EDIT 02
Verily! In the creation of the heavens and the earth, and in the alternation of night and day, and the ships which sail through the sea with that which is of use to mankind, and the water (rain) which Allah sends down from the sky and makes the earth alive therewith after its death, and the moving (living) creatures of all kinds that He has scattered therein, and in the veering of winds and clouds which are held between the sky and the earth, are indeed Ayat (proofs, evidences, signs, etc.) for people of understanding. [Quran – Al-Baqara 2:164]
The Quran also states:
Those who remember Allah (always, and in prayers) standing, sitting, and lying down on their sides, and think deeply about the creation of the heavens and the earth, (saying): “Our Lord! You have not created (all) this without purpose, glory to You! (Exalted be You above all that they associate with You as partners). Give us salvation from the torment of the Fire. [Quran – Al-Ímran 3:190]
The second way of knowing Allah is to ponder over the verses of the Quran.
The Quran states:
(This is) a Book (the Quran) which We have sent down to you, full of blessings that they may ponder over its Verses, and that men of understanding may remember. [Quran – Saad 38:29]
Allah is my Lord
Knowing these two ways should drive us to take the necessary steps to prioritize our lives properly. Many of us commonly fall into the trap of putting Allah’s remembrance and Quran recitation and reflection at the bottom of our lists. Instead, we should recognize that sometimes, rather than just needing more time, wealth, resources, etc. in our lives, we need more of Allah’s blessings and ‘barakah’ in what we already have. With no such blessings, we can’t expect to achieve success and happiness. Instead of chasing life’s never-ending pursuits, let’s be with Allah and His book. In return, we will achieve the best of this life and the hereafter and our affairs will become more manageable.
dua for problems
►সাধারণ মানুষ নাকের শ্বাস-প্রশ্বাস দেখে, সাধারণ চিকিৎসক হাতের পালস কিংবা স্ট্রেগ্রাফির সাহায্যে হৃদযন্ত্রের হার্টবিট দেখে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা লাইফ সাপোর্টের সময় মস্তিস্কে বিশেষ যন্ত্র সংযোগ করে গামা রশ্মির মাধ্যমে রোগীর অবস্থা নিরুপন করে থাকেন।
►প্রথম মানুষ,প্রথম গরু, প্রথম ছাগল, প্রথম মাছ, প্রথম বাঘ, ভাল্লুক কিভাবে এলো?
►নতুন বিজ্ঞানের নতুন প্রশ্নঃ
► মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি?
►উল্লেখ্য, এ যাবৎকাল পর্যন্ত পদার্থ বিজ্ঞান যে প্রশ্নে আবর্তিত সে প্রশ্নটি হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব কিভাবে তৈরি?
►জীব হত্যা মহাপাপ।কিন্ত্ত কিভাবে রহিঙ্গা হত্যা করছেন? প্রতি উত্তরে বলা হয়ঃ মুসলমানের প্রাণ নেই।
►আলোর প্রকৃত গতি কি আইনস্টাইনের E=mc2 সমীকরণ মতে আসলেই সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল?
