Miscellaneous/ALO( আলো/মহাকর্ষ )
Miscellaneous
ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্বের ইতিকথাঃ https://quranyusufali.com/2/
١. بِسۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯
١١٧- بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَإِذَا قَضَىٰ أَمْرًا فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُن فَيَكُونُ ◯
117. To Him is due the primal origin of the heavens and the earth; when He decreeth a matter He saith to it: “Be”; and it is.
Sūra 2: Baqara, or the HeiferVerses 286 — Madani; Revealed at Medina — Sections 40https://quranyusufali.com/2/
٢٥١- فَهَزَمُوهُم بِإِذْنِ اللَّـهِ وَقَتَلَ دَاوُودُ جَالُوتَ وَآتَاهُ اللَّـهُ الْمُلْكَ وَالْحِكْمَةَ وَعَلَّمَهُ مِمَّا يَشَاءُ ۗ وَلَوْلَا دَفْعُ اللَّـهِ النَّاسَ بَعْضَهُم بِبَعْضٍ لَّفَسَدَتِ الْأَرْضُ وَلَـٰكِنَّ اللَّـهَ ذُو فَضْلٍ عَلَى الْعَالَمِينَ ◯251.
By God’s will they routed them: and David slew Goliath; and God gave him power and wisdom and taught him whatever (else) He willed. And did not God check one set of people by means of another the earth would indeed be full of mischief but God is full of bounty to all the worlds.
Sūra 2: Baqara, or the HeiferVerses 286 — Madani; Revealed at Medina — Sections 40https://quranyusufali.com/2/
٤٧- وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ ◯
"With power and skill Did We construct The Firmament : For it is We Who create The vastness of Space".
(Sūrah 51: Zāriyāt, Ayat:47, Verses 60 — Makki; Revealed at Makka — Sections 3Translation by Abdullah Yusuf Ali).
অর্থঃ “আমি মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেছি আমার শক্তি-ক্ষমতাবলে ”(সূরা আয্ যারিয়াত, আয়াতঃ ৪৭)।
যেহেতু কুন একটি শব্দ এবং শব্দ এক প্রকার শক্তি বিশেষ। শব্দের উৎস যদি কম্পন হয় কম্পনের উৎস হবে শক্তি।প্রত্যেক কণা কম্পন
Since kun is a word and word is a type of energy is special. If the source of sound is vibration then the source of vibration is energy. Every particle vibrates
শক্তির প্রকার ভেদঃ
শ্রবণশক্তি।
১) প্রাকৃতিক শক্তি এবং ২) কৃত্রিম শক্তি।
প্রশ্ন হতে পারেঃ প্রাকৃতিক শক্তির উৎস কি? মানব হস্তে গঠিত সবই কৃত্রিম। নিউটনের ক্ল্যাসিক্যাল বল বিজ্ঞনমতে, প্রত্যেক বস্ত্ত আলাদা আলাদা এবং তাদের গঠন স্বরূপও আলাদা আলাদা। পক্ষান্তরে কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে সববস্ত্তমূল এক এবং অভিন্ন।প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে। সেহেতু শক্তির মূলে রয়েছে মহাশক্তি।
প্রমাণঃ একটি মজবুত চিকন তার নিই। তারের উভয় প্রান্ত কষে বাঁধি। দেখা যাবে, তারটি নীরব-নিথর-নিশ্চল হয়ে আছে। তারটিতে হালকা শক্তি প্রয়োগ করলে হালকা কম্পন এবং হালকা শব্দের উদ্ভব হবে। আর বেশি শক্তি প্রয়োগ করলে বেশি কম্পন এবং বেশি শব্দ উৎপন্ন হবে।
এতে আরও প্রতীয়মান হয় যে, একটি নিশ্চল তারকে সক্রিয় করতে হলে জরুরী প্রয়োজন এতে যথাযথ শক্তি প্রয়োগ।
লোহা-এতে রয়েছে শক্তি সূরাহ হাদীদ, আয়াতঃ ২৫
٢٥- لَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلَنَا بِالْبَيِّنَاتِ وَأَنزَلْنَا مَعَهُمُ الْكِتَابَ وَالْمِيزَانَ لِيَقُومَ النَّاسُ بِالْقِسْطِ ۖ وَأَنزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَلِيَعْلَمَ اللَّـهُ مَن يَنصُرُهُ وَرُسُلَهُ بِالْغَيْبِ ۚ إِنَّ اللَّـهَ قَوِيٌّ عَزِيزٌ ◯
25. We sent aforetime Our apostles with Clear Signs And sent down with them The Book and the Balance (Of Right and Wrong), that men May stand forth in justice ; And We sent down Iron, In which is (material for) Mighty war, as well as Many benefits for mankind, That God may test who It is that will help, Unseen, Him and His apostles : For God is Full of Strength, Exalted in Might (And able to enforce His Will).
