জরুরী তথ্য
জরুরী তথ্য
►আইনস্টাইনের E=mc2 সমীকরণমতে বস্তু ও শক্তি আসলে সমার্থক। (বিজ্ঞান চিন্তা পৃঃ ৪৪)। ...তাই জমে থাকা শক্তিও জমে থাকা বস্তুর মত (পৃঃ ৩৫)। স্ট্রিং থিওরীমতে, প্রাপ্ত কণাগুলো অসলে এক ধরণের সুতার কম্পন যা আমরা কণা (পার্টিকেল) হিসাবে দেখে থাকি।
►প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক বিজ্ঞানী ডেমোক্রিটাস যাকে অ্যাটম, অ্যারিস্টটল মাটি,পানি,বাতাস, আগুন চতুর্মাত্রিক পরবর্তীতে আরবের জাবের ইবনে হাইয়ান পারদ-সালফেট দ্বিমাত্রিক যা মারে গেলমান এক কেন্দ্রিক কোয়ার্ক নাম দিয়েছেন যার সূক্ষ্ণতা হচ্ছে মাত্র ১০-১৬ সেন্টমিটার।
►বর্তমানে বিজ্ঞানীদের হাতে সর্বনিম্ন ১০-১৭ সেন্টমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার মাইক্রোস্কোপ যন্ত্র রয়েছে।
►বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক নামক এক প্রকার কোয়ার্কের জীবন্ত অস্তিত্ব রয়েছে যা সুপার মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রের সাহায্যেও যা দৃশ্যমান নয়।
►একইভাবে বিজ্ঞানীরা হিগস বোসনের মাধ্যমে স্ট্রিং থিওরির স্ট্রিংয়ের জীবন্ত অস্তিত্ব অনুভব করলেও ১০-১৭ সেন্টমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রের সাহায্যেও দৃশ্যমান না হওয়ায় এখনও স্ট্রিং বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি পায়নি, স্ট্রিং তত্ত্ব বিজ্ঞানীদের মতে,স্ট্রি এত সূক্ষ্ণ যে, তা দেখার জন্য প্রয়োজন ১০-৩৩ সেন্টমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রের যা এ মুহুর্তে কল্পনাতীত।
► আই.আর.আর.টি.সির মতে পৃথিবীর পরিবেশ-পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের কেবল অতিপারমাণবিক অন্দর মহলে প্রবেশ করে ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব অনুভব করে খেই হারিয়ে কালক্ষেপন করার চাইতে সকল চিন্তা-ভাবনা-গবেষণা মানব কল্যাণে নিয়োজিত করা জরুরী। এমতাবস্থায় বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত অদৃশ্যমান স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক এর মতো প্রত্যক্ষ দর্শনের শর্ত শিথিল করে স্ট্রিংয়েরও বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি প্রয়োজন কারণ, সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে যদি হিগস বোসন কণা উৎপন্ন করা সম্ভব হয় তাহলে তদাপেক্ষা বেশি কম্পন্ সৃষ্টি করে স্ট্রিয়ে কম্পন সৃষ্টি করা অসম্ভব হবে কেন? কেন ১০-৩৩ সেন্টমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রের জন্য অপেক্ষমান থাকা?
►“কুন” শব্দটি আল্লাহ পাকের বিশেষ কুদরতি শব্দ। “কুদরাত: এমন এক ধারণা-বিশ্বাস নাম যা কোনো কিছু সৃষ্টির ক্ষেত্রে উপাদান-উপকরণের ব্যাপারে সুবহান (পবিত্র) এবং সামাদ (অমুখাপেক্ষি)। এছাড়া আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু আরও অনেক বিরল গুণের অধিকারী যা স্বয়ং তিনি পবিত্র কুরআনে নিজেই নিজের গুণাবলী বর্ণনা করে এরশাদ করেনঃ
.
٢٣- هُوَ اللَّـهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯
24. He is God, the Creator, The Evolver, The Bestower of Forms (Or Colours). To Him belong The Most Beautiful Names: Whatever is in The heavens and on earth, Doth declare His Praises and Glory : And He is the Exalted In Might, the Wise.
(Al Quran: Sūra 59: Hashr, or The Gathering (or Banishment), Ayat:24, Verses 24 — Madani; Revealed at Medina — Sections 3,https://quranyusufali.com/59/).
