অবশেষে নাস্তিকদের গডের সন্ধান পাওয়া গেছে!
অবশেষে নাস্তিকদের গডের সন্ধান পাওয়া গেছে!
আইজাক_নিউটন বলেনঃ
► "একজন স্বর্গীয় মাস্টার সমস্ত বিশ্বকে মহাবিশ্বের সার্বভৌম হিসাবে পরিচালনা করেন। তাঁর পূর্ণতার কারণে আমরা তাঁকে বিস্মিত করি, আমরা তাঁকে সম্মান করি এবং তাঁর সীমাহীন ক্ষমতার কারণে তাঁর সামনে পড়ে থাকি....যাকে আমি প্রভু ঈশ্বর বলি"।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)।
► মাধ্যাকর্ষণ গ্রহগুলির গতি ব্যাখ্যা করে, তবে কে গ্রহগুলিকে গতিশীল করে তা ব্যাখ্যা করতে পারে না। মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে। কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন।
► আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)।
► আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই।
► অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে।
► আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)।
Science is not only compatible with spirituality, it is a profound source of spirituality.(Calr sagan, American renewd phisicst)
বিজ্ঞান শুধুমাত্র আধ্যাত্মিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এটি আধ্যাত্মিকতার একটি গভীর উৎস।
► "যে অর্ধহৃদয় চিন্তা করে, সে ঈশ্বরে বিশ্বাস করবে না" https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)।
► নাস্তিকতা এত নির্বোধ। অথচ যখন আমি সৌরজগতের দিকে তাকাই, আমি আলোর সঠিক পরিমাণ পেতে পৃথিবীকে সূর্য থেকে সঠিক দূরত্বে দেখি।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)।
https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
উল্লেখ্য, ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানমতে, সব কিছু আলাদা, আলাদা। যা দেখা যায় না তার অস্তিত্ব নাই। এমতের বিজ্ঞানপন্থীদের দাবী ছিলঃ যেহেতু গড-কে দেখা যায় না সেহেতু ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানমতে, গড না থাকারই কথা।
পক্ষান্তরে কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞান মতে, যা দেখা যায় তা আসলে তা নয়। কণা ডিটেক্টর দিয়ে দেখা হলে কোনো বস্ত্তকে কণা রূপে দেখা যাবে, কিন্ত্ত যখন তা তরঙ্গ ডিটেক্টরে দেখা হবে, তখন বস্ত্তকে কণারূপে দেখা যাবে না, দেখা যাবে তরঙ্গ আকারে।
উদাহরণস্বরূপ, খালি চোখে মাথাকে যদি চুল ওয়ালা দেখা যায়, এক্সরেতে তা দেখা যাবে মাথার খুলিরূপে, এম.আর.আই-তে দেখা যাবে,শত সহস্র স্ট্রিং বা সুতা মতো অসংখ্য রগ রেশা আকারে। ইলেক্ট্রনের দ্বৈত রূপ দেখা যায়। কখন কণা আকারে, কখনও তরঙ্গ আকারে। সুতরাং প্রতিটি বিষয় এবং বস্ত্ত আপেক্ষিক, ইনভেরিয়েন্ট অর্থাৎ সুনির্ধারিত নয়।
পদার্থ বিজ্ঞান বিশ্বাসের ক্ষেত্রে দেখার শর্তকে বাদ দিয়েছে অনেক আগে স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্কের ক্ষেত্রে। প্রাণীর দেহ দেখি, প্রাণীর প্রাণ দেখি না সত্য,কিন্ত বলে থাকি,লোকটি প্রাণ ত্যাগ করেছেন। চাঁদ সূর্য কিভাবে সৃষ্ট? এর উত্তরে বলিঃ প্রাকৃতিকভাবে। কিন্ত্ত প্রকৃতি কি? এটা একটি বিশ্লেষণবিহীন অ্যাবাস্ট্রাক্ট বা Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয়।
মানব মন সহজাতভাবে সত্য প্রবণ। বলা হয়ে থাকে, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মে। স্পিনজো বলেনঃ মানব মনের মহত্তর কল্যার হচ্ছে, স্রষ্টাকে জানা। এই চাঁদ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে? এ প্রশ্নের মানব মনের কারো নির্ভিক উত্তর হচ্ছেঃ প্রাকৃতিকভাবে কারো উত্তর হচ্ছেঃ গড,ঈশ্বর,খোদা কিংবা আল্লাহ। প্রশ্ন হচ্ছেঃ প্রকৃতি কি? কিরূপ? এর উৎস কোথায়? কিভাবে আমরা নির্ভিকভাবে বলে থাকিঃ মানব হস্তমুক্ত সব কিছু প্রকৃতির অপার দান। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বলিঃ প্রকৃতির রুদ্ররূপ, অন্যায়ের প্রতিফলকে কিভাবে বলিঃ প্রকৃতির প্রতিশোধ। প্রকৃতি শব্দের মধ্যে নিহিত রয়েছে SUPER NATURAL, SUPER POWER, SUPER CONCESSION, SUPER COSMIC, SUPER ENERGY অতীন্দ্রীয় (অ্যাবস্ট্রাক্ট)বিষয় বুঝানো হয় যা Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)।
মানব মন সহজাতভাবে সত্য প্রবণ হওয়ার কারণে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে অআগত রুশ স্যালভেজ দলের জনৈক রুশ সদস্যের অনন্ত প্রশ্ন ছিলঃ গড কোথায়?
