New Informations

Science without religion is crippled ভাবার আছে অনেক কিছু প্রকৃতির বুদ্ধিমত্তার স্বরূপ মাদী কুকুরের ৭/৮টা স্তন, বাচ্চা প্রসবও করে ৭/৮টা মা বোনদের ২টা। সন্তান প্রসব করে সাধারণত একটা, কদাচিৎ দুইটা। প্রাণী জগতের প্রয়োজনীয় আসবাব সবচেয়ে জরুরী অক্সিজেন একেবারে ফ্রী কম জরুরী পানি সাধারণত সহজ প্রাপ্য মাটি খুঁড়লে সাধারণত পাওয়া যায়, চার ভাগের তিন ভাগ পানি, আকাশে বর্ষিত পানি। নূনঃ মাত্রা কম, দামেও কম। অথচ দামী তরকারী সস্তা উপকরণ। বিজ্ঞানের সক্ষমতার স্বরূপ "বিজ্ঞান" এমন এক বিষয় যাকে খুব ছোটও মনে করা যাবে না আবার খুব বড় করেও সব জান্তা বলেও মনে করা যাবে না বরং বিজ্ঞানের ব্যাপারে আমাদেরকে মধ্যপন্থী ধারণার অনুসারী হতে হবে। সৃষ্টিতে বিজ্ঞানীদের স্বাকারোক্তি যে, তারা না পারনে সৃষ্টিতে, না পারেন ধ্বংসে বরং তারা একাধিক মৌলিক বস্ত্ত বা বস্ত্ত কণার মিশ্রনে কিংবা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যৌগিককরণের মাধ্যমে মৌলিক বস্ত্তর অবস্থা,রূপ পরিবর্তন করে থাকেন। মানুষ পারে না গাছ সৃষ্টিতে যা পারে তা হচ্ছে গাছকে কাটতে। কাটা গাছের নাম হয় কাঠ। কাঠ মানব হস্তক্ষেপযুক্ত, আর্টিফিসিয়াল গাছ মানব হস্তক্ষেপমুক্ত-যাকে বলা হয় প্রাকৃতিক (ন্যাচারাল) কিংবা গড গিফটেড। ধ্বংসে পানিকে পুড়লে বাস্প, কাঠকে পুড়লে কয়লা অথবা মাটিতে পুতে রাখলে হয় কয়লা, হিরা, তেল, পেট্রোল ইত্যাদিতে পরিণত হয়। আইনস্টাইনের তত্ত্ব মতে, পদার্থ চুপসে যেতে যেতে এক পর্যায়ে চুপসানো থেমে যায় যাকে বলা হয় সিঙগুলারিটি বা পরম বিন্দু বা স্ট্রিং একে বারে বিলীন হয়ে যায় না। প্রাণীজ মৃত দেহ পরিণত হয় নাইটেোজেনে। উল্লেখ্য, আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণমতে, যেহেতু জমে থাকা শক্তি, জমটবদ্ধ বস্ত্তর মতই এবং ভর এবং শক্তি সমার্থক সেহেতু প্রত্যেক বস্তর পরম বা চরম পরিণত হচ্ছে শক্তিতে পরিণত হওয়া যা সৃষ্টিও করা যায় না, ধ্বংসও করার যায় না-এই তত্বকে বলা হয় শক্তির নিত্যতা সূত্র। "প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না" (বিজ্ঞানচিন্তা)। Super natural হচ্দন Telepathy হচ্ছে "Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয়" (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)| ►অনুরুপ আলোর সত্যিকার গতিবেগ সেকেন্ডে ১,৮৬,২০০ মাইলেরও অধিক। রাউন্ড ফিগারের সুবিধার জন্য ১,৮৬,০০০ মাইল স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। পদার্থ বিজ্ঞানীরা মনে করেন, নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বাড়তি