Report I
আরব আমিরাতভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ১০ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের কোথাও খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব নয়। এমনকি টেলিস্কোপ দিয়েও চাঁদ দেখা যাবে না।
মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও ১১ মার্চ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা ‘ক্রিসেন্ট মুন ওয়াচ’।
চাঁদ দেখতে পাওয়ার কিছু নির্ণায়ক রয়েছে। প্রথমটি হলো— সূর্য অবশ্যই দিগন্তের নিচে থাকতে হবে। এর কারণ নতুন জন্ম হওয়া অস্পষ্ট অর্ধচন্দ্র দেখতে হলে পর্যাপ্ত অন্ধকার প্রয়োজন।
দ্বিতীয় হলো— চাঁদকে অবশ্যই দিগন্তের ওপর থাকতে হবে।
আর তৃতীয়টি হলো— আকাশে চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে পর্যাপ্ত ব্যবধান থাকতে হবে। এ ব্যবধানটিকে ‘ডানজন লিমিটি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। যেটি নির্দেশ করে চাঁদ এবং সূর্য ৫-৭ ডিগ্রি আলাদা রয়েছে। যেটি হিসাব করা হয় হাতের তিনটি আঙুল রাখলে যতটুকু প্রশস্ত হবে ততটুকু দিয়ে।
খালি চোখে চাঁদ দেখতে হলে চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে ৫ ডিগ্রি ব্যবধান থাকতে হবে।
এখন প্রশ্ন হলো— ওই দিন বাংলাদেশ চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কতটুকু। সময়বিষয়ক সংস্থা ‘টাইম অ্যান্ড ডেটের’ তথ্যানুযায়ী, আগামী ১১ মার্চ বাংলাদেশে চাঁদ ওঠবে সকাল ৬টা ৪৭ মিনিটে। আর চাঁদ অস্ত যাবে সন্ধ্যা ৭টা ১৪ মিনিটে। অপরদিকে সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে।
সূর্য অস্ত যাওয়ার পর ৭টা ১৪ মিনিটে রাত নেমে আসবে না। তবে ওই সময় অন্ধকার নেমে আসবে এবং সূর্য দিগন্তের নিচে থাকবে। ওই সময় চাঁদ দিগন্তের ওপরে থাকবে।
তবে ওই দিন সূর্যাস্তের পর চাঁদ খালি চোখে দেখা যাবে কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। সেটি ওই দিনই বোঝা যাবে।
সূত্র: আলজাজিরা, টাইম অ্যান্ড ডেট, আরএমজি
https://www.jugantor.com/islam-life/782127/কবে-বাংলাদেশে-রমজানের-চাঁদ-দেখা-যাবে-যা-বলছে-বৈজ্ঞানিক-হিসাবনিকাশ
The United Arab Emirates-based International Astronomy Center said that it is not possible to see the moon with the naked eye anywhere in the world, including the Middle East, on March 10. The moon cannot be seen even with a telescope.
Apart from the Middle East, it is possible to see the moon with the naked eye in South Asian countries including Bangladesh on March 11, according to the United Kingdom-based organization 'Crescent Moon Watch'.
There are some determinants of moon sighting. The first is that the sun must be below the horizon. This is because sufficient darkness is required to see the newly born faint crescent moon.
Second, the moon must be on the horizon.
And the third is that there should be sufficient space between the moon and the sun in the sky. This gap is called as 'Dungeon Limit'. Which indicates that Moon and Sun are 5-7 degrees apart. Which is calculated by placing three fingers of the hand as wide as it would be.
To see the moon with the naked eye, there should be a distance of 5 degrees between the moon and the sun.
Now the question is - what is the possibility of Bangladesh seeing the moon on that day. According to the information of Time and Date, the moon will rise in Bangladesh on March 11 at 6:47 am. And the moon will set at 7:14 pm. On the other hand, sunset will be at 6:06 PM.
Night will not fall until 7:14 after sunset. But at that time it will be dark and the sun will be below the horizon. At that time the moon will be above the horizon.
However, it is not certain whether the moon will be visible to the naked eye after sunset on that day. It will be understood that day.
Sources: Aljazeera, Time and Date, RMG
Fasting in Saudi Arabia starts tomorrow (Monday). The Supreme Court of the country announced this on Sunday evening. News of Arab News.
