নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের পথে পুরাতন পৃথিবী (অংশ ০১)
নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের পথে পৃথিবী
বলা হয়ে থাকে, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু হয়েছিল, সেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল। রাতে পূর্ণিমায় চাঁদের জোৎস্মার আলো দেখে,আমাবস্যায় ঘন অন্ধকারে তারা ভরা সুবিস্তৃত আকাশ-মহাকাশদেখে,দিনে সূর্যের প্রখর তাপ অআর উজ্জ্বল আলো দেখে,বিশাল সাগরে জোয়ার-ভাটা দেখে, ঘন পল্লবে পল্লবিত, পাখ-পাখালি আর কীট-পতঙ্গ,জীব-জন্ত্রর সরব উপস্থিতিতে একাকার বন,মহাবন, সুউচ্চ পাহাড়-পর্বত দেখে, সমতলে সবুজ শ্যামল ফসলাদি দেখে অনন্ত প্রশ্ন জেগেছিল সেই উষাকাল থেকেঃ এসব এলো কীভাবে?
সাধারণ মানুষের আদি এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা আরেক প্রশ্নের সম্মুখীন হন। প্রশ্নটি হচ্ছেঃ প্রকৃতিতে এতো এতো বস্তুকণা-এসব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে সর্বপ্রথম প্রাচীন গ্রীসের দার্শনিক-বিজ্ঞানী ডেমোক্রিটাস বস্তুমূলের উৎস খুঁজে পান অ্যাটমের মধ্যে যা বর্তমানে প্রত্যক্ষভাবে ১০-১৬ সেন্টিমিটার মাত্রার কোয়ার্কে ঠেকেছে ।
উল্লেখ্য, ১০-৩৩ সেন্টিমিটার মাত্রার স্ট্রিংয় এবং তার কম্পন এখনও পরীক্ষাধীন। যদিও IRRSTC এর এক দীর্ঘমেয়াদী গবেষণায় বলা হয়, স্ট্রিংয়ের প্রমাণ রয়েছে ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক হিগস বোসন কণা অআবিস্কারের মধ্যে। সার্ণের কণা চূর্ণকরণ সাইক্লোটন যন্ত্র ল্যার্জ হ্যাড্রনে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন,ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে প্রথমবারের মতো ভরসম্পন্ন অআদি কণা হিগসবোসন কৃত্রিমভাবে উৎপন্ন করা হয়েছে যাতে প্রমাণিত হয় কম্পন কণা উৎপন্নের উৎস। তবে, অ্যাটম, কোয়ার্ক কিংবা স্ট্রিং এবং তার কম্পন ইত্যাদি যাই হোক না কেন, সবই বস্ত্তকণারই উৎসমূল মাত্র। তবে, বস্ত্তকণার এই উৎসমূল কি দিয়ে তৈরি-কেউ জানে না।
বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী,বিগ ব্যাং তত্ত্বের অন্যতম স্থপতি স্টিফেন হকিংয়ের মতে, এক সময় মহাবিশ্ব বলতে কিছুই ছিল না। শুন্য থেকে এই মহাবিশ্বের উদ্ভব ঘটেছে। পক্ষান্তরে শুন্য অবস্থায় শক্তি বিরাজমান থাকা কোয়ান্টাম মেকানিক্সে নতুন কথা নয়(সূত্রঃবিজ্ঞানচিন্তা)। অর্থাৎ শুন্য কেবল শুন্য নয়,শক্তির আধার বা ভান্ডার।শক্তির এই একক মূল ভান্ডারের একক নাম হচ্ছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যাতে বিগ ব্যাংয়ের আগে ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটারসহ ৪ মহাবল যথাক্রমে ১.সবল নিউক্লিয় বল ২.দূর্বল নিউক্লিয় বল ৩.বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বল এবং ৪. মহাকর্ষ বল একীভূত ছিল। 1
উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে প্রাপ্ত মহাজাগতিক ব্যাক গ্রাউন্ড রেডিয়েশনের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে রচিত মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং ঘটে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে।
সুতরাং, সংগত কারণে প্রশ্ন উঠে যে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের উৎসমূল কী এবং কীভাবে? অবশ্য এ ধরণের প্রশ্ন মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে আজও জোরালোভাবে উঠেনি। বরং পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয়েছে, এ জগতে এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ ধরায় পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে মার্কিন্ জ্যোতি-পদার্থবিজ্ঞানী কার্ল সাগান বলেনঃ পৃথিবীকে অর্থবহ করে গড়ে তুলতে প্রয়োজন সাহসী প্রশ্ন এবং তার উত্তরের গভীরতা।
এমতাবস্থায় IRRSTC মনে করে, অর্থবহ পৃথিবীর জন্য প্রয়োজন হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের উৎসমূল কী এবং কীভাবে? এ ধরণের প্রশ্নের উপস্থাপন।
যেহেতু হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন হচ্ছে চার মহাবলের একক রূপ অবস্থা।বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে চার মহাবল একত্রে ছিল,এমনকি বিগ ব্যায়ের শুরুতেও নাকি চার মহাবল একত্রে ছিল পরে পৃথক হয়েছে। প্রশ্ন দাড়ায় যে,হাইয়েস্ট এনার্জেটিক কি দ্বারা তৈরি? কেউ জানে না।প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে।মহাবিশ্বের বস্তগত অবকাঠামোর মূল যদি শক্তি হয়,তাহলে প্রশ্নঃশক্তি কিসের দ্বারা তৈরি? প্রশ্নের পর উত্তর এবং উত্তরের পর প্রশ্ন-এভাবে কাল কেয়ামত পর্যন্ত প্রশ্নের পর প্রশ্ন, উত্তরের পর উত্তর। তাই বিজ্ঞানীদের স্বীকারোক্তিঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর পাওয়া যাবে না এই বিশ্বজুড়ে।মহাবিশ্ব কিদিয়ে তৈরি?বলা যায়ঃ মহাবিশ্ব কুদরতি শক্তি দ্বারা তৈরি। কে এই কুদরতি শক্তির সৃষ্টিকর্তা? মহাবিশ্বে এমন এক সত্বার যাঁকে হতেহবে এক,একক,অদ্বিতীয়,যিনি একাধারে সুবহা-ন,সামাদ।2
“আল্লাহ তায়ালা সমস্ত বস্তুকে পূর্ব উপাদান ব্যতীত সৃষ্টি করেছেন” (প্রাগুক্ত পৃঃ ১৬২(আল্লাহপাক) “বিশেষ মুছলেহাতের কারণে প্রথমে বিনা উপাদানে উপকরণে সৃষ্টি করে, সেই সব উপাদানের মাধ্যমে বিভিন্ন বস্তু সৃষ্টি করার ব্যবস্থা চালু করেছেন”(সূত্রঃ ফাতাওয়ায়ে সিদ্দিকীন, ১-৪ খন্ড, পৃষ্ঠা ১৬৩)উল্লেখ্য, এক সময় কেবলই আল্লাহ (ﺎﻠﻠﻪ) আর আল্লাহ-ই ছিলেন। মহান আল্লাহ ব্যতিত সৃষ্টি (ﻣﺨﻟﻖ) সত্বার কোন অস্তিত্ব কখনই ছিল না। কোন এক মহাসন্ধিক্ষণে আল্লাহপাক তাঁর কুদরতি এক মহাপরিকল্পনার (Master Plan) অধীনে ‘কুন’ হয়ে যাও‘’- এই কুদরতি আদেশ বা হুকুমবলে সম্পূর্ণ ‘নাই’ (Nil/Zero) থেকে কোন প্রকার জাগতিক তত্ত্ব, তথ্য, উপাত্ত, সূত্র, আইন-কানুন, বিধি-বিধান থেকে সম্পূর্ণ পুতঃপবিত্র (সুবহান) এবং অনির্ভরশীল(স্বমাদ) হয়ে সৃষ্টি করলেন এক মহাসৃষ্টি সত্বা (Great Creation) বা ﻣﺨﻟﻖ)-যাতে সম্মিলিতভাবে (Combined) নিহিত ছিল আকাশ/মহাকাশ[(ﺍﻠﺴﺎﻮﺍﺕ)( (Sky)] ও জমিন [ﻼﻠﺭﺽ Earth (পৃথিবী) আবার কোন এক বিশেষ মুহুর্তে তা পৃথক করে আজকের আসমান ও জমিন-এই দু’টি পৃথক পৃথক সত্বা সৃষ্টি করেছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক আল কোরআনে ফরমান, “কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অত:পর আমি উভয়কে খুলে দিলাম”। (সূরা আল-আম্বিয়ার ৩০নং আয়াত “উভয় (আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবী )-কে খুলে দিলাম”-খুলে দেয়ার এই পরম-চরম মুহুর্তটিকেই খুব সম্ভবতঃ বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় বলা হচ্ছে ‘মহাবিস্ফোরণ’ (Big Bang) এবং খুলে দেয়ার পূর্ব মুহুর্তের (আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবী একত্রিত রূপ-কে বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় বলা হয়েছে Highest Energetic Radiation.
