Dhikrullah
►নামায শেষে মৌখিকভাবে তাসবিহ-তাহলিল অর্থে জিকরুল্লাহ : ٠٣- فَإِذَا قَضَيْتُمُ الصَّلَاةَ فَاذْكُرُوا اللَّـهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِكُمْ ۚ فَإِذَا اطْمَأْنَنتُمْ فَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ ۚ إِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا
How Muslims are leading in the new science of new thought by the infinite mercy of Almighty Allah
মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে নতুন চিন্তার বিজ্ঞানে মুসলমানরা যেভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন
বিজ্ঞানীরা ১৯৬৪ সালে মহাজাগতিক ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশনের অবশেষ কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে রচিত মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি সূত্রে জানতে পারেন যে, মহাবিশ্ব কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে কিন্ত্ত মহাবিশ্ব কেন তৈরি হয়েছে?এ সম্পর্কে পদার্থবিজ্ঞানে জোরালো প্রশ্ন না থাকায় এ প্রশ্নের উত্ররে বলা হয়ে থাকেঃ "প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না"(বিজ্ঞানচিন্তা)।এ কারণে বিজ্ঞানীদের অভিমতঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে তার উত্তর এ জগতে নেই।
পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থবিজ্ঞানীর মতে, এই পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে হলে সাহসী প্রশ্ন এবং উত্তরের গভীরতা প্রয়োজন।(বিজ্ঞানচিন্তা)। IRRSTC-এর মধ্যপন্থী অভিমত হচ্ছেঃ অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন থেকে আমাদের বিরত থাকার পাশাপাশি জরুরী প্রশ্ন সময়ের প্রয়োজনে অব্যাহত রাখা যেতে পারে। প্রয়োজনীয় প্রশ্ন হতে পারেঃউত্তর মেরুতে কি আছে। অপরদিকে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন হতে পারেঃ উত্তর মেরুর উত্তরে কি আছে?
অনুরূপ জরুরী প্রশ্ন হতে পারেঃ মহাবিশ্ব কেন সৃষ্টি হয়েছে? তবে, এ প্রশ্ন বর্তমান বিদ্যমান নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্স তত্ত্বাধীন স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরির জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ,বিদ্যমান বিজ্ঞানতত্ত্ব ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটার, মহাকর্ষ এবং তার গ্র্যাভিটন কণা নিয়ে ব্যস্তসমস্ত। তাই মহাবিশ্ব কেন সৃষ্টি হয়েছে? এ প্রশ্ন হতে পারে প্রস্তাবিত নতুন বিজ্ঞানের নতুন প্রশ্ন। যেহেতু IRRSTC নতুন বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করছে,সেহেতু কার্লসাগান কথিত সাহসী প্রশ্নের উত্তরের গভীরতায় যেতে আগ্রহী নিউটনের "সত্য কাছে অবস্থিত"-এ নীতির আলোকে।
IRRSTC-এর অভিমত:
