আপডেট ১৩ আগষ্ট, ২০২৪
INFORMATION BANK LIMITED (BANGLADESH)
গড/আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু কর্তৃক সৃষ্ট সৃষ্টির নাম প্রকৃতি
প্রাণের অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়ে আমরা আমাদের দৈহিক জীবনাচার। যার কারণে কেহ মৃত্যু বরণ করলে আমরা বলিঃ “প্রাণ ত্যাগ করলেন”। তেমনি প্রকৃতির অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়ে আমরা মহাবিশ্বকে বলে থাকি “বিশ্বপ্রকৃতি”। আর্টিফিশিয়াল অর্থাৎ মানব হস্তক্ষেপ মুক্ত বাকী আমাদের চার পাশে যা যা আছে সব কিছুকে আমরা প্রাকৃতিক বলে থাকি । প্রাণ যেমন অদেখা একটি বিষয় তেমনি প্রকৃতিও একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট (অতীন্দ্রীয়) বা অদেখা বিষয় ।
পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর নেই। যেমন স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কেমন? ঘূর্ণিঝড় শেষ মুহুর্তে দিক পরিবর্তন করে কেন?ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাষ পাওয়া যায় না কেন? স্ট্যান্ডার্ড মডেল স্বীকৃত বিগ ব্যাং পূর্ব হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন হলেও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের আগে কি ছিল কিংবা কে ছিলেন? এসবের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। অনুরূপ উত্তর পাওয়া না যাওয়া আরেক প্রশ্ন হচ্ছেঃ প্রকৃতি কি? কেমন?
আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতি কি? কেমন? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছেঃ গড/আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু কর্তৃক সৃষ্ট সবই প্রকৃতি আর মানব হস্তযুক্ত (ম্যান মেইড) সবই আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম। অর্থাৎ গড কর্তৃক সৃষ্ট সৃষ্টির নাম প্রকৃতি। সেমতে, ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক যান্ত্রিক উপায়ে কৃত্রিম সৃষ্ট হিবিজ্ঞানে
প্রকৃতি (Nature) শব্দের ব্যবহারঃ
◊ সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব বেশ ভালোভাবে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করতে পারে। তাই ধারণা করা হয়েছে, মহাকর্ষ বিষয়ে এটাই সম্ভবত “প্রকৃতির” সঠিক ব্যাখ্যা।
◊ কোয়ান্টাম মেকানিকসও “প্রকৃতির” সঠিক ও নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস।
◊ “প্রকৃতি” তথা মহাবিশ্বের অন্তনির্হিত তত্ত্ব-তথ্য জানতে চাওয়াটাই বিজ্ঞানীদের জন্য যেন এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
'◊ প্রোটিন এবং ইলেক্ট্রন তাদের চার্জ সম্পর্কিত তথ্যের আদান-প্রাদান করে ফোটনের মাধ্যমে। ফোটন চার্জবিহীন। তাই একটা ফোটন কখনো অন্য ফোটনের সাথে মিথস্ক্রিয়া অর্থাৎ কোনো ধরণের কার্যকলাপে জড়ায় না। এই ফোটনদের আমরা প্রকৃতিতে বিদ্যুৎচুম্বকীয় বল রূপে দেখি।
◊ প্রকৃতির নিয়ম হলো, ভারী কণাগুলো হয় অতিক্ষুদ্র, যে কণা যতো ভারী সে কণা ততোই ক্ষুদ্র। এইজন্যই ভারী কণাদের খুঁজে পেতে অত্যন্ত শক্তিশালী পার্টিকেল-এক্সেলারেটর দরকার, যেটা ক্ষুদ্র স্থানে প্রচুর শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। আপাতত মানব ইতিহাসে তৈরি সবচেয়ে শক্তিশালী পার্টিকেল-এক্সেলারেটর LHC (Large Hadron Collider) চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই অতিপ্রতিসম-কণাদের খুঁজে বের করতে।
◊ কোয়ার্কদের আবদ্ধ কাঠামোকে বলে হ্যাড্রন (Hadron)। প্রকৃতিতে দুই ধরণের হ্যাড্রন পাওয়া যায়: তিনটি কোয়ার্কযুক্ত (অথবা তিনটি এন্টি-কোয়ার্কযুক্ত কাঠামো) ব্যারিয়ন (Baryon), যেমন: প্রোটন, নিউট্রন। অন্যটি একটি কোয়ার্ক এবং একটি এন্টি-কোয়ার্কযুক্ত কাঠামো, এদের বলে মেসন (Meson), যেমন: পাইয়ন।
বিজ্ঞানীদের আধ্যাত্মিক জীবন কাহিনী
গ্রিক দার্শনিক-বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটলঃ ধর্ম বিশ্বাস থেকে অ্যারিস্টটলের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তত্ত্বে বলা হয়ঃ যে বস্ত্ত স্বর্গীয় নয় তা পতনশীল আর যা কিছু স্বর্গীয় তা উর্ধ্বগামী। অআকাশ স্বর্গে যাওয়ার মাধ্যম। তাই আজও ইংরেজীতে আকাশের অনুবাদ করা হয় হেভেন হিসাবে। যেমনঃ..................।
আইজাক নিউটনঃ যদিও নিউটন বিজ্ঞানকে বাইবেল ভিত্তিক না করে গণিতভিত্তিক মূল্যায়ন করতেন তথাপি তিনি কোন তত্ত্বের গভীরে যেতে গডের সাহায্য কামনা করতেন। এ প্রসঙ্গে নিউটন বলেনঃ আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►নিউটনকে আধ্যাত্মিকতায় সবচেয়ে বেশি পেয়ে বসেছিল মহাকর্ষের সাথে মাধ্যাকর্ষণের যোগসূত্র খুঁজে না পেয়ে। এ প্রসঙ্গে নিউটন বলেনঃ “মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে । কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন?”https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
