নতুন বিজ্ঞানের পথে ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সঃ নতুন বিজ্ঞানের পথে পুরাতন পৃথিবী (UPDATE)
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি রব্বুল আলামীন। দুরুদ ও সালাম রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি, তার পরিবারবর্গ, বংশধর, সাহাবায়ে কিরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ও সালেহীণ (রহমাতুল্লাহি আলাইহিম)-গণের প্রতি। আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই এবং মুহাম্মাদ (স) আল্লাহর বান্দা ও রসূল। নিশ্চয়ই শুভ পরিণতি কেবলমাত্র রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, খুলাফায়ে রাশিদীন, আহলে বাইত এবং সাহাবা (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-গণের অনুসৃত কল্যাণময় আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই নিহিত।
নতুন বিজ্ঞানের পথে ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সঃ নতুন বিজ্ঞানের পথে পুরাতন পৃথিবী
নতুন বিজ্ঞানে নতুন প্রশ্নঃ ১. প্রাণ কি?
২.বিগ ব্যাং কি দূর্ঘটনা নাকি উদ্দেশ্যপূর্ণ? হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে মহাবিস্ফোরণে (বিগ ব্যাংয়ে)যদি মহাবিশ্বের উদ্ভব হয় তাহলে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন কিভাবে সৃষ্টি হলো?
৩. প্রকৃতিতে এতো এতো কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি?
৪্.বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে আইনস্টাইন নির্ধারিত আলোর গতির কি কম/বেশি নেই?
৫.ওয়ার্ম হোল/র্যাপ ড্রাইভ কি অসম্ভব?
৬.স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কিংবা স্ট্রিং কি দেখা যাবে না?
৭.আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে কি মহাকর্ষের পুরো সমাধান আছে? নাকি কেবল ব্ল্যাকহোলের ভবিষ্যতবাণী এবং মহাকাশে আলো বেঁকে যাওয়ার বিষয় আছে?
৮.মহাকর্ষ আর মাধ্যাকর্ষণ কি অভিন্ন? মহাকর্ষ যদি উর্ধ্বজাগতিক হয়ে থাকে তাহলে তা কি আমাদের জন্য টানার পরিবর্তে চাপনা নয়?
অন্যদিকে মাধ্যাকর্ষণ যদি ভূত্বকীয় ব্যাপার হয় তাহলেই কেবল টান নয়? আমরা কিভাবে বায়ুর প্রবল চাপ উপেক্ষা করে ভূত্বকে আঠার মতো আটকে আছি-যেখানে আমাদের দাাঁড়ালে দুই পা,হাঁটলে এক পা, লাফ দিয়ে কোনটাই ভূত্বকে থাকে না?
৯.সার্বিক একীভূত তত্ত্ব কি আইনস্টাইনের ফটোইলেকট্রিক ইয়েক্টের মাধ্যমে ঘটেনি? যেখানে আপেক্ষিকতা তত্তের সাথে আইনস্টাইন কোয়ান্টাম মেকানিক্স একীভূত করে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন?
Frontier Science: on the way to New Science of the Old Earth
New questions in new science: 1. What is life?
2. Is the Big Bang an accident or purposeful? If the universe originated by the Big Bang from Highest energetic radiation then how did the highest energetic radiation arise?
3. What are so many particles in nature made of?
4. Is the speed of light in the theory of special relativity by Einstein fixed in 1,86,000miles?
5. Is wormhole/wrap drive impossible to build up?
6. Strange quark or string can not be seen?
7. Is there a complete solution to gravity in Einstein's theory of general relativity? Or is there just the prediction of black holes?
8. Are gravitation and gravity the same? If gravity is supernatural then isn't it a push instead of a pull for us?
On the other hand if gravity is a surface matter then not just pull? How are we stuck to the earth like glue, ignoring the pressure of the air - where we stand with two feet, walk with one foot.
9. Didn't the Grand unified theory come about through Einstein's photoelectric effect? Was Einstein won the Nobel Prize for unifying quantum mechanics with the theory of relativity?
১০.যদি স্ট্রিং থিওরির কম্পনই ইলেকট্রন,কোয়ার্কসহ বস্তুমূলের উৎস হয়ে থাকে তাহলে কি ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার সার্ণ কর্তৃক হিগস বোসন আবিস্কারে স্ট্রিং থিওরি প্রমাণিত হয়নি? যেখানে মহাবিশ্বের আদি ভরযুক্ত বস্ত্তকণা হিগস বোসন কৃত্রিমভাবে সার্ণের নিজস্ব কণা চূর্ণকরণ সাইক্লোটন যন্ত্র ল্যাজ হ্যাড্রন কলাইডারে বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে প্রায় আলোর গতিতে পরস্পর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সৌরজগতের কেন্দ্রের চাইতে লক্ষ গুণ বেশি উত্তাপ সৃষ্টি করে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে সৃষ্টি করা হয়েছে? ।
If the vibration of the string theory is the source of matter including electrons, quarks, then on Wednesday, July 4, 2012, the discovery of the Higgs boson by Sarn did not prove the string theory? Where the Higgs boson, the original mass of matter in the universe, was artificially created by colliding billions of protons at nearly the speed of light in the cyclotron machine, colliding Saron's own particles, causing trillions of trillions of vibrations per second, generating million of times more heat than the center of the solar system?
অনুরূপ আরও বেশি কম্পন সৃষ্টির করে কি সম্ভব নয় স্ট্রিংয়ে কম্পন সৃষ্টি করে কৃত্রিমভাবে ইলেকট্রন,কোয়ার্ক উৎপন্ন করতে? তবে IRRSTC মনে করে এ ধরণের মহাবিপজ্জনক পরীক্ষা থেকে বিরত থাকা পৃথিবী এবং পৃথিবীবাসীর সুরক্ষার জন্য খুবই জরুরী। কারণ,হিগস বোসন আবিস্কারের সময় বিজ্ঞানীরা পৃথিবীতে একটা মিনি কেয়ামতের আশংকা করেছিল কারণ তাতে উৎপন্ন হয়েছিল সৌরজগতের কেন্দ্রের চাইতে লক্ষ গুণ বেশি উত্তাপ।
Is it not possible to artificially generate electrons, quarks by creating more vibrations in the string? However, the IRRSTC believes that refraining from such potentially dangerous experiments is very important for the safety of the Earth and its inhabitants. Because, when the Higgs boson was discovered, scientists feared a mini apocalypse on Earth because it produced millions of times more heat than the center of the solar system.
স্ট্রিং চাক্ষুষ দেখতে প্রয়োজন ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষতা পরিমাপযোগ্য হাইয়েস্ট সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ যন্ত্র।বর্তমান বিজ্ঞানিদের হাতে রয়েছে সর্বনিম্ন মা্ত্র ১০-১৭ সেন্টিমিটার মাত্রার সুপার ডিজটাল মাইক্রোস্কোপ।কোয়ার্কের সূক্ষ্ণতা হচ্ছে ১০-১৬ সেন্টিমিটার। সুতরাং ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষতার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের জন্য কত কাল অপেক্ষমান থাকতে হবে তা হলফ করে বলা যাচ্ছে না ।
The highest super digital microscope instrument capable of measuring 10-33 cm resolution is required to visualize the string. Current scientists have only super digital microscopes of 10-17 cm resolution. The resolution of quarks is 10-16 cm. So, it is not possible to say how long you have to wait for a digital microscope of 10-33 cm resolution.
১১. অংক কষে নিউটনের ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান প্রকৃতির অনেক রহস্যের গাণিতিক সমাধান দিলেও কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ব্যাখ্যায় তার মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেন না বিধায় আইনস্টাইন সাধারণ////
১২.বিজ্ঞানের জন্য দুঃসংবাদঃ বিজ্ঞানের স্ট্যাটাস কি আবার কোপার্র্ণিকাসের যুগে ফিরে যাচ্ছে যেখানে ধর্মের নামে বিজ্ঞান বিরোধিতা প্রবল ছিল।হালে পরিবেশ সচেতনার অন্তরালে ঘটছে বিজ্ঞানাতংক যা থেকে বিজ্ঞানের প্রতি জনসাধারণের শ্রদ্ধা-ভক্তি-ভালবাসা যেন অনেকটা উবে যাচ্ছে।গত শতাব্দীর সত্তর/আশির দশকে মার্কিন বিজ্ঞান সোসাইটির নির্বাচিত সেক্রেটারী মিসেস অ্যান্ড্রু বলেন,আমি অনেক মেধাবী ছেলেকে চিনি যারা বিজ্ঞানকে ঘৃণা করে।প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ দৃষণে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশেষ করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষতিকর বিষয়কে কেন্দ্র করে আবারও বিজ্ঞানাতংক দেখা দিয়েছে।
Bad news for science: Is the status of science going back to the age of Copernicus where the opposition to science in the name of religion was strong. Currently, science panic is happening behind the environmental awareness, from which the public's respect-devotion-love for science seems to be disappearing. In the seventies/eighties of the last century, Mrs. An druwan, the elected secretary of the society, said, "I know many brilliant boys who hate science. Science fear has re-emerged, focusing on the harmful effects of climate change, especially artificial intelligence has bad effect on the environment caused by the misuse of technology.
জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্
১৩.মানব জাতির পরম প্রত্যাশিত শান্তিকে বলা হচ্ছে সোনার হরিণ,আমাবস্যার চাঁদ,অশ্বডিম্ব ইত্যাদি। আই.আর.আর.এস.টি.সির পন্চ বার্ষিক গবেষণায় শান্তির অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে জ্ঞানের সুষ্ঠু ব্যবহার-প্রয়োগের মধ্যে। সেমতে, জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র আবিস্কার মানব জাতির পরম প্রাপ্তির কারণ হতে পারে।
Scientific principles of peace in the light of knowledge
13. The ultimate expected peace of the human race is called the golden deer, the new moon, the Horse's egg, etc. IRRSTC's five annual studies have found the existence of peace in the judicious use of knowledge. Thus, the discovery of the scientific formula for peace in the light of knowledge can be the ultimate achievement of mankind.
যেহেতু উপরে উল্লিখিত বিষয়গুলো হচ্ছে ট্রান্সসেন্ডেন্টাল প্রিন্সিপল অর্থাৎ অতিপ্রাকৃত বা মানব জ্ঞানের বাইরে (মানুষের জ্ঞানের বাইরে: উত্স: একটি ছাত্র অভিধান) এবং যেহেতু এই সমস্ত বিষয়গুলি নিউটনিয়ান ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞান, তাই আইনস্টাইনের বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা, ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম মেকানিক্স, হাইজেনবার্গের আনসার। . তত্ত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না, তাই এসব এড়াতে "অবিশ্বাস্য হলেও সত্য", "অতিপ্রাকৃত", "অতিপ্রাকৃত", "হ্যালুসিনেশন" "টেলিপ্যাথি" ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করা ছাড়া বিকল্প নেই।
Since the above-mentioned subjects are Transcendental Principle i.e. supernatural or beyond human knowledge (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary) and since all these subjects are Newtonian classical force science, Einstein's special and general relativity, Max Planck's quantum mechanics, Higenberg's uncertainty. Cannot be explained by theory, so there is no alternative but to use the words "unbelievable but true", "supernatural", "supernatural", "hallucination" "telepathy" etc. to avoid these things.
পরিবেশ বান্ধব মানব স্বা্স্থ্য উপযোগী নতুন বিজ্ঞান প্রবর্তন
এটা অনস্বীকার্য যে, কোভিড-১৯ প্রায় পুরো বিশ্ব দখলে নেয়া সত্ত্বেও আমাদেরকে পুরোপুরি পরাজিত করতে পারেনি সত্য, তবে আমরা অনেক মূল্যবান জীবন হারিয়েছি এবং অনাকাঙ্খিত কারণে আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বার প্রান্তে উপনীত হতে চলেছি যা সত্যিই দুঃখজনক।
যেহেতু ট্রান্সসেন্ডেন্টাল প্রিন্সিপল অর্থাৎ মানুষের জ্ঞানের বাইরের বিষয়গুলো নিউটনের ধ্রুপদী বল বিজ্ঞান, আইনস্টাইনের বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম মেকানিক্স, হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব দ্বারা ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না, সেহেতু অতিপরমাণুর অভ্যন্তরে সময় ক্ষেপনের পরিবর্তে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বর্তমানে বিদ্যমান বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়গুলির নিউটন উক্ত সহজ পথে অনুসন্ধান করে সার্বিক একীভূতকরণ তত্বে উপনীত হয়ে পরিবেশ, স্বাস্থ্যবান্ধব উপকারী নতুন বিজ্ঞানের শুরু করতে পারি।
Science for human health, Swastha campaign to overcome digital disease as well as organization of World Knowledge Competition etc. to encourage grassroots knowledge practice. It is true that Covid has not defeated us, but precious lives have been lost and the world has taken over the whole world, with the battle of World War III going on.
So our Transcendental Principle i.e. things beyond human knowledge cannot be explained by Newtonian classical force science, Einstein's special and general relativity theory, Max Planck's quantum mechanics, Heisenberg's uncertainty theory, so without time travel in the superatomic interior, as soon as the progress of science can be made. The science community has to come forward so that we can start the beneficial new science after completing it.
ওয়ামা তাওফিকী ইল্লাবিল্লাহ।
وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّـهِ ۚ
And my success (in my task) Can only come from Allah.
(Source: Sūra 11: Hūd (The Prophet Hūd), Ayat: 88, https://quranyusufali.com/11/
আইনস্টাইনের ভরশক্তির সমীকরণ
বস্তু এবং শক্তিঃ জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ বস্তুর মতই (আইনস্টাইন)।
“ভর এবং শক্তিঃ সব শক্তিরই একটা কার্যকর ভর রয়েছে” (আইনস্টাইন)। (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২১,পৃষ্ঠা ৬৩)।
“ভর ভেক বদল করে শক্তিতে রূপান্তিরত হয়” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০,পৃষ্ঠা ২০)।
Einstein's equation of mass
Matter and Energy: Accumulated energy is like concentrated matter (Einstein).
“Mass and energy: All energy has an effective mass” (Einstein). (Scientific Thought, January, 2021, page 63).
“Mass transforms into energy” (Scientific Thought, March, 2020, p. 20).
Gravitation
“মহাকর্ষীয় ভর বলে আমরা যেটাকে জানি, যার কারণে আমাদের ভারী ও হালকা অনুভূতি হয়, সেটা আসলে ওজন (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২০)।
মহাকর্ষ বল শুন্য কোনো স্থানের কল্পনা করাও অসম্ভব (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০,পৃষ্ঠা ২১)।
“মহাকর্ষ বলের প্রাবল্য যেখানে কম, সেখানে আপনার ওজন কম হবে, নিজেকে তত হালকা মনে করবেন আপনি। আর মহাকর্ষ প্রাবল্য খুব বেশি যেখানে, সেখান থেকে পা তুলতেই আপনি হিমশিম খাবেন” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০,পৃষ্ঠা ২১)।
Gravitation
What we know as gravitational mass, which causes us to feel heavy and light, is actually weight (Science Thought, March, 2020, Year 4, Issue 06, Page 20).
