নিউ ওয়ার্ল্ড নিউ সায়েন্স (বাংলা) ২৬-৭-২০২৪

নিউ ওয়ার্ল্ড নিউ সায়েন্স (বাংলা) The Islamic Research for Reviving Science-Tech Center (IRRSTC) North Mughaltooly, West Madarbari, Chattagram-4100, Bangladesh. ramzanctg60@gmail.com irrstc1820@gmail.com newscience1443@gmail.com https://nwns1445.blogspot.com/ https://www.pinterest.com/ ramzanctg60/new-science-new-world-1442/ https://www.linkedin.com/company/82102986/admin/ শক্তি(Energy) জ্ঞান(Knowledge) ওয়াহুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর ওয়াহুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়্যিন ঈলমা মিশন-ভিশনঃ মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে গ্রান্ড ইউনিফিকশনের মাধ্যমে “শক্তিতাত্ত্বিক” ‘এনালগ-ডিজিটাল’ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়ের “কুরআন-সুন্নাহ”র মধ্যপন্থার আলোকে নিউটনের ‘সরলীকরণ সূত্রে’ মীমাংসার মাধ্যমে “জ্ঞানতাত্ত্বিক” ‘মানবব কল্যাণধর্মী’ সুপার ডিজিটাল “ফ্রন্টিয়ার” নামক নতুন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু। লগোঃ ইক্বরা বিসমি রব (জ্ঞানের প্রসঙ্গ লইয়া হজরতের পয়গাম্বরী জীবন শুরু-(কবি গোলাম মোস্তফা) ভূমিকাঃ বলা হয়ে থাকেঃ ‘বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিক থেকে শুরু-যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জেগেছিল। বস্ত্ততঃ বিশ্বপ্রকৃতির (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/the-unique-natural-world-1442/) পরতে পরতে রয়েছে সত্য থেকে সত্যান্তরে পৌঁছার জীবন্ত দলিল-প্রমাণ। তাই বিজ্ঞানীরা প্রকৃতিভিত্তিক যে বিজ্ঞানের উদ্ভাবন করেছিলেন তার নাম “ফিজিক্স”https://www.pinterest.com/ramzanctg60/physics-world-1442/। ফিজিক্সে রয়েছে তাবৎ প্রাকৃতিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের অপূর্ব ভান্ডার(https://www.pinterest.com/ramzanctg60/safe-forest-safe-earth/)। কিন্ত্ত যেদিন থেকে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান তথা ফিজিক্স (https://en.wikipedia.org/wiki/Physics) ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সে (বস্ত্তবিজ্ঞানে) সীমাবদ্ধ হয়েছে-সেদিন থেকে গবেষণা এবং উদ্ভাবনের চাইতে পেশাভিত্তিক প্রকৌশল,চিকিৎসা এবং কৃষি-বস্ত্রে সীমিত হয়ে পড়ে। মহাবিশ্ব সম্পর্কে যাও ডেমোক্রিটাস, অ্যারিস্টটল,জাবের ইবনে হাইয়ান, ইবনে সিনা, মূসা আল খাওয়ারিজমী (আলগরিদম), নিউটন, আইনস্টাইন,ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, হাইজেনবার্গ, স্টিফেন হকিং প্রমুখ যাঁরা গবেষণা এবং আবিস্কার করেছেন তাও ছিল কেবল মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামো দেখতে কেমন? এবং কিভাবে?-এই প্রশ্নেই সীমাবদ্ধ ছিল এবং বর্তমানেও আছে। ফলশ্রুতিতে মহাবিশ্ব এবং তার অণু-পরমাণু কি দিয়ে তৈরি? এর উত্তর রেখে দেওয়া হয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের অমীমাংসিত ১০ প্রধান বিষয়ের তালিকায়। তাছাড়া মহাকাশের শেষ কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তরে কেবল বলা হচ্ছেঃ “জানা আকাশের চেয়ে অজানা আকাশ “অ-নে-ক, অ-নে-ক বড়! কত বড়? উত্তরে বলা হয়ঃ “কেউ জানে না”। উল্লেখ্য, বিশ্ব প্রকৃতিতে এমন প্রশ্ন রয়েছে যা বিজ্ঞানীদের কেবল বিরক্তিই বয়ে আনে। যেমন মহাবিশ্বের বস্ত্তকাঠামোর মূল কণা স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক স্ট্রেন্জ কেন? এসব অপ্রত্যাশিত প্রশ্নরোধন বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত হচছেঃ “এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে পাওয়া যাবে না”। পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগান বলেছিলেনঃ “পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং উত্তরের গভীরতা প্রয়োজন” (বিজ্ঞানচিন্তা)। উল্লেখ্য, ডেমোক্রিটাস থেকে নিউটন পর্যন্ত সহস্রাধিক বছরের ব্যবধানে বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে যে ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটেছিল তাতে নিউটন গণিতের এমন যাদুকরি প্রয়োগ পদ্ধতি জানতেন যে, তাতে যত প্রকারের রহস্যই হোক না কেন, গণিত কষে তার কুল কিনারা লাভ করতেন চমৎকারভাবে। তাই আইনস্টাইন নিউটনকে বিজ্ঞানের ওস্তাদ মনে করতেন এবং দাবী করতেন নিউটন প্রকৃতির সব ভাষা বুঝতেন। কিন্ত্ত বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের দ্বিতীয় বর্ষে অর্থাৎ ১৯০১ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক যখন কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটান তখনই বিজ্ঞানের জানার চাকা যেন উল্টো দিকে ঘুরতে থাকে। ফলে এ যাবৎ যত গবেষণা হয়েছে তাতে মহাবিশ্বের প্রকৃত সত্যকে জানার হার আশংকাজনকভাবে কমে এসেছে। বলা হচ্ছে, এতকাল বিজ্ঞানীরা যা দেখেছেন তাতে মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় তাহলে বিজ্ঞানীরা এতকাল দেখেছেন যেন বাঘের ল্যাজটি! বিশেষ করে এনালগ থেকে ডিজিটালে উন্নীত হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/dark-energy%2Bdark-matter-1443/) আবর্তে পড়ে বিজ্ঞানে জানার হার মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এতে সত্যকে জানার যে অগ্রযাত্রা তা কেবল মন্থরই হয়েছে যা সত্যিই দুঃখজনক বটে। আই.আর.আর.এস.সি-র গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ঃ পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে IRRSTC কর্তৃক বিশ্ব প্রকৃতি বিষয়ক কতিপয় নিম্নোক্ত এমন প্রশ্নের উত্তরের গভীরে যাওয়া-যাকে সুদূর অতীত থেকে এযাবৎকাল অতিপ্রাকৃতিক, অলৌকিক, ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে, টেলিপ্যাথি, ডার্ক (এনার্জি-ম্যাটার)+এক্স (রে),Transcendental Print (অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় ) প্রভৃতি শব্দে-বাক্যে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল তার রহস্য ভেদ করে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পুরাতন এনালগ-ডিজিটাল বিজ্ঞানকে মহান আল্লাহর তায়িদ-মদদে “ফ্রন্টিয়ার” নামক সুপার ডিজিটালীয় নতুন বিজ্ঞানে i) https://www.pinterest.com/ramzanctg60/islamic-new-science-new-world/ ii) https://www.pinterest.com/ramzanctg60/new-science-new-world-1442/ iii) https://nwns1445.blogspot.com) উন্নীতকরণ IRRSTC এর গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় । এমতাবস্থায় সত্যকে জানার বিজ্ঞানের যে অগ্রযাত্রা তাকে আরও বেগবান করে মানব মনের অভীষ্ট প্রত্যাশাঃ ‘পরম সত্যে’ পৌঁছা; তারই মিশন-ভিশন নিয়ে মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে IRRSTC গ্রান্ড ইউনিফিকশনের মাধ্যমে “শক্তিতাত্ত্বিক” ‘এনালগ-ডিজিটাল’ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়ের “কুরআন-সুন্নাহ”র মধ্যপন্থার আলোকে নিউটনের ‘সরলীকরণ সূত্রে’ মীমাংসার মাধ্যমে “জ্ঞানতাত্ত্বিক”এবং‘মানব কল্যাণধর্মী’ সুপার ডিজিটাল “ফ্রন্টিয়ার” [https://www.linkedin.com/posts/frontiers-in-science_download-the-article-activity-7220000898079485952-V5Ka?utm_source=share&utm_medium=member_desktop] নামক নতুন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় নিম্নোক্ত নতুন প্রশ্ন এবং তার উত্তরকে প্রণিধানযোগ্য করে মধ্যযুগের ন্যায় আবারও জ্ঞান-বিজ্ঞানে নেতৃত্বাসীনে একান্ত ইচ্ছুক। ১) মহাবিশ্ব (https://en.wikipedia.org/wiki/Universe) কি দিয়ে তৈরি?