সরল পথে সত্যকে খুঁজতে গিয়ে নিউটন সৃষ্টিকর্তাকে খুঁজে পান তাঁর বৃদ্ধাজ্গুলিতে এই বলেঃ অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►নাস্তিকতা এত নির্বোধ। যখন আমি সৌরজগতের দিকে তাকাই, আমি পৃথিবীকে সূর্য থেকে সঠিক দূরত্বে দেখি তাপ এবং আলোর সঠিক পরিমাণ পেতে https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন।
► পৃথিবীর এই বিপুল জ্ঞানভাণ্ডারকে জানার ক্ষেত্রে আমি সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এক শিশুর মতো, যে শুধু সারাজীবন নুড়িই কুড়িয়ে গেল। সমুদ্রের জলরাশির মতো বিশাল এই জ্ঞান আমার অজানাই থেকে গেল https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
আইনস্টাইনঃ আইনস্টাইন শিশুকাল থেকে ধর্মানুরাগী ছিলেন বটে তবে তিনি ঈশ্বরের নিকট নিজেকে একমাত্র শ্রেষ্ঠ মনে করতেন না।তিনি বলতেন জ্ঞান থেকে নয় কল্পনা থেকে তিনি আবিস্কারের সূত্র পেতেন। বিষয়টি নিউরোজিক্যাল বিশ্লেষণের দাবি রাখে। অআইনস্টাইন জীবনের সুদীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে নিরলস সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের পেছনে অবসর সময় ব্যয় করেছিলেন তাতে অআপেক্ষিকার সাথে কোয়ান্টামের পাশাপাশি ধর্ম এবং বিজ্ঞানেরও একীভূতকরণ কামনা করতেন। তৎপরিপ্রেক্ষিতে যে মন্তব্য করছিলেন তা বিজ্ঞান জগতে প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে আছে। মন্তব্যটি হচ্ছেঃ Science without religion blind.......................
গস বোসন এর উপনাম গড পার্টিকেল মহান আল্লাহর একত্ববাদ বিবেচনায় আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতপক্ষে তা গড পার্টিকেল নয় গড’স পার্টিকেল অর্থাৎ গড/আল্লাহ সৃষ্ট পার্টিকেল বা কণা।
এখনও মহাবিশ্ব যে প্রক্রিয়ায় বিগ ব্যাং পূর্বাবস্থায় রয়েছে
সাধারণ চর্ম চক্ষে দেখা সবই যেন আপেক্ষিক, ইনভেরিয়েন্ট বা চূড়ান্ত নয়। এমনকি এখনও যেন বাস্তবে মহাবিশ্ব বিগ ব্যাং পূর্বাবস্থায় রয়েছে বিগ ব্যাং যেন হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অআভ্যন্তরীণ বিস্ফোরণ মাত্র যার বাহ্যিক অবস্থা যেন বিগ ব্যাং পূর্ব অবস্থাতেই রয়ে গেছে।
প্রমাণঃ দূরে বলে ছোট দেখি, বড় বলে চোখে দেখি । তবে বেশি দূরের জিনিস ছোটও দেখি না, তা যত বড়ই হোক না কেন টেলিস্কোপ ছাড়া।
ধর্ম এবং বিজ্ঞানের গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশনঃ
আল্লাহ একাধারেঃ আহাদ, সামাদ, সুবহান, মালিকুল কুদ্দুস,সালাম, মুমিনুল, মুহাইমিনুল, আজিজুল, জাব্বারুল মুতাকাব্বির, খালিকুল, বারিউল, মুসাওইউরি, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব যিনি রহমান-রহিমও বটে। এসব বিরল, কুদরাতি গুণাবলী প্রকৃতিতে নেই। তাই গড-আল্লাহর বিকল্প হতে পারে না নেচার বা প্রকৃতি। বরং নেচার বা প্রকৃতির সৃষ্টিকর্তাও স্বয়ং আল্লাহ গড। মানব হস্তমুক্ত যা কিছু সামনে-পিছনে, ডানে-বায়ে, উপরে-নীচে দৃশ্যমান-অদৃশ্যমান যা কিছু রয়েছে তার একক নামক “প্রকৃতি”(Nature)- যার সবটুকুই সৃষ্টি বা মাখলুক্ব যার একক স্রষ্টার নাম “গড” অর্থাৎ “আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু”।
গড পার্টকেল নয়-গড’স পার্টিকেল
গড কর্তৃক সৃষ্ট সৃষ্টির একক নাম প্রকৃতি। সেমতে, ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক যান্ত্রিক উপায়ে কৃত্রিম সৃষ্ট হিগস বোসন এর উপনাম গড পার্টিকেল আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃত অর্থ হবেঃ গড’স পার্টিকেল (গড পার্টিকেল নয়)।
উল্লেখ্য, হযরত আদম আলাইহিমুস সালাম থেকে শুরু করে মানব জাতির একক সৃষ্টিকর্তার নাম আল্লাহ। “সৃষ্টিকর্তা বিষয়ক গড, খোদা এসব পরবর্তীতে শাব্দিক কিংবা ভাষার বিবর্তনের ফসল যা মহান আল্লাহর ওয়াহদানিয়াত বা একত্ববাদের সাথে সংগতিশীল নয়।
এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল?
এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল এ প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হচ্ছে জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড।
পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর নেই যেমন স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কেমন? ঘূর্ণিঝড় শেষ মুহুর্তে দিক পরিবর্তন করে কেন?ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাষ পাওয়া যায় না কেন? স্ট্যান্ডার্ড মডেল স্বীকৃত বিগ ব্যাং পূর্ব হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল কিংবা কে ছিলেন? এসবের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। অনুরূপ উত্তর পাওয়া না যাওয়া আরেক প্রশ্ন হচ্ছেঃ প্রকৃতি কি? কেমন?
আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতি কি? কেমন? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছেঃ গড কর্তৃক সৃষ্ট সবই প্রকৃতি আর মানব নির্মিত ম্যান মেইড সবই আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম।
উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের মূল বস্ত্তগত ভিত্তি কোয়ার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে “অদৃশ্য স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক”। সত্যাসত্যতার ভিত্তি সরেজমিনে দর্শন হলেও তা স্থান, কাল, পাত্রভেদে আপেক্ষিক। মামলার সাক্ষ্যের জন্য প্রত্যক্ষ দর্শন জরুরী তেমনি না দেখে বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস স্থাপন জরুরী একজন বিজ্ঞানের ছাত্রের জন্য নিউটন বা আইনস্টাইনের সূত্রে বিশ্বাস জরুরী, কলা বা আর্টের ছাত্রের জন্য তত জরুরী নয়
নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে সত্যাসত্যতার ভিত্তি যেমন সরেজমিনে দর্শন অন্যদিকে কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে তা নয়। যেমন প্রাণ, প্রকৃতি কিংবা স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক এসবের ক্ষেত্রে দর্শন শর্তমুক্ত।
ধর্ম এবং বিজ্ঞানের গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশনঃ
অর্থহীন প্রশ্ন এবং অর্থহীন উত্তরে আর যাই হোক মহাবিশ্বকে পুরোপুরি জানা সম্ভবপর হবে না। প্রশ্নের পর প্রশ্ন এবং উত্তরের পর উত্তরের পরিসমাপ্তির জন্য আমাদেরকে অসীমকে বরণ করে নিতে দ্বিধা থাকা উচিত নয়, যদিও অবচেতন মনে অআমরা সত্যই জ্ঞাত কিংবা অজ্ঞাতসারে আমরা অসীমকে ধারণ করেই চলেছি জীবনভর। ধারণকৃত অসীমটি হচ্ছে প্রকৃতি বা নেচার। তা-ও আবার এটা স্বয়ং সম্পূর্ণ সত্বার অধিকারী নয় সংগত কারণে। নেচার বা প্রকৃতির মৌখিক কিংবা লিখিত কোন দলিল প্রমাণ নেই। প্রকৃতি সরব বাকশক্তির অধিকারী নয় বরং বড়জোর এটি একটা কথার কথা বা হাইপো....ক্যাল ব্যাপার হতে পারে। পক্ষান্তরে গড নামক অসীম ধারণামতে,এটি হাইউল কাইউম, জীবন্ত,চিরস্থায়ী একক সত্বা বিশেষ। তিনি এমন সত্বা যিনি একাধারে আহাদ, সামাদ এবং সুবহান যে গুণাবলীতে তিনি বস্ত্ত –পদার্থ বিনা উপাদান-উপকরণে সম্পূর্ণ কুদরাতিভাবে সৃষ্ট যিনি কুদরাতিভাবে ক্ষুদ্র-বৃহৎ সবার ঝুটি ধারণ করে আছেন। প্রকাশ ঘটনা রহমানিয়াত এবং রহিমিয়াতও। মহাকর্ষ নামে হোক মাধ্যাকর্ষণ নামে হোক, যে নামেই হোক না কেন সবই মহান আল্লাহর অপার দান মাত্র।
প্রাণের অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়ে আমরা আমাদের দৈহিক জীবনাচার। যার কারণে কেহ মৃত্যু বরণ করলে আমরা বলিঃ “প্রাণ ত্যাগ করলেন”। তেমনি প্রকৃতির অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়ে আমরা মহাবিশ্বকে বলে থাকি “বিশ্বপ্রকৃতি”। আর্টিফিশিয়াল অর্থাৎ মানব হস্তক্ষেপ মুক্ত বাকী আমাদের চার পাশে যা যা আছে সব কিছুকে আমরা প্রাকৃতিক বলে থাকি । প্রাণ যেমন অদেখা একটি বিষয় তেমনি প্রকৃতিও একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট (অতীন্দ্রীয়) বা অদেখা বিষয় ।
পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর নেই। যেমন স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কেমন? ঘূর্ণিঝড় শেষ মুহুর্তে দিক পরিবর্তন করে কেন?ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাষ পাওয়া যায় না কেন? স্ট্যান্ডার্ড মডেল স্বীকৃত বিগ ব্যাং পূর্ব হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন হলেও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের আগে কি ছিল কিংবা কে ছিলেন? এসবের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। অনুরূপ উত্তর পাওয়া না যাওয়া আরেক প্রশ্ন হচ্ছেঃ প্রকৃতি কি? কেমন?
আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতি কি? কেমন? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছেঃ গড/আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু কর্তৃক সৃষ্ট সবই প্রকৃতি আর মানব হস্তযুক্ত (ম্যান মেইড) সবই আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম। অর্থাৎ গড কর্তৃক সৃষ্ট সৃষ্টির নাম প্রকৃতি। সেমতে, ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক যান্ত্রিক উপায়ে কৃত্রিম সৃষ্ট হিগস বোসন এর উপনাম গড পার্টিকেল মহান আল্লাহর একত্ববাদ বিবেচনায় আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতপক্ষে তা গড পার্টিকেল নয় গড’স পার্টিকেল অর্থাৎ গড/আল্লাহ সৃষ্ট পার্টিকেল বা কণা।
অনুরূপ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল এ প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হচ্ছে প্রকৃতি কিংবা গড।
উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের মূল বস্ত্তগত ভিত্তি কোয়ার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে “অদৃশ্য স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক”। সত্যাসত্যতার ভিত্তি সরেজমিনে দর্শন হলেও তা স্থান, কাল, পাত্রভেদে আপেক্ষিক। মামলার সাক্ষ্যের জন্য প্রত্যক্ষ দর্শন জরুরী তেমনি না দেখে বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস স্থাপন জরুরী একজন বিজ্ঞানের ছাত্রের জন্য নিউটন বা আইনস্টাইনের সূত্রে বিশ্বাস জরুরী, কলা বা আর্টের ছাত্রের জন্য তত জরুরী নয়
নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে সত্যাসত্যতার ভিত্তি যেমন সরেজমিনে দর্শন অন্যদিকে কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে তা নয়। যেমন প্রাণ, প্রকৃতি কিংবা স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক এসবের ক্ষেত্রে দর্শন শর্তমুক্ত।
►পদার্থবিদরা বিশ্বাস করেন যে, রহস্যময় হিগস-বোসনের সঙ্গে সংঘর্ষে বিভিন্ন মাত্রার ভরের (Mass) জন্ম হয়। পদার্থ বিজ্ঞানের এ সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্নকে সামনে রেখে ১৯৭১ সাল থেকে কণাত্বরণ যন্ত্র লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে এ বিষয়ে বাস্তব প্রমাণের উদ্যোগ নেয়া হয় । তবে ২০০৮ সাল থেকে এই কলাইডারের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।বিপুল শক্তিসম্পন্ন অতি পারমাণবিক কণার জন্ম-তত্ত্ব আবিস্কার করতে CERNআয়োজন করেছিল বিশাল আকারের মহাপরিকল্পনা। এই পরীক্ষা মানব ইতিহাসে শুধু গুরুত্বপূর্ণই নয়; দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয় বহুলও বটে। অতি পারমাণবিক কণার জন্ম-তত্ত্ব গবেষণার প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল তৎকালীন প্রায় ৫০০ কোটি পাউন্ড এবং তাতে উপস্থাপিত হয়েছে অন্ততঃ ৬০,০০০ (ষাট হাজার) অত্যাধুনিক কম্পিউটার ।
►বস্তু-পদার্থজাত বিশ্ব সৃষ্টির নির্ভুল ও অভিন্ন রহস্য বা উৎসমূল আবিস্কারের মহৎ লক্ষ্যে আজিকার বিশ্বের খ্যাতনামা সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা কেন্দ্রে CERNকর্তৃক বিশ্বের খ্যাতনামা বিজ্ঞানীদের-কে যথাক্রমে (১)Atoroidal lhc apparatus (atlas) এবং (২) Compact muon solenoid (cms) নামক দু'টি দলে বিভক্ত করা হয়। সর্ম্পূণ পৃথক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় একদল-কে জেনেভা এবং অপর দল-কে লন্ডনে নিয়োজিত করা হয়েছিল-যাতে উভয় দল একে অপরের কার্যক্রম সর্ম্পকে বিন্দুমাত্র অবহতি না হতে পারে। উদ্দেশ্য: নির্ভুলভাবে অভিন্ন ফলাফল লাভ। অবশেষে উভয় দল বিশাল দূরত্বে (জেনেভা হতে লন্ডন) অবস্থান করে কোন প্রকার পূর্ব যোগাযোগ ব্যতিরেকেই হিগস-বোসন অতিপারমানবিক কণা প্রাপ্তির বিষয়ে একই সঙ্গে একই ফলাফলে উপনীত হয়। যার ফলে CERNকর্তৃপক্ষ ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মলেনে বিশ্ববাসীকে এ মর্মে বিজ্ঞাপিত করে যে, স্ট্যান্ডার্ড মডেলের স্বীকৃত ১২তম “হিগস-বোসন নামক বহুল প্রত্যাশিত মৌলিক কণারটির সন্ধান পাওয়া গেছে।
মানব চিন্তাধারার উৎস
মানব চিন্তাধারার উৎস মস্তিস্কের কিংবা দেহের কোনো অঙ্গ প্রত্যঙ্গে যেমনি বিজ্ঞানীরা পাননি তেমনি নেই প্রাণধারার উৎসও এই পৃথিবীর কোথাও খুঁজে পান নি বিধায় ধারণা করছেন যে, সুদূর অতীতে পৃথিবীতে মহাকাশ হতে পতিত কোনো গ্রহাণু এই প্রাণ বয়ে এনেছিল। আইনস্টাইন বলতেন আমি জ্ঞান থেকে নয় আমার কল্পনা থেকে গবেষণা করে থাকি।নিউটন বলতেন, :আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
