস্থাভেদ ভেক অর্থাৎ রূপ নিতে পারে। কখনও বস্ত্কণা রূপে কখনও তরঙ্গে রূপ নিতে পারে।
G. ব্ল্যাকহোলঃ রূপকথার রাক্ষস !
রূপকথার রাক্ষসের বৈজ্ঞানিক নাম ব্ল্যাকহোল।
H. Infinite and Universe অসীম মহাবিশ্বের অসীম কথা
সৃষ্টির উৎসমূল আজও বিজ্ঞানীদের নিকট Super natural বা Telepathy অর্থাৎ "Transcendental Principle হয়ে আছে।মনে করা হচ্ছিল, বিগ ব্যাং এবং হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের ধারণা পাওয়ার পর মহাবিশ্ব তথা সত্যকে জানার অগ্রযাত্রা শেষ হয়ে গেছে। কিন্র্র ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটারের ধারণা পাওয়ার পর বুঝা গেল বিজ্ঞানের সবে মাত্র অগ্রযাত্রার শুরু। উল্লেখ্য, মহাবিশ্ব তথা সত্য জানার হার মাত্র চার থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ শতাংশ ।বাকী ....শতাংশ ডার্ক এনার্জিতে এবং ...শতাংশ ডার্ক ম্য্যটারে নিহিত।
IRRSTC মনে করে মাত্র আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে শেষ হতে পারে মহাবিশ্ব কিভাবে? এই অধ্যায়ের। প্রশ্নটি হচ্ছে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল? হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যেহেতু অবিস্ফোরিত আস্ত একটা মহাশক্তি বিন্দুর নাম সেহেতু প্রশ্ন দাঁড়ায়ঃ মহাশক্তির পূর্বে কি ছিল?
প্রশ্নটির সাধারণ বা জাগতিক এবং আধ্যাত্মিক উত্তর রয়েছে। জাগতিক সাধারণ উত্তরটি অআইজাক নিউটনের দার্শনিক উক্তির অআলোকে বিবেচ্য তা হচ্ছে, নিউটনের ভাষায় সত্য নিহিত সহজ পথে। সেমতে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বা মহাশক্তি বিন্দুর উৎসমূল খুঁজতে হবে সহজ পথে যা সাধারণ সর্বস্তরের মানুষের জন্য সহজবোধ্য এবং সহজসাধ্য IRRSTC মনে করে সহজবোধ্য এবং সহজসাধ্য হতে প্রয়োজন মাত্র একটি শব্দের যাতে নিহিত রয়েছে মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টির মূল। প্রত্যেক বিষয়ের ক্বলব বা মূল আছে অআল হাদীস, প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী আল আরাবী)
উল্লেখ্য, বিজ্ঞানীদের দাবী, এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এই জগতে পাওয়া যাবে না । যেমন, আকাশের শেষ সীমা কোথায়? কিংবা প্রোটন+প্রোটনের আন্তঃমিথস্ক্রিয়ার ফলাফল বিকর্ষণ হওয়া সত্ত্বেও সূর্যের প্রোটন কেন তরঙ্গে পরিণত হয়ে পরস্পর আকর্ষণ করে হিলিয়াম সৃষ্টি করে দহন ক্রিয়া সম্পন্ন করে? কিংবা “বোসন আসলে একটা কোয়ার্ক আর একটা অ্যান্টি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি।এটা আরেক বিস্ময় একই কণা তার অ্যান্টি অর্থাৎ প্রতি কণা এক সঙ্গে থাকতে পারে না কণা আর প্রতি কণা পরস্পরের সংস্পর্শেএলে বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে উভয় কণাই ভ্যানিশ হয়ে যায়। তৈরি হয় শক্তি” (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি ২০২০, বর্ষ ৫, সংখ্যা ৪ পৃষ্ঠা ৬৯)। এমতাবস্থায়, কোয়ার্ক এবং অ্যান্টি কোয়ার্কের মধ্যে মিথস্ক্রিয়ায় পরস্পর ভ্যানিশ না হয়ে কেন বোসন কণায় রূপ লাভ করে? এ ধরণের প্রশ্ন তেমনি অর্থহীন প্রশ্ন যা কেবল প্রশ্নেরই উদ্ভব ঘটায়। যেমন অর্থহীন ও সময়ক্ষেপনকারী প্রশ্নঃ উত্তর মেরুর উত্তরের উত্তরে কি আছে?