It is impossible to imagine a place without gravitational force (Science Thought, March, 2020, page 21).
“Where the force of gravity is less, the less you weigh, the lighter you feel. And where the gravity is too strong, you will struggle to lift your feet” (Scientific Thoughts, March, 2020, p. 21).
পরমাণু
“পরমাণু তৈরি হয় ইলেকট্রন আর প্রোটন দিয়ে।
কোয়ার্ক
অন্য দিকে প্রোটন-নিউট্রন তৈরি হয় কোয়ার্ক দিয়ে” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২১)।
মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভেতর ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা
“সব মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভেতর ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা এক নয়, প্রতিটির আলাদা” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২১)।
“তাই এক মৌলের পরমাণুর সঙ্গে আরেক মৌলের পরমাণুর ভরের পার্থক্য দেখা দেবে এটা নিশ্চিত” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২১)।
পরমাণুকে ভাঙলে শেষ পর্যন্ত যা পাওয়া যাবে
“পরমাণুকে ভাঙলে শেষ পর্যন্ত যা পাওয়া যাবে তা হচ্ছে কোয়ার্ক আর ইলেকট্রন” (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, বর্ষ ৪, সংখ্যা ০৬, পৃষ্ঠা ২১)।
atoms
“Atoms are made up of electrons and protons.
Quark
Proton-neutrons on the other hand are made of quarks” (Scientific Thought, March, 2020, Year 4, Issue 06, Page 21).
The number of electrons and protons in an atom of an element
"The number of electrons and protons in the atoms of all basic substances is not the same, each one is different" (Science Thought, March, 2020, Year 4, Issue 06, Page 21).
"Therefore, it is certain that there will be a difference in the mass of atoms of one element with those of another element" (Science Thought, March, 2020, Year 4, Number 06, Page 21).
What is ultimately obtained by breaking the atom
"Quarks and electrons are what you end up with when you break apart an atom" (Science Thought, March, 2020, Year 4, Issue 06, Page 21).
বস্তু কণা অথবা মহাবিশ্ব কী দিয়ে তৈরি তা জানলেই বিশ্বপ্রকৃতির সবকিছু জানার শেষ হবেনা কারণ মহাবিশ্ব অনেক বড় অনেক বিশাল তাছাড়া বিশ্ব সৃষ্টির শুরুতেই এর সুশৃঙ্খল সুপরিকল্পিত এবং বুদ্ধিদীপ্ত পরিচালনা ব্যাবস্থাপনা অনন্যা অসাধারণ সম্ভবত এ কারণে পদার্থবিজ্ঞানে বলা হয়েছে যে এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে পাওয়া যাবেনা
Merely Knowing the particles or what the universe is made of is not enought for knowing everything about the nature of the universe because the universe is very big and vast. Moreover, at the beginning of the creation of the world, its orderly, well-planned and intelligent management system is unique and extraordinary. Perhaps this is why it is said in physics that there are questions that cannot be found the answer in this world.
মাইক্রোসফট কিংবা সুপার ডিজিটাল কম্পিউটার মানব মস্তিস্কজাত সৃষ্ট যিনি মানবমস্তিস্ক সৃষ্টি করেছেন উনি কত বিরাট বিশাল সুপার ডিজিটাল এনার্জেটিক মস্তিষ্কের অধিকারী
MICROSOFT OR SUPER DIGITAL COMPUTER HAS BEEN CREATED BY HUMAN BRAIN HE WHO HAS CREATED HUMAN BRAIN HAS A HUGE HUGE SUPER DIGITAL ENERGY BRAIN
জীবনটা কে দিয়েছেন?
প্রতিদিনই কৃতজ্ঞ হওয়া এই ভেবে যে, সংক্ষিপ্ত কিন্ত্ত অসাধারণ স্বপ্নময় এক সুযোগ “জীবন” আমাদের দিয়েছ কার্ল সাগানে।
কে বা করা এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন?
সেই জীবনটা কে দিয়েছেন? প্রশ্ন বটে)যদি জানা যাই যে কি দিয়ে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে তাহলে সঙ্গত কারণে প্রশ্ন আসে কে বা করা এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন?
বিশ্বপ্রকৃতি বলতে সাধারনত আমরা মহাবিশ্বকে মনে করে থাকি তাছাড়া পদার্থ বিজ্ঞানের পরতে পরতে রয়েছে প্রকৃতি শব্দের আলোচনা পর্যলোচনা শব্দটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এবং মানব হস্তমুক্ত মানভস্তমুক্ত সব কিছুকে প্রাকৃতিক বলা হয়
Generally speaking, we mean the universe by the word nature. Moreover, physical science also includes discussion of the word nature. The word nature is popular worldwide and everything that is free from human intervention is called natural.
মানব হস্তযুক্ত সব কিছুকে আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম আমরা বলে থাকি
We call everything artificial by human hands
পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষই ধার্মিক,
এক সময় বিজ্ঞানীরা ধার্মিক ছিলেন, কিন্তু পাদ্রিদের মধ্যে আকাশ বা আকাশের বিবাদের পর ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিলেও নাম গড পার্টিকেল, গড ইকুয়েশন, ধর্মের প্রভাব আবার বিজ্ঞানে দেখা যায়।
Most of the world's people are religious,
At one time, scientists were religious, but after the controversy between the clergy and the sky or the sky, the conflict between religion and science arose, but the name God Particle, God Equation, the influence of religion is again seen in science.
পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ ধার্মিক যদিও একাধিক ভাগে বিভক্ত বিজ্ঞানীরা বার বার অসীমের হাতছানি পাচ্ছেন তা কি নেচার নাকি গড
এক সময়ে বিজ্ঞানীরা ধার্মিক ছিলেন কিন্তু পাদ্রীদের আকাশ না সর্গ এ নিয়ে বিতর্কের পর ধৰ্ম এবং বিজ্ঞানের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দে তবে গড পার্টিকেল গড একুয়েশন নাম আবারো ধর্মের প্রভাব বিজ্ঞানে দেখা যাচ্ছে
"মাধ্যাকর্ষণ গ্রহগুলির গতি ব্যাখ্যা করে, তবে কে গ্রহগুলিকে গতিশীল করে তা ব্যাখ্যা করতে পারে না" আইজাক_নিউটন।
"সত্য কখনও সরলতার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় এবং বিভ্রান্তিতে নয়"।
"সাহসী অনুমান ছাড়া কোনও দুর্দান্ত আবিষ্কার কখনও করতে পারে না"।
মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে। কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন।
আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই।
অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে।
আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।
একজন স্বর্গীয় মাস্টার সমস্ত বিশ্বকে মহাবিশ্বের সার্বভৌম হিসাবে পরিচালনা করেন। তাঁর পূর্ণতার কারণে আমরা তাঁকে বিস্মিত করি, আমরা তাঁকে সম্মান করি এবং তাঁর সীমাহীন ক্ষমতার কারণে তাঁর সামনে পড়ে থাকি। অন্ধ শারীরিক প্রয়োজনীয়তা থেকে, যা সর্বদা এবং সর্বত্র একই, সময় এবং স্থানের কোনও বৈচিত্র্য আবর্তিত হতে পারে না, এবং সমস্ত সৃষ্ট বস্তু যা মহাবিশ্বে শৃঙ্খলা এবং জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে কেবল তার মূল স্রষ্টার ইচ্ছাকৃত যুক্তির দ্বারা ঘটতে পারে, যাকে আমি প্রভু ঈশ্বর বলি।
https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)।
পৃথিবীতে প্রাণের প্রকৃতি এবং গ্রহান্তরের কোনো জায়গায় প্রাণ আছে কিনা, তার অনুসন্ধান হলো একই প্রশ্নের দুটি দিক, তা হলো আমরা কে? তার অনুসন্ধান, যা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ করে আসছে ।
আমরা একটি বিজ্ঞানভিত্তিক সভ্যতা গড়ে তুলেছি, যেখানে জ্ঞান ও জ্ঞানের বিশুদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আমরা কে?
সাগান তাঁর মৃত্যুর আগে লেখা বই দ্য ডেমন হান্টেড ওয়ার্ল্ড-এ এই বলে সতর্ক করে দিয়েছেন, প্রাযুক্তিক উন্নতির সঙ্গে বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটানো না গেলে অন্ধকার যুগ আসন্ন।
বিজ্ঞান কখনো শেষ হবে না এবং আমরা পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে পারি আমাদেরর প্রশ্ন করার সাহস ও উত্তরের গভীরতা দিয়ে।
জ্ঞান ছাড়াতো কোনো মানুষের মানবিক আচরণ বিকাশ লাভ করতে পারে নাআ, সে যথার্থ সভ্যও হতে পারে না। তার কাছে ন্যায়নীতি ও পরিমিতিবোধের আচরণ আশা করা বৃথা। তাদের দিয়ে যেকোনো ধ্বংসাত্মক ও স্বেচ্ছাচারী কাজ সহজে করিয়ে নেওয়া সম্ভব।
আইআরআরএসটিসি-এর মতে, বিজ্ঞান অনেক কারণেই অনিশ্চিত, যার মধ্যে একটি হল আইনস্টাইনের তৈরি "অসম্ভব" শব্দটি, অন্য উৎসের শব্দটি হল "অর্থহীন"।
According to IRRSTC, science is inconclusive for a number of reasons, one of which is the word "Impossible" created by Einstine, the other source's word is "Meaningless".
বিজ্ঞান যতই অতিপারমানবিক অন্দর মহলের গভীর থেকে গভীরে প্রবেশ করছে ততই বার বার অসীমের হাতছানি পাচ্ছেনা যাকে বিজ্ঞানীরা অর্থহীন মনে করে বলে থাকেন:অতিপ্রাকৃতিক টেলিপ্যাথি ইত্যাদি অন্যদিকে ইনস্টিনে বস্তুকণার আলোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়াটা "অসম্ভব" বলে মনে করেছিলেন যারফলে হাজার বার নিউট্রিনো আলোর গতির চাইতে অন্তত ৬০ ন্যানো সেকেণ্ড বেশি দ্রুত গতি সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও ইনস্টিনে এর "অসম্ভব" শব্দের কারণে নিউট্রিনো আলোর গতি বাড়তে দেয়া বিজ্ঞানীদের জন্য রীতিমতো "অসম্ভব"হয়ে পড়ে
As science penetrates deeper and deeper into the superatomic inner world, it repeatedly faces infinity, which scientists call meaningless: supernatural telepathy, etc. on the other hand, considered it "impossible" for particles to exceed the speed of light, which means that a neutrino is at least 60 nanometers faster than the speed of light. Instinct's term "impossible" makes it virtually "impossible" for scientists to allow neutrinos to speed up light, even though the 60 second is faster.xxxxxx
পৃথিবী কী স্মল ব্যাং এ যাচ্ছে ?
লক্ষ বছর পূর্বের তাপমাত্ত্রায় পৃথিবী ফিরে গেছে গত বছর ২০২৩ সালে
উল্লেখ্য বিশে^র উষ্ণতম বছরের সব রেকর্ডকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ২০২৩ সাল। এই রেকর্ডের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (থ্রিসিএস)। সংস্থাটি বলেছে, পৃথিবী নামক এই গ্রহের সবচেয়ে উষ্ণতম এবং সম্ভবত গত এক লাখ বছরের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর ছিল ২০২৩।পৃথিবীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধির একাধিক কারণ রয়েছে তন্মদ্ধে উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে মানুষের কার্যকলাপের ফলে ধারাবাহিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের সঙ্গে যোগ হয়েছে এল নিনো। আবহাওয়ার এই বিশেষ ধরনটির কারণে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাংশের উপরিতলের পানি উষ্ণ হয়ে উঠেছে। যার প্রভাব পড়েছে পুরো পৃথিবীতে।
১৮৫০ সাল থেকে তাপমাত্রার রেকর্ড রাখা হচ্ছে। এর আগে ২০১৬ সালকে উষ্ণতম বছর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
গত বছরের জুলাই মাস থেকে প্রায় প্রতিদিনই তাপমাত্রার নতুন নতুন রেকর্ড দেখতে থাকে বিশ^বাসী। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের গড় তাপমাত্রা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, মাসটির গড় তাপমাত্রা অর্থাৎ সেপ্টেম্বরে প্রতিদিনের গড় তাপমাত্রা আগের সব রেকর্ড ভেঙে ১৬ দশমিক ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। তখনই তারা বলেছিলেন, ২০২৩ সালটা ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হলেও আশ্চর্যের কিছু থাকবে না। ২০২৩ সালে গ্রহটি ১৮৫০-১৯০০ প্রাক-শিল্পযুগের তুলনায় গড়ে ১ দশমিক ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি উষ্ণ ছিল। ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে দেশগুলো সম্মত হয়েছিল যে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করার চেষ্টা করবে। যদিও বিশ্ব সেই লক্ষ্যমাত্রা লঙ্ঘন করেনি। কারণ কাগজে-কলমে কয়েক দশক ধরে গড় বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে থ্রিসিএস বলেছে, ২০২৩ সালের প্রায় অর্ধেক দিনের তাপমাত্রা ‘একটি ভয়ানক নজির’ স্থাপন করেছে। https://www.dainikamadershomoy.com/details/018fdf67eac34
উল্লেখ্য শক্তির নিত্যতার সূত্র মতে বিগ বাং পরবর্তী সৃষ্ট ,,,,ডিগ্রী কেলভিন পর্যায়ক্রমে কমতে কমতে নিঃশেষে হয়ে যাওয়ার কথা নয় তার পরম বিন্দু বা সিঙ্গুলারিটি থাকার কথা যদি পরম বিন্দু বা সিঙ্গুলারিটি থেকে থাকে তাহলে হয়তো সেই পরম বিন্দু বা সিঙ্গুলারিটি বিপরীতমুখী এন্ট্রপিতে রূপ নিয়ে দ্রুত বিগ ব্যাং অবস্থায় ফিরে যাওয়া অসম্ভব কিছু নয় মনে করে ইর্র্স্টক
The IRRSTC observes that the beginning of the Big Bang was naturally followed by a level of entropy that set the road map or blueprint for an environmentally friendly temperature suitable for life.
Note that the temperature at the beginning of the Big Bang was 1033 (1,00000000000000000000000000000) degrees Celsius.
মানুষ ধীরে ধীরে পরিবেশ সচেতন হয়ে উঠছে, আন্তঃসরকারি প্যানেল কমিটি গঠন করা হয়েছে, নিয়মিতভাবে COP সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী পরিবেশের উন্নতির লক্ষ্যে বিশ্বের সরকারগুলো পরিবেশবান্ধব উপকরণ উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, কিন্তু দেখা যাচ্ছে উল্টোটা ঘটছে, অর্থাৎ পরিবেশের দ্রুত অবনতি হচ্ছে।
People are gradually becoming environmentally conscious, the Inter-Governmental Pannel Committee has been formed, the COP conference is being held regularly, the governments of the world are giving priority to the production of environment-friendly materials with a view to improve the global environment, but it is seen that the opposite is happening, i.e. the environment is rapidly deteriorating.
তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে সূর্য পৃথিবীর কাছাকাছি আসছে, নাকি পৃথিবী সূর্যের কাছাকাছি আসছে? নাকি বিগ ব্যাং (উচ্চ শক্তির বিকিরণের একটি বড় বিস্ফোরণের ফলে) পরবর্তী 1033 (1,0000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000) ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এনট্রপি ডি -এনট্রপি হয়ে গেছে?
So, naturally the question may arise that the sun is getting closer to the earth, or the earth is getting closer to the sun? Or the Big Bang( caused by a great explosion of high energy radiation)has become the next 1033 (1,0000000000000000000000000000000) Degrees Celsius temperature entropy D -entropy?
Why TIME moves forward?
TIME moves forward. This is so obvious that we take it for granted, and the rule seems to apply everywhere we look. Observable phenomena only ever unfold in one temporal direction. We get older, not younger. We remember the past, not the future. Stars clump in galaxies rather than dispersing, and radioactive nuclei decay rather than assemble.
The big question is, where does this forward-facing arrow of time come from? The most popular explanation relates to entropy. In this picture, the flow of time is essentially a manifestation of the universe’s inescapable inclination towards disorder.
I have a different idea, or rather two. The first is that time goes both ways – that the big bang isn’t an origin for time, but a midpoint from which two parts of one universe play out, running in opposite directions. We can never see the one unfolding in the other temporal direction, yet it is there, I suggest, as a consequence of a fundamental law of nature.
My second idea is even more radical. It could transform our understanding of the very nature of time. The consequences might even reach beyond the realm of classical physics, the world we can easily see, and offer fresh clues to the quantum nature of gravity – the elusive theory that marries general relativity with quantum mechanics.
Physicists’ current ideas about time owe much to Albert Einstein. His general theory of relativity merged the three dimensions of space with one of time into space-time, the all-encompassing backdrop against which events play out. In principle, if not always in practice, we can move in space as…
সময় কেন কেবল সামনের দিকে প্রবাহিত হয়? কেন আমরা বয়স্ক হই, ছোট হই না? এসব পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম রহস্য।
Why does time only flow forward? Why do we get older, not younger? This is one of the mysteries of physics.x
সময় সম্পর্কে এক গবেষনায় বলা হয় যে TIME এগিয়ে যায়৷ এটি এতটাই সুস্পষ্ট যে আমরা এটিকে মঞ্জুর করে নিই এবং নিয়মটি আমরা যেখানেই দেখি সেখানে প্রযোজ্য বলে মনে হয়। পর্যবেক্ষণযোগ্য ঘটনা শুধুমাত্র একটি অস্থায়ী দিকে উদ্ভাসিত হয়. আমরা বয়স্ক হই, ছোট না। আমরা অতীত মনে রাখি, ভবিষ্যৎ নয়। তারাগুলি ছড়িয়ে পড়ার পরিবর্তে ছায়াপথে জমাট বেঁধে যায় এবং তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস একত্রিত হওয়ার পরিবর্তে ক্ষয় হয়।
বড় প্রশ্ন হল, সময়ের এই অগ্রগামী তীর কোথা থেকে আসে? সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাখ্যা এনট্রপি সম্পর্কিত। সময়ের প্রবাহ মূলত বিশৃঙ্খলার প্রতি মহাবিশ্বের অনিবার্য ঝোঁকের প্রকাশ।
সময় প্রকৃতির একটি মৌলিক নিয়মের ফলস্বরূপ।
A study of time states that TIME moves forward It is so obvious that we take it for granted and the rule seems to apply wherever we see it. Stars clump into galaxies instead of spreading out, and radioactive nuclei decay instead of coalescing.
The big question is, where does this forward arrow of time come from? The most popular explanation is related to entropy. , the flow of time is essentially a manifestation of the universe's inevitable tendency toward entropy.Time is a consequence of a fundamental law of nature.x
(Source: https://www.newscientist.com/article/mg24933240-900-did-time-flow-in-two-directions-from-the-big-bang-making-two-futures/).x
সময় যদি চলমান না হতো তাহলে বর্তমান অচল হয়ে যেত,ভবিষ্যতের দিকে এগুতো না অর্থাৎ ভবিষ্যত বলতে কিছুই থাকতো না
If time did not move then the present would be stagnant, the future would not move, i.e. there would be no future.x
Who is beater of Heart?
কে হার্টকে সচল রাখে? প্রাণ রসায়ন বিজ্ঞানে এর উত্তর আজও পাওয়া যায়নি কারণ হার্টকে সচল রাখতে দেহের অভ্ভন্তরে কিংবা বহির্ভাগের কোনো অংশের ভূমিকা পাওয়া যায়না
এতে প্রমাণিত হয় যে অদৃশ্য এক নিয়ত্রনকারী অসীম মহান সত্বা হার্ট-কে সচল রাখতে সহায়তা করে
Who keeps the heart moving? The answer is still not found in biochemistry because there is no part of the body inside or outside the body to keep the heart moving.
This proves that an invisible controlling Infinite Supreme Being helps keep the heart moving.x
Why Corona Strom back to Sun?
কেন করোনা সূর্যের দিকে ফিরে আসে?
এনট্রপি যেমন প্রমাণ করে যে মহাবিশ্বের উৎপত্তির পিছনে একটি একক মহান সত্তার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে, তেমনি সূর্যের করোনার ভয়াবহ ধ্বংস থেকে পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখতে একক মহান দয়াময় সত্তার অস্তিত্ব অনিবার্য।
Why does the corona return to the sun?
Just as entropy proves that behind the origin of the universe there is a far-reaching aim and purpose of a single great being, so the existence of a single great kindness being is inevitable in keeping the earth safe from the terrible destruction of the sun's corona.x
How to Sun fireing without fuel?
নতুন বিজ্ঞানের নতুন গবেষণা
০১. মহাবিশ্ব কী দিয়ে তৈরি ?
০২. মহা বিশ্বে কী স্মল ব্যাং শুরু হয়েছে ?
০৩. আলোর গতির কী সীমা অতিক্রম সম্ভব ?
০৪. সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত কী অসম্ভব ?
০৫. মহাকর্ষ কী টানে না চাপে ?
মাধ্যাকর্ষণ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। কেউ বলে অভিকর্ষ টানে, কেউ বলে সৃষ্টি চাপ, কেউ বলে অভিকর্ষ ও অভিকর্ষের অর্থ একই, কেউ বলে অভিকর্ষ ও অভিকর্ষ ভিন্ন, আকাশে আকর্ষণকে অভিকর্ষ বলে। পৃথিবীতে আকর্ষণকে অভিকর্ষ বলে।
There is no end to the debate about gravity. Some one's opinion gravity is pulls, some say does pressure, some say gravity and gravitation are the same meaning, some say gravity and gravity are different, on the sky the attraction is called gravitation. On the earth the attraction is called gravity. xx
যদি মাধ্যাকর্ষণকে "চাপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তবে এরস্টক মনে করেন গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশনে পৌঁছানো এবং মাধ্যাকর্ষণকে ঘিরে সমস্ত রহস্যের অবসান করা সহজ হবে।
If gravity is considered a “cosmic force” and “pressure,” IRRSTC thinks it will be easier to reach Grand Unification and end all mysteries surrounding gravity.XX
কিভাবে মাধ্যাকর্ষণ চাপ প্রয়োগ করে
মহাকর্ষীয় চাপের অনেক প্রমাণ। প্রথমত উদাহরণ স্বরূপ মহাকাশচারীরা চাঁদে নিজেকে হালকা অনুভব করতেন কারণ এখানে মাধ্যাকর্ষণ কম, তারা লাফ দিয়ে হাঁটতেন, IRRSTC মনে করে যে ব্ল্যাক হোলের অভ্যন্তরীণ ঘটনা দিগন্ত থেকে আলো বের হয় না কারণ শক্তিশালী চাপ। ঘটনা দিগন্তে একটি স্রোতের মতো প্রবাহিত মাধ্যাকর্ষণ কেবল এগিয়ে যায় এবং মহাকর্ষীয় চাপের কারণে, ব্ল্যাক হোলের ঘটনা দিগন্ত থেকে প্রতিফলিত হয়ে আলো কখনই ফিরে আসতে পারে না।
How gravity exerts pressure
Much evidence for gravitational pressure.For example Astronauts felt himself light on the moon because the gravity is less here, they used to walk with jumping, IRRSTC thinks that light does not come out from the internal event horizon of the black hole because the strong pressure of gravity flowing like a stream in the event horizon only rushes forward and due to gravitational pressure, light can never be back with reflect from the event horizon of the black hole.xx
দ্বিতীয়তঃ মহাকর্ষ যেখানে প্রবল, সেখানে মহাকর্ষের নিম্নমুখী প্রবল চাপের কারণে বায়ুর ঊর্ধ্বমুখী চাপ সত্বেও পা তুলে হাঁটতে হিমশিম খেতে হবে
Secondly, where gravity is strong, due to the strong downward pressure of gravity, it will be difficult to walk despite the upward pressure of air.
০৬. ষ্ট্রিং থিওরি কী প্রমাণিত নয় ?
New research in new science
01. What is the universe made of?
02. What has started the small bang in the universe?
03. What is possible accross the limit of the speed of light?
04. What the Grand Unification Theory is impossible?
05. Does gravity pull or push?
06. Is the String theory not proven?
ভার্চুয়াল কণাগুলো যখন ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্তের কাছে উৎপন্ন হয়, তখন ব্ল্যাকহোলের অভিকর্ষ শক্তির প্রভাবে এই কণাগুলো মিলিত হতে পারে না। এদের মধ্যে একটিকে ব্ল্যাকহোল তার নিজের দিকে টেনে নেয় আর অপরটি বাইরের দিকে ঠেলে দেয়। এই কণাটির বাইরে আসতে যে শক্তি লাগে, তা ব্ল্যাকহোল নিজেই সরবরাহ করে। এই কণাটিকেই আমরা বিকিরণ আকারে ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্ত থেকে বের হতে দেখি। এই বিকিরণকে বলা হয় হকিং বিকিরণ। এই বিকিরণের ফলে ধীরে ধীরে ব্ল্যাকহোলের শক্তি হ্রাস পেতে থাকে। তবে এটি খুবই ধীর প্রক্রিয়া। এভাবে বিকিরণ নির্গমনের ফলে ব্ল্যাকহোলের মৃত্যু ঘটে। ব্ল্যাকহোলের মৃত্যুতে একটি বিশাল বিস্ফোরণের মাধ্যমে এর সমস্ত ভর রূপান্তরিত হয় শক্তিতে । zz
পৃথিবীকে মানবসহ সকল প্রাণীর বসবাসোপযোগীকরণে মহাকর্ষের আদৌ মৌলিক কোনো ভূমিকা আছে কী?
Does gravity play a fundamental role in making the Earth habitable for all creatures, including humans?xx
অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের বিখ্যাত 'জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটিতে স্থান, সময়, মাধ্যাকর্ষণ এবং পদার্থের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয়, ব্ল্যাক হোলের ধারণার পাশাপাশি কেন আলো মহাশূন্যে বাঁকে যায় তার ব্যাখ্খা পাওয়া যায় ,
Albert Einstein's famous General Theory of Relativity, which describes the relationship between space, time, gravity, and matter, explains why light bends in space along with the concept of black holes.xx
কিন্তু বায়ুর প্রবল ঊর্ধ্বমুখী চাপকে উপেক্ষা করে, গাছের মতো শেকড় না থাকা কিংবা দালানের মতো ফাউন্ডেশন বিহীন অবস্থায় কিভাবে মানুষসহ সব প্রানিকূল যায় পৃথিবীর ভূত্বকের উপর দাঁড়িয়ে আছে?এটা প্রশ্ন যে, মাধ্যাকর্ষণ কি কোন মৌলিক ভূমিকা পালন করে? আইনস্টাইনের বিখ্যাত 'জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি'তে এর বিস্তারিত আলোচনা পাওয়া যায় না।
But ignoring the strong upward pressure of the wind, without roots like a tree or without a foundation like a building, how does everything, including humans, stand on the earth's crust? The question is, does gravity play a fundamental role? A detailed discussion of this is not found in Einstein's famous 'General Theory of Relativity'.xx
ভূপৃষ্ঠে দাঁড়িয়ে থাকতে মানুষসহ প্রাণীকূলের জন্য বাতাসের উর্দ্ধগতি কতটা প্রতিকূল? সামান্য বাতাসে ধুলা বালি থেকে শুরু করে অনেক ক্ষুদ্র জিনিস আকাশে উড়িয়ে নিয়ে যায় কিন্তু প্রবল টর্নেডো,প্রবল ঝড়-তুফানে বড় বড় গাছ-পালার শক্ত শিকড় উপড়ে বহু দূর-দূরান্ত উড়িয়ে নিয়ে যায় সত্য,কিন্ত্ত মানুষ কিংবা জীবজন্তু সাধারণতঃ উড়িয়ে নেয়া হয় না। এটা এক প্রকার এনট্রপি অর্থাৎ এটা এক মহাজাগতিক পরম রহস্যময় ঘটনা বটে ।
How unfavorable is the upward movement of air for animals, including humans, while standing on the surface? Small things starting from dust and sand are blown into the sky by a little wind, but strong tornadoes, strong storms uproot the strong roots of big trees and take them far away. It is true, but people or animals are not usually blown away. It is a type of entropy, that is, it is a cosmic absolute mysterious phenomenon.xx
প্রশ্ন হচ্ছে: , মহাকর্ষ কী উপাদান দিয়ে, মহাকর্ষ কী কসমোলোজিক্যাল নাকি ভূত্বক সম্পর্কিত?নাকি অন্য কিছু ?
মহাকর্ষ কী উপাদান দিয়ে তৈরি?
মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে ৪ মহাবল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন নামে একীভূত ছিল। পরে বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে চার ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
What is gravity made of?
CCWhat is gravity made of?