“বিশ্ব বলিতে পূর্বে কিছুই ছিলনা”। (ফাতওয়ায়ে সিদ্দিকীন, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠাঃ ৭৪, কুরআন হাদীস রিসার্চ সেন্টার (ফুরফুরা দরবারের গবেষণা প্রতিষ্ঠান), প্রকাশনায়ঃ ইশায়াতে ইসলাম, কুতুবখানা, মার্কাজে ইশায়াতে ইসলাম, ২/২, দারুস সালাম, মীরপুর, ঢাকা-১২১৬), প্রকাশকালঃ সাবান-১৪২০হিজরি, নভেম্বর ১৯৯৯ ঈসায়ী “গোটা সৃষ্টিকূলের মধ্যে আল্লাহ তাআলার কুন ফাইয়া কুনের তাজাল্লীই বিরাজমান” (প্রাগুক্ত পৃঃ ৩৮)। কুন শব্দটি একটি কুদরতি শব্দ। কুন শব্দটি আল্লাহ পাকের কুদরতি শব্দ।কুদরাত এমন একপ্রকার ইমানিজমের ধারণা-বিশ্বাস হচ্ছে, সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। ইমানিশনিজম হচ্ছে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)|
Latin emanatus, past participle of emanare, from e- + manare to flow
Relavant Synonym for emanate
spring, arise, rise, originate, derive, flow, issue, emanate, proceed, stem mean to come up or out of something into existence.
spring implies rapid or sudden emerging.
arise and rise may both convey the fact of coming into existence or notice but rise often stresses gradual growth or ascent.
originate implies a definite source or starting point. বিষয়
উল্লেখ্য যে, মহাবিস্ফোরণের পর আকাশমন্ডলীর এ অবস্থাকে সূরা হা-মিম-আস্- সিজদা’র ১১নং আয়াতে ‘দুখান’ নামে অভিহিত করে আল্লাহ পাক ফরমান: “অতঃপর তিনি আসমানের দিকে মনোনিবেশ করলেন, যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ (দুখান)।” (পবিত্র কোরআনুল করীমঃ তফসীর মাআরেফুল ক্বোরআন, পৃষ্ঠাঃ ১২৯৪)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা নিম্নরূপ :
(১) বয়ানুল কোরআনে হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহঃ) বলেনঃ আমার মনে হয় যে, প্রথমে পৃথিবীর উপকরণ সৃজিত হয়েছে। এমতাবস্থায় ধুম্রকুঞ্জ এর আকারে আকাশের উপকরণ নির্মিত হয়েছে। এরপর পৃথিবীকে বর্তমান আকারে বিস্তৃত করা হয়েছে এবং এতে পর্বতমালা, বৃক্ষ ইত্যাদি সৃষ্টি করা হয়েছে। এরপর আকাশের তরল ধুম্রকুঞ্জ এর উপকরণকে সপ্ত আকাশে পরিণত করা হয়েছে। (পবিত্র কোরআনুল করীমঃ তফসীর মাআরেফুল ক্বোরআন, পৃষ্ঠাঃ ১১ (২) পবিত্র কুরআনের মতে, বিশ্ব জগৎ আদিতে ছিল একটি বিশালকার একক পিন্ডাকৃতির বস্তু-সুক্ষ্ণাতি সুক্ষ্ণ অণু-পরমাণু বিশিষ্ট গোলক-যাকে দুখান বলা হয়েছে। এই দুখান হলো স্তর বিশিষ্ট এমন এক গ্যাস জাতীয় পদার্থ যা স্থিরভাবে ঝুলানো এবং যার মধ্যে বস্তু-সুক্ষ্ণাতি সুক্ষ্ণ অণু কণা উচ্চতর বা নিম্নতর চাপের দরুণ কখনও কঠিন, এমনকি কখনও বা তরল অবস্থায় বিদ্যমান ছিল। মহাকালের বিভিন্ন পর্যায়ে সেই মহাপিন্ডটি খন্ড বিখন্ড হয়ে তৈরী হয়েছে এক একটি নীহারিকা বা ছায়াপথ এবং সেই সব ছায়াপথ সূর্যের মত কোটি কোটি নক্ষত্র নিয়ে একটা একটা পৃথক জগৎ রূপে মহাশূণ্যে সঞ্চারমান। আদি গ্যাসীয় পিন্ডের খন্ড বিখন্ড হয়ে পড়া বিশালকার টুকরাগুলি কালক্রমে আবার একীভুত হয়ে সূর্যের মত এক একটি নক্ষত্র সৃষ্টি করেছে। ...... বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্ব সৃষ্টির আদিতে ছিল ‘নীহারিকা’ বা ‘নেবুলা’ যা মূলতঃ গ্যাসীয় ধুম্রপিন্ড এর অনুরূপ। দেখা যাচ্ছে, বিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের বক্তব্য আধুনিক বিজ্ঞানের আবিস্কৃত তথ্যের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।” {সূত্র: কম্পিউটার ও আল-কুরআন)।
ﻻ ﻴﻌﺰﺐ ﻋﻨﻪ ﻣﺜﻗﺎﻞ ﺬﺭﺓ ﻓﻰ ﺍﻠﺴﻣﻮﺖ ﻮﻻ ﻓﻰ ﺍﻻﺭﺽ ﻮﻻ ﺍﺼﻐﺭﻤﻦ ﺬﻠﻚ ﻮﻻ ﺍﻜﺑﺮﺍﻻ ﻓﻰ ﻜﺘﺐ ﻤﺑﻴﻦ অর্থঃ “তিনি অদৃশ্য সম্বন্ধে পরিজ্ঞাত, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে অণু পরিমাণ কিছু কিংবা তদপেক্ষা ক্ষুদ্র অথবা বৃহৎ কিছু যাঁর অগোচর নয়; ওর প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট গ্রন্থে লিপিবদ্ধ।” (সূরাহ্ সাবা, আয়াতঃ ৩)
IRRSTC এর দীর্ঘমেয়াদী এক গবেষণায় পবিত্র কুরআনের সূরাহ হাদীদের ২৫নং আয়াত মূলে আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভরশক্তির সমীকরণ সমীক্ষায় যে শক্তিকে সকল বস্ত্তমূলের একক উৎসমূল হিসাবে সনাক্ত করেছে তা-ও বস্ত্তবিশেষ। ফলে সংগত কারণে অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে,পরম সত্যে পৌঁছার মাধ্যমে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স নামক নতুন বিজ্ঞানের সূচনা করা।
প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌছে (ফারাবী আল আরাবী)
IRRSTC মনে করে, পরম সত্যে পৌঁঁছার জন্য ফারাবী উক্ত প্রত্যেক বিষয় যে মূলে পৌঁছে সে মূলে পৌঁছা সম্ভবপর পবিত্র কুরআনের সূরাহ ইয়াসীনের নিম্নোক্ত আয়াতে কারিমার বিশ্লেষণের মাধ্যমে:
٨٢- إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ ◯
Verily, when He intends A thing, His Command is, “ Be ”, and it is !
(Source:i)
Sūra 36: Yā-Sīn (being Abbreviated Letters),Verses 83 —, Ayat: 82, Makki; Revealed at Makkah — Sections 5 https://quranyusufali.com/36/
আধুনিক কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরিতে এর উৎসমূল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং বলা হচ্ছেঃ এ ধরায় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর পাওয়া যাবে না।যদিও কার্ল সাগান বলেছিলেনঃ পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং তার জ্ঞানগর্ভ উত্তর প্রয়োজন। কিন্ত্ত ডেমোক্রিটাস,অ্যারিস্টটল,জাবের ইবনে হাইয়ান আল আরাবী,আইজাক নিউটন,মারে গেলমান, আলবার্ট আইনস্টাইন, কিংবা স্টিফেন হকিংসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানের মাধ্যমে আজও জানেননিঃ প্রকৃতিতে এতো এতো যে বস্ত্তকণা তা কি দিয়ে তৈরি? অথচ মহাবিশ্ব কিভাবে তৈরি-তার প্রায় চূড়ান্ত পর্ব জানা হয়ে গেছে বিগ ব্যাং থিওরির মাধ্যমে। এমনকি বিগ ব্যাংয়ের পূর্বেকার অবস্থায় কি ছিল- বিজ্ঞানীরা কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরি সূত্রে তা-ও জেনে গেছেন।
জানেননি কেবল কি দিয়ে তৈরি।রহস্যময়। তাছাড়া, বিশ্ব প্রকৃতিতে প্রায় সময় সংঘটিত অলৌকিক, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে প্রভৃতি মানব জ্ঞানে কুলায় না এমন ধরণের রসস্যময় এবং অমীমাংসিত ও অনাবিস্কৃত অজানাকে জানার আকাঙখায় বিজ্ঞানীরা গত বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে নতুন যে বিজ্ঞানের নামকরণ করেছিলেন তার নাম ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স।
কেউ বলেন, প্রাকৃতিকভাবে, কেউ বলেন সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা থেকে।। ইসলাম ধর্মমতে, সৃষ্টিকর্তা অআল্লাহ ইচ্ছা করেছেন তাই বলেছেনঃ কুন্ঃ হয়ে যাও।ফায়াকুনঃ তাতেই হয়ে গেছে। সৃষ্টিকর্তা এমন গুণের অধিকারি যাঁর নাম সামাদ এবং সুবহান।তিনি একাধারেঃ
٢٢- هُوَ اللَّـهُ الَّذِي لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ ۚ سُبْحَانَ اللَّـهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ ◯
Allah is He, than Whom There is no other Lord ;— The Sovereign, the Holy One, the Source of Peace (and Perfection), The Guardian of Faith, The Preserver of Safety, The Exalted in Might, The Irresistible, the Supreme : Glory to God ! (High is He) Above the partners They attribute to Him.