তাই জাগতিক দৃষ্টিতেঃ প্রকৃতির আগে কি ছিল? কিংবা আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতেঃ আল্লাহ, গড, ঈশ্বর, খোদা কি? আল্লাহ, গড, ঈশ্বর, খোদার আগে কি ছিল? এধরণের প্রশ্নের উত্তরও এ জগতে না পাওয়া যাওয়ারই কথা।
সুতরাং, IRRSTC মতে, জাগতিক দৃষ্টিতে মহাবিশ্বের মূল রয়েছে সর্বসাধারণে বহুল ব্যবহ্রত, বহুল জনপ্রিয় শব্দ প্রকৃতি বা প্রাকৃতিক শব্দে। সেমতে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বা মহাশক্তির পূর্বে কি ছিল? এই প্রশ্নের নিউটনীয় সহজ সরল উত্তর হতে পারেঃ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে ছিল “প্রকৃতি” (NATURE যা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবারই জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত।
পক্ষান্তরে IRRSTC মতে, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে মহাবিশ্বের মূল রয়েছে বহুল ব্যবহ্রত, বহুল জনপ্রিয় শব্দ আল্লাহ (গড) শব্দে।
নতুন বিজ্ঞানের নতুন প্রশ্নঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি?
“বিজ্ঞান কখনো শেষ হবে না এবং আমরা পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে পারি আমাদেরর প্রশ্ন করার সাহস ও উত্তরের গভীরতা দিয়ে” (প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগান)। এ পরিপ্রেক্ষিতে মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্বের পরিপূর্ণতার তথা পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে IRRSTC এর মতে, পদার্থ বিজ্ঞানের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হতে পারে মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? পদার্থ বিজ্ঞানের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হতে পারে মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যেতে পারে নতুন বিজ্ঞানের নতুন কথামালা।
হিগস বোসনঃ পদার্থ বিজ্ঞানের নিয়ম ভেঙ্গে যে কণার উদ্ভব
কোয়ার্ক যদি হয় মহাবিশ্বের বস্ত্তগত গাঠনিক অবকাঠামোর ইট, বোসন কণা হবে সিমেন্ট। সেই বোসনও আবার কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত। বোসন বলবাহী কণা। ভরশক্তির সমীকরণ মতে ভর এবং শক্তি, বস্ত্ত এবং শক্তি অভিন্ন সেমতে কোয়ার্ক এবং শক্তি, এবং শক্তি এবং কোয়ার্ক অভিন্ন। বোসন হচ্ছে শক্তির প্রকাশমাত্র।বোসন আসলে একটা কোয়ার্ক আর একটা অ্যান্টি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি।এটা আরেক বিস্ময় একই কণা তার অ্যান্টি অর্থাৎ প্রতি কণা এক সঙ্গে থাকতে পারে না কণা আর প্রতি কণা পরস্পরের সংস্পর্শেএলে বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে উভয় কণাই ভ্যানিশ হয়ে যায়। তৈরি হয় শক্তি (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি ২০২০, বর্ষ ৫, সংখ্যা ৪ পৃষ্ঠা ৬৯)।
যেহেতু বিগ ব্যাংয়ের শুরুতে এনট্রপি ঘটনা ঘটেছে সেহেতু বিগ ব্যাং এটা নিছক দূর্ঘটনা হতে পারে না, সজাগ, সচেতন, গভীর প্রজ্ঞাময় অসীম এক মহান সত্বার অস্তিত্ব স্বীকার অনিবার্য হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি-এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য জরুরী হয়ে উঠে অসীম সেই মহান সত্বার যা জাগতিক পদার্থ বিজ্ঞানের সকল সূত্রের অমুখাপেক্ষিভাবে (সামাদ) উর্ধ্বে (সুবহান)।