বক্তার অনর্গল বক্তৃতা, লেখকের লেখার স্রোতধারা, বিজ্ঞের বিজ্ঞোচিত উক্তি-এই সবের উৎস বহির্জগত। বিজ্ঞানীদের মতে, দূরতম গ্যালাক্সি এলাকায় উৎপন্ন গামা রশ্মি মানব মস্তিস্কে উদ্ভূত চিন্তাধারার প্রভাবক।
কল্যাণকর চিন্তাধারার উৎসকে ইসলামী পরিভাষায় বলা হয় ইলহাম, ইলকা আর অকল্যাণকর চিন্তাধারার উৎসকে বলা হয় ইস্তিদরাজ সার্চ।
বিজ্ঞানীদের মতে, প্রকৃতিতে হ্যাঁ এবং না-বোধক একটা উহ্য বিষয় রয়েছে যা সত্য-মিথ্যাকে প্রতিপন্ন করে যা কম্পিটারিং পরিভাষায় বলা হয় বাইনারি কোড। অনুরুপ মহাজাগতিক জীবনে বাইনারি কোড কিংবা হ্যাঁ-না-বোধকরূপে রাত-দিন, জোয়ার-ভাটা, পূর্ণিমা-আমাবস্যা,হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ, ন্যায়-অন্যায়, লাভ-ক্ষতি, উপকারী অপকারী, জ্ঞানী –অজ্ঞ ইত্যাদি বিপরীতমুখী বিষয় রয়েছে যা অনস্বীকার্য যা বস্ত্তনির্ভর পদার্থ বিজ্ঞানে অনালোচিত, অব্যাখ্যাত।
“১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলোর তরঙ্গের কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক স্থাপন করেন। কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক সমানুপাতিক। তরঙ্গের কম্পাংক যত বেশি, শক্তিও তত বেশি হবে” (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২০, পৃষ্ঠা ৫৮)।
বিশ্ব চলে মধ্যপন্থায়
“আইনস্টাইন বিশ্বাস করেছেন, বিশ্বের সব ঘটনার একটি সুনির্দিষ্ট পরিণতি থাকে। অন্যদিকে কোয়ান্টাম মেকানিকস অনুসারে পৃথিবীর সব ঘটনাই সম্ভাবনার সূত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত” (বিজ্ঞানচিন্তা, ২০২০, পৃষ্ঠা ১৪)।
IRRSTC: উপরোক্ত বিভক্ত মতের উপর ইসলামী মধ্যপন্থী আকিদা-বিশ্বাস হচ্ছে মহাবিশ্ব ১) অপরিবর্তনীয় স্থায়ী তাকদির এবং ২) পরিবর্তনশীল অস্থায়ী তাকদিরের উপর প্রতিষ্ঠিত।
উল্লেখ্য,আল্লাহ যদি মানুষের প্রতি দয়ার ভান্ডার খুলে দেন তাহলে তার রদকারী কেহ নেই। আর যা দিতে চান না, জগতের সব শক্তি একত্রিত হলেও তা সম্ভব হবে না। তাকদিরে যা অপরিবর্তনশীল রেখেছেন তা এমনকি দোয়া –কালামে, ওষুধ-পথ্যে তার পরিবর্তন হবে না। কেবল দোয়া-কালাম, ওষুধ-পথ্যে কিংবা জাগতিক চেষ্টা-তদ্বিরে তা-ই পরিবর্তন হবে যা আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক পরিবর্তনশীল করেছেন।
• ফোটন কী ?
• হাইয়ে্স্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বিস্ফোরণ জনিত কারণে সৃষ্ট বিগ ব্যাং ঘটনার মাধ্যমে মহাবিশ্বের যে সূচনা- সে সূচনালগ্নের সর্বপ্রথম সৃষ্ট উপাদানটির নাম ফোটন যা মূলতঃ আলোর কোয়ান্টা।
• ফোটনের কাজ
প্রোটিন এবং ইলেক্ট্রন তাদের চার্জ সম্পর্কিত তথ্যের আদান-প্রাদান করে ফোটনের মাধ্যমে। ফোটন চার্জবিহীন। তাই একটা ফোটন কখনো অন্য ফোটনের সাথে মিথস্ক্রিয়া অর্থাৎ কোনো ধরণের কার্যকলাপে জড়ায় না। এই ফোটনদের আমরা প্রকৃতিতে বিদ্যুৎচুম্বকীয় বল রূপে দেখি।
• প্রকৃতিতে হ্যাড্রন বর্ণহীন। এই বর্ণহীন হ্যাড্রন গঠন করা সম্ভব ব্যারিয়নের মাধ্যমে (ওপরে দুটি), কিংবা মেসনের মাধ্যমে (নিচের তিনটি)।
• কোয়ার্কদের এই রঙের কারণে গ্লুয়নদেরও রং আছে। প্রকৃতিতে গ্লুয়ন পাওয়া যায় মোট আটটি সেটে (Set), প্রতিটি সেটে রয়েছে একটি গ্লুয়ন এবং একটি এন্টি-গ্লুয়ন।
বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল যে ক্ষেত্রে অকার্যকর
বৃহৎ পরিসরে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের ক্ষেত্রে বিপর্যয় ঘটতে দেখা যায়। যেমন পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে। তাই তারা বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে পরস্পরকে সেভাবে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়। তাই সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল বাতিল হয়ে যায়।
সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত।
যেভাবে গ্র্যাভিটন সৃষ্টি হচ্ছে
আমরা জানি, বিগ ব্যাংয়ের পর হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে বিদ্যমান যে ৪ মহাবল শুরুতে বিভক্ত না হলেও পরবর্তীতে পৃথক হয়ে বর্তমানে ভিন্ন ভিন্নভাবে মহাবিশ্বের সর্বত্র অবস্থান করছে তার অন্যতম হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল। পদার্থ বিজ্ঞানে মহাকর্ষকে এক প্রকার ‘কসমিক ম্যাগনেট’ হিসাবে বিবেচনা করায় মহাকর্ষ বস্ত্ত-পদার্থকে টানা না টানা, চাপ না চাপার বিষয়টি উঠে এসেছে। এমনিতে পৃথিবীর নিকটবর্তী উর্ধ্বাকাশে রয়েছে চুম্বক ক্ষেত্রে তার সাথে রয়েছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল। এটি শুন্যে এক প্রকার চুম্বকীয় আবহ সৃষ্টি করে রেখেছে যাকে কোয়ান্টাম মেকানিক্সে বলা হয় শক্তি। পক্ষান্তরে জমাট বদ্ধ বস্ত্ হচ্ছে একাধিক শক্তির একক রূপ। পৃথিবীর ভূগর্ভে এসব শক্তি কোবাল্ট, ম্যাগনেট, আয়রন ইত্যাদি খনিজ উপাদান হিসাবে বিদ্যমান। তবে মাটিতে খনিজ আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকায় ভূগর্ভস্থিত পানিতে প্রচুর আয়রন দেখা যায়।
