Insha Allah Final(ফাইনাল-বাংলা )
Insha Allah Final(ফাইনাল-বাংলা)
আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বনির রজীম
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম
নাহমুদুহু ওয়া নুসল্লি আ’লা রসুলিহিল কারীম।
ভূমিকাঃ ইনশাআল্লাহ নতুন ফ্রন্টিয়ার বিজ্ঞান প্রবর্তনের মাধ্যমে যে সব বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় মুসলমানদের “দ্বিতীয় সোনালী বৈজ্ঞানিক” যুগের সূচনা ঘটিয়ে মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, তায়িদ, মদদে মধ্যযুগের মতো আমরা আবারও বিজ্ঞানের নেতৃত্ব গ্রহণ করছি তা হচ্ছেঃ নতুন বিজ্ঞানের নতুন প্রশ্নের নতুন উত্তরের মধ্য দিয়ে এনালগ-ডিজিটাল বিজ্ঞান জগতের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের এক প্রশ্নঃ
১.মহাবিশ্ব এবং তদস্থিত তাবৎ বস্ত্তকণা কি দিয়ে তৈরি? ২. মহাবিস্ময়কর মহাকর্ষের রহস্যের শেষ কোথায়? এবং ৩. স্ট্রি থিওরি বাস্তবতা নাকি সত্য? ইত্যাদি। এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর পবিত্র কুরআনের সূরাহ হাদীদের নিম্নোক্ত আয়াত,ফারাবী আল আরাবীর নিম্নোক্ত পরমাণু তত্ত্ব এবং আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণের আলোকে সংক্ষেপে বর্ণিত হলোঃ
وَأَنزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ
“And We sent down Iron, In which is (material for) Mighty war, as well as Many benefits for mankind” (Al Quran: Sūra 57: Hadīd, or Iron, Verses 29 —Ayat: 25, Madani; Revealed at Madina — Sections 4, https://quranyusufali.com/57/)
ফারাবী আল আরাবীর নিম্নোক্ত পরমাণু তত্ত্ব
“প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে” (ফারাবী আল আরাবী)
আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ
আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ E=mc2 এর মূল কথাঃ জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ বস্ত্তর মতই।
বস্ত্ততঃ পবিত্র ধর্ম ইসলামের মহান কল্যাণধর্মী মধ্যপন্থা এবং নিউটনের সত্যান্বেষের সরল পন্থায় সহজ সমাধানের মাধ্যমে বিজ্ঞানীদের স্বপ্নিল “সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বে” (Grand Unification Theory) উপনীত হওয়ার মাধ্যমে “সত্যকে জানার বিজ্ঞানের যে অগ্রযাত্রা” তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ‘সুপার ডিজিটাল’ বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হচ্ছে IRRSTC এর অভীষ্ট লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য।
.................................................................................................................................................
৩ : ১১০ كُنۡتُمۡ خَیۡرَ اُمَّۃٍ اُخۡرِجَتۡ لِلنَّاسِ تَاۡمُرُوۡنَ بِالۡمَعۡرُوۡفِ وَ تَنۡهَوۡنَ عَنِ الۡمُنۡكَرِ وَ تُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰهِ ؕ وَ لَوۡ اٰمَنَ اَهۡلُ الۡكِتٰبِ لَكَانَ خَیۡرًا لَّهُمۡ ؕ مِنۡهُمُ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ وَ اَكۡثَرُهُمُ الۡفٰسِقُوۡنَ ﴿۱۱۰﴾
তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত,যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে বারণ করবে, আর আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণ করবে। আর যদি আহলে কিতাব ঈমান আনত, তবে অবশ্যই তা তাদের জন্য কল্যাণকর হত। তাদের কতক ঈমানদার। তাদের অধিকাংশই ফাসিক।তাফসীরে আল-বায়ান, সূরাহ আলে ইমরান, আয়াতঃ ১১০, https://www.hadithbd.com/quran/error/?id=403
উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে কল্যাণধর্মী বিজ্ঞান গবেষণা এবং উদ্ভাবনকে প্রাধান্য দিয়ে মহান আল্লহর অশেষ রহমত, ফজল, করমে আমরা এখন প্রবেশ করছি নতুন বিজ্ঞান জগত ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সে-যাতে সত্যকে জানার পরম আগ্রহে বিজ্ঞানের যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছিল সে চূড়ান্ত মন্জিলে পৌঁছতে পারি।
وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّـهِ ۚ
And my success (in my task) Can only come from Allah.
(Source: Sūra 11: Hūd (The Prophet Hūd), Ayat: 88, https://quranyusufali.com/11/)
وَأَنزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِAnd We sent down Iron, In which is (material for) Mighty war https://quranyusufali.com/57/ https://quranyusufali.com/96/ ١- اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ
◯
1. Proclaim ! (or Read !) in the name Of thy Lord and Cherisher, Who created—https://quranyusufali.com/96/
ইকরা বিসমি রব وهو على كل شيءٍ قدير লোহা এতে রয়েছে শক্তি
সুপার ডিজিটালের পথে ক্ল্যাসিকাল-ডিজিটাল বিজ্ঞান
পদার্থ বিজ্ঞানের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের এক প্রশ্ন: প্রকৃতিতে এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি?
١. بِسۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯
IRRSTC: প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে।(ফারাবী আল আরাবী)। সেমতে প্রকৃতির সব বস্ত্ত এবং বস্ত্তমূলের উৎসমূল শক্তি আর শক্তি।
প্রমাণঃ...............................................।
স্টিফেন হকিংয়ের মতেঃ মহাবিশ্ব মহাকর্ষ দিয়ে তৈরি। পক্ষান্তরে পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, বস্ত্তকণার প্রমাণিত মূল হচ্ছে কোয়ার্ক। মহাবিশ্বের বস্ত্তগত গাঠনিক অবকাঠামোয় কোয়ার্কে মনে করা হয় ইট হিসাবে এবং বলবাহী হিগস বোসন কণাকে ধরা হয় সিমেন্ট হিসাবে। (বিজ্ঞানচিন্তা)। বস্ত্তর ভরের উৎস হিগস ক্ষেত্রে শক্তি সংস্পর্শিত হিগস বোসন কণা।
স্ট্রিং তত্ত্ব মতে, ইলেকট্রন, কোয়ার্কসহ ১৪ মৌলিক কণার উৎসমূল স্ট্রিংয়ের কম্পন।
মহাকর্ষ বলের স্বরূপ সন্ধানে
“ভূপৃষ্ঠে যত বিচরণকারী রয়েছে তাদের সকলের ঝুটি তিনি ধারণ করে রেখেছেন। নিশ্চয়ই আমার প্রভূ সরল পথের উপর বিদ্যমান”।পবিত্র কুরআনের সূরাহঃ হুদ,আয়াত নং- ৫৬।
পৃথিবীতে দু’ভাবে জড় এবং প্রাণীর বসবাস। বর্ধনশীল গাছপালা অবর্ধনশীল পাহাড়-পর্বত ইত্যাদি অবিচরণশীল জড় বস্ত্ত বিশেষ।
অন্যদিকে মানুষসহ গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী ইত্যাদি বিচরণশীল প্রাণীকূল তাদের স্ব-স্ব অস্তিত্ব বজায় রেখে বসবাস করছে। লক্ষ্যনীয় যে, পবিত্র কুরআনের সূরাহঃ হুদ, ৫৬ নং আয়াত নং- ৫৬: ‘আমি অবশ্যই তাওয়াক্কুল করেছি আমার রব ও তোমাদের রব আল্লাহর উপর, প্রতিটি বিচরণশীল প্রাণীরই তিনি নিয়ন্ত্রণকারী। নিশ্চয় আমার রব সরল পথে আছেন’। আল-বায়ান আয়াতে মহান আল্লাহ পৃথিবীর সকল বস্ত্তর ঝুঁটি ধারণের কথা উল্লেখ করেননি, কেবল বিচরণকারী প্রাণীদের ঝুঁটি ধারণের কথা উল্লেখ রয়েছে। কারণ, গাছপালা-পাহাড়-পর্বত ইত্যাদি অবিচরণশীল জড় বস্ত্তর জন্য মহাকর্ষ তত জরুরী নয়, যত জরুরী বিচরণকারী প্রাণীকূলের জন্য। কারণ, বিচরণশীল প্রাণীর সাথে ভূত্বকের সম্পর্ক শুধুমাত্র পায়ের ত্বক বা চামড়ার স্পর্শ ছাড়া দেহের বাকী প্রায় ৯৯.৯৯৯৯৯৯ (নিরানব্বই দশমিক নয়,নয়,নয়,নয় শতাংশই শুন্যে বিদ্যমান। দাঁড়ালে দু’ পায়ের ত্বক বা চামড়া, হাঁটলে এক পায়ের ত্বক, লাফ দিলে কোন ত্বকই ভূত্বককে স্পর্শ করে না, বাতাসের উর্ধ্বগতি সত্ত্বেও অথচ আমরা বহাল তবিয়তে পৃথিবীর ভূত্বকে আটকে আছি-এটা এক পরম বিস্ময়!
