THE ISLAMIC RESEARCH FOR REVIVING SCIENCE-REVIEW
THE ISLAMIC RESEARCH FOR REVIVING SCIENCE-REVIEW
2005,WEST MOTHERBARI,CHATTOGRAM
BANGLADESH4100
٢- خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ ◯ وَأَنزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ
And We sent down Iron, In which is Created man out of A (mere) clot Of congealed blood : (material for rmighty war, as well https://quranyusufali.com/96/ as Many benefits for mankind,
https://quranyusufali.com/57/
بِسۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯
١٩٠- إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْ)لِ وَالنَّهَارِ لَآيَاتٍ لِّأُولِي الْأَلْبَابِ ◯
“Behold! in the creation of the heavens and the earth and the alternation of night and day there are indeed Signs for men of understanding”.
١- اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ ◯
Proclaim ! (or Read !) in the name Of thy Lord and Cherisher, Who created—
https://quranyusufali.com/96/
أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا
Do not the Unbelievers see That the Skiess and the Earth Were joined together (as one Unit of Creation), before We clove them asunder?
https://quranyusufali.com/21/
It may be noted that the holy Quran mentioned: "Joined together i.e.,one Unit of Creation is called in science (Physics) Highest Energetic Radiation (HER) and clove them asunder means in science is Big Bang.
سُبْحَانَ الَّذِي خَلَقَ الْأَزْوَاجَ كُلَّهَا
Glory to Allah, Who created In pairs all things.
https://quranyusufali.com/36/
At first Allah, almighty created the Skiess and the Earth pairly from the one unit, called Highest Energetic Radiation (HER)
All matters are consisted with particles. But we do not know what the particles are made?
الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ
Indeed, in light of Sura Hadid of holy Quran, Iron is one kind powerful mater as well as several benefits for mankind.
IRRSTC: লোহা হচ্ছে ভরের সমষ্টি, ভর হচ্ছে শক্তির সমষ্টি। এ প্রসংগে অআইনস্টাইনের ভাষ্যঃ জমাট বদ্ধ শক্তি জমাট বস্ত্রর মতই। উদাহরণস্বরূপ বাস্পের জমাট রূপ হচ্ছে মেঘ, মেঘের জমাট রূপ হচ্ছে বৃষ্টি, বৃষ্টির জমাট রূপ হচ্ছে শিলা কিংবা বরফ।৪মহাবলের এককরূপ হচ্ছে Highest Energetic Radiation (HER)
উচ্চশক্তির বিকিরণ।বিগ ব্যাং পরবর্তী সর্ব প্রথম মহাবিশ্বের প্রকাশ ঘটে ভরবিহীন ফোটনের মাধ্যমে যা আলোর কোয়ান্টা।