In the Modern Cosmological Standard Model theory, the 4 highest energetic radiations were unified before the Big Bang. It was later split into four parts by the Big Bang.xx
উল্লেখ্য আইনস্টাইনের ‘সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব’ মহাবিশ্বের দুটি বস্তুর আকর্ষণের জন্য দায়ী মহাকর্ষ বলের ধারণাকে পাল্টে দিয়ে বলা হয় যে, "একটি বস্তু তার চারপাশের স্থানকালে তৈরি করবে বক্রতা"। এ ধারণামতে আলো কেন বেঁকে যায় সে সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ব্যাক্ষা পাওয়া যায় আর "বস্তু যত ভারী তার স্পেসটাইম বক্রতা তত বেশি। আর এই বক্রতার জন্যই কোনো বস্তু তার আশপাশের অন্য বস্তুকে নিজের দিকে টেনে আনবে" এতে ব্লকহোলের ব্ল্যাকহোলের ধারণা পাওয়া গেলও ধারণা পাওয়া যায়না পৃথিবীকে মানবসহ সকল প্রাণীর বসবাসোপযোগীকরণে মহাকর্ষের আদৌ মৌলিক কোনো ভূমিকা সম্পর্কে।
Note that Einstein's 'general theory of relativity' changed the idea of the gravitational force responsible for the attraction of two objects in the universe, saying that "an object will create a curvature in the spacetime around it". According to this idea, there is a scientific explanation about why light bends and "The heavier the object, the more its spacetime curvature. And because of this curvature, an object will pull other objects around it towards itself". xx
SMALL BANG THEORY
একটি বিশাল আকৃতির দানবীয় নক্ষত্র চুপসে গিয়ে নিউট্রন স্টারে পরিণত হয় এবং মহাকর্ষবল দুর্বল হয়ে চুপসানো থেমে গিয়ে পরম বিন্দুতে পরিণত হয় যাকে সিঙ্গুলারিটি বলা হয় কিন্তু স্ট্রিং থিওরিতে এই পরম বিন্দুকে বলা হয় স্ট্রিং যার ক্ষুদ্রতা হচ্ছে ১০-৩৩ সেনটিমিটার/কোয়ার্কের ক্ষুদ্রতার পরিমান ১০-১৬
A massive giant star collapses to become a neutron star and the gravitational force weakens and collapses to an absolute point called a singularity but in string theory this absolute point is called a string whose size is 10-33 cm/quark size 10-16.XX
মূলত স্ট্রিং একটা গাছের মতো তবে এক গাছে এক রকমের ফল দরে কিন্তু স্ট্রিং নামক গাছে ধরে নানা জাতের ফলস্বরূপ বিভিন্ন ধরণের কোন পার্টিকেল গাছে ফল ধরে বীজ অনুসারে স্ট্রিংয়ে কণা উৎপন্ন হয়
Basically the string is like a tree but one tree bears one kind of fruit but the tree called string, different types of particles bear as fruit on the tree.
স্ট্রিংয়ের কম্পনের মাত্রাভেদে বস্ত্ততঃ স্ট্রিং থেকে কখনো ইলেক্ট্রন কখনো কোয়ার্ক ইত্যাদি উৎপন্ন হয়ে থাকে।
Depending on the vibration level of the string, it would be electrons or quarks etc.xx
জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র
The Scientific Formula of Peace in the Light of Knowledge.
► আইনস্টাইনের E=mc2 সমীকরণমতে বস্তু ও শক্তি আসলে সমার্থক। (বিজ্ঞান চিন্তা পৃঃ ৪৪)। ...তাই জমে থাকা শক্তিও জমে থাকা বস্তুর মত (পৃঃ ৩৫)। স্ট্রিং থিওরীমতে, প্রাপ্ত কণাগুলো অসলে এক ধরণের সুতার কম্পন যা আমরা কণা (পার্টিকেল) হিসাবে দেখে থাকি।
► According to Einstein's E=mc2 equation, matter and energy are actually synonymous. (Scientific Thought p. 44). ...so accumulated energy is like accumulated matter (p. 35). In string theory, the resulting particles are actually vibrations of a kind of string that we see as particles.xx
► প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক বিজ্ঞানী ডেমোক্রিটাস যাকে অ্যাটম, অ্যারিস্টটল মাটি,পানি,বাতাস, আগুন চতুর্মাত্রিক পরবর্তীতে আরবের জাবের ইবনে হাইয়ান পারদ-সালফেট দ্বিমাত্রিক যা মারে গেলমান এক কেন্দ্রিক কোয়ার্ক নাম দিয়েছেন যার সূক্ষ্ণতা হচ্ছে মাত্র ১০-১৬ সেন্টমিটার।
► The ancient Greek philosopher scientist Democritus called the atom, Aristotle soil, water, air, fire four-dimensional, later Arab Jaber Ibn Hayyan mercury-sulfate two-dimensional which Murray Gelman named a central quark whose fineness is only 10-16 centimeters.xx
► আই.আর.আর.টি.সির মতে পৃথিবীর পরিবেশ-পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের কেবল অতিপারমাণবিক অন্দর মহলে প্রবেশ করে ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব অনুভব করে খেই হারিয়ে কালক্ষেপন করার চাইতে সকল চিন্তা-ভাবনা-গবেষণা মানব কল্যাণে নিয়োজিত করা জরুরী।
► According to IRRTC, the Earth's environment is becoming increasingly complex. It is important for scientists to devote all their thoughts and researches to human welfare rather than wasting time only by entering the superatomic inner circle.xx
এমতাবস্থায় বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত অদৃশ্যমান স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক এর মতো প্রত্যক্ষ দর্শনের শর্ত শিথিল করে স্ট্রিংয়েরও বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি প্রয়োজন কারণ, সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে যদি হিগস বোসন কণা উৎপন্ন করা সম্ভব হয় তাহলে তদাপেক্ষা বেশি কম্পন্ সৃষ্টি করে স্ট্রিয়ে কম্পন সৃষ্টি করা অসম্ভব হবে কেন? কেন ১০-৩৩ সেন্টমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রের জন্য অপেক্ষমান থাকা
In such a case, strings need to be scientifically recognized by relaxing the conditions of direct observation like the scientifically recognized invisible strange quark because, if it is possible to produce Higgs boson particles by creating trillions of trillions of vibrations per second, then why would it be impossible to create striae vibrations by creating more vibrations? Why wait for 10-33cm super digital microscopexx?
►“কুন” শব্দটি আল্লাহ পাকের বিশেষ কুদরতি শব্দ। “কুদরাত: এমন এক ধারণা-বিশ্বাস নাম যা কোনো কিছু সৃষ্টির ক্ষেত্রে উপাদান-উপকরণের ব্যাপারে সুবহান (পবিত্র) এবং সামাদ (অমুখাপেক্ষি)। এছাড়া আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু আরও অনেক বিরল গুণের অধিকারী যা স্বয়ং তিনি পবিত্র কুরআনে নিজেই নিজের গুণাবলী বর্ণনা করে এরশাদ করেনঃ . ٢٣- هُوَ اللَّـهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯ 24. He is Allah, the Creator, The Evolver, The Bestower of Forms (Or Colours). To Him belong The Most Beautiful Names: Whatever is in The heavens and on earth, Doth declare His Praises and Glory : And He is the Exalted In Might, the Wise. (Al Quran: Sūra 59: Hashr, or The Gathering (or Banishment), Ayat:24, Verses 24 — Madani; Revealed at Medina — Sections 3,https://quranyusufali.com/59/).
প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Super Power, Super Natural কিংবা Perfect God থেকে। কুদরাত হচ্ছে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না (Beyond human knowledge) এমন একটি বিষয়
According to conventional belief, all creations, all objects originated from First Reality or First Principle or Super Power, Super Natural or Perfect God. Nature is the Transcendental Principle, that is, miraculous or beyond human knowledge xx.|
► প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী)। আল্লাহ সর্ববিষয়োপরি সর্বশক্তিমান। পবিত্র কোরআনে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়া'লা স্বীয় ক্ষমতা দিয়ে আকাশ সৃষ্টির কথা উল্লেখ করেছেন। তাই মহাবিশ্ব সৃষ্টিতে মহান আল্লাহর জন্যঃ "আরাদা শাইয়্যুন"-কুদরতি ইচ্ছা-ই যথেষ্ট। সেমতে, "কুন" শব্দটি মহান আল্লাহ তায়া'লা বলতে গেলে অতিরিক্ত ব্যবহার করেছেন< যা পবিত্র কুরঅনের সূরাহ হাদীদের ২৫নং আয়াত এবং পদার্থবিজ্ঞানের ভরশক্তি সমীকরণের আলোকে বিশ্লেষণের যথেষ্ট দাবী রাখে।
Every matter reaches the root (Farabi). Allah is all-powerful. In the Holy Qur'an, Almighty Allah Ta'ala mentions the creation of the sky by His power. So for Almighty God to create the universe: "Arada Shayyun" - natural will is sufficient. Thus, the word "Qun" has been used excessively by Allah Ta'ala, which deserves to be analyzed in the light of verse 25 of Surah Hadith of the Holy Qur'an and the mass equation of physics.xx
► আধুনিক কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরিতে মহাবিশ্বের বস্ত্তগত উৎসমূল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বরং বলা হচ্ছেঃ এ ধরায় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর পাওয়া যাবে না। যদিও কার্ল সাগান বলেছিলেনঃ পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং তার জ্ঞানগর্ভ উত্তর প্রয়োজন। কিন্ত্ত ডেমোক্রিটাস, অ্যারিস্টটল,জাবের ইবনে হাইয়ান আল আরাবী,আইজাক নিউটন,মারে গেলমান, আলবার্ট আইনস্টাইন, কিংবা স্টিফেন হকিংসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানের মাধ্যমে আজও জানেননিঃ প্রকৃতিতে এতো এতো যে বস্ত্তকণা তা কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না।
The modern cosmological standard theory does not find a physical origin of the universe. Rather it is being said: There are questions in this catch which cannot be answered. Although Carl Sagan said: Making sense of the world requires bold questions and enlightening answers. But world-famous scientists including Democritus, Aristotle, Jaber Ibn Hayyan Al Arabi, Isaac Newton, Murray Gelman, Albert Einstein, or Stephen Hawking still did not know through classical force science and quantum force science: No one knows what is made of .xx
► প্রকৃতিতে এতো এতো কণা-এসব কি দিয়ে তৈরী? এ প্রশ্নের জবাবে কেউ বলেন, প্রাকৃতিকভাবে, কেউ বলেন সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা থেকে।। পবিত্র ইসলাম ধর্মমতে, মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়া'লা ইচ্ছা করেছেন তাই বলেছেনঃ কুন্ঃ হয়ে যাও।ফায়াকুনঃ তাতেই হয়ে গেছে।
বস্ত্ততঃ সৃষ্টিকর্তা এমন বিরল গুণের অধিকারি যিনি বিনা উপকরণ-উপাদানে মহাবিশ্বের সব কিছু সৃষ্টিতে সক্ষম। বিরল গুণাবলী হচ্ছেঃ ১) সামাদ (সর্বপ্রকার উপাদান-উপকরণের মুখাপেক্ষিতা/নির্ভরশীলতা থেকে ২) সুবহান অর্থাৎ পুতঃপবিত্র, মুক্ত, স্বাধীন। ►
► What are so many particles in nature made of? In response to this question, some say, naturally, some say from the will of the creator. According to the holy religion of Islam, the Great Creator, Allah Ta'ala, willed it and said: Be it. Fayakun: It is done.
In fact, tthe Great Creator, Allah Ta'ala possesses such a rare quality that He is able to create everything in the universe without materials. The rare qualities are: 1) Samad (from dependence/reliance on all kinds of material-materials) 2) Subhan i.e. pure, free, independent.xx
►IRRSTC কর্তৃক ২০১৮-২০২৩ অর্ধ দশক দীর্ঘমেয়াদী এক গবেষণায় পবিত্র কুরআনের সূরাহ হাদীদের ২৫নং আয়াত মূলে আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভরশক্তির সমীকরণ সমীক্ষায় যে "শক্তিকে" সকল বস্ত্তমূলের একক উৎসমূল হিসাবে সনাক্ত করেছে তা-ও বস্ত্তবিশেষ। ফলে সংগত কারণে অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, পরম সত্যে পৌঁছার মাধ্যমে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স নামক নতুন বিজ্ঞানের সূচনা করা-যাতে করে প্রশ্নবিহীনভাবে মহাজগতের অবকাঠামোর অবস্ত্তগত মূল সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়।
অন্যথায় সংগতভাবে একের পর এক প্রশ্ন উঠেই আসবে । সম্ভবতঃ এ কারণে বিজ্ঞান নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান যুগের মতো অনেক বিষয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করার ফলে সমাধানের পথ হয়ে পড়ে অবরুদ্ধ। কিন্ত্ত কোয়ান্টাম মেকানিক্স আর হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদী যুগে এসে অনেক বিষয়কে শর্তহীনভাবে কোন প্রকার প্রশ্নবিদ্ধ ছাড়াই বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যেমনঃ প্রাণীর প্রাণ সত্বা, স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক ইত্যাদি।তাছাড়া, মানব জ্ঞানে কুলায় না- এমন সব বাস্তব সত্যকে মেনে নেয়া হয়েছে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, অলৌকিক, অতিপ্রাকৃতিক, টেলিপ্যাথি ইতাাদি গৎবাধা প্রবাদ বাক্য কিংবা শবদ দ্বারা। তাছাড়া, নিবিড় গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ বহির্ভূত বিষয়াবলী তা হচ্ছেঃ ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটার,স্ট্রিং থিওরি ইত্যাদি যার রয়েছে অনানুষ্ঠানিক বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি।
► In a 2018-2023 half-decade long study by IRRSTC, the "energy" identified as the single source of all matter in Einstein's famous equation of mass energy based on verse 25 of Surah Hadid of the Holy Quran that is merely super matter.
Under the above circumstances,IRRSTC thinks that, with a view to to unquestionably trace the underlying causal relationships of the cosmic structure as well as conclude the advance of science by reaching absolute truths,it is essenctial to establish a new science called "Frontier Science".
Otherwise questions will come up one after the other. Perhaps because of this, science is blocked by many questions. But since quantum mechanics and Heisenberg's age of determinism, many things have been unconditionally accepted as scientific without question. For example: animal soul, strange quark etc. Also, all the real facts that are not known to human knowledge are accepted as unbelievable but true, miraculous, supernatural, telepathy etc. by proverbs or words.
Moreover, there are intensive researches that are beyond the scope of language such as: dark energy, dark matter, string theory etc, which have informal scientific recognition.xx
► সত্য কখনও সরলতার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়, বিভ্রান্তিতে নয় https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন)।
► আমি দর্শনতত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছি, এটির ব্যাখ্যা দার্শনিক নয় বরং গাণিতিক।
► কার্ল সাগানের মতে, এই পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে প্রয়োজন সাহসী প্রশ্নের। অন্যদিকে, পদার্থবিজ্ঞান মতে, এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে পাওয়া যাবেনা। IRRSTC মনে করে দুটি বিরোধপূর্ণ বিষয়ের সমাধানের উত্তম মাধ্যম হচ্ছেঃ মধ্যপন্থা। জরুরী প্রয়োজনে প্রশ্নের দ্বার খুলে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় সময় ক্ষেপনকর প্রশ্নের দ্বার বন্ধ করে দেওয়া। এটা কোন পন্থা হতে পারে না যে, মহাকাশে ব্ল্যাক হোল কিংবা সূর্যের মতো ভারী বস্ত্তর কারণে দূর গ্রহ হতে পৃথিবীতে আলো বেঁকে চলার কারণে পৃথিবীতে আলো সরল রেখায় গমনের নিউটনের ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান বাতিল হয়ে যাবে। বরং মধ্যপন্থা হচ্ছেঃ আলোর সরল রেখায় গমন পৃথিবীতে প্রযোজ্য, মহাকাশে নয়। তাহলে সম্ভবপর হতে পারে মধ্যপন্থায় নিউটনীয় ক্ল্যাসিক্যাল বল বিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের দ্বন্দ্বমুক্ত সহাবস্থান।
Truth is sometimes found in simplicity, not confusion https://bn.wikiquote.org/wiki/Isaac_Newton).