►সার্বিক একীভূতকরণে কতিপয় প্রতিবন্ধকতা নিম্নরূপঃ
ক) নিউটনীয় ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞান বনাম আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব এ দ্বন্দ্ব বিশেষ আপেক্ষিকতা নিয়ে নয় সাধারণ আপেক্ষিকতা নিয়ে। আইনস্টাইন ছিলেন শুরুতে নিউটনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল। তাই মহাবিশ্ব স্থির-নিউটনের এই স্থির ধারণার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে মহাবিশ্ব স্থির ধরা হয়েছিল। কিন্ত্ত নিউটনের প্রতি আইনস্টাইনের শ্রদ্ধাভক্তি যে অন্ধ ভক্তি ছিল না তা প্রমাণ করে সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব রচনা করতে গিয়ে নিউটনীয় ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞানের উর্ধ্বে উঠে তিনি নিউটনের মহাকর্ষ সংক্রান্ত তত্ত্বকে ভুল বলে আখ্যায়িত করে বলেছিলেনঃ মহাকর্ষ বলতে কিছু নেই, কেবল মহাকাশে বিদ্যমান ভারী বস্ত্তর কারণে স্থান কালের বক্রতা সৃষ্টির ফলে একে অপরকে কাছে টানে। এ কারণে আলোও বেঁকে বসে। যদিও পৃথিবীতে আলো সরল রেখায় চলে। কিন্ত্ত সূর্যের মতো ভারী বস্ত্তর কারণে দূর নক্ষত্রের আলো কিছুটা বেঁকে পৃথিবীতে এসে পৌঁছে।
ESLF: আলোর স্ট্যান্ডার্ড মডেল গৃহীত স্ট্যান্ডার্ড রাউন্ড গতি হচ্ছে সেকেন্ডে ১৮৬০০০ মাইল। আলোর প্রকৃত প্রাকৃতিক ফ্যারেকশন গতি ১,৮৬,২০০ মাইলেরও অধিক। তাহলে ২০১১ সালে সার্ণ কর্তৃক নিউট্রিনোকে মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামীতার একাধিক প্রমাণিত বিষয়কে কেন স্টিফেন হকিংসহ বিশ্বের খ্যাতিমান বিজ্ঞানীরা এই আবিস্কারকে পুনর্বিবেচনার জন্য সার্ণের প্রতি দাবী জানিয়েছিলেন এবং এ দাবী বিবেচনায় এনে এই অগ্রগামীতা প্রত্যাহার করে নেয় কেন? এই যুগান্তকরি আবিস্কার বিজ্ঞান জগতে যে প্রতিবন্ধকতার উদ্ভব ঘটাতে পারে তা-ও বিশ্লেষণ করা হয়।তাতে বলা হয় এতে করে ১. E=mc2 সমীকরণের উপর ভিত্তিশীল মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি ধ্বসে পড়বে।২.নতুন করে পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র রচনা করতে হবে। ৩.এতে করে নতুন করে পদার্থবিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করতে হবে।আসল কথা হচ্ছে যে, আলোর প্রকৃত প্রাকৃতিক গতির ( ১,৮৬,২০০ মাইলের) সাথে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের বাস্তব সম্পর্ক নেই,অআছে রাউন্ড গতির সাথে।উদাহরণস্বরূপ একটি গাড়ী কখন ছাড়বে এবং কখন পৌঁছবে তার সাথে না গাড়ীর সম্পর্ক না রেল কর্তৃপক্ষের সম্পর্ক।অথচ ট্রেন যথাসময়ে রেল কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে পৌঁছে। মূলতঃ নির্ধারিত সময়ে পৌঁছার সাথে সম্পর্ক গাড়ির ইন্জিনের ঘন্টায় কত মাইল বেগে পরিচালিত হবে তার সাথে সম্পর্ক।অনুরূপ অআইস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ যা স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ভিত্তি তা ১,৮৬,০০০ মাইল সেকেন্ডে গতি বেগের বর্গগুণে অআইনস্টাইন বস্ত্তর শক্তিমান।হিসাব করে