https://quranyusufali.com/57/
জমে থাকা শক্তি জমাট বদ্ধ বস্ত্তর মতই (আইনস্টাইন)।
আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভরশক্তি সমীকরণ E=mc2 মতে, আলোর বর্গগুণে পাওয়া যায় এনার্শিয়া যা নিউটনের মতে জড়তা। এ মতে, যেহেতু জমে থাকা শক্তি জমাট বদ্ধ বস্ত্তর মতই (আইনস্টাইন) এবং যেহেতু ভরবিহীন হিগস বোসন (ফোটন?)কণা হিগস ফিল্ডে বিদ্যমান শক্তির সংস্পর্শে ভরত্ব লাভ করে সেহেতু ভর এবং শক্তি, একাধিক ভরসম্পন্ন ওজনদার বস্ত্ত এবং শক্তি সমার্থক। তাছাড়া কম্পনের উৎস শব্দ এবং শব্দের উৎসও কম্পন এবং কম্পন একটি শক্তি এবং শব্দ একটি শক্তি, অনুরূপ আলোর উৎস কোয়ান্টা অর্থাৎ ফোটন এবং যেহেতু ফোটন একটি কণা এবং কণা একপ্রকার শক্তি সেহেতু সব কিছুর উৎসমূল শক্তি আর শক্তির নিত্যতার সূত্রে শক্তির জন্মও নেই,মৃত্যুও নেই, লয়-ক্ষয় নেই।
এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টির উৎসমূল শক্তি আর শক্তিে।কার্ল সাগান উক্ত অর্থবহ পৃথিবির জন্য সর্বশেষ সাহসী প্রশ্ন হতে পারেঃ মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টি মহা উৎস কে? কোথায়দ?
IRRSTC এর সরল-নীতির আলোকে বলা যায় মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টি মহা উৎস জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি (Nature) এবং আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড (God)।
যা দেখা যায় না তা অস্তিত্বহিন কথাটি নিউটনিয় বল বিজ্ঞানের জন্য যতটা সত্য, তার চেয়ে অসত্য কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে। কারণ যা খালি চোখে দেখা যায় না তা দেখা যায় কণা ডিটেক্টর কিংবা টেলিস্কোপে দেখা যায় যা কণা ডিটেক্টরে দেখা যায় না তা দেখা তরঙ্গ ডিটেক্টরে। যা তরজ্গ ডিটেক্টরে দেখা যায় না তা দেখা যাবে অন্তর্দৃষ্টিতে। বিজ্ঞানীরা মহৎ সব বিষয় আবিস্কারের পিছনে কাজ করেছে তাঁদের স্ব-স্ব অন্তদৃর্ষ্টি থেকে। নিউরো বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মানব মস্তিস্কের সকল জল্পনা-কল্পনা তথা অন্তর্দৃষ্টির উৎসস্থল মহাজাগতিক অজ্ঞাত স্থান হতে উৎসারিত।সম্ভব সুদৃর গ্যালাক্সির অবস্থান হতে উদ্ভূত মহাজাগতিক সবচেয়ে শক্তিশালী রশ্মি গামা রশ্মি স্থল হতে পারে এই অন্তর্দৃষ্টির উৎসস্থল। আইনস্টাইন বলতেন আমার গবেষণার উৎস আমার লদ্ধ জ্ঞান থেকে নয় আমার কল্পনা শক্তি বিজ্ঞানচিন্তা। নিউটন বলতেনঃ
► আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই
We can know about a drop of water in our open eye but we know little about the vast ocean.
আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
একজন স্বর্গীয় মাস্টার সমস্ত বিশ্বকে মহাবিশ্বের সার্বভৌম হিসাবে পরিচালনা করেন। তাঁর পূর্ণতার কারণে আমরা তাঁকে বিস্মিত করি, আমরা তাঁকে সম্মান করি এবং তাঁর সীমাহীন ক্ষমতার কারণে তাঁর সামনে পড়ে থাকি। অন্ধ শারীরিক প্রয়োজনীয়তা থেকে, যা সর্বদা এবং সর্বত্র একই, সময় এবং স্থানের কোনও বৈচিত্র্য আবর্তিত হতে পারে না, এবং সমস্ত সৃষ্ট বস্তু যা মহাবিশ্বে শৃঙ্খলা এবং জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে কেবল তার মূল স্রষ্টার ইচ্ছাকৃত যুক্তির দ্বারা ঘটতে পারে, যাকে আমি প্রভু ঈশ্বর বলি।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন।
আবু সাঈদ খুদরী رضي الله عنه থেকে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রসুল ﷺ থেকে বর্ণনা করেন মূসা عَلَيْهِ ٱلسَّلَامُ বলেছিলেন হে আল্লাহ আমাকে এমন কিছু শিক্ষা দিন যার দ্বারা আমি আপনাকে স্মরণ করব এবং ডাকব।(আল্লাহ) বলেনঃ হে মূসা বলুন লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ। তিনি (মূসা عَلَيْهِ ٱلسَّلَامُ) বলেন হে আল্লাহ আপনার সকল বান্দাই তো এরূপ বলেন। তিনি বলেন, হে মূসা, সাত আকাশ এবং তাতে আমি ছাড়া যা কিছু আছে এবং সাত জমিনকে যদি এক পাল্লায় রাখা হয়, আর লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ-কে অন্য পাল্লায় রাখা হয় তাহলে এর পাল্লাটি ঝুঁকে পড়বে। (ইবনে হিব্বান ও হাকেম এটিকে বিশুদ্ধ বলেছেন।(সূত্রঃ জ্ঞান পিয়াসুর অআকাঙ্খাঃ কিতাবুত তাওহীদের ব্যাখ্যা,মূলঃ শায়েখ সালেহ বিন আবদুল আযীয বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আলে শায়েখ, অনুবাদঃ মুহাম্মাদ আবদুর রব আফফান, দারুস সালাম রিয়াদ, লিসান্স,মদীনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদী আরব, পৃষ্ঠাঃ ১১,কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি, হারাম শারিফ,মক্কা মুয়াজ্জিমা)
হুযুর ﷺ এরশাদ করেন, আমি এমন একটি কালেমা জানি, যেকোন বান্দা ইহাকে অন্তরে সত্য জানিয়া পাঠ করিবে এবং ঐ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করিবে সে জাহান্নামের জন্য হারাম হইয়া যাইবে। সে কালেমা হইল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আলহাদিসঃ তারগীব, হাকিম)।
চারটি জিনিস মানুষের অন্তরকে ধ্বংস করিয়া দেয় ১) আহমকদের সাথে মোকাবিলা ২) গোনাহের আধিক্য ৩) স্ত্রীলোকদের সাথে বেশি মেলামেশা গ) মৃত লোকদের সাথে বেশি উঠাবসা করা। কেহ জিজ্ঞাসা করিলঃমৃত লোক কাহারা? নবী করিম ﷺবলিলেনঃ ঐ সমস্ত ধনী ব্যক্তি যাদের অন্তরে ধন-সম্পদ অহংকার সৃষ্টি করিয়া দিয়াছে।
হুযুর ﷺ এরশাদ ফরমাইলেন, তোমাদের মধ্যে কি এমন কেহ নাই, যে প্রতিদিন ওহুদ (মদীনা মুনওয়ার একটি পাহাড়ের নাম) পরিমান আমল করিবে? সাহাবায়ে কেরাম رضي الله عنه আরজ করিলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ, কে ইহার ক্ষমতা রাখে যে এত বড় পাহাড় পরিমান আমল করিবে? হুযুর ﷺ ফরমাইলেন প্রত্যেক ব্যক্তিই ইহার ক্ষমতা রাখে। সাহাবীগন আরজ করিলেন, উহা কিভাবে হইতে পারে। এরশাদ ফরমাইলেন, সুবহানাল্লাহর ছওয়াব ওহুদ পাহাড় হইতে বেশি। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর ছওয়াব ওহুদ পাহাড় হইতে বেশি। আলহামদুলিল্লাহর ছওয়াব ওহুদ পাহাড় হইতে বেশি। আল্লাহু আকবারের ছওয়াব ওহুদ পাহাড় হইতে বেশি।(জামউল ফাওয়ায়িদঃতাবারানী, বাযযার)।
.................................................................................................................................................