The moon was seen in Saudi Arabia's Sudair and Al-Hari on Sunday evening.
Earlier, Australia, Malaysia, Indonesia, Singapore, Brunei, Philippines and Japan announced the start date of Ramadan. Ramadan will start from Tuesday in the countries. Hotps://www.ittefaq.com.bar/680448
সৌদি আরবে রোজা শুরু আগামীকাল (সোমবার) থেকে। রোববার সন্ধ্যায় দেশটির সুপ্রিম কোর্ট এ কথা ঘোষণা করেছে। খবর আরব নিউজের।
রোববার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের সুদাইর ও আল-হারিকে চাঁদ দেখা গেছে।
এর আগে রমজান শুরুর তারিখ ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, ফিলিপাইন ও জাপান। দেশগুলোতে রমজান শুরু হবে মঙ্গলবার থেকে। https://www.ittefaq.com.bd/680448
Report I
মহাকর্ষ আমাদের টানে না, চাপে
মহাকর্ষ উর্ধ্ব জাগতিক বিষয় যার নিম্ন জাগতিক নাম হচ্ছে মধ্যাকর্ষণ।উভয়ের আচরণ পৃথক দেখে আইজাক নিউটন হতভম্বিত হয়ে পড়েন এবং বিজ্ঞান জগতে অনেকটা নিস্ত্রিয় হয়ে পড়েন এবং জীবন সায়াহ্নে এসে এ সাক্ষ্য দেনঃ.........................যেমনি আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর অনন্য বৈজ্ঞানিক কৃর্তি স্পেশাল থিওরি অব রিলিটিভিটিকে আরও ইনভেরিয়েন্ট করতে গিয়ে একদশকের গবেষণায় রচনা করেন থিওরি অব ইনভেরিয়েন্ট যা বন্ধুমহলের অআবদারে নাম পরিবর্তন করেন জেনারেল থিওরি অব রিলিটিভিটি।পরিবর্তিত এই নামই আইনস্টাইনের বৈজ্ঞানিক জীবন অনেকটা কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল অর্থাৎ মহাজগতের সব কিছুকে আইনস্টাইন E=mc2 ফ্রেমে ফেলে আলোর গতিকে রাউন্ড ফিগারে ১,৮৬,০০০ মাইলের কমও নয় বেশিও নয় এমনকি ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বেশিও নয়-এই মাত্রায় চিরকালের জন্য ইনভেরিয়েন্ট করা হয় যার উপর ভিত্তিশীল পদার্থ বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রসম্বলিত Modern Cosmological Standard Model Theoryসহ Physics Text Board Book.যার কারণে ২০১১ সালে সার্ণ কর্তৃক নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামী হওয়ার কিংবা ২০১২ সালে হিগসবোসন কণার কৃত্রিম উৎপাদনকালে প্রোটন কণাকেও আলোর গতি ছাড়াতে দেওয়া হয়নি। বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ শীর্ষ স্থানীয় বিজ্ঞানীদের আপত্তির কারণে ১৬০০১তম পরীক্ষার মাধ্যমে নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামী হওয়ার গবেষণাটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবে কোনো কোনো বিজ্ঞানীরা অআলোর গতি ছাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন ওয়ার্মহোল, র্যাপ ড্রাইভের মতো নভোযানের যা মুহুর্তের মধ্যে আলোর গতি ছাড়িযে মহাকাশের এ ফোঁড় দিয়ে ঢুকে ও ফোঁড় বেরিয়ে যাওয়ার মধা দিয়ে।
আইনস্টাইনের দ্বিতীয় শেষ তত্ত্ব জেনারেল রিলিটিভিটি থিওরিতে নিহিত ছিল ব্ল্যাকহোল থিওরি যার ইভেন্ট হরিজন বা ঘটনাদিগন্ত থেকে অআলো পর্যন্ত বের হতে পারে না-এটা বিজ্ঞানীদের অআজও মহাবিস্ময় হয়ে রয়েছে। Irrstc এর গবেষণামতে মহাকর্ষের প্রবল চাপের কারণে আলো পর্যন্ত বেরিয়ে আসতে পারে না। পদার্থবিজ্ঞানের মতে, যেখানে মহাকর্ষের প্রাবল্যতা রয়েছে সেখানে পা তুলতে হিমশিম খাওয়ার কারণ মহাকর্ষের প্রবল চাপ।তাই মাটির সাথে মহাকর্ষের সম্পর্ক নেই বরং বাতাসের উর্ধ্বচাপ মহাকর্ষের প্রবল চাপের দরুন ভূত্বকে অমাদের আটকে থাকার যৌক্তিক কারণ বয়ে আনে।
তাহলে মহাকর্ষটা কী? প্রকৃতির অপার দান কিংবা ফাদলুল্লাহ, রহমাতুল্লাহ বটে।
IN GOD WE TRUST
বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানীদের জন্য আবারও ফিরে আসছে দুর্দিন!