গতির অনুমোদন দেয়া হলে আলোর গতি তাতে ফ্রাকশন হয়ে পড়লে স্ট্যান্ডার্ড মডেলসহ পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র নড়েবড়ে হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। ►মহাকাশের কোনো বস্ত্ত যদি একটা নির্দিষ্ট ক্রান্তীয় ব্যাসার্ধ সংকুচিত করা সম্ভব হয় তাহলে স্থান-কাল এত বেশি বেঁকে যাবে যেটা অআর উপত্যাকার চেহারাও থাকে না, হয়ে যায় একটা গর্ত যাকে বলা যাও মহাকাশের তলাবিহীন কুয়া। ক্রান্তীয় এই পরম সংকুচিত ব্যাসার্ধকে বলা হয় শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ। ►১৯৩৯ সালে প্রকাশিত অআইনস্টাইনের এক গবেষণাপত্রে বলা হয়ঃ নক্ষত্ররা তাদের মহাকর্ষের প্রভাবে কখনো একেবারেই চুপসে যেতে পারে না। কারণ পদার্থ একটা নির্দিষ্ট বিন্দুর সীমার পর অআর সংকুচিত হতে পারে না। গণিত এবং বিজ্ঞান ► "গণিত বিজ্ঞানের জ্বালানী (ফুয়েল)"-শেখ মুহাম্মাদ আবুতাহের, গণিত বিশেষজ্ঞ ► ইতিহাস বলে, গাণিতিক সমাধান প্রায়ই প্রকৃতিকে বুঝতে পারে। যেন গণিত আর পদার্থ বিজ্ঞানের মধ্যে আগে থেকেই নির্ধারিত কোনো এক ধরণের হারমোনি (বোঝাপড়া) রয়েছে (কার্লস শোয়ার্জশিল্ড) ► নিউটন প্রকৃতির ভাষা বুঝতে পারতেন (আলবার্ট আইনস্টাইন) পদার্থেরও কি প্রাণ আছে? আসমান জমিনের সবাই তাছবিহরত (অআল কুরঅআন) স্থির গাছ যেমন নিস্প্রাণ নয়, তেমনি স্থির জড় পদার্থও অআভ্যন্তরীণভাবে স্থির নয়। কণা পদার্থ বিজ্ঞানমতে, প্রতিটি কণা কম্পমান অর্থাৎ অস্থির। ► মহাবিশ্বের সব কণারা সুখে শান্তিতে পরমাণুর ভেতর চুপটি করে বাস করে না। কিছু পদার্থ অতি উত্তেজিত, নিজেকে নিজে না ভাঙলে চলে না। তেজস্ত্রিয় রশ্মি বিকিকরণ করে নিজে ভেঙ্গে অন্য মৌলের পরমাণুতে রূপ বদল করে। ► মৌলিক পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে প্রোটন আর নিউট্রন কণা। এসব কণা প্রাকৃতিকভাবে ভেঙ্গ গিয়ে জন্ম দেয় গতিশীল তেজস্ত্রিয় রশ্মির। সেসব রশ্মি আলোক রশ্মির মতো হলেও এর মধ্যে থাকে নানা রকম কণা আর শক্তি হিসেবে থাকে আলো বা আলোর কোয়ান্টা ফোটন। আজকের রূপকথা আগামীকাল বাস্তব আজকের অবিশ্বাস্য আগামীকালের বিশ্বাস্য বিষয়। আজকের রূপকথা আগামীকাল বাস্তব হতে পারে তা প্রমাণিত হয় বিজ্ঞানের মাধ্যমে যাকে বলা হয় কল্পবিজ্ঞান। আকাশে উড়ার স্বপ্ন অআদিকালে ছিল আকাশ কুসুম কল্পনা যা রাইটভ্রাতৃদ্বয় বাস্তব প্রমাণ করেন। হতে পারে ওয়ার্মহোল বা র্যাছপ ড্রাইভ অআজ স্বপ্ন, আগামীতে বাস্তব। একসময় জ্বীন ভূত ছিল সমাজ সংস্কার। বৈজ্ঞানিক ভূত বলা হয় নিউট্রিনোকে। রাক্ষস ছিল রূপকথার গল্প। বৈজ্ঞানিক রাক্ষস