পক্ষান্তরে পাহাড়-পর্বতের ভিত বা ফাউন্ডেশন ভূগর্ভের অত্যন্ত গভীরে প্রোথিত আর গাছ গাছালির ফাউন্ডেশন রয়েছে গাছের শেকড়ের মধ্যে। মজার ব্যাপার হচ্ছে এতদসত্ত্বেও প্রবল বাতাসে গাছ-পালা উপড়ে যায়। কিন্ত্ত মানুষসহ প্রআলোকপাত করা হলো। ,
এতদ্বসত্ত্বে আমাদের পৃথিবীর ভূত্বকে আটকে থাকার জন্য সংগত কারণ প্রথমতঃ আমাদের দেহের ভর এবং ওজন একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে, তবে এই অবদান ম্লান হয়ে যায় বায়ুর উর্ধ্বচাপের কারণে। তাই আমাদের পৃথিবীতে আটকে থাকতে দরকার নিম্নচাপ সম্পন্ন শক্তির। এই প্রয়োজন পুরণে দরকার মহাকাশীয় মহাকর্ষের। কিন্ত্ত তাতেও সূরাহার জো নেই, কারণ বলা হয়ে থাকে মহাকর্ষ আমাদেরকে টানে। যদি আদৌ টেনে থাকে তাহলে উর্ধ্বজাগতিক মহাকর্ষ টানার প্রবণতার কারণে আমাদের ভূত্বকে আটকে থাকার ক্ষেত্রে সহায়ক নয় বরং বিপরীত ভূমিকা থাকার কথা। এই বৈপরিত্য থেকে সুরক্ষার জন্য তাই বলা হয়ঃ মহাকর্ষ টানে কিন্ত্ত জড়ায় না। কেন জড়ায় না ? এ প্রশ্ন এড়িয়ে চলার জন্য ধরে নিতে হবে যে,মহাকর্ষ টানে না বরং চাপে। তার প্রমাণ হচ্ছে বলা হয়ে থাকেঃ “
“যেখানে মহাকর্ষ বেশি সেখানে আপনার পা তুলতেই হিমশিম খেয়ে যাবেন”।
IRRSTC মনে করেঃ মহাকর্ষ ব্ল্যাকহোলের আশপাশের এলাকা পর্যন্ত প্রবল শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষ করে ব্ল্যাক হোলের ঘটনা দিগন্তের ভিতর মহাকর্ষ সাগরের প্রবল স্রোতে জোয়ারের ন্যায় ভেসে চলে সামনের দিকে।ফলে ঘটনা দিগন্তে সৃষ্ট মহাকর্ষীয় প্রবল চাপে অআলো খড়কুটার মত কেবল সামনেই এগিয়ে চলে পিছনে ফেরার জো নেই।
◊লক্ষ্যনীয় যে, কেবল বিচরণশীল প্রাণীদের কথা উল্লেখ রয়েছে।উড়ে না এমন-ক্ষুদ্র পিঁপড়াকেও পর্যন্ত বাতাস উড়িয়ে নিয়ে যায় না, অথচ বড় বড় গাছ শেকড়সহ উপড়ে ফেলে দেয়। প্রবল বাতাসে ঘুড়ি উড়িয়ে নিয়ে যায়, ধুলিকণা উড়িয়ে নিয়ে যায়, কিন্ত্ত একটা ক্ষুদ্র পিঁপড়াকে পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যায় না।প্রবল বাতাস আমাকে আপনাকে বড়জোর সামনে পিছনে ঠেলে নিয়ে যাএ কিন্ত্ত উড়িয়ে নিয়ে যাবে না, এমনকি উড্ডয়নশীল নয়-এমন পিঁপড়াসহ ক্ষুদ্র কীট পতঙ্গও নয় ।
◊কখনো কি ভীষণ বিস্ময়ে ভেবেছেন, আপনি পৃথিবীতে আটকে আছেন কেন? মহাকাশে ছিটকে পড়ছেন না কেন? এর একটিই উত্তর, মহাকর্ষ। এই বলটাই আপনাকে ভূপৃষ্ঠে আটকে রেখেছে। মহাকর্ষ ছাড়া আমরা কেউই পৃথিবীতে আটকে থাকতে পারতাম না, থাকতে হতো মহাশূন্যে ভেসে।
◊আমরা যাঁরা বিছানায় শুয়ে আছি, বসে কিংবা মাটিতে দাঁড়িয়ে আছি, তাঁরা অন্তত এটুকু নিশ্চয়ই জানেন, মহাকর্ষের টান বা চাপ না থাকলে ধুলি কণার মতো আমাদেরকে মহাকাশে ভাসতে হতো।
◊ লক্ষ্যনীয় যে, কেবল বিচরণশীল প্রাণীদের কথা উল্লেখ রয়েছে।উড়ে না এমন-ক্ষুদ্র পিঁপড়াকেও পর্যন্ত বাতাস উড়িয়ে নিয়ে যায় না, অথচ বড় বড় গাছ শেকড়সহ উপড়ে ফেলে দেয়। প্রবল বাতাসে ঘুড়ি উড়িয়ে নিয়ে যায়, ধুলিকণা উড়িয় নিয়ে যায়, কিন্ত্ত একটা ক্ষুদ্র পিঁপড়াকে পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যায় না।
বিজ্ঞানীর দৃষ্টিতে মহাবিস্ময় মহাকর্ষ
◊আসলে মহাকর্ষই পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহ, নক্ষত্র ও ছায়াপথের গতি-প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করছে। সূর্যে শক্তি নিঃসরণ বা মহাকাশের দানব কৃষ্ণগহ্বরও তৈরি হচ্ছে ওই বলের কারণেই।
◊ এমনও হতে পারে, মহাকর্ষ হয়তো বিশেষ কোনো বল। মহাকর্ষকে অন্য বলের মতো হতে হবে কিংবা একটিমাত্র তত্ত্ব দিয়েই সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হবে, এমনটা না–ও হতে পারে। Many man many mind থেকেও উঠে অআসতে পারে মহাকর্ষের রহস্যের সমাধান। সুতরাং, মহাকর্ষ বিষয়ক সব মতামতকে উপেক্ষা নয়, বিবেচ্য বিষয় করা দরকার।
◊বড় দৃষ্টিভঙ্গির দিকে আমাদের মন খোলা রাখতে হবে। কারণ, মহাবিশ্বের মৌলিক কিছু সত্য সম্পর্কে আমরা এখনো অন্ধকারে রয়ে গেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু অনুমান করেছি, যা পরবর্তী সময়ে ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে কিংবা নিদিষ্ট বা বিশেষ কিছু শর্ত সাপেক্ষে তা সত্য। এমনও হতে পারে, আমাদের আগের জানা যেকোনো কিছুর চেয়ে মহাকর্ষ ভিন্ন কিছু। যার কথা আমরা আগে কখনো ভাবতে পারিনি কিংবা কে জানে উল্টোটাও হয়তো সত্যি। তাই এটা আসলে কেমন, সে সম্পর্কে অনেক বেশি অনুমান করা বাদ দিতে হবে (বিজ্ঞানচিন্তা)।
◊ মনে রাখতে হবে, আমাদের লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে পারা। Irrstc মনে করে মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে হবে বাই হুক বাই রুক বিবেচনায়। যদি মহাবিশ্বকে মানতে বাছ বিচার করা হয়,শর্ত আরোপ করা হয় যে, এটা মানবো, এটা মানা যাবে না তাহলে জানা সম্ভব নাও হতে পারে।
◊ জানা গেছে যে, বিজ্ঞানীরা অতিপারমাণবিকের অন্দর মহলে প্রবেশ করে বার আর অসীমের হাতছানি পাচ্ছেন যাকে মনে করা হচ্ছে অর্থহীন।ফলে এসব অসীমত্বকে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অআবহমান কাল ধরে এই বলেঃ অলৌকিক,অতিপ্রাকৃতিক, অদ্ভূত, অদ্ভূতুড়ে, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, টেলিপ্যাথি, মিরাকল, সুপার মিরাকল ইত্যাদি। গত শতাব্দীর শেষ দিকে যুদ্ধ ফেরত বহুজাতিক বাহিনী কেন স্বদেশে অনির্ণেয় রোগে ভূগে থাকেন? এই প্রশ্নকে ঘিরে গড়ে উঠে নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের ধারণা।
◊ আশা করা হচ্ছে, এতে অলৌকিক,অতিপ্রাকৃতিক, অদ্ভূত, অদ্ভূতুড়ে, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, টেলিপ্যাথি, মিরাকল, সুপার মিরাকল শব্দে উড়িয়ে দেওয়া বিষয়াবলীর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।
◊ বিজ্ঞানীরা ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটারের অআবর্তে পড়ে এখন নাকি চোখে সরষে ফুল দেখছেন। নিউটনীয় ক্লাসিকাল বল বিজ্ঞানের জগতে যেখানে বিজ্ঞানে প্রকৃতির সব রহস্যের প্রায় শতভাগ জেনে গেছেন বলে প্রত্যয় এবং বিশ্বাস জন্মেছিল কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে এসে বিশেষ করে ডার্ক এনার্জি অআর ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব অনুভব করে এই বিশ্বাস সঠিক নয় বলে নতুন ফ্রন্টিয়ার বিজ্ঞানের চিন্তাভাবনা।
◊ রহস্যময় মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যা কী? এই বলটা দুর্বল কেন? কেন সেটি অন্য বলগুলোর মতো নয়? এর কারণ
◊ কখনো যদি দেখা যায়, মহাকর্ষ বিশেষ কিছু এবং অন্যান্য মৌলিক বলের চেয়ে এটা একেবারেই আলাদা, সেটিই জোগান দিতে পারে মহাবিশ্বের বৃহৎ চিত্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু। এর মানে হয়তো মহাকর্ষ গভীর কিছু, যা মহাবিশ্বের নকশার মধ্যে গেঁথে আছে। মাঝেমধ্যে আমরা নিয়ম ছাড়াও ব্যতিক্রম থেকেও অনেক বেশি শিখতে পারি।
মহাবিশ্বের সবকিছুই আসলে কোয়ান্টাম মেকানিকসের নিয়ম মেনে চলে।
কিন্তু গ্র্যাভিটন বা মহাকর্ষ কণা এখন পর্যন্ত কাগজে–কলমেই সীমাবদ্ধ। গ্র্যাভিটন নামের কোনো কোয়ান্টাম কণার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
কোয়ান্টাম মেকানিকস এবং আপেক্ষিকতার মিলনে নতুন যে তত্ত্ব পাওয়া যাবে, তার পোশাকি নাম কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি বা কোয়ান্টাম মহাকর্ষ। কিন্তু সমস্যা হলো সেটি কেমন হবে? কেউ জানে না।
সম্প্রতি লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে পাওয়া হিগস বোসন এমন একটি কণা। কিন্তু কোয়ান্টাম মেকানিকস আর আপেক্ষিকতাকে একীভূত করতে পদার্থবিদেরা এখন পর্যন্ত যতবার চেষ্টা করেছেন, ততবারই ব্যর্থ হয়েছেন। এসব চেষ্টায় অসীমের মতো কিছু ফল পাওয়া গেছে, যা অর্থহীন।
তবে আশার কথা হলো, তাত্ত্বিকেরাও কম যান না। তাঁরাও নাছোড়বান্দার মতো লেগে থাকেন। তাই একদিন হয়তো ভালো কোনো আইডিয়া তাঁদের মাথায় উঁকি দিতেও পারে, যার মাধ্যমে এই বিপরীতধর্মী তত্ত্ব দুটিকে একত্র করা যাবে। তাঁদের এসব চেষ্টার ফসলের মধ্যে রয়েছে স্ট্রিং থিওরি এবং লুপ কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি। তবে এই তত্ত্ব দুটি সঠিক কি না, তা–ও আমরা জানি না। কারণ সেগুলো পরীক্ষা করে দেখাও কঠিন। তত্ত্ব দুটি পরীক্ষামূলকভাবে সত্যি প্রমাণ করতে আমাদের অবিশ্বাস্য রকম বড় পার্টিকেল অ্যাকসিলারেটর দরকার। একেকটা অ্যাকসিলারেটরের আকৃতি হবে আমাদের সৌরজগতের সমান। সেটি এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে বানানো অসম্ভব।
সংক্ষেপে বললে, মহাকর্ষ বল তার সঙ্গীদের চেয়ে একেবারেই আলাদা। মহাবিশ্বের অন্যতম বড় রহস্য এটা। এই জটিল ধাঁধা সমাধানে আমরা কী করছি?
মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে, তা বোঝার একটি পন্থা হলো পরীক্ষা করে দেখা। তারপর চৌকস কোনো আইডিয়া দিয়ে পর্যবেক্ষণকে ব্যাখ্যা করা। সে হিসেবে আমরা সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম মেকানিকসের মধ্যে কোনটা সঠিক এবং কোনটা অকার্যকর, তা পরীক্ষা করে দেখতে পারি। যেমন আমরা যদি পরীক্ষা করে দেখতে পাই, দুটি বস্তু পরস্পরের মধ্যে গ্র্যাভিটন কণা বিনিময় করছে, তাহলে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হবে যে মহাকর্ষ হলো কোয়ান্টাম পরিঘটনা।
সেটি সম্ভব হলে অবশ্যই অনেক বড় ঘটনা হতো। কিন্তু এই পরীক্ষা করা যে কতটা জটিল, সেটি একবার ভেবে দেখুন। মনে আছে নিশ্চয়ই, মহাকর্ষ চারটির মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বল। এমনকি ক্ষুদ্র একটি চুম্বকের বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের ওপর আধিপত্য বিস্তার করার জন্য গোটা পৃথিবীর মহাকর্ষও যথেষ্ট নয়। ওই ক্ষুদ্র চুম্বকের বলের কাছেও পৃথিবীর মহাকর্ষ হেরে যায়। দুটি কণাকে একসঙ্গে রাখা হলে সেগুলোর মধ্যকার মহাকর্ষ বল প্রায় শূন্য হতে দেখা যায়। আর তখন সেখানে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়, দুর্বল ও সবল পারমাণবিক বল অনেক বেশি শক্তিশালী।
IRRSTC: মহাকর্ষ কত দূর্বল কিন্ত্ত কার্যকারিতা কত বড়-তা অনুভব করতে হলে মহাকর্ষকে ধরে নিতে হবে সবচেয়ে কম দামের নুন (সল্ট)-কে। জাবের ইবনে হাইয়ান আর অ্যারিস্টটলের পর্যায় সারণী তথা বিশ্বতত্ত্বের সল্টিং করতে চেয়েছিল বিজ্ঞানী........।আমরাও মহাকর্ষের দূর্বলতাকে সবলীকরণ করতে সল্টিং তত্ত্বের অআশ্রয় নিতে পারি মহাকর্ষকে নিউটনের সরলীকরণ সূত্রে এবং ইসলামের মধ্যপন্থার অআলোকে বুঝার জন্য। সল্টিং তত্ত্বটি এই যে, মহাকর্ষ যতই দূর্বল হোক-এর দূর্বলতার বিপরীতে প্রভাব যে কত কার্যকর তা অনুভব করা যায় খাদ্যের মধ্যে নুন দেয়া না দেয়ার মধ্যে। অআস্ত গরু-ছাগল-মহিষ জবেহ করে নুন ছাড়া রান্না করে সবাইকে দাওয়াত করে খাওয়াতে গেলে বুঝা যাবে নুনের কি গুণ! হয়ত ক্ষীণ স্বরে শুনতেও পেতে পারেনঃ এতদূর থেকে খেতে না অআসাটা ভাল ছিল। তখন অআপনার/অআমার কাছে কেমন লাগবে? তখনই হাঁড়ে হাঁড়ে টের পাওয়া যাবে নুনের কি গুন। অনুরূপ মহাকর্ষ যতই দূর্বল হোক অআমাদের অাটকে রাখতে তা কত উপকারী....
বাজারের সস্তা পণ্যের মধ্যে রয়েছে পানি (হালে দুস্প্রাপ্য অনেক ক্ষেত্রে), আগুন (ম্যাচ),নুন ইত্যাদি। বলা হয়ে থাকে সস্তা-বারো অবস্থা। এ সব পন্যের ক্ষেত্রে বারো অবস্থা প্রযোজ্য নয়।অনুরূপ মহাকর্ষের দূর্বলতা অআমাদের পৃথিবীর ভূত্বকে আটকে থাকার ক্ষেত্রে নুনের মতই কার্যকর।
◊ মহাকর্ষের এই রহস্য বোঝা সম্ভব হলে মহাবিশ্ব ও চারপাশের জগৎকে বোঝার ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব পড়বে। মনে রাখতে হবে, মহাকর্ষ বিশাল বিপুল দূরত্বে কাজ করতে পারে। এটিই একমাত্র ও প্রধানতম বল, যা মহাবিশ্বের আকৃতি এবং তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।
►◊ আইনস্টাইনের মহাকর্ষ তত্ত্ব মতে, ব্ল্যাকহোল জাতীয় ভারি বস্ত্ত স্থান-কালকে ভাঁজ কিংবা বাঁকিয়ে দেয়ায় স্থান কাল সংকুচিত হয়ে আসে ফলে , মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চলে যাওয়া যাবে চোখের পলকে সেটি সত্যে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো মহাকর্ষ।(বিজ্ঞানচিন্তা, প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৩, ১৫: ৪২ https://www.bigganchinta.com
মহাকর্ষকে খুব ছোট করে দেখার যেমন জো নেই তেমনি খুব বড় করে দেখারও সুযোগ নাই বরং এটিকে মধ্যপন্থায় বিবেচনা করা যেতে পারে মর্মে আই.আর.আর.এস.টি.সি. মনে করে।
মহাকর্ষ কীভাবে কাজ করে, সে ব্যাপারে কোনো কোয়ান্টাম চিত্র পাওয়া যায় না। যার কারণে ৪ মহাবলের একবল হওয়া সত্ত্বেও মহাকর্ষ বলের স্বীকৃতি নেই স্টান্ডার্ড মডেল থিওরিতে।
► মহাকর্ষের দুর্বলতা ব্যাখ্যার জন্য মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটি আইডিয়া হলো অতিরিক্ত মাত্রার ধারণা। এ ধারণামতে, আমরা চার মাত্রা নয়, তার চেয়ে বেশি মাত্রার বিশ্বে বাস করি। কিছু পদার্থবিদ বলেন, মহাকর্ষ অন্য মাত্রাগুলোতে চলে যাওয়ার কারণে দুর্বল হয়ে গেছে। অতিরিক্ত মাত্রাগুলোকে আমলে নিলে মহাকর্ষ আসলে অন্য বলগুলোর মতোই শক্তিশালী। কিন্তু সেটিও ঠিক নয়, বেঠিক তা প্রমাণ করার উপায়ও এখনো আমাদের জানা নেই। তাই মহাকর্ষ এখনো আমাদের কাছে বড় একটি রহস্য।
►Irrstc এর মহাকর্ষের দূর্বলতার রহস্য উন্মোচন! প্রথমতঃ মহাকর্ষকে ধরে নিতে হবে আস্ত একটা বিদ্যুৎ চুম্বকীয় প্রভাবিত মহাবল হিসাবে এবং পৃথিবীকে ধরে নিতে হবে আস্ত একটা লৌহ খন্ড হিসাবে।সাধারণতঃ চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করে এবং টানে যদি লোহা অপেক্ষা চুম্বক ছোট হয়। যদি লোহা চুম্বক অপেক্ষা ভারী হয় তাহলে চুম্বক লোহাকে আকর্ষণ করলেও লোহা এক্ষেত্রে চুম্বক-কে টানবে। বিশাল পৃথিবীর তুলনায় মহাকর্ষ অতি দূর্বল হওয়ায় আয়রণিক উপাদানে পুষ্ট ভূত্বক তাই মহাকর্ষকে টানছে তাই নয় বরং মানব এবংপ্রাণী দেহে যে আয়রণিক উপাদান রয়েছে মহাকর্ষের অতি দূর্বলতার কারণে মানব দেহও মহাকর্ষকে উপর থেকে নীচে টেনে আনতে গিয়ে এক প্রকার মহাকর্ষীয় যে নিম্ন চাপে সৃষ্টি হয় তার বৈজ্ঞানিক নাম হতে পারে গ্র্যাভিটন। মহাকর্ষ সবল হলে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় প্রভাবে
উল্লেখ্য, ব্ল্যাক হোলের ইভেন্ট হরিজন বা ঘটনা দিগন্তে মহাকর্ষের যে প্রবল স্রোত বয়ে যায় সামনের দিকে তাতে পতিত আলোতেও চাপ পড়ে প্রবলভাবে ফলে আলো আর ফিরতে পারে না পেছনের দিকে, সামনে এগুনো ছাড়া।
বস্ত্তর ধর্ম থাকলে মানুষেরও ধর্ম থাকা চাই
◊আমরা জানি, আমাদের চারপাশের জগতে এই মহাকর্ষ বলটা কাজ করছে। এই বলটা অদ্ভুত। জাত-ধর্মেও অন্যদের চেয়ে আলাদা। অসামাজিক। কারণ, মহাবিশ্বের অন্যান্য মৌলিক বলের প্যাটার্নের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, সেগুলোর সঙ্গে মহাকর্ষের কোনো মিল নেই। প্রথমত, অন্যান্য বলের তুলনায় মহাকর্ষ খুবই দুর্বল। আবার এই বল কখনো বিকর্ষণ করে না, সব সময় আকর্ষণ করে। কোয়ান্টাম জগতের সঙ্গেও এই বলকে খাপ খাওয়ানো যায় না। মোদ্দা কথা, মহাকর্ষ টানে সবাইকে, কিন্তু কতটুকুন টানে? এতটুকুন টানে অন্ততঃ না জড়ানো পর্যন্ত। এ জন্য মহাকর্ষ সম্পর্কে একটা প্রবাদ বাক্য আছেঃ টানে কিন্ত অন্যদের সঙ্গে বাঁধনে জড়ায় না।