হ্যাঁ, Irrstc এর ২০১৮-২০২৩ অর্ধ দশক ব্যাপী পরিচালিত গবেষণায় তা-ই আশংকা করা হচ্ছে।
►Irrstc উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে যে, মানুষ যতই পরিবেশ সচেতন হয়ে উঠছে ততই মানব মনে বিজ্ঞানের প্রতি বিতৃষ্ঞা, ঘৃণা সৃষ্টি হচ্ছে যার অন্তনির্হিত কারণ হচ্ছে, প্রযুক্তির অপব্যবহার জনিত সৃষ্ট দূষণের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে পরিবেশ বিপর্যয় । এ প্রসঙ্গে কার্ল সাগানের স্ত্রী.. বলেনঃ আমি অনেক মেধাবী ছেলেকে চিনি যারা বিজ্ঞানকে ঘৃণা করে।
বিজ্ঞানের গর্ভজাত সন্তানরূপ প্রযুক্তির কল্যাণের জন্য অআজ বিজ্ঞান সর্বসাধারণের কাছে জনপ্রিয়। একসময় বিজ্ঞান ছিল ধর্মাবম্বীদের নিকট ঘৃণিত যা প্রযুক্তির অকল্যাণকর ভূমিকার কারণে বিজ্ঞান অআবারও হয়ে উঠছে নেতিবাচক, জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পরিবেশ সচেতনার নামে বিজ্ঞান বিরোধিতা। ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছেঃ দাও ফিরে অরণ্য লওহে নগর-রবী ঠাকুরের শতাধিক বছরের পুরোনো আকুতি।
আশংকা করা হচ্ছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নামে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলেকচুয়ালিটি মানব জীবনধারাকে আরো বিপর্যস্ত করে তুলবে।আর্টিফিশিয়াল ইনটেলেকচুয়ালিটিতে নির্মিত কুমীর আস্ত মানুষ গিলে খাওয়া এমনকি আর্টিফিশিয়াল ইনটেলেকচুয়ালিটির মাধ্যমে নির্মিত প্রাণীর হাতে স্বয়ং এর নির্মাতাকে নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। যা উদ্বেগজনক। বিশেষ করে মানব কল্যাণকর খনিজ ইউরেনিয়াম যেদিন থেকে অ্যাটম বোমার উপাদানে পরিণত করে হিরোশিমা-নাগাসাকিতে মিনি প্রলয় ঘটানো হয়েছে তখন থেকেই বিজ্ঞানের ভাব মর্যাদা হ্রাস পেতে শুরু করে।
উপরোক্ত বাস্তবতার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানীদের জন্য আবারও দুর্দিন ফিরে আসছে যা অনাকাঙ্খিত, অনভিপ্রেত।সুতাং জরুরী ভিত্তিতে অমীমাংসিত বিষয় মীমাংসায় এগিয়ে অআসতে হবে । মনোসংযোগ দিতে হবে মানব কল্যাণবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে। এ পর্যন্ত ক্ষতিকর প্রযুক্তিকে কল্যাণে রূপান্তরে নিরবচ্ছিন্ন গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে।নচেৎ বিজ্ঞানের ভবিষ্যত অন্ধকার যার অআশংকা অনেক অআগে করেছিলেন কার্ল সাগান এই বলেঃ
► কার্ল সাগানের মতে বিজ্ঞানে কিছু অমীমাংসিত বিষয় রয়েছে যা তিনি মৃতাুর আগ পর্যন্ত মীমাংসার প্রত্যাশা করতেন।Irrstc মনে করে আপাততঃ দৃষ্টিতে অমীমাংসিত বিষ য় গুলি ইতিমধ্যে মীমাংসা হয়ে গেছে। একীভূতকরণ তত্ত্ব আইনস্টাইন নিজেই একীভূত করে নোবেল পর্যন্ত পেয়েছেন তা হচ্ছে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সাথে কোয়ান্টাম একীভূত করে ফটো ইলেকট্রিক তত্ত্ব আবিস্কার।
► স্ট্রিং তত্ব প্রমাণিত হয়েছে ২০১২ সালের ৪ জুলাই, বুধবার হিগসবোসন কণা আবিস্কারের মধ্য দিয়। ১০-৩৩ সেঃমি মাত্রার মাইক্রোস্কোপের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।