উল্লেখ্য, ৮০,০০০ বছর পূর্বে আকাশ থেকে পতিত বৃহাদাকারের উল্কাপিন্ডের ....ভাগ ছিল আয়রন। সেমতে মহাকর্ষকে একটা আস্ত মহাকাশীয় ম্যাগনেট এবং পৃথিবীকে আস্ত একটা লোহা খন্ড বিবেচনা করলে মধ্যবর্তী শুন্য স্থানে সৃষ্টি হবে পৃথিবীমুখী (নিম্নমুখী) গ্র্যাভিটন কণা।
পক্ষান্তরে মানুষসহ প্রাণীদেহে উদ্ভিদজাত খাদ্য গ্রহণের কারণে খনিজজাত আয়রন এবং ম্যাগনেটসহ বিভিন্ন প্রকার খনিজ উপাদান থাকে। উল্লেখ্য, একজন মানুষের দেহে যে পরিমাণ আয়রণ (লৌহ কণিকা) রয়েছে তা দিয়ে এত বড় পেরেক তৈরি করা সম্ভব যাতে করে তাকে অনায়াসে দেওয়ালে গেঁথে রাখা সম্ভবপর হবে। পাশাপাশি দেহে রয়েছে খনিজজাত ম্যাগনেটও। কখনও ধনাত্মক কখনও ঋণাত্মক কখনও আশার অআলো কখনও নিরাশার অন্ধকার যেন লেগেই আছে মহাকর্ষের পরতে পরতে। এতক্ষণ পৃথিবীর ভূখন্ডে খনিজ আয়রণকে প্রাধান্য দিয়ে একটি সিদ্ধান্তের যে কোশেশ তা যেন ম্লান হয়ে পড়ে যখন জানা যায় ভূগর্ভে চুম্বক প্রবাহ চলমান রয়েছে। এতে উর্ধ্বাকাশে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের প্রভাব ভূগর্ভে ম্যাগনেটিক ফ্লো এর ফলে অআকর্ষণ পরিণত হয় বিকর্ষণে। যদি তাই হয় তাহলে লোহা-ইস্পাত নির্মিত সমুদ্রগামী নৌযানকে ভূত্বকের ম্যাগনেটিক পাওয়ার পানির নীচে তলিয়ে নিয়ে যাওয়ারই কথা। ধরে নেয়া যায় যে, পানির .......এর তুলনায় ম্যাগনেটিক পাওয়ার মহাকর্ষের মতই দূর্বল। মহাকর্ষের দূর্বলতার কারণে সম্ভবতঃ আয়রনসমৃদ্ধ আমাদের দেহকে উপরে উঠিয়ে নেওয়া সম্ভবপর হচ্ছে না।
প্রমাণঃ দূর্বল রোগী এবং বৃদ্ধের দেহে বিদ্যমান আয়রন, ম্যাগনেটসহ নানান উপাদান কমে যেতে পারে। বিশেষ করে ম্যাগনেট পাওয়ার কমে যাওয়ায় দূর্বল রোগী ও বৃদ্ধদের ভূত্বকে মাধ্যাকর্ষণের ভারসাম্যতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা ঠাই দাড়িয়ে থাকতে পারে না।
পুকুরে পানির উর্ধ্বচাপ এবং ম্যাগনেট কমে যাওয়ায় দূর্বল রোগী এবং বৃদ্ধরা বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
সম্ভবতঃ ঘোড়ায় যথাযথ ম্যাগনেটিক পাওয়ার থাকার কারণে রাতে ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে। বজ্রে নিহিত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বলের প্রভাবের কারণে বজ্রঘাতে নিহত ব্যক্তিকে ঠাই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। স্পর্শ পেলে ডলে পড়ার কারণ নিহত ব্যক্তির দেহ থেকে বিদ্যুৎ চুম্বকের স্থানান্তর হওয়া।
ফলে মহাকর্ষীয় ম্যাগনেট এবং ভূত্বকীয় আয়রন প্রভাববিহীন হওয়ার কথা সূর্য এবং পৃথিবীর সমমানের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের মতো।
বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর মানে দাঁড়ায়, মহাকর্ষকে বাতিল করা যায় না। কিন্তু বৃহৎ পরিসরে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের ক্ষেত্রে তা ঘটতে দেখা যায়।
সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত।
irrstc; পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে। তাই তারা বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে পরস্পরকে সেভাবে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়। তাই সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল বাতিল হয়ে যায়।
অনুরুপ যদি পৃথিবীর ভূখন্ডকে বেশির ভাগ খনিজ আয়রণ উপাদানসমৃদ্ধ ভূত্বক বিবেচনা করা হলে এবং মহাকর্ষকে মহাকাশের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের সাথে মিথস্ত্রিয়ায় সৃষ্ট ম্যাগনেটিক বল ধরা হলে পৃথিবীর আয়রণসমৃদ্ধ ভূত্বক স্বাভাবিকভাবে চৌম্বকধর্মী মহাকর্ষকে সংগত যে কারণে উপর থেকে টেনে নিচে নামাতে চেষ্টা করবে সে কারণটি হচ্ছেঃ যদিও চুম্বক লোহাকে টানার কথা যদি চুম্বক লোহা থেকে বড় হয় কিন্ত্ত লোহা যদি বৃহাদাকারে ভারী হয় তাহলে লোহা স্বয়ক্রিয়ভাবে চুম্বককে টানবে অথবা চুম্বক নিজেই লোহায় মিথস্ত্রিয়া করবে । শুন্যে বিরাজমান চৌম্বকধর্মী মহাকর্ষ স্বাভাবিকভাবে আয়রনসমৃদ্ধ ভূত্বককে আকর্ষণ করতে গিয়ে মধ্যবর্তি স্থানে নিম্নচাপধর্মী গ্র্যাভিটন অবস্থার সৃষ্টি হবে। এই নিম্নচাপের দরুন মধ্যবর্তী ভূত্বক অবস্থানে অবস্থানরত মানুষসহ সকল প্রাণী চুম্বক প্রভাবিতত মহাকর্ষের চুম্বকের প্রভাবে বস্তাচাপার মত চাপা পড়ার কথা। কারণ, যেখানে মহাকর্ষ প্রবল সেখানে মহাকর্ষীয় নিম্নচাপ জনিত কারণে পা তুলতে হিমশিম খেতে হয়, ঘটনা দিগন্তে এই চাপের দরুন আলো পর্যন্ত ফিরে আসতে পারে না। চাঁদে মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ পৃথিবীর ত্বরণের চাইতে কম হওয়ায় অ্যাপোলো-১১ এর নভোচারী নিলস আর্মস্ট্রং-কে চাঁদের ভূত্বকে অনায়াসে পা তোলা সম্ভব করেছিল।
(।) সমস্যা হচ্ছে এ যুক্তি ধোপে ঠিকছে না কারণ সূর্য এবং পৃথিবীর মত আমাদের দেহে রয়েছে একাধারে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক খনিজ আয়রণ এবং ম্যাগনেট। ফলে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ এর কারণে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে যেভাবে সূর্য এবং পৃথিবি পরস্পরকে প্রভাবিত করে না কারণ পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়।
এমতাবস্থায় সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল যেমন বাতিল হয়ে যায় অনুরূপ মহাকর্ষের চুম্বক শক্তি এবং ভুত্বকের খনিজজাত আয়রণ ভিত্তিক মহাকর্ষীয় তত্ত্ব ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ এর কারণে বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা।
"থিওরি অভ এভরিথিং"
আইন্সটাইন তার জীবনের বাকী বছরগুলোতে পাগলপ্রায় ছিলেন শুধু একটামাত্র তত্ত্বের সন্ধানে "থিওরি অভ এভরিথিং" যা পূর্ণমাত্রায় মহাবিশ্বের ভবিষ্যতবাণী করতে সক্ষম। আফসোস তিনি সফল হতে পারেননি। এর অর্থ তিনি জানতেন তার জন্ম দেয়া আপেক্ষিকতাবাদ মহাবিশ্বকে বুঝার জন্য যথেষ্টও নয়।
প্রখ্যাত বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞান, বিগ ব্যা এর অন্যতম স্থপতি স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, তিনি নাকি প্রতি সপ্তাহে দু-একটি করে চিঠি পেতেন যে, আপেক্ষিকতাবাদ আসলে ভুল।
এ প্রসঙ্গে স্টিফেন হকিং আরও বলেনঃ আমার ধারনা অধিকাংশ মানুষ যারা বিজ্ঞানকে বুঝেন তারা আপেক্ষিকতাবাদকে খুবই উপভোগ করেছেন। কিন্তু আমি মনে করি আপেক্ষিকতাবাদ আসলে মহাবিশ্বের কিছুই ব্যাখ্যা করতে পারেনা। সার্বিক আপেক্ষিকতাবাদে যেখানে মহাকর্ষকে চতুর্মাত্রিক স্থান-কাল ফেব্রিক্স হিসেবে চিত্রায়িত করা হয়েছে সেখানে সূর্যের চেয়ে তার গ্রহগুলির স্থান-কালের বুনন বেশী হয়ে যায় অর্থাৎ দুজন জমজের ওজন পৃথিবীর তুলনায় যিনি চাঁদে বাস করবেন তার ওজন বেশী হয়ে যাচ্ছে, অর্থাৎ আমরা যা জানি তার বিপরীত হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ পৃথিবীতে ১ কেজি =চাঁদে সেটা হবে ১০ কেজি সূর্যে সেটা হবে মাত্র ১০ গ্রাম যদিও মহাকর্ষের চাপের কারণে প্রকৃতপক্ষে যা পৃথিবীতে ১০ কেজি =চাঁদে সেটা হবে ১ কেজি।
স্টিফেন হকিং বলেন, আইনস্টাইনের মহাকর্ষ সূত্রকে বলা হতো মহাবিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর তত্ত্ব সেটা আদতে ভুল ছাড়া আর কিছুই নয় যা কিনা নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্রে পূর্ণতা ছিল। আমার মনে হয় নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র আরো সূন্দরভাবে মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। বলে রাখা ভালো যে,নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্রে সময়ের অস্তিত্ব নেই অর্থাৎ মহাবিশ্বের একপ্রান্ত হতে বিশাল দূরত্বের অপরপ্রান্তে বস্তুদ্বয়ের মধ্যে আকর্ষণ বল ক্রিয়াশীল হতে কোনো সময়ের প্রয়োজন নেই।
স্টিফেন হকিং বলেন মহাকর্ষকে কোনো কণাবাদী ও তরঙ্গবাদীতত্ত্ব দ্বারা বা স্থান-কাল বুনন দিয়ে ব্যাখ্যা করতে গেলে সে তত্ত্বকে দেখতে সাদামাটা ও অতিশয় সৌন্দর্য দেখাবে কিন্তু একটু গভীরভাবে দেখলে এই তত্ত্বগুলো হাতে মগজ ধরিয়ে দেবে। আইনস্টাইন তার তত্ত্বকে গভীরভাবে নেননি, এটাও তার জীবনের একটা বড় ভুল।
আইনস্টাইনের মহাকর্ষের সূত্রানুযায়ী সৌরজগতের সমস্ত গ্রহাদির কক্ষপথ বৃত্তাকার হওয়ার কথা,কিন্তু এখানেও আমরা দেখি যে গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথ অনুসরণ করে -এটাও তার তত্ত্বের একটা অন্ধকার দিক। তাহলে আপেক্ষিকতাবাদে আলোক রশ্মি সূর্যের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বেঁকে যায় এই ভবিষ্যৎবাণী?