মহাবিশ্ব
স্থান ও সময় এবং এদের অন্তর্ভুক্ত সকল বিষয় নিয়েই মহাবিশ্ব। পৃথিবী এবং অন্যান্য সমস্ত গ্রহ , সূর্য ও অন্যান্য তারা ও নক্ষত্র , জ্যোতির্বলয় স্থান ও এদের অন্তর্বর্তীস্থ গুপ্ত পদার্থ , ল্যামডা-সিডিএম নকশা ও শূণ্যস্থান (মহাকাশ) - পদার্থ ও শক্তি মিলে যে জগৎ তাকেই বলা হচ্ছে ।
আমাদের পর্যবেক্ষণ-লব্ধ মহাবিশ্বের ব্যাস প্রায় ২৮বিলিয়ন parsec (৯১ বিলিয়ন light-year)। পুরো বিশ্বের আকার অজানা হলেও এর উপাদান ও সৃষ্টিধারা নিয়ে বেশ কয়েকটি hypotheses বিদ্যমান ।মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিষয়কে বলে বিশ্বতত্ত্ব।দৃশ্যমান মহাবিশ্বের সুদূরতম প্রান্তের পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন তাত্ত্বিক গবেষণায় মনে হয় মহাবিশ্বের প্রতিটি প্রক্রিয়াই তার সৃষ্টি থেকেই একই ধরণের প্রাকৃতিক নিয়ম ও কয়েকটি নির্দিষ্ট ধ্রুবক দ্বারা নির্ধারিত হয়।
বর্তমানের মহাজাগতিক মডেল অনুযায়ী মহাবিশ্বের মূল উপাদান মূলতঃ কৃষ্ণ বা অন্ধকার শক্তি। ধারণা করা হচ্ছে যে, এই শক্তি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে এবং মহাবিশ্বের প্রসারণের পিছনে মূল ভূমিকা পালন করছে। কৃষ্ণ বস্তুর অস্তিত্ব পরোক্ষভাবে গ্যালাক্সির ঘূর্ণন, গ্যালাক্সিপুঞ্জ, মহাকর্ষীয় লেন্সিং, ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। কৃষ্ণ বস্তু যেহেতু মহাকর্ষ ছাড়া অন্য কোন বলের সংঙ্গে পারতপক্ষে কোন মিথষ্ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না, সেই জন্য তাকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা কঠিন।
মহাবিশ্বের সংঙ্গে আমাদের পরিচয় দৃশ্যমান বস্তুর আঙ্গিকে
মহাবিশ্বের সংঙ্গে আমাদের পরিচয় দৃশ্যমান বস্তুর আঙ্গিকে। পরমাণু ও পরমাণু দ্বারা গঠিত যৌগ পদার্থ দিয়ে এই দৃশ্যমান বিশ্ব গঠিত। পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত। প্রোটন ও নিউট্রনকে ব্যারিয়ন বলা হয়। ব্যারিয়ন তিনটি কোয়ার্ক কণা দিয়ে গঠিত। অন্যদিকে দুটি কোয়ার্ক কণা দিয়ে গঠিত কণাদের মেজন বলা হয়। সবেচেয়ে পরিচিত লেপটন কণা হচ্ছে ইলেকট্রন। প্রমিত মডেল বা স্ট্যান্ডার্ড মডেল কোয়ার্ক, লেপটন ও বিভিন্ন বলের মিথষ্ক্রিয়ায় সাহায্যকারী কণাসমূহএর (যেমন ফোটন, বোজন ও গ্লুয়োন)উপর ভিত্তি করে তৈরি। বর্তমানের কণা পদার্থবিদ্যাকে ব্যাখ্যা করতে এই মডেল সফল হয়েছে।
বিগ ব্যাং মডেল অনুযায়ী মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল একটা ভীষণ ঘন ও উষ্ণ দশা থেকে। এই সময় বা অবস্থাকে প্ল্যাঙ্ক তত্ত্ব বলে অভিহিত করা যায়। সেই সময় থেকে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ হয়ে চলেছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা শুরুর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই (১০−-৩২ সেকেন্ডের মধ্যেই) মহাবিশ্বের অতি স্ফিতী (inflation) হয় যা কিনা দেশ বা স্থানের প্রতিটি অংশে প্রায় একই তাপমাত্রা স্থাপন করতে সাহায্য করে। এই সময়ে সুসম ঘনত্বের মাঝে হ্রাস-বৃদ্ধির ফলে ভবিষ্যত গ্যালাক্সি সৃষ্টির বীজ তৈরি হয়।