► IRRSTC মনে করে যে, ভরবিহীন ফোটন হিগস নামক শক্তির ক্ষেত্র বা ফিল্ডের সংস্পর্শে এসে ভরত্ব লাভ করে হিগস বোসন কণায় রূপ লাভ করে। যেহেতু আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণমতে, শক্তি এবং ভর এবং ভর এবং শক্তি সমার্থক সেহেতু ভরপূর্ণ হিগস বোসন জমাটবদ্ধ কণা বিশেষ।
► আইনস্টাইনের তত্ত্বমতে, পদার্থ চুপসে যেতে যেতে একেবারে বিলীন হয়ে যায় না, চুপসে যেতে যেতে একপর্যায়ে থেমে য়ায় থেমে যাওয়ার কেন্দ্রবিন্দুকে বলা হয় পরম বিন্দু বা সিঙ্গুলারিটি। একটি দানব আকৃতির নক্ষত্র তার আয়ুস্কাল ফুরিয়ে একেবারে বিলীন না হয়ে যে পরম বিন্দুতে পরিণত হয় সেই পরমবিন্দু বা সিঙ্গুলারিটিকে বলা হয় ব্ল্যাকহোলের ইভেন্ট হরিজন বা ঘটনাদিগন্ত।
একটি বস্ত্ত চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে বাহ্যিক দৃষ্টিতে পরিণত হয় পাউডারে।
সাধারণ মাইক্রোস্কোপে তাকে দেখা যাবে অ্যাটমরূপে। ১০-১৬ সেন্টিমিটার ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে দেখা যাবে কোয়ার্ক নামক পরমবিন্দুরূপে । স্ট্রিং তত্ত্বমতে, বিন্দুর ন্যায় নয় বরং তা কম্পমান স্ট্রিংরূপে। স্ট্রিংয়ের কম্পনমাত্রাভেদে কখনও পাওয়া যায় ইলেকট্রন কখনও কোয়ার্ক। স্ট্রিং ততক্ষণ পর্যন্ত স্থির তারের ন্যায় যতক্ষণ তাতে শক্তি প্রয়োগে কম্পন সৃষ্টি করা না হয়।
বাস্তব প্রমাণঃ একটি সূক্ষ্ণ লম্বাটে তার লই। উভয় প্রান্ত শক্তভাবে বেঁধে দেই। যতক্ষণ শক্তি প্রয়োগ করা না হবে ততক্ষণ তারটি নিস্ত্রীয়, নিরব, নিথর থাকবে। যদি তারে একটু নাড়া দেই তাতে ম্রদু শব্দ হবে। বেশি শক্তি প্রয়োগ করলে বেশি শব্দ হবে। সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টিতে পরিণত হয় হিগস বোসন কণা। স্ট্রিং বিজ্ঞানীদের মতে, স্ট্রিংয়ের কম্পন দেখার জন্য প্রয়োজন হবে ১০-৩৩ সেঃমিটার দর্শন ক্ষমতাসম্মপন্ন হাইয়েস্ট সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ যা এখনও অআকাশ কুসুম কল্পনামা্ত্র। কারণ বিজ্ঞানীদের হাতে সর্বোচ্চ ১০-১৭ সেন্টিমিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন মাইক্রোস্কোপ রয়েছে। কোয়ার্ক থেকে সূক্ষ্ গ্র্যাভিটন জাতীয় কণার সন্ধান যদি পাওয়া যায় তা জানা যাবে ইনশাআল্লাহ।
কোয়ার্ক+ইলেকট্রন+
উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, মহাবিশ্বেজ মূল উৎস হচ্ছে শক্তি আর শক্তি। প্রশ্ন হচ্ছে, শক্তির উৎসমূল কি? অথবা কে?। IRRSTC মনে করে যে, জাগতিক পরিভাষায় শক্তির মূলোৎস নেচার যা ফিজিক্সের (প্রকৃতি বিজ্ঞানের) ভিত্তিমূল।পদার্থ বিজ্ঞান (Material Science) হচ্ছে ফিজিক্সের অংশ বিশেষ যদিও বর্তমানে বিজ্ঞান জগতে ফিজিক্স বলতে পদার্থ বিজ্ঞানকে বুঝানো হয়ে থাকে।
وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ ◯
We made from water Every living thing. Will they Not then believe?
