মহাকর্ষ বল

اَلَمۡ نَجۡعَلِ الۡاَرۡضَ کِفَاتًا ۙ আমি কি পৃথিবীকে সৃষ্টি করিনি ধারণকারিণীরূপে? পৃথিবী হচ্ছে ধারণকারী, যা আমাদেরকে তার দিকে ধরে রেখেছে। পৃথিবীর যদি এই আকর্ষণ শক্তি না থাকতো তাহলে আমরা মাটিতে হাঁটতে পারতাম না, ভেসে ভেসে উপরের দিকে উঠে যেতাম। পবিত্র কুরআনের সূরা আল মুরসালাত এর ২৫ নাম্বার আয়াতে মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলেন, . ٥٦- إِنِّي تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّـهِ رَبِّي وَرَبِّكُم ۚ مَّا مِن دَابَّةٍ إِلَّا هُوَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا ۚ إِنَّ رَبِّي عَلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ ◯ 56. “ I put my trust in Allah, My Lord and your Lord ! There is not a moving Creature, but He hath Grasp of its fore-lock. Verily, it is my Lord That is on a straight Path. (Al Quran: Sūra 11: Hūd (The Prophet Hūd),Ayat: 56,Verses 123 — Makki; Revealed at Makkah — Sections 10,https://quranyusufali.com/11/] ‘আমি অবশ্যই তাওয়াক্কুল করেছি আমার রব ও তোমাদের রব আল্লাহর উপর, প্রতিটি বিচরণশীল প্রাণীরই তিনি নিয়ন্ত্রণকারী। নিশ্চয় আমার রব সরল পথে আছেন’। আল-বায়ান আমি নির্ভর করি আল্লাহর উপর যিনি আমার আর তোমাদের রব, এমন কোন জীব নেই যার কতৃত্ব তাঁর হাতে নয়, নিশ্চয়ই আমার রব সরল পথের উপর প্রতিষ্ঠিত। তাইসিরুল আমি আল্লাহর উপর ভরসা করেছি, যিনি আমার রাব্ব এবং তোমাদেরও রাব্ব; ভূ-পৃষ্ঠে যত বিচরণকারী রয়েছে সবাই তাঁর (কুদরাতি) মুষ্টিতে আবদ্ধ; নিশ্চয়ই আমার রাব্ব সরল পথে রয়েছেন। মুজিবুর রহমান Indeed, I have relied upon Allah, my Lord and your Lord. There is no creature but that He holds its forelock. Indeed, my Lord is on a path [that is] straight." Sahih International https://www.hadithbd.com/quran/link/?id=1529 ভূপৃষ্ঠে যত বিচরণকারী রয়েছে তাদের সকলের ঝুটি তিনি ধারণ করে রেখেছেন, নিশ্চয়ই আমার প্রভূ সরল পথের উপর বিদ্যমান। Geologist-বৃন্দ গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে পৃথিবীর অভ্যন্তর অত্যধিক ভারী বস্তুতে পরিপূর্ণ। যেমনঃ লোহা, নিকেল, হীরা আর অনেক প্রকারের যৌগিক ওজনদার বস্তু। গবেষকরা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, এই আকর্ষণ বল এতো শক্তিশালী হওয়ার অন্যতম কারণ হলো পৃথিবীর আভ্যন্তরীক বস্তুগুলোর ওজন। ওজন যত বেশি ভারী হবে আকর্ষণ ক্ষমতা ততো বেশি শক্তিশালী ও প্রবলতর হবে। সম্প্রতি বিজ্ঞানীগণ পৃথিবীর গভীরে এক ধরনের ভারী তরল পদার্থ পেয়েছেন যা অবিরত সেখানে পাক খেয়ে স্থান পরিবর্তন করে চলেছে। অভ্যন্তরে তার এই চলাচল একটি পথে পরিণত হয়েছে-বৈজ্ঞানিক ভাষায় যাকে ম্যাগনেটিক রানিং রুট (Magnetic Running Root) অথবা চুম্বকপথ বলা হয়। IRRSTC: পৃথিবীর আকাশের এক স্তরে রয়েছে চুম্বক ক্ষেত্র যা সূর্যের করোনা স্ট্রর্মের পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়াকে ঠেকিয়ে রাখে। পক্ষান্তরে ভূগর্ভেও যদি ম্যাগনেটিক রানিং রুট (Magnetic Running Root) অথবা চুম্বকপথ থাকে তাহলে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বলসহ একটা চুম্বকীয় আবহ পৃথিবী জুড়ে থাকার কথা। তাহলে ভূগর্ভের এবং আমাদের দেহের যে মিনারেল আয়রণ তার প্রভাব বিশেষ করে লোহা-ইস্পাতে তৈরি সমুদ্রগামি জাহাজের ব্যাাপারে কি ব্যাখ্যা হতে পারে চুম্বক তত্ত্বের ভিত্তিতে? নাকি মহাকর্ষ সম্পূর্ণ কোয়ান্টাম মেকানিক্স বা ট্রান্স....