► I laid the foundations of philosophy, its interpretation not philosophical but mathematical.
► According to Carl Sagan, brave questions are needed to make sense of the world. On the other hand, according to physics, there are questions that cannot be answered in this world. IRRSTC believes that the best means of resolving two conflicting issues is: Mediation. Keeping the door open for urgent questions and closing the door for irritating questions when unnecessary. There is no way that Newton's classical force science of light traveling in a straight line on Earth would be invalidated due to the bending of light from distant planets due to black holes in space or heavy objects like the Sun. Rather, the middle ground is: straight-line travel of light applies on Earth, not in space, irrstc hope and expect that it will assist a conflict-free coexistence of Newtonian classical force science and Quantum mechanics.xx
► আধুনিক বিজ্ঞানের স্থপতি আলবার্ট আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে বেঁধে দেওয়া আলোর গতি সেকেন্ডে ১৮৬,০০০ মাইল থেকে নিউট্রিনোর মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে যাওয়াকে অসংগত মনে করেন স্টিফেন হকিংসহ বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীরা। কারণ, এতে মডার্ণ কসমোলজিকাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরি যেমন ভেঙ্গে পড়ার আশংকা রয়েছে তেমনি পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সূত্রগুলি নতুন করে লেখার প্রয়োজেে যা স্থান পেতে পারে জাদুঘরে। এ ধরণের আবিস্কারের জন্য CERN-কে জবাবদিহি করতে হয়,গবেষণা দল প্রধানকে তিরস্কার ও সাসপেন্ডও করা হয়।
► অবশ্য নিউট্রিনোর মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড দ্রুত চলার যুগান্তকরী এই আবিস্কার অবশ্য সার্ণ কর্তৃক পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এতে সায়েন্স ফিকশিস্টরা কিছুটা হতাশ হয়েছিল।কারণ, তারা আশা করছিল, নিউট্রিনো প্রযুক্তি আরোপ করে নভোতরী ওয়ার্মহোল, র্যা প ড্রাইভের মতো অতি দ্রত তরীতে চড়ে মুহুর্তে মহাকাশের এ ফোঁড় দিয়ে ঢুকে ওফোঁড় দিয়ে বের হওয়ার অনেক দিনের অআশা-প্রত্যাশা এবার পূরণ হতে পারে। IRRSTC মনে করে এক্ষেত্রেও রয়েছে মধ্যপন্থায় সুরাহা। https://irrstc1445.blogspot.com/2024/05/blog-post_26.html
The world's best scientists, including Stephen Hawking, consider it incongruous that neutrinos moves advancely 60 nanoseconds from the speed of light to 186,000 miles per second.
The speed of light to 186,000 miles per second is bound by Albert Einstein's theory of special relativity, the architect of modern science.
But due to neutrinos moves advancely 60 nanoseconds, it threatens to collapse the modern cosmological standard theory as well as the need to rewrite the established formulas of physics, which can take place in museums. In this reason, CERN was held accountable for such discoveries, with the head of the research team reprimanded and suspended.
► However, this groundbreaking discovery of neutrinos traveling over 60 nanoseconds was abandoned by CERN. The science fictionists were a bit disappointed because, they were hoping, by applying neutrino technology, the long-term hope of entering and exiting this bubble of space in a moment by riding a super-fast stream like a nova wormhole, rap drive, could be fulfilled.
But IRRSTC feels that there is a middle ground in this contradiction too. https://irrstc1445.blogspot.com/2024/05/blog-post_26.html xx
NOW SMALL BANG THEORY!
অগণিত নক্ষত্র নিজেদের পারমাণবিক জ্বালানি ফুরিয়ে ফেললে তাদের ভাগ্যে কী ঘটবে? বিজ্ঞানী রবার্ট ওপেনহাইমার,জর্জ ভলকফ এবং হার্টল্যান্ড সিন্ডারের সঙ্গে যৌথভাবে ১৯৩৯ সালে বেশ কয়েকটি গবেষণাপত্রে প্রমাণ করেন, এ ধরনের নক্ষত্রের জন্য আর বাইরের দিকে চাপের কোনো অবলম্বন থাকে না। বাইরের চাপ বাদ দিলে একটি সুষম গোলককার সুশৃঙ্খল প্রতিসম নক্ষত্র সংকুচিত হয়ে একক অসীম ঘনত্বের একটি বিন্দুতে পরিণত হবে। এ ধরনের বিন্দুকে বলা হয় সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু।সূত্রঃ https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কৃষ্ণগহ্বর-কি-আসলে-লোমশূ/
একটি দানবীয় নক্ষত্র কোনো অকল্পনীয় ক্ষুদ্র বিন্দুতে সংকুচিত হলেই তাকে বলা হয় পরম বিন্দু। স্টিফেন হকিংয়ের পুরো কর্মজীবনে গবেষণার মূল বিষয় ছিল এ ধারণাটি ঘিরে। পরম বিন্দু কেবল কোনো নক্ষত্রের সমাপ্তিই নির্দেশ করে না, বরং পুরো মহাবিশ্বের গঠনের সূচনা বিন্দু সম্পর্কেও অনেক বেশি মৌলিক ধারণার নির্দেশক।(প্সূত্রঃ https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কৃষ্ণগহ্বর-কি-আসলে-লোমশূ/)
What will happen to their fate if countless stars run out of their nuclear fuel? Scientists jointly with Robert Oppenheimer, George Vulkoff and Heartland Cindar proved in several studies in 1939 that there is no pressure on such stars. Excluding the external pressure, a balanced spherical order will become a point of single infinite density by narrowing the constellations of the nephew. This type of point is called Singularity or the absolute point. Source: https://www.banglalibrary.com/lessons/ black hole-ki-asle-lomsu/
A monster star is called the absolute point only when he is compressed at an unimaginable small point.The absolute point not only indicates the end of a constellation, but also the point of the formation of the entire universe is also indicative of a very basic idea.xxx
স্থান-কাল মসৃণ ও প্রায় সমতল—এই অনুমানের ওপর ভিত্তি করে স্থানবিষয়ক আমাদের সব তত্ত্ব সূত্রবদ্ধ করা হয়েছে। কাজেই স্থান-কাল পরম বিন্দুতে এসে ভেঙে পড়বে, কারণ সেখানে তাদের বক্রতা অসীম। সত্যি বলতে কি, পরম বিন্দু খোদ সময়ের সমাপ্তিসীমাও নির্দেশ করে। (প্রাগুক্ত)
ডিএস : আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বমতে, বস্তুরা তাদের চারপাশের স্থান-কাল বিকৃত করে দেয়। স্থান-কালের বক্রতা অনেক গভীর থেকে গভীরতর হলে এবং ক্রমেই অসীম হয়ে গেলে, সেখানে স্থান ও কালের প্রচলিত নিয়মকানুন আর প্রয়োগ করা যায় না।(প্রাগুক্ত)
এরই মধ্যে স্পষ্ট বোঝা গেল যে কোনো সুষম গোলককার নক্ষত্র সংকুচিত হবে অসীম ঘনত্বের একটি বিন্দুতে বা একটা পরম বিন্দুতে। আইনস্টাইনের সমীকরণ পরম বিন্দুতে আর কাজ করে না। এর মানে হলো, অসীম ঘনত্বের এই বিন্দুতে কেউই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোনো অনুমান করতে পারবে না। এতে বোঝা সম্ভব হলো, কোনো নক্ষত্র সংকুচিত হলে অদ্ভুত সব ব্যাপার ঘটতে পারে। (প্রাগুক্ত)
Place-time is smooth and almost flat-based on this assumption that all our theories on space have been formulated. Therefore, the space-time will come to the absolute point, because their curvature is infinite there. In fact, the absolute point also indicates the end of time. (aforesaid)
In Einstein's general relativities, objects distort the space around them. If the curvature of space-time is too deep to deeper and gradually become infinite, the traditional rules of space and time can no longer be applied. (aforesaid).
In the meantime it is clear that the constellation of a balanced sphere will be narrowed at a point of infinite density or at an absolute point. Einstein's equation no longer works at the absolute point. This means that at this point of infinite density, no one can guess the future. It is possible to understand that if a constellation is compressed, all the strange things can happen. (aforesaid)xx
কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরে কী আছে—সে সম্পর্কে তার বাইরে থেকে কিছুই বলা যায় না।(প্রাগুক্ত) কৃষ্ণগহ্বরের একটি সীমানা থাকে, যাকে বলা হয় ইভেন্ট হরাইজন বা ঘটনা দিগন্ত। এখানে মহাকর্ষ এতই শক্তিশালী যে তা আলোকেও পেছন দিকে টেনে নিতে পারে এবং আলোকে বাইরে বেরিয়ে যেতে বাধা দেয়।
ডিএস : আনসার্টেইনিটি প্রিন্সিপাল বা অনিশ্চয়তার নীতির জন্ম দেন বিখ্যাত জার্মান পদার্থবিদ ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ, ১৯২০-এর দশকে। এই নীতি অনুযায়ী, কখনোই ক্ষুদ্রতম কণাদের নির্ভুল অবস্থান নির্দিষ্ট করা কিংবা অনুমান করা সম্ভব হবে না। কাজেই কোয়ান্টাম পরিসরে প্রকৃতিগতভাবে একটি অস্পষ্টতা আছে। আইজ্যাক নিউটনের বর্ণিত যথাযথ বিন্যাসে সাজানো মহাবিশ্বের সঙ্গে এটি একেবারেই বেমানান।
Nothing can be said about what is inside the black hole. Gravity here is so powerful that it can even prevent the light from coming out.
DS: Ansrteny Principal or Uncertainty Principal Renowned German physicist Warner Heisenberg, in the 1920s. According to this policy, it will never be possible to specify or assume the exact position of the smallest particles. So in the quantum range there is naturally an ambiguity. It is absolutely useless with the universe arranged in the appropriate format described by Isaac Newton.xxx
ঘটনা দিগন্ত : কৃষ্ণগহ্বরের সীমানা। এখান থেকে কোনো বস্তু বা বিকিরণ বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না। সাধারণ আপেক্ষিকতা অনুসারে, ঘটনা দিগন্ত হচ্ছে কোনো একটি ঘটনার স্থান-কালের সীমানা, যার বাইরে অবস্থিত কোনো পর্যবেক্ষকের ওপর ওই ঘটনার কোনো প্রভাব পড়ে না। সাধারণভাবে একে প্রত্যাবর্তনের শেষ বিন্দু বলা হয়। অর্থাৎ এখানে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ এতই বেশি হয় যে কোনো কণার পক্ষেই সেখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব হয় না।
Events horizon: the boundary of the black hole.