٢٣- هُوَ اللَّـهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯
He is Allah, the Creator, The Evolver, The Bestower of Forms (Or Colours). To Him belong The Most Beautiful Names : Spurce:
Sūra 59: Hashr, or The Gathering (or Banishment)Ayat:23-24,Verses 24 — Madani; Revealed at Medina — Sections 3 https://quranyusufali.com/59/
কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরিমত প্রথম সৃষ্টি হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন। তা যদি হয় শক্তি থেকে উৎপন্ন,তাহলে শক্তি কিভাবে সৃষ্টি হলো।যদি হিগসবোসন সব কিছুর উৎস হিগস বোসন এর সৃষ্টি পাওয়া যায় ফোটেন হিগস ফিল্ড থেকে শক্তি অআহরণ করে। প্রশ্ন শক্তি কিভাবে উৎপন্ন।দযিদ এর উত্তর পাওয়া যায় তাহলে অআরেজক প্রশ্ন উঠতে পারে।প্রশ্নের শেষ হবেনা, উত্তরেরও নয়।তাই প্রশন এবং উত্তরের শেষের জন্য এমন এক্ সত্বারর প্রয়োজন যা বিনা উপাদানের স্রষ্টা। তিনি হবেন সামাদ,সুবহান,আহাদ যিনি প্রথম মানবের স্রষ্টা।যিনি প্রাণের স্রষ্টা।প্রথম সৃষ্টির স্রষ্টা।
কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরিমতে যদি শক্তিকে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন-কে উৎসমূল ধরা হয় তাহলে পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে কিংবা পরম সত্যে পৌঁছার লক্ষ্যে যে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল তাকে অর্থবহ করতে শেষ প্রশ্ন হওয়া উচিত যে,শক্তির উৎসমূল কী? হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কী ছিল? পদার্থ বিজ্ঞানে এ ধরণের প্রশ্ন অআদৌ অআছে কি-না তা অআমাদের জানা নেই।এমনকি হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের ব্যাপারে বিস্তারিত অআলোচনা,গবেষণার কথাও অআমাদের জানা নেই। যা আছে তা শুধু বিগ ব্যাং সম্পর্কে। বিগ ব্যাং কিসের বিস্ফোরণে ঘটেছিল-এমন প্রশ্নও জোরালো নয়। কেবল ব্যাপকভাবে অআলোচিত হয়েছে,হচ্ছে হয়তো হবে বিগ ব্যাংয়ের পর মুহুর্ত থেকে এ পর্যন্ত কি কি ঘটেছিল তার বিস্তারিত বিবরণ। নিম্নে সংক্ষিপ্তাকারে বিগ ব্যাং পরবর্তী ঘটনাবলী পেশ করা হলোঃ
......................................................................
শান্তি মানব জাতির পরম প্রত্যাশিত বিষয়।
বিজ্ঞানীরা পৃথিবীতে মানব আত্মার উৎসস্থল বহুকাল যাবৎ খুঁজে সর্বসম্মত মত হচ্ছেঃ দূর আকাশের পৃথিবীতে পতিত গ্রহাণুর সাথে প্রাণের উপাদানও নিহিত ছিল। লাইফসাপোর্টের সময় ব্রেনের কর্মক্ষমতার উৎস হচ্ছে বহির্জাগতিক গামা রশ্মি। অধুনা নিউরো সায়েন্টিসরা প্রমাণ পেয়েছেনঃমানব মনে যে স্বাভাবিক বিষন্নতা তার কারণ, আত্মা বহিরাগত।
আমি অনেক মেধাবী ছেলেকে চিনি যারা বিজ্ঞানকে ঘৃণা করে। অ্যান ড্রুয়ান, মার্কিন বিজ্ঞান সোসাইটির নির্বাচিত সেক্রেটারি এবং প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি পদার্থবিজ্ঞানী কাল সাগানের স্ত্রী। এই দম্পতি জীবনের মূল্যবান সময় ব্যয় করেছিলেন বিজ্ঞানের জনপ্রিয়তা প্রতিষ্ঠার জন্য। সাধারণ মানুষ বিজ্ঞান বলতে সাধারণতঃ প্রযুক্তিকে বূঝে থাকে যদিও বিজ্ঞান এক ব্যাপক অর্থবহ বিষয় যার প্রাণ বা আত্মা হচ্ছে সত্যকে জানার গবেষণা।বলা হয়ে থাকে,বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু হয়েছিল যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল।
বস্ত্ততঃ প্রযুক্তি হচ্ছে বিজ্ঞানের দেহ। এই প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণে জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে মানুষ ক্রমেই পরিবেশ সচেতন হয়ে বিজ্ঞান বিরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। এর উপর চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নামে এ.আই এর ক্ষতিকর বিষয়ের প্রভাবের ব্যাপারে বিশ্ব নেতৃত্বের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বিজ্ঞানের স্বাভাবিক প্রবণতা ছিল জ্ঞাননির্ভরতা কিন্ত্ত বর্তমানে বিজ্ঞানীরা প্রযুক্তি নির্ভরতার উপর গুরুত্বারোপ করায় নিত্য নতুন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের বিপুল সমাহার ঘটাচ্ছে কিন্তু প্রকৃতিগত সত্যকে জানার অংগীকার নিয়ে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা তার পরিসমাপ্তি ঘটছে না। মহাকর্ষ এবং তার গ্র্যাভিটন সম্পর্কে, ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটার কি? ব্ল্যাকহোলের ঘটনাদিগন্তে অআলো ফিরে না অআসার রহস্য, সার্বিক একীভূত তত্ত্বের সম্ভাবনাময় সূত্র স্ট্রিং তত্ত্বের ব্যাপারে নেই কোনো বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি।তাই বিজ্ঞানকে প্রযুক্তি নির্ভরতার স্থলে জ্ঞাননির্ভরতায় ফিরিয়ে অআনা ছাড়া বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানীদের প্রতি অনাস্থার হার ক্রমেই বাড়ছে তা প্রতিহতকরণে জ্ঞাননির্ভর বিজ্ঞান চর্চার বিকল্প নেই।আমরা একটি বিজ্ঞানভিত্তিক সভ্যতা গড়ে তুলেছি, যেখানে জ্ঞান ও জ্ঞানের বিশুদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সাগান তাঁর মৃত্যুর আগে লেখা বই দ্য ডেমন হান্টেড ওয়ার্ল্ড-এ এই বলে সতর্ক করে দিয়েছেন, প্রাযুক্তিক উন্নতির সঙ্গে বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটানো না গেলে অন্ধকার যুগ আসন্ন। জ্ঞান ছাড়াতো কোনো মানুষের মানবিক আচরণ বিকাশ লাভ করতে পারে নাআ, সে যথার্থ সভ্যও হতে পারে না। তার কাছে ন্যায়নীতি ও পরিমিতিবোধের আচরণ আশা করা বৃথা। তাদের দিয়ে যেকোনো ধ্বংসাত্মক ও স্বেচ্ছাচারী কাজ সহজে করিয়ে নেওয়া সম্ভব।
সাগানই প্রথম সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানের জটিল ও দুরূহ বিষয়গুলো সুন্দর এবং সহজবোধ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে বিজ্ঞানবিষয়ক পাঠ-কে সফলভাবে জনপ্রিয় করে তোলেন। তিনি একক ও যৌথভাবে প্রায় ২৯টি বই রচনা করেন। ১৯৭৮ সালে কসমিক ক্যালেন্ডারসহ মানব মস্তিস্ক, বুদ্ধিমত্তার ক্রমবিকাশ এবং এর ভবিষ্যত নিয়ে রচিত দ্য ড্রাগন অব দ্য ইডেন গ্রন্থের জন্য সর্বোচ্চ মার্কিন সাহিত্য পুরস্কার পুলিৎজার পদক লাভ করেন কার্ল সাগান।
কার্ল সাগান বলেনঃ এমন অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা আছে, যেগুলোর ফলাফল জানার আকুল আকাঙ্খা আমার মধ্যে কাজ করেন। যেমন আমাদের সৌরজগতের বাকি গ্রহ-উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ বা আর কোনো জায়গায় প্রাণের অস্তিত্ব আছে কিনা।
আমি বুঝতে চাই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বাঁকগুলো-আশা ও ঝন্ঝাটপূর্ণ উভয়ই। এগুলোকে নিয়ে কাজ করে বের করতে চাই আমাদের প্রযুক্তির শুভ ও বিপজ্জনক দিকগুলো। যেমন প্রযুক্তিবিদ্যায় আরোহণ এবং আন্তনাক্ষত্রিক অভিযান।
এই বিশ্ব হলো অসম্ভব ভালোবাসা ও নৈতিক গভীরতায় পরিপূর্ণ নিদারুণ সুন্দর এক জায়গা। এ দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়ে মৃত্যুর দিকে তাকানো এবং প্রতিদিনই কৃতজ্ঞ হওয়া এই ভেবে যে, সংক্ষিপ্ত কিন্ত্ত অসাধারণ স্বপ্নময় এক সুযোগ “জীবন” আমাদের দিয়েছে। -(সেই জীবনটা কে দিয়েছেন? প্রশ্ন বটে) এর জবাব পৃথিবীর শতকরা ৯৯.৯৯ এর অধিক মানুষ দিতে সক্ষম সরাসরি গড শব্দযোগে বাকী .১ (দশমিক এক) শতাংশ পরোক্ষভাবে অ্যাবট্রাক্ট এক সত্বার প্রতি ইংগিত করে সত্বাটির নাম হচ্ছে নেচার।
উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে প্রথমতঃ এটা সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্যনীয় যে, বিগ ব্যাং পরবর্তী প্রতিটি ঘটনা একটা মহৎ উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত।অর্থাৎ শুরুতেই যে মহত্তর কাজের সুচনা ঘটে তা হচ্ছেঃ এনট্রপি।মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টির উদ্দেশ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মহাসৃষ্টির ক্ষেত্রে এনট্রপি এক মহামাইল ফলক বটে। যদি এনট্রপি না ঘটতো তাহলে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সংঘটিত মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) হয়ে পড়তো নিছক এক্সিডেন্ট বা দূর্ঘটনা।তাতে পর্যায়ক্রমে ৪ বল পৃথক হতো না।ভরশুন্য আলোর কোয়ান্টাম ফোটনের উদ্ভব হতো না,অআবার ফোটন হিগস ফিল্ডে বিরাজমান শক্তিক্ষেত্রের সংস্পর্শে এসে ভরত্ব লাভ করতে পারতো না। ফলে মহাবিশ্বের প্রথম আদি ভরসম্পন্ন কণা হিগস বোসন উৎপন্ন না হলে আমরা অআজকের দৃশ্যমান মহাবিশ্বের বস্ত্তগত মূল অবকাঠামো (স্ট্রাকচার) বা আকৃতি আমরা পেতাম না। পেতাম না চাঁদসহ সকল উপগ্রহ,পৃথিবীসহ সকল গ্রহ,সূর্যসহ সকল নক্ষত্র,মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথসহ যাবতীয় গ্যালাস্কি,কোয়াসার,ধুমকেতু,উল্কাপিন্ড ইত্যাদি।
দ্বিতীয়তঃ লক্ষ্যনীয় যে, মনে হয় পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই যেন মহাজাগতিক সব কিছুর বিন্যাস ঘটেছে। চাঁদ থেকে পৃথিবী বড়, পৃথিবী থেকে সূর্য বড় অর্থাৎ পৃথিবী থেকে চাঁদ ছোট,সূর্য থেকে পৃথিবী ছোট।কিন্ত এই তিন বিষয়কে এমন গাণিতিকসূত্রে অবস্থান করানো হয়েছে যাতে চন্দ্র কিংবা সূর্য গ্রহণের সময় মনে হয় চাঁদ-পৃথিবী-সূর্য আয়তনে সমান সমান।যার ফলে,চন্দ্র গ্রহণের সময় পৃথিবী চন্দ্রকে ঢেকে ফেলতে, সূর্য গ্রহণের সময় চাঁদ সূর্যকে ঢেকে ফেলতে সম্ভব হয়।সূর্যকে যেন পৃথিবীকে উপলক্ষ করে ৯কোটি ৩০ লক্ষ মাইল দূরত্বে স্থাপন করা হয়েছে যাতে তাপ এবং অআলো সহনীয় হয়। অন্যদিকে চাঁদকে এমন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে যাতে আকারে দৃশ্যতঃ পৃথিবী এবং সূর্যের সমানুপাতিক দেখা যায় এবং পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটায় ভূমিকা রাখা সম্ভব হয়।
তৃতীয়তঃ লক্ষ্যনীয় যে,অপরাপর গ্রহ,উপগ্রহের তুলনায় পৃথিবীকে প্রাণীর প্রাণধারন উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। এ পর্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে জানামতে, প্রাণীর প্রাণ ধারণের সেরা উপাদান অক্সিজেন একমাত্র পৃথিবীতে সরবরাহ করা হয়ে থাকে, অন্য কোন গ্রহ-উপগ্রহে আছে কিনা বিজ্ঞানীদের জানা নেই।প্রাণীর প্রাণ ধারণের দ্বিতীয় সেরা উপাদান পানি পৃথিবীর চারভাগের তিন ভাগেই বিদ্যমান রয়েছে। সাগরে পানি,নদীতে পানি, আকাশে পানি(বৃষ্টি), ভূগর্ভে পানি।
চতুর্থতঃ লক্ষ্যনীয় যে, মনে হয় মানুষকে উপলক্ষ্য করে সাগর-মহাসাগর,বন-মহাবন,সুবিস্তৃর্ণ সমতল ভূমি,কীট-প্রত্যজ্গ,জীব-জন্ত্তর বিপুল সমাবেশ ঘটানো হয়েছে।এ লক্ষ্যে একমাত্র মানুষকে কথা বলার শক্তি দেওয়া হয়েছে।দৈহিক শক্তি কম দেওয়া হলেও তার চেয়ে বেশী শক্তিধর যে গুণাবলী দেওয়া হয়েছে তা হচ্ছে জ্ঞান।এই জ্ঞানবলে আজ শতগুণ শক্তিধর বাঘ,সিংহ,হাতী-ঘোড়া আজ চিড়িয়াখানায় বন্দী যার কারণে এককালে যেমন ডাইনোসরের রাজ-রাজত্ব ছিল এখন পৃথিবীতে বাদশাহী চলছে মানুষের।পৃথিবীকে দেশওয়ারী ভাগ করে কেহ সৌদী আরবে বাদশাহী করছে, কেহ বৃটেনে, কেহ মালয়েশিয়ায়....। কার্ল সাগান প্রশ্ন করেছিলেনঃ আমরা কে? আমরা কেন? এ ধরণের প্রশ্ন না ডেমোক্রিটাস, না অ্যারিস্টটল না জাবের, না........কোনো কালেই ছিল না জোরালোভাবে।নতুন বিজ্ঞানে তা পেতে পারে প্রাধান্য।তাছাড়া, স্মল ব্যাং, মৃত্যু পরবর্তী জীবন,ঘুম, চিকিৎসা জগতে গামা রশ্মির প্রভাব,হার্টবিটের উৎস ইত্যাদি প্রাধান্য পেতে পারে।
IRRSTC মনে করে কুন শব্দ দিয়েও মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর ব্যাখ্যা মেলে যার উৎসমূলও শক্তি অর্থাৎ বস্ত্ত বা ম্যাটার। আপন ক্ষমতাবলে আমি আকাশ সৃষ্টি করেছি। স্তরে স্তরে সাত আকাশ সৃষ্টিতে রয়েছে জ্ঞাননির্ভর বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।
আলাম আন্নাল্লাহা আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, ওয়ান্নাল্লাহা কাদ আহাদা বিকুল্লি শাইয়্যিন ঈলমা।
বিজ্ঞানীদের স্বীকারোক্তি যে, তারা না পারেন মৌলিকভাবে কিছু গড়তে, না পারেন পুরোপুরি কিছু ভ্যানিশ করতে।যা পারেন প্রাকৃতিক মৌলিক বস্ত্তকণার একাধিক সংমিশ্রণ ঘটিয়ে যৌগিক বস্ত্ত তৈরি করা।
যেমন,মানুষ গাছকে কেটে কাঠে রূপান্তর করতে পারে।কোনো বিজ্ঞানী আজ পর্যন্ত অকৃত্রিমভাবে একটি গাছের চারাও সৃষ্টি করতে পারেন নি।যা পেরেছেন জেনেটিকভাবে কৃত্রিমভাবে করেছেন,করছেন।কোন কিছু জ্বালিয়ে ভ্যানিশ করতে চাইলে তা পরিণত হয় কার্বনে। হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনকে সৃষ্টির মূল ধরা হলে, এই রেডিয়েশনের মূল হবে কোনো প্রকার উপকরণ,উপাদানবিহীন। উপকরণ,উপাদানবিহীন কিছু সৃষ্টি সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীরাও পারেন নি।এ কারণে আবহমানকাল ধরে অতীন্দ্রীয় সত্বা বিশ্বাসী হয়ে সৃষ্টি কর্তা হিসাবে বরণ করে নিয়েছেন কেউ গড,ঈশ্বর,খোদা,আল্লাহ কিংবা প্রকৃতি বা নেচার নামে।মানব হস্তমুক্ত কোন বস্ত্ত বা বিষয়কে বলা হয় ন্যাচারাল বা প্রাকৃতিক কিংবা গড গিফট,খোদার দান। অন্যদিকে মানব হস্তযুক্ত কোনো বিষয় বা বস্ত্ত-কে বলা হয় আর্টিিফিশিয়াল বা কৃত্রিম।
ফিজিক্স বর্তমানে ম্যাটারিয়াল সায়েন্সে সীমাবদ্ধ।ফলে বিশ্ব প্রকৃতির পুরোটাই বর্তমানে বিদ্যমান ফিজিক্সের আওতাভুক্ত নয় অথচ পুরো মহাবিশ্বকে বুঝতে হলে ফিজিক্সের সনাতন সংজ্ঞায় ফিরিয়ে আনতে হবে।যেখানে অ্যাটম তত্ত্ববিদ ডেমোক্রিটাস, প্রাচীন পর্যায় সারণিবিদ জাবের ইবনে হাইয়ান, প্রাচীন পরমাণু তত্ত্ববিদ ফারাবী আল আরাবী,আধুনিক বিজ্ঞানের স্থপতি আইজ্যাক নিউটন আধুনিক পর্যায় সারণিবিদ ত্রিদিম, পরমাণু বিজ্ঞানী,কোয়ার্ক বিজ্ঞানী মারে গেলমান,অআপেক্ষিক তত্ত্ব বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন, কোয়ান্টাম মেকানিক্সের স্থপতি ম্যাক্স প্ল্যাজ্ক, অনিশ্চয়তাতত্ত্ব বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ,বিগ ব্যাং তত্ত্ব বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং প্রমুখ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের চিন্তা-ভাবনা,গবেষণা এবং আবিস্কার এ যাবৎকালে কেবল মহাবিশ্বের বস্ত্তগত ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সে কেন্দ্রীভূত। তা-ও আবার মহাবিশ্বের উদ্ভব কীভাবে? এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ, মহাবিশ্ব কী দিয়ে সৃষ্ট?এ প্রশ্নে নয়। ফলে বর্তমান এবং অতীত বিজ্ঞানে মহাবিশ্বের বস্ত্গত দিক থেকেও অআংশিক জ্ঞাত হয়েছে। নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের আলোকে উনবিংশ শতাব্দীতে ধারণা করা হয়েছিল যে, যা যা অআবিস্কার হওয়ার দরকার,তার সবই হয়ে গেছে। আর আবিস্কারের প্রয়োজন নেই। এত বিপুল কণা অআবিস্কার হচ্ছিল যে,এক বিজ্ঞানী জীবনে তিন তিন বার নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিল।বলা হচ্ছিল,কেউ আরর কণা অআবিস্কার করলে তাকে তিরস্কার করা উচিত। অথচ, মহাবিশ্বের স্বরূপ জানতে অপরিহার্য ছিল ভরসম্পন্ন বস্ত্কণা হিগস বোসনের যা একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে আবিস্কৃত হয়।