প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Super Power, Super Natural কিংবা Perfect God থেকে। কুদরাত হচ্ছে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না (Beyond human knowledge) এমন একটি বিষয় |
► প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী)। আল্লাহ সর্ববিষয়োপরি সর্বশক্তিমান। আরাদা শাইয়্যুন- কুদরতি ইচ্ছা-ই আল্লাহর জন্য যথেষ্ট। বাড়তি কুন শব্দ প্রয়োজন ছিল না। শব্দটি স্রষ্টা এবং সৃষ্টির মধ্যে অনুরূপ ব্যবধান আরোপ করা হয়েছে যেমন ব্যবধান করা হয়েছে আল্লাহ এবং বান্দার মধ্যে সত্তর হাজার নূরের পর্দা দ্বারা। কুন বাড়তি শব্দ না হলে তা হতো সর্বেশ্বরবাদ।কুন শব্দটি পদার্থবিজ্ঞানের ভরশক্তি সমীকরণের আলোকে বিশ্লেষণের দাবী রাখে। যেমন হাদীদ শব্দটি। আপনক্ষমতাবলে আকাশ সৃষ্টির উল্লেখ রয়েছে।
►আধুনিক কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরিতে মহাবিশ্বের বস্ত্তগত উৎসমূল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং বলা হচ্ছেঃ এ ধরায় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর পাওয়া যাবে না। যদিও কার্ল সাগান বলেছিলেনঃ পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং তার জ্ঞানগর্ভ উত্তর প্রয়োজন। কিন্ত্ত ডেমোক্রিটাস, অ্যারিস্টটল,জাবের ইবনে হাইয়ান আল আরাবী,আইজাক নিউটন,মারে গেলমান, আলবার্ট আইনস্টাইন, কিংবা স্টিফেন হকিংসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানের মাধ্যমে আজও জানেননিঃ প্রকৃতিতে এতো এতো যে বস্ত্তকণা তা কি দিয়ে তৈরি?
► কেউ বলেন, প্রাকৃতিকভাবে, কেউ বলেন সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা থেকে।। ইসলাম ধর্মমতে, সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ ইচ্ছা করেছেন তাই বলেছেনঃ কুন্ঃ হয়ে যাও।ফায়াকুনঃ তাতেই হয়ে গেছে। সৃষ্টিকর্তা এমন গুণের অধিকারি যাঁর নাম সামাদ (সর্বপ্রকার উপাদান-উপকরণের মুখাপেক্ষিতা/নির্ভরশীলতা থেকে সুবহান অর্থাৎ পুতঃপবিত্র, মুক্ত, স্বাধীন।
► মানুষ কোন কিছু করতে প্রয়োজন হয়ঃ কোন না কোন বস্তু সামগ্রীর। পড়তে বইয়ের, লিখতে কলমের, দালান কোঠা বানাতে প্রয়োজন ইট,বালু,সিমেন্ট,মিস্ত্রি,জোগালী, আসবাব বানাতে গাছ,কাঠ,পেরেক,হাতুড়ি,কাঠ মিস্ত্রি ইত্যাদির। প্রথম মানুষ, প্রথম গরু, প্রথম ছাগল, প্রথম মাছ, প্রথম গাছ কিভাবে এলো?অনুরূপ প্রথম সৃষ্টি কিভাবে হলো? প্রশ্ন বটে।
► অথচ মহাবিশ্ব কিভাবে তৈরি-তার প্রায় চূড়ান্ত পর্ব জানা হয়ে গেছে বিগ ব্যাং থিওরির মাধ্যমে। এমনকি বিগ ব্যাংয়ের পূর্বেকার অবস্থায় কি ছিল- বিজ্ঞানীরা কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরি সূত্রে তা-ও জেনে গেছেন। জানেন নি কেবল কি দিয়ে তৈরি।রহস্যময়। তাছাড়া, বিশ্ব প্রকৃতিতে প্রায় সময় সংঘটিত অতিপ্রাকৃতিক, অলৌকিক, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে প্রভৃতি মানব জ্ঞানে কুলায় না এমন ধরণের রসস্যময় এবং অমীমাংসিত ও অনাবিস্কৃত অজানাকে জানার আকাঙখায় বিজ্ঞানীরা গত বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে নতুন যে বিজ্ঞানের নামকরণ করেছিলেন তার নাম ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স।
