ISLAMIC RESEARCH FOR REVIVING SCIENCE-TECH CENTER [(IRRSTC), BANGLA]
ISLAMIC RESEARCH FOR REVIVING SCIENCE-TECH CENTER [(IRRSTC), BANGLA]
মাশা আল্লাহ! ওমানী ছোট ছোট মুসলিম শিশুরা আজ খেলা ছেড়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় রত।
ইসলামিক রিসার্চ ফর রিভাইভিং সায়েন্স-টেক সেন্টার(আই.আর.আর.এস.টি.সি)
Muhammad Sheikh Ramzan Hossain
Editor In Chief
10 articles
January 14, 2024
بِسۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯
In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.
ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَـٰلَمِينَِ ◯
Praise be to Allah, The Cherisher and Sustainer of the Worlds ;
(Source: Sūra 1: Fātiha, Ayat: 1, https://quranyusufali.com/1).
৩ : ১৯০ اِنَّ فِیۡ خَلۡقِ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ وَ اخۡتِلَافِ الَّیۡلِ وَ النَّهَارِ لَاٰیٰتٍ لِّاُولِی الۡاَلۡبَابِ ﴿۱۹۰
নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি এবং রাত ও দিনের বিবর্তনের মধ্যে রয়েছে বিবেকসম্পন্নদের জন্য বহু নির্দশন। আল-বায়ান https://www.hadithbd.net/quran/error/?id=483
Behold! in the creation of the heavens and the earth and the alternation of night and day there are indeed Signs for men of understanding. (Source: Sūra 3: Āl-i-‘Imrān, or The Family of ‘Imrān, Ayat: 190, Verses 200 — Madani; Revealed at Medina — Sections 20).
٨٢- إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ◯ . Verily, when He intends A thing, His Command is, “ Be ”, and it is ! (Sūra 36: Yā-Sīn (being Abbreviated Letters),Verses 83 — Makki; Revealed at Makka — Sections 5, Ayat:82,https://quranyusufali.com/36/) Ala lahul Kholq Wal Amru 2. أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْر সৃষ্টিও তারই এবং হুকুম তারই’ (সূরা আরাফ : আয়াত-৫৪)। Sūra 7: A’rāf, or The Heights, Ayat:54, Verses 206 — Makki; Revealed at Makka — Sections 24,https://quranyusufali.com/7/
উপরোক্ত পবিত্র কুরআনের আয়াতদ্বয়ের প্রথম আয়াতের প্রথমে (কিছু) হওয়ার আদেশ (Command) এবং পরে সৃষ্টি (Creation), দ্বিতীয় আয়াতে প্রথমে সৃষ্টি (Creation), এবং পরে আদেশ (Command)।
এই কুদরতি আদেশটি মূলতঃ সৃষ্টির প্রতি বেঁধে দেওয়া নিয়ম-নীতি বিশেষ।. ٥- الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ ◯ The sun and the moon Follow courses (exactly) computed ; (Source: Sūra 55: Rahmān, or (Allah) Most Gracious.Verses 78 — Madani; Revealed at Madina — Sections 3,Ayat:5,Verses 78, https://quranyusufali.com/55/)
অর্থাৎ সূর্য এবং চন্দ্র আল্লাহর বেঁধে দেওয়া নিয়মে, আদেশে চলে।
وَلَهُ الْحُكْمُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ ◯ For Him is the Command, And to Him shall ye (All) be brought back. Sūra 28: Qasas, or the Narration, Ayat: 70,Verses 88 — Makki; Revealed at Makkaa — Sections 9, https://quranyusufali.com/28/
‘ওয়ালাহুল হুকমু ওয়া ইলাইহি তুরজাউন’। অর্থাৎ, একমাত্র তাঁরই হুকুম চলে এবং তোমরা সবাই তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করবে’ (সূরা কাসাস : আয়াত-৭০)।
মহান আল্লাহ হচ্ছেন, সুবহা-ন অর্থাৎ সর্বপ্রকার বাধ্যবাধকতা, নিয়ম-নীতি, অংশীদারিত্ব থেকে পুতঃপবিত্র, স্বমাদ অর্থাৎ সৃষ্টির উপর অনির্ভরশীল।
উল্লেখ্য, যখন বিগ ব্যাং ঘটেনি, মহাবিশ্বের উদ্ভব হয়নি তখনও শক্তি (Energy) ৪ মহাবলের এককরূপে উচ্চশক্তির বিকরণের মাধ্যমে বিদ্যমান ছিল।
মহাশুন্যে শুন্য অবস্থায় শক্তি বিরাজ করা কোয়ান্টাম তত্ত্বে নতুন কথা নয়। মহাকাশ এখনও অনেকটা শুন্যাবস্থায় বিদ্যমান রয়েছে। মহাশুন্যে বর্তমানে গ্রহ-নক্ষত্র-গ্যালাক্সি নামে যা আছে তা যেন মহাকাশে ছিঁটেফোটা বস্ত্ত ন্যায়।মহাবিশ্বের একক মহাশক্তির প্রচলিত নাম: প্রকৃতি (Nature), বৈজ্ঞানিক নাম : "উচ্চশক্তির বিকিরণ" (Highest Energetic Radiation), আধ্যাত্মিক একক নামঃ "সৃষ্টিকর্তা" (الخالق-Creator) যাতে বিশ্বাসী পৃথিবীর প্রায় সব মানুষই।জাতিভেদে এই সৃষ্টিকর্তার নাম কোথাও "আল্লাহ", কোথাও "খোদা", কোথাও আবার কোথাও "ঈশ্বর" ইত্যাদি নামে।কিন্ত্ত অবচেতন কিংবা অসতর্ক মনে সব জাতির বিশ্বাস, মানব হস্তমুক্ত সব কিছুই হচ্ছে: "প্রাকৃতিক" (Natural) আর মানব হস্তযুক্ত সব কিছু হচ্ছে: "কৃত্রিম" (Artificial)।
উল্লেখ্য, আল্লাহ, খোদা, গড, ঈশ্বর নির্বিশেষে সকল বিশ্বাসীদের একক বিশ্বাস: প্রকৃতি সৃষ্টিকর্তা নয়, সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতি নন। বরং প্রকৃতি (Nature) হচ্ছে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিমাত্র।
শক্তি (Energy): মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টির বস্ত্তগত কাঠামোর মূল ভিত্তি
পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় শক্তি বলতে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর কাজ করার সামর্থ্যকে বুঝায়। প্রধানত শক্তি হচ্ছে পদার্থের এমন একটি বৈশিষ্ট্য যার সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই , এক রূপ থেকে অন্য রূপ নিতে পারে এবং এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে যেতে পারে।
বিখ্যাত E=mc² অনুযায়ী শক্তি পদার্থে নিহিত থাকতে পারে ।সূত্রটিতে বলা হয়েছে যে সমমানের শক্তিকে (E) ভর (m) ও আলোর গতির (c = ~ 3 × 108 m / s) এর গুণফল হিসাবে গণনা করা যেতে পারে। একইভাবে, শক্তিযুক্ত যেকোন কিছুর ক্ষেত্রেও তার শক্তি E কে আলোর গতির বর্গ c2 দ্বারা ভাগ করলে অনুরূপ ভর m প্রদর্শন করে। যেহেতু প্রাত্যহিক এককগুলিতে আলোর গতি একটি বিরাট সংখ্যা তাই সূত্রটি সূচিত করে যে সামান্য পরিমাণ ভর সম্পন্ন একটি প্রাত্যহিক বস্তুতেও অভ্যন্তরীণভাবে অনেক বড় পরিমাণে শক্তি থাকে।
যেমন ফিশন বিক্রিয়া । কাজ বা কার্য হচ্ছে বল ও বলের দিকে সরণের গুণফল। কৃতকাজের পরিমাণ দিয়েই শক্তি পরিমাপ করা হয়। অর্থাৎ বস্তুর শক্তি হচ্ছে ঐ বস্তু মোট যতখানি কাজ করতে পারে। সুতরাং কাজের একক ও শক্তির একক অভিন্ন - জুল। ১ জুল = ১ নিউটনХ ১ মিটার। শক্তি একটি (সূত্রঃ https://bn.wikipedia.org/wiki/শক্তি)।
শক্তির রূপ
শক্তির বিভিন্ন রূপ আছে। মোটামুটিভাবে শক্তির নয়টি রূপ দিয়ে প্রাকৃতিক সব ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়া হয়। শক্তির রূপগুলি হল:
যান্ত্রিক শক্তি
আলোক শক্তি
শব্দ শক্তি
তাপ শক্তি
চৌম্বক শক্তি
তড়িৎ শক্তি
পারমাণবিক শক্তি
রাসায়নিক শক্তি
সৌর শক্তি (সূত্রঃ https://bn.wikipedia.org/wiki/শক্তি)।
শক্তির বিশ্ব তত্ত্ব
হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনকে বিশ্ব তত্ত্বের স্ট্যান্ডার্ড ধরা হলে এবং বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট দৃশ্যমান সৃষ্টির পরিমাণ ৪ থেকে ৫% এবং বাকী অংশ শুন্য/মহাশুন্য ধরা হলে যেহেতু শুন্যে শক্তি বিরাজমান থাকা কোয়ান্টাম তত্ত্বে নতুন কথা নয়; এবং যেহেতু আইনস্টাইনের ভর শক্তি সমীকরণ মতে, জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ বস্তুর মতই, সেহেতু (স্ট্যান্ডার্ড মডেলমতে) শুন্যে বিদ্যমান হিগস ফিল্ডের শক্তি এবং তদ্বারা সৃষ্ট হিগস বোসন কণা, তদ্বারা সৃষ্ট ইলেকট্রন, কোয়ার্ক তৎপরবর্তীতে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, নিউট্রন, প্রোটন, অ্যাটম, অণু পরমাণু, গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি, ব্ল্যাকহোল, কোয়াসার, উল্কাপিন্ড ইত্যাদি বস্তুর ভর এবং শক্তি সমার্থক বিধায় শক্তির নিত্যতার সূত্রানুযায়ী অদৃশ্যমান ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি এবং দৃশ্যমান শক্তি যথাক্রমে এক্সরে, গামা, বেটা, আলফা রশ্মি এবং দৃশ্যমান বস্তু এবং বস্তুকণা সবই শক্তির রূপ-রূপান্তর মাত্র।
শক্তির নিত্যতার সূত্রে বিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব
পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে শক্তির নিত্যতার সূত্রমতে, শক্তি(Energy) সর্বদা অপরিবর্তনশীল।(সূত্রঃ Richard Feynman (১৯৭০)। The Feynman Lectures on Physics Vol I। Addison Wesley। আইএসবিএন 978-0-201-02115-8) এর মানে এই যে, শক্তির কোনো সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই; বরং এটি কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে স্থানান্তরিত হয় (সূত্রঃ https://bn.wikipedia.org/wiki/ শক্তির_নিত্যতা)।
এই সূত্রটি সর্বপ্রথম প্রস্তাব এবং পরীক্ষা করেন এমিলি দ্যু শাতলে । উদাহরণস্বরূপ, একটি ডায়নামাইট দন্ড বিস্ফোরিত হলে তার রাসায়নিক শক্তি গতিশক্তিতে পরিণত হয়। বিস্ফোরণে নির্গত হওয়া সকল শক্তি , যেমন- বিস্ফোরণের পর ডাইনামাইট দন্ডের গতিশক্তি ও বিভব শক্তি এবং বিস্ফোরণের তাপ ও শব্দ একত্রিত করা হলে বিস্ফোরণে ক্ষয় হওয়া প্রকৃত রাসায়নিক শক্তির মানের সমান হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, শক্তির নিত্যতা সূত্রটি গৃহীত হয় ভরের সংরক্ষণশীলতা থেকে। যাই হোক, আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব থেকে প্রমাণিত হয় যে, ভর এবং শক্তি পরস্পর সম্পর্কিত (E=mc²) । E=mc² সমীকরণটি ভর-শক্তি সমতা নির্দেশ করে এবং বিজ্ঞান বর্তমানে এটি মেনে নিয়েছে যে কোনো বস্তুর ভর-শক্তি সংরক্ষিত থাকে। তাত্ত্বিকভাবে, এটি নির্দেশ করে যে ভর এবং শক্তি পরস্পর রূপান্তরিত হতে পারে (সূত্রঃ https://bn.wikipedia.org/wiki/ শক্তির_নিত্যতা)।