মহাবিশ্বের মূলে পৌঁছতে,বস্তুর মূলে পৌঁছতে বিজ্ঞানীরা অতিপারমাণবিক অন্দর মহলে প্রবেশ করে সত্য,কিন্ত্ত তাতে পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের। পরমভাবে বিস্মিত হচ্ছেন যখন জানতে পারেন,মহাবিশ্বের অন্তত পঁচানব্বাই থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ জুড়ে অআছে ডার্ক এনার্জি অআর ডার্ক ম্যাটার।অর্থাৎ মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর জানার পরিমান মাত্র চার থেকে পাঁচ শতাংশ বাকীটা অজানা ডার্ক এনার্জি অআর ডার্ক ম্যাটারে ঢাসা।তাত্তিকঅআবে তিন বল-কে কোনভাবে এক করা গেলেও মহাকর্ষ এবং তার গ্র্যাভিটনের কূল কিনারা পাওয়া যাচ্ছেনা।তাছাড়া ব্ল্যাকহোলের ঘটনাদিগন্তে কী ঘটছে, কেন অআলো সেখান থেকে ফিরে অআসে না, বায়ুর প্রবল উর্ধ্বচাপ সত্ত্বেও অআমরা কীভাবে ভূত্বকে অআটকে অআছি বহালতবিয়তে ইত্যাকার বিষয়ের ব্যাখ্যা নেই মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে। বিজ্ঞানীরা সার্বিক একীভূত তত্তের যে অআশার অআলো দেখছেন স্ট্রিং থিওরিতে তা-ও বস্ত্গত দৃষ্টিতে।সুতরাং, মহাবিশ্বকে পুরোমাত্রাো জানতে, বুঝতে ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স নামক নতুন বিজ্ঞানের প্রবর্তন বা সূচনার বিকল্প নেই।
UPDATE
ডার্ক এনার্জির সমাধানঃ ডার্ক এনার্জির সমাধান খুঁজতে হবে জাবের ইবনে হাইয়ানের মূল সূত্রঃ প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে-এই সূত্রে মহাবিশ্বের মূলে গিয়ে। উল্লেখ্য, ল্যাম্বা....ভিত্তিক মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব অনুসারে যেহেতু বিগ ব্যাং পূর্ব হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে ৪ মহাবল (এমনকি বিগ ব্যাং পরবর্তী ১০-৪৩ সেকেন্ড পর্যন্ত) একীভূত ছিল সেহেতু ডার্ক এনার্জি হতে পারে ৪ বলের সাথে, ফোটনের সাথে, হিগস বোসনের সাথে মিথস্ক্রিয়াবিহীন হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনেরই এক বৃহদাংশ।
ডার্ক ম্যাটারের সমাধানঃ
বিশ্ব প্রকৃতিতে বিজ্ঞানের ভূমিকা অনেকটা শস্য ফলাতে কৃষকের কিংবা সন্তানের ব্যাপারে পিতা-মাতার ভূমিকার ন্যায়। কৃষক যেমন ধানের চারা রোপন, মাটির উপরস্থিত রক্ষণাবেক্ষন ব্যতিত মাটির নিম্নস্থিতে চারার অংকুরোদ্গমের ব্যাপারে এবং পিতা-মাতার সন্তানের অঙগ প্রত্যঙ্গ এমনকি কেশাগ্রহ সৃষ্টিতে ভূমিকা নেই তেমনি বিজ্ঞানে বিজ্ঞানীদের একটি অণু-পরমাণুও কৃত্রিম ব্যাতিত অকৃত্রিম সৃষ্টিতে কোনো ভূমিকা নেই।
আইনস্টাইনের যুগান্তকরী ভরশক্তি সমীকরণ।
“জড়তা” কি বস্তুর “শক্তির” উপর নির্ভরশীল? –এ শিরোনামে ১৯৩৫ সালে “Analen Dar Physic” নামক এক গবেষণাধর্মী জার্নালে জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন । অ্যারিস্টটল কথিত “জড়তা” নিউটনের পরিভাষায় যা “ভরবেগ” উক্ত গবেষণাপত্রে আইনস্টাইন সেই জড়তা বা ভরবেগেরই নাম দিলেন “ইনার্শিয়া”। আর এই ইনার্শিয়াকে আবার আইনস্টাইন অভিহিত করেন বস্তুর “ভরশক্তি”রূপে। এ মত-কে কেন্দ্র করে আইনস্টাইন রচনা করেন এক যুগান্তকরী সমীকরণ যার নাম ভরশক্তি সমীকরণ।
আইন্সটাইন মূলত E=mc^2 সমীকরণের সাহায্যে এটাই প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে, ভর এবং শক্তি আলাদা আলাদা কোনো বিষয় নয়, বরং এরা পরস্পর একই জিনিস, শুধু দুইটি অবস্থাতে আছে। E=mc^2 সমীকরণটির E= energy বা শক্তি, M= mass বা ভর এবং c= আলোর গতীর মান।
এখন প্রশ্ন করতে পারেন এখানে আলোর গতি কোত্থেকে আসলো? আসলে আপেক্ষিকতার তত্ত্বের গণিত থেকে আলোর গতির মানটি উঠে এসেছে, এটাকে আপাতত রূপান্তর ফ্যাক্টর মনে করলেই হচ্ছে। অর্থাৎ আইন্সটাইননের সমীকরণের মূলভাব ছিলো যে, ভর থেকে শক্তি বা শক্তি থেকে ভর রুপান্তর সম্ভব।
আরো সহজভাবে বলতে গেলে, ভরশক্তি/স্থিরশক্তি/স্থিরভর (যেটাই বলেন না কেনো) থেকে বিভিন্ন প্রকার শক্তি যেমন তাপশক্তি বা গতিশক্তি, বৈদ্যুতিক শক্তি, যান্ত্রিক শক্তি ইত্যাদী রুপান্তর সম্ভব এবং অন্যদিকে শক্তির বিভিন্ন রুপকে ভরশক্তি/স্থিরশক্তি/স্থিরভর-এ রূপান্তর সম্ভব।
কিন্তু আসলে কি বাস্তবে আইন্সটাইনের এই সমীকরণটির সত্যতা নিরুপন হয়েছে? তাহলে জেনে নেই তত্ত্বটি কি শুধু তাত্তিকভাবেই প্রমাণিত হয়ে আছে নাকি বাস্তবেও প্রমাণিত হয়েছে।
তাত্ত্বিক মতভেদের স্বরূপ
কোনো কোনো তাত্ত্বিকের মতে, ভরশক্তিকে অন্যান্য শক্তি যেমন তাপশক্তি, গতিশক্তি ইত্যাদীতে রুপান্তর করা সম্ভব হলেও কিন্তু তাপশক্তি, গতিশক্তিকে ভরশক্তিতে রুপান্তর করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
এরপক্ষে যুক্তি দিয়ে বলা হয় যে, সামান্য পরিমান কণা তৈরি করতে যে প্রচুর পরিমান শক্তি এবং গতিশক্তির প্রয়োজন তা কোনোভাবেই তৈরি করা সম্ভবনা নয়।
পক্ষান্তরে CIRNN মনে করে যে, প্রায় আলোর বেগে বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণার পরস্পর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সৌর কেন্দ্রের সৌরশক্তির তুলনায় লক্ষ গুণ শক্তি সন্চার করে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন শক্তি সৃষ্টি করে সার্ণ কর্তৃক ২০১২ সালে কৃত্রিমভাবে হিগস বোসন কণা উৎপন্নের মধ্য দিয়ে আইনষ্টাইনের এই E=mc^2 তত্বটি প্রমাণিত বলে যা স্ট্রিং থিওরির সত্যতাকেও প্রতিপন্ন করে।
তাছাড়া E=mc^2 তত্বে শর্ত সাপেক্ষে আলোর নিরঙ্কুশ যে গতি বেঁধে দেয়া হয়েছে সে শর্তটিও CIRNN গ্রহণযোগ্য মনে করে। শর্তটি হচ্ছে, যদি কোনো বস্তু কণা (যেমন প্রোটন কণা) কোনো অসীম গতির কারণে আলোর গতি ছাড়িয়ে যায় তাহলে নিউট্রিনোর মত প্রায় ভরশুন্য বস্তুকণা আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে আইনস্টাইন তৎসময়ের এনালগ যুগের বিবেচনায় আলোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়াকে অসম্ভব বলে মন্তব্য করেন এই যুক্তিতে যে, গতি বৃদ্ধির সাথে বস্তুর ভরত্ব বৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আইনষ্টাইনের এই E=mc^2 তত্বের স্ট্যান্ডার্ড গতি হচ্ছে আলোর গতি (সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল)। কোনো কারণে আলোর গতি (সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইলের এত অধিক হলে পর সে কণাটি আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে। যে গতিকে আইনস্টাইন বলেছেন “অসীম শক্তি”। অর্থাৎ অসীম শক্তি প্রয়োগ হলে পর কোনো বস্তুকণা আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এরূপ ব্যাখ্যায় আমরা আইনস্টাইনের E=mc^2 তত্বের সাথে র্যাপ ড্রাইভ, ওয়ার্ম হোল তত্ত্বের যে বৈসাদৃশ্যতা তার মধ্যে একটা নীতিগত সমঝোতার আলো দেখা যেতে পারে ।
আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাহায্যে একটি বিখ্যাত সম্পর্ক বের করেন। এটি হলো ভর ও শক্তির সম্পর্ক।
ভরকে শক্তিকে রূপান্তরের সম্পর্ক নিম্নোক্তভাবে লেখা যায়,
E=mc² ------------------------------(i)
যেখানে,
E= মোট শক্তি
m= বস্তুর ভর এবং
c= আলোর দ্রুতি
সম্প্রসারিত কর্মকান্ড:
গতিশীল অবস্তায় বস্তুর ভর বৃদ্ধি পায় এই তথ্য ব্যবহার করে কোনো বস্তুর গতিশক্তি নির্ণয় করলে দেখা যায় যে,ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করলে প্রচুর শক্তি পাওয়া সম্ভব।
এই বিষয়ে একটি প্রতিবেদন নিচে তৈরী করা হল:
সংকেত:
আমরাজানি যে,কোন বস্তুকে নিশ্চল অবস্থা থেকে গতিশীল অবস্থায় আনতে যে পরিমাধ কাজ করতে হয় তাকে বস্তুর গতিশক্তি বলে। অর্থাৎ,
বস্তুর গতিশক্তি = গতিশীল বস্তু দ্বারা সম্পাদিত কাজ
ধরাযাক, বস্তুটিকে গতিশীল করতে F বল প্রয়োগ করা হলো এবং বস্তুটি বলের দিকে ds পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করল।