তাছাড়া গ্যালাক্সি সৃষ্টির পেছনে কৃষ্ণ বা অন্ধকার বস্তুর বিশেষ ভূমিকা আছে মর্মে মনে করা হচ্ছে । অন্যদিকে মহাবিশ্বের বর্তমান প্রসারণের মাত্রার ত্বরণের জন্য কৃষ্ণ বা অন্ধকার শক্তি বলের একটি ভূমিকাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তাত্ত্বিক ভাবে কৃষ্ণ বস্তু মহাকর্ষ ছাড়া অন্য বলগুলোর সাথে (তড়িৎ-চুম্বকীয়, সবল ও দুর্বল) খুব অল্পই বিক্রিয়া করে সেইজন্য ডিটেকটর দিয়ে তাকে দেখা মুশকিল। বর্তমান মহাবিশ্বের মূল অংশই হচ্ছে কৃষ্ণ শক্তি, বাকিটা কৃষ্ণ বস্তু। আমরা চোখে বা ডিটেকটর মাধ্যমে যা দেখি তা মহাবিশ্বের মাত্র ৫ শতাংশেরও কম। এই মডেলে মহাবিশ্বের বর্তমান বয়স ১৩.৭৫ বিলিয়ন বা ১,৩৭৫ কোটি বছর। এই মহাবিশ্বের দৃশ্যমান অংশের "এই মুহূর্তের" ব্যাস প্রায় ৯৩ বিলিয়ন আলোক বছর। যেহেতু মহাবিশ্বের প্রতিটি বিন্দু প্রতিটি বিন্দু থেকে প্রতি মুহূর্তে আরো দ্রুত সরছে, মহাবিশ্বের ব্যাস ১৩.৭৫ x ২ = ২৭.৫০ বিলিয়ন আলোক বছরের চাইতে বেশী। দেশ বা স্থানের প্রতিটি বিন্দু বহু দূরের কোন বিন্দুর তুলনায় আলোর গতির উর্ধে ভ্রমণ করে, যতক্ষণ না সেই বিন্দুগুলির মাঝে তথ্য আদানপ্রদান না হচ্ছে এই গতি বিশেষ বা সাধারণ আপেক্ষিকতার কোন নিয়ম ভঙ্গ করে না।
আমাদের গ্যালাক্সি ছায়াপথ
সূর্য থেকে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ৩০,০০০ আলোক বর্ষ। গ্যালাক্সির ব্যাস ১০০,০০০ বা এক লক্ষ আলোক বর্ষ। কেন্দ্রের উল্টোদিকের অংশকে আমরা দেখতে পাই না।
হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টারের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানান, যে তরঙ্গ প্রবাহের সন্ধান তাঁরা পেয়েছেন, তা একটি মাইল ফলক। ১৪শ' কোটি বছর আগে এই তরঙ্গের উৎপত্তি হয়েছিল বলে জানান তাঁরা৷ এর সাথে আলবার্ট আইনস্টাইনের এক শতকের পুরোনো আপেক্ষিক তত্ত্বের মিল পাওয়া যায়৷ এ থেকে এই প্রথম ‘কসমিক ইনফ্লেশন' বা মহাজাগতিক স্ফীতির সরাসরি তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেল৷ শুধু তাই নয়৷ এই তত্ত্ব থেকে এ কথা সহজেই বলা যায় যে, মহাবিশ্ব ‘চোখের পলক ফেলার সময়ে' একশ ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গুণ বিস্তার লাভ করেছে৷ দক্ষিণ মেরুতে অবস্থানরত বিআইসটেলিস্কোপের সাহায্যে এই আলোক তরঙ্গ নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে৷মহাবিশ্বের সৃষ্টি ঠিক কত কোটি বছর আগে – এটা নিয়ে আছে নানা জল্পনা-কল্পনা