একনজরে মহাকর্ষের প্রকৃতি-বৈশিষ্ট্য
◊আমরা জানি, আমাদের চারপাশের জগতে মহাকর্ষ বলট কাজ করছে। এই বলটা অদ্ভুত। জাত-ধর্মেও অন্যদের চেয়ে আলাদা। অসামাজিক। কারণ, মহাবিশ্বের অন্যান্য মৌলিক বলের প্যাটার্নের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, সেগুলোর সঙ্গে মহাকর্ষের কোনো মিল নেই। প্রথমত, অন্যান্য বলের তুলনায় মহাকর্ষ খুবই দুর্বল। আবার এই বল কখনো বিকর্ষণ করে না, সব সময় আকর্ষণ করে। দ্বিতীয়তঃ কোয়ান্টাম জগতের সঙ্গেও এই বলকে খাপ খাওয়ানো যায় না।
মোদ্দা কথা, মহাকর্ষ টানে সবাইকে, কিন্তু কতটুকুন টানে? এতটুকুন টানে অন্ততঃ না জড়ানো পর্যন্ত। এ জন্য মহাকর্ষ সম্পর্কে একটা প্রবাদ বাক্য আছেঃ টানে কিন্ত অন্যদের সঙ্গে বাঁধনে জড়ায় না।
◊ মহাকর্ষের অন্য মৌলিক বলগুলোর সঙ্গে খাপ না খাওয়ার ব্যাপারটা বেশ রহস্যময়। বিজ্ঞানীদের জন্য হতাশাজনকও বটে। অপরূপ মহাবিশ্বের বিচিত্রতা ও জটিলতা দেখলে অভিভূত না হয়ে আমাদের উপায় থাকে না।
◊সবকিছুকে কোনো প্যাটার্নে খাপ খাওয়ানোর ইচ্ছা পদার্থবিদদের অনেক দিনের। কারণ, তাঁরা পদার্থবিজ্ঞানের সবকিছুকে একত্র করে একটিমাত্র তত্ত্বের ভেতরে আনতে চান। অর্থাৎ একটিমাত্র তত্ত্ব দিয়ে মহাবিশ্বের সবকিছু ব্যাখ্যা করতে চান তাঁরা। একে বলা হয় থিওরি অব এভরিথিং বা সবকিছুর তত্ত্ব। এই চাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় বাধা মহাকর্ষ।
IRRSTC: কেন এবং কিভাবে বাধা? প্রশ্ন বটে।
বিজ্ঞান মানে চূড়ান্ত সত্য কথক নয়, সত্যে পৌঁছার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার একটি প্রক্রিয়ার নাম বিজ্ঞান। মহাকর্ষের গবেষণার ব্যাপারেও এ সংজ্ঞায় প্রযোজ্য হতে পারে।
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে মহাকর্ষ না হলে মহাবিশ্বের কি হতো?
বিজ্ঞানীদের ধারণা, মহাকর্ষ না থাকলে মহাবিশ্ব পরিণত হতো ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন ও বিশালাকৃতির গ্যাস আর ধূলিকণায়। মহাকর্ষ না থাকলে গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ বলে কিছু থাকত না। কাজেই বলতেই হচ্ছে, মহাকর্ষের প্রভাব বলেন আর প্রতিপত্তি বলেন, তা বিশাল, বিপুল। অনেক বড় পরিসরের। (বিজ্ঞানচিন্তা)
◊অথচ মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে মহাকর্ষই সবচেয়ে দুর্বল। কিন্তু কতটা দুর্বল? সেটি শুনলেও অনেকের চোখ কপালে উঠে যেতে পারে। মোটা দাগে বললে, অন্য তিনটি মৌলিক বলের তুলনায় প্রায় ১০৩৬ ভাগ দুর্বল এই মহাকর্ষ। অর্থাৎ ১/১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ ভাগ দূর্বল।
অন্যান্য বলের তুলনায় মহাকর্ষের দুর্বলতা কতটুকু, তা বুঝতে আরেকটা পরীক্ষা করা যায়। সে জন্য দরকার হবে একটি চিরুনি ও ছোট ছোট টুকরা করে কাটা কিছু কাগজ। শুকনা চিরুনিটা দিয়ে আপনার মাথার শুকনো চুল কিছুক্ষণ আঁচড়ে কাগজের টুকরার কাছে ধরুন। দেখা যাবে, কাগজের টুকরাগুলোকে চিরুনিটা আকর্ষণ করছে। কিছু কাগজ চিরুনির সঙ্গে লেগেও যাবে। এর কারণ স্থির বিদ্যুৎ। চিরুনির সামান্য বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলও কাগজের টুকরাগুলোকে চিরুনির সঙ্গে আটকে রাখে। অথচ কাগজের টুকরাগুলোর ওপর পৃথিবীর মহাকর্ষ কাজ করছে। কিন্তু গোটা পৃথিবীর মহাকর্ষও চিরুনির সেই আকর্ষণ ঠেকাতে পারছে না। এতে বোঝা যায়, বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের তুলনায় মহাকর্ষ কত দুর্বল। একটি ছোট চুম্বক লোহাজাতীয় কিছুর কাছে ধরলে তা বিশাল পৃথিবীর মহাকর্ষকে বুড়ো আঙুল দেখাবে।
IRRSTC: মহাকর্ষের বিস্ময়কর এই দূর্বলতা অনেকটা নূনের প্রকৃতি-বৈশিষ্ট্যের ন্যায়। নুনের মাত্রা কম কিন্ত্ত খাদ্য-খাবারকে সুস্বাদু করতে নুনের রয়েছে অনন্য অসাধারণ এবং বিস্ময়কর প্রভাব। তেমনি মহাকর্ষকে “সল্টেজিক” (নুনীয়) ধরা হলে নুনের মতো দামী প্রভাবক রূপে প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে দূর্বল মহাকর্ষকে।....................................................................................................................................... (চলবে ইনশা আল্লাহ)
সংশোধনীঃ বিশাল আকাশের মহাকর্ষকে বুড়ো আঙ্গুল দেখাবে। মহাকর্ষকে দুই ভাগ থেকে একীভূত করতে হবে।
একীভূতকরণ
◊মাধ্যাকর্ষণ এবং মহাকর্ষ এই শ্রেণী বিভাজন থেকে সরে একীভূত করতে হবে
◊সূরাহ হাদীদের ২৫নং আয়াতের আলোকে আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণমতে ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জিকে একীভূত করতে হবে একক শক্তি আকারে। যেমন ৪ মহাবল একীভূত আছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে।
◊বিজ্ঞান এবং ধর্মের সমন্বয়করণ
◊আস্তিক এবং নাস্তিকের সমন্বয়করণ
◊ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক সকলে আল্লাহর হুকুমের অনুগত (আল কুরআন)।
আলোর ধর্ম হচ্ছে একাধারে কণা এবং তরঙ্গ ধর্ম। সেমতে, মানুষের ধর্ম থাকবে না কেন?
◊ কোন বস্তুর পক্ষে আসলে আলোর গতিতে চলা সম্ভব না। কাজেই ৫০০ ফুট তো দূরের কথা, আপনি ১ ফুটও আলোর গতিতে চলতে পারবেন না। আলোর গতিতে চলাচল করতে পারে কেবল ফোটন। ফোটন হচ্ছে আলোর কণা। স্থির অবস্থায় এর ভর শূন্য।
◊ চুম্বক যেমন লোহার পেরেক আকর্ষণ করে ভূমণ্ডলও তেমনি চারপাশের সবকিছু আকর্ষণ করে নিজের দিকে। সত্যি বলতে, কেবল ভূমণ্ডলই যে এমন লোলুপস্বভাবের তা বলা যায় না। বস্তুমাত্রেই পরস্পরকে আকর্ষণ করে। কিন্তু তাদের শক্তি বড়ই কম। এতে প্রমাণিত হয় বস্ত্তমাত্রই ম্যাগনেটিক।
◊ আলমারি সোফাকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে, কিন্তু সে আকর্ষণ এতই ক্ষীণ যে কস্মিনকালে সোফাকে স্থানচ্যুত করা তার সাধ্য হবে না। এমনকি একটা বলকেও নড়ানোর সামর্থ্য তার নেই। বাড়ি আকর্ষণ করে আলমারিকে। কিন্তু তারও ক্ষমতা নেই আলমারিকে স্থানচ্যুত করে। পাহাড় আকর্ষণ করে বাড়িকে। কিন্তু পাহাড়েরও ক্ষমতা নেই বাড়িকে একচুল নড়ায়।
◊ কিন্তু ভূমণ্ডলে আকর্ষণশক্তি এদের সবকিছুর চেয়ে বেশি, এদের সবকিছুকে সে এত জোরে আকর্ষণ করে যে সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ না করে পারা যায় না। ভূমণ্ডল আলমারিকে এত জোরে টেনে ধরে রেখেছে যে আলমারি এক জায়গা আরেক জায়গায় সরানোর চেষ্টা করেই দেখো না কেন! তোমরা বলবে ভারী—তাই তো? আর ‘ভারী’—এর অর্থই হলো ‘পৃথিবী জোরে টেনে রেখেছে’।
IRRSTC: প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে কোনো বস্ত্তর কি ওজন নেই, ভর নেই, কেবলই পৃথিবীর জোর টান?