সুতরাং, গতিশক্তি=Fds
বস্তুটির অতিক্রান্ত মোট দূরত্ব S হলে,
মোট গতিশক্তি, T = ∫ Fds --------------------(ii) [uper limit s lower limit 0]
আমরাজানি যে,
F = d/dt (mv)
এবং ds/dt = v
.'. ds = v dt
এখন F ও ds এর মান বসিয়ে,
T = ∫ d/dt (mv). vdt
[uper limit mv lower limit 0]
= ∫ vd (mv) [ s=0 mv =0 , s=s mv=mv]
= ∫ v ( vdm + mdv)
= ∫ ( v² dm + mdv ) -----------------------(iii)
আপেক্ষিকতা থেকে আমরাজানি যে,
m = m。/ √ 1 − v²/c²
m² = m。2 / 1 − v²/c²
⇒ ( 1 − v²/c² ) m² = m。²
⇒ ( c² − v²/c² ) m² = m。²
⇒ m² c² − m² v² = m。2 c²
এই সমীকরণকে অন্তরীকরণ করে পাওয়া যায়,
2mc² dm − ( 2mv² dm + 2 vm² dv)=0
c² dm − v² dm = mvdv
⇒ mvdv + v² dm = c² dm
এই মান সমীকরণ (ii) বসিয়ে পাই,
T = ∫ c² dm [ mv=0 m=m。,mv=mv m=m], [uper limit m lower limit m。]
এখানে m。 নিশ্চল ভর।
.'. T = c² ∫ dm
= c² [m] [uper limit m lower limit m。]
= c² (m − m。)
.'. T = mc² − m。c²
⇒ T + m。c² = mc² -----------------------(iv)
বস্তু যদি স্থির থাকে তখন তার মধ্যে ভরের কারণে যে শক্তি সঞ্চিত থাকে তাকে নিশ্চল ভরশক্তি বা নিশ্চল শক্তি বলে যা হলো m。c²
সুতরাং, মোট শক্তি, E = T + m。c²
= গতিশক্তি
https://malayalamsub.com/%E0%A6%B8%E0%A7%8D
তাছাড়া E=mc^2 তত্বে শর্ত সাপেক্ষে আলোর নিরঙ্কুশ যে গতি বেঁধে দেয়া হয়েছে সে শর্তটিও CIRNN গ্রহণযোগ্য মনে করে। শর্তটি হচ্ছে, যদি কোনো বস্তু কণা (যেমন প্রোটন কণা) কোনো অসীম গতির কারণে আলোর গতি ছাড়িয়ে যায় তাহলে নিউট্রিনোর মত প্রায় ভরশুন্য বস্তুকণা আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে আইনস্টাইন তৎসময়ের এনালগ যুগের বিবেচনায় আলোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়াকে অসম্ভব বলে মন্তব্য করেন এই যুক্তিতে যে, গতি বৃদ্ধির সাথে বস্তুর ভরত্ব বৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আইনষ্টাইনের এই E=mc^2 তত্বের স্ট্যান্ডার্ড গতি হচ্ছে আলোর গতি (সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল)। কোনো কারণে আলোর গতি (সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইলের এত অধিক হলে পর সে কণাটি আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে। যে গতিকে আইনস্টাইন বলেছেন “অসীম শক্তি”। অর্থাৎ অসীম শক্তি প্রয়োগ হলে পর কোনো বস্তুকণা আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এরূপ ব্যাখ্যায় আমরা আইনস্টাইনের E=mc^2 তত্বের সাথে র্যাপ ড্রাইভ, ওয়ার্ম হোল তত্ত্বের যে বৈসাদৃশ্যতা তার মধ্যে একটা নীতিগত সমঝোতার আলো দেখা যেতে পারে ।
আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাহায্যে একটি বিখ্যাত সম্পর্ক বের করেন। এটি হলো ভর ও শক্তির সম্পর্ক।
ভরকে শক্তিকে রূপান্তরের সম্পর্ক নিম্নোক্তভাবে লেখা যায়,
E=mc² ------------------------------(i)
যেখানে,
E= মোট শক্তি
m= বস্তুর ভর এবং
c= আলোর দ্রুতি
সম্প্রসারিত কর্মকান্ড:
গতিশীল অবস্তায় বস্তুর ভর বৃদ্ধি পায় এই তথ্য ব্যবহার করে কোনো বস্তুর গতিশক্তি নির্ণয় করলে দেখা যায় যে,ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করলে প্রচুর শক্তি পাওয়া সম্ভব।
এই বিষয়ে একটি প্রতিবেদন নিচে তৈরী করা হল:
সংকেত:
আমরাজানি যে,কোন বস্তুকে নিশ্চল অবস্থা থেকে গতিশীল অবস্থায় আনতে যে পরিমাধ কাজ করতে হয় তাকে বস্তুর গতিশক্তি বলে। অর্থাৎ,
বস্তুর গতিশক্তি = গতিশীল বস্তু দ্বারা সম্পাদিত কাজ
ধরাযাক, বস্তুটিকে গতিশীল করতে F বল প্রয়োগ করা হলো এবং বস্তুটি বলের দিকে ds পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করল।
সুতরাং, গতিশক্তি=Fds
বস্তুটির অতিক্রান্ত মোট দূরত্ব S হলে,
মোট গতিশক্তি, T = ∫ Fds --------------------(ii) [uper limit s lower limit 0]
আমরাজানি যে,
F = d/dt (mv)
এবং ds/dt = v
.'. ds = v dt
এখন F ও ds এর মান বসিয়ে,
T = ∫ d/dt (mv). vdt
[uper limit mv lower limit 0]
= ∫ vd (mv) [ s=0 mv =0 , s=s mv=mv]
= ∫ v ( vdm + mdv)
= ∫ ( v² dm + mdv ) -----------------------(iii)
আপেক্ষিকতা থেকে আমরাজানি যে,
m = m。/ √ 1 − v²/c²
m² = m。2 / 1 − v²/c²
⇒ ( 1 − v²/c² ) m² = m。²
⇒ ( c² − v²/c² ) m² = m。²
⇒ m² c² − m² v² = m。2 c²
এই সমীকরণকে অন্তরীকরণ করে পাওয়া যায়,
2mc² dm − ( 2mv² dm + 2 vm² dv)=0
c² dm − v² dm = mvdv
⇒ mvdv + v² dm = c² dm
এই মান সমীকরণ (ii) বসিয়ে পাই,
T = ∫ c² dm [ mv=0 m=m。,mv=mv m=m], [uper limit m lower limit m。]
এখানে m。 নিশ্চল ভর।
.'. T = c² ∫ dm
= c² [m] [uper limit m lower limit m。]
= c² (m − m。)
.'. T = mc² − m。c²
⇒ T + m。c² = mc² -----------------------(iv)
বস্তু যদি স্থির থাকে তখন তার মধ্যে ভরের কারণে যে শক্তি সঞ্চিত থাকে তাকে নিশ্চল ভরশক্তি বা নিশ্চল শক্তি বলে যা হলো m。c²
সুতরাং, মোট শক্তি, E = T + m。c²
= গতিশক্তি
https://malayalamsub.com/%E0%A6%B8%E0%A7%8D
তবে আধুনিক যুগে এসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিন কোরিয়া এবং ভারতের মানুষদের উপর স্বপ্ন নিয়ে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে ৭৪ শতাংশ ভারতীয়, ৬৫ শতাংশ কোরিয়ান এবং ৫৬ শতাংশ আমেরিকান মানুষ তাদের সপ্নের বিষয়বস্তুকে তুলনা করেছেন তাদের অবচেতন মনের অপূরন আকাঙ্ক্ষা এবং বিশ্বাসের সাথে।ক্যালভিন এস হল একজন আমেরিকান সাইকোলজিস্ট যিনি স্বপ্ন নিয়ে বৃহৎ পরাশুনা করছেন, ১৯৬৬ সালে ক্যালভিন এস হল এবং ভ্যান দ্যা ক্যাসল মিলে স্বপ্নের উপর একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেন যেটির নাম দ্য কন্টেন্ট এনালাইসিস অফ ড্রিমস। বইটিতে যারা কোডিং পদ্দতিতে এক হাজার কলেজ পড়ুয়া ছাত্রের স্বপ্নের প্রতিবেদন তুলে ধরেছেন।
বইটিতে তাঁরা খুব আশ্চর্যজনক একটি বিষয় তুলে ধরেছেন, সেটি হলো যে পুরো বিশ্বের মানুষ সাধারণত একটু বিষয়ের উপরেই সপ্ন দেখে আর মানুষ অধীকাংশ স্বপ্নই ইতিমধ্যে ঘটে যাওয়া বিষয় সম্পর্কে দেখে। তবে তাদের গ্রন্থটির মুখ্য বিষয়টুকু ছিলো যে প্রতিটা সপ্নেরই আলাদা আলাদা মানে রয়েছে, কোনোটা একটু পরিচিত আবার কোনোটা অপরিচিত। তবে মানুষ মাঝে মাঝে হয়তো এমন স্বপ্ন দেখে যার কোনো মানেই তারা খুঁজে পায়না, তারা নিজেকেই প্রশ্ন করে এমন স্বপ্ন কেনো দেখলাম, এই ধরনের সপ্নকে সাধারণত, দুঃসপ্ন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
দুঃসপ্নের মূহুর্ত হলো র্যাপিড আই মুভমেন্ট অর্থাৎ ঘুমন পর্যায়ের শেষ তৃতীয়াংশ মুহুর্ত। মুলত আমাদের ঘুমন্ত সময়কালকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়, প্রথম ভাগ হলো স্লিপ অনসেট, দ্বিতীয় ভাগ হচ্ছে লাইট স্লিপ এবং তৃতীয় এবং চতুর্থ ভাগ নিয়ে র্যাপিড আই মুভমেন্ট, যেই পর্যায়ে এসে মূলত দুঃস্বপ্ন হয়। সি.অআই.অআর.এন.এন মনে করে এ সময় শুধু দুঃস্বপ্ন নয়, সব স্বপ্ন মানুষ দেখে থাকে যা অনসেট, দ্বিতীয় ভাগ হচ্ছে লাইট স্লিপ হয় না। মূলত দুঃস্বপ্ন হয়। https://malayalamsub.com/স্বপ্ন-কেনো-দেখি/
আশা করছি আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে স্বপ্ন নিয়ে একটু হলো কৌতুহল কমেছে। আর্টিকেলটিতে ব্যাবহৃত সমস্ত তথ্য ইন্টারনেট ভিত্তিক, কোথাও কোনো ভুল ত্রুটি চোখে পড়লে অবশ্যই জানাবেন। আপনার যদি এমন আরও অনুচ্ছেদ পড়তে ভালো লাগে; তবে আপনি আরও পড়তে পারেন প্যারালাল ইউনিভার্স বা মাল্টিভার্স
নতুন বিজ্ঞানে নতুন প্রশ্নঃ ১. প্রাণ কি?