No object or radiation can come out of here. According to general relativity, the horizon is the boundary of an event, beyond which the observer has no effect on the incident. In general it is called the end point of return. That is, the gravitational attraction here is so high that it is not possible for any particle to come back from it.xxx
xxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxx
xxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxx
তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র : তাপগতিবিদ্যা আসলে গ্যাসের গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান। বড় পরিসরে গ্যাসের অণুগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়া- প্রতিক্রিয়া যে তাপমাত্রা ও চাপের সৃষ্টি হয়—তার ব্যাখ্যা করে এটি। এই বিষয়টি প্রকৃতির একগুচ্ছ সূত্র দিয়ে শুরু হয়, যাদের সঙ্গে তাপমাত্রা, চাপ ও আয়তন জড়িত। তাপগতিবিদ্যার তিনটি সূত্র আছে। এর মধ্যে দ্বিতীয় সূত্রটি বলছে : তাপ কখনো নিজ পক্ষ হতে শীতল বস্তু থেকে গরম বস্তুতে পরিণত হতে পারে না। বরং গরম থেকে শীত বস্ত্ততে পরিণত হতে পারে।বিগ ব্যাংয়ের পরক্ষণ হতে তাপমাত্রা..........থেকে ক্রমশঃ কমতে কমতে পরম বিন্দুতে এসে পৌঁছেছে। এক লক্ষ বছর পূর্বে এই তাপমাত্রা দাঁড়ায় সর্বোচ্চ মাত্র ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।পৃথিবীতে বর্তমানে যে তাপমাত্রা তা এনট্রপির নাকি সূর্যের? কারণ,সূর্য ৯ কোটি ৩০ লাখ মাইল দূর থেকে তাপ এবং আলো পৃথিবীতে ছড়াচ্ছে।
এনট্রপি : তাপগতিবিদ্যার সূত্রমতে, মহাবিশ্বের সব বস্তুর মধ্যেই কিছু না কিছু এনট্রপি জড়িত।বিজ্ঞানী বোলজম্যানের মতে, এনট্রপি একটি সম্ভাবনা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন প্রকৃতির বিশৃঙ্খলাকে এনট্রপি নামক একটি গাণিতিক রাশির মাধ্যমে পরিমাপ করা সম্ভব।
অনিশ্চয়তার নীতি : বিজ্ঞানী ওয়ার্নার হাইজেনবার্গের সূত্রবদ্ধ করা নীতি। এর নীতি অনুযায়ী, একটি কণার অবস্থান এবং ভরবেগ-দুটোই একই সঙ্গে নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব নয়। দুটোর মধ্যে একটি যত নিখুঁতভাবে জানা যাবে, ততই অন্যটিকে নিখুঁতভাবে জানার পরিমাণ কমতে থাকবে।
কোয়ান্টাম মেকানিকস : গণিতের যে শাখায় বলপ্রয়োগে শক্তিকণার গতিবেগ, ধর্ম, আচরণ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেটিই কোয়ান্টাম মেকানিকস বা কণা বলবিদ্যা। চিরায়িত (ক্ল্যাসিকাল) বলবিদ্যায় দৃশ্যমান বস্তুর ওপর বলপ্রয়োগে বস্তুর ধর্ম বা আচরণ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু কোয়ান্টাম বলবিদ্যার ক্ষেত্র অতি ক্ষুদ্র শক্তিকণা (যেমন ইলেকট্রন)।নিউটনীয় চিরায়ত বলবিদ্যায় যেসব বস্তুর ভর আছে কিন্তু তরঙ্গ প্রকৃতি নেই, তাদের নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিন্তু কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় এমন সব বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, যাদের কণা (বা ভর) প্রকৃতি এবং তরঙ্গ প্রকৃতি উভয়ই আছে। যেমন আলো একই সঙ্গে কণা ও তরঙ্গ।
প্রতিকণা : প্রতিটি কণা-পদার্থের একটি বিপরীত প্রতিকণা থাকে। একটি কণা যখন তার প্রতিকণার সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন দুটিই ধ্বংস হয়ে যায়। অবশিষ্ট থাকে শুধু শক্তি। বিজ্ঞানী পল ডিরাক প্রথম প্রতিকণার ধারণা দেন। পরে পরীক্ষায় তা প্রমাণিত হয়। যেমন ইলেকট্রনের প্রতিকণাকে বলা হয় প্রতি-ইলেকট্রন বা পজিট্রন।
পারমাণবিক ফিউশন : যে প্রক্রিয়ায় দুটি নিউক্লিয়াস সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং একত্র হয়ে একটি একক, ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে। যেমন দুটো হাইড্রোজেন একত্র হয়ে হিলিয়াম তৈরি হয়। সূর্যসহ নক্ষত্রের কেন্দ্রে অহরহ এই পারমাণবিক ফিউশন প্রক্রিয়ায় হিলিয়াম তৈরি হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় কিছু ভর পরিণত হচ্ছে বিপুল শক্তিতে।
মহাকর্ষ বল : নিউটনের সূত্রমতে, মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু পরস্পরকে আকর্ষণ করছে। যে বলে বস্তুগুলো পরস্পরকে আকর্ষণ করছে, তাকেই বলা হয় মহাকর্ষ বল। এই সূত্রমতে, এই আকর্ষণ বলের পরিমাণ বস্তু দুটোর ভরের গুণফল ।
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ : আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব থেকে পাওয়া একটি তরঙ্গ, যা আলোর গতিতে চলাচল করে। একটি বিপুল ভরের বস্তু আরেকটি বিপুল ভরের বস্তুর চারপাশে ঘুরলে বস্তু দুটি এই তরঙ্গ বিকিরণ করে। ১৯১৫ সালে এ ধরনের তরঙ্গের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন আইনস্টাইন। এর প্রায় ১০০ বছর পর, ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের লাইগোর ডিটেক্টরে এই তরঙ্গ প্রথমবার ধরা পড়ে। এই তরঙ্গের উৎস ছিল ১৩০ কোটি বছর আগে সূর্যের চেয়ে ৩৬ গুণ এবং সূর্যের চেয়ে ২৯ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণগহ্বরের মধ্যে সংঘর্ষ। ওই বছরের ২৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বার শনাক্ত করা হয় মহাকর্ষীয় তরঙ্গ। এরপর ২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়।
হাইজেনবার্গ : জার্মান বিজ্ঞানী ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ (১৯০১-১৯৭৬ খ্রি.) তাঁর সূত্রবদ্ধ করা অনিশ্চয়তার নীতির জন্য বিখ্যাত। এর নীতি অনুযায়ী, একটি কণার অবস্থান এবং ভরবেগ দুটোই একই সঙ্গে নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব নয়। দুটোর মধ্যে একটি যত নিখুঁতভাবে জানা যাবে, ততই অন্যটিকে নিখুঁতভাবে জানার পরিমাণ কমতে থাকবে।
স্থান-কাল : একটি চারমাত্রিক স্থান, যার বিন্দুগুলো ঘটনা। নিউটনের মহাবিশ্বে স্থান আর কালকে আলাদা বলে ভাবা হতো। কিন্তু আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিক তত্ত্বে দেখালেন, এই দুটি আসলে আলাদা কিছু নয়, বরং একক অস্তিত্ব হিসেবে বিরাজমান।
চিরায়ত পদার্থবিদ্যা : বিংশ শতাব্দী শুরুর কিছুদিন আগ পর্যন্তও প্রাকৃতিক ঘটনাবলি নিউটনের বলবিদ্যা, ম্যাক্সওয়েলের বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় তত্ত্ব, তাপগতিবিদ্যা এবং বোলজম্যানের পরিসংখ্যানিক গতিবিদ্যা দিয়ে বেশ ভালোভাবেই ব্যাখ্যা করা যাচ্ছিল। তবে ইথার এবং বিকিরণসংক্রান্ত কিছু বিষয় তখনো অমীমাংসিত ছিল। উনিশ শতকের একেবারে শেষ দশকে একের পর এক নতুন কিছু আবিষ্কার পদার্থবিজ্ঞানে নতুন বিপ্লবের জন্ম দেয়। যেমন : রন্টজেনের এক্স-রে আবিষ্কার, থমসনের ইলেকট্রনের আবিষ্কার, বেকেরেলের তেজস্ক্রিয়া আবিষ্কার, হার্জের ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট আবিষ্কার নতুন কিছু প্রশ্নের জন্ম দেয়। এ ছাড়া এ সময়েই কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ পদার্থবিদদের ধাঁধায় ফেলে দেয়। কারণ, পদার্থবিদ্যার প্রচলিত কোনো সূত্র দিয়েই একে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছিল না। অবশেষে একে ব্যাখ্যার জন্য ১৯০০ সালে বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম ধারণা ব্যবহার করলেন। তাঁর হাত ধরেই শতাব্দীর একেবারে শুরুতে জন্ম নিয়েছিল নতুন এক বিজ্ঞান, যা কোয়ান্টাম তত্ত্ব নামে পরিচিত। তাই ১৯ শতকের আগপর্যন্ত পদার্থবিদ্যার সব তত্ত্বকে বলা হয় চিরায়ত বা ধ্রুপদি পদার্থবিজ্ঞান।
বিকিরণ: তরঙ্গ বা কণার মাধ্যমে স্থান বা অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে পরিবাহিত শক্তি। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ (যেমন তাপ, রেডিও তরঙ্গ, দৃশ্যমান আলো, এক্স-রে, গামা রশ্মি বিকিরণ), কণা বিকিরণ, মহাকর্ষীয় বিকিরণ ইত্যাদি।
উন্মুক্ত পরম বিন্দু : স্থান-কালের পরম বিন্দু, যা কোনো কৃষ্ণগহ্বরের ঘটনা দিগন্ত দিয়ে ঘেরা নয়। আর এই পরম বিন্দুটি দূরে থাকা কোনো পর্যবেক্ষকের কাছে দৃশ্যমান।
অসীম (Infinity) : সীমাহীন বা সমাপ্তিহীন কোনো ব্যাপ্তি বা সংখ্যা।
সাধারণ আপেক্ষিকতা: আইনস্টাইনের তত্ত্ব। ১৯১৫ সালে তত্ত্বটি প্রকাশ করেন তিনি। বিজ্ঞানের নিয়মকানুন সব পর্যবেক্ষকের জন্যই একই হবে, তাদের গতিশীলতার ওপর এই নিয়মকানুন নির্ভরশীল নয়—এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে এই তত্ত্বটি গড়ে উঠেছে। চতুর্থমাত্রিক স্থান- কালের বক্রতার ভিত্তিতে এটি মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করে।
কণাপদার্থবিদ্যা : পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে যেসব কণা বস্তু ও বিকিরণ সৃষ্টি করে তাদের প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করা হয়। সব কণার বর্তমান শ্রেণিবিভাগ স্ট্যান্ডার্ড মডেল বা প্রমিত মডেল দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়।কণা পদার্থ বিজ্ঞানমতে, প্রতিটি কণা কম্পমান যা স্ট্রিং থিওরির উৎসমূল।
কৃষ্ণগহ্বর : ‘মহাকর্ষীয় প্ৰবল আকর্ষণে নিজের ওপর পুরোপুরি ভেঙে পড়া কোনো নক্ষত্র’ বোঝাতে সংক্ষিপ্ত শব্দ হিসেবে মার্কিন পদার্থবিদ জন হুইলার ১৯৬৭ সালে ‘ব্ল্যাকহোল’ শব্দটি ব্যবহার করেন। এরপরই শব্দটি জনপ্রিয় হতে শুরু করে। তবে ভেঙে পড়া এ ধরনের নক্ষত্রের ধারণাটি প্রথম দিয়েছিলেন জার্মানীর পূর্ব বার্লিনের রণাঙ্গনে অবস্থিত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পদার্থ বিজ্ঞানী কার্লস সোয়াজশীল্ড ১৯১৫সালে অআইনস্টাইনের জেনারেল রিলিটিভিটর একমাস পূর্তিরও কম সময়ে এই তত্ত্বের বাস্তব প্রয়োগ করতে গিয়ে মহাকাশে অসীম ভরের ব্ল্যাকহোলের আবিস্কার করেন। পরবর্তীতে মার্কিন বিজ্ঞানী রবার্ট ওপেনহাইমার এবং হার্টল্যান্ড সিন্ডার, ১৯৩৯ সালে এই তত্ত্বের সফল ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন।
ডিএস : মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং সবচেয়ে বেশি দূরত্বে শনাক্ত হওয়া বস্তু কোয়াসি- স্টেলার রেডিও সোর্সেসকে সংক্ষেপে বলা হয় কোয়াসার (Quasar )। ধারণা করা হচ্ছে এসব বস্তু কৃষ্ণগহ্বরের চারদিকে চাকতির মতো ঘুরপাক খাচ্ছে ।
স্টিফেন হকিং : প্রথম কোয়াসারটির নাম 3C273। ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল এটি। এর পরপরই আবিষ্কৃত হলো আরও কিছু কোয়াসার। আমাদের কাছ থেকে এসব বস্তুর অবস্থান বহুদূরে হওয়া সত্ত্বেও সেগুলো দেখতে বেশ উজ্জ্বল। তাদের শক্তি নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় না বলে ধারণা করেন বিজ্ঞানীরা। কারণ, তাদের বাকি ভরের খুব সামান্য অংশই বিশুদ্ধ শক্তি হিসেবে নিঃসৃত হয়। তাই একমাত্র বিকল্প হতে পারে তাদের মহাকর্ষীয় শক্তি, যা কি না মহাকর্ষীয় সংকোচনের কারণে বেরিয়ে আসে। এভাবে একসময় নক্ষত্রের মহাকর্ষীয় সংকোচন পুনরাবিষ্কৃত হয়েছিল।
কিন্তু এ বিষয়টিই এককালে ভীষণ আপত্তিকর বলে মনে করেছিলেন স্বয়ং আইনস্টাইন।
যেকোনো কিছুর চেয়েও কৃষ্ণগহ্বর অনেক বেশি অদ্ভুতুড়ে। তারপরও এটি যে বৈজ্ঞানিক সত্য, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বৈজ্ঞানিক সমাজ ধীরে ধীরে বুঝতে পেরেছিল, অতি ভারী নক্ষত্রগুলো তাদের মহাকর্ষের প্রভাবে নিজেদের ওপরেই ভেঙে পড়তে বা চুপসে যেতে পারে। মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার ১৯৫০-এর দশক এবং ১৯৬০-এর দশকে তাঁর গবেষণায় জোর দিয়ে বলেন, অনেক নক্ষত্রই ক্রমান্বয়ে চুপসে যায়।
পক্ষান্তরে, আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯৩৯ সালে এক গবেষণাপত্র দাবি করেন, নক্ষত্ররা নিজেদের মহাকর্ষের অধীনে কখনোই চুপসে যেতে পারে না। কারণ, পদার্থ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু বা সীমার পর আর সংকুচিত হতে পারে না । ডেভিড শুকম্যান বলেনঃ পুরোপুরি চুপসে যাওয়ার জন্য তাদের যথেষ্ট মহাকর্ষীয় বলের অভাব থাকে। সূত্রঃ https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কৃষ্ণগহ্বর-কি-আসলে-লোমশূ/
নিজেদের জ্বালানি ফুরিয়ে ফেলে দানবীয় আকৃতির নক্ষত্র একসময় শ্বেত বামন কিংবা নিউট্রন স্টারে পরিণত হয়। পরিণতিতে তাদের স্ফীত করতে বা ফোলানোর জন্য আর কোনো বল অবশিষ্ট থাকে না। কাজেই নিজের অপ্রতিরোধ্য মহাকর্ষীয় টানে তাদের সংকুচিত হওয়া ঠেকানোর কোনো উপায় ও থাকে না তখন। ফলে মহাবিশ্বের অন্যতম ঘনীভূত এক বস্তুতে পরিণত হয় এসব বস্তু।(ডেভিড শুকম্যান)।
স্থানের ভেতর কম্পন বা তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে কৃষ্ণগহ্বর। প্রায় এক বিলিয়ন বছরের বেশি আগে দুটি কৃষ্ণগহ্বরের মধ্যে সংঘর্ষে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল, যাকে বলা হয় গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ বা মহাকর্ষ তরঙ্গ। সম্প্রতি এই তরঙ্গ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের জন্য এটি অতিগুরুত্বপূর্ণ এক বৈজ্ঞানিক অর্জন।
Pressure বা চাপ
ডেভিড শুকম্যান : নক্ষত্রগুলোকে অনেকটা প্রেশার কুকারের মতো বলে বর্ণনা করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নক্ষত্রের ভেতরে নিউক্লিয়ার ফিউশনের বিস্ফোরক বল বাইরের দিকে একটি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করে। মহাকর্ষের আকর্ষণে সবকিছুকে ভেতরের দিকে টেনে চুপসে ফেলতে প্রবলভাবে বাধা দেয় এই চাপ।
স্টিফেন হকিং: যাহোক, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিজের নিউক্লিয়ার জ্বালানি একসময় ফুরিয়ে ফেলে নক্ষত্রটি। স্বাভাবিকভাবে নক্ষত্রটি তখন সংকুচিত বা চুপসে যেতে থাকবে।
https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কৃষ্ণগহ্বর-কি-আসলে-লোমশূ/#google_vignette
মহাবিশ্বের বেশির ভাগ এলাকাজুড়েই রয়েছে শূন্যতা।
অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, সৃষ্টির সূচনায় মহাবিশ্বের সব শক্তি একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত ছিল। এই বিন্দুটির ভেতর কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশনের ফলে হঠাৎ করেই একটি পরিবর্তনের ঘটনা ঘটে। এটাই হলো বিগ ব্যাং। এর পরপরই মহাবিশ্ব ব্যাপক হারে স্ফীত (inflation) হয়ে উঠেছিল। বিজ্ঞানীদের হিসাবে, জ্যামিতিক হারে এই ব্যাপক স্ফীতিটি হয়েছিল বিগ ব্যাং ঘটার ১০-৩৭ থেকে ১০-৩৫ সেকেন্ডের মধ্যে।
এরপর মহাবিশ্বে যাবতীয় বস্তুকণার উদ্ভব ঘটে। পরবর্তী সময়ে বস্তুকণার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার ফলে প্রথমে হাইড্রোজেন পরে দুইটি হাইড্রোজেনের অণুর পরস্পর সংস্পর্শে এসে ভ্যানিশ হওয়ার পরিবর্তে পদার্থ বিজ্ঞানের নিয়ম ভেঙ্গে হিলিয়াম পরমাণুর সৃষ্টি হয়। তারপর ধীরে ধীরে এসব পরমাণু পুঞ্জীভূত হয়ে বিভিন্ন নক্ষত্র ও গ্যালাক্সির জন্ম হয়, বিগ ব্যাংয়ের ফলে সৃষ্ট আমাদের চেনা মহাবিশ্বটি এখনো ক্রমাগত প্রসারিত হয়েই চলেছে।
মহাবিশ্বের অসীম শূন্যতার প্রশ্নে। বর্তমান যুগের বিজ্ঞানীরা মহাশূন্যে এক গুপ্তশক্তির সন্ধান পেয়েছেন, যার নাম তারা দিয়েছেন ডার্ক এনার্জি। এই ডার্ক এনার্জির প্রভাবে প্রসারমাণ গ্যালাক্সিগুলোর ছুটে চলার গতি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, কোনো এক গুপ্ত শক্তি গ্যালাক্সিগুলোকে ক্রমাগত দূর থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে। মোদ্দাকথা হলো, মহাকর্ষের বিপরীতে কাজ করছে এই ডার্ক এনার্জি। মহাশূন্য আসলে শূন্য নয়। এর সর্বত্রই রয়েছে ডার্ক এনার্জি।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, মহাবিশ্বের শতকরা ৬৯ ভাগই হলো এই ডার্ক এনার্জি। কিন্তু এর উৎস সম্বন্ধে বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন। তবে কিছু কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, অসীম শূন্যতার মাঝে প্রতিনিয়ত কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশনের ফলেই ডার্ক এনার্জির সৃষ্টি হচ্ছে। তবে এই ধারণার পেছনে এখনো কোনো পরীক্ষামূলক প্রমাণ নেই। তবে শূন্যতার মাঝে যে অদৃশ্য শক্তি লুকিয়ে আছে, সে ব্যাপারে বিজ্ঞানী মহল নিশ্চিত। এটি পারমাণবিক ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, তেমনি মহাশূন্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। দেখেশুনে মনে হয়, অসীম এই শূন্যতার মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে সৃষ্টির সব রহস্য।
সূত্র : নিউ সায়েন্টিস্ট CHEcKED ON 9th day of June, 2024 at 23.22pm
প্রসঙ্গঃ প্রাণ এবং প্রাণী
মানবদেহে আছে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ। কোষকে ভাঙলে পাওয়া যাবে পানি, লিপিড, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও নিউক্লিক অ্যাসিড। পানিকে ভাঙলে পাওয়া যাবে মৌলিক পদার্থ হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন। সাধারণত তেল, চর্বি, মোম ও স্টেরলকে একসঙ্গে লিপিড বলে। সেই হিসেবে এর প্রধান উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।
প্রোটিনকে ভাঙলে পাওয়া যাবে অ্যামাইনো অ্যাসিড। আর লিপিডের মতোই অ্যামাইনো অ্যাসিডেও থাকে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।
Context: Life and Animals
The human body has trillions trillions of cells. Breaking down the cells will yield water, lipids, proteins, carbohydrates and nucleic acids. When water is broken down, the basic substances hydrogen and oxygen can be found. Generally, oils, fats, waxes and sterols are collectively called lipids. As such, its main elements are carbon, hydrogen and oxygen.