আলোর বেগের বর্গগুণে পাওয়া যায় বস্ত্তর শক্তিমান। আইনস্টাইনের E=mc2 সমীকরণে এ ভর জানা যায় (বিজ্ঞানচিন্তা,পৃষ্ঠাঃ ২৭)। এই ভরশক্তি সমীকরণে আইনস্টাইন নিয়েছেন আলোর রাউন্ড গতি সেকেন্ডে ১ লাখ ৮৬ হাজার মাইল গতি ধরে। যদিও অআলোর প্রকৃত প্রাকৃতিক গতি ১,৮৬,২০০ মাইলের কিছু বেশী। ২০১১ সালে সার্ণ কর্তৃপক্ষ অপেরা প্রজেক্টের অআওতায় পরিচালিত এক গবেষণায় কয়েক হাজার বার প্রমাণিত হয় নিউট্রিনো অআলোর চাইতে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বেশি।আলোর রাউন্ড গতি সেকেন্ডে ১ লাখ ৮৬ হাজার মাইল গতি বেগ ধরে আইনস্টাইন সেই আলোর বেগের বর্গগুণে বস্ত্তর যে শক্তির যে মান পেয়েছিলেন তাকে ভিত্তি করে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরি রচনা করেছিলেন, পদার্থ বিজ্ঞানের পরীক্ষিত যতসব সূত্রের রচনা সম্ম্ভবপর হয়েছিল।IRRSTC পরিচালিত অর্ধ দশক ব্যাপি নিরবচ্ছিন্ন গবেষণায় অআলোর প্রকৃত ফ্যারেকশন গতির সাথে রাউন্ড গতির সমন্বয় সাধন করে নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামিতার স্বীকৃতি প্রদান করা যায় এবং তাতে সায়েন্স ফিকশনিস্টদের স্বপ্নিল নভোতরি ওয়ার্মহোল অআর র্যাপ ড্রাইভ বাস্তব করা যায় সে ব্যাপারে সহজপন্থায় উপায় উদ্ভাবনের মধ্যপন্থী প্রচেষ্টায় জানা যায়, গ্রীনিচ মান স্ট্যান্ডার্ড সময়ের মতো অআইনস্টাইন অনুস্মৃত অআলোর রাউন্ড গতিকে einstine standard light force (ESLF)
এক নজরে আর.আর.এস.টি.সির সরলীকরণ তত্ত্ব অনুসারে সার্বিক একীভূতকরণ
►আর.আর.এস.টি.সির সরলীকরণ তত্ত্ব অনুসারে সার্বিক একীভূতকরণ আইনস্টাইনের হাতেই ঘটে গেছে। আইনস্টাইন নিজেই স্বীয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব এর সাথে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সমন্বয় করে ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট তত্ত্ব কেবল আবিস্কারই করেন নি অধিকন্ত্ত এ তত্ত্বের উপর নোবেল পুরস্কারও লাভ করেছিলেন।
►সার্বিক একীভূতকরণের প্রবক্তা বা স্থপতি ছিলেন আইনস্টাইন। ইনভেরিয়েন্ট তত্ত্বের সংশোধনী জেনারেল রিলিটিভিটি করতে গিয়ে বিশেষ রিলিটিভিটি ইনভেরিয়েন্টের পরিবর্তে জেনারেলে পরিণত হওয়ায় আইনস্টাইন বিজ্ঞানের প্রতি দারুন হতাশ হয়ে চলে যান বিজ্ঞান জগতের পর্দার আড়ালে অন্তত চার চারটি দশকের জন্য। তবে বসে বসে অলস জীবন কাটাননি বরং তিনি পরম সত্যে পৌছে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার পরিসমাপ্তি ঘটাতে চেয়েছিলেন ম্যাক্স প্ল্যাংকীয় কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সাথে একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বে পৌঁছতে চেয়েছিলেন যদিও আর.আর.এস.টি.সির সরলীকরণ তত্ত্বমতে স্বয়ং আইনস্টাইন নিজেই স্বীয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব এর সাথে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সমন্বয় করে ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট তত্ত্ব কেবল আবিস্কারই করেন নি অধিকন্ত্ত এ তত্ত্বের উপর নোবেল পুরস্কারও লাভ করেছিলেন।
►সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করতে গিয়ে সার্ণের নিজস্ব সাইক্লোটন যন্ত্র ল্যাজ হ্যাড্রন কলাইডারে সৃষ্টি করতে হয়েছিল সৌর কেন্দ্রের চাইতে লক্ষ গুণ উত্তাপ যার কারণে বিজ্ঞানীরা পূর্বাহ্ণেই আশংকা করেছিলেন পৃথিবীতে ব্যাপক ধ্বংসকারক মিনি কেয়ামতের। আর.আর.এস.টি.সির সরলীকরণ তত্ত্বমতে, স্ট্রিং প্রমাণের জন্য আরও শক্তিশালী সাইক্লোটন তৈরির যে তোড়জোড় তাতে সৌর কেন্দ্রের চাইতে কোটি গুণ উত্তাপ সৃষ্টি হতে পারে যা বিজ্ঞানীদের আশংকাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে। পৃথিবীর গুরুতর বিপর্যয় এড়াতে তাই হিগস বোসন কণাকে স্ট্রিংয়ের মডেল ধরে স্ট্রিংয়ের বাস্তবতার স্বীকৃতি মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি কর্তৃক দেওয়া যেতে পারে।
►তবে দ্বন্দ্ব রয়ে গেছে সাধারণ আপেক্ষিকতার সাথে নিউটনীয় ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞানের তা-ও ইনভেরিয়েন্ট নয় আপেক্ষিক।
বিজ্ঞান মহলে আজও প্রশ্ন উঠে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা আসলে কতটুকুন আপেক্ষিক?সূত্রঃ বিজ্ঞানচিন্তা।
ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক-সবাই আল্লাহতে অনুগত
►আর.আর.এস.টি.সি.মনে করে, সার্বিক একীভূতকরণে বড় বাধা নিউটনীয় ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞানের সাথে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কিছু তত্ত্বে। যেমনঃ ক্লাসিকেল বল বিজ্ঞান মতে, যা দেখা যায় না তার অস্তিত্ব নেই, প্রত্যকে বস্ত্তই আলাদা আলাদা। পক্ষান্তরে কোয়ান্টাম মেকানিক্স মতে, যা খালি চোখে দেখা যায় না তা কণা ডিটেক্টরে কণা হিসাবে, তরঙ্গ ডিটেক্টরে তরঙ্গ আকারে দেখা যাবে। মধ্যপন্থায় এ দ্বন্দ্বের অবসানে আর.আর.এস.টি.সি.মনে করে সেই বস্ত্তর অস্তিত্ব নেই যা একাধারে খালি চোখে, কণা ডিটেক্টরে এবং তরঙ্গ ডিটেক্টরে দেখা যায় না। তবে ব্যতিক্রম হলেও এমন বিষয় আছে যা তরঙ্গ ডিটেক্টরেও দৃশ্যমান নয়, কিন্ত্ত তার সরব, জীবন্ত অস্তিত্বের জীবন্ত প্রমাণ রয়েছে। যেমন স্ট্র্রেন্জ কোয়ার্ক যা আজও দৃশ্যমান নয় অথচ ছয় শ্রেণীর কোয়ার্কের মধ্যে স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক অন্যতম যে কোয়ার্ককে বলা হচ্ছে বস্ত্তকণার মূলোৎস এবং মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর ইট বা দেওয়াল।
বিশ্ব জুড়ে ধর্মে বিশ্বাসীর শতকরা হার প্রায় শতের কাছাকাছি। তবে শতভাগ নয় কারণ, ধর্মে অবিশ্বাসের দাবীদার কেউ কেউ এ ধরায় আছে-এটা বাস্তব। কিন্ত্ত অদৃশ্যমান যে একক সত্বায় শতভাগ মানুষ বিশ্বাসী তা হচ্ছে প্রকৃতি। প্রকৃতির প্রতি ধর্মে অবিশ্বাসের দাবীদাররাও বিশ্বাসী। যদিও প্রকৃতির সাথে গডের ধারণায় যে মিল তা হচ্ছে গড যেমন অতীন্দ্রীয় বিষয় তেমন প্রকৃতিও। তবে গড ব্যাপক অর্থে প্রকৃতি বা নেচার সীমিত অর্থজ্ঞাপক বিষয়। স্টিফেন হকিংসহ অনেক খ্যাতিমান বিজ্ঞানী রয়েছেন যাঁরা ধর্মকে এড়িয়ে চলেন। অথচ বিজ্ঞানের সার্বিক একীভূতকরণে পৌঁছতে ধর্ম এবং বিজ্ঞানের মধ্যে দূরত্ব দূরীকরণ জরুরী। সম্ভবতঃ এ বিষয়টি লক্ষ্য করে এক প্রাতঃস্মরণীয় উক্তিতে বলেছিলেনঃ সায়েন্স উইথ আউট....। বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে সরল সম্পর্কের ভিত রচনায় নিউটনের প্রাতঃস্মরণীয় উক্তিই যথেষ্ট। ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের স্থপতি আইজাক নিউটন ধর্ম-বিজ্ঞানের আন্তঃসম্পর্ক রচনার উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত প্রাতঃস্মরণীয় উক্তি করেন যা আন্তঃসম্পর্কের জন্য সহায়ক মর্মে আর.আর.এস.টি.সি.মনে করেঃ
Science is not only compatible with spirituality, it is a profound source of spirituality.(Calr sagan, American renewd phisicst)
বিজ্ঞান শুধুমাত্র আধ্যাত্মিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এটি আধ্যাত্মিকতার একটি গভীর উৎস।
পাশাপাশি কার্লসাগান এও বলেছিলেন যে, বিজ্ঞানে গড-কে পাওয়া যাবে না। যেমন গড পার্টিকেলে গড নেই, আছেন সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মি ল্যাব গডের অনুসন্ধানে সাইক্লোটন যন্ত্র স্থাপন করেছিলেন।বিজ্ঞানীরা যখন জানালেন, এতে গডের সন্ধান পাওয়া যাবে না তখন সাথে সাথে প্রকল্প পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। কিন্ত্ত ১৯৭০ সালে তাত্ত্বিকভাবে তিন বল-কে একীভূত করার পর মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামো পুরোপুরি জানতে প্রয়োজন হয়ে পড়ে ভরসম্পন্ন এমন এক কণার যা সকল কণাকে ভর প্রদান করে-এমন কণা জনকের নাম হিগসবোসন বা গড পার্টিকেল। তবে আর.আর.এস.টি.সি.মনে করে, বাস্তবে তা হতে পারে বড়জোর গড’Type equation here.
স পার্টিকেল। গড পার্টিকেল নয়। ধর্ম বিজ্ঞানীদের দ্বারা নয়, ধর্মে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা সুসংরক্ষিত।
‘তোমাদের কণা–ত্বরক যন্ত্রে কি ঈশ্বরের খোঁজ মিলবে?’ যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ১৯৯৩সালে বিজ্ঞানীদের এই প্রশ্ন করেছিলেন! পদার্থবিদেরা তখন আমেরিকার অঙ্গরাজ্য টেক্সাসে সুপার কন্ডাক্টিং সুপার কলাইডার বানানোর স্বপ্নে বিভোর৷ সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের চেয়ে তিনগুণ বড় এবং তিনগুণ শক্তিশালী এক কণা-ত্বরক যন্ত্র৷ মাটির নিচে প্রায় ৮৭ কিলোমিটার পরিধির সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ চলছে পুরোদমে, দুই বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে ২৪ কিলোমিটার সুড়ঙ্গ ইতিমধ্যেই খোঁড়া হয়ে গেছে৷ দুই নোবেল পুরস্কারবিজয়ী পদার্থবিদ, লিওন লেডারম্যান ও স্টিভেন ওয়েনবার্গ এবং সেই সঙ্গে আরও এক হাজার কণাবিজ্ঞানী মাঠে নেমে পড়েছেন৷ আরও ১০ বিলিয়ন ডলার পেলেই কাজটি শেষ করা যায়৷ কিন্তু তত দিনে রাশিয়া-আমেরিকার স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে, এই যুদ্ধে রাশিয়ার হার হয়েছে। তাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কণিকা-তাড়ুয়ার পেছনে এখন না ছুটলেও চলবে! ওদিকে বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দিয়েছেন যে মহাবিশ্বের জন্মলগ্নের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে অনেক অজানা কণা এবং ঈশ্বর-কণিকার দেখা মিললেও এই যন্ত্রে ঈশ্বরের দেখা মিলবে না! এমন প্রজেক্টের পেছনে আরও ১০ বিলিয়ন ডলার ঢালতে রাজনীতিবিদেরা রাজি হলেন না, মার্কিন সরকার কণা-ত্বরক প্রজেক্টটি বন্ধ করে দিলেন৷ খোঁড়া গর্ত মাটি দিয়ে ভরাট করতে খরচ হলো আরও এক বিলিয়ন ডলার!https://www.bigganchinta.com/physics/particle-accelator