lRRSTC মনে করে, সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদে আইনস্টাইন মহাকর্ষকে গভীরভাবে নেননি, বরং এটাকে অতি সাদামাটা ভাবে নিতে গিয়ে বলেছিলেনঃ মহাকর্ষ বলতে কিছু নেই-এটি স্থান কালের বক্রতা মাত্র। স্থান কালের বক্রতায় যত না মহাকর্ষের প্রসঙ্গ ছিল তার চেয়ে বেশি প্রসঙ্গ ছিল ব্ল্যাক হোলের সম্ভাব্যতা তা-ও আইনস্টাইনের জন্য নিছক একটা তাত্ত্বিক বিষয়। ব্ল্যাকহোলের বাস্তবিক স্থপতি ছিলেন জার্মানীর কার্ল সোয়ার্জশিল্ড। আইনস্টাইন কর্তৃক আপেক্ষিকতাবাদ রচনা পূর্তির এক মাস পেরুবার আগেই পূর্ব বার্লিনের এক সামরিক হাসপাতালে মুমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসারত থাকাকালীন সময়ে হাতে পৌঁছলে সোয়ার্জশিল্ড তা নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে গিয়ে মহাকাশে অসীম ভরত্ব সম্পন্ন বস্ত্তর উপস্থিতি অনুভব করেন যাকে বর্তমানে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকহোল।
বিজ্ঞানীদের আধ্যাত্মিক জীবন কাহিনী
গ্রিক দার্শনিক-বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটলঃ ধর্ম বিশ্বাস থেকে অ্যারিস্টটলের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তত্ত্বে বলা হয়ঃ যে বস্ত্ত স্বর্গীয় নয় তা পতনশীল আর যা কিছু স্বর্গীয় তা উর্ধ্বগামী। অআকাশ স্বর্গে যাওয়ার মাধ্যম। তাই আজও ইংরেজীতে আকাশের অনুবাদ করা হয় হেভেন হিসাবে। যেমনঃ..................।
আইজাক নিউটনঃ যদিও নিউটন বিজ্ঞানকে বাইবেল ভিত্তিক না করে গণিতভিত্তিক মূল্যায়ন করতেন তথাপি তিনি কোন তত্ত্বের গভীরে যেতে গডের সাহায্য কামনা করতেন। এ প্রসঙ্গে নিউটন বলেনঃ আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►নিউটনকে আধ্যাত্মিকতায় সবচেয়ে বেশি পেয়ে বসেছিল মহাকর্ষের সাথে মাধ্যাকর্ষণের যোগসূত্র খুঁজে না পেয়ে। এ প্রসঙ্গে নিউটন বলেনঃ “মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে । কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন?”https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
সরল পথে সত্যকে খুঁজতে গিয়ে নিউটন সৃষ্টিকর্তাকে খুঁজে পান তাঁর বৃদ্ধাজ্গুলিতে এই বলেঃ অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►নাস্তিকতা এত নির্বোধ। যখন আমি সৌরজগতের দিকে তাকাই, আমি পৃথিবীকে সূর্য থেকে সঠিক দূরত্বে দেখি তাপ এবং আলোর সঠিক পরিমাণ পেতে https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন।
► পৃথিবীর এই বিপুল জ্ঞানভাণ্ডারকে জানার ক্ষেত্রে আমি সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এক শিশুর মতো, যে শুধু সারাজীবন নুড়িই কুড়িয়ে গেল। সমুদ্রের জলরাশির মতো বিশাল এই জ্ঞান আমার অজানাই থেকে গেল https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
আইনস্টাইনঃ আইনস্টাইন জীবনের সুদীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে নিরলস সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের পেছনে অবসর সময় ব্যয় করেছিলেন তাতে অআপেক্ষিকার সাথে কোয়ান্টামের পাশাপাশি ধর্ম এবং বিজ্ঞানেরও একীভূতকরণ কামনা করতেন। তৎপরিপ্রেক্ষিতে যে মন্তব্য করছিলেন তা বিজ্ঞান জগতে প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে আছে। মন্তব্যটি হচ্ছেঃ Science without religion blind.......................
• (দুই) তপ্ত-কণা: মহাবিশ্বের সূচনালগ্নে শীতল-কণার মতোই এমন কণা এবং প্রতিকণা তৈরি হবার সম্ভাবনা ছিলো যারা খুব হালকা। হালকা বলে এদের গতি প্রায় আলোর কাছাকাছি। তাই এদের বলে তপ্ত-কণা (Hot particles)। বস্তুত, স্ট্যান্ডার্ড-মডেলে একটি কণা আছে যার বৈশিষ্ট্য হুবুহু তপ্ত কণাদের মতো। কণাটির হলো নিউট্রিনো। নিউট্রিনো অত্যন্ত হালকা, এর গতি আলোরগতির কাছাকাছি। নিউট্রিনো লেপ্টন পরিবারের তাই এরা প্রবল-নিউক্লিয়ার বলে সাড়া দেয়না, নিউট্রিনো চার্জহীন তাই এরা বিদ্যুৎচুম্বকীয় বলেও সাড়া দেয়না। সমস্যা হলো, নিউট্রিনো গতি আলোর কাছাকাছি, ফলে এরা গ্যালাক্সি বা ক্লাস্টারের মতো কাঠামোতে আবদ্ধ থাকে না। ডার্ক-ম্যাটারের পরিমাণ সাধারণ-পদার্থের পাঁচগুণ, তাই নিউট্রিনো যদি ডার্ক-ম্যাটার হতো তবে সমস্ত পদার্থ