বিগ ব্যাং তথা মহাবিশ্বের শুরুর জিরো মোমেন্টের পর পরই স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছিল কেন হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) ঘটেছিল? IRRSTC মনে করে যদি মহাবিশ্বের শুরুর জিরো মোমেন্টের পর পরই যদি এনট্রপি উষ্ঞ থেকে উষ্ঞতর হতো তাহলে বলা যেত, বিগ ব্যাং ঘটেছিল নিছক দূর্ঘটনা থেকে। কিন্তু যেহেতু মহাবিশ্বের শুরুর জিরো মোমেন্টের পর পরই এনট্রপি ছিল উষ্ঞ থেকে শীতলমুখী এবং...............এর মাধ্যমে তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিবস্থা কায়েম হয়েেছে। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে,আজ থেকে এক লক্ষ বছর পূর্বে পৃথিবীর তাপমাত্রা ছিল ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।পরবর্তী এক লক্ষ বছরের মধ্যে তাপমাত্রা গ্রীষ্মে সর্বোচ্চ ....ডিগ্রি,শীতে......ডিগ্রি -তে নেমে আসে। তবে IRRSTC মনে করে বিগ ব্যাংয়ে সৃষ্ট তাপমাত্রা হয়তো পরম বিন্দুতে কিংবা হিমাংক ডিগ্রিতে পৌঁছে গেছে অনেক আগেই।বর্তমানে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ যোগাচ্ছে সূর্য। পৃথিবীর চাইতে ১৩ লক্ষ গুণ বড় সূর্যের ৯ কোটি ৩০ মাইল দূরে অবস্থান অন্যদিকে চাঁদ পৃথিবীর চাইতে ছোট হলেও এমন দূরত্বে অবস্থান যা পৃথিবীর সাগরে জোয়ার-ভাটা সংঘটনে সহায়ক বিধান মহাকাশে দৃশ্যতঃ একই আয়তন বিশিষ্ট (বাস্তবে নয়) পৃথিবী, সূর্য এবং চাঁদের পরিমিত অবস্থানকে মহত্তর উদ্দেশ্যপূর্ণ বলে মনে করে IRRSTC. পৃথিবী কেন্দ্রিক সৌরজাগতিক এই বিশ্বের জন্য বিস্ময়করভাবে প্রাণী জগতের বসবাসোপযোগিতা সৃষ্টির জন্যই মহাকাশে সম্ভবতঃ চাঁদ-সূর্য-পৃথিবীর নিঁখুত গাণিতিক বিন্যাস। পুরো প্রাকৃতিক পরিবেশটাই প্রাণী বান্ধব।তবে পৃথিবীর পুরো পরিবেশ প্রাণী বান্ধব বটে। প্রশ্ন হচ্ছে, পৃথিবীকে কেন সাগর-মহাসাগর, বন,মহা-বন, সুবিশাল আকাশ, কীট প্রতংগ,জীব জন্তুর কেন অপূর্ব সমাহার?
IRRSTC-এর অভিমত: এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ -
هُوَ الَّذِیۡ خَلَقَ لَکُمۡ مَّا فِی الۡاَرۡضِ جَمِیۡعًا ٭
‘তিনি পৃথিবীর সব কিছু তোমাদের (মানুষের) জন্য সৃষ্টি করেছেন; (সুরা বাক্বারা : আয়াত ২৯)
এতে প্রতীয়মান হয় যে, চাঁদ, পৃথিবী,সূর্যের সৌর জাগতিক যে সুশৃঙ্খল,সুবিন্যস্ত অবস্থিতি এবং পৃথিবীতে পরিবেশ বান্ধব যা কিছু সবই মানব জীবন বান্ধব। প্রশ্ন হচ্ছেঃ আমরা কে? এবং কেন?
প্রকৃতি নির্বাক,প্রকৃতির নেই কোনো প্রতিনিধি, নেই কোনো লিখিত দলিল-প্রমাণ।
আমরা কে?
IRRSTC:মানুষ আ্ল্লাহতায়ালার খলিফা। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক ফরমানঃ وَ اِذۡ قَالَ رَبُّكَ لِلۡمَلٰٓئِكَۃِ اِنِّیۡ جَاعِلٌ فِی الۡاَرۡضِ خَلِیۡفَۃً ؕ আমি পৃথিবীতে খলিফা পাঠাতে চাই।
4
٣٠- وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَائِكَةِ إِنِّي جَاعِلٌ فِي الْأَرْضِ خَلِيفَةً ۖ
Behold thy Lord said to the angels: “I will create a vicegerent on earth.”
(Sūra 2: Baqara, or the Heifer, Ayat: 30, Verses 286 — Madani; Revealed at Madina — Sections 40,https://quranyusufali.com/2/)
মানুষকে সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে আল্লাহর ভাষ্যঃ -
‘জিন ও মানুষকে আমার ইবাদত জন্য ছাড়া অন্য কোনো কাজে সৃষ্টি করিনি।’ (সুরা যারিয়াত : আয়াত ৫৬)
٥٦- وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ◯
I have only created Jinns and men, that They may serve Me.