এই মহাবিশ্ব কোথা থেকে এল? এটাই হলো আদি প্রশ্ন৷ ১৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণ ঘটেছিল, যা থেকে এই মহাবিশ্ব জন্ম নিল৷ কেন? কেমন করে? তার আগে কী ছিল? কেউ জানে না।
মহাবিশ্বের জন্মলগ্নের সেই পরিবেশ কি আবার তৈরি করা যায়—শুধু ক্ষণিকের তরে, সুচের ডগার চেয়েও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র এক স্থানে? সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের কাজটি ঠিক তা-ই।
সেই আদি মহাবিস্ফোরণের শক্তি থেকে মৌলিক কণা এবং প্রতিকণা সৃষ্টি হলো৷ মৌলিক কণা হলো সেই কণা, যাকে আজ পর্যন্ত ভাঙা যায়নি৷ পদার্থবিদ্যার আইন মেনে এই কণাগুলো জুটি বাঁধল, তৈরি হলো প্রোটন, নিউট্রন–জাতীয় কণা৷ তারপর তৈরি হলো অণু, পরমাণু৷ এদের অবিরাম সংঘর্ষ থেকে তৈরি হলো গ্যালাক্সি, তারা, গ্রহ, প্রজাপতি, মানুষ।https://www.bigganchinta.com/physics/particle-accelator
মহাবিশ্বে কয় ধরনের মৌলিক কণিকা আছে, তারা নিজেদের মধ্যে কী ধরনের মিথস্ক্রিয়া করে, এই মিথস্ক্রিয়া থেকে কেমন করে মহাবিশ্বের আর সবকিছু সৃষ্টি হয়? এ নিয়ে পদার্থবিদ্যার বর্তমান তত্ত্বের নাম স্ট্যান্ডার্ড মডেল৷ তবে কণা-ত্বরকে যে কণার দল তৈরি করবে, তাদের ভিড়ে হয়তো থাকতে পারে একেবারে না-জানা কোনো কণিকা! এমন অচেনা কণিকার দেখা মিললে বিজ্ঞানীদের সাধের স্ট্যান্ডার্ড মডেল হয়তোবা নতুন করে সাজাতে হবে, পদার্থবিদ্যার বইপত্র আবার নতুন করে লিখতে হবে৷ সে হবে এক মজার ঘটনা!https://www.bigganchinta.com/physics/particle-accelator
আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল।
মাধ্যাকর্ষণ গ্রহগুলির গতি ব্যাখ্যা করে, তবে কে গ্রহগুলিকে গতিশীল করে তা ব্যাখ্যা করতে পারে না।
অদৃশ্য অস্তিত্বে কি শুধু ধর্মবিশ্বাসীরাই বিশ্বাস করে থাকেন? অদৃশ্য বাতাস-কে সাধারণ মানুষ অনুভবের দ্বারা বিশ্বাস করে থাকেন। বিজ্ঞানীরা অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন,হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি প্রাকৃতিক উপাদান স্বচক্ষে দর্শনের মাধ্যমে বিশ্বাস করে থাকেন। কিন্ত্ত প্রাণীর তার দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রাণ সম্পর্কে না সাধারণ মানুষ না বিজ্ঞানী না সচক্ষে না সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে, না হাবল না ওয়েব জেমস টেলিস্কোপ কোনভাবেই অআজও দর্শন মেলেনি।
“যারা কুফরি করে তারা কি দেখে না যে, (১) আসমানসমূহ ও যমীন মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে তারপর আমরা উভয়কে পৃথক করে দিলাম।
Comments
Post a Comment