►
►
►
মধ্যপন্থা এবং বিজ্ঞান
মহাকর্ষকে খুব ছোট করে দেখার যেমন জো নেই তেমনি খুব বড় করে দেখারও সুযোগ নাই বরং এটিকে মধ্যপন্থায় বিবেচনা করা যেতে পারে মর্মে অআই.অআর.অআর.এস.টি.সি. মনে করে।
মহাকর্ষ কীভাবে কাজ করে, সে ব্যাপারে কোনো কোয়ান্টাম চিত্র পাওয়া যায় না। যার কারণে ৪ মহাবলের একবল হওয়া সত্ত্বেও মহাকর্ষ বলের স্বীকৃতি নেই স্টান্ডার্ড মডেল থিওরিতে।
► মহাকর্ষের দুর্বলতা ব্যাখ্যার জন্য মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটি আইডিয়া হলো অতিরিক্ত মাত্রার ধারণা। এ ধারণামতে, আমরা চার মাত্রা নয়, তার চেয়ে বেশি মাত্রার বিশ্বে বাস করি। কিছু পদার্থবিদ বলেন, মহাকর্ষ অন্য মাত্রাগুলোতে চলে যাওয়ার কারণে দুর্বল হয়ে গেছে। অতিরিক্ত মাত্রাগুলোকে আমলে নিলে মহাকর্ষ আসলে অন্য বলগুলোর মতোই শক্তিশালী। কিন্তু সেটিও ঠিক নয়, বেঠিক তা প্রমাণ করার উপায়ও এখনো আমাদের জানা নেই। তাই মহাকর্ষ এখনো আমাদের কাছে বড় একটি রহস্য।
► তাহলে রহস্যময় মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যা কী? এই বলটা দুর্বল কেন? কেন সেটি অন্য বলগুলোর মতো নয়? এর কারণ এমনও হতে পারে, মহাকর্ষ হয়তো বিশেষ কোনো বল। মহাকর্ষকে অন্য বলের মতো হতে হবে কিংবা একটিমাত্র তত্ত্ব দিয়েই সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হবে, এমনটা না–ও হতে পারে।
► বড় দৃষ্টিভঙ্গির দিকে আমাদের মন খোলা রাখতে হবে। কারণ, মহাবিশ্বের মৌলিক কিছু সত্য সম্পর্কে আমরা এখনো অন্ধকারে রয়ে গেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু অনুমান করেছি, যা পরবর্তী সময়ে ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিংবা নিদি৴ষ্ট বা বিশেষ কিছু শর্ত সাপেক্ষে তা সত্য। এমনও হতে পারে, আমাদের আগের জানা যেকোনো কিছুর চেয়ে মহাকর্ষ ভিন্ন কিছু। যার কথা আমরা আগে কখনো ভাবতে পারিনি। কিংবা কে জানে উল্টোটাও হয়তো সত্যি।তাই এটা আসলে কেমন, সে সম্পর্কে অনেক বেশি অনুমান করা বাদ দিতে হবে।
► মনে রাখতে হবে, আমাদের লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে পারা।
► কখনো যদি দেখা যায়, মহাকর্ষ বিশেষ কিছু এবং অন্যান্য মৌলিক বলের চেয়ে এটা একেবারেই আলাদা, সেটিই জোগান দিতে পারে মহাবিশ্বের বৃহৎ চিত্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু। এর মানে হয়তো মহাকর্ষ গভীর কিছু, যা মহাবিশ্বের নকশার মধ্যে গেঁথে আছে। মাঝেমধ্যে আমরা নিয়ম ছাড়াও ব্যতিক্রম থেকেও অনেক বেশি শিখতে পারি।
► মহাকর্ষের এই রহস্য বোঝা সম্ভব হলে মহাবিশ্ব ও চারপাশের জগৎকে বোঝার ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব পড়বে। মনে রাখতে হবে, মহাকর্ষ বিশাল বিপুল দূরত্বে কাজ করতে পারে। এটিই একমাত্র ও প্রধানতম বল, যা মহাবিশ্বের আকৃতি এবং তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।