হঠাৎ যদি ভূমণ্ডল আর ওপরকার সমস্ত বস্তুর ওপর নিজের টান ছেড়ে দেয় তাহলে আলমারি মেঝে থেকে ওপরে উঠতে থাকত, ঘরের মধ্যে ভেসে বেড়াত, যেমন অ্যাকোয়ারিয়ামের মধ্যে ভেসে বেড়ায় মাছের খাবারের কুচি। আর সে ক্ষেত্রে আলমারি ভারী না হয়ে হতো গ্যাস বেলুনের মতো হালকা।
এভাবে বস্তুমাত্রই পরস্পরকে আকর্ষণ করে। কিন্তু টানাটানির খেলায় যার শক্তি বেশি, যে বেশি বড়, তারই জিত হয়। আর যে ছোট, তুলনায় দুর্বল, সে উড়ে আসে শক্তিমানের দিকে, বড়র দিকে তার ওপর এসে পড়ে। এই কারণে ছোট সর্বদা বড়র ওপর পড়ে।
এবারে ফিরে আসা যাক সেই প্রশ্নে, মহাকাশে পৃথিবী নিজে কোথায় পড়ছে?
চাঁদের ওপরে? না, চাঁদ পৃথিবীর চেয়ে ছোট। তারার ওপরে? তারারা বড় বেশি দূরে? হ্যাঁ, তা ছাড়া কী? ছোট সব সময় বড়র ওপর পড়ে। আমাদের বিশাল পৃথিবী সূর্যের তুলনায় একদম ছোট।
এই কারণে পৃথিবী সূর্যের ওপর পড়ছে।
কিন্তু এ যে ভয়ানক ব্যাপার! সূর্য হলো একটা অগ্নিপিণ্ড। এর অর্থ, আমাদের পৃথিবী শিগগিরই সূর্যের গায়ে আছড়ে পড়বে, আগুনের সমুদ্রে ডুবে যাবে? আমরা চুল্লির মধ্যে পুড়ে মরব? ভয় পেয়ো না। পড়া মানেই কিছুর গায়ে আছড়ে পড়া নয়। পাশ কাটিয়েও পড়া যায়। (বিজ্ঞানচিন্তা, জুলাই, ২০২৪, টেলিস্কোপ কী বলে ঃ পাভেল ক্লুশান্ৎসেভ।)।
নানা দিক দিয়ে মহাকর্ষ বেশ অস্বাভাবিক। তাহলে প্রশ্ন আসে, মহাকর্ষ এ রকম আলাদা কেন? এর একমাত্র উত্তর, আমরা জানি না।https://www.bigganchinta.com/space/7cevg8153r
কোয়ান্টাম মেকানিকসের মাধ্যমে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা না করতে পারার দুটো কারণ রয়েছে। প্রথমত স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষকে খাপ খাওয়াতে গেলে মহাকর্ষও কোনো কণার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় বলে কল্পনা করে নিতে হয়।https://www.bigganchinta.com/space/7cevg8153r
মহাকর্ষ বাদে অন্য তিনটি বলের মধ্যে একধরনের প্যাটার্ন দেখা যায়। সেই প্যাটার্নের সঙ্গে মহাকর্ষ পুরোটা নয়, সামান্য কিছুটা খাপ খায়। সেটি মাথায় রেখে মহাকর্ষকে অন্যান্য বলের মতো করে ভাবা যায়। অন্য বলগুলোর চার্জের মতো ভাবা যেতে পারে বস্তুর ভরকে। সব কণা, পদার্থ এবং অন্য তিনটি মৌলিক বলকে ব্যাখ্যা করা হয় কোয়ান্টাম মেকানিকসের মাধ্যমে। কোয়ান্টাম মেকানিকসে সবকিছুকে কণা হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এমনকি বলগুলোকেও কণা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয় এ তত্ত্বে। যেমন একটি ইলেকট্রন আরেকটি ইলেকট্রনকে ধাক্কা দেওয়ার কারণে দ্বিতীয় ইলেকট্রনটির যে চলাচল হয়, তার জন্য কোনো বল বা অদৃশ্য কোনো প্রভাব ব্যবহার করা হয় না। বরং পদার্থবিদেরা মনে করেন, এই মিথস্ক্রিয়ার কারণ একটি ইলেকট্রন আরেকটি ইলেকট্রনের দিকে একটি কণা ছুড়ে দেয়, যার মাধ্যমে তার কিছু ভরবেগ স্থানান্তরিত হয়। ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে বলবাহী এই কণাকে বলা হয় ফোটন। অন্যদিকে দুর্বল বলের বলবাহী কণার নাম ডব্লিউ ও জেড বোসন। এই বলবাহী কণা বিনিময়ের মাধ্যমে দুর্বল বল কাজ করে। আর শক্তিশালী বল বিনিময় হয় গ্লুয়ন কণার মাধ্যমে।
কোয়ান্টাম মেকানিকসের এই কাঠামোকে বলা হয় কণাপদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেল। এই মডেল প্রাকৃতিক জগতের অধিকাংশকে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে অবিশ্বাস্য রকম সফল। কোয়ান্টাম কণার দৃষ্টিভঙ্গিতে জগতের অনেক কিছু ব্যাখ্যা করা যায়। এমনকি আমরা আগে দেখিনি এমন অনেক কিছুর ভবিষ্যদ্বাণীও করা যায়। যেমন এই মডেল ব্যবহার করেই হিগস বোসন কণার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল। লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে ২০১২ সালে কণাটি শনাক্ত করাও সম্ভব হয়েছে। আবার দুর্বল বল কেন ক্ষুদ্র পরিসরে কাজ করে, তার ব্যাখ্যাও পাওয়া যায় এ মডেল থেকে। আসলে এ বলবাহী কণার ভর অনেক বেশি। সে কারণে কণাটির চলাচল সীমাবদ্ধ। এত সফলতা সত্ত্বেও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, একই উপায়ে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। কিন্তু কেন?
কোয়ান্টাম মেকানিকসের
কোয়ান্টাম মেকানিকসের মাধ্যমে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা না করতে পারার দুটো কারণ রয়েছে। প্রথমত স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষকে খাপ খাওয়াতে গেলে মহাকর্ষও কোনো কণার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় বলে কল্পনা করে নিতে হয়। পদার্থবিদেরা এই হাইপোথেটিক্যাল কণার একটি গালভরা নামও দিয়েছেন—‘গ্র্যাভিটন’। বাংলায় বলা যায় মহাকর্ষ কণা। এ কণার অস্তিত্ব যদি সত্যিই থাকে, তাহলে আপনি শুয়ে, বসে বা দাঁড়িয়ে যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার দেহ থেকে অনবরত অতিক্ষুদ্র বলের মতো গ্র্যাভিটন কণা ছুটে যাচ্ছে ভূপৃষ্ঠের দিকে। আবার ভূপৃষ্ঠ থেকেও একই রকম কোয়ান্টাম কণা ছুটে আসছে আপনার দিকে। এই দুই মহাকর্ষ কণা বিনিময়ের কারণে আপনি পৃথিবীর বুকে আটকে থাকতে পারছেন। আবার পৃথিবী যে সূর্যের চারদিকে ঘুরে বেড়াতে পারছে, তার কারণও ওই গ্র্যাভিটন কণার অবিরাম স্রোত দুইয়ের মধ্যে বিনিময় হচ্ছে। এভাবে মহাকর্ষকে বেশ ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। কিন্তু এ ধারণার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গ্র্যাভিটনের অস্তিত্ব পুরোটাই কাল্পনিক। বাস্তবে এ রকম কোনো কণার খোঁজ আজও পাওয়া যায়নি। অন্য বলগুলোর সঙ্গে মহাকর্ষের এই আপাত–অসংগতির অর্থ হতে পারে, আমরা যে প্যাটার্ন আবিষ্কার করেছি, সেটি সঠিক নয়, অথবা বড় কোনো কিছু আমরা এখনো বুঝতে পারছি না। কোনটা ঠিক? তা–ও অমীমাংসিত।
দ্বিতীয় কারণটি হলো, মহাকর্ষকে ব্যাখ্যার জন্য আমাদের কাছে চমৎকার ও কার্যকর একটি তত্ত্ব আছে। সাধারণ আপেক্ষিকতা। আইনস্টাইন স্থানকে পরম না ধরে গতিশীল প্রবাহ বা নমনীয় চাদরের মতো করে কল্পনা করলেন। এভাবে মহাকর্ষকে সরলভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। এ তত্ত্ব বলে, কোনো বস্তু বা শক্তির উপস্থিতিতে তার চারপাশের নমনীয় চাদরের মতো স্থান বেঁকে যায়। এতে বস্তুটির কাছের বস্তুগুলোর গতিপথ বদলে যায়। আইনস্টাইনের চিত্রমতে, মহাকর্ষ বল বলে কিছু নেই, আসলে পুরোটাই স্থানের বিকৃতি বা বক্রতার ফল।https://www.bigganchinta.com/space/7cevg8153r
সমস্যা হলো সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব বেশ ভালোভাবে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করতে পারে। তাই আমাদের ধারণা হয়েছে, এটাই সম্ভবত প্রকৃতির সঠিক ব্যাখ্যা। ঝামেলা হলো এ তত্ত্বটাকে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার মতো অন্য কোনো মৌলিক তত্ত্বের সঙ্গে একত্র করা সম্ভব হয়নি। অথচ কোয়ান্টাম মেকানিকসও প্রকৃতির সঠিক ও নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে পারে বলে আমরা মনে করি।