সুতরাং, উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, মহাবিশ্ব শক্তি দিয়ে তৈরি । এবং তা তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ অস্তিত্ববিহীন উপাদান-উপকরণ দিয়ে অর্থাৎ কোনা প্রকার প্রজনন উৎস ব্যতিরেকে প্রথম মানুষ, প্রথম ইতর প্রাণী, যেমনঃ প্রথম গরু, প্রথম ছাগল, প্রথম মহিষ, প্রথম বাঘ, প্রথম ভাল্লুক, প্রথম সিংহ, প্রথম তিমি, প্রথম হাঙ্গর যিনি সম্পূর্ণ "নাই" (Nil-Zero) উপাদান-উপকরণ দ্বারা সৃষ্টি করেছেন তিনি জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃত (নেচার) এবং অআধ্যাত্মিক পরিভাষায় আল্লাহ, গড, ঈ্শ্বর, খোদা ইত্যাদি (IRRSTC)।
সুতরাং, إِذَا أَرَادَ شَيْئًا অর্থাৎ ইচ্ছা করেছেন فَيَكُونُ তাতেই হয়ে যাওয়ার কথা।কারণ, আল্লাহ তায়ালা সর্ববিষয়োপরি সর্বশক্তিমান। লক্ষ্যনীয় যে, মহান আল্লাহ একটা বাড়তি কুদরতি শব্দ প্রয়োগ করেছেন। শব্দটি হচ্ছেঃ كُن (কুন) যা পদার্থ বিজ্ঞানে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ পর্যালোচনার দাবী রাখে।কারণ, সাধারণ শব্দ (Sound) যেখানে আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণে সবিশেষ তাৎপর্যময় সেখানে কুদরতি শব্দ كُن (কুন)টিই হতে পারে মহাবিশ্বের "মূলোৎস" (সুবহা-নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী্, সুবহা-নাল্লাহিল আ'জীম)।
উল্লেখ্য, প্রবল শক্তিতে সৃষ্ট বজ্রপাতের প্রচন্ড শব্দে জানালা কেঁপে উঠার কারণে জানালার কাঁচ ভেঙ্গে পড়ায় এখানে একাধারে শক্তির (Energy) সাথে শব্দের (Sound) এবং শব্দের (Sound) সাথে কম্পনের সম্পর্ক বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। তাছাড়া, ২০১২ সালের ৪ জ্রলাই, বুধবার CERN এর খ্যাতনামা বিজ্ঞানী কর্তৃক ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডার নামক সাইক্লোটন যন্ত্রে বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে প্রায় আলোর গতিতে পরস্পর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন, ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম হিগস বোসন কণা উৎপন্ন করেন।
IRRSTC : সাধারণ শব্দের (Sound) সাথে যেখানে শক্তি (Energy) এবং কম্পনে সৃষ্টিগত গভীর সম্পর্ক রয়েছে সেখানে কুদরাতি كُن (কুন) শব্দে যদি Highest Energetic Radiation সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তিতে আরেক আদেশে সেই Radiation-এ মহাবিস্ফোরণ ঘটে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয় তবে তা হবে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার জন্য অতি সাধারণ ব্যাপার কারণ, তিনি বিকুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীরঃ সর্ববিষয়োপরি সর্বশক্তিমান।
"প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না" (বিজ্ঞানচিন্তা)।
তবে বিজ্ঞানীরা স্ট্রিং থিওরি তত্ত্বের বিশ্লেষণে কীভাবে বস্ত্তকণার উদ্ভব-সে সম্পর্কে সম্যক অবগত হয়েছেন যার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিম্নরূপঃ
স্ট্রিং তত্ত্বঃ হতে পারে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্বের উত্তম ব্যাখ্যাকার
►"মহাবিশ্বের সার্বিক কাঠামোর ব্যাখ্যা করতে, ব্ল্যাক হোলের রহস্য ভেদ করতে কিংবা পদার্থ বিজ্ঞানের সার্বিক একটা তত্ত্বে পৌঁছাতে হলে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব জরুরী হয়ে পড়েছে। এই তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক তত্ত্বের জন্ম হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সফল তত্ত্বটি হলো স্ট্রিং তত্ত্ব।....মহাবিশ্বের প্রায় সব অমীমাংসিত বিষয়গুলো তাত্ত্বিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে কেবল স্ট্রিং তত্ত্বই। তাই এই তত্ত্বই হতে চলেছে আগামী দিনের পদার্থ বিজ্ঞানের মূল অনুষঙ্গ।" (অশোক সেন, বিশিষ্ট স্ট্রিং তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ, অধ্যাপক, হরিশচন্দ্র রিসার্চ সেন্টার, ভারত)।
মহাজাগতিক তার (Cosmic string): মহাজাগতিক স্ট্রিং অর্থাৎ তার (Cosmic string) বর্তমানে পদার্থ বিজ্ঞান তথা বিজ্ঞান জগতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়- যা খুবই উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞান সমৃদ্ধ।
উল্লেখ্য, বিগত বিংশ শতাব্দির ৮০-র দশকে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞান বিশ্বে ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) সম্পর্কিত সৃষ্টিতত্ত্ব উত্থাপন করে রীতিমত তাক লাগিয়ে দেয়। Big Bang model গবেষণাকারী বিজ্ঞানগণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়েই মহাজাগতিক তারের উপস্থিতি এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই তার যাদুময়ী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে থাকে।
এ মহাজাগতিক তারগুলো (Cosmic strings) লম্বায় লক্ষ লক্ষ আলােকবর্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি লম্বা। কিন্তু ব্যাস এত সূক্ষ্ম যে কল্পনা করাও বেশ দুরূহ ব্যাপার। গাণিতিকভাবে প্রকাশ করলে এর আয়তন দাঁড়ায় 10-33 cm মাত্র।
বিজ্ঞানীগণ এখনও রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে কোনো কোনো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে Cosmic strings-এর সন্ধান পাচ্ছেন। গ্যালাক্সিগুলো দিকে তাকালে ওদের গঠন অবয়বে Cosmic strings বা মহাজাগতিক তারের স্পষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
এতে দেখা যায়, এদের আকৃতি কোথাও কুণ্ডলীর মতো, কোথাও আংটির মতো, কোথাও সর্পিল আবার কোথাও দেখতে কটিবন্ধের মতো ।
Cosmic strings-এর পদার্থ ভর অকল্পনীয়, বিরাট ও বিশাল, মাত্র কয়েক কিলোমিটার তারের ভর সমগ্র পৃথিবীর ভরের চাইতেও কুয়েক গুণ বেশি। এ তারগুলো খুবই শক্তিশালী এবং এদের ঘনত্ব 'ব্ল্যাক হোলের ঘনত্বের চেয়েও বেশি।
১৯৮৫ সালে বিজ্ঞানীগণ তথ্য দেন যে এদের ঘনত্ব হলো- 1021gm/c.c, যা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়। Cosmic strings'গুলোই নবীন মহাবিশ্বে প্রথম গ্যালাক্সির বীজ বপন করেছিল। তখন নবীন মহাবিশ্ব ধোঁয়ায়/ পরিপূর্ণ ছিলো। ঐ সময় Cosmic strings' ধোঁয়ার মধ্যে আবির্ভূত হয়ে প্রবল মাধ্যাকর্ষণ বলের (Gravity) মাধ্যমে ধোঁয়া, গ্যাস ও ধূলিকণাকে আকর্ষণ করে নিজেদের অভ্যন্তরে জমা করতে থাকে। ফলে এক পর্যায়ে নবীন মহাবিশ্বটি গুচ্ছ গুচ্ছভাবে গ্যাসীয় পদার্থের মেঘখণ্ডরূপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। অতঃপর মহাকর্ষ বলের প্রভাবে মেঘখণ্ডগুলো আবর্তন শুরু করে এবং দু'মিলিয়ন বছরে প্রােটো-গ্যালাক্সি ও চার মিলিয়ন বছরে পূর্ণ গ্যালাক্সিতে রূপান্তরিত হয়ে মহাবিশ্বের মূল কাঠামোতে পরিণত হয়।
মহাবিশ্বের সার্বিক কার্যক্রমে বলের দিক থেকে ৪ প্রধান বল যথাক্রমে ১.মহাকর্ষ বল ২. সবল নিউক্লীয় বল ৩. দূর্বল নিউক্লীয় বল এবং ৪.চৌম্বুক তড়িৎ.বল। অন্যদিকে কণা বিবেচনায় এ পর্যন্ত আবিস্কার বিবেচনায় মহাবিশ্বের মূল কণিকার সংখ্যা হলো ১৬। যার মধ্যে ১৪টি ফার্মিয়ান গোত্রের কণা আর আলোর ফোটন কণাসহ বাকী চারটিকে বলা হয় বোসন শ্রেণীর কণা। উক্ত ১৬টি কণার এককরূপ আইনস্টাইনের মতে ঘটনাদিগন্ত যা বিন্দু সদৃশ।অর্থাৎ মহাসূক্ষ্ণবিন্দুতে মহাবিশ্বের শুরু সেই সূক্ষ্ণ বিন্দুতেই ঘটনাদিগন্তে শেষ। তবে স্ট্রিং থিওরি মতে এটিই শেষ কথা নয়। বরং স্ট্রিং থিওরিমতে প্রকৃতপক্ষে মহাবিশ্বের উৎসমূল স্ট্রিংয়ের কম্পনে নিহিত। অর্থাৎ কম্পনই মহাবিশ্ব সৃষ্টির মূল কথা। এই কম্পনের মাত্রার উপর নির্ভর করে কোন্ বস্তু কিরূপ হবে। স্ট্রিং বা সুতার বিভিন্ন মাত্রার ঘূর্ণয়নের ফলে বিভিন্ন প্রকার কণার উদ্ভব। যেমন ইলেকট্রনের জন্য তন্তুর (স্ট্রিং) কম্পন মাত্রা একরকম। কোয়ার্কের জন্য তন্তুর কম্পনমাত্রা আবার আরেক রকম। অন্য ১৪টি কণার জন্য তন্তুর আলাদা মাত্রার কম্পন নির্দিষ্ট আছে। তন্তুর কম্পনের মাত্রাই ঠিক করে দেয়, তা থেকে সৃষ্ট কণার ভর, চার্জ, স্পিন কেমন হবে।এই বৈশিষ্ট্যগুলোই একধরণের কণা থেক আরেক ধরণের কণার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। এসব বিচিত্র কণা দিয়েই গড়ে উঠেছে আমাদের মহাবিশ্ব। এই মহাবিশ্ব তাই সুতায় বোনা মহাবিশ্ব (বিজ্ঞানচিন্তা বর্ষঃ ৬ সংখ্যাঃ ০১, অক্টোবর, ২০২১, পৃষ্ঠাঃ ৫৪)।
শব্দের সংজ্ঞা
শব্দ : যে তরঙ্গ বায়ু বা অন্য কোনো মাধ্যমের মাধ্যমে এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় এবং মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীর কানে শ্রবণের অনুভূতি জাগায় তাকে শব্দ বলে। https://bn.quora.com/sabda-kake-bale
শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ। এই শক্তি সঞ্চালিত হয় শব্দ-তরঙ্গের মাধ্যমে । শব্দ তরঙ্গ হলো অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর বা স্তরসমূহের সংকোচন ও প্রসারণের সৃষ্টির মাধ্যমে এই তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়। শব্দের প্রতিফলন ও প্রতিসরন ঘটে।