Amino acids can be obtained by breaking down proteins. And like lipids, amino acids also contain carbon, hydrogen and oxygen.xx
নিউক্লিক অ্যাসিড কোষের তথ্য বহনকারী প্রধান অণু। এর প্রধান অংশ হলো ডিএনএ ও আরএনএ। কিছু ভাইরাস ছাড়া প্রায় সব প্রাণীরই সব বৈশিষ্ট্য ধারণ করে ডিএনএ। ডিএনএর বংশগতির বৈশিষ্ট্য ধারণ করা অংশের নাম জিন। মানবদেহে প্রায় ৩০ হাজার জিন থাকে। নিউক্লিওটাইড নামের অণু দিয়ে ডিএনএ গঠিত। প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে থাকে আবার একটি ফসফেট গ্রুপ, একটি শর্করা গ্রুপ ও একটি নাইট্রোজেন ক্ষার। ফসফেটে থাকে মৌলিক পদার্থ ফসফরাস ও অক্সিজেন। শর্করায়ও লিপিড ও অ্যাসাইনো অ্যাসিডের মতো কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন থাকে।
Nucleic acids are the main information-carrying molecules of cells. Its main parts are DNA and RNA. Almost all organisms except some viruses have DNA. The portion of DNA that contains the hereditary characteristics is called a gene. There are about 30,000 genes in the human body. DNA is made up of molecules called nucleotides. Each nucleotide has a phosphate group, a sugar group and a nitrogenous base. Phosphate contains the elements phosphorus and oxygen. Carbohydrates also contain carbon, hydrogen and oxygen like lipids and amino acids.xx
দেহের ৯৯ শতাংশ মৌলিক পদার্থই ৬টি উপাদানে গড়া। এরা হলো অক্সিজেন, কার্বন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। প্রায় শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ আছে আরও পাঁচটি মৌল। পটাশিয়াম, সালফার, সোডিয়াম, ক্লোরিন ও ম্যাগনেশিয়াম। https://www.bigganchinta.com/physics/mw566dt3by
99 percent of the basic substances of the body are made of 6 elements. They are oxygen, carbon, hydrogen, nitrogen, calcium and phosphorus. There are five other elements that are approximately 0.85 percent. Potassium, Sulphur, Sodium, Chlorine and Magnesium. xx https://www.bigganchinta.com/physics/mw566dt3by
উপরোক্ত উপাদানগুলির প্রায় উৎস খনিজজাত। এতে খনিজজাত মাটি উৎসারিত আয়রনও রয়েছে।তবে সব উপাদান-উপকরণ দেহ সংশ্লিষ্ট। প্রাণ হচ্ছে প্রাণীর বিদ্যুৎ তুল্য। বিদ্যুৎ যেমন রাতের অন্ধকারকে আলোকিত করে, বন্ধ কলকারখানাকে সচল রাখে, তেমনি প্রাণ নামক একটি অতীন্দ্রীয় সত্বা রয়েছে যা থাকলে দেহ সচল থাকে। মন প্রাণেরই অংশ যা ভালো থাকলে মানুষ হাসে, যা খারাপ থাকলে মানুষ কাঁদে।
তবে প্রাণ এবং মন অতীন্দ্রবিষয়, যা দেখা যায় না,অনুভবও করা যায় না।যেমন, প্রকৃতি Nature বলতে যে অতীন্দ্রীয় একটি সত্বাকে আমরা বিশ্বাস করে বলে থাকিঃ এটা প্রাকৃতিক Matural এটা কৃত্রিম Artificial
অনুরূপ প্রাণ আছে যার তাকে প্রাণী বলে থাকি। যার প্রাণ নেই তাকে বলে থাকি জড়। অথচ আজ পর্যন্ত প্রাণ কি? এর উপাদান-উপকরণই বা কি? তা কেউ জানে না। বিজ্ঞানীরা তন্ন তন্ন করে পৃথিবীতে খূঁজে কোথাও প্রাণীর অস্তিত্ব খুঁজে পাননি বিধায় তারা মনে করেন দূর আকাশ হতে সুদূর অতীতে পতিত কোনো গ্রহাণু হতে পারে পৃথিবীতে প্রাণের উৎস।
Minerals are almost the source of the above elements. It also contains mineralized soil-derived iron. But all the ingredients are material and related to the body. xx
On the other hand, Life/Soul is the electricity of animals. Just as electricity illuminates the darkness of night, keeps a closed factory running, so there is a transcendental entity called Life/Soul which keeps the body moving. Mind is a part of Life/Soul, which makes people laugh when it is good, and when it is bad, people cry. xx
However, Life/Soul and mind are transcendental things, which cannot be seen or felt. For example, when we say nature, we believe in a transcendental being: it is natural, it is not man made i.e.,non artificial. xx
There are similar beings called animals. He who has no life is called inanimate. But till today no proper answer has been found from scietists that what is life ? What are the ingredients of life? No one knows that. Scientists are keenly expected to find the existence of animals anywhere on the space, so they think that an asteroid that fell from the distant sky in the distant past could be the source of life on Earth.xx
Where is the source of life?
People are naturally depressed. People rarely smile even after great achievements. Scientists say that the scientific reason for this is that the human life is foreign, so the earth is a kind of migration for people. So the human mind is depressed. But what is life? What its material is made of is invisible even with a super digital microscope measuring 10-17 cm resolution. The interesting thing is that in this vast solar system, according to the current data, there is no trace of life anywhere else except Earth. But optimistic. Extra-intelligent beings called aliens or UFOs sometimes exist.xx
Carl Sagan said about life: Be thankful everyday for the short but wonderful opportunity "life" has given us.
But it is infinit question that what is life ? What are the ingredients? No one knows that. Scientists are keenly interested to find the existence of animals anywhere on Earth, so they think that an asteroid that fell from the distant sky in the distant past could be the source of life on Earth.xx
কার্ল সাগান বলেনঃ "পৃথিবীতে প্রাণের প্রকৃতি এবং গ্রহান্তরের কোনো জায়গায় প্রাণ আছে কিনা, তার অনুসন্ধান হলো একই প্রশ্নের দুটি দিক, তা হলো আমরা কে? তার অনুসন্ধান, যা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ করে আসছে" ।
Carl Sagan said: "The nature of life on Earth and the existence of life elsewhere in the universe are two aspects of the same question: Who are we?"xx
এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগান বলেনঃ "প্রতি ১০০ প্রযুক্তিসম্পন্ন সভ্যতার মধ্যে একটিও আত্মধ্বংসের (অজ্ঞতা, লোভ, পরিবেশ দূষণ, নিউক্লিয়ার যুদ্ধ) কবল থেকে বাঁচতে পারলে ৪০ হাজার কোটি নক্ষত্র-অধ্যুষিত আমাদের মিল্কিওয়ে নামক গ্যালাক্সিতে কমপক্ষে এক কোটি গ্রহে প্রাযুক্তিকভাবে উন্নত সভ্যতার বিকাশ ঘটা অসম্ভব নয়"।
In this context, the famous American astrophysicist Carl Sagan said: "If only one out of every 100 technological civilizations survives self-destruction (ignorance, greed, environmental pollution, nuclear war), he expects that It is not impossible here for civilization to develop at least one billion planets in our 40,000 billion stars based Milky Way galaxy of will be technologically advanced." xx
প্রাণের উৎস কোথায়?
মানুষ স্বাভাবিকভাবে বিষন্নপ্রবণ।বিরাট অর্জনেও মানুষ খুব কমই হাসে। বিজ্ঞানীরা এর বৈজ্ঞানিক কারণ স্বরূপ জানান,মানব প্রাণ বহিরাগত বিধায় পৃথিবী হচ্ছে মানুষের জন্য এক প্রকার প্রবাস স্বরূপ। তাই মানব মন বিষন্নপ্রবণ। তবে প্রাণ কি? এর উপাদান-উপকরণ কি দিয়ে তৈরি তা ১০-১৭ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপেও অদর্শনীয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, বিশাল এই সৌর জগতে এ যাবেকালের তথ্যমতে পৃথিবী ব্যতিত অআর কোথাও প্রাণের ন্যূনতম সন্ধান পাওয়া যায় নি।তবে আশাবাদী। এলিয়েন বা ইউএফও নামেব অতিবুদ্ধিমান প্রাণীর মাঝে মাঝে অস্তিত্ব অনুভব করে থাকেন।
কার্ল সাগান জীবন সম্পর্কে বলেনঃ প্রতিদিনই কৃতজ্ঞ হওয়া এই ভেবে যে, সংক্ষিপ্ত কিন্ত্ত অসাধারণ স্বপ্নময় এক সুযোগ “জীবন” আমাদের দিয়েছে।
বিন্দু থেকে সিন্ধুঃ সিন্ধু থেকে বিন্দু
একসময় তো পরমাণুর চেয়েও আরও বড় বড় জিনিসকে প্রকৃতির সব বস্তুর মৌলিক উপাদান মনে করা হতো। অ্যারিস্টটল মনে করতেন সবকিছুর পেছনে চারটি মৌলিক উপাদান কাজ করে। মাটি, বায়ু, আগুন ও পানি। তবে ডেমোক্রিটাসের ধারণা আরেকটু উন্নত ছিল। কিন্তু সেটা নিখুঁত ছিল না। পরমাণু শব্দের ইংরেজি পরিভাষা অ্যাটম (atom) গ্রিক বিশেষণ atomos থেকে নেওয়া। নামটি তাঁরই দেওয়া। যার অর্থ যাকে আর ভাগ করা যায় না। জাবের ইবনে হাইয়ানের দ্বিমাত্রিক ধারণাটা ছিল ১)পারদ এবং সালফার-কে কেন্দ্র করে।
অষ্টাদশ শতকের শেষের দিকে জন ডাল্টন পরমাণুবাদকে আরও শক্ত ভিত্তি দান করেন। তিনি প্রস্তাব করেন, রাসায়নিক বস্তুসমূহ পরমাণু দিয়ে গঠিত। রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে পরমাণু ধ্বংস বা পরিবর্তিত হয় না। পরমাণু দিয়ে গঠিত যৌগিক পদার্থ যদিও পাল্টে যায়। কিন্তু বিক্রিয়ার আগে ও পরে মৌলগুলো একই থাকে। পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণের মাধ্যমে ডাল্টন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন বলে পরমাণু সম্পর্কে এটাই প্রথম সত্যিকারের বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব।
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পরমাণু অবিকৃত থাকে। ১৮৯৭ সাল পর্যন্ত পরমাণু বস্তুর একেবারে মৌলিক উপাদান মনে করা হতো।
ওই বছর ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জে জে থমসন তাঁর ক্যাথোড রশ্মির পরীক্ষার মাধ্যমে আবিষ্কার করেন পরমাণুর অন্যতম কণা ইলেকট্রন।
এ ছাড়া ১৯১৭ থেকে ১৯২৫ সালের মধ্যে নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড পরমাণু নিয়ে অনেকগুলো পরীক্ষা চালিয়ে আবিষ্কার করেন পরমাণুর কেন্দ্রের নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসে পেলেন প্রোটনের দেখা।
১৯২০ সালে রাদারফোর্ড প্রস্তাব করেছিলেন, পরমাণুর কেন্দ্রে প্রোটনের সঙ্গে চার্জহীন আরেকটি কণাও আছে। ১৯৩২ সালে সেই কণা ধরা পড়ে জেমস চ্যাডউইকের পরীক্ষায়। এ জন্য তিনি ১৯৩৫ সালে নোবেল পুরস্কারও পান। এভাবেই প্রতিষ্ঠিত হয়, পরমাণু তিনটি মৌলিক কণা দিয়ে গঠিত। ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। যেকোনো বস্তুকে ভাঙলেই শেষ পর্যন্ত এই কণাগুলোকে পাওয়া যাবে।