সমস্যাটার কারণ কোয়ান্টাম মেকানিকস অনুযায়ী, মহাবিশ্বের চিত্র একটু আলাদা। এ তত্ত্বে স্থানকে সমতল পটভূমি হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু সাধারণ আপেক্ষিকতা অনুসারে, স্থান গতিশীল ও নমনীয়, যা সময়ের সঙ্গে মিলে স্থান-কাল গঠন করে। কাজেই বস্তুর ভর বা শক্তি স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দিতে পারে। তাহলে প্রশ্ন আসে, কোন চিত্রটা সঠিক? মহাকর্ষ কি স্থানের বক্রতা নাকি কণার মধে৵ অজানা উড়ন্ত কোয়ান্টাম বল?https://www.bigganchinta.com/space/7cevg8153r
STRING THEORY
স্ট্রিং থিওরি
বস্ত্ততঃ আরবী দুই অক্ষর বিশিষ্ট “কুন”(كُن) একটি “কুদরাতি” শব্দ। সুবহান শব্দটি কুদরাতের প্রতিশব্দ বিশেষ। অর্থাৎ অলৌকিক,বিস্ময়কর কিছু প্রকাশে আরবী ভাষায় “সুবহান” এবং “কুদরাত” শব্দদ্বয় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। নির্বাক শব্দও অনেক সময় গভীর জ্ঞানগর্ভ অর্থ জ্ঞাপক হয়ে থাকে চিকিৎসকরা রোগীর স্ট্রেথিগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে হার্টবীটের শব্দ শুনে বুঝে রোগীর রোগ নির্ণয় করে থাকেন। শব্দ এক প্রকার শক্তি বিশেষ। প্রচন্ড শব্দে জানালায় কম্পন সৃষ্টি হলে জানালার কাঁচ ভেঙে যেতে পারে। মৃত্যু শব্দটি আপনজনকে যেমন কাঁদায় জীবন শব্দটি হাসায়।
“কুন” শব্দটি স্রষ্টা এবং সৃষ্টির মধ্যে সরাসরি পার্থক্যসৃষ্টিকারক যাকে পর্দা বলা যেতে পারে। “কুন” শব্দের কম্পন তাত্ত্বিক স্ট্রিং থিওরিমতে চমৎকার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে এবং যা বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের উৎসমূলও হতে পারে।
বস্ত্ততঃ কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানের কণা পদার্থ তত্ত্ব মতে, প্রত্যেক বস্ত্ত কণাই কম্পমান। কম্পনের উৎস শক্তি, আর শক্তির উৎস মহাশক্তি যার জাগতিক নাম প্রকৃতি, নেচার যার উপর ধারণাগত বিশ্বাস বিশ্বের শতভাগ মানুষ-যার আধ্যাত্মিক নাম গড, খোদা, ঈশ্বর, আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়াশানুহ যিনি আহাদ অর্থাৎ এক,একক,অদ্বিতীয়,যিনি সুবহান অর্থাৎ যার কোন অংশীদার নেই, যিনি সামাদ-অর্থাৎ কোন কিছু সৃষ্টির জন্য উপকরণ-উপাদানাদি,তত্ত্ব, সূত্রের উপর অমুখাপেক্ষি, অনির্ভরশীল, সর্বপ্রকার নির্ভরশীলতা, মুখাপেক্ষিতা থেকে সুবহান অর্থাৎ মুক্ত,পবিত্র, স্বাধীন । যিনি কেবল অতিরিক্ত একটি মাত্র শব্দের মাধ্যমে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন যদিও সর্বশক্তিমান হিসাবে আরাদা শাইয়ুন-ফায়াকুন অর্থাৎ “ইচ্ছা করেছেন-হয়ে গেছে”-এরূপ হলেও রাতারাতি মহাবিশ্ব সৃষ্টি অসম্ভব কিছু ছিল না।
সুতরাং, “কুন” শব্দটি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের আলোকে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে যথেষ্ট গুরুত্ব রাখে মর্মে IRRSTC মনে করে।
উল্লেখ্য, বর্তমান বিজ্ঞান জগতে বিজ্ঞানীদের আশার আলো খ্যাত স্ট্রিং থিওরিতে “কুন” শব্দের রয়েছে চমৎকার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা যা হতাশ বিজ্ঞানীদের জন্য নিরাশায় আশার আলো বয়ে আনবে ইনশা আল্লাহ। ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ।
◊ উল্লেখ্য, জাগতিক পরিভাষায় অলৌকিক,অতিপ্রাকৃতিক, অদ্ভূত, অদ্ভূতুড়ে, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, টেলিপ্যাথি, মিরাকল, সুপার মিরাকল নামে শব্দ প্রতিশব্দ রয়েছে যার বৈজ্ঞানিক সংকেত হচ্ছে এক্স এবং ডার্ক-জ্ঞানে কুলায় না-এমন বিষয়ের বৈজ্ঞানিক সংকেত হচ্ছে এক্স এবং ডার্ক। প্রকৃতি কিংবা গড গড, খোদা, ঈশ্বর, আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়াশানুহ অতীন্দ্রীয় অ্যাবস্টাক্ট বিষয় ।
স্ট্রিংয়ের প্রমাণ আছে (অশোক সেন)
◊ ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন আলোর তরঙ্গের কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক স্থাপন করে বলেছিলেন, কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক সমানুপাতিক। আলোর তরঙ্গের কম্পাংক যত বেশি, শক্তিও তত বেশি হবে। (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২০, পৃষ্ঠা ৫৮)।
IRRSTC মনে করে, আলোর তরঙ্গের কম্পাংকের ন্যায় শব্দ তরঙ্গের কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্কও সমানুপাতিক।
প্রমাণঃ একটি চিকন সরু মজবুত লম্বা তার (স্ট্রিং) নিই। তারের উভয় প্রান্ত টান টানভাবে শক্তভাবে বেঁধে দেই। যতক্ষণ শক্তি প্রয়োগ করা না হবে ততক্ষণ তারটি স্থির, নিশ্চল, নীরব-নিঃস্তব্দ থাকবে চিরকালের জন্য। তারের মধ্যবর্তী স্থানে আলতোভাবে আংগুল দ্বারা নাড়া দিলে তারে দেখা দেবে মৃদু কম্পন, একটু জোরে নাড়া দিলে শোনা যাবে মৃদু শব্দ। অনবরত শক্তি আরোপ করা হলে কম্পনের সাথে সাথে শব্দও বেড়ে যাবে। এতে প্রমাণিত হয় যে, শক্তি+কম্পন+শব্দ পরস্পর সমানুপাতিক, সমার্থক।
◊ রাতে মশার ঘুম ভাঙানি ভো ভো শব্দ আর কিছু নয়, মশার অনবরত দুই পাখার সন্চারণে সৃষ্ট কম্পনের শব্দমাত্র।
◊ এক বিলিয়ন বছরের বেশি আগে দুটি কৃষ্ঞগহবরের মধ্যে সংঘর্ষে সৃষ্ট কম্পন একে মহাকর্ষ তরঙ্গের সৃষ্টি (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৮)।
◊ মনে রাখতে হবে, শুধু কত জোরে চিৎকার, সেটাই একমাত্র ব্যাপার নয়। চিৎকারের কম্পাংকের তীক্ষ্ণতাও তীব্র হতে হবে। না হলে শুধু উচ্চস্বরে চিৎকারে কাঁচ ভাঙবে না (বিজ্ঞানচিন্তা, জুন, ২০১৯, বর্ষ ৩, সংখ্যা ৯)।
◊ সাধারণতঃ শব্দের কারণে কাঁচ ভাঙে না। তবে বজ্রপাতের সময় প্রচন্ড শব্দে কাঁচের জানালা কাঁপতে থাকে এবং সে কারণে জানালার সঙ্গে ঘর্ষনে কাঁচ ভেঙে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে শব্দের মাত্রা ১০০ ডেসিবেলের বেশি হতে হবে। অআমরা সাধারণতঃ ৫০ ডেসিবেল মাত্রায় কথা বলি। এর দ্বিগুণ মাত্রায় চিৎকার করলে কম্পাংকের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে কাঁচ ভেঙ্গে পড়তে পারে (সূ্ত্রঃ বিজ্ঞানচিন্তা, জুন, ২০১৯, পৃষ্ঠা ৯৩)।
নাস্তিকেরা “প্রকৃতি-(Nature)” নামে সৃষ্টিকর্তাকে ঠিকই বিশ্বাস করে থাকেন
মহাবিশ্বের সব কিছুর একক স্রষ্টাকে কেউ গড,ঈশ্বর,খোদা কিংবা আল্লাহ বলা হয় যাঁর উপর নাস্তিক ব্যতিত প্রায় শতভাগ যে সব মানুষ বিশ্বাসী তাদেরকে বলা হয় ধার্মিক। কিন্ত্ত নাস্তিকরা গড, ঈশ্বর, খোদা, আল্লাহ নামে সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করে না সত্য, কিন্ত্ত “প্রকৃতি-(Nature)” নামে সৃষ্টিকর্তাকে ঠিকই বিশ্বাস করে থাকে।
উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ের অন্যতম শীর্ষ এক নাস্তিককে প্রশ্ন করা হয়েছিলঃ আপনি কি মনে করেন চাঁদ সূর্য পৃথিবী প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয়েছে? আমাদের উদ্ধৃত প্রকৃতি শব্দের মধ্যে তিনি গডের ধারণা টের পান এবং প্রশ্নটির সরাসরি উত্তর এড়িয়ে পরবর্তীতে আর ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেননি বরং অন্য প্রসঙ্গ তুলে ধরেছিলেন। এতে প্রতীয়মান হয় যে, নাস্তিক দাবীদার নেচার এবং গড, গড এবং নেচার-কে সমার্থক বলে বিশ্বাস করেন যদিও নেচার/প্রকৃতি একটি কথার কথা জাতীয় শব্দ বিশেষ। এর কোনো কার্যকর সংজ্ঞা নেই, বিচার-বিশ্লেষণ, আলোচনা নেই।