অর্থাৎ কুদরতি ব্যাপার । পৃথিবির ভূগর্ভের অঅ্যন্তরে লোহাও অআছে চুম্বকও অআছে। মানব দেহে আয়রনও আছে চুম্বকও আছে। এলজেবরার সূত্রমতে মাইনেসে ফ্লাসে মাইনেস। লোহা যদি ফ্ল্যাশ হয় চুম্বক যদি মাইনেস হয় তাহলে পৃথিবীর বুকে যেমন লোহা/চুম্বক বিদ্যমান, দেহেও তা-ই বিদ্যমান।তাই এসব খনিজজাত উপাদান পৃথিবীর বুকে আমাদের ধরে রাখার ব্যাপারে যথেষ্ট নয়। তাহলে ভূত্বকে আমাদের পায়ের পাতা/ত্বক লেগে থাকার ব্যাখ্যা কি?। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের কারণে গ্রহ নক্ষত্র গুলি একে অপরের কাছে আসতে পারছে না। কিন্ত্ত অআরেকটা মৌলিক বিষয় হচ্ছে, অআমরা কিভাবে ভূত্বকে অআটকে আছি? যেখানে আমাদের প্রায় পুরো দেহটা শুন্যস্থানে।কেবল দাঁড়ালে দুই পাকের ত্বক বা চামড়া,হাঁটলে একপায়ের ত্বক, লাফিয়ে উঠলে কোন পা-ই ভূত্বকে সংযুক্ত থাকে না। তার উপর বাতাসের বাড়তি উর্ধ্বচাপ। সুতরাং এটা বলা ছাড়া উপায় নেই, গত্যন্তর নেইেঃ ইন্নি ওয়াজ জাহাতু ওয়াজিহা লিল্লাজি.......... নিউটনের অনন্ত প্রশ্নঃ মনে হয় অদৃশ্য দড়িতে বাধা ইন্নি ওয়াঝঝাহাতু ওয়াজহিয়া লিল্লাজি..... وَاَخۡرَجَتِ الۡاَرۡضُ اَثۡقَالَہَا ۙ (যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।) وَقَالَ الۡاِنۡسَانُ مَا لَہَا ۚ (এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ?) এ Magnetic- কে আল্লাহ তা'য়ালা এমন পর্যায়ে ক্ষমতা দিয়েছেন যে, বায়ুমণ্ডলের উপরে Van Aleen Belt কে কয়েক হাজার মাইল দূর থেকে কন্ট্রোল করে থাকে।পবিত্র কুরআনের সূরা আল যিল্‌যাল এর (১-৩) নাম্বার আয়াতে মহান আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,اِذَا زُلۡزِلَتِ الۡاَرۡضُ زِلۡزَالَہَا ۙ(যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে,) উপরোক্ত আয়াত থেকে এটা স্পষ্ট যে, পৃথিবীর অভ্যন্তরে ভারী বোঝা রয়েছে। এই আয়াতসমূহের ব্যাখ্যায় একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছিল যেখানে মুসলিমদের সাথে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকার অধিবাসী John Satiklaz। তিনি বলেন, পৃথিবীর অভ্যন্তরে রয়েছে ভারী বোঝা। আর এই বোঝাগুলো অনতিবিলম্বে বেরিয়ে আসবে এবং মধ্যাকর্ষণ শক্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। যখন সেগুলো বেরিয়ে আসবে তখন কি অবস্থা হবে?আল্লাহ তা'য়ালা অন্য আয়াতে তা সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। وَاَلۡقَتۡ مَا فِیۡہَا وَتَخَلَّتۡ ۙ (এবং পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শুন্যগর্ভ হয়ে যাবে।) এটা হচ্ছে মাটির নিচের সেই বস্তু যার কথা পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে। যখন পৃথিবী তার গর্ভস্থিত সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করে দিবে এবং শূন্যগর্ভ হয়ে যাবে তখন আর মধ্যাকর্ষণ শক্তি থাকবে না মহাবিশ্বের এই সুন্দর নিয়ম নীতি, আইন-শৃঙ্খলা আর থাকবে না। আর এসবকিছুই হবে কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্বে। https://shottanneshon.blogspot.com/2021/06/gravity-force.html সূরাহ রূমঃ আয়াতঃ ২৫ সূরা যারিয়াত।