রুশ নভোচারী কমরেড ইউরি গ্যাগারিন মহাশুন্যে খুঁজেছিলেন গড-কে। প্রকৃতিকে যেমন খুঁজে পাওয়া যাবে না, তেমনি গড,ঈশ্বরকেও নয়।কারণ, তিনি সৃষ্টি নয়, স্রষ্টা।বিনা উপকরণ,উপাদানে যিনি সব কিছু সৃষ্টি করেন তিনিই গড।কার্ল সাগান যথার্থই বলেছিলেনঃ সৃষ্টির মধ্যে স্রষ্টাকে পাওয়া যাবে না।ইসলামী মতে, সৃষ্টির মধ্যে স্রষ্টার সৃষ্টিশীল সত্বার প্রমাণ পাওয়া যাবে, স্রষ্টার অস্তিত্ব নয়। সেমতে, হিগস বোসন কণা গড পার্টিকেল নয়, গড'স পার্টিকেল। উল্লেখ্য, বস্ত্তকণা হিগস বোসনের মধ্যে গড-কে পাওয়ার জন্য প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে কণাচূর্ণকরণ সাইক্লোটন যন্ত্র স্থাপনের উদ্যোগ সরকারীভাবে নেওয়া হয় এ শর্তে যে, যাতে গডের সন্ধান পাওয়া যায়। মার্কিন জ্যোতিপদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের উক্তি করে বলা হয় এতে স্রষ্টাকে পাওয়া যাবে না। ফলে অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে দেওয়া হলে ইউরোপে প্রতিষ্ঠিত হয় ল্যার্জ হ্যাড্রন কণা চূর্ণকরণ যন্ত্র। কথিত আছে যে, মার্কিনিরা প্রত্যাহিক কাজে গডের অস্তিত্ব অনুভব করে থাকেন। সরকারীভাবে ডলারে লিখিত অআছেঃ We trust in God:
অআমরা গডে বিশ্বাস করি।এ কারণে মার্কিন সরকারসমূহ স্মায়ু যুদ্ধকালীন সময়ে কমিউনিস্ট বিরোধী ছিল।
মাঝে মাঝে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয়ের সম্মুখীন হলে আমরা বলি, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য,অলৌকিক ইত্যাদি।
NATURE, “নিউটনের চরিত্র সাধারণ লোকের চরিত্রের ন্যায় নহে। উহা এমন সুন্দর যে চরিতাখ্যায়ক ব্যক্তি লিখিতে লিখিতে পরম পরিতোষ প্রাপ্ত হন। এবং যে উপায়ে তিনি মনুষ্য মণ্ডলী মধ্যে অবিসংবাদিত প্রাধান্য প্রাপ্ত হইয়াছিলেন তাহা পর্য্যালোচনা করিলে মহোপকার ও মহার্থ লাভ হইতে পারে। নিউটন অত্যুৎকৃষ্ট বুদ্ধিশক্তি সম্পন্ন ছিলেন; কিন্তু তদপেক্ষায় স্থানবুদ্ধিরাও তদীয় জীবনবৃত্ত পাঠে পদে পদে উপদেশ লাভ করিতে পারেন” (সূত্রঃ ১. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, জীবনচরিত- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, প্রকাশক- সংস্কৃত প্রেস ডিপোজিটরি, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১২৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭, ২. https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)।
“অসামান্য প্রতিভাবান ছিলেন নিউটন, বিস্ময়কর ছিলেন সব দিকে,- অদ্ভুত, দুর্গম, অন্যমনস্ক, অমানবিক, নক্ষত্রের মতো সুদূর; মানুষ ছিলেন তিনি, তবু যেন মানুষ ছিলেন না, ছিলেন প্রাকৃতিক শক্তির মতো, যাঁর কাছাকাছি যাওয়া ছিল অসম্ভব” (হুমায়ুন আজাদ) https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
Comments
Post a Comment