► আইনস্টাইনের মহাকর্ষ তত্ত্ব মতে, ব্ল্যাকহোল জাতীয় ভারি বস্ত্ত স্থান-কালকে ভাঁজ কিংবা বাঁকিয়ে দেয়ায় স্থান কাল সংকুচিত হয়ে আসে ফলে , মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চলে যাওয়া যাবে চোখের পলকে সেটি সত্যে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো মহাকর্ষ।(বিজ্ঞানচিন্তা, প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৩, ১৫: ৪২ https://www.bigganchinta.com
সত্য/মিথ্যা ইয়েস অর নট (বাইনারি কোড)
https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল ।
প্লেটো আমার বন্ধু - এরিস্টটল আমার বন্ধু - কিন্তু আমার সবচেয়ে বড় বন্ধু সত্য।
সত্যকে কখনও সরলতার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়,
মূল লেখা ল্যাটিন ভাষায় যা নিউটন নিজেই লিখেছিলেন Quaestiones Quaedam Philosophicae [কিছু দার্শনিক প্রশ্ন] এই শিরোনামে (১৬৬৪ খৃষ্টাব্দ)
আর.আর.এস.টি.সি.মনে করে:যে সত্য মাত্র একটি শব্দের সরলতায় খুঁজে পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহঃ
► মহাবিশ্বের উৎসমূলঃ 'কুন' যা আল্লাহ তায়ালার আদেশবাচক কুদরতি শব্দ।
► মহাবিশ্বের সকল রহস্যের মূলঃ 'কুদরাত' যা বিনা উপাদান-উপকরণে এবং সর্বপ্রকার মুখাপেক্ষিকতা, নির্ভরতা মুক্ত আল্লাহ তায়ালার সুবহানানিয়াত আর সামাদিয়াতের অপূর্ব প্রকাশ
► মহাকর্ষ এবং তার গ্র্যাভিটনের উৎসমূলঃ 'রহমত'।
আর.আর.এস.টি.সি.মনে করে সত্য খুব কাছেও নয় আবার খুব দূরেও নয় বরং সত্য মধ্যবর্তী অবস্থানে অবস্থিত। সুতরাং, মহাকর্ষকে তাই খুব গভীর থেকেও ভাবা যাবে না,আবার খুব হালকাভাবেও মনে করা যাবে না।
► নিউটনের মধ্যাকর্ষণ নীতিতে পৃথিবীর মাটি মধ্যাকর্ষণ নামে আমাদেরকে টানে। এই টানার ব্যাখ্যা কি? কোন্ শক্তিবলে ভূত্বক আমাদেকে আটকিয়ে রাখে? যদি ধরা হয় পৃথিবী অআস্ত খনিজ আয়রন সমৃদ্ধ এবং পৃথিবীর অআকাশে অবস্থিত রয়েছে চৌম্বক শক্তি। ভূত্বকের আয়রণ চৌম্বক শক্তির সাথে প্রবলভাবে অআকর্ষিত হয় ফলে সৃষ্টি হয় মধ্যাকর্ষণ কিংবা গ্র্যাভিটন শক্তি। সাধারণতঃ চুম্বকের অআকর্ষণ ক্ষমতা রয়েছে সত্য কিন্ত্ত লোহা যদি বড় হয় অআর চুম্বক যদি ছোট হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবে লোহা চুম্বককে অআকর্ষণ করবে। অআর যদি চুম্বক বড় হয় তাহলেও কেবল চুম্বক লোহাকে টানবে। পৃথিবী যেহেতু বৃহদাকারের সেহেতু ভূত্বক চুম্বককে টানার কারণে মধ্যাকর্ষণ শক্তির উদ্ভব ঘটে। এই ব্যাখ্যাও ধোপে টিকছে না এ কারণে যে, মানবসহ প্রাণীদেহ খনিজ অআয়রণ সমৃদ্ধ।ফলে পৃথিবীর উর্ধ্বে অবস্থিত চৌম্বক ক্ষেত্রের অআকর্ষণে মানব এবং প্রাণীদেহ অআকর্ষিত হওয়ার পাশাপাশি বায়ুর উর্ধ্বংচাপের কারণে অআমরা দ্রুত উপরে উঠে যাওয়ার কথা।সুতরাং মহাকর্ষকে সহজ-সরলতার মধ্য দিয়ে খুঁজতে হবে।