https://quranyusufali.com/21/
►১ বিলিয়ন বছর আগে কৃষ্ঞ গহব্বরের কম্পন থেকে মহাকর্ষ তরঙ্গের সৃষ্টি হয়েছে।
►ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব অনুভব করার পর বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো জানতে পারেন যে, এ যাবৎ পদার্থ বিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলে অআধুনিক কসমোলজি সম্পর্কে যা জেনেছে তাতে পুরো মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর মাত্র বড়জোর ৪ থেকে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত জেনেছে বাকী ৯৫ কিংবা ৯৬ শতাংশ জুড়ে আছে উক্ত ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটারের মধ্যে।বিজ্ঞানের পরিভাষায় এক্স দ্বারা বুঝানো হয় এমন বিষয় যা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের অতীত। অনুরূপ ডার্কের সাধারণ অআভিধানিক অর্থ কালো-অন্ধকার হলেও বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় ডার্ক অর্থ যা ভাষায় প্রকাশের মত ব্যাপার নয়। অর্থাৎ অনেকটা Transcendental Print অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictonary)|.....ম্যাটার বা বিষয়।
►মহাকর্ষের ব্যাপারেও বিজ্ঞানীদের মতে, মাত্র ১০ শতাংশ বিজ্ঞানীদের জানা পদার্থের জন্য মহাকর্ষ, বাকী ৯০ শতাংশ অন্য কিছুর জন্য মহাকর্ষ কাজ করছে। অন্য কিছুটা কি? তাও অনেকটা Transcendental Print অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয়।
►বিজ্ঞানে এমন বিষয়ও রয়েছে যেখানে পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র অকার্যকর হয়ে পড়ে। এমনই একটা বিষয় হচ্ছে, জ্বালানী ছাড়া সূর্য জ্বলছে প্রায় ৫০০ কোটি বছর ধরে, অআরও ৪৫০ কোটি বছর জ্বলার সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু জ্বালানীই নয়,অধিকন্ত্ত প্রোটনের সাথে এন্টি প্রোটনেরও অভাব রয়েছে সূর্যে। তাহলে এন্টি প্রোটন ছাড়া কিভাবে সূর্যে হিলিয়াম তৈরি হয়?যে হিলিয়াম সূর্যকে বিকল্প জ্বালানী হিসাবে জ্বালাচ্ছে।পদার্থ বিজ্ঞানের সাধারণ সূত্রমতে, প্রোটন+প্রোটনের আন্ত সম্পর্ক হচ্ছে বিকর্ষণমূলক।তাহলে কিভাবে প্রোটন+প্রোটনের আন্ত সম্পর্ক হচ্ছে বিকর্ষণ না হয়ে অআকর্ষণমূলক হয়ে থাকে? এখানেই রয়েছে প্রোটনের পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র ভাঙার বিষয়টি।প্রোটন কণা ভেক পরিবর্তন করে পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র ভঙ্গ করে কণা পরিণত হয় তরঙ্গে। যেমন ইলেকট্রন কণা তরঙ্গে পরিণত হয়ে থাকে।
►বিজ্ঞান কেন্দ্রিকও রয়েছে অনেক অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ঘটনা। যেমন, শুরুতে অআইনস্টাইন ছিলেন ঘোর কোয়ান্টাম মেকানিক্স বিরোধী।কোয়ান্টাম কণাবিদ নীল বোর যদি তাঁর অনুগামীদের নিয়ে কোপেনহেগেনবার্গে কোয়ান্টামের স্বপক্ষে এবং আইনস্টাইনের বিপক্ষে বিতর্কে না জিততেন তাহলে হয়ত কোয়ান্টাম মেকানিক্স ডেনমার্কেই বিলীন হয়ে যেত। ফলে আজকের ডিজিটাল বিশ্ব এনালগই থেকে যেত বৈকি। অথচ মজার ব্যাপার হচ্ছে, আইনস্টাইন কোয়ান্টাম মেকানিক্স তত্ত্ব প্রয়োগ করে ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট তত্ত্ব দাঁড় করিয়ে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন জীবনে একবারের জন্য। অথচ মডার্ণ কসমোলজিক্যাল তত্ত্বের ভিত্তিমূল স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্বের ভিত্তি আইনস্টাইনের ভূবন কাঁপানো তত্ত্ব স্পেশিয়াল থিওরি অব রিলিটিভিটি এবং জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটি নোবেল কমিটিতে নীতিগত কারণে বিবেচ্য না হওয়া অআইনস্টাইন নোবেল পুরস্কার পান নি।
►ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক যেমন কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কেবল তাত্ত্বিক স্থপতি ছিলেন, তেমনি আইনস্টাইন ছিলেন জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটির কেবল তাত্ত্বিক স্থপতি-প্রয়োগ স্থপতি ছিলেন জার্মান বিজ্ঞানী কার্ল সোয়ার্জশিল্ড। ২০১৫ সালে আইনস্টাইন জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটি প্রকাশের একমাসেরও কম সময়ে তা পৌঁছে যায় পূর্ব বার্লিনের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রণাঙ্গনে অবস্থিত সামরিক হাসপাতালে মারাত্মক রোগের যন্ত্রণায় কাতর কার্ল সোয়ার্জশিল্ডের রোগ শয্যায়। অসহ্য যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে সোয়ার্জশিল্ড জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটি নিয়ে ভাবনার সাগরে ডুব দেন এবং মহাকাশের দিকে গভীর মনোনিবেশের এক পর্যায়ে রাতে তিনি এমন এক বিষয়ের মুখোমুখি হন যাতে সোয়ার্জশিল্ড নিজেই অআঁতকে উঠেছিলেন। তিনি দিব্যি অনুভব করলেন মহাকাশে বসে অআছে নক্ষত্র খেকো এক জীবন্ত রাক্ষস!যা নাকি অলোও পর্যন্ত গিলে খায় যাকে স্ট্যান্ডার্ড মডেলে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ঞগহব্বর। অবশ্য ২০১৯ সালের আগ পর্যন্ত ব্ল্যাকহোল কেবল তাত্ত্বিকে সীমাবদ্ধ ছিল।
তবে, জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটির সাফল্য বিবেচনা করা হয় মহাকর্ষের ব্যাখ্যার ব্যাপারে। জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটিকে বিজ্ঞান জগতে মহাকর্ষ বিষয়ে নিউটনের ব্যাখ্যার চাইতে অধিক গ্রহণীয় বিবেচনা করা হয়। এতে বলা হয়, মহাকর্ষ বলতে আসলে কিছু নেই। এটি মহাকাশে বিদ্যমান কোনো ভারি বস্ত্তর অবস্থানের ফলে দূর নক্ষত্র হতে আলো ঐ ভারি বস্ত্ত (যেমন সূর্য)এর কোল ঘেঁষে পৃথিবীতে আসার সময় কিছুটা বেঁকে আসে। এ কারণে আলো সরল রেখায় গমন করে –নিউটনের এই সূত্র ভুল মনে করেন আইনস্টাইন।
►আই.আর.আর.এস.টি.সি. মনে করে, আইনস্টাইনের জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটির সাথে মূলতঃ সম্পর্ক নিউটনীয় তত্ত্ব ঃ অআলোর সরল রেখা মহাকাশে কেন বেঁকে যায় এই ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে। বাস্তবে এই ব্যাখ্যার সাথে মহাকর্ষের সম্পর্ক নেই। কারণ, মধ্যাকর্ষণের কারণে ভারি বস্ত্ত উপর থেকে নীচে পড়ে কিন্ত্ত একই কারণে চাঁদ কেন পৃথিবীর উপর, পৃথিবী কেন সূর্যের উপর অআছড়ে পড়ে না-এর ব্যাখ্যা আইনস্টাইনের জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটিতে নেই। নিউটনের তত্ত্বে মধ্যাকর্ষণের মজবুত ব্যাখ্যা রয়েছে কিন্ত্ত মহাকাশে মহাকর্ষের ব্যাপারে ব্যাখ্যা নেই। বরং নিউটন বলতেনঃ অদৃশ্য দড়ি দিয়ে চিরকালের বাধা পড়ে অআছে পৃথিবী সূর্যের মাঝামাঝিতে।
►২০১৯ সালে জ্যোতিবিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মত সরেজমিনে ব্ল্যাকহোলের ছবি ধারণ করে প্রমাণ করেন, ব্ল্যাকহোল বিজ্ঞানীদের কোনো হাইপোথিসিস কোন ব্যাপার নয় বরং বাস্তব।
►তবে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে স্পেশিয়াল থিওরি অব রিলিটিভিটি ২০১১ সালে যখন নিউট্রিনো আলোর গতির চাইতে অন্ততঃ ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বেশি দ্রুত চলার ব্যাপারে অপেরা প্রোজেক্টের আওতায় সার্ণ কর্তৃক প্রমাণ পাওয়ার ফলে।
Comments
Post a Comment