আয়াত। ৪৭ আল্লাহ মানুষের জন্য যে রহমত উন্মুক্ত করে দেন তা আটকে রাখার কেউ নেই। আর তিনি যা আটকে রাখেন, তারপর তা ছাড়াবার কেউ নেই। আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (সূরাহ ফাতির,৩৫:২)। আল-বায়ান আল্লাহ মানুষের জন্য তাঁর অনুগ্রহ থেকে যা খুলে দেন তা নিবারণ করার কেউ নেই। আর তিনি যা বারিত করেন অতঃপর কেউ তা প্রেরণ করতে পারে না। তিনি মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাময়। তাইসিরুল আল্লাহ মানুষের প্রতি কোন অনুগ্রহ অবারিত করলে কেহ ওটা নিবারন করতে পারেনা এবং তিনি কিছু নিরুদ্ধ করতে চাইলে অতঃপর কেহ ওর উম্মুক্তকারী নেই। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। মুজিবুর রহমান Whatever Allah grants to people of mercy - none can withhold it; and whatever He withholds - none can release it thereafter. And He is the Exalted in Might, the Wise. Sahih International https://www.hadithbd.com/quran/subjectwise/detail/?pageNum_tafsirquran=2&totalRows_tafsirquran=68&sub=34 মহাকর্ষ বল সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ তত্ত্বমতে, দুটো বস্তুর মাঝে পারস্পরিক আকর্ষণ নির্দেশ করে। মহাকর্ষের এই নীতি মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু অন্য বস্তুর ওপর প্রভাব বিস্তারকে প্রমাণ করে। সাধারণত বড় বস্তু ছোট বস্তুকে বেশি শক্তিতে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। তবে বস্তুদ্বয় যত দূরে সরে যেতে থাকে মধ্যবর্তী দূরত্ব বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সেই আকর্ষণও কমে যায়। কোনো ভরের কী ওজন হবে তা মহাকর্ষ দ্বারা নির্ধারিত হয়। কোনো বস্তুর ওপর মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র-প্রযুক্ত বলের মানকে ওজন বা ভার বলে। তার মানে ভরের পরিবর্তন ঘটে না কিন্তু মহাকর্ষের ফলে ওজনে তারতম্য হয়। মহাকর্ষের ফলেই আমরা মহাকাশ গবেষণা করতে পারছি। বিভিন্ন মহাজাগতিক বস্তুর মহাকর্ষ বলের সাহায্যে মহাবিশ্ব চষে বেড়াতে পারছি। বিশালাকার রকেটে রোবোটিক প্রোব গ্রহ, উপগ্রহের মাটিতে নেমে আমাদের কাছে ছবি, ভিডিয়ো পাঠাচ্ছে। মহাকর্ষ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের গতি নির্দেশ করে। ১৯১৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনের জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি তত্ত্ব মহাকর্ষ বিষয়ে আমাদের আরেকটু সমৃদ্ধ করে। নিউটনের তত্ত্বের চেয়ে এই তত্ত্ব আরও নিখুত এবং দ্রুতই এটা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মহাকর্ষকে এখনো আমরা সম্পূর্ণ জানতে পারিনি। জানার হার শতকরা দশ শতাংশ মাত্র। মহাকর্ষ সম্পর্কে যা জানা যায় তা হচ্ছে, বিশ্বের বস্ত্তুগত অবকাঠামোর মহাকর্ষের পরিমাণ মাত্র দশ শতাংশ বাকি নব্বই শতাংশ মহাকর্ষ কোথায় কার্যকর কেউ জানে না। মহাকর্ষ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজ করছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন তা হচ্ছে, ভূত্বকে বায়ুর প্রবল উর্ধ্বচাপ উপেক্ষা করে অআটকে থাকার প্রত্যক্ষ কারণ মহাকর্ষের টান। টান শব্দটা কিন্ত্ত আমাদের ভূত্বকে থাকার থেকে বিপরীত ভূমিকা থাকার কথা যদি মহাকর্ষ উর্ধ্বজাগতিক কিছু হয়ে থাকে। পৃথিবীতে কার্যকর মহাকর্ষকে বলা হয় মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।