(Al Quran: Sūra 51: Zāriyāt, or the Winds that Scatter Ayat:56,Verses 60 — Makki; Revealed at Mecca — Sections 3,https://quranyusufali.com/51/)
মৃত্যু এবং জীবন সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে অআল্লাহ তায়ালা ফরমানঃ আল্লাজি খলাকাল মাওতা ওয়াল হায়াতা
আমরা আশরাফুল মাখলুকাত। জ্ঞানে নাকি শক্তিতে?
আমরা কেন? এ প্রশ্ন অসীমের গভীর থেকে গভীরতর বিষয় বটে। এ প্রসঙ্গে কার্ল সাগান বলেনঃ পৃথিবীতে প্রাণের প্রকৃতি এবং গ্রহান্তরের কোনো জায়গায় প্রাণ আছে কিনা, তার অনুসন্ধান হলো একই প্রশ্নের দুটি দিক, তা হলো আমরা কে? তার অনুসন্ধান, যা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ করে আসছে ।
..............................................................................................................................................
প্রথম নির্দেশনাঃ ইকরাআ দ্বিতীয় নির্দেশনাঃ উঠুন, আপন রবের মহাত্ম প্রচার করুন (সূরাহ মুঝঝাম্মিল)।পরবর্তী ওয়াকাব্বিরহু তাকবীরা। এসব নির্দেশনা জিকরুল্লাহর পরিপূরক। এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, মহাবিশ্বের সব কিছু মানুষের কল্যাণে এবং মানুষ অআল্লাহর ইবাদাত-বন্দেগির মাধ্যমে অআল্লাহকে স্মরণ। শ্রেষ্ঠ ইবাদাত নামায যার শুরু এবং শেষ হচ্ছে জিকরুল্লাহ। আল্লাহু আকবার দিয়ে শুরু এবং রহমতউল্লাহ দিয়ে শেষ।
◯ ‘অতপর যখন তোমরা নামাজ শেষ কর, তখন দাঁড়িয়ে, বসে ও শোয়া অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ কর। (সুরা নিসা: আয়াত ১০৩) “When ye pass (congregational) prayers celebrate Allah’s praises standing sitting down or lying down on your sides; but when ye are free from danger set up regular prayers: for such prayers are enjoined on believers at stated times”. Sūrah 4: Nisāa,Ayat:103,Verses 176 — Madani; Revealed at Madina — Sections 24 ইমাম বুখারি রহিমাহুমুল্লাহ ‘আল্লাহর জিকিরের ফজিলত’ নামে একটি অধ্যায় হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ বুখারিতে সংযোজন করেছেন। এ জিকির দ্বারা কী উদ্দেশ্য, তা বর্ণনা করে ইবনে হাজার আসকালানি বলেছেন, ‘এ জিকির হলো ওই সব শব্দ বা বাক্য,যা বললে সাওয়াব পাওয়া যায়। ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি রহিমাহুমুল্লাহ জিকিরকে ৩ ভাগে ভাগ করেছেন। ১. মুখের জিকির: জিহ্বার উচ্চারণে জিকির করা। কুরআন তেলাওয়াত ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, হাসবুনাল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ, ইত্যাদি মুখে উচ্চারণ করা। ২.কলবের জিকির: আল্লাহর জাত, সিফাত (গুণাবলী), বিধানাবলী, আদেশ, নিষেধ ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা ও গবেষণা করার মাধ্যমে অন্তর দিয়ে আল্লাহকে স্মরণ করা। ৩. অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জিকির: সব সময় মানুষের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আল্লাহর আনুগত্যে রত থাকা বা পরিচালিত হওয়া। আর এ জন্যই নামাজকে কুরআনে জিকির বলা হয়েছে। নামাজে মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আল্লাহর নির্দেশ পালনে জিকিরে রত থাকে। বুজুর্গানে দীনরা জিকিরকে ৭ ভাগে ভাগ করেছেন। আর তাহলো- ১.চোখের জিকির: আল্লাহর ভয়ে চোখ দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়া। বার বার চোখ দিয়ে খানায়ে কাবা দেখা। যতবার দেখা হবে ততবার সওয়াব। ২.কানের জিকির: মনোযোগ দিয়ে তেলাওয়াতে কুরআন তথা আল্লাহর কথা শোনা, দরসে হাদীস শোনা। ৩. হাতের জিকির : দান-সাদকা ও কল্যাণকর কাজ করা। ৪.