বলা হচ্ছে ব্ল্যাকহোলকে যা কিনা অআছে পাশের দৈত্য আকৃতির বিরাট বিশাল নক্ষত্রকে অনায়াসে গিলে খেতে পারে, এমনকি আলোকেও। কল্প বিজ্ঞানের অনেক প্রযুক্তিই পর বাস্তবে পরিণত করেছেন বিজ্ঞানীরা। (বিচি, জুন, ২০১৯, বর্ষ ৩, সংখ্যা ৯, পৃঃ ৩) বোসন অআসলে একটা কোয়ার্ক অআর একটা অ্যান্টি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি। এটা অআরেক বিস্ময়ল একই কণা তার অ্যান্টি অর্থাৎ প্রতি কণা এক সঙ্গে থাকতে পারে না মৌলিক কণা টাউ কণা টাউ নিউট্রিনো টপ কোয়ার্ক ইলেকট্রন ইলেকট্রন নিউট্রিনো আপ কোয়ার্ক মিউন মিউন নিউট্রিনো ( ........................) টু-ইনঃ এস.ইলেকট্রন ধনাত্মক আধানযুক্ত। যুক্তভাবে বা পরমাণুর মধ্যে থাকতে পারে। ইলেকট্রন এস.নিউট্রিনো খুব সামান্য ভর বিশিষ্ট। আধানহীন কণা। তেজস্ত্রিয়তায় জড়িত। এস. আপ কোয়ার্ক) ও ডাউন কোয়ার্ক (এস. ডাউন কোয়ার্ক। সাধারণ পদার্থের ক্ষুদ্র কণা। প্রোটন ও নিউট্রনে অআপ কোয়ার্ক ও ডাউন কোয়ার্ক থাকে। এস.মিউন ইলেকট্রনের মতো হলেও এর চেয়ে ৩০০ গুণ ভারী ও তেজস্ত্রিয়ভাবে অস্থিতিশীল। মিউন এস নিউট্রিনো মিউওনের মতোই, তবে সামান্য ভারী। চার্ম কোয়ার্ক স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক টপ-বটম কোয়ার্ক টাউ কণা টাউ নিউট্রিনো প্রোটনের চেয়ে তিন গুণ ভারী ও ধনাত্মক আধানযুক্ত। ঋণাত্মক আধানযুক্ত। টপ কোয়ার্ক সবচেয়ে ভারী মৌলিক কণা। ভর প্রায় স্বর্ণের পরমাণুর সমান। বটম কোয়ার্ক প্রোটনের চেয়ে চার গুণ ভারী। টপ কোয়ার্কের ভাঙনে সৃষ্টি হয়। খুব স্বল্পায়ু। ইলেকট্রনের চেয়ে ৩,৫০০ গুণ ভারী। আধানহীন অন্যান্য নিউট্রিনোর চেয়ে সামান্য ভারী। এস চার্ম কোয়ার্ক এস স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক এস টপ- কোয়ার্ক এবং এস বটম কোয়ার্ক এস টাউ কণা টাউ এস নিউট্রিনো বিঃদ্রঃ ১: টু-ইন-ওয়ান কণাদের নামকরণ করার সময় নামের সঙ্গে ইংরেজী এস যুক্ত হয়। শক্তি বা বলবাহী কণা ফোটন গ্লুয়ন w-. w-, w+ z হিগস বোসন গ্র্যাভিটন ভর বিহীন আলোর কণা। তড়িৎ চৌম্বক বলের বাহক। কোয়ার্কদের একসঙ্গে ধরে রাখে সবল নিউক্লিয় বলের কণা দূর্বল নিউক্লিয়ার বলের কণা। তেজস্ক্রিয়তার জন্য দায়ী। পদার্থ কণার সবটুকু ভর হিগস কণার জন্য তৈরি হয়। এলএইসি-তে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। মহাকর্ষবাহী কণা। পরীক্ষাধীন। সম্ভাব্য কণা ফোটিনো সম্ভাব্য কণা গ্লুইনো সম্ভাব্য কণা উইনো এবং জিনো সম্ভাব্য কণা হিগসিনো সম্ভাব্য কণা গ্র্যাভিটিনো

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah

নিউট্রিনো

উপসংহার