স্ট্রিং তত্ত্ব মতে, ইলেকট্রন, কোয়ার্কসহ ১৪ মৌলিক কণার উৎসমূল স্ট্রিংয়ের কম্পন।
পানির স্ট্রিং
পানির রাসায়নিক মূল উপাদান হচ্ছে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন। ২টি হাইড্রোজেন এবং ১টি অক্সিজেন পরমাণু মিলে পানির অণু গঠিত হয়।১ ফোটা পানিতে কয়েক লক্ষ পানির অণু থাকে। অণুগুলো এক সাথে তড়িৎ অআকর্ষণ বলের প্রভাবে অআনবিক বন্ধনে অআটকে থাকে। পানির পরমাণুর এই বন্ধনকে বলা হয় হাইড্রোজেন বন্ধন। শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে পানির অণুগুলো একে অপরের সাথে লেগে থাকে।
পানির সাথে কিছু অন্য উপাদান থাকে। অণুগুলো এদের সাথেও প্রীতির বন্ধনে অআবদ্ধ হয় যাকে বলা হয় আসক্তি। এই আসক্তি কারণে পানিতে প্রবাহের সৃষ্টি হয়। যার ফলে পানি গড়িয়ে চলে সমতল ভূমিতেও আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব মেনে চলে যদি আপেক্ষিকতার মূল কথা হয়ে “অবস্থাভেদ ভেক পরিবর্তন” বলা হয় যা কোয়ান্টামেরও মূল কথা।
নিউট্রন-প্রোটনের সেতু বন্ধ
“ধনাত্মক আর ঋণাত্মক পায়নের আয়ুস্কাল ২.৬x১০১৮ সেকেন্ড। এই সময়ে মধ্যে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক পায়নের মধ্যে মিথস্ত্রিয়া সংঘটিত হয়। অর্থাৎ নিউট্রন ও প্রোটনের মধ্যে বন্ধন তৈরি হয়”।
“অন্যদিকে নিরপেক্ষ পায়নের আয়ুস্কাল একেবারেই ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না। কারণ এরা সরাসরি কণা আর প্রতি কণা দিয়ে তৈরি। তাই সংস্পর্শে আসার ৮.৪x১০১৭ সেকেন্ডের মধ্যেই এরা ধ্বংস হয়ে যায় এবং এ সময়ের মধ্যে প্রোটন ও নিউট্রন বন্ধন তৈরি করে ফেলে”(বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২১, পৃষ্ঠা ৬৯)।
“একটি ঋণাত্মক পায়ন যখন প্রোটনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন দুটো মিলে তৈরি হয় একটা নিউট্রন কণা” (বিজ্ঞানচিন্তাঃ পৃষ্ঠা ৬৮)।
“নিউক্লিয়াসের মধ্যে এভাবে মেসনদের প্রভাবে প্রোটন ভেক বদল করে পাল্টে যাচ্ছে নিউট্রন কণায়। আবার নিউট্রন কণা ভেক বদল করে পাল্টে যাচ্ছে প্রোটনে। ঋণাত্মক মেসনে তৈরি হয় একটা ডাউন কোয়ার্ক আরেকটা অ্যান্টি অআপ কোয়ার্ক দ্বারা। প্রোটন-প্রোটনের মধ্যে যে বন্ধন সেখানে হাঁড়ের (স্ট্রিংয়ের) ভূমিকা পালন করে নিরপেক্ষ পায়ন মেসন (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২১, পৃষ্ঠা ৬৮)”।
“হেনেকি ইউকাওয়া বলেন, একটা প্রোটন আর একটা নিউট্টনের মধ্যে ধনাত্মক পায়ন কণা বিনিময় হয়। ফলে তৈরি হয় শক্তিশালী নিউক্লিয় বল”।
পায়ন হচ্ছে ১) ধনাত্মক মেসন ২) ঋণাত্মক মেসন এবং ৩) ঋণাত্মক মেসনের একক যৌগিক রূপ ।
BISMILLAHIR ROHMAANIR ROHEEM
স্ট্রিংয়ের কম্পনোৎস হচ্ছে শক্তি আর শক্তি।
পরীক্ষাঃ একটি চিকন তার নিই।
বস্ত্ততঃ “কুন” একটি কুদরাতি শব্দ। শব্দটি স্রষ্টা এবং সৃষ্টির মধ্যে সরাসরি পার্থক্য সৃষ্টিকারক-যাকে পর্দা বলা যেতে পারে। “কুন” শব্দের কম্পন তাত্ত্বিক স্ট্রিং থিওরিমতে চমৎকার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে যা বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের উৎসমূলও হতে পারে “কুন”।
কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানের কণা পদার্থ তত্ত্ব মতে, প্রত্যেক বস্ত্ত কণাই কম্পমান। কম্পনের উৎস শক্তি, আর শক্তি।
শক্তির মূলোৎস “মহাশক্তি”- যার জাগতিক নাম প্রকৃতি, নেচার যার উপর বিশ্বাস বিশ্বের শতভাগ মানুষ-যার আধ্যাত্মিক নাম গড, খোদা, ঈশ্বর, আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়াশানুহ যিনি আহাদ অর্থাৎ এক,একক,অদ্বিতীয়,যিনি সুবহান অর্থাৎ যার কোন অংশীদার নেই, যিনি সামাদ-অর্থাৎ কোন কিছু সৃষ্টির জন্য উপকরণ-উপাদানাদি,তত্ত্ব, সূত্রের উপর অমুখাপেক্ষি, অনির্ভরশীল, সর্বপ্রকার নির্ভরশীলতা, মুখাপেক্ষিতা থেকে সুবহান অর্থাৎ মুক্ত,পবিত্র, স্বাধীন । যিনি কেবল অতিরিক্ত একটি মাত্র শব্দের মাধ্যমে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন যদিও সর্বশক্তিমান হিসাবে অআরাদা শাইয়ুন-ফায়াকুন অর্থাৎ ইচ্ছা করেছেন-হয়ে গেছে-এরূপ অসম্ভব কিছু ছিল না।
উল্লেখ্য, বর্তমান বিজ্ঞান জগতে বিজ্ঞানীদের আশার আলো খ্যাত কুন শব্দের রয়েছে চমৎকার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা যা হতাশ বিজ্ঞানীদের জন্য নিরাশায় আশার আলো বয়ে আনবে ইনশা আল্লাহ। ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ।
জাগতিক পরিভাষায় অলৌকিক,অতিপ্রাকৃতিক, অদ্ভূত, অদ্ভূতুড়ে, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, টেলিপ্যাথি, মিরাকল, সুপার মিরাকল নামে শব্দ প্রতিশব্দ রয়েছে যার বৈজ্ঞানিক সংকেত হচ্ছে এক্স এবং ডার্ক-জ্ঞানে কুলায় না-এমন বিষয়ের বৈজ্ঞানিক সংকেত হচ্ছে এক্স এবং ডার্ক। প্রকৃতি কিংবা গড গড, খোদা, ঈশ্বর, আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়াশানুহ অতীন্দ্রীয় অ্যাবস্টাক্ট বিষয়
১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন অআলোর তরঙ্গের কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক স্থাপন করে বলেছিলেন, কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক সমানুপাতিক। অআলোর তরঙ্গের কম্পাংক যত বেশি, শক্তিও তত বেশি হবে। (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২০, পৃষ্ঠা ৫৮)।
এক বিলিয়ন বছরের বেশি অআগে দুটি কৃষ্ঞগহবরের মধ্যে সংঘর্ষে সৃষ্ট কম্পন একে মহাকর্ষ তরঙ্গের সৃষ্টি (বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৮)।
মনে রাখতে হবে, শুধু কত জোরে চিৎকার, সেটাই একমাত্র ব্যাপার নয়। চিৎকারের কম্পাংকের তীক্ষ্ণতাও তীব্র হতে হবে। না হলে শুধু উচ্চস্বরে চিৎকারে কাঁচ ভাঙবে না (বিজ্ঞানচিন্তা, জুন, ২০১৯, বর্ষ ৩, সংখ্যা ৯)।সাধারণতঃ শব্দের কারণে কাঁচ ভাঙে না। তবে বজ্রপাতের সময় প্রচন্ড শব্দে কাঁচের জানালা কাঁপতে থাকে এবং সে কারণে জানালার সঙ্গে ঘর্ষনে কাঁচ ভেঙে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে শব্দের মাত্রা ১০০ ডেসিবেলের বেশি হতে হবে। অআমরা সাধারণতঃ ৫০ ডেসিবেল মাত্রায় কথা বলি। এর দ্বিগুণ মাত্রায় চিৎকার করলে কম্পাংকের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে কাঁচ ভেঙ্গে পড়তে পারে (সূ্ত্রঃ বিজ্ঞানচিন্তা, জুন, ২০১৯, পৃষ্ঠা ৯৩)।
আলহামদুলিল্লাহ, কেন এবং কিভাবে আমরা মুসলিমরা বিজ্ঞানের নেতৃত্বে আবারও ফিরে এলাম
মধ্যযুগে গ্রীক সভ্যতার উত্তরাধিকারী ইউরোপীয় যেমন ঘুমিয়ে ছিলেন মুসলিমদেরকে জাগরিত রেখে, আমরাও ঘুমিয়ে পড়ি ইউরোপীয়দের জাগিয়ে। তাহলে এখন আমরা মুসলমানদেকে জাগালো কে? কেন বিজ্ঞানে নেতৃত্বকে অধিগ্রহণ করে আবারও বিজ্ঞানে ফিরে আসলাম আলী رضي الله عنه,খালিদ,জাফর সাদিক, জাবির ইবনে হাইয়ান, মূসা আল খাওয়ারিজম, ইবনে সীনার উত্তরাধিকারী হয়ে?