দেহের জিকির : আল্লাহর বিধান পালন করা। ৫. ক্বলবের জিকির : আল্লাহর ভয়ে ভিত হওয়া বা তাকওয়া অর্জন করা। আল্লাহর রহমতের আশা করা। ৬. রুহ বা আত্মার জিকির : আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত তাকদির ও ফয়সালার উপর পরিপূর্ণ রাজি ও সন্তুষ্ট থাকা। ৭. মুখের জিকির : জিকির শুধুমাত্র মানুষের জিহ্বার উচ্চারণের মাধ্যমেও হতে পারে। আবার জিহ্বার উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে অন্তরের স্মরণ বা উপলব্দি সংযুক্ত হলে তা উত্তম ও পরিপূর্ণতার জিকিরে পরিণত হবে। অন্তরের স্মরণের সঙ্গে সঙ্গে যদি জিকিরের অর্থ উপলব্দি করে মুমিন তবে তা হবে আরো উত্তম এবং ফজিলতপূর্ণ। জিহ্বার উচ্চারণে তথা মৌখিক জিকিরের মধ্যে ‘সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, হাসবুনাল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহসহ দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ কামনায় যে কোনো দোয়া করাই জিকিরের শামিল। হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, সর্বোত্তম জিকির হচ্ছে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এবং সর্বোত্তম দোয়া হলো ‘আল-হামদুলিল্লাহ’। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান) আফজালুল জিকর, লা----ইলা-হা ইল্লাল্লাহ:আল কুরআনের আলোকে ٢٥٥- اللَّـهُ لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ আল্লাহু লা----ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইউম (সূরাহ বাকারাহ, আয়াতঃ ২৫৫: আয়াতুল কুরসি)। 255. Allah! there is no God but He the living the Self-subsisting Eternal. Sūrah 2: Baqara,Ayat:255, Verses 286 — Madani; Revealed at Madina — Sections 40 ٢١- هُوَ اللَّـهُ الَّذِي لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ ۖ هُوَ الرَّحْمَـٰنُ الرَّحِيمُ ◯هُوَ اللَّـهُ الَّذِي لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُو “Allah is He, than Whom There is no other Lord ;— Who knows (all things) Both secret and open ; He, Most Gracious, Most Merciful”. (Sūrah 59: Hashr, Ayat :22,Verses 24 — Madani; Revealed at Madina — Sections 3) ٩- رَّبُّ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ لَا إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ فَاتَّخِذْهُ وَكِيلًا ◯ তিনি পূর্ব ও পশ্চিমের রব, তিনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। সুতরাং তাঁকেই তুমি কার্য সম্পাদনকারীরূপে গ্রহণ কর (সূরাহ মুজ্জামিল, আয়াত: ৯)। “(He is) Lord of the East And the West : there is No god but He : Take Him therefore For (thy) Disposer of Affairs”. (Sūrah 73: Muzzammil,Ayat: 9,Verses 20 — Makki; Revealed at Makka — Sections 2) সালাত বা নামায শেষে যেভাবে নেক আমলের বন্ধ দরজা খুলে যায় বেশি বেশি আল্লাহর জিকির:মহান আল্লাহরই নির্দেশ। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ফরমান: ٤١- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا اللَّـهَ ذِكْرًا كَثِيرًا ◯ ‘হে ঈমানদাররা, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করো এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ৪১) “O ye who believe ! Celebrate the praises of Allah, And do this often” ; Sūrah 33: Ahzāb, Ayat: 41,Verses 73 — Madani; Revealed at Madina — Sections 9 আল্লাহর জিকিরই সর্বশ্রেষ্ঠ ولَذِكْرُ اللَّـهِ أَكْبَرُ ۗ وَاللَّـهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ ◯ ((সূরা আনকাবুত, আয়াত ৪৫ “And remembrance of Allah Is the greatest (thing in life) Without doubt. And Allah knows The (deeds) that ye do”. Sūrah 29: Ankabūt, Ayat: 45, Verses 69 — Makki; Revealed at Makka — Sections 7. একদা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল, কোন দোয়া কবুলের অধিক সম্ভাবনা রাখে? তিনি ইরশাদ করলেন, গভীর রাতের দোয়া আর ফরজ নামাজ পরবর্তী দোয়া। -সহিহ তিরমিজি: ৩৪| আফজাল জিকিরঃ লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর জিকিরের