যদি তাই হয় তাহলে কিভাবে ভূত্বক মাধ্যাকর্ষণ শক্তিধর হয়ে থাকে? অআর যদি মহাকর্ষকে মহাজাগতিক অর্থাৎ উর্ধ্বজাগতিক বিবেচনা করি তাহলে এই মহাকর্ষ যদি অআমাদের টানে তাহলে বাতাসের উর্ধ্বগতির সাথে আমরা উর্ধ্বমুখী হয়ে শুন্যে উড়ার কথা। অবশ্য অআমরা এই বলে সাত্বনা খুঁজে পাই যে, মহাকর্ষ টানে কিন্ত্ত জড়ায় না। তাহলেও ভূত্বকে আমাদের পায়ের ত্বক আটকে থাকার কথা নয়। যেহেতু চুম্বককের কারণে লোহা অআটকে যায়, সেহেতু ভূত্বক এবং আমাদের পায়ের ত্বকের মধ্যে চুম্বক+লোহার সম্পর্ক কল্পনা করতে পারি। বৃদ্ধ এবং দূর্বল রোগীর দেহে ম্যাগনেট পাওয়ার কমে যাওয়ায় লাঠি ভর করে চলতে হয়। একই ম্যাগনেট স্বল্পতার কারণে বৃদ্ধরা পানির উর্ধ্বচাপের সাথে সংগতি রাখতে না পারার কারণে বেশিক্ষণ পুকুরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। বজ্রপাতের নিহতদের দেহে ম্যাগনেটের আধিক্যের কারণে সম্ভব অস্পর্শ অবস্থায় দন্ডায়নমান থাকা সম্ভবপর হয়। স্পর্শের কারণে এই ম্যাগনেট স্থানান্তরের কারণে মৃত ব্যক্তি ঢলে পড়ে। এতে আমাদের ভূত্বকে আটকে থাকার ক্ষেত্রে দেহের খনিজ ম্যাগনেটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের প্রভাব থাকা অসম্ভব কিছু নয়। তবে মহাকর্ষের এই মেরুকরণ ধোপে টেকার কথা নয় কারণ, মানব দেহে ম্যাগনেটের পাশাপাশি খনিজ আয়রন রয়েছে যা এমন একটি পেরেক বানানো সম্ভব যাতে অনায়াসে সেই ব্যক্তিকে দেয়ালে টুকে রাখা সম্ভবপর হবে। যদি ম্যাগনেটিক তত্ত্ব ধোপে না টেকে তাহলে টিকবে কোন তত্ত্ব? হাঁটলে এক পা, দাঁড়ালে দুই পায়ের ভরই লেগে থাকার জন্য যথেষ্ট কেন? কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে মহাকর্ষের মিথস্ক্রিয়া পদার্থবিজ্ঞানে আজও একটা অমিমাংসিত মামলা। ►মহাবিশ্ব বুঝতে গেলে মহাকর্ষ বলকে জানতে হবে, বুঝতে হবে। কারণ সমস্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানের সকল বিষয়বস্তুর গতি ও মিথস্ক্রিয়ার নামই মহাকর্ষ। পরিমণ্ডল ►মহাজাগতিক বস্তুগুলোতে অনুভূত মাধ্যাকর্ষীয় টানের পরিবর্তনই জোয়ারের শক্তি জোগায়। চাঁদ ঠিক এই পদ্ধতিতেই নদী, সাগরে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি করে। ►মহাকর্ষ টানের প্রভাবে দুটো গ্যালাক্সির মধ্যবর্তী যত গ্যাস বা অযাচিত বস্তু আছে সেসব সরিয়ে কাছাকাছি আসে। সত্য কখনও সরলতার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়, এবং জিনিসগুলির বহুগুণতা এবং বিভ্রান্তিতে নয়।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন নিউটনের সরলসূত্রে মহাকর্ষকে টানার পরিবর্তে চাপা ধরলেই হয়তো যথেষ্ট হতে পারে মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যা। কারণ, মহাকর্ষ চাপার বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতা অআমরা দেখি চাঁদে। সেখানে মহাকর্ষ চাপ কম থাকায় এপোলো-১১ এর নভোচারী নিল অআর্মস্ট্রং ...কে পিংপং বলের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে চলতে। বলা হচ্ছে, যেখানে মহাকর্ষ বেশি প্রবল সেখানে পা তুলতেই হিমশিম খেতে হয় বিজ্ঞানচিন্তা অআই.অআর.অআর.এস.টি.সি মনে করে ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্ত ইভেন্ট হরিজনের ভিতরে মহাকর্ষের প্রবল স্রোতের চাপে আলো পর্যন্ত নদীর স্রোতের ন্যায় বয়ে চলে। স্রোত সাধারণতঃ সামনে এগিয়ে যায় পিছনে ফিরে না। অনুরূপ মহাকর্ষের প্রবল স্রোতে অআলো তৃণলতার মতো ভেসে যায় পিছনে ফেরতে পারে না মহাকর্ষের প্রবল চাপের দরুন। অর্থাৎ মহাকর্ষ টানে না-চাপে-এ তত্ত্ব সরল ব্যাখ্যয় মেনে নিলে মহাকর্ষ সম্পর্কে অন্তত তাত্ত্বিকভাবে হলেও একটা সরল ব্যাখ্যা পাওয়া যেতে পারে অনেকটা চার বলের তিন বল-কে অন্ততঃ তাত্ত্বিকভাবে হলেও ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছে। SMALL BANG https://fb.watch/t6526E0hW-/

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah

নিউট্রিনো

উপসংহার