► সত্যকে কখনও সরলতার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন এর সত্যের এই সরল সংজ্ঞায় মহাকর্ষকে ধরা যায় স্রেফ প্রকৃতির অপার দান হিসাবে যার আধ্যাত্মিক পরিভাষা হচ্ছে ফাদলুল্লাহ, রহমত উল্লাহ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ ধান গবেষণা সংস্থা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল একটি ধানের নাম রহমত। আল্লাহ যদি মানুষের প্রতি দয়া করতে চান-কে আছে তার প্রতিরোধক? মানবসহ প্রাণীকূলের প্রতি অআল্লাহর অপার দয়া হচ্ছে,বায়ুর প্রবল উর্ধ্বচাপ উপেক্ষা করে ভূত্বকে আঁঠার মতো লেগে থাকার ক্ষমতা দান।
উল্লেখ্য, শত বছর পূর্ব থেকে দাবী উঠেঃ দাও ফিরে অরণ্য, লওহে নগর বলে। ১৯৭০ সালে প্রথমবারের মত পরিবেশ সমাজবাদীরা ওয়াশিংটনে পালন করেছিলেন Earth Day যা বর্তমানে COP-পরিণত হয়েছে।
সাগান দম্পতি বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য সাগানই প্রথম সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানের জটিল ও দুরূহ বিষয়গুলো সুন্দর এবং সহজবোধ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে বিজ্ঞানবিষয়ক পাঠ-কে সফলভাবে জনপ্রিয় করে তোলেন। তিনি একক ও যৌথভাবে প্রায় ২৯টি বই রচনা করেন। ১৯৭৮ সালে কসমিক ক্যালেন্ডারসহ মানব মস্তিস্ক, বুদ্ধিমত্তার ক্রমবিকাশ এবং এর ভবিষ্যত নিয়ে রচিত দ্য ড্রাগন অব দ্য ইডেন গ্রন্থের জন্য সর্বোচ্চ মার্কিন সাহিত্য পুরস্কার পুলিৎজার পদক লাভ করেন কার্ল সাগান। সাগান বলেনঃ আমরা একটি বিজ্ঞানভিত্তিক সভ্যতা গড়ে তুলেছি, যেখানে জ্ঞান ও জ্ঞানের বিশুদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সাগান তাঁর মৃত্যুর আগে লেখা বই দ্য ডেমন হান্টেড ওয়ার্ল্ড-এ এই বলে সতর্ক করে দিয়েছেন, প্রাযুক্তিক উন্নতির সঙ্গে বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটানো না গেলে অন্ধকার যুগ আসন্ন। অন্যদিকে ফরাসী সমাজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম সরোকিন বলেনঃ We are living in a dying culture. বিজ্ঞান কখনো শেষ হবে না এবং আমরা পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে পারি আমাদেরর প্রশ্ন করার সাহস ও উত্তরের গভীরতা দিয়ে।
জ্ঞান নির্ভর বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পাওয়া যায় কল্যাণকর প্রযুক্তি। পক্ষান্তরে অজ্ঞতা নির্ভর গবেষণায় রয়েছে অ্যাটম বোমা সহ মরণাস্ত্র উদ্ভাবন। সাগান যথার্থ বলেছেনঃ জ্ঞান ছাড়াতো কোনো মানুষের মানবিক আচরণ বিকাশ লাভ করতে পারে না, সে যথার্থ সভ্যও হতে পারে না। তার কাছে ন্যায়নীতি ও পরিমিতিবোধের আচরণ আশা করা বৃথা। তাদের দিয়ে যেকোনো ধ্বংসাত্মক ও স্বেচ্ছাচারী কাজ সহজে করিয়ে নেওয়া সম্ভব।
►Irrstc এর মতে, প্রযুক্তির অপব্যবহার বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানীদের জন্য স্লো পয়েজনরূপে কাজ করছে এবং ক্রমেই গ্যালিলিও, কোপার্নিকাসের পরিণতির দিকে এগুচ্ছে কারণ, মানুষ দ্রুতই পরিবেশ সচেতন হয়ে উঠছে।
►Irrstc এর রিপোর্ট নং-০২ঃ মানুষ পৃথিবীতে দ্রুত নেতৃত্ব-কতৃর্ত্ব হারাতে যাচ্ছে!