কম্পনঃ শব্দের উৎসমূল
শব্দ হলো এক ধরনের তরঙ্গ যা পদার্থের কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয়। মানুষের কানে এই কম্পন ধৃত হলে শ্রুতির অনুভূতি সৃষ্টি হয়। এই তরঙ্গ বায়বীয়, তরল এবং কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় বাতাসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শব্দের গতিবেগ ঘণ্টায় ৭৬৮.১ মাইল তথা প্রতি সেকেন্ডে ৩৪৩.৪ মিটার।
পদার্থের মধ্য দিয়ে শব্দ তরঙ্গ প্রবাহিত হওয়ার সময় ঐ পদার্থের সকল কণা স্পন্দিত হতে থাকে। প্রতি সেকেণ্ড একবার স্পন্দনকে বলা হয় ১ হার্জ। সকল স্পন্দন মানুষের কানে ধরা পড়ে না তথা শ্রুতির অনুভূতি সৃষ্টি করে না। সাধারণভাবে মানুষের কানে ২০ থেকে ২০,০০০ হার্জ স্পন্দনের শব্দ তরঙ্গ শ্রুত হয়। পরিবেশের জন্য স্বাস্থ্যকর শব্দের তীব্রতা ৬০ ডেসিবল। এই পরিধির কম হলে শব্দকে হলা হয় ইনফ্রা সাউন্ড এবং এর বেশি হলে বলা হয় আল্ট্রা সাউন্ড। কোন বস্তু শব্দের চেয়ে বেশী গতিতে বাতাসের মধ্য দিয়ে ধাবিত হলে তাকে বলা হয় সুপারসনিক।
https://bn.quora.com/sabda-kibhabe-utpanna-haya
শব্দের ইংরেজি যদি word হয়, তাহলে সেটার অর্থ হচ্ছে একাধিক বর্ণ দিয়ে গঠিত অর্থবহ কোনো কিছু। অন্যদিকে শব্দের ইংরেজি যদি sound হয়, তাহলে সেটার অর্থ হচ্ছে পদার্থের কম্পনের ফলে সৃষ্ট তরঙ্গ। তাই ইংরেজিতে word ও sound এর ক্ষেত্রে এই পার্থক্য স্পষ্ট, যা বাংলায় নয়! সেকারণে পদার্থের কম্পনের ফলে সৃষ্ট তরঙ্গকে আওয়াজ বলাটা অধিক যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনেআবার মানুষ যখন কোনো বাক্য, শব্দ, অক্ষর বা বর্ণ মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে, তখনও কিন্তু কম্পনের ফলে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়! তাই শব্দ (word) ও আওয়াজ (sound) কিছুটা হলেও একে অপরের সাথে সম্পৃক্ত!https://bn.quora.com/শব্দ-word-এবং-
কম্পনঃ স্ট্রিং তত্ত্বের একটি মৌলিক দিক
কম্পাঙ্কের সংজ্ঞা
একক সময়ে অর্থাৎ এক সেকেন্ডের মধ্যে যতবার পূর্ণতরঙ্গ সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক (n) বলা হয় যদি কোনো বস্তু প্রতি সেকেন্ডে কমপক্ষে ২০ বার কাঁপে তবে সেই বস্তু থেকে উৎপন্ন শব্দ শোনা যাবে। এভাবে আবার কম্পন যদি প্রতি সেকেন্ডে ২০,০০০ বার এর বেশি হয় তাহলেও শব্দ শোনা যাবে না। সুতরাং আমাদের কানে যে শব্দ শোনা যায় তার কম্পাঙ্কের সীমা হলো ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz। কম্পাঙ্কের এই পাল্লাকপ শ্রাব্যতার পাল্লা বলে। যদি কম্পাঙ্ক ২০ Hz এর কম হয় তবে তাকে শব্দেতর কম্পন বলে। যদি কম্পাঙ্ক ২০,০০০Hz এর বেশি হয় তবে তাকে শব্দোত্তর কম্পন বআমাদের অন্তঃকর্ণের মধ্যে এই পর্দায় শব্দ পৌঁছালে আমরা শুনতে পাই। ২০ হাজার হার্জের শব্দ আমাদের শ্রবণা অনভূত সৃষ্টি করে না। যেমন উচ্চ শব্দের কোনো মাধ্যম থেকে আমরা শব্দ পাই না। আমাদের মস্তিষ্ক তা গ্রহণ করে না।https://bn.quora.com/শব্দের-কম্পাঙ্ক-20-000-Hz-এর-বেশি
►হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টারের জ্যোতিপদার্থবিদরা দক্ষিণ মেরুতে স্থাপিত টেলিস্কোপের সাহায্যে যে তরঙ্গ প্রবাহের সন্ধান পেয়েছেন, তা ১৪শ' কোটি বছর আগে এই তরঙ্গের উৎপত্তি এবং তরঙ্গটি বিগ ব্যাং-এর প্রথম কম্পন” বলে বর্ণনা করেছেন-যা আলবার্ট আইনস্টাইনের এক শতকের পুরোনো আপেক্ষিক তত্ত্বের মিল পাওয়া যায় ৷ এ থেকে এই প্রথম ‘কসমিক ইনফ্লেশন' বা মহাজাগতিক স্ফীতির সরাসরি তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেল৷ শুধু তাই নয় এই তত্ত্ব থেকে এ কথাও সহজেই বলা যায় যে, মহাবিশ্ব তার সূচনাকালীন ‘চোখের পলক ফেলার সময়ের মধ্যে একশ ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গুণ বিস্তার লাভ করেছে ৷ এই আলোক তরঙ্গ নির্ণয়ের ফলে মহাবিশ্বের সৃষ্টি ঠিক কত কোটি বছর আগে – এটা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান নানা যে জল্পনা-কল্পনা চলছে এ মহাজাগতিক তথ্য এসব জল্পনা-কল্পনার একটা সদুত্তরও হতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)।
IRRSTC: শক্তি কি দিয়ে তৈরি? জাগতিক পদার্থ বিজ্ঞানে উত্তর পাওয়া যাওয়ার কথা নয়। তবে ইসলামী বিজ্ঞানের আলোকে এই প্রশ্নের গবেষণামূলক (ইজতেহাদী) উত্তর রয়েছে মর্মে IRRSTC মনে করে।
►“১৯৩৯ সালে রচিত আইনস্টাইনের এক গবেষণাপত্রে বলা হয়, পদার্থ একটি বিন্দু বা সীমার পর আর সংকুচিত হতে পারে না”। (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৮)
►“সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের নিউক্লিয়ার জ্বালানী এক সময় ফুরিয়ে ফেলে নক্ষত্র। স্বাভাবিকভাবে তখন নক্ষত্রটি সংকুচিত বা চুপসে যেতে থাকবে”।(প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠাঃ ৩৯)।
কম্পাঙ্ক:কোয়ান্টাম শক্তির বাহক►বিদুৎ-চৌম্বকীয় শক্তি নির্গত হয় বিচ্ছিন্ন গুচ্ছ আকারে। এই গুচ্ছেরই নাম কোয়ান্টা যা থেকে কোয়ান্টাম শব্দের বুৎপত্তি। প্রতিটি কোয়ান্টার শক্তি নির্ভর করে শুধুমাত্র এর কম্পাঙ্কের ওপর। এতে প্রতীয়মান যে, কোয়ান্টার শক্তির উৎসমূল কম্পন যা স্ট্রিং থিওরির ভিতকোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি অনুসারে, কোয়ান্টাম ফিল্ডকে প্রচণ্ড শক্তিতে আঘাত করা হলে সেই ফিল্ডে এক ধরনের কম্পন তৈরি হয়। এই কম্পনে সেই ফিল্ডে “কোয়ান্টা” (Quanta) নামক এক প্রকার কণিকা তৈরি হয়- যা বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ যন্ত্রে অতিপারমাণবিক কণিকা হিসেবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। অর্থাৎ আমরা যেসব মৌলিক কণিকার কথা বলি, এগুলো মূলত বিভিন্ন কোয়ান্টাম ফিল্ডের কম্পন। ইলেকট্রনের ফিল্ডকে আঘাত করা হলে ইলেকট্রন তৈরি হবে। কোয়ার্ক ফিল্ডে আঘাত করলে কোয়ার্ক তৈরি হবে। ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডে আঘাত করলে আলোর কণিকা ফোটন তৈরি হবে। হিগস ফিল্ড যেহেতু একটি কোয়ান্টাম ফিল্ড, তাই হিগস ফিল্ডকে আঘাত করলেও একটি কণিকা তৈরি হবে। হিগস ফিল্ডের কোয়ান্টাকে আমরা বলি হিগস বোসন (গড'স পার্টিকেল)।
IRRSTC: সত্যকে জানার মানব মনের জাগ্রত আকাঙ্খা থেকে বিজ্ঞানীরা মূলতঃ অ্যাটম থেকে পারমাণবিক পারমাণবিক থেকে অতিপারমাণবিক যুগের যে অগ্রযাত্রা শুরু করেছিলেন তার বিরতি ঘটে মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর ভিত্তিমূল বিবেচিত কোয়ার্ক আবিস্কারের মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ বিরতির পর আবার অগ্রযাত্রা শুরু হয় সম্ভাবনাময় স্ট্রিং তত্ত্বকে কেন্দ্র করে।
IRRSTC মনে করে, যদিও স্ট্রিংয়ের প্রামাণ্যতা পরমাণুর পরতে, পরতে, সৃষ্টির পরতে পরতে।কিন্ত্ত Modern Cosmological Standard Model Theory-তে স্বীকৃত নয় এ কারণে যে, স্ট্রিং থিওরি এখনও সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে দৃশ্যমান নয়। স্ট্রিং বিশেষজ্ঞদের দাবী, স্ট্রিং দৃশ্যমান হওয়ার জন্য 10-33 cm (১ সে.মি. দৈর্ঘ্যকে ১০০ কোটি, কোটি, কোটি কোটি দিয়ে ভাগ করলে যা হবে তার সমান মাত্র) ধারণক্ষমতাসম্পন্ন সুপার হাইয়েস্ট ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রের প্রয়োজন। বর্তমানে বিজ্ঞানীদের হাতে রয়েছে মাত্র ১০-১৭ সেন্টিমিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন মাইক্রোস্কোপ।ফলে বলা যায়, মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রে স্ট্রিং দর্শনের আশা এ মুহুর্তে দুরাশা মাত্র।
IRRSTC মনে করে, স্ট্রিং থিওরিকে Cosmological Standard Model Theory-তে স্বীকৃতির জন্য 10-33 cm এর মাইক্রোস্কোপের কঠিন শর্তের বিকল্প অনুসন্ধান করতে হবে নিউটনের তাত্ত্বিক সূত্রে। নিউটনের তাত্ত্বিকতায় বলা হয়, সত্য দূরে নয়, কাছে। সুতরাং স্ট্রিং দূরে নয় কাছে-এই বিবেচনায় সত্যকে জানার অগ্রযাত্রা চলমান রাখতে হবে।
IRRSTC মনে করে, স্ট্রিং প্রমাণিত হয়েছে ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার CERN কর্তৃক হিগস বোসন কণা আবিস্কারের মধ্য দিয়ে। যেহেতু স্ট্রিং নয়, স্ট্রিংয়ের কম্পনই বস্ত্তকণার উৎসমূল এবং যেহেতু বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণার প্রায় আলোর গতিতে লক্ষগুণ সৌর কেন্দ্রের উত্তাপ সৃষ্টি করে কণা চূর্ণকারী ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডার নামক সার্ণের সাইক্লোটন যন্ত্রে কৃত্রিমভাবে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে মহাবিশ্বের আদি ভরসম্পন্ন কণা হিগস বোসন উৎপন্ন সম্ভব হয়েছে সেহেতু "উচ্চমাত্রার কম্পনে স্ট্রিং উৎপাদন অসম্ভব কিছু নয়"-এই বাস্তবতা মেনে Cosmological Standard Model Theory-তে বিষয়টির স্বীকৃতি জরুরী।
উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের এ যাবৎকালের সেরা আবিস্কার মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর ভিত্তিরূপে স্বীকৃত ৬ জাতের কোয়ার্কের এক জাতের কোয়ার্ক হচ্ছে "স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক" -যার দর্শন আজও বিজ্ঞান জগতে আজও মেলেনি-অথচ Standard Model Theory-তে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
....................................................................................................................