-এটি পদার্থ বিজ্ঞানের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের একটি যা দিয়ে ইনশা আল্লাহ নতুন বিজ্ঞানের নতুন ভাবনার অগ্রযাত্রা শুরু করা IRRSTC এর লক্ষ্য। ১.প্রশ্নঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? পদার্থ বিজ্ঞানঃ “প্রকৃতিতে এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না” (বিজ্ঞানচিন্তা)। উল্লেখ্য, পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ অমীমাংসিত বিষয়ের অন্যতম বিষয় হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নটি। আই.আর.আর.এস.টি.সি وَأَنزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ “And We sent down Iron, In which is (material for) Mighty war, as well as Many benefits for mankind”. (Source: Al Quran: Sūra 57: Hadīd, or Iron, Ayaat: 25, Verses 29 — Madani; Revealed at Madina — Sections 4, https://quranyusufali.com/57/) “আমি আরো নাযিল করেছি লোহা, তাতে প্রচন্ড শক্তি ও মানুষের জন্য বহু কল্যাণ রয়েছে”। (আল কুরআনঃ সূরাহ আল হাদীদ, আয়াতঃ ২৫ https://www.hadithbd.com/quran/link/?id=5100) বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণঃ ভরশক্তিসমীকরণ মতেঃ “জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ বস্ত্তর মতো”। সেমতে, লোহা (Iron) (https://en.wikipedia.org/wiki/Iron) হচ্ছে জমে থাকা এক প্রকার শক্তি (Energy) (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/energy-power-physical-structure-of-the-universes/)। একাধিক কণার (Particle) সমষ্টি হচ্ছে লোহা তথা বস্ত্ত (Matter)। প্রতিটি কণা কম্পমান (vibration)। কম্পনের উৎস শক্তি। স্ট্রিং থিওরি মতে, কম্পনের ভিন্ন ভিন্ন মাত্রার উপর ইলেকট্রন, কোয়ার্ক ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন বস্ত্তকণার উৎপত্তি নির্ভরশীল । সুতরাং সকল বস্ত্ত এবং বস্ত্তকণার উৎস মূল “শক্তি”(Energy) আর “শক্তি” (Energy) (https://en.wikipedia.org/wiki/Energy)। ২. শক্তির উৎসমূল কে? কি? অথবা কোথায়? সিদ্ধান্তঃ যেহেতু প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী আল আরাবী) সেহেতু শক্তির উৎসমূল “মহাশক্তি” যা জাগতিক পরিভাষায় *“প্রকৃতি” (Nature), আধ্যাত্মিক পরিভাষায় *গড/খোদা/*আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু। “আমরা পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে পারি আমাদেরর প্রশ্ন করার সাহস ও উত্তরের গভীরতা দিয়ে”।(কার্ল সাগান)। সুতরাং অর্থবহ পৃথিবীর লক্ষ্যে প্রশ্ন হতে পারেঃ বস্ত্তকণা তথা বস্ত্তর উৎসমূল যদি “শক্তি”(Energy) আর “শক্তি” (Energy) হয় তাহলে এই শক্তি আসলো কোত্থেকে? এ প্রশ্নের জন্য চাই উত্তরের গভীরতা অর্থাৎ অসীম বিজ্ঞচিত উত্তর। যেহেতু “মানুষকে অল্প জ্ঞান দান করা হয়েছে”( আল কুরআন) এবং যেহেতু বিজ্ঞানীদের দাবীঃ “এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই”-সেহেতু এমন অনন্ত-অসীম সূ্ত্রে এই প্রশ্নের উত্তরের গভীরতা খুঁজতে হবে যিনি একাধারে আহাদ, সামাদ (কোন কিছু সৃষ্টি করতে জাগতিক যাবতীয় উপাদান-উপকরণ থেকে সম্পূর্ণ রূপে অমুখাপেক্ষি,অনির্ভরশীল), সুবহান (কোন কিছু সৃষ্টি করতে জাগতিক সর্ব প্রকার তত্ত্ব, তথ্য, উপাত্ত, সূত্র ইত্যাদি হতে সম্পূর্ণরূপে পুতঃপবিত্র) সর্বোপরি আ’ঝিঝুল হাকীম: প্রবল পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান (সূরাহ হাশর, সর্বশেষ আয়াত)। তিনি আর কেহ নন, রব্বুল আলামীন যিনি বিকুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, বিকুল্লি শাইয়্যিন ঈলমা । সুবহান (কোন কিছু সৃষ্টি করতে জাগতিক সর্ব প্রকার তত্ত্ব, তথ্য, উপাত্ত, সূত্র ইত্যাদি হতে সম্পূর্ণরূপে পুতঃপবিত্র) সর্বোপরি وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯And He is the Exalted In Might, the Wise. https://quranyusufali.com/59/আ’ঝিঝুল হাকীম: প্রবল পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান (সূরাহ হাশর, সর্বশেষ আয়াত)। তিনি আর কেহ নন, رَبِّ ٱلۡعَـٰلَمِينَِ ◯The Cherisher and Sustainer of the Worlds https://quranyusufali.com/1/;রব্বিল আ’লামীন যিনি إِنَّ اللَّـهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ◯for Allah hath power over all things. https://quranyusufali.com/2/বিকুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, ওয়াহুয়া বিকুল্লি শাইয়্যিন ঈলমা । সিদ্ধান্তঃ মহাবিশ্ব শক্তি দ্বারা তৈরি । ৩. হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সংঘটিত মহাবিস্ফোরণ (বিগব্যাং) কি নিছক দূর্ঘটনা নাকি সুপরিকল্পিত-উদ্দেশ্যপূর্ণ? আই.আর.আর.এস.টি.সি বিগ ব্যাং https://en.wikipedia.org/wiki/Big_Banghttps://en.wikipedia.org/wiki/Big_Bang পরবর্তীতে সৃষ্ট মহাবিশ্বের (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/space-world-1442/) এনট্রপি https://en.wikipedia.org/wiki/Entropy শীতল মুখী হওয়া এবং বস্ত্তকণার গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহের [i)https://en.wikipedia.org/wiki/Quarkii)https://en.wikipedia.org/wiki/Electron iii)https://en.wikipedia.org/wiki/Nucleus iv)https://en.wikipedia.org/wiki/Neutron v)https://en.wiktionary.org/wiki/proton vi)https://en.wikipedia.org/wiki/Hydrogen vii)https://en.wikipedia.org/wiki/Helium (কোয়ার্ক-ইলেকট্রন-নিউক্লিয়াস-নিউট্রন-প্রোটন-হাইড্রোজেন-হিলিয়ামসহ ১৬ টিমৌলিক কণাসহ) পর্যায়ক্রমিক উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বের পর্যায়ক্রমিক ক্রমবিকাশ (https://www.linkedin.com/pulse/অতপরমণবক-জগতর-কছ-কথ-ramzan-hossain) ধারায় চাঁদ-সূর্যের যথাস্থানে স্থাপনের মাধ্যমে প্রাণোপযোগী পৃথিবী সৃষ্টিতে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সংঘটিত মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) নিছক দূর্ঘটনা ছিল না, বরং প্রচ্ছন্নভাবে সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত এবং প্রাণবান্ধব উদ্দেশ্যপূর্ণ যা সুগভীর জ্ঞান, প্রখর প্রজ্ঞা, অচিন্তনীয় বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনা হচ্ছে। ৪. মহাকর্ষ টানে নাকি চাপে? কেহ বলেন, মহাকর্ষ টানে, কেহ বলেন, মহাকর্ষ টানে সত্য কিন্ত্ত জড়ায় না। IRRSTC এর মতে, মহাকর্ষ চাপে। মহাকর্ষ প্রসঙ্গে আইজাক নিউটন বলেনঃ অদৃশ্য দড়িতে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে আছে পৃথিবী আর সূর্য (তাই একে অপরের সাথে জড়ায় না)।পক্ষান্তরে আলবার্ট আইনস্টাইনের মতে, মহাকর্ষ বলতে কিছু নেই-এটা আসলে মহাকাশে বিদ্যমান অতিভারী বস্ত্তর কারণে স্থান-কালের বক্রতা মাত্র যার কারণে দূর নক্ষত্রের আলো সূর্যের কোল ঘেঁষে পৃথিবীতে আসার সময় কিছুটা বেঁকে পৃথিবীতে আসে। এটাই মহাকর্ষ সম্পর্কে আইনস্টাইনীয় সমীকরণ। এ অবস্থাকে নিউটন মহাকর্ষ বলেছিলেন । IRRSTC এর অভিমত এবং সিদ্ধান্তঃ IRRSTC এর মতে, মহাকর্ষ টানে না বরং চাপে-যার কারণে যেখানে মহাকর্ষ প্রবল সেখানে পা তুলতে হিমশিম খেতে হয়। অন্যদিকে যেখানে মহাকর্ষ হালকা সেখানে হাঁটতে হয় লাফিয়ে লাফিয়ে, কারণ সেখানে পা ফেলতে হিমশিম খেতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, নাসা কর্তৃক উৎক্ষেপিত এপোলো-১১ এর চন্দ্রমিশনের নভোচারি নভোচারী নাসা কর্তৃক উৎক্ষেপিত এপোলো-১১ এর চন্দ্রমিশনের নভোচারী নীল আর্মষ্ট্রং ১৯৬৯ সালের ২১শে জুলাই যখন মানবোতিহাসে প্রথমবারের মতো চাঁদে পা রাখেন তখন তাঁকে পা ফেলতে হয় অনেক কষ্টে। হাঁটতে হয়েছিল তাই লাফিয়ে লাফিয়ে। i) https://www.newscientist.com/article/2440922-lunar- samples-reveal-exactly-when-the-moons-largest-crater-formed/?utm_source=onesignal&utm_medium=push&utm_campaign=2024-07-26-The-moons-large ii) https://www.pinterest.com/ramzanctg60/space-world-1442/কারণ চাঁদে পৃথিবীর তুলনায় মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ অনেক কম। তাছাড়া ব্ল্যাকহোলের https://www.pinterest.com/ramzanctg60/black-holemother-of-the-quantum-mechanics/ ঘটনা দিগন্তের (Event Horizon) অভ্যন্তরে মহাকর্ষের প্রবল স্রোতের “চাপে” আলো কেবল সামনের দিকেই ভেসে যাওয়া গত্যন্তর না থাকায় আর ফিরে আসতে পারে না। (সূত্রঃ(https://www.linkedin.com/pulse/মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়-ramzan-hossain))। ৫. স্ট্রিং থিওরি কি স্বপ্ন নাকি বাস্তব? “স্ট্রিং থিওরির প্রমাণ আছে” (অশোক সেন, বিশিষ্ট স্ট্রিং বিজ্ঞানী)। পদার্থ চুপসে যেতে যেতে পুরোপুরি ভ্যানিশ না হয়ে এক পর্যায়ে পরম বিন্দুতে এসে থেমে যায়। এমতাবস্থায় আইনস্টাইন এই পরম বিন্দুকে সিঙ্গুলারিটি বলতেন। স্ট্রিং থিওরী মতে, এটি সিঙ্গুলারিটি বা পরম বিন্দু নয়- এটি অতি সূক্ষ্ণ তারের কম্পন মাত্র। কম্পনের মাত্রার উপর নির্ভর করে বস্ত্তকণার ভর,আধান,শক্তির ধরণ এবং তা ইলেকট্রন হবে নাকি কোয়ার্ক কিংবা অন্য কোনো মৌলিক কণা হবে? IRRSTC এর অভিমত এবং সিদ্ধান্তঃ ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার মহাজাগতিক আদি কণা হিগস বোসন কৃত্রিম উৎপন্নের খবর সার্ণ কর্তৃক ঘোষিত হয়। এতে প্রমাণিত হয় ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের চাইতে আরও উন্নততর প্রযুক্তিসম্পন্ন সাইক্লোটন যন্ত্রে স্ট্রিংয়ে কম্পন সৃষ্টি অসম্ভব নয়। স্ট্রিং দেখার জন্য ১০-৩৩ সেন্টিমিটারের সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের কঠিন শর্তের প্রয়োজন নেই । কারণ, এই মুহুর্তে বিজ্ঞানীদের হাতে সর্বোচ্চ মাত্র ১০-১৭ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ রয়েছে যদ্বারা ১০-১৬ সেন্টমিটার সূক্ষ্ণ সাধারণ কোয়ার্ক দেখা সম্ভব হয়েছে। তবে স্ট্রেন্জ কোয়ার্কের সূক্ষ্ণতা এখনও পরিমাপে সম্ভবপর না হওয়ায় মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি কর্তৃক এই অদ্ভূত জাতের কোয়ার্ক-কে না দেখেই স্বীকৃতি এবং ৬ সদস্য বিশিষ্ট কোয়ার্ক পরিবারভুক্ত করা হয়েছে। এমতাবস্থায় স্ট্রেন্জ কোয়ার্কের মতো স্ট্রিং এবং তার কম্পনে সূক্ষ্ণতা চাক্ষুষ দেখার শর্তও শিথিল করা যেতে পারে। কারণ, ১০-৩৩ সেন্টিমিটারের সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের জন্য হাজার বছর অপেক্ষমান থাকতে হতে পারে, অথবা অচীন গ্রহের অতিবুদ্ধিমান এলিয়েন জাতীয় প্রাণীর জন্য আমাদের অপেক্ষমান থাকা ছাড়া উপায় নেই। কারণ আমাদের হাতে রয়েছে মাত্র ১০-১৭ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ। সিদ্ধান্তঃ উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, সার্ণ কর্তৃক সাইক্লোটন যন্ত্র ‘ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে’ প্রায় আলোর গতিতে হ্যাড্রন জাতীয় বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে লক্ষ গুণ সৌর কেন্দ্রিক উত্তাপ সৃষ্টি করে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে মহাজাগতিক আদি ভরযুক্ত প্রথম কণিকা হিগস বোসন কৃত্রিমভাবে উৎপন্নের ন্যায় ১০-৩৩ সেন্টিমিটারের সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের শর্ত মুক্তি সাপেক্ষে স্ট্রিংয়ে কম্পন সৃষ্টি স্বপ্ন নয়; বাস্তব। তবে যেহেতু হিগস বোসন কণা উৎপন্নের সময় সার্ণের বিজ্ঞানীরা একটি মিনি কেয়ামতের যে আশংকা করেছিলেন সেরুপ আশংকা আরও বেশি রয়েছে স্ট্রিং আবিস্কারে। সুতরাং স্ট্রেন্জ কোয়ার্কের ন্যায় স্ট্যান্ডার্ড মডেল কর্তৃক স্ট্রিংয়ের জন্য স্বীকৃতিই যথেষ্ট। (সূত্রঃ(https://www.linkedin.com/pulse/স্ট্রিং থিওরিঃ বিজ্ঞানীদের আশার আলো-ramzan-hossain) মহাবিশ্ব সংক্রান্ত কতিপয় নতুন বিজ্ঞানের নতুন প্রশ্নমালাঃ ঃ ►মস্তিস্ক দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে নির্দেশ দেয়, মস্তিস্ককে নির্দেশ দেন কে? মস্তিস্ক মানব দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের প্রয়োজনীয় নির্দেশনার উৎসমূল। কিন্ত্ত বিজ্ঞানীরা আজ পর্যন্ত মস্তিস্কের নির্দেশদাতাকে দেহের কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গেই খুঁজে পাননি। স্মায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, মস্তিস্কের নির্দেশ দানে সুদূর গ্যালাক্সি থেকে উৎসারিত গামা রশ্মির প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে। IRRSTC কার্ল সাগান উক্ত অর্থবহ পৃথিবী গড়তে সাহসী প্রশ্ন জরুরী। সেমতে, প্রশ্ন হতে পারে গামা রশ্মির প্রভাবক কে?জাগতিক পরিভাষায় তার শেষ উত্তর হতে পারেঃ প্রকৃতি (Nature), আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড,খোদা, আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু। ►হার্টবিটার কে? হৃদবিশেষজ্ঞ তথা শরীর তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা আজও মস্তিস্কের নির্দেশকের ন্যায় হার্টবিটের জন্যও শরীরের কোনো অঙ্গ প্রত্যঙ্গের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা পান নি। তাই সংগত কারণে প্রশ্ন উঠতে পারেঃ হার্টবিটের বিটার কে? IRRSTC জাগতিক পরিভাষায় হার্টবিটার কে? এই প্রশ্নের সর্বশেষ উত্তর হতে পারেঃ জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি নেচার (Nature) আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায়ঃ গড,খোদা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু। ►অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলে না কিছু। কিন্ত্ত সূর্যে অক্সিজেন নেই । তবুও সূর্য জ্বলে কেন? কিংবা সূর্যকে জ্বালান কে? নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান মতে, আগুন জ্বলার অপরিহার্য শর্ত অক্সিজেন তবে এই শর্ত কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানসূত্রে আপেক্ষিক, ইনভেরিয়েন্ট নয়। তাহলে অক্সিজেনবিহীন সূর্যকে জ্বালান কে? “প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে” (ফারাবী আল আরাবী)। সেমতে, এই প্রশ্নেরও সর্বশেষ উত্তর হতে পারেঃ জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি নেচার (Nature) আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায়ঃ গড,খোদা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু। আলোর গতি কি ইনভেরিয়েন্ট না কি রিলেটিভিটিভ? ►আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন যে, প্রত্যেক বিষয়ের একটি পরম পরিণতি রয়েছে। অন্যদিকে ফারাবী আল আরাবী বিশ্বাস করতেন, প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে। আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন আলোর গতিরও একটা পরম পরিণতি বা পরম গতি রয়েছে। তিনি সে গতি রাউন্ড ফিগারে সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ (এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার) মাইল বেঁধে দিয়েছেন কিনা, নাকি মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে গাণিতিক হিসাবের সুবিধার জন্য সার্ণ কর্তৃপক্ষ ফ্যারেকশান বাদ দিয়ে রাউন্ড ফিগার বেছে নিয়েছে তা আমাদের জানা নেই যদিও প্রাকৃতিকভাবে আলোর প্রকৃত ফ্যারেকশন গতি হচ্ছে সেকেন্ডে ১,৮৬,২০০ এর কিছু বেশি মাইল। উল্লেখ্য, আইনস্টাইন দাবী করতেন যে, আলোর যে গতি সে গতিতে কোনো কণা পদার্থ চলতে গেলে ভর বেড়ে যাওয়ার কারণে নিশ্চিতভাবে গতি কমে যাবে এমনকি সময়ও স্লথ হয়ে পড়বে। তবে তিনি যে শর্তসাপেক্ষে আলোর চাইতে নিউট্রিনো জাতের কণা পদার্থের গতি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন সে শর্তটি ছিলঃ কণাকে অসীম শক্তির বেগ প্রাপ্ত হতে হবে যা অনেকটা সম্ভব হয়েছিল ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক হিগস বোসন কণার কৃত্রিম উৎপন্নের সময়। উল্লেখ্য, অসীম শক্তি প্রয়োগ করা হলে নিউট্রিনোর মতো অদ্ভূতুড়ে কণাও আলোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা খোদ E=mc2 সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে । তাছাড়া, ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই হিগস বোসন কণার কৃত্রিম আবিস্কারের সময় সার্ণ কর্তৃক কণা চূর্ণকরণ সাইক্লোটন যন্ত্র ল্যার্জ হাড্রন কলারাইডে বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটনের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টির মাধ্যমে হিগস বোসন কণার কৃত্রিম উদ্ভাবনকালে প্রোটন কণা প্রায় আলোর গতি লাভ করেছিল। Einstian Standard Light Force (ESLF) প্রস্তাবনা যেহেতু প্রকৃতিতে বিদ্যমান আলোর প্রকৃত সাধারণ ভগ্নাংশ (ফ্যারাকশন) গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২০০ মাইলের কিছু বেশি। সহজ গণনার সুবিধার্থে রাউন্ড ফিগার ১,৮৬,০০০ মাইল ধরা হয়েছে যাকে বলা যেতে পারে “Einstian Standard Light Force” (ESLF) উদাহরণস্বরূপ, লন্ডনের স্থানীয় সময়কে বিশ্বের একক সময় হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে গ্রীনীচ মান সময়। তাতে বিশ্বের অপরাপর দেশের স্থানীয় সময়ের হেরফের হলেও অসুবিধা নেই, তেমনি মহাকাশে ভারী বস্ত্তর কারণে স্থান-কালের বক্রতার কারণে আলো কিছুটা বেঁকে যাওয়ার কারণে হোক কিংবা মাধ্যম ভেদ করার কারণে হোক অথবা সার্ণের ল্যার্জ হ্যাড্রন কলারাইডের মাধ্যমে আইনস্টাইন উক্ত “অসীম শক্তি” প্রয়োগের কারণে হোক যদি আলোর গতি নিউট্রিনোর মতো বেড়েও যায় অথবা কমে যায় তাতে স্থানীয় সময়ের তারতম্য সত্ত্বেও যেমন গ্রীনীচ মান সময়ে তারতম্য নেই তেমনি “Einstian Standard Light Force” (ESLF)-তেও তারতম্য দেখা দেবেনা, নতুন করে পদার্থ বিজ্ঞ্যনের সূ্ত্র রচনা করতে হবে না বলে IRRSTC মনে করে। জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র কি এবং কিভাবে? মানব সাধারণতঃ সুখ প্রিয় হলেও শান্তি হচ্ছে মানব জাতির পরম প্রত্যাশা যার কারণে মানব মাত্রই চিরস্থায়ী শান্তির স্থান মনে করে জান্নাত বা বেহেশত বা স্বর্গকে (Heaven)। পার্থিব জগতেও মানব মন শান্তি প্রত্যাশি। এ কারণে হিংসা-বিদ্বেষ, দ্বন্দ্ব-সংঘাত বিক্ষুদ্ধ পৃথিবীকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানিক কেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠিত করতে যুগে যুগে যে সকল শান্তিবাদী মহান ব্যক্তিরা শান্তি চুক্তি করেছেন তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে হযরত মুহাম্মাদ ﷺ কর্তৃক রচিত ঐতিহাসিক মদীনার সনদ, জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার সনদ, ওআইসির