কোভিড-কে করোনাভুক্ত করা ভুল মনে করে Irrstc বরং এই দীর্ঘস্থায়ী মহামারিকে ডার্ক কিংবা এক্স মহামারি ঘোষণা করা দরকার। এই ভাইরাস পূর্ববর্তী করোনা পরিবারভুক্ত ভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ পৃথক এক অভূতপূর্ব এবং অভিনব। এটা অনেকটা ভিঅআইপির দাবী রাখে।এর সংক্রামন ভিইঅআইপে বেশি কার্যকর।চীন থেকে বাংলাদেশ, পাকিস্তান,মায়ানমার পেরিয়ে ইউরোপের প্রবেশদ্বার তুরস্কে হামলার পর প্রায় পুরো ইউরোপে প্রচন্ডভাবে জেঁকে বসে ১০ নং ডাউন স্টিটের শীর্ষ কর্তাকে সংক্রমিত করে তা অআরও বেগবান হয়ে অ্যাটলান্টিক পেরিয়ে একেবারে হোয়াইট হাউজে হামলে পড়ে।সবচেয়ে স্বাস্থ্যসচেতন দেশ এবং নাগরিক যেন এই ডার্ক মহামারি করোনার যেন মিশন-ভিশন।মহামারির স্বভাবজাত ধর্মঃ সংক্রামণতা যার জন্য জরুরী ছিল দূরত্ব বজায় রাখা।বিশ্বের সবচেয়ে ঘন বসতি দেশ বাংলাদেশ ছিল করোনার টেষ্ট কেইস।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অআশংকা ছিল বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়েে করোনা কবলিত দেশ। গবেষকের মতে বাংলাদেশের যে স্থান সবচেয়ে করোনা কবলিত হওয়া ভাইরাসের স্বভাবসিদ্ধ নিয়ম অনুসাযী তা হচ্ছে বাংলাদেশের বিভাগীয় জেলা চট্টগ্রামের ২৯ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত কদমতলীর ট্রাক ঘাটিতে।এতে প্রচুর লোকে লোকারাণ্য ছিল কোভিডের সময়। কিন্ত্ত সংক্রমিত হওয়ার তথ্য নেই।
এটি সরাসরি হামলে পড়ে শিল্পোন্নত ইউরোপে
►Irrstc এর গবেষণায় জানা যায় যে, মানুষ ক্রমেই অনৈতিক প্রবণতার কারণে পৃথিবীতে বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে এবং ভিন গ্রহের অতিবুদ্ধিমান প্রাণীর পৃথিবী দখলে নেয়ার যে আশংকায় স্টিফেন হকিং মৃত্যুর পূর্ববতী কয়েকটি বছর কাটিয়েছিলেন সে অআশংকার অনেকটা সত্য হয়ে দেখা দেয় করোনার নামে আবির্ভূত অদ্ভূতুড়ে এক ভাইরাস যা প্রায় পুরো পৃথিবী দখলে নিয়ে এখনও তার অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন রূপ লাভ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান ২০২০ সালের জানুয়ারিতে করোনাকে বিশ্ব মহামারি ঘোষণার পর জাতিসংঘ মহাবিশ্ব আশা করেছিলেন যে, অন্ততঃ লকডাউন অবস্থায় মানুষ পরস্পর দ্বন্দ্ব-সংঘাত থেকে বিরত থাকবে। মহাসচিব বিশ্ববাসীর উদ্দেশ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত ভুলে একযোগে কোভিড করোনাকে জয় করার জন্য উদাত্ত আহবানও জানিয়েছিলেন ।পরিতাপের বিষয়, রেডএলার্ট চলাকালীন সময়েও বিশ্বের কোথাও কোথাও চলে সীমান্ত সংঘর্ষ থেমে ছিল না। এমনকি এ সময়েই উদ্ভব হয় রুশ-ইউক্রেন ছাপিয়ে ইসরাইল-গাজা কেন্দ্রিক যুদ্ধ তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের আশংকা।
Comments
Post a Comment