২.বিগ ব্যাং কি দূর্ঘটনা নাকি উদ্দেশ্যপূর্ণ? হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে মহাবিস্ফোরণে (বিগ ব্যাংয়ে)যদি মহাবিশ্বের উদ্ভব হয় তাহলে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন কিভাবে সৃষ্টি হলো?
৩. প্রকৃতিতে এতো এতো কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি?
৪্.বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে আইনস্টাইন নির্ধারিত আলোর গতির কি কম/বেশি নেই?
৫.ওয়ার্ম হোল/র্যাপ ড্রাইভ কি অসম্ভব?
৬.স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কিংবা স্ট্রিং কি দেখা যাবে না?
৭.আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে কি মহাকর্ষের পুরো সমাধান আছে? নাকি কেবল ব্ল্যাকহোলের ভবিষ্যতবাণী এবং মহাকাশে আলো বেঁকে যাওয়ার বিষয় আছে?
৮.মহাকর্ষ আর মাধ্যাকর্ষণ কি অভিন্ন? মহাকর্ষ যদি উর্ধ্বজাগতিক হয়ে থাকে তাহলে তা কি আমাদের জন্য টানার পরিবর্তে চাপনা নয় অন্যদিকে মাধ্যাকর্ষণ যদি ভূত্বকীয় ব্যাপার হয় তাহলেই কেবল টান নয়? আমরা কিভাবে বায়ুর প্রবল চাপ উপেক্ষা করে ভূত্বকে আঠার মতো আটকে আছি-যেখানে আমাদের দাাঁড়ালে দুই পা,হাঁটলে এক পা, লাফ দিয়ে কোনটাই ভূত্বকে থাকে না?
৯.সার্বিক একীভূত তত্ত্ব কি আইনস্টাইনের ফটোইলেকট্রিক ইয়েক্টের মাধ্যমে ঘটেনি? যেখানে আপেক্ষিকতা তত্তের সাথে অআইনস্টাইন কোয়ান্টাম মেকানিক্স একীভূত করে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন?
১০.যদি স্ট্রিং থিওরির কম্পনই বস্তুমূলের উৎস হয়ে থাকে তাহলে কি এটা প্রমাণিত হয়নি ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার সার্ণ কর্তৃক হিগস বোসন আবিস্কারের ঘোষণা বিশ্বসমাজে প্রচার দিবসে, মহাবিশ্বের আদি ভরযুক্ত বস্ত্তকণা হিগস বোসন কৃত্রিমভাবে সার্ণের নিজস্ব কণাচূর্ণকরণ সাইক্লোটন যন্ত্র ল্যাজ হ্যাড্রন কলাইডারে বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে প্রায় আলোর গতিতে পরস্পর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সৌরজগতের কেন্দ্রের চাইতে লক্ষ গুণ বেশি উত্তাপ সৃষ্টি করে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে যে হিগস বোসন কণা কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে অনুরূপ আরও বেশি কম্পন সৃষ্টির করে কি সম্ভব নয় স্ট্রিংয়ে কম্পন সৃষ্টি করে কৃত্রিমভাবে ইলেকট্রন, কোয়ার্ক উৎপন্ন করতে? তবে IRRSTC মনে করে এ ধরণের মহাবিপজ্জনক পরীক্ষা থেকে বিরত থাকা পৃথিবী এবং পৃথিবীবাসীর সুরক্ষার জন্য খুবই জরুরী। কারণ,হিগস বোসন আবিস্কারের সময় বিজ্ঞানীরা পৃথিবীতে একটা মিনি কেয়ামতের অআশংকা করেছিল কারণ তাতে উৎপন্ন হয়েছিল । যদিও তা আবিস্কার হয় তাতেও ফলোদয়ের সম্ভাবনা খুবই কম ।কারণ স্ট্রিং চাক্ষুষ দেখতে প্রয়োজন ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষতা পরিমাপযোগ্য হাইয়েস্ট সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ যন্ত্র।বর্তমান বিজ্ঞানিদের হাতে রয়েছে সর্বনিম্ন মা্ত্র ১০-১৭ সেন্টিমিটার মাত্রার সুপার ডিজটাল মাইক্রোস্কোপ।কোয়ার্কের সূক্ষ্ণতা হচ্ছে ১০-১৬ সেন্টিমিটার। সুতরাং ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষতা বিশিষোদ ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের জন্য কত কাল অপেক্ষমান থাকতে হবে তা হলফ করে বলা যাচ্ছে।
১১. অংক কষে নিউটনের ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান প্রকৃতির অনেক রহস্যের গাণিতিক সমাধান দিলেও কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ব্যাখ্যায় তার মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেন না বিধায় অআইনস্টাইন সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব রচনার পর কোয়ান্টামের জোয়ারে অআর বেশি দূর অআগাতে না পারায় বিজ্ঞান জগতের অনেকটা পর্দার অআড়াল হয়ে মৃত্যুর অআগ পর্যন্ত যে বিষয়ে গভীরভাবে জড়িয়েছিলেন তা হচ্ছে নিজের অআপেক্ষিকতাবাদ তথা ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞানের সাথে নিউটনীয় এবং ম্যাক্স প্ল্যাংকীয় কোয়ান্টাম এবং হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদ এবং চার মহাবলের একীভূতকরণের মাধ্যমেে গ্র্যান্ড ইউনিফাইড থিওরি সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্ব রচনা করতে চেয়েছিলেন কিন্ত্ জীবৎ কালে সম্ভব না হলেও ১৯৭০সালের দিকে তিন বল-কে তাত্ত্বিকভাবে একীভূতকরণ সম্ভবপর হলেও চতুর্থ বল মহাকর্ষ এবং তার প্রতিবল গ্র্যাভিটনের আজও কূল কিনারা পাওয়া যাচ্ছে না।এর মধ্য্যে ডার্ক এনার্জি,ডার্ক ম্যাটার,ব্ল্যাক হোলের ঘটনাদিগন্ত হতে বিস্ময়করভাবে আলো ফিরে না আসার রহস্য ছাড়াও অআবহমান কাল ধরে আবহাওয়ার অআগাম পূর্বাভাষ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।বিশেষ করে গভীর সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের পূর্বাভাষ চূড়ান্ত অআঘাত হানার সময় রহস্যজনকভাবে দিক পরিবর্তন,সূর্যেের সোলার স্ট্রর্ম খ্যাত করোনা পৃথিবীর দিকে প্রবল বেগে ধেয়ে এসে রহস্যজনকভাবে ফিরে যাওয়াা, মানব জাতির বসবাসের অআগ পর্যন্ত ডাইনোসরেরর মতো প্রবল পরাক্রমশালী জন্ত্ত পর্যন্ত যে উল্কাপিন্ড পতনে এক প্রলয় কান্ড ঘটা যেখানে স্বাভাবিক ছিল মানব বসতির এ ধরণের পূনরাবৃত্তি না ঘটনা, গত শতাব্দীর শেষ দিকে বৃহস্পতির উপগ্রহ অআয়ুস্কাল অতিক্রান্ত হওয়ায় ভেঙ্গে পড়ার কথা ছিল পৃথিবীর বুকে এতে বিজ্ঞানিরা একটা মিনি প্রলয়ের অআশংকা করেছিল কিন্তা ধ্বসে পড়ার সময়টায় বৃহস্পতি পৃথিবীকে আড়াল দেয়া অবস্থায়। এতে পৃথিবী এবং পৃথিবীবাসীর সুরক্ষায় একটা কল্যাণময় সত্বার ভূমিকা থাকতে পারে বলে আই.আর.আর.এস.টি.সি মনে করে।