ইলেকট্রনের সমগোত্রীয় আরও কিছু কণাও আছে, যারা মৌলিক। এদের এক নামে বলা হয় লেপটন। এরা প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত। চার্জধারী ও প্রশম বা চার্জনিরপেক্ষ। প্রথম কাতারে রয়েছে ইলেকট্রনসহ মিউওন ও টাউ। আর প্রশম বা চার্জহীন কণাগুলো হলো ইলেকট্রন নিউট্রিনো, মিউওন নিউট্রিনো ও টাউ নিউট্রিনো।
এখানেই শেষ নয়। মৌলিক কণা আছে হিগস বোসন ও গেজ বোসন। এর মধ্যে গেজ বোসন কণারা বলবাহী কণা হিসেবে কাজ করে। প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের প্রতিটির জন্য একটি করে এমন কণা রয়েছে। সবল নিউক্লীয় বলের জন্য রয়েছে গ্লুওন কণা। দুর্বল নিউক্লীয় বলের জন্য ডব্লিউ ও জেড বোসন, আর তড়িৎ–চুম্বকীয় বলের জন্য ফোটন বা আলোর কণা। অপর মৌলিক বল মহাকর্ষের জন্য প্রস্তাবিত বলবাহী কণা গ্র্যাভিটন এখনো স্বীকৃত কণা নয়। এদের বাইরে রয়েছে হিগস বোসন। যার অপর নাম ঈশ্বর কণা। মৌলিক কণিকাদের ভরের জন্য এই কণা দায়ী।
এত এত মৌলিক কণা প্রকৃতিতে। এখন পর্যন্ত এরা অন্য কোনো কিছু দিয়ে তৈরি বলে জানা নেই। তার মানে এদের মধ্যে যে সবার ছোট হয়তো সে-ই হবে মহাবিশ্বের সবচেয়ে ছোট জিনিস।
গণিতবিদ বলুন কিংবা পদার্থবিদ, অসীম এড়িয়ে চলতে চান সবাই। কারও কারও মতে, ইলেকট্রনদের মতো কণাদের আকার জিজ্ঞেস করা একটি অর্থহীন প্রশ্ন। মূলত মৌলিক কণারা আসলে ভৌত অর্থে কোনো বস্তুই নয়। তাই সে অর্থেই এদের আকার নেই। যদিও বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় আকার নামে বিমূর্ত একটি ধারণা আছে।
কিন্তু এখানেই এক সমস্যা। ফোটন, নিউট্রন, কোয়ার্ক ইত্যাদি মৌলিক কণাদের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য আছে। সবারই আছে নির্দিষ্ট চার্জ বা আধান, ঘূর্ণন, ভর, শক্তি। কিন্তু এদের সাইজ বা আকার অসংজ্ঞায়িত। কোয়ান্টাম মেকানিকসে কণাকে তরঙ্গ সমীকরণ আকারে দেখানো হয়। সাধারণত এদের আয়তনশূন্য একক বিন্দু কণা বিবেচনা করা হয়। আয়তনশূন্য ও ভর অশূন্য হলে কণার ঘনত্ব হয় অসীম। কারণ, ঘনত্ব পাওয়া যায় ভরকে আয়তন দিয়ে ভাগ করে। আয়তনশূন্য হলে ভাগ দিতে হয় শূন্য দিয়ে। অবস্থাভেদে যাকে অসীম বা অসংজ্ঞায়িত দুটোই বলা চলে।
কিন্তু তাহলে কি পরমাণুর এই তিনটি কণাই মহাবিশ্বের সবচেয়ে ছোট জিনিস? একটা সময় পর্যন্ত সেটাই সত্যি মনে করা হতো। কিন্তু সব বস্তুকে ভাঙতে ভাঙতে ইলেকট্রন, প্রোটনদের পাওয়া যায়, ১৯৬৪ সালে দুজন বিজ্ঞানী স্বাধীনভাবে প্রস্তাব করেন কোয়ার্ক মডেল। তাঁরা হলেন মারে গেলম্যান ও জর্জ জুইগ। ১৯৬৮ সালের এক পরীক্ষায় দেখা যায়, প্রোটন আসলেই মৌলিক কণা নয়। এটি গঠিত আরও অনেক ছোট বিন্দুসদৃশ কিছু কণা দিয়ে। রিচার্ড ফাইনম্যান এদের নাম দিয়েছিলেন পারটন। পরে দেখা যায়, এই কণাগুলোই গেলম্যানদের প্রস্তাবিত কোয়ার্ক।
সে সময় দুই ধরনের কোয়ার্ক আবিষ্কৃত হয়েছিল। আপ ও ডাউন কোয়ার্ক। পরে আরও চার প্রকার কোয়ার্ক পাওয়া যায়। ১৯৯৫ সালে সর্বশেষ কোয়ার্ক হিসেবে টপ কোয়ার্ক আবিষ্কৃত হয়। বাকি তিন প্রকার কোয়ার্কের নাম স্ট্রেঞ্জ, চার্ম ও বটম। প্রোটন ও নিউট্রন দুটোই কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত। প্রোটনে থাকে দুটি আপ কোয়ার্ক ও একটি ডাউন কোয়ার্ক। আর নিউট্রনে দুটি ডাউন ও একটি আপ কোয়ার্ক। তার মানে প্রোটন ও নিউট্রন দুটো কণাই অমৌলিক। তবে পরমাণুর কেন্দ্রের বাইরের দিকে থাকা ইলেকট্রনকে মৌলিক/অমৌলিক বলার মতো কোনো তথ্য এখনো মেলেনি।এমনকি এর সূক্ষ্ণতা কত তা-ও অনির্ধারিত।তবে মনে করা হচ্ছে কোয়ার্ক থেকে ক্ষুদ্র নয়।
এখন পর্যন্ত আমরা তাহলে মৌলিক কণা হিসাবে জানলাম কোয়ার্ক হচ্ছে মহাবিশ্বের সবচেয়ে ছোট জিনিস যার সূক্ষ্ণতা হচ্ছে ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে মাত্র ১০-১৬ সেন্টিমিটার।zzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzzz
string theory
মহাবিশ্বের সবচেয়ে ছোট বস্ত্ত কি? এর কয়েকটি সান্ত্বনামূলক উত্তর আছে। ২০১৯ সালের দুটি আলাদা পরীক্ষার ফলাফল অনুসারে প্রোটনের ব্যাসার্ধ শূন্য দশমিক ৮৩৩ ফেমটোমিটার। দশমিকের পর ১৪টি শূন্য দিয়ে ১ লিখলে যা হয়, ১ ফেমটোমিটার সমান তত মিটার। ভাবুন তাহলে কত ছোট! তবে মজার ব্যাপার হলো, প্রোটনের চেয়ে ছোট আকারের এমন কোনো বস্তু নেই যার দৈর্ঘ্য আমরা পরিমাপ করতে পারি। ওদিকে কোয়ার্ক দিয়ে গড়া আরেক যৌগিক কণা নিউট্রন প্রোটনের চেয়ে সামান্য বড়। ব্যাসার্ধ শূন্য দশমিক ৮৫ ফেমটোমিটার।
তবে এখন পর্যন্ত আসলে ইলেকট্রন ও কোয়ার্করা অবিভাজ্য কণা হলেও বিজ্ঞানীরা আসলে জানেন না এরাই প্রকৃতির সবচেয়ে ছোট সম্ভাব্য বস্তুকণা কি না। পরীক্ষায় দেখা যায়, ইলেকট্রন, কোয়ার্কদের মতো মৌলিক কণারা বিন্দুর মতো আচরণ করে। দখল করে না স্থান। ফলে পদার্থবিদ্যার সূত্রগুলো জটিল হয়ে পড়ে। কারণ, আপনি একটি বিন্দুর দিকে অসীম পরিমাণ নিকটবর্তী হতে পারেন। ফলে ক্রিয়াশীল বলও হবে অসীম। এ কারণেই বিজ্ঞানীরা অসীম নিয়ে এত বিব্রত।
সমাধান হয়তো আছে স্ট্রিং থিওরির কাছে। তত্ত্বটি বলছে, কণাগুলো আসলে বিন্দুর মতো নয়। বরং স্ট্রিং বা সুতা বা তন্তুর ফাঁসের (লুপ) মতো। তন্তুর ফাঁসের দিকে তো আর অসীম পরিমাণ যেতে থাকা সম্ভব নয়। কারণ, ফাঁসের একটি অংশ অন্য অংশের চেয়ে কাছে থাকবেই। এই ফাঁসের মাধ্যমে অসীম নিয়ে সৃষ্ট কিছু সমস্যার সমাধান করা যায়। এ কারণে স্ট্রিং তত্ত্বকে অনেকেই পছন্দ করেন। বলা হচ্ছে স্ট্রিং তত্ত্বটির পক্ষে কোনো পরীক্ষামূলক প্রমাণ নেই।IRRSTC মনে করে স্ট্রিংয়ের পরীক্ষা হিগস বোসন কণা আবিস্কারের মধ্যে নিহিত রয়েছে।
সমাধানের আরেকটি রাস্তা চিন্তা করা যায়। স্থান হয়তো অবিচ্ছিন্ন (continuous) ও মসৃণ নয়। হয়তো বিচ্ছিন্ন পিক্সেল বা কণা দিয়ে গঠিত। যাকে অনেক সময় বলা হয় স্থান-কালের ফেনা (space-time foam)। এভাবে ভাবলেও দুটো কণা একে অপরের অসীম পরিমাণ কাছাকাছি হতে পারে না। কারণ, তারা সব সময় বিচ্ছিন্ন ন্যূনতম কণার সাইজ পরিমাণ দূরত্বে আলাদা আলাদা থাকবে।
BLACK HOLE
সবচেয়ে ছোট বস্তুর রহস্যের সমাধানের পথ এখানেই শেষ নয়। সবচেয়ে ছোট বস্তুটি হতে পারে ব্ল্যাকহোলের কেন্দ্রের সিঙ্গুলারিটি। ব্ল্যাকহোলে এত বেশি পরিমাণ পদার্থ খুব ছোট্ট জায়গায় এমনভাবে গুটিয়ে থাকে যে সবগুলো বস্তু ভেতরের দিকে গিয়ে সংকুচিত হতে হতে সবকিছু একটি বিন্দুতে গিয়ে অবস্থান নেয়। ফলে বিন্দুটির আকার হয় শূন্য। আর ঘনত্ব হয় অসীম। ব্ল্যাকহোল থেকে আলো বের হতে না পারার সীমানা কিন্তু অনেক বড় হতে পারে। যার নাম ঘটনা দিগন্ত। কিন্তু ব্ল্যাকহোলের নিজের আকার কিন্তু সেই বিন্দুই।
তবে বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞই বলছেন, ব্ল্যাকহোলের ঘনত্ব অসীম হওয়ার কথা নয়। বর্তমানে পদার্থবিদ্যা দুটো তত্ত্বের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সাধারণ আপেক্ষিকতা ও কোয়ান্টাম মেকানিকস। দুটো তত্ত্বের সম্পর্ক দা-কুমড়ার মতো। মৌলিক বল মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করে আপেক্ষিকতা। আর অপর তিন বল চলে কোয়ান্টাম মেকানিকস দিয়ে। একের জগতে অন্য তত্ত্ব কাজ করে না। তাই বিজ্ঞানীদের মতে, আসলে দুটো তত্ত্বের অনৈক্যের ফলেই অসীমের মতো ধারণার জন্ম হয়েছে। দুটো তত্ত্বকে ঐকতানে আনা সব পদার্থবিদেরই স্বপ্ন। স্বপ্নময় সেই সমন্বিত তত্ত্বের নাম কোয়ান্টাম মহাকর্ষ। হয়তো কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব পাওয়া গেলেই ব্ল্যাকহোলের সত্যিকারের রহস্য উন্মোচিত হবে।
পদার্থবিদ অ্যান্ডি পার্কার বিবিসিতে এ নিয়ে মহাবিশ্ব কত ছোট নামে একটি অনুষ্ঠান করেন
পদার্থবিদ অ্যান্ডি পার্কার বিবিসিতে এ নিয়ে মহাবিশ্ব কত ছোট নামে একটি অনুষ্ঠান করেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না ব্ল্যাকহোলের ঘনত্ব অসীম হতে পারে। হয়তো সেটা কোয়ার্কের চেয়েও অনেক অনেক ছোট। হতে পারে এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য আমরা দেখেছি, সেটা তার চেয়ে কোটি কোটি গুণ কিংবা তার চেয়েও ছোট।’
এটা হয়ে থাকলে সিঙ্গুলারিটির আকার হবে স্ট্রিংয়েরই সমান। অবশ্য যদি স্ট্রিং বলতে সত্যিই কিছু থেকে থাকে।
আবার এমনও হতে পারে, স্ট্রিং, সিঙ্গুলারিটি বা মহাবিশ্বের সবচেয়ে ছোট কণা সবাই প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্যের সমান। কোয়ান্টাম মেকানিকসে প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধ্রুবক। এর মান হলো দশমিকের পর ৩৪টি শূন্য দিয়ে তারপর ১৬। গালভরা শব্দ দিয়ে বললে সংখ্যাটি হবে ১.৬ × ১০-৩৪। তাত্ত্বিকভাবে মনে করা হয়, এর চেয়ে ছোট কোনো দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা সম্ভব নয়।
কোয়ান্টাম মেকানিকসের অনিশ্চয়তা নীতি অনুসারে কোনো যন্ত্র দিয়েই প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট দৈর্ঘ্য মাপা সম্ভব নয়। অনিশ্চয়তা নীতির একটি সরল রূপ হলো, অতিপারমাণবিক কণাদের অবস্থান ও বেগ একই সঙ্গে মাপা যায় না। এর একটি যত ভালোভাবে বের করা হবে, অপরটি তত অনিশ্চিত হয়ে যাবে। আসলে প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্যই বলে কতটুকু অনিশ্চিত হবে। কণার বেগ মাপলে এর অবস্থান প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্যের চেয়ে সূক্ষ্ম করে মাপা সম্ভব নয়। তাহলে কী দাঁড়াল? মহাবিশ্বে প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্যের চেয়েও ছোট কিছু থাকলেও সেটা আমরা মাপতেই পারব না। কারণ, এর চেয়ে ছোট দৈর্ঘ্যে মহাবিশ্ব হয়ে যাবে সম্ভাবনানির্ভর ও অনির্ণেয়। তার মানে আপাতত প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্যই আমাদের মহাবিশ্বের সবচেয়ে ছোট জিনিসের সম্ভাব্য আকার।
তবে এ বিষয়ে আরও পরিষ্কার উত্তর পেতে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব খুব প্রয়োজন।
লেখক: প্রভাষক, পরিসংখ্যান বিভাগ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ
সূত্র: স্টাডি ডট কম, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, সক্রেটিক ডট অর্গ, লাইভসায়েন্স ডট কম, স্ট্যানফোর্ড এজু, বিবিসি ডট কম, স্পেস ডট কম
Comments
Post a Comment