মহাবিশ্বের মহা বিস্ময় মহাকর্ষ কি অনন্ত অসীম?
অসীমের পথে বিজ্ঞান
প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না।
মহাবিশ্বের চতুর্মুখী ব্যাপকতা এতই গভীর যে, আবিস্কারের যেন শেষই হচ্ছে না। মহাকাশের যত দূরত্বেই যাওয়া হচ্ছে না কেন, দূরত্ব কমার পরিবর্তে বরং বেড়েই চলেছে।তাই তো, মহাকাশ কত বড়? এর জবাবে বিজ্ঞানীরা বলছেনঃ জানা মহাকাশের চেয়ে অজানা আকাশ অনেক বড়।
বিজ্ঞানীরা যতই পারমাণবিকতা থেকে অতি পারমাণবিকতার গভীরে যাচ্ছে ততই অনন্ত-অসীমের হাতছানি স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে। যতই আবিস্কার হচ্ছে ততই যেন না জানার পরিধি বেড়েই চলেছে। জানতে জানতে অ্যাটম থেকে কোয়ার্ক কোয়ার্ক থেকে স্ট্রিং থিওরি এসে দেখছেন, মহাবিশ্ব জুড়ে শক্তি আর শক্তির ছড়াছড়ি।প্রশ্ন হচ্ছে এ শক্তি কি দিয়ে তৈরি? এই শক্তি কে তৈরি করেন?
আইনস্টাইন এক সময় বলেছিলেন, নিউটন গণিতসূত্রে প্রকৃতির সব ভাষা বুঝে ফেলেছেন।
উনবিংশ শতাব্দীতে এক প্রকার ঘোষণাই হয়ে গিয়েছিল যে, আবিস্কারের আর বাকী নেই।এরপরও যদি কেউ নতুন কণা আবিস্কার করে ফেলে তাহলে তাকে নোবেলের পরিবর্তে তিরস্কার করা উচিৎ।
কিন্ত্ত বিংশ শতাব্দীর একেবারে প্রথম বর্ষেই অর্থাৎ ১৯০১ সালে জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাংক কর্তৃক কোয়ান্টাম মেকানিকস তত্ত্ব আবিস্কারের সাথে সাথে মনে হলো নিউটনের কথাই সত্য।নিউটন বলেছিলেনঃ
"আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল"।[সূত্রঃ Quaestiones Quaedam Philosophicae,1664 by Isaac Newton(কিছু দার্শনিক প্রশ্ন,১৬৬৪,আইজাক নিউটন)]
এরপরও আইনস্টাইনের আগ পর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রায় তিনশত বছর দাপিয়ে চলছিল নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান। কোয়ান্টাম ক্ল্যাসিকাল এই বিজ্ঞানকে রাতারাতি এনালগে পরিণত করে ডিজিটাল যুগের অবতারণা করে। কিন্ত্ত ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটারের পদধ্বনিতে ডিজিটাল যুগও যেন এনালগে পরিণত হতে যাচ্ছে। স্ট্রিং থিওরি যে আশার অআলো দেখাচ্ছে তাও কঠিন শর্তে। শর্তটি হচ্ছে স্ট্রিং-কে সচক্ষে সরাসরি দেখতে চাইঃ ১০-৩৩ সেন্টিমিটার আয়তনের বস্তকণা দর্শনযোগ্য মাইক্রোস্কোপের- যা এ মুহুর্তে আকাশ কুসুম কল্পনা মাত্র। বর্তমানে বিদ্যমান মাইক্রোস্কোপের পরিসীমা মাত্র ১০-১৭ সে.মি.।
কোয়ান্টামের যুগও যেন যায় যায় অবস্থা।ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, ব্ল্যাক হোলের ঘটনা দিগন্তের অজানা বিষয় বিশেষ মহাকর্ষ এবং তার সহবল গ্র্যাভিটন ইত্যাদি ব্যাপার স্যাপার বিজ্ঞান যেন ক্রমেই ডিজিটাল থেকে এনালগে পরিণত হচ্ছে অর্থাৎ অজানার যুগেই যেন বিজ্ঞান ফিরে যাচ্ছে। কারণ,ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি মহাবিশ্বের ৯৫/৯৬ শতাংশ উপাদান-উপকরণ গলঃধারণ করে আছে নাকি।
সুতরাং, অসীমের হাতছানিতে সাড়া দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো গত্যন্তর আছে কিনা প্রশ্ন বটে।
অসীম এক ব্যাপক বিষয়। এতে জড়িত হতে বিজ্ঞানীরা ইচ্ছুক নন। অসীম এড়াতেই আইনস্টাইন বলতে বাধ্য হন, "অসম্ভব" (Impossible) নামক একটি শব্দ। কারণ, আইনস্টাইনের সুদৃঢ় বিশ্বাস ছিলঃ ভরবিহীন "ফোটন" নামক "কোয়ান্টা" সমৃদ্ধ আলো (Light) ছাড়া অন্য কোনো বস্ত্তকণা-তা যত ক্ষুদ্র বা সূক্ষ্ণই হোক না কেন, "অসীম শক্তি" অর্জন ব্যতিত আলোর গতি অর্জন কখনও সম্ভব হবে না, কারণ, এই গতিতে চললে কণার ভর (Mass0 বেড়ে গিয়ে ভারী হয়ে গেলে কণার গতি অবশ্যই যাবে কমে। তবে অসীম শক্তি অর্জন "অসম্ভব", কেউ বলেন "অর্থহীন"।বিজ্ঞান জগতে পরম কিছু পাওয়ার আশা বাহুল্য ইত্যাদি।স্টিফেন হকিং অসীম এড়াতেই বলেছিলেনঃ মহাবিশ্ব সৃষ্টিতে অসীমের আলো জ্বালানোর প্রয়োজন নেই।মজার ব্যাপার হচ্ছে, ইচ্ছায় হোক, অনিচ্ছায় হোক অআমরা মনের জান্তে অথবা অজান্তে অনন্ত অসীম-কে ধারণ করেই বেঁচে অআছি। সে অসীম-কে সৃষ্টিকর্তারূপে (CREATOR) বিশ্বাস করে কেউ বলেনঃ "প্রকৃতি"(Nature),কেউ বলেনঃ আল্লাহ, গড, খোদা, ঈশ্বর ইত্যাদি।মানব হস্তমুক্ত সবকিছুকে "প্রাকৃতিক"(NATURAL)কিংবা আল্লাহ প্রদত্ত/সৃষ্ট GOD GIFTED/MADE বলা হয়। এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, মানুষমাত্রই কোনো না কোনো এক অনন্ত-অসীম সত্বাকে মেনেই চলেছেন চাই তিনি অআইনস্টাইন হোন, কিংবা নিউটনই হোন। উল্লেখ্য, একবার আইনস্টাইন প্রসঙ্গক্রমে গড শব্দ ব্যবহার করলে ধারণা করা হয় যে, তিনি প্রকৃতি অর্থে গড শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। তবে আইজাক নিউটন জীবন সায়াহ্ন দাঁড়িয়ে সতিকারভাবে সরাসরি গড শব্দ ব্যবহার করে বলেছিলেনঃ
► অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে।(সূত্রঃ https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)
অনন্ত-অসীমের প্রতি ইংগিত করে নিউটন বলেনঃ
► মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে, গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে। কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন।(সূত্রঃhttps://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)
মহাবিশ্ব কিভাবে এলো? পদার্থ বিজ্ঞান অতিস্বাচ্ছন্দে উত্তর দিতে পারে যে, এটি বিগ ব্যাং থেকে সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি পদার্থ বিজ্ঞান এ প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারে যে, কিসে বিগ ব্যাং হয়েছিল কিংবা বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে কী ছিল? এ প্রশ্নেরও বিজ্ঞানের স্বাচ্ছন্দ উত্তরটি হচ্ছেথ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মহাবিস্ফোরণ থেকে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্ত্ত এ প্রশ্নের জবাব নেইঃ প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি (বিজ্ঞানচিন্তা)।
অনন্ত অসীম সত্বাকে কেবল বস্তগতভাবে নয় অধিকন্ত্ত এই সত্বাকে হতে হবেঃ-
► দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞাতা
► পরম দয়ালু, অসীম দাতা।
► সব কিছুর একচ্ছত্র মালিক,
► শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা,
► আশ্রয়দাতা, ► পরাক্রান্ত,
► প্রতাপান্বিত,
► মাহাত্মশীল।
► সর্বপ্রকার অংশীদারিত্ব থেকে পবিত্র।’
► স্রষ্টা,
► উদ্ভাবক,
► রূপদাতা,
► নভোমণ্ডলে ও ভূমণ্ডলের একচ্ছত্র অধিপতি।
► পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।
উপরোক্ত গুণাবলী প্রকৃতির মধ্যে কতটুকু রয়েছে তা বিচারার্য বিষয় বটে।
► প্রকৃতিতে যা পাওয়া যায়ঃ
মহাবিশ্বের অপর নাম বিশ্ব প্রকৃতি। সচরাচর বলা হয়ঃ পৃথিবী প্রাকৃতিক সৃষ্ট, চাঁদ প্রাকৃতিক সৃষ্ট, সূর্য প্রাকৃতিক সৃষ্ট, এই আকাশ, বাতাস, সাগর-মহাসাগর,নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, গাছপালা, বন-জঙ্গল,পশু-পাখী,জীব-জন্ত্ত, গ্রহ-নক্ষত্র-ছায়াপথ,গ্যালাক্সিসহ মানব হস্তমুক্ত ডানে-বায়ে, সামনে পিছনে দৃশ্যমান, অদৃশ্যমান যা কিছু ছিল, যা কিছু আছে, যা থাকবে সব কিছুর একক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতির রয়েছে প্রাকৃতিক অআইন। বিশ্বাস করা প্রকৃতির দয়া, প্রকৃতির প্রতিশোধ, প্রকৃতির রুদ্ররূপ, প্রাকৃতিক দূর্যোগ, প্রাকৃতিক দৃশ্য ইত্যাদি।
প্রকৃতি নিয়ে যত কথা
...............................................................................
► প্রকৃতিতে যা পাওয়া যায় নাঃ
► প্রকৃতি একটি নির্বাক সত্বা বিশেষ।কথিত প্রাকৃতিক আইনের লিখিত দলিল দস্তাবেজ নেই। নির্ধারিত প্রতিনিধি নেই।পপ্রকৃতি কি? এ বিষয়ে পদার্থ বিজ্ঞানে কোনো গবেষণার তথ্য অআমাদের জানা নেই। সুতরাং প্রকৃতি শব্দটি হতে পারে একটি মিথ, বদ্ধমূল ধারণা বিশেষ কথার কথা ধরণের স্রেফ একটি শব্দ বিশেষ।
► তাহলে কি ইমারেট ধরণের বহুত্ববাদী আধ্যাত্মিক কোনো বিশ্বাস? নাকি একত্ববাদী আধ্যাত্মিক কোনো বিশ্বাস?