ফজিলত ১. হযরত আবু হোরায়রা রা: থেকে বর্ণিত হয়েছে, হযরত রাসূল সা: ইরশাদ করেছেন, ঈমানের ৭০টির বেশি অথবা ৭৩টি শাখা-প্রশাখা রয়েছে। তার মধ্যে সর্বাপেক্ষা উত্তম শাখা হচ্ছে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা, আর সর্বনিম্ম শাখা হচ্ছে পথে বা রাস্তার মধ্য থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করে দেয়া এবং লজ্জা হলো ঈমানের একটি শাখা। (মুসলিম:১/৩৫) ২. হযরত মুয়ায রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি খালেস অন্তরে একনিষ্ঠতার সঙ্গে লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (মুসনোদে আহমদ) ৩. হযরত ইতবান বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলবে, ক্বিয়ামাতের দিন সে এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার উপর জাহান্নাম হারাম হয়ে গেছে। (বুখারি-মুসলিম, মুসনাদে আহমদ) ৪. হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাআলা বলবেন, হে মুহাম্মাদ! সৃষ্টির মধ্য হতে আপনার উম্মতের মধ্যকার এমন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করান যে ব্যক্তি একদিন হলেও ইখলাসের সঙ্গে এ সাক্ষ্য দিয়েছে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নাই এবং সে এর উপর মৃত্যুবরণ করেছে। (মুসনাদে আহমদ) ৫. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি: আল্লাহ ব্যতীত আর কোন মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তাআলার রাসূল এ কথার সাক্ষ্য দেয়া, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, হজ্ব আদায় করা এবং রমযানের রোযা রাখা । (বোখারী) ৬. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আমি এবং আমার পূর্বের নবীরা সর্বোত্তম যে কথাটি বলেছেন তা হচ্ছে- আল্লাহ ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই। তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব এবং প্রশংসা তাঁর। তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাবান। (তিরমিযী) ৭. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহর নবী নূহ আ: মৃত্যুর পূর্বমুহুর্তে তার সন্তানকে বলেছিলেন, আমি তোমাকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর নির্দেশ করছি। নিশ্চয়ই এক হাতে সাত আসমান ও সাত যমীন যদি রাখা হয়, আর অপর হাতে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ রাখা হয়, তবে কালিমা বহনকারী হাতটি ভারি হবে। আর সাত আসমান ও যমীনকে যদি একটি রিং এর মতো করে তৈরি করা হতো, তবে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ কালিমাটির মর্মের ভারত্ব সেটাকে ভেঙ্গে ফেলতে সক্ষম হতো। (আদাবুল মুফরাদ।) ৮. হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হযরত রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, জান্নাতের চাবি হলো এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো প্রতিপালক নেই।(মুসনাদে আহমাদ : ৩৬/২২১০২) ৯. হযরত ওসমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে হযরত রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন,কোনো ব্যক্তি যদি লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর ঘোষণা দেয় এবং এরই উপর মৃত্যুবরণ করে, তবে অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (মুসলিম : ১/২৬) ১০. হযরত উবাদা ইবনে সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে তিনি বলেন, আমি হযরত রাসূল সা:কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি এরূপ সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসূল। তার জন্য আল্লাহ জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেবেন। (মুসলিম : ১/২৯) ১১. হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হযরত রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, কোনো বান্দা যদি ইখলাসের সাথে কালেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করে, তবে তার জন্য আকাশের দরোজাগুলো খুলে দেয়া হয়। (তিরমিজি : ৬৮) ১২. হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে হযরত রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের কালেমার তালকিন করো। (মুসলিম : ১/৩০০)১৩. ১৩. হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে হযরত রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তির শেষ কথা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ হবে সে জান্নাতে যাবে। (আবু দাউদ : ২/৪৪৪)১৪. অল্প আমলে বেশী নেকী ►০১ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ (এ বাক্যটি তিন বার পাঠ করতে হয়। অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। সাওবান রদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনামতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত শেষে ৩(তিন) বার ইস্তিগফার করতেন। (সহীহ মুসলিম: ১৩৬২ সহীহ মাসনূন ওযিফা, পৃষ্ঠাঃ ৪১) উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতাস সালা-ম, ওয়া মিনকাস সালা-ম, তাবা-রকতা ইয়া-জাল জালা-লি ওয়াল ইকরাম। অর্থ: হে আল্লাহ, আপনিই সালাম (শান্তি), আপনার থেকেই শান্তি, হে মহাসন্মানের অধিকারী ও মর্যাদা প্রদানের অধিকারী, আপনি বরকতময়। সাওবান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত শেষে ৩(তিন) বার ইস্তিগফার বলে এরপর আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম....বলতেন (সহীহ মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯১)। এ বিষয়ে আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) ও অন্যান্য সাহাবী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে হাদীস বর্ণিত হয়েছে (সহীহ মাসনূন ওযিফা, পৃষ্ঠাঃ ৪১) ►০৩ উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান্ না-র। অর্থঃ হে আল্লাহ আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন। হারিস ইবনু মুসলিম (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেছেন, তুমি ফজরের সালাতের পরেই (দুনিয়াবী) কথা বলার আগেই এই দুআ ৭বার বলবে। যদি তুমি ঐ দিনে মৃত্যুবরণ কর তাহলে আল্লাহ তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। অনুরূপভাবে মাগরিবের সালাতের পরে কথা বলার আগেই এই দুআ ৭বার বলবে। যদি তুমি রাত্রে মৃত্যু বরণ কর তাহলে আল্লাহ তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। অধিকাংশ মুহাদ্দিস হাদীসটিকে গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করেছেন। (নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা ৬/৩৩, সুনানু আবু দাউদ ৪/৩২০, নং ৫০৭৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৬৭, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/৩৬১-৩৬৫, নাবাবী, আযকার, পৃঃ ১১৫, যাকারিয়্যা, আল ইখবার, পৃঃ ৬৫, সহীহ মাসনূন ওযিফা, পৃঃ ৪১)। ►০৪ উচ্চারণ: লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা- শারিকা লাহু। লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল্ হামদু। ওয়া হুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর। আল্লাহুম্মা লা-মানি'য়া লিমা- আ'ত্বইতা। ওয়া-লা মু'তিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা- ইয়ানফা'উ জাল্ জাদ্দি মিনকাল্ জাদ্দু। (এ দোয়াটি একবার পাঠ করতে হয়। -সহীহ বোখারি ও মুসলিম) অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো মা'বুদ নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না। মুগীরা ইবনু শু'বা (রা) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রত্যেক সালাতের সালামের পরেই এই যিকরটি বলতেন। সহীহ বুখারী:১/২৮৯, নং ৮০৮, ৫/২৩৩২ল নং ৫৯৭১, সহীহ মুসলিম, ১/৪১৪-৪১৫, নং ৫৯৩, সহীহ ইবনু হিব্বান, ৫/৩৪৫-৩৪৮, ৫/৩৪৯ (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪২) ►০৭. সুবহা-নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা (বা প্রশংসাময় পবিত্রতা) ঘোষণা করছি। আবু তালহা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যদি কেউ ১০০ বার সুবহা-নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী বলে, তাহলে আল্লাহ তাঁর জন্য ১,২৪,০০০ (এক লক্ষ চব্বিশ হাজার) সাওয়াব লিখবেন। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, তাহলে তো আমাদের কেউই বিপদে পড়বে না (জাহান্নামে কাউকেই যেতে হবে না)। তিনি বলেন: হাঁ। তোমাদের অনেকেই এত বেশি সাওয়াব নিয়ে কিয়ামতের দিন হাজির হবে যে, পাহাড়ের উপরে দিলেও পাহাড় ভেঙ্গে যাবে, কিন্তু এরপর আল্লাহ তাঁকে যে নিয়ামত দিয়েছিলেন তা এসে সব সাওয়াব নিয়ে চলে যাবে। এরপর মহাপ্রভূ রহমত নিয়ে এগিয়ে আসবেন। হাদীসটি সহীহ। (মুসতাদরাক হাকীম ৪/২৭৯) (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪৫)। ►০৮ سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ وَرِضَا نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ উচ্চারণ: সুবহা-নাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহী, আদাদা খালক্বিহী, ওয়া-রিদ্বা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা 'আরশিহী ওয়া মিদা-দা- কালিমা-তিহী। -সহিহ মুসলিম শরিফ : হাদীস নং- ৭০৮৮। অর্থ: আমি আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রশংসা ঘোষণা করছি, তাঁর সৃষ্টির সম সংখ্যক, তাঁর নিজের সন্তুষ্টি পরিমাণে,তাঁর আরশের ওজন পরিমাণে এবং তাঁর বাক্যের কালির সমপরিমাণ। উম্মুল মুমিনীন জুআইরিয়্যা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের সালাতের পরে তাঁকে তাঁর সালাতের স্থানে যিকর রত অবস্থায় দেখে বেরিয়ে যান। এরপর তিনি অনেক বেলা হলে দুপুরের আগে ফিরে এসে দেখেন তিনি (উম্মুল মুমিনীন) তখনও ঐ অবস্থায় তাসবিহ তাহলিলে রত রয়েছেন। তিনি বলেন: তুমি কি আমার যাওয়ার সময় থেকে এই পর্যন্ত এভাবেই যিকরে রত রয়েছ? তিনি বললেন: হাঁ। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: অআমি তোমার কাছ থেকে বেরিয়ে চারটি বাক্য তিনবার করে বলেছি (উপরের বাক্যগুলি)। তুমি সকাল থেকে এই পর্যন্ত যত কিছু বলেছ সবকিছু একত্রে যে সাওয়াব হবে, এই বাক্যগুলির সাওয়াব সেই একই পরিমাণ হবে। (সহীহ মুসলিম ৪/২০৯০-২০৯১, নং ২৭২৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১১০, নাসাঈ, আস-সুনানুল কুবরা ১/৪০২, ৬/৪৮, ৪৯) (প্রাগুক্ত পৃঃ ৪৬) ইমাম তিরমিযী অনুরূপ ঘটনা উম্মুল মুমিনীন সাফিয়্যাহ (রা) থেকেও বর্ণনা করেছেন। সাফিয়্যাহ (রা) বললেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার কাছে এসে দেখেন আমার সামনে চার হাজার বিচি রয়েছে যা দিয়ে আমি তাসবীহ বা সুবহানাল্লাহর যিকর করছি। তিনি বললেন: তুমি কি এতগুলির সব তাসবীহ পাঠ করেছ? আমি বললাম: হাঁ। তখন তিনি (নবীজী সাঃ) তাঁকে উপরের যিকরের অনুরূপ বাক্য শিখিয়ে দেন। (সুনানুত তিরমিযী ৫/৫৫৫, নং ৩৫৫৪। মুসতাদরাক হাকিম ১/৭৩২, প্রাগুক্ত পৃঃ ৪৬)। (একেই বলে:অল্প আমলে বেশী নেকী!) • وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّـهِ ۚ • ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহঃ অর্থ: আমি তাঁর উপরই নির্ভর করি এবং তাঁরই প্রতি ফিরে যাই (সূরাহ হুদ, আয়াতঃ ৮৮, [তাফসীরে মাআ’রেফুল কোরআন, প্রথম খন্ড, চতুর্দশ সংস্করণ-২০১১, মূল: মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.), অনুবাদ: মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রহ.), ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, • www.almodina.com • And my success (in my task) Can only come from Allah. • THE HOLY QUR’AN Sūrah 11: Hūd (The Prophet Hūd), Ayat No. 88, Makki; Revealed at Makka — Sections 10, Translation by Abdullah Yusuf Ali About QuranYusufAli.com ১৮
Comments
Post a Comment