►আইস্টাইন তত্ত্বমতে, বক্রস্থান, কালই হলো মহাকর্ষ। অআবার স্থান-কাল চার মাত্রিক। কিন্ত্ত ত্রিমাত্রিক জীব হওয়ার কারণে স্থান-কালের এই উপত্যকাকে অআমরা বুঝতে পারি না। সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর মতো বস্ত্তর গতি ব্যাখ্যা করতে অআমাদের তাই এতকাল মহাকর্ষের মতো একটা বল উদ্ভাবন করতে হয়েছে (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২১, পৃষ্ঠা ৬৩)
b>প্রাণ এবং প্রাণীর ইতিকথা
‘সায়ানোব্যাকটেরিয়ার : পৃথিবীর প্রথম জীব
সায়ানোব্যাকটেরিয়ার পৃথিবীর প্রথম জীব, যারা সালোকসংশ্লেষণের বিকাশ ঘটিয়েছে এবং সূর্যালোকের সাহায্য নিয়ে অক্সিজেন তৈরি করেছে। ২৪০ কোটি বছর আগে এ প্রক্রিয়াটি হঠাৎ করে ত্বরান্বিত হওয়ার ফলে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ নাটকীয়ভাবে বেড়ে গিয়েছিল। এটি সম্ভবত পৃথিবীতে প্রাণের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনা।
প্রসঙ্গত, এগুলোই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ছাড়া বর্তমান পৃথিবীর কথা ভাবাই সম্ভব নয়। প্রাণের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য এ প্রক্রিয়া বিপুল পরিমাণে কোষ উৎপাদনে সক্ষম। অক্সিজেন তৈরির প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হওয়ার পর থেকে পৃথিবীতে কোষের সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি বিভিন্ন বিপর্যয়ে ব্যাপকভাবে বিলুপ্তও হয়েছে।
‘সায়ানোব্যাকটেরিয়ার’ (দৈনন্দিন জীবনে ‘নীল-সবুজ শৈবালও’ বলা হয়) সংখ্যা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি। এটি অত্যন্ত দ্রুত বংশবিস্তার করতে সক্ষম।
কানাডার অটোয়ায় অবস্থিত কার্লটন ইউনিভার্সিটির ভূ-বিজ্ঞানী পিটার ক্রকফোর্ডের নেতৃত্বে একদল গবেষক এ গবেষণাটি চালিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, পৃথিবী সৃষ্টির শুরু থেকে উৎপাদিত হয়েছে আরো বহু বহু গুণ বেশি কোষ।
https://www.kalerkantho.com/online/science
বিজ্ঞানের সক্ষমতার স্বরূপ
"বিজ্ঞান" এমন এক বিষয় যাকে খুব ছোটও মনে করা যাবে না আবার খুব বড় করেও সব জান্তা বলেও মনে করা যাবে না বরং বিজ্ঞানের ব্যাপারে আমাদেরকে মধ্যপন্থী ধারণার অনুসারী হতে হবে।
সৃষ্টিতে
বিজ্ঞানীদের স্বাকারোক্তি যে, তারা না পারনে সৃষ্টিতে, না পারেন ধ্বংসে বরং তারা একাধিক মৌলিক বস্ত্ত বা বস্ত্ত কণার মিশ্রনে কিংবা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যৌগিককরণের মাধ্যমে মৌলিক বস্ত্তর অবস্থা,রূপ পরিবর্তন করে থাকেন। মানুষ পারে না গাছ সৃষ্টিতে যা পারে তা হচ্ছে গাছকে কাটতে। কাটা গাছের নাম হয় কাঠ। কাঠ মানব হস্তক্ষেপযুক্ত, আর্টিফিসিয়াল গাছ মানব হস্তক্ষেপমুক্ত-যাকে বলা হয় প্রাকৃতিক (ন্যাচারাল) কিংবা গড গিফটেড।
ধ্বংসে
পানিকে পুড়লে বাস্প, কাঠকে পুড়লে কয়লা অথবা মাটিতে পুতে রাখলে হয় কয়লা, হিরা, তেল, পেট্রোল ইত্যাদিতে পরিণত হয়। আইনস্টাইনের তত্ত্ব মতে, পদার্থ চুপসে যেতে যেতে এক পর্যায়ে চুপসানো থেমে যায় যাকে বলা হয় সিঙগুলারিটি বা পরম বিন্দু বা স্ট্রিং একে বারে বিলীন হয়ে যায় না। প্রাণীজ মৃত দেহ পরিণত হয় নাইটেোজেনে।
উল্লেখ্য, আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণমতে, যেহেতু জমে থাকা শক্তি, জমটবদ্ধ বস্ত্তর মতই এবং ভর এবং শক্তি সমার্থক সেহেতু প্রত্যেক বস্তর পরম বা চরম পরিণত হচ্ছে শক্তিতে পরিণত হওয়া যা সৃষ্টিও করা যায় না, ধ্বংসও করার যায় না-এই তত্বকে বলা হয় শক্তির নিত্যতা সূত্র।
Comments
Post a Comment