পবিত্র কুরআনের সূরাহ হাশরের ২২-২৪ আয়াত পর্যন্ত অনন্ত-অসীম যিনি একক কুদরতি ক্ষমতাবলে মহান আল্লাহ রব্বাল আলামীনে সৃষ্টি সত্বাগত আসমাউল হুসনা তথা আসমাউস শিফাত
٢١- هُوَ اللَّـهُ الَّذِي لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ ۖ هُوَ الرَّحْمَـٰنُ الرَّحِيمُ ◯
22. Allah is He, than Whom There is no other Lord ;— Who knows (all things) Both secret and open ; He, Most Gracious, Most Merciful.
٢٢- هُوَ اللَّـهُ الَّذِي لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ ۚ سُبْحَانَ اللَّـهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ ◯
23. Allah is He, than Whom There is no other Loard ;— The Sovereign, the Holy One, the Source of Peace (and Perfection), The Guardian of Faith, The Preserver of Safety, The Exalted in Might, The Irresistible, the Supreme : Glory to Allah ! (High is He) Above the partners They attribute to Him.
٢٣- هُوَ اللَّـهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯
24. He is Allah, the Creator, The Evolver, The Bestower of Forms (Or Colours). To Him belong The Most Beautiful Names : Whatever is in The heavens and on earth, Doth declare His Praises and Glory : And He is the Exalted In Might, the Wise. (Source: Sūra 59: Hashr, or The Gathering (or Banishment), Verses 24 — Madani; Revealed at Madina — Sections 3, https://quranyusufali.com/59/).
অর্থ : তিনিই আল্লাহ তাআলা, যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন, তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।’ (২২) ‘তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্মশীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তা' আলা তা থেকে পবিত্র।’ (২৩) ‘তিনিই আল্লাহ তাআলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নামগুলো তারই। নভোমণ্ডলে ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে, সবই তার পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়। (সুরা হাশর, আয়াত : ২৪) সেই সাথে আছে এমন কিতাব-যাতে নেই কোনো সন্দেহ। আছে যোগ্য প্রতিনিধি বা মুখপাত্র।
►“বিশাল ভরের কোনো নক্ষত্র তার আয়ুস্কাল ফুরিয়ে জীবনের শেষ প্রান্তে উপনীত হলে এদের নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া কমে যেতে থাকে। তখন ভেতরের বস্ত্তগুলো পরস্পরের খুব কাছাকাছি চলে আসে। ফলে আরও বাড়তে থাকে এদের মধ্যে ক্রিয়াশীল মহাকর্ষ বল। এতে বস্তুগুলো আরও কাছাকাছি আসতে শুরু করে । এ প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদে চলতেই থাকে। একসময় অবস্থা এমন হয় যে, গোটা নক্ষত্রের ভর একটা বিন্দুতে এসে মিলিত হয়। সে বিন্দুটির মহাকর্ষ বল তখন এতটাই বেশি হয় যে, এর চার পাশের স্থান-কাল বেঁকে যায় অসীম মাত্রায়।” (বিজ্ঞানচিন্তা)
►সে অসীম মাত্রায় সূর্যের মতো নক্ষত্রের আয়তন দাঁড়াবে একটি ফুটবল খেলার মাঠের পরিসরে, পৃথিবী পরিণত হবে সূঁচের আগার বিন্দুর ন্যায়।
►“একটি সুষম গোলাকার সুশৃঙ্খল প্রতিসম নক্ষত্র সংকুচিত হয়ে একক অসীম ঘনত্বের একটি বিন্দুতে পরিণত হবে। এ রকম বিন্দুকে বলা হয় সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু।” (বিজ্ঞানচিন্তা,মার্চ, ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৯)
বিভিন্ন কণার বিভিন্ন মাত্রার রকমফেরঃ
কণার নাম মাত্রা
স্ফটিক: ১০-৭ সেন্টি মিটার
পরমাণু: ১০-৮ সেন্টি মিটার
পরমাণুর নিউক্লিয়াস: ১০-১২ সেন্টি মিটার
নিউক্লিয়ন: ১০-১৩ সেন্টি মিটার
ইলেকট্রন: ইলেকট্রনের ব্যাসার্ধ এখনো পরীক্ষামূলভাবে নির্ণয় করা যায় নি। তবে,
অনুমান করা হয় যে, ইলেকট্রনের ব্যাসার্ধ কোয়ার্কের চেয়ে কম।
কোয়ার্ক: ১০-১৬ সেন্টি মিটার
স্টিং এর সম্ভাব্য ব্যাসার্ধ: ১০-৩৩ সেন্টি মিটার
ইসলামী বিজ্ঞানের আলোকে মহাকর্ষ বল
মহাকর্ষের IRRSTC তত্ত্ব
মহাকর্ষ বল
اِنَّ اللّٰهَ یُمۡسِکُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ اَنۡ تَزُوۡلَا ۬ۚ وَ لَئِنۡ زَالَتَاۤ اِنۡ اَمۡسَکَهُمَا مِنۡ اَحَدٍ مِّنۡۢ بَعۡدِهٖ ؕ اِنَّهٗ کَانَ حَلِیۡمًا غَفُوۡرًا ﴿۴۱﴾
ফাতিরঃ৪১
নিশ্চয় আল্লাহ আসমানসমূহ ও যমীনকে ধরে রাখেন যাতে এগুলো স্থানচ্যুত না হয়। আর যদি এগুলো স্থানচ্যুত হয়, তাহলে তিনি ছাড়া আর কে আছে, যে এগুলোকে ধরে রাখবে? নিশ্চয় তিনি পরম সহনশীল, অতিশয় ক্ষমাপরায়ণ। আল-বায়ান
আল্লাহই আসমান ও যমীনকে স্থির রাখেন যাতে ও দু’টো টলে না যায়। ও দু’টো যদি টলে যায় তাহলে তিনি ছাড়া কে ও দু’টোকে স্থির রাখবে? তিনি পরম সহিষ্ণু, পরম ক্ষমাশীল। তাইসিরুল
আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে সংরক্ষণ করেন যাতে ওরা স্থানচ্যূত না হয়, ওরা স্থানচ্যূত হলে তিনি ব্যতীত কে ওদেরকে সংরক্ষণ করবে? তিনি অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ। মুজিবুর রহমান
Indeed, Allah holds the heavens and the earth, lest they cease. And if they should cease, no one could hold them [in place] after Him. Indeed, He is Forbearing and Forgiving. Sahih International
اِنِّیۡ تَوَکَّلۡتُ عَلَی اللّٰهِ رَبِّیۡ وَ رَبِّکُمۡ ؕ مَا مِنۡ دَآبَّۃٍ اِلَّا هُوَ اٰخِذٌۢ بِنَاصِیَتِهَا ؕ اِنَّ رَبِّیۡ عَلٰی صِرَاطٍ مُّسۡتَقِیۡمٍ ﴿۵۶
‘আমি অবশ্যই তাওয়াক্কুল করেছি আমার রব ও তোমাদের রব আল্লাহর উপর, প্রতিটি বিচরণশীল প্রাণীরই তিনি নিয়ন্ত্রণকারী। নিশ্চয় আমার রব সরল পথে আছেন’। আল-বায়ান
আমি নির্ভর করি আল্লাহর উপর যিনি আমার আর তোমাদের রব, এমন কোন জীব নেই যার কতৃত্ব তাঁর হাতে নয়, নিশ্চয়ই আমার রব সরল পথের উপর প্রতিষ্ঠিত। তাইসিরুল
আমি আল্লাহর উপর ভরসা করেছি, যিনি আমার রাব্ব এবং তোমাদেরও রাব্ব; ভূ-পৃষ্ঠে যত বিচরণকারী রয়েছে সবাই তাঁর মুষ্টিতে আবদ্ধ; নিশ্চয়ই আমার রাব্ব সরল পথে রয়েছেন। মুজিবুর রহমান
Indeed, I have relied upon Allah, my Lord and your Lord. There is no creature but that He holds its forelock. Indeed, my Lord is on a path [that is] straight." Sahih International
https://www-hadithbd-com.translate.goog/quran/link/?id=1529&_x_tr_sl=bn&_x_tr_tl=en&_x_tr_hl=en&_x_tr_pto=sc
আমাদের বদ্ধমূল ধারণা-বিশ্বাস (মিথ) যে, আমরা মর্ত্যবাসী বা মাটির পৃথিবীবাসী। এটা সত্য যে, আমাদের দেহ মাটির তৈরি। কিন্তু সেই দেহের সাথে জীবৎকালে মাটির সম্পর্ক কতটুকুন? সহজভাবে বলা যায়, দৈহিক সম্পর্ক খুবই কম। বড়জোর ০.৯৯ শতাংশ। কারণ দাঁড়ালে পায়ের চামড়া, শোয়া অবস্থায় পিঠের চামড়া, বসা অবস্থায় নিতম্বের চামড়া ভূত্বক স্পর্শিত মাত্র। এই স্পর্শ আঠার মতো নয়, আলতোভাবে লেগে থাকা মাত্র।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, এতো হালকাভাবে লেগে থাকা সত্ত্বেও বাতাসের প্রবল উর্ধ্বচাপ সহ্য করে আমরা বহাল তবিয়তেই পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে থাকি, হেঁটে চলি, দৌড়ে চলি এমনকি লাফিয়েও চলি কখনও কখনও। তুলোর মতো উড়ে ধুলি-কণার মতো ভেসে ভেসে মহাশুন্যের গভীর থেকে গভীরান্তরে হারিয়ে যাই না।
মহাকর্ষ নিয়ে আমাদের উচ্চ ধারণার মাত্রা
"কখনো কি ভীষণ বিস্ময়ে ভেবেছেন, আপনি পৃথিবীতে আটকে আছেন কেন? মহাকাশে ছিটকে পড়ছেন না কেন? এর একটিই উত্তর, মহাকর্ষ। এই বলটাই আপনাকে ভূপৃষ্ঠে আটকে রেখেছে। মহাকর্ষ ছাড়া আমরা কেউই পৃথিবীতে আটকে থাকতে পারতাম না, থাকতে হতো মহাশূন্যে ভেসে। অবশ্য তখন মহাবিশ্বও পরিণত হতো ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন ও বিশালাকৃতির গ্যাস আর ধূলিকণায়। মহাকর্ষ না থাকলে গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ বলে কিছু থাকত না। কাজেই বলতেই হচ্ছে, মহাকর্ষের প্রভাব বলেন আর প্রতিপত্তি বলেন, তা বিশাল, বিপুল। অনেক বড় পরিসরের"।
"আসলে মহাকর্ষই পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহ, নক্ষত্র ও ছায়াপথের গতি-প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করছে। সূর্যে শক্তি নিঃসরণ বা মহাকাশের দানব কৃষ্ণগহ্বরও তৈরি হচ্ছে ওই বলের কারণেই। কথিত আছে, নিউটনের মাথায় আপেল পড়ার জন্যও দায়ী ওই বল"।
"আমরা জানি, আমাদের চারপাশের জগতে এই বলটা কাজ করছে"।
মহাকর্ষ নিয়ে যত নিম্ন ধারণা !
"অথচ মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে মহাকর্ষই সবচেয়ে দুর্বল। কিন্তু কতটা দুর্বল?