►IRRSTC এর দীর্ঘমেয়াদী এক গবেষণায় পবিত্র কুরআনের সূরাহ হাদীদের ২৫নং আয়াত মূলে আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভরশক্তির সমীকরণ সমীক্ষায় যে শক্তিকে সকল বস্ত্তমূলের একক উৎসমূল হিসাবে সনাক্ত করেছে তা-ও বস্ত্তবিশেষ। ফলে সংগত কারণে অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, পরম সত্যে পৌঁছার মাধ্যমে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স নামক নতুন বিজ্ঞানের সূচনা করা যাতে করে প্রশ্নবিহীনভাবে মহাজগতের অবকাঠামোর অবস্ত্তগত মূল সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়। অন্যথায় সংগতভাবে একের পর এক প্রশ্ন উঠেই আসবে । সম্ভবতঃ এ কারণে বিজ্ঞান নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান যুগের মতো অনেক বিষয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করার ফলে সমাধানের পথ হয়ে পড়ে অবরুদ্ধ। কিন্ত্ত কোয়ান্টাম মেকানিক্স আর হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদী যুগে এসে অনেক বিষয়কে শর্তহীনভাবে কোন প্রকার প্রশ্নবিদ্ধ ছাড়াই বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যেমনঃ স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক, ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটার, এক্স-রে ইত্যাদি।
►কার্ল সাগানের মতে, এই পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে প্রয়োজন সাহসী প্রশ্নের। অন্যদিকে, পদার্থবিজ্ঞান মতে, এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে পাওয়া যাবেনা। IRRSTC মনে করে দুটি বিরোধপূর্ণ বিষয়ের সমাধানের উত্তম মাধ্যম হচ্ছেঃ মধ্যপন্থা। জরুরী প্রয়োজনে প্রশ্নের দ্বার খুলে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় সময় ক্ষেপনকর প্রশ্নের দ্বার বন্ধ করে দেওয়া। এটা কোন পন্থা হতে পারে না যে, মহাকাশে ব্ল্যাক হোল কিংবা সূর্যের মতো ভারী বস্ত্তর কারণে দূর গ্রহ হতে পৃথিবীতে আলো বেঁকে চলার কারণে পৃথিবীতে আলো সরল রেখায় গমনের কারণে নিউটনের ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান বাতিল হয়ে যাবে। বরং মধ্যপন্থা হচ্ছেঃ আলোর সরল রেখায় গমন পৃথিবীতে প্রযোজ্য, মহাকাশে নয়।
► আধুনিক বিজ্ঞানের স্থপতি আলবার্ট আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে বেঁধে দেওয়া আলোর গতি সেকেন্ডে ১৮৬,০০০ মাইল থেকে নিউট্রিনোর মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে যাওয়াকে সংগত মনে করেন স্টিফেন হকিংসহ বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীরা। কারণ, এতে মডার্ণ কসমোলজিকাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরি যেমনভেঙ্গে পড়ার আশংকা রয়েছে তেমনি পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সূত্র গুলি নতুন করে লেখার প্রয়োজনের আশংকা রয়েছে যা স্থান পেতে পারে জাদুঘরে। এ ধরণেরঅআবিস্কারের জন্য সার্ণকে জবাবদিহি করতে হয়,গবেষণা দল প্রধানকে তিরস্কার ও সাসপেন্ডও করা হয়।
►অবশ্য নিউট্রিনোর মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত চলার যুগান্তকরী এই আবিস্কার অবশ্য সার্ণ কর্তৃক পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এতে সায়েন্স ফিকশিস্টরা কিছুটা হতাশ হয়েছিল।কারণ, তারা আশা করছিল, নিউট্রিনো প্রযুক্তি আরোপ করে নভোতরী ওয়ার্মহোল, র্যা প ড্রাইভের মতো অতি দ্রত তরীতে চড়ে মুহুর্তে মহাকাশের এ ফোঁড় দিয়ে ঢুকে ওফোঁড় দিয়ে বের হওয়ার অনেক দিনের অআশা-প্রত্যাশা এবার পূরণ হতে পারে। IRRSTC মনে করে এক্ষেত্রেও রয়েছে মধ্যপন্থায় সুরাহা।
Comments
Post a Comment