মহাজাগতিক ঘর্ষণ বা বিগ ব্যাং-এর পরে মহাকাশ থেকে মাধ্যাকর্ষণের যে তরঙ্গ প্রবাহিত হয়, প্রথমবারের মতো তা আবিষ্কৃত হয়েছে৷ এর থেকে মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে অনেক অজানা রহস্যের সমাধান সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা
ধারণা করা হচ্ছে, অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের দ্বারা স্বীকৃত হলে এই গবেষণাটি নোবেল পুরস্কারের জন্য পাঠানো হবে৷ সময় ব্যবধানের সাথে সাথে তরঙ্গগুলোর পরিবর্তনকে বিগ ব্যাং-এর প্রথম কম্পন বলে বর্ণনা করেছেন বিজ্ঞানীরা৷
LIGHT ALO
https://events.frontiersin.org/conservation-imperatives/fsci
https://www.linkedin.com/posts/frontiers-in-science_read-the-article-activity-7214991328525348864-m4Mz?utm_source=share&utm_medium=member_desktop
গুনাহ এক প্রকার বিষতুল্য। তার বিষশুন্য করতে হলে ক্ষমা
মমতায় বাড়ায় সম্পর্কের গভীরতা
► প্রশ্ন হচ্ছে বিগ ব্যাংয়ের পর সর্বপ্রথম মহাবিশ্বে কোন্ জিনিসটি প্রকাশমান বা দৃশ্যমান হয়? মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি মতে, বিগ ব্যাং উত্তর সর্বপ্রথম প্রকাশমান হয় আলোর কোয়ান্টা ফোটন। তাই বলা হয়,মহাবিশ্বের শুরুতে চতুর্দিকে কেবল আলো আর আলোর বন্যা বইছিল।
► The question is, after the Big Bang, what was the first thing that appeared or became visible in the universe? According to the modern cosmological standard model theory, the Big Bang was first manifested as photons of light quanta. So it is said that at the beginning of the universe, there was only light and light flooding all around.nn
১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব রচনার পর দশ বছর কাটিয়েছিলেন জেনারেল আপেক্ষিকতা তত্ত্বের পিছনে। জীবনের বাকী ৪ দশক (চল্লিশ বছর)টা তাহলে আইনস্টাইন করছিলেন টা বা কি? কারণ, এই সুদীর্ঘ সময়ে আইনস্টাইনের আর কোনো যুগান্তকরি আবিস্কারের ইতিহাস বিজ্ঞান জগতে নেই বল্লে চলে। তাহলে কি তিনি অবসর সময় কাটিয়েছিলেন কোন প্রকার গবেষণা ছাড়া। না তা নয়, তিনি নীরবে নিভৃতে থেকে যা গবেষণা করেছিলেন তা ছিল আলোর কোয়ান্টা নিয়ে যা দিয়ে ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট তত্ত্ব রচনা করে ১৯..সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। সেই আলোর কোয়ান্টা নিয়েই জীবনের শেষ সময় টুকু কাটিয়েছিলেন কি করে আলোর কণা আর তরঙ্গকে এক করা যায়
►এমতাবস্থায় না আলোর কণা আর তরঙ্গকে এক করা গেছে না ৪ চার বল-কে এক করা সম্ভবপর হয়েছে। তাই বিজ্ঞানীরা আটকে আছে সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের বেড়াজালে। এর উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটার।বিজ্ঞানীদের চোখ কপালে উঠে যায় যখন জানতে পারেন যে, মহাবিশ্বের মূল বস্ত্তগত অবকাঠামোর মোট ...শতাংশ ডার্ক এনার্জি এবং ...শতাংশ ডার্ক ম্যাটারে আকন্ঠ নিমজ্জিত।