১১. বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সফল পরিসমাপ্তির জন্য চাই সার্বিক একীভূত তত্ত্ব। আইনস্টাইন চেয়েছেন অআপেক্ষিকতার সাথে কোয়ান্টামের একীভূতকরণ।আই.আর.আর.এস.টি.সির মতে, নিউটনীয় ক্ল্যাসিকেল বল বিজ্ঞানও একীভূত করা জরুরী।অবশ্য এতেও সার্বিক একীভূতকরণ পূর্ণাঙ্গ হতে পারে না যদি আইনস্টাইনের স্বপ্নঃ ধর্ম এবং বিজ্ঞানের সমন্বয় না ঘটে।এ প্রসঙ্গে আইনস্টাইন বলেনঃ সায়েন্স উইথ আউট রিলিজিয়ন........ আই.আর.আর.এস.টি.সি মনে করে,এতে প্রতিবন্ধকতার আশংকা রয়েছে নাস্তিকতা নিয়ে।তবে,আই.আর.আর.এস.টি.সির অর্ধদশক ব্যাপী নিরলস গবেষণায় জানা যায় যে, প্রকৃতপক্ষে নাস্তিক বলে কিছু নেই।সবাই সজ্ঞানে কিংবা অবচেতন মনে অতীন্দ্রীয় একক সত্বায় বিশ্বাসী।কেউ প্রকৃতি নামে কেউ গড নামে।যদিও ব্যাপকতার দিক থেকে গড এর বিস্তৃতি প্রকৃতি অপেক্ষা অনেক উর্ধ্বে।
১২.বিজ্ঞানের জন্য দুঃসংবাদঃ বিজ্ঞানের স্ট্যাটাস কি আবার কোপার্র্ণিকাসের যুগে ফিরে যাচ্ছে যেখানে ধর্মের নামে বিজ্ঞান বিরোধিতা প্রবল ছিল।হালে পরিবেশ সচেতনার অন্তরালে ঘটছে বিজ্ঞানাতংক যা থেকে বিজ্ঞানের প্রতি জনসাধারণের শ্রদ্ধা-ভক্তি-ভালবাসা যেন অনেকটা উবে যাচ্ছে।গত শতাব্দীর সত্তর/আশির দশকে মার্কিন বিজ্ঞান সোসাইটির নির্বাচিত সেক্রেটারী মিসেস অ্যান্ড্রু বলেন,অআমি অনেক মেধাবী ছেলেকে চিনি যারা বিজ্ঞানকে ঘৃণা করে।প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ দৃষণে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশেষ করে অআর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষতিকর বিষয়কে কেন্দ্র করে আবারও বিজ্ঞানাতংক দেখা দিয়েছে।
১৩.মানব জাতির পরম প্রত্যাশিত শান্তিকে বলা হচ্ছে সোনার হরিণ,আমাবস্যার চাঁদ,অশ্বডিম্ব ইত্যাদি। আই.আর.আর.এস.টি.সির পন্চ বার্ষিক গবেষণায় শান্তির অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে জ্ঞানের সুষ্ঠু ব্যবহার-প্রয়োগের মধ্যে।সেমতে,জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র আবিস্কার মানব জাতির পরম প্রাপ্তির কারণ হতে পারে।
উপরোক্তত বিষয়াবলী যেহেতু ক্ল্যাসিকাল,কোয়ান্টাম,অনিশ্চয়তাবাদে ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না বরং এ সব বিষয়কে সীমাবদ্ধ শব্দ,প্রবাদ বাক্যে এড়িয়ে যাওয়া হয় সেহেহু কিছু রহস্যবিদ বিজ্ঞানীরা চান এ সব তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাকে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য,অলৌকিক,অতিপ্রাকৃতিক,হ্যালুয়েশন,টেলিপ্যাথি ইত্যাদি বলে উড়িয়ে না দিয়ে এর সতাসতাার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন।এ প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় অআর.অআর.এস.টি.সি বর্তমান বিদামান বিজ্ঞানের অনেক প্রশ্নের নিউটন কথিতঃ সত্য দূরে নয় নিকটে এই নীতিবাচক কথায় দীর্ঘ অর্ধদশকেরনিরলস গবেষণায় সমাধনের যে পথ নির্দেশনা দিয়েছেন তাকে প্রাথমিক তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা হিসাব বিজ্ঞান সমাজ বিবেচনা করতে পারেন।বিশেষ করে অশান্ত পৃথিবীতে জ্ঞানের অআলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র।স্বা্স্থ্যের জন্য বিজ্ঞান, ডিজিটাল ডিজিজ থেকে উত্তরণের জন্য স্বাস্থা কাম্পেইনের পাশাপাশি তৃণমূলে জ্ঞান চর্চায় উৎসাহিত করতে ওয়ার্ল্ড নলেজ কম্পিটিশন ইত্যাদির অআয়োজন।কোভিড অআমাদের পরাজিত করতেপারেনি সত্য,তবে মূল্যবান প্রাণ সংহারর হয়েছে এবং পুরোমাত্রায় বিশ্ব দখলে নেয়,এরিমধ্যে চলেছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের রণদামামা।তাই আমাদের অতিপারমাণবিক অন্দর মহলে বসে সময় ক্ষেপন না করে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার যত তাড়াতাড়ি পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে কল্যাণকর নতুন বিজ্ঞানের সূচনা করতে পারি এজন্য বিশ্ব বিজ্ঞান সমাজকে এগিয়ে অআসতেব হবে।
ওয়ামা তাওফিকী ইল্লাবিল্লাহ।
প্রাণ বস্ত্তগত না ফোটনের মতো অবস্ত্ত? প্রশ্ন বটে। আরও প্রশ্ন হচ্ছে প্রাণের উদ্ভব কি এই পৃথিবীতে নাকি ভিন গ্রহে? ইসলামী বিশ্বাসমতে, সাত আসমানএবং সাত জমিন। পবিত্র কুরআনের ভাষ্যমতে পৃথিবীর নিকটবর্তী প্রথম আকাশকে নক্ষত্র দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে। তাতে প্রাণ বা প্রাণী অআছে কিনা-বিজ্ঞানীরা হাবল টেলিস্কোপ অধুনা জেমসওয়েব টেলিস্কোপের মাধ্যমে তন্ন তন্ন করে খুঁজে হাবল ব্যর্থ হয়েছে জেমসওয়েব এখনও আশাবাদী। উল্লেখ্য, বিগত বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি পদার্থবিজ্ঞানী কার্ল সাগান বলেছিলেনঃপ্রতি ১০০ প্রযুক্তিসম্পন্ন সভ্যতার মধ্যে একটিও আত্মধ্বংসের (অজ্ঞতা, লোভ, পরিবেশ দূষণ, নিউক্লিয়ার যুদ্ধ) কবল থেকে বাঁচতে পারলে ৪০ হাজার কোটি নক্ষত্র-অধ্যুষিত আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে কমপক্ষে এক কোটি গ্রহে প্রাযুক্তিকভাবে উন্নত সভ্যতার বিকাশ ঘটা অসম্ভব নয়। স্টিফেন হকিং তাঁর জীবনের শেষ কয়টি বছর কাটিয়েছিলেন নাকি এলিয়েনের পৃথিবী দখলে নেয়ার অআতংক থেকে।তবে এলিয়েন পৃথিবি দখলে না নিলেও করোনা কোভিড-১৯ এখনও পৃথিবী দখলে আছে সেই ২০১৯ সাল থেকে। এ কিংবদন্তি নতুন নয় যে, গত শতাব্দীর সত্তর দশকে মধ্যপ্রাচাে এমন অআজব প্রাণী সরবে আসার পর স্বয়য়ংক্রিয়ভাবে কলকারখানা বন্ধে যখন নীরবে প্রস্থান করে কারখানা সচল হয়।
পৃথিবীতে প্রাণের প্রকৃতি এবং গ্রহান্তরের কোনো জায়গায় প্রাণ আছে কিনা, তার অনুসন্ধান হলো একই প্রশ্নের দুটি দিক, তা হলো আমরা কে? তার অনুসন্ধান, যা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ করে আসছে ।
কেন মহাবিশ্বের সৃষ্টি হলো? এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি কি নিছক দূর্ঘটনা নাকি উদ্দেশ্যপূর্ণ?প্রাণ কি বস্ত্ত? যে সব বিষয় কিংবা ঘটনা যা নিউটনের ক্ল্যাসিকেল বল বিজ্ঞান, ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে বুঝে উঠেনা বলে আমরা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, অলৌকিক,অতিপ্রাকৃতিক, টেলিপ্যাথি বলে উড়িয়ে দেই -এসব বিষয়ের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার জন্য প্রয়োজন নতুন বিজ্ঞানের।মহাবিশ্বের শুধু গাঠনিক উৎসমূল নয় বরং এর পরিচালনা,ব্যবস্থাপনায় যে জ্ঞানগর্ভ,প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত প্রবণতা বিদ্যমান তারও উৎসমূলের অনুসন্ধান হতে পারে নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের মিশন এবং ভিশন।
ওয়ামা তাওফিকী ইল্লাবিল্লাহ।
Comments
Post a Comment