বস্ত্ততঃ বিংশ শতাব্দী থেকে তুরস্কের হারুন ইয়াহিয়াসহ অনেক মুসলিম স্কলার মুসলমানদেরকে আবারও বিজ্ঞানে ফিরে আসার তীব্র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন।
অবশ্য বিজ্ঞান অমনস্কতার ঐতিহাসিক কিছু কারণও রয়েছে। এক সময় বিজ্ঞান আর আল কুরআন প্রায় সমার্থক ছিল যতদিন বিজ্ঞান বলতে ফিজিক্স অর্থাৎ পুরো প্রকৃতি বিজ্ঞানকে বুঝাতো। অতঃপর যেদিন থেকে ফিজিক্স বা প্রকৃতি বিজ্ঞান গণিত কেন্দ্রিক পদার্থ বিজ্ঞানে পরিণত সেদিন থেকে বিজ্ঞান যান্ত্রিক বস্ত্তবাদে পরিণত হলে কার্যতঃ ধর্ম এবং বিজ্ঞানে বিভাজন সৃষ্টি হয়। তাছাড়া ডারউইনের বানরতত্ত্ব তথা বিবর্তনবাদ এই বিভাজনকে আরও উস্কে দেয়। ফলে কেবল মুসলিমরা নয়; অধিকন্ত্ত ইহুদী-খৃষ্টান ধর্মাবলম্বীরাও বিজ্ঞান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। যার কারণে মার্কিন বিজ্ঞান সোসাইটির নির্বাচিত সেক্রেটারী অ্যান্ড্রু ইয়ান যথার্থ বলেছিলেনঃ “আমি অনেক মেধাবী ছেলেকে চিনি যারা বিজ্ঞানকে ঘৃণা করে”।
উল্লেখ্য, ইসলামের পবিত্র কিতাব আল কুরআনের অন্ততঃ সাড়ে সাত শত আয়াতে বিজ্ঞান চর্চায় গুরুত্বরোপ করা হয়েছে। অথচ এক্ষেত্রে আমরা চরম উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ইসলামের তৃতীয় খলিফা আমিরুল মুমিনিন হযরত ওসমান ইবনে আফফান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ এ জাতির (মুসলিম) জিল্লতির কারণ, দীন ধর্মে উদাসীনতা, অভাব অনটন এ জাতিকে কাবু করতে পারে না। আমরা মুসলিম জাতি ভুলে গেছি যে, আমাদের প্রতি মহান অআল্লাহ তায়ালার প্রথম নির্দেশনা ছিল পবিত্র কুরআনের প্রথম সূরাহ আল আলাক্বের প্রথম আয়াতের প্রথম কালামে সর্বপ্রথম শব্দ ইক্বরাঃপড়ুন আল্লাহর নামে।
ফলে মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় বর্বরতাকে এখন মুসলমানদের উপর চাপিয়ে ইসলামকে মধ্যযুগীয় বর্বর ধর্ম রুপে বিশ্ব ব্যাপী তুলে ধরা হচ্ছে, এটা এক প্রকার প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে বার্ষিক কুরআন পোড়ানোর উৎসব পালন। প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে মসজিদের সামনে মুসলিম মুসল্লিদের সামনে পবিত্র কুরআন পোড়ানো হচ্ছে যা অন্য ধর্মের জন্য নজিরবিহীন। নির্বিচারে হিউম্যান অ্যানিমেল মুসলিম হত্যা করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে শুধু নিন্দা প্রকাশে প্রস্তাব আনা হলে তাতে জাতিসংঘের “ভেটো” প্রথাকে মানবতাবিরোধী অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে যা সত্যি দুঃখজকন । তাছাড়া, বিশ্ব দরবার জাতিসংঘের সদর দপ্তরে দাঁড়িয়ে কেউ কেউ বলছেন তারা প্রযুক্তি রপ্তানী করছে, আমরা প্রযুক্তির জন্মদাতা মুসলিমরা নাকি সন্ত্রাস রপ্তানীকারক। অথচ বিশ্ববাসী ভুলে গেছে, নিউটনের ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান, আইনস্টাইনের স্পেশাল+জেনারেল আপেক্ষিকতা তত্ত্ব কিংবা ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কীয় কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞান, কিংবা হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব সব তত্ত্বের ফুয়েল বা জ্বালানী হচ্ছে গণিত যার ভিত্তি অ্যারাবিক নিউমারাল যা রোমান নিউমারালের প্রতিস্থাপক, কম্পিউটারের ম্যাথমেটিক ইউনিটের প্রাণ বাইনারী কোড এবং আলগরিদমের জনকও মুসলিমরা।
তাছাড়া, আল্লাহ তায়ালার বিরুদ্ধে অভিযোগঃ তিনি অবৈজ্ঞানিক কুরআন নাজিল করেছেন, কুরআনে পাকের প্রতি অভিযোগঃ এই মহাপবিত্রগ্রন্থটি অবৈজ্ঞানিক! এই যুক্তি দিয়ে বলা হচ্ছেঃ কুরআন ছাড়ো, বিজ্ঞান ধরো। অথচ ১৯৫৭ ? সালের...তারিখে মার্কিন প্রভাবশালী প্রেসিডেন্ট অআইজেন অআওয়ার ওয়াশিংটনে ইসলামিক সেন্টারের কেন্দ্রীয় মসজিদ উদ্ভোধন উপলক্ষে প্রদত্ত বক্তৃতায় বলেনঃ আমরা সভ্যতার যা কিছু পেয়েছি তা মুসলমান থেকে। উল্লেখ্য, মধ্যযুগে ইসলামী জ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু হয় গারে হেরায় নাজিলকৃত ইক্বরা কুদরতি শব্দ থেকে।
উল্লেখ্য, পৃথিবীর প্রথম প্রযুক্তি বলা হয় লজ্জানিবারক বস্ত্র প্রযুক্তি । আদি পিতা হযরত আবুল বাশার আদম আলাইহিমুস সালাম ছিলেন এই প্রযুক্তির স্থপতি। মানব জাতির প্রথম বস্ত্র ছিল গাছের পাতা। অতঃপর আদি পিতার ক্ষুধা নিবারণে কৃষি তথা খাদ্য প্রযুক্তির উদ্ভব ঘটে মানব জাতির উষালগ্নে। কথিত আছে হযরত ইদরিস আঃ জ্ঞান পাঠ দানকারী ছিলেন এতে গণিত বিদ্যাও ছিল। হযরত ইবরাহিম আঃ এবং তদীয় সাহেবজাদা হযরত ইসমাঈল আঃ ছিলেন সিভিল (পূর্ত) প্রযু্ক্তির উদ্ভাবক। পবিত্র ক্বাবা শরীফ এই প্রযুক্তিতে নির্মিত। চোখের পলকে বিলকিসের সিংহাসন বাদশাহ সোলায়মানের দরবারে হাজিরা দেওয়া, রাতের কিয়দংশে মিরাজ নামক উর্ধ্বগামী কুদরতি সিঁড়ি আইনস্টাইনের E=mc2 সমীকরণে বেঁধে দেওয়া অআলোর গতি ছাড়িয়ে সপ্তাকাশ ভেদ করে অআল্লাহর দরবারে উপস্থিতি এসব মহাকাশ প্রযুক্তির অন্তর্ভূক্ত। চিকিৎসা বিজ্ঞানের স্থপতি হযরত ইসা আঃ চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসাবে, লাঠিকে সাপে পরিণতকরণের আধুনিক প্রাযুক্তিক নাম হচ্ছে পিওরিডিক্যাল টেবলিং।লা-তান ফুজুনা ইল্লা বিসুলতান এর অআলোকে সেকেন্ডে সাত মাইল গমনের উর্ধ্বগমনমূলক প্রযুক্তি উল্লেখযোগ্য।
আলহামদুলিল্লাহ! যা পরবর্তীতে, মক্কা মুয়াজ্জিমার দারুল আরকাম, মদীনা মুনওয়ারার আসহাবে সুফফা, বাগদাদের বায়তুল হিকমাহ, স্পেনের কর্ডোবার আল হামরা, কায়রোর আল আজহার, মরোক্কোর ফেজ নগরে অবস্থিত..... হয়ে বর্তমানে ডিজিটাল যুগে মক্কা আল মুয়াজ্জিমার অদূরে অবস্থিত উম্মুল ক্বুরা বিশ্ববিদ্যালয়, মদীনা মুনওয়ারায় অবস্থিত মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মালয়েশিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, দোহা বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি মুসলিম বিশ্বে জ্ঞান বিজ্ঞানের নূর বা দ্যুতি ছড়াচ্ছে। একসময় বিজ্ঞান অধ্যয়নের উদ্দেশ্য ছিল বিজ্ঞানী হওয়া,এখন পেশাভিত্তিক চিকিৎসক-প্রকৌশলী হওয়া। ফলশ্রুতিতে গবেষণামূল বিজ্ঞান চর্চার অভাবে নোবেল কমিটিতে মুসলিম বিজ্ঞানীদের স্থান নেই বল্লেই চলে। ফলে অমুসলিম বিশ্বে একপ্রকার নেগেটিভ মিথ জন্মে যে, মুসলমানরা অবৈজ্ঞানিক জাতি। এই মিথ বা বদ্ধমূল ধারণা মুসলিম বিদগ্ধজনদেরকে আহত করে । ফলে তাঁরা আবারও বিজ্ঞানে ফিরে যাওয়ার আবশ্যকতা বোধ করেন। আমরা আই.আর.আর.এস.টি.সির নগন্য গবেষকরাও এক প্রকার চাপে পড়ে বিজ্ঞানে ফিরে আসার জোর কোশেশ করি। প্রথমতঃ মুসলমানদের আত্ম সমালোচনা দ্বিতীয়তঃ অমুসলিমদের মুসলিমদের প্রতি নেগেটিভ চিন্তাধারা তৃতীয়তঃ বিজ্ঞানকে আল কোরআনের উর্ধ্বে স্থান দিয়ে ইসলামের বিরুপ সমালোচনা-এই সব বিষয় বিজ্ঞানে পদচারণায় অনুপ্রাণিত করে আমাদেরকে। তাই আমরা ব্যক্তিগতভাবে অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ হয়েছি। https://cirnn1445.blogspot.com/2023/07/physics-and-modern-science.html
Comments
Post a Comment