সেটি শুনলেও অনেকের চোখ কপালে উঠে যেতে পারে। মোটা দাগে বললে, অন্য তিনটি মৌলিক বলের তুলনায় প্রায় ১০৩৬ ভাগ দুর্বল এই মহাকর্ষ। অর্থাৎ ১/১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ ভাগ দূর্বল"।
"কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না এই বলটা অদ্ভুত। জাত-ধর্মেও অন্যদের চেয়ে আলাদা। অসামাজিক। কারণ, মহাবিশ্বের অন্যান্য মৌলিক বলের প্যাটার্নের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, সেগুলোর সঙ্গে মহাকর্ষের কোনো মিল নেই। প্রথমত, অন্যান্য বলের তুলনায় মহাকর্ষ খুবই দুর্বল। আবার এই বল কখনো বিকর্ষণ করে না, সব সময় আকর্ষণ করে। শুধু কি তাই, কোয়ান্টাম জগতের সঙ্গেও এই বলকে খাপ খাওয়ানো যায় না। মোদ্দা কথা, মহাকর্ষ টানে সবাইকে, কিন্তু অন্যদের সঙ্গে বাঁধনে জড়ায় না"
"আবার অন্য মৌলিক বলগুলোর সঙ্গে খাপ না খাওয়ার ব্যাপারটাও বেশ রহস্যময়। বিজ্ঞানীদের জন্য হতাশাজনকও বটে"।
https://www.bigganchinta.com
প্রথমতঃ মহাকর্ষের সাথে মহাকাশের যত সম্পর্ক তত সম্পর্ক পৃথিবীর আকাশে কিংবা পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠে রয়েছে কিনা?
দ্বিতীয়তঃ মহাকর্ষকে যদি বলা হয় অভিকর্ষ তাহলে তা বুঝাবে মধ্যাকর্ষণ শক্তিকে। তাহলে পৃথিবীর বুকে আমাদের লেগে থাকার ব্যাপারে মহাকর্ষের নয়; অভিকর্ষ বা মধ্যাকর্ষণের ভূমিকা থাকতে পারে। তাহলে মহাকর্ষ আমাদেকে টানে কিনা–পৃথিবীতে এমন প্রশ্ন উঠার অবকাশ কোথায়?
মধ্যাকর্ষণ যেভাবে টানে?
IRRSTC মনে করে যে, মধ্যাকর্ষণ আমাদেরকে পৃথিবীর ভূত্বকের দিকে টানার ব্যাপারে আমাদের দেহের বস্তুগত উপাদানিক সবিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর কক্ষ পথে রয়েছে শক্তিশালী চুম্বক ক্ষেত্র যা পৃথিবীকে সূর্যের করোনা স্ট্রম থেকে সুরক্ষা দেয়। তাছাড়া রয়েছে মহাশুন্যে বিদ্যমান ৪ মহাবলের অন্যতম বিদ্যু্ৎ চৌম্বকীয় বল- যা পৃথিবীতে মানুষসহ প্রাণীকূলের দেহে প্রভাবিত। সেমতে আমাদের দেহ ম্যাগনেটিক বলা যেতে পারে। আর পৃথিবীকে ধরা যেতে পারে মিনারেল আয়রণ বা খনিজ লোহা সমৃদ্ধ। তাহলে বলা যেতে পারে, পৃথিবীর ভূ-ত্বক অর্থাৎ মধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ আমাদেরকে টানে। ফলে আমরা বায়ুর প্রবল উর্ধ্বচাপ সত্ত্বেও পৃথিবীর বুকে আটকে থাকি। অথচ আমাদের সাথে ভূত্বকের দৈহিক সম্পর্ক খুবই কম। কারণ, দাঁড়ালে দুই পা, হাঁটলে এক পা সম্পর্ক যুক্ত, লাফিয়ে লাফিয়ে চললে কোনো পা-ই পৃথিবীর ভূত্বকের সাথে সম্পর্ক থাকার কথা নয়।
অবশ্য এতে প্রশ্ন থেকে যায় যে, মানব দেহে ম্যাগনেট ছাড়াও যেমন খনিজ আয়রণ রয়েছে তেমনি ভূ-ত্বকে আয়রন ছাড়াও রয়েছে খনিজ ম্যাগনেশিয়াম । তাহলে দেহকে শুধু ম্যাগনেট এবং ভূ-ত্বককে শুধু আয়রন বিবেচনার তাহলে অবকাশ কোথায়?
উল্লেখ্য, এক গবেষণায় জানা যায় যে, মানব দেহে এতো পরিমাণ আয়রণ বা লৌহ কণিকা রয়েছে যে, তাতে এমন এক বড় মাপের পেরেক তৈরি করা সম্ভব- যদ্বারা একজন মানুষকে সেই পেরেকে বিদ্ধ করে অনায়াসে ঝুলিয়ে রাখা যাবে। রক্তের শিরায় শিরায় রয়েছে এই আয়রন বা লোহা।
সুতরাং দেহের একদিকে আয়রণ অন্যদিকে ম্যাগনেটের উপস্থিতিতে পৃথিবীর মাটিতেও ম্যাগনেট থাকায় আমাদেরকে আকর্ষণ করতে মধ্যাকর্ষণ কতটুকুন শক্তিমান? প্রশ্ন বটে।
উদাহরণস্বরূপ, সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত। কিন্তু পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে। তাই তারা বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে পরস্পরকে সেভাবে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়। তাই সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল বাতিল হয়ে যায়। অনুরূপ মহাকর্ষের বা অভিকর্ষের টানা-না টানার ক্ষেত্রে মহাকর্ষের বা অভিকর্ষের ধারণা বাতিল হয়ে যেতে পারে। কিন্ত্ত মহাকর্ষ আকর্ষণধর্মী হওয়ার কারণে একে কখনো বাতিল করা যায় না।
এমতাবস্থায়, যদি অভিকর্ষ অর্থাৎ মধ্যাকর্ষণ থেকে মহাকর্ষকে উর্ধ্বজাগতিক আলাদা বল (ফোর্স) ভাবি তাহলে আমাদেরকে পৃথিবীর ভূত্বকে আটকে থাকার ব্যাপারে মহাকর্ষের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখার আশা করতে পারি। কিন্ত্ত এক্ষেত্রেও রয়েছে প্রতিবন্ধকতা। আর তা হচ্ছে, ১) মহাকর্ষের ভীষণ দূর্বল প্রকৃতির হওয়া এবং ২) টানার প্রবণতা।মহাকর্ষ যদি সত্যিই আমাদের টেনে থাকে তাহলে ভূত্বকে প্রাণীকূলের লেগে থাকার ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত ভূমিকার কারণে মহাকর্ষ আমাদেরকে উপরে তুলে নিয়ে যাওয়ারই কথা ! তার উপর খাড়ার ঘা হওয়ার কথা পৃথিবী যদি আদৌ দোলনের মত ঘুরে থাকে তাহলে আমাদের ছিটকে মহাশুন্যের অনন্ত-অসীম মহাশুন্যে পড়ে যাওয়ারই কথা।সত্যিই মহাকর্ষ মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়! যার কোনো কূল কিনারা পাওয়া যাচ্ছে না আজও।
"মহাকর্ষের দুটি কৌতূহলী ও অমীমাংসিত ধর্ম দেখা যাচ্ছে। প্রথমটা হলো অন্য বলগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে এই বলটা খুবই দুর্বল। দ্বিতীয়ত, বলটা শুধু আকর্ষণ করে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কণার চার্জের ওপর নির্ভর করে অন্য বলগুলো আকর্ষণ, বিকর্ষণ দুটিই করে। দেখা যাচ্ছে, নানা দিক দিয়ে মহাকর্ষ বেশ অস্বাভাবিক। তাহলে প্রশ্ন আসে, মহাকর্ষ এ রকম আলাদা কেন? এর একমাত্র উত্তর, আমরা জানি না"।
তবে হতাশার মাঝে আশার আলো হয়ে আছে গ্র্যাভিটন কণা, আরও আছে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তরঙ্গ।
আশার আলো গ্র্যাভিটনঃ
লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে ২০১২ সালে কণাটি শনাক্ত করাও সম্ভব হয়েছে। আবার দুর্বল বল কেন ক্ষুদ্র পরিসরে কাজ করে, তার ব্যাখ্যাও পাওয়া যায় এ মডেল থেকে। আসলে এ বলবাহী কণার ভর অনেক বেশি। সে কারণে কণাটির চলাচল সীমাবদ্ধ। এত সফলতা সত্ত্বেও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, একই উপায়ে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। কিন্তু কেন?
কোয়ান্টাম মেকানিকসের মাধ্যমে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা না করতে পারার দুটো কারণ রয়েছে। প্রথমত স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষকে খাপ খাওয়াতে গেলে মহাকর্ষও কোনো কণার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় বলে কল্পনা করে নিতে হয়। পদার্থবিদেরা এই হাইপোথেটিক্যাল কণার একটি গালভরা নামও দিয়েছেন—‘গ্র্যাভিটন’। বাংলায় বলা যায় মহাকর্ষ কণা। এ কণার অস্তিত্ব যদি সত্যিই থাকে, তাহলে আপনি শুয়ে, বসে বা দাঁড়িয়ে যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার দেহ থেকে অনবরত অতিক্ষুদ্র বলের মতো গ্র্যাভিটন কণা ছুটে যাচ্ছে ভূপৃষ্ঠের দিকে। আবার ভূপৃষ্ঠ থেকেও একই রকম কোয়ান্টাম কণা ছুটে আসছে আপনার দিকে। এই দুই মহাকর্ষ কণা বিনিময়ের কারণে আপনি পৃথিবীর বুকে আটকে থাকতে পারছেন। আবার পৃথিবী যে সূর্যের চারদিকে ঘুরে বেড়াতে পারছে, তার কারণও ওই গ্র্যাভিটন কণার অবিরাম স্রোত দুইয়ের মধ্যে বিনিময় হচ্ছে। এভাবে মহাকর্ষকে বেশ ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। কিন্তু এ ধারণার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গ্র্যাভিটনের অস্তিত্ব পুরোটাই কাল্পনিক।
এমতাবস্হায় সির্ণ মনে করে, মহাকর্ষের দূর্বলতা এবং টানার উপরোক্ত দুই প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্যের কারণে পৃথিবীর ভূত্বকে লেগে থাকা কিংবা আটকে থাকার ব্যাপারে মহাকর্ষের হিতে বিপরীত ভূমিকা থাকারই কথা। তাহলে পৃথিবীর ভূত্বকে লেগে থাকা কিংবা আটকে থাকার রহস্য কী?