মানবাধিকার সনদ, জেনেভা কনভেনশন উল্লেখযোগ্য। প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থবিজ্ঞানী মানবতাবাদী কার্ল সাগানের মতে, পৃথিবীটা হলো অসম্ভব ভালবাসার স্থান। তিনি বলেনঃ ►আমরা জীববিজ্ঞানগতভাবে অন্য প্রাণীর কত কাছাকাছি। কিন্ত্ত কী নির্মম পরিহাস-কত অকারণে তাদের কষ্ট দিই; কত কান্ডজ্ঞানহীনভাবে তাদেরকে হত্যা করি। কী মর্মান্তিক! লিপস্টিক তৈরির মতো কাজে তিমির মতো একটি প্রাণীকে হত্যা করা হয় (কার্ল সাগানঃ বিজ্ঞানচিন্তা, বর্ষঃ ৬, সংখ্যাঃ ২, নভেম্বর, ২০২১, পৃষ্ঠাঃ ৪৫)। ►How close we are biologically to other animals. But what a cruel irony—how needlessly I trouble them; how senselessly we kill them. What shocking! An animal like a whale is killed to make lipstick (Carl Sagan: American renewed physicist Scientific Thought, Vol: 6, Issue: 2, November, 2021, Page: 45).] ►প্রতি ১০০ প্রযুক্তিসম্পন্ন সভ্যতার মধ্যে একটিও আত্মধ্বংসের (অজ্ঞতা, লোভ, পরিবেশ দূষণ, নিউক্লিয়ার যুদ্ধ) কবল থেকে বাঁচতে পারলে ৪০ হাজার কোটি নক্ষত্র-অধ্যুষিত আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে কমপক্ষে এক কোটি গ্রহে প্রাযুক্তিকভাবে উন্নত সভ্যতার বিকাশ ঘটা অসম্ভব নয়। ►If even one in 100 technological civilizations survives self-destruction (ignorance, greed, environmental pollution, nuclear war), it is not impossible for a technologically advanced civilization to develop on at least one corer planets in our 40 billion star-dwelling Milky Way galaxy. ►জ্ঞান ছাড়াতো কোনো মানুষের মানবিক আচরণ বিকাশ লাভ করতে পারে না আর সে যথার্থ সভ্যও হতে পারে না। তার কাছে ন্যায়নীতি ও পরিমিতিবোধের আচরণ আশা করা বৃথা। তাদের দিয়ে যেকোনো ধ্বংসাত্মক ও স্বেচ্ছাচারী কাজ সহজে করিয়ে নেওয়া সম্ভব। ► Without knowledge no human behavior can develop and he cannot be properly civilized. It is vain to expect justice and moderation from him. Any destructive and arbitrary work can be done easily with them. ►আমরা একটি বিজ্ঞানভিত্তিক সভ্যতা গড়ে তুলেছি, যেখানে জ্ঞান ও জ্ঞানের বিশুদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ►We have developed a science-based civilization, where knowledge and purity of knowledge are very important. পক্ষান্তরে ফরাসী সমাজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম সরোকিনের মতে, We are living in a dying culture-আমরা মৃত্যুমুখী সংস্কৃতিতে বাস করছি। অন্যদিকে, জাতিসংঘের জলবায়ু সংক্রান্ত অআন্তঃসরকার প্যানেল কমিটির অন্ততঃ ছয় শতাধিক পরিবেশ বিজ্ঞানীদের সর্বসম্মত অভিমতঃ মানব অনৈতিকতার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। IRRSTC মনে করে, কল্যাণকর প্রযুক্তির অজ্ঞতাপ্রসূত অকল্যাণকর ব্যবহারের দরুন স্বাস্থ্যসহ পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। সুতরাং পৃথিবীকে পরিবেশবান্ধব প্রাণোপযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে জ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তির কল্যাণকর ব্যবহারের বিকল্প নেই। এমতাবস্থায় বিশ্বশান্তি স্থিতিশীলতা বিশেষ করে “জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র” উদ্ভাবনের বৃহত্তর স্বার্থে IRRSTC মনে করে নিউটনের এই তৃতীয় সূত্রঃ Action to Reaction তত্ত্বের সংস্কারমূলক প্রতিস্থাপকরূপে শান্তিধর্মী Action to Proaction-এ উন্নীতকরণ জরুরী।

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC FINAL REPORT 1445 (BENGLA)insha Allah

নিউট্রিনো

উপসংহার