► আলো , দৃশ্যমান আলো , বা দৃশ্যমান বিকিরণ হল ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ যা মানুষের চোখ দ্বারা উপলব্ধি করা যায়। দৃশ্যমান আলো দৃশ্যমান বর্ণালীকে বিস্তৃত করে এবং সাধারণত তরঙ্গদৈর্ঘ্য 400-700 ন্যানোমিটার (nm), 750-420 টেরাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
আলো এক ধরনের শক্তি বা বাহ্যিক কারণ, যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়।[১] অথবা বলা যায়, আলো একটি তীর্যক, তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ যা সাধারণ মানুষ দেখতে পারে। আলো বস্তুকে দৃশ্যমান করে, কিন্তু এটি নিজে অদৃশ্য। আমরা আলোকে দেখতে পাই না, কিন্তু আলোকিত বস্তুকে দেখি। আলো এক ধরনের বিকীর্ণ শক্তি। এটি এক ধরনের তরঙ্গ।
আলো তীর্যক তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের আকারে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে গমন করে। মাধ্যমভেদে আলোর বেগের পরিবর্তন হয়ে থাকে। আলোর বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের ব্যস্তানুপাতিক।
► শুন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সবচেয়ে বেশি
►শূন্যস্থানে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ২৯,৯৭,৯২,৪৫৮ মিটার বা ১,৮৬,০০০ মাইল। ।
►আলোর বেগ সর্বদা সমান।আলোর বেগ অসীম নয়।কোন ভাবেই আলোর গতিকে স্পর্শ করা সম্ভব নয়। আলোর বেগ ধ্রুব। আলোর কোনো আপেক্ষিক বেগ নেই ।
►কোন ভাবেই আলোর গতিকে স্পর্শ করা সম্ভব নয়। আলোর বেগ ধ্রুব। আলোর কোনো আপেক্ষিক বেগ নেই ।আলোর বেগ সর্বদা সমান। দৃশ্যমান আলো মূলত তড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালির ছোট একটি অংশ মাত্র। মানুষ ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ দেখতে পায় । [২]
►সাদা আলো সাতটি রঙের মিশ্রণ, প্রিজম এর দ্বারা আলোকে বিভিন্ন রঙে (৭টি রঙ) আলাদা করা যায়। যা আমরা রংধনু দেখতে পাই। আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরন, আপবর্তন, ব্যাতিচার হয়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে আলোর একই সাথে কণা ধর্ম ও তরঙ্গ ধর্ম বিদ্যমান।
পরীক্ষাগারে আলোর দ্বৈত ধর্ম প্রত্যেক বিষয় জোড়া জোড়া
►আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে, তেমনি আছে তরঙ্গ ধর্ম। আলো একধরনের শক্তি, কিন্তু এই শক্তি কোন রূপে থাকে, এটা নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ অনেককালের। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে তেমনি আলোর তরঙ্গ ধর্মও আছে, কিন্তু একই সঙ্গে দুটি নয়!