বিজ্ঞানীদের দাবীঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর কখনও এই বিশ্বে পাওয়া যাওয়ার কথা নয়। বিজ্ঞানীরা এমন অবস্থার সম্মুখীন হয়েছেন যাতে পদার্থ বিজ্নানের সূত্র ভেঙ্গে পড়ে।
اِنَّ اللّٰهَ لَذُوۡ فَضۡلٍ عَلَی النَّاسِ وَ لٰکِنَّ اَکۡثَرَ النَّاسِ لَا یَشۡکُرُوۡنَ ﴿۲۴۳
নিশ্চয় আল্লাহ তো মানুষের উপর অনুগ্রহশীল। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ শুকরিয়া আদায় করে না। ২:২৪৩ আল-বায়ান
قُلۡ لِّمَنۡ مَّا فِی السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ قُلۡ لِّلّٰهِ ؕ کَتَبَ عَلٰی نَفۡسِهِ الرَّحۡمَۃَ ؕ ﴿۱۲﴾
বল, আসমানে আর যমীনে যা আছে তা কার? বল, আল্লাহরই। দয়া করা তিনি তাঁর জন্য কর্তব্য স্থির করে নিয়েছেন। ৬:১২ তাইসিরুল
مَا یَفۡتَحِ اللّٰهُ لِلنَّاسِ مِنۡ رَّحۡمَۃٍ فَلَا مُمۡسِکَ لَهَا ۚ وَ مَا یُمۡسِکۡ ۙ فَلَا مُرۡسِلَ لَهٗ مِنۡۢ بَعۡدِهٖ ؕ وَ هُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَکِیۡمُ ﴿۲﴾
আল্লাহ মানুষের জন্য যে রহমত উন্মুক্ত করে দেন তা আটকে রাখার কেউ নেই। আর তিনি যা আটকে রাখেন, তারপর তা ছাড়াবার কেউ নেই। আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। ৩৫:২ আল-বায়ান
وَ رَحۡمَتِیۡ وَسِعَتۡ کُلَّ شَیۡءٍ
আর আমার রহমত সব বস্তুকে পরিব্যাপ্ত করেছে। ৭:১৫৬ আল-বায়ান
اَنۡتَ اَرۡحَمُ الرّٰحِمِیۡنَ ﴿۱۵۱
আর আপনিই রহমকারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। ৭:১৫১ আল-বায়ান
وَ مِنۡ اٰیٰتِهٖۤ اَنۡ یُّرۡسِلَ الرِّیَاحَ مُبَشِّرٰتٍ وَّ لِیُذِیۡقَکُمۡ مِّنۡ رَّحۡمَتِهٖ وَ لِتَجۡرِیَ الۡفُلۡکُ بِاَمۡرِهٖ وَ لِتَبۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِهٖ وَ لَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ ﴿۴۶
আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে, তিনি বাতাস প্রেরণ করেন [বৃষ্টির] সুসংবাদ বহনকারী হিসেবে এবং যাতে তিনি তোমাদেরকে তাঁর রহমত আস্বাদন করাতে পারেন এবং যাতে তাঁর নির্দেশে নৌযানগুলো চলাচল করে, আর যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ থেকে কিছু সন্ধান করতে পার। আর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও। ৩০:৪৬ আল-বায়ান
فَانۡظُرۡ اِلٰۤی اٰثٰرِ رَحۡمَتِ اللّٰهِ کَیۡفَ یُحۡیِ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِهَا ؕ اِنَّ ذٰلِکَ لَمُحۡیِ الۡمَوۡتٰی ۚ وَ هُوَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿۵۰﴾
অতএব তুমি আল্লাহর রহমতের চিহ্নসমূহের প্রতি দৃষ্টি দাও। কিভাবে তিনি যমীনের মৃত্যুর পর তা জীবিত করেন। নিশ্চয় এভাবেই তিনি মৃতকে জীবিত করেন এবং তিনি সব কিছুর উপর সর্বশক্তিমান। ৩০:৫০ আল-বায়ান
وَ هَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ رَحۡمَۃً ۚ اِنَّکَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ ﴿۸
এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা। ৩:৮ আল-বায়ান
فَاَمَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ فَیُدۡخِلُهُمۡ رَبُّهُمۡ فِیۡ رَحۡمَتِهٖ ؕ ذٰلِکَ هُوَ الۡفَوۡزُ الۡمُبِیۡنُ ﴿۳۰﴾
IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah
December 09, 2023
IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah মহাবিশ্ব কীভাবে এলো? সৃষ্টিতত্ত্বে মহান আল্লাহর কুদরাতি ইচ্ছা প্রকাশ إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا “তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছা করেন, "Verily, when He intends A thing," (Source:https://quranyusufali.com/36/) কুন (হয়ে যাও): সৃষ্টিতত্ত্বে মহান আল্লাহর কুদরাতি আদেশ ٨٢- أَن يَقُولَ لَهُ كُن ◯ তখন তাকে কেবল বলে দেন ‘হও’ "His Command is, “ Be!" (Source:https://quranyusufali.com/36/) فَيَكُونُ তখনই তা হয়ে যায়” । (সূরা ইয়া-সী-ন) "And it is !" (Source:https://quranyusufali.com/36/) কুন (হয়ে যাও): মহান আল্লাহর কুদরাতি এই আদেশكُن যা হওয়ার কথাঃ ٣٠- أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ ◯ "যারা কুফরী করে তারা কি ভেবে দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমীন ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিল*, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম, আর আমি সকল প্রাণবান জিনিসকে পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। তবুও কি তারা ঈমান আনবে না?" আল-বায়ান "Do not the Unbelievers see That the Skies and the Earth Were joined together (as one Unit of Creation), before We clove them asunder? We made from water Every living thing. Will they Not then believe?" (Source: Sūra 21: Anbiyāa, or The Prophets, Ayat: 30, Verses 112 — Makki; Revealed at Makka — Sections 7, https://quranyusufali.com/21/) ইসলামী সৃষ্টিতত্ত্বের স্বরূপ “বিশ্ব বলিতে পূর্বে কিছুই ছিলনা”। (ফাতওয়ায়ে সিদ্দিকীন, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠাঃ ৭৪, কুরআন হাদীস রিসার্চ সেন্টার (ফুরফুরা দরবারের গবেষণা প্রতিষ্ঠান), প্রকাশনায়ঃ ইশায়াতে ইসলাম, কুতুবখানা, মার্কাজে ইশায়াতে ইসলাম, ২/২, দারুস সালাম, মীরপুর, ঢাকা-১২১৬), প্রকাশকালঃ সাবান-১৪২০হিজরি, নভেম্বর ১৯৯৯ ঈসায়ী “গোটা সৃষ্টিকূলের মধ্যে আল্লাহ তাআলার কুন ফাইয়া কুনের তাজাল্লীই বিরাজমান” (প্রাগুক্ত পৃঃ ৩৮)। “আসমান-যমীন, আরশ কুরসী লাওহ-কলম, গাছ পালা, বৃক্ষ লতা, এক কথায় দৃশ্যমান ও অদৃশ্য যত কিছু রয়েছে “সব কিছুই সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ” (প্রাগুক্ত পৃঃ ৩৩)। “আল্লাহ তায়ালা সমস্ত বস্তুকে পূর্ব উপাদান ব্যতীত সৃষ্টি করেছেন” (প্রাগুক্ত পৃঃ ১৬২)। (আল্লাহপাক) “বিশেষ মুছলেহাতের কারণে প্রথমে বিনা উপাদানে উপকরণে সৃষ্টি করে, সেই সব উপাদানের মাধ্যমে বিভিন্ন বস্তু সৃষ্টি করার ব্যবস্থা চালু করেছেন”(সূত্রঃ ফাতাওয়ায়ে সিদ্দিকীন, ১-৪ খন্ড, পৃষ্ঠা ১৬৩) উল্লেখ্য, এক সময় কেবলই আল্লাহ (ﺎﻠﻠﻪ) আর আল্লাহ-ই ছিলেন। মহান আল্লাহ ব্যতিত সৃষ্টি (ﻣﺨﻟﻖ) সত্বার কোন অস্তিত্ব কখনই ছিল না। কোন এক মহাসন্ধিক্ষণে আল্লাহপাক তাঁর কুদরতি এক মহাপরিকল্পনার (Master Plan) অধীনে ‘কুন’ হয়ে যাও‘’- এই কুদরতি আদেশ বা হুকুমবলে সম্পূর্ণ ‘নাই’ (Nil/Zero) থেকে কোন প্রকার জাগতিক তত্ত্ব, তথ্য, উপাত্ত, সূত্র, আইন-কানুন, বিধি-বিধান থেকে সম্পূর্ণ পুতঃপবিত্র (সুবহান) এবং অনির্ভরশীল(স্বমাদ) হয়ে সৃষ্টি করলেন এক মহাসৃষ্টি সত্বা (Great Creation) বা ﻣﺨﻟﻖ)-যাতে সম্মিলিতভাবে (Combined) নিহিত ছিল আকাশ/মহাকাশ[(ﺍﻠﺴﺎﻮﺍﺕ)( (Sky)] ও জমিন [ﻼﻠﺭﺽ Earth (পৃথিবী) আবার কোন এক বিশেষ মুহুর্তে তা পৃথক করে আজকের আসমান ও জমিন-এই দু’টি পৃথক পৃথক সত্বা সৃষ্টি করেছেন। শক্তি “আমি আকাশমন্ডল সৃষ্টি করেছি আমার শক্তি বলে এবং আমিই মহাসম্প্রসারণকারী। (৫১.৪৭)। "With power and skill Did We construct The Firmament : For it is We Who create The vastness of Space". (https://quranyusufali.com/51/)
জেনে রেখো, তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ প্রদান করা, আল্লাহ বরকতময় জগতসমূহের প্রতিপালক। (সূরা আল আ’রাফ ৭ : আয়াত ৫৪) তিনিই সৃষ্টি করেছেন সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্ররাজি, যা তারই আদেশের আওতাধীন (সূরা আল আ’রাফ ৭ : আয়াত ৫৪) শক্তি “আমি আকাশমন্ডল সৃষ্টি করেছি আমার শক্তি বলে এবং আমিই মহাসম্প্রসারণকারী। (৫১.৪৭)। "With power and skill Did We construct The Firmament : For it is We Who create The vastness of Space". (https://quranyusufali.com/51/) أَنَّ الْقُوَّةَ لِلَّـهِ جَمِيعًا وَأَنَّ اللَّـهَ شَدِيدُ الْعَذَابِ ◯ "ইন্নাল কুওয়্যাতা লিল্লাহি জামিয়া"। অর্থ: নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ সকল ক্ষমতার মালিক। - সূরা বাকারা, আয়াত: ১৬৫। (Sūra 2: Baqara, or the Heifer,Ayat:165,Verses 286 — Madani; Revealed at Madina — Sections 40,https://quranyusufali.com/2/). وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ উচ্চারণ : ওয়ালা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ। -(বুখারি, ১০৮৯) ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ। অর্থাৎ ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো ভরসা নেই; কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।’ (বুখারি)
পবিত্র কুরআন-হাদিসের আলোকে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
হাদিসের আলোকে দোয়া-কালামের ওজন/ভর প্রসঙ্গে
باب مَا جَاءَ فِيمَنْ يَمُوتُ وَهُوَ يَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ لَيْثِ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي عَامِرُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَعَافِرِيِّ، ثُمَّ الْحُبُلِيِّ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ سَيُخَلِّصُ رَجُلاً مِنْ أُمَّتِي عَلَى رُءُوسِ الْخَلاَئِقِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيَنْشُرُ عَلَيْهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ سِجِلاًّ كُلُّ سِجِلٍّ مِثْلُ مَدِّ الْبَصَرِ ثُمَّ يَقُولُ أَتُنْكِرُ مِنْ هَذَا شَيْئًا أَظَلَمَكَ كَتَبَتِي الْحَافِظُونَ فَيَقُولُ لاَ يَا رَبِّ . فَيَقُولُ أَفَلَكَ عُذْرٌ فَيَقُولُ لاَ يَا رَبِّ . فَيَقُولُ بَلَى إِنَّ لَكَ عِنْدَنَا حَسَنَةً فَإِنَّهُ لاَ ظُلْمَ عَلَيْكَ الْيَوْمَ فَتَخْرُجُ بِطَاقَةٌ فِيهَا أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ فَيَقُولُ احْضُرْ وَزْنَكَ فَيَقُولُ يَا رَبِّ مَا هَذِهِ الْبِطَاقَةُ مَعَ هَذِهِ السِّجِلاَّتِ فَقَالَ إِنَّكَ لاَ تُظْلَمُ . قَالَ فَتُوضَعُ السِّجِلاَّتُ فِي كِفَّةٍ وَالْبِطَاقَةُ فِي كِفَّةٍ فَطَاشَتِ السِّجِلاَّتُ وَثَقُلَتِ الْبِطَاقَةُ فَلاَ يَثْقُلُ مَعَ اسْمِ اللَّهِ شَيْءٌ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ . حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عَامِرِ بْنِ يَحْيَى، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ . وَالْبِطَاقَةُ هِيَ الْقِطْعَةُ .
বান্দার আমলনামা ওজন করা হবে তার প্রমাণ- হাদিসে এসেছে।
পরিচ্ছেদঃ ১৭. "আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কোন প্ৰভু নেই" এই সাক্ষ্যে অটল থেকে যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেঃ
২৬৩৯। আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা’আলা কিয়ামত দিবসে আমার উম্মতের একজনকে সমস্ত সৃষ্টির সামনে আলাদা করে এনে উপস্থিত করবেন। তিনি তার সামনে নিরানব্বইটি আমলনামার খাতা খুলে ধরবেন। প্রতিটি খাতা দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। তারপর তিনি প্রশ্ন করবেন, তুমি কি এগুলো হতে কোন একটি (গুনাহ) অস্বীকার করতে পার? আমার লেখক ফেরেশতারা কি তোমার উপর যুলুম করেছে? সে বলবে, না, হে প্ৰভু!
তিনি আবার প্রশ্ন করবেনঃ তোমার কোন অভিযোগ আছে কি? সে বলবে, না, হে আমার প্রভু! তিনি বলবেনঃ আমার নিকট তোমার একটি সাওয়াব আছে। আজ তোমার উপর এতটুকু যুলুমও করা হবে না। তখন ছোট একটি কাগজের টুকরা বের করা হবে। তাতে লিখা থাকবেঃ “আমি সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কোন প্রভু নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দেই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তার রাসূল"।
তিনি তাকে বলবেনঃ দাড়িপাল্লার সামনে যাও। সে বলবে, হে প্ৰভু! এতগুলো খাতার বিপরীতে এই সামান্য কাগজটুকুর কি আর ওজন হবে? তিনি বলবেনঃ তোমার উপর কোন রকম যুলুম করা হবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তারপর খাতাগুলো এক পাল্লায় রাখা হবে এবং উক্ত টুকরাটি আরেক পাল্লায় রাখা হবে। ওজনে খাতাগুলোর পাল্লা হালকা হবে এবং কাগজের টুকরার পাল্লা ভারী হবে। আর আল্লাহ তা’আলার নামের বিপরীতে কোন কিছুই ভারী হতে পারে না।
সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৪৩০০),আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ)
৩৮/ ঈমান (كتاب الإيمان عن رسول الله ﷺ)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) ৩৮/ ঈমান (كتاب الإيمان عن رسول الله ﷺ), https://www.hadithbd.com/hadith/filter/?book=19&hadith=%28তিরমিজি+২৬৩৯সহি
باب قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى {وَنَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ} وَأَنَّ أَعْمَالَ بَنِي آدَمَ وَقَوْلَهُمْ يُوزَنُ وَقَالَ مُجَاهِدٌ الْقُسْطَاسُ الْعَدْلُ بِالرُّومِيَّةِ وَيُقَالُ الْقِسْطُ مَصْدَرُ الْمُقْسِطِ وَهُوَ الْعَادِلُ وَأَمَّا الْقَاسِطُ فَهُوَ الْجَائِرُ
حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِشْكَابٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " كَلِمَتَانِ حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمَنِ، خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ، ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
৭০৫৩। আহমাদ ইবনু আশকাব (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি কলেমা (বানী) রয়েছে, যেগুলো দয়াময় আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়, উচ্চারণে খুবই সহজ (আমলের) পাল্লায় অত্যন্ত ভারী। (বাণী দু’টি হচ্ছে), "সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহান্নাল্লাহিল আযীম" আমরা আল্লাহ তায়ালার প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, মহান আল্লাহ অতীব পবিত্র।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৮৬/ জাহ্মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ (كتاب الرد على الجهمية و غيرهمو التوحيد), ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাদিস নাম্বারঃ ৭০৫৩, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৭৫৬৩)
https://www.hadithbd.com/hadith/filter/?book=1&hadith=%28বুখারি+৭৫৬৩
পবিত্র হাদিসের আলোকে দোয়া-কালামের শক্তির (এনার্জি) স্বরূপ
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، أَنَّ فَاطِمَةَ، عَلَيْهَا السَّلاَمُ شَكَتْ مَا تَلْقَى مِنْ أَثَرِ الرَّحَا، فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَبْىٌ، فَانْطَلَقَتْ فَلَمْ تَجِدْهُ، فَوَجَدَتْ عَائِشَةَ، فَأَخْبَرَتْهَا، فَلَمَّا جَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ عَائِشَةُ بِمَجِيءِ فَاطِمَةَ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَيْنَا، وَقَدْ أَخَذْنَا مَضَاجِعَنَا، فَذَهَبْتُ لأَقُومَ فَقَالَ " عَلَى مَكَانِكُمَا ". فَقَعَدَ بَيْنَنَا حَتَّى وَجَدْتُ بَرْدَ قَدَمَيْهِ عَلَى صَدْرِي وَقَالَ " أَلاَ أُعَلِّمُكُمَا خَيْرًا مِمَّا سَأَلْتُمَانِي إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا تُكَبِّرَا أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ، وَتُسَبِّحَا ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ، وَتَحْمَدَا ثَلاَثَةً وَثَلاَثِينَ، فَهْوَ خَيْرٌ لَكُمَا مِنْ خَادِمٍ ".
পরিচ্ছেদঃ ২০৮৮. আবু হাসান আলী ইবন আবু তালিব কুরায়শী হাশিমী (রাঃ) এর মর্যাদা নবী করীম (সাঃ) আলী (রাঃ) কে বলেছেন, তুমি আমার ঘনিষ্ঠ আপনজন আমি তোমার একান্ত শ্রদ্ধাভাজন। উমর (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ওফাত পর্যন্ত তার উপর সন্তুষ্ট ছিলেন।
৩৪৪০। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, ফাতিমা (রাঃ) যাঁতা চালানোর কষ্ট সম্পর্কে একদিন (আমার নিকট) প্রকাশ করলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দী আসল। ফাতিমা (রাঃ) (এক জন গোলাম পাওয়ার আশা নিয়ে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে গেলেন। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে, আয়িশা (রাঃ) এর কাছে তাঁর কথা বলে আসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘরে আসলেন তখন ফাতিমা (রাঃ) এর আগমন ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আয়িশা (রাঃ) তাঁকে অবহিত করলেন। (আলী (রাঃ) বলেন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এখানে আসলেন, যখন আমরা বিছানায় শুয়ে পড়েছিলাম। তাঁকে দেখে আমি উঠে বসতে চাইলাম। কিন্তু তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ অবস্থায় থাক এবং তিনি আমাদের মাঝখানে এমনভাবে বসে পড়লেন যে আমি তাঁর পদদ্বয়ের শীতলতা আমার বক্ষে অনুভব করলাম। তিনি বললেন, আমি কি তোমরা যা চেয়েছিলে তার চেয়েও উত্তম জিনিস শিক্ষা দিবনা? (তা হল) তোমরা যখন ঘুমানোর উদ্দেশ্যে বিছানায় যাবে তখন চৌত্রিশ বার "আল্লাহু আকবার" তেত্রিশবার "সুবহানাল্লাহ" তেত্রিশবার "আল্ হামদুলিল্লাহ" পড়ে নিবে। এটা খাদিম (যা তোমরা চেয়েছিলে) অপেক্ষা অনেক উত্তম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাদীস নাম্বারঃ ৩৪৪০, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৩৭০৫, পরিচ্ছেদঃ ২০৮৮। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৫০/ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء
https://www.hadithbd.com/hadith/filter/?book=1&hadith=বুখারি+হাদিস+%3A+৩৪৪০
https://www.facebook.com/beautifulislambd/videos/tasbih-fatemi/1670264829705841/
আমলসে বনতিহি জান্নাত আউর জাহান্নামভী
নেক আমলে জান্নাত, বদ আমলে জাহান্নাম।
পৃথিবীর সব সভ্যতায় সৎ কাজে রয়েছে প্রশংসা, পুরস্কার, অসৎ কাজে রয়েছে তিরস্কার। ধর্মীয় দৃম্টিতেও সৎ কাজে রয়েছে জান্নাত, অসৎ কাজে জাহান্নাম।
পৃথিবী হচ্ছে জান্নাত এবং জাহান্নাম উভয়ের মডেল। অআমাজান, অআফ্রিকার জংগল কিংবা সুন্দরবনে রয়েছে জান্নাতের নমূনা-নকশা, আর বিষুবীয় আগ্নেয়গিরিতে রয়েছে জাহান্নামের নমুনা-নকশা।
মৃত্যুবিহীন জীবনের নাম পরকালীন জীবন। ভূগর্ভের উত্তপ্ত লাভার মধ্যে পাওয়া গেছে জীবন্ত ভাইরাস। অক্সিজেনবিহীন পরিবেশে নয় কোটি বছরের পুরানো জীবন্ত ভাইরাস পাওয়া গেছে প্রশান্ত মহাসাগরের অতল তলে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দরুন উদীয়মান ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে বিশ্বঃকরণীয় দিক-প্রসঙ্গবিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা কখনও কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না, এখনও নেই।এক সময় কোনো বিজ্ঞানীকে বিজ্ঞান চর্চার দরুন জীবন্ত পুড়ে মেরে ফেলা হয়, গ্যালিলিওকে বন্দী করা হয়। বরং বিজ্ঞান শ্বাপদসংকুল দূর্গম গিরি পেরিয়ে এনালগ থেকে ডিজিটাল জগতে প্রবেশ করেছে। বিজ্ঞানের গর্ভজাত সন্তান বলা যেতে পারে প্রযুক্তিকে। কিন্ত্ত মানুষ প্রযুক্তির সদ্ব্যবহারের পাশাপাশি অসদ্ব্যবহারের দরুন মানব জীবন ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে তুলেছে।বিশেষ করে ফরাসী বিপ্লবের পর যান্ত্রিক ব্যবহার বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ায় তাতে ঘটছে অতিরিক্ত কার্বন নির্গমন হওয়ায় বৈশ্বিক উষঞতা বৃদ্ধির দরুন জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে আশংকাজনকভাবে। ফলে মানুষ ১৯৭০ সাল থেকে প্রথমবারের মত ওয়াশিংটনে বিশ্ব ধরিত্রি দিবস পালনের মধ্য দিয়ে ক্রমেই পরিবেশ সচেতনার পরিচয় দিয়ে প্রতিবছর পালন করছে কপ দিবস। মানুষ যতই পরিবেশ সচেতন হচ্ছে ততই বিজ্ঞানের প্রতি মানুষের একটা বিরূপ ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী গভীর উদ্বেগ প্রকাশিত হচ্ছে। বেশ কিছু নতুন ঝুঁকি উদ্ভূত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে আরো অস্থিতিশীল করার হুমকি দিচ্ছে। দ্বন্দ্ব এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা শতাব্দী ধরে বিশ্বকে জর্জরিত করলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যাপক ব্যবহার নতুন হুমকির সৃষ্টি করছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্টের ২০২৪ সালের সংস্করণে স্বল্পমেয়াদি (দুই বছর) সবচেয়ে গুরুতর হুমকি এবং দীর্ঘমেয়াদি (১০ বছর) ঝুঁকি সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। আলোচ্য নিবন্ধে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্টের ২০২৪ সালের আলোকে বিজ্ঞানের ভাব মর্যাদা সুরক্ষার ব্যাপারে সবিশেষ আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ। ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ।
0 Comments Comments on Muhammad Sheikh Ramzan Hossain’s article
Muhammad Sheikh Ramzan Hossain
Muhammad Sheikh Ramzan Hossain
Muhammad Sheikh Ramzan Hossain
Editor In Chief
More from Muhammad Sheikh Ramzan Hossain
World Islamic Science-Tech Review,January-February,2024(Special issue on the 2nd Anniversary of ISTR)
Muhammad Sheikh Ramzan Hossain on LinkedIn
World Islamic Science-Tech Review, December 23-January 2024
Muhammad Sheikh Ramzan Hossain on LinkedIn
আবারও মধ্যযুগের ন্যায় বিজ্ঞান-প্রযুক্তির নেতৃত্বের পথে ইনশা আল্লাহ ফিরছেন মুসলিম উম্মাহ-আই.আর.আর.এস.টি.সি-এর গবেষণা প্রতিবেদন-২০২৩
Muhammad Sheikh Ramzan Hossain on LinkedIn
See all 10 articles
Muhammad Sheikh Ramzan Hossain
Status is online

Comments
Post a Comment