তবে ►এ পর্যন্ত যত পরীক্ষা হয়েছে, তা কেবল হয় তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ দেয়, যেমন ইয়ংয়ের বিখ্যাত দ্বিচির বা টু-স্লিট পরীক্ষা ব্যতিচারের প্রমাণ দেয়, যা তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ। কিংবা আলোর কণা ধর্মও আছে, যার প্রমাণ মেলে আইনস্টাইনের আলোক তড়িৎক্রিয়া পরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু আলোর দুটি ধর্মই একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়—হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তার নীতির মূল কথাই হলো এটা।
►সুইস ফেডারেলের ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (EPFL-cole polytechnique fédérale de Lausanne is a research institute) বিজ্ঞানীদের কৌতূহল ছিল এই দ্বৈত আচরণ নিয়ে।
►অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা আলোর এই দ্বৈত আচরণের ছবি একই সময়ে নেওয়ার। ২০১৫ সালে তাঁদের অপেক্ষার অবসান ঘটে। তুলতে সক্ষম হন আলোর দ্বৈত চরিত্রের ছবি। সে বছর নেচার কমিউনিকেশন–এ প্রকাশিত হওয়া একটি প্রবন্ধে সেই ছবি সম্পর্কে খুঁটিনাটি আলোচনা করা হয়।
►কোনো ধাতব পাতে অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে আঘাত করলে তা থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন আলোর এই তড়িৎক্রিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য আলোকে কতগুলো নির্দিষ্ট শক্তির প্যাকেট হিসেবে কল্পনা করেন এবং প্রস্তাব করেন যে আলো এ রকম প্যাকেটের মতো গুচ্ছ আকারে উৎস থেকে আসে, যা কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা থেকে আসে। এ পরীক্ষাটিও আলোর কণাতত্ত্বের প্রমাণ দেয়। কিন্তু এ পরীক্ষাটিও আলোর দ্বৈত আচরণের অস্তিত্ব দৃশ্যত প্রমাণ করতে পারেনি।
►বিজ্ঞানী ফাব্রিজিও কার্বনের নেতৃত্বে একটি দল EPFL এ যে গবেষণায় নিযুক্ত ছিলেন তাতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি ছিল আলো তৈরিতে ইলেকট্রন ব্যবহার করা। এই দলের বিজ্ঞানীরা তাঁদের গবেষণায় অবশেষে সক্ষম হন প্রথমবারের মতো একটিমাত্র ছবিতে আলোর দুই রকম অবস্থাকে তুলে ধরতে, যে ছবি বলে দেয় আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে তেমনি তরঙ্গ ধর্মও আছে।
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করতে গেলে ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সাজিয়ে নিতে হয় নিজের মতো করে, ঠিক যেভাবে সাজালে তাদের অনুকল্প এবং পরীক্ষার ফলের সামঞ্জস্য আসবে।
►পরীক্ষাটি করার জন্য লেজার দিয়ে আলো ফেলেন ধাতব ন্যানোমিটার ব্যাসার্ধের তারের ভেতর দিয়ে। লেজার আলো ন্যানোতারের বাইরের পৃষ্ঠে থাকা চার্জিত কণাগুলোকে আন্দোলিত করে। এতে একধরনের স্থির তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, যা পরীক্ষায় আলোর উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তারপর ইলেকট্রন নিক্ষেপ করা হয় এই ন্যানোতারের পাশ দিয়ে। ফলে ইলেকট্রনগুলো ন্যানোতারের আলোক তরঙ্গের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ায় অংশ নেয়। এতে পরিবর্তিত হয় আলোক তরঙ্গের গতি।
►এখানে স্থির তরঙ্গ তৈরি হওয়া যেমন আলোর তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ দেয়। তেমনি ইলেকট্রনের সঙ্গে আলোর মিথস্ক্রিয়ার ফলে ইলেকট্রনগুচ্ছ এবং আলোর প্যাকেটের (কোয়ান্টা) মধ্যে পারস্পরিক শক্তি বিনিময়ের যে মিথস্ক্রিয়া, তা প্রমাণ করে আলোর কণা ধর্মের।https://www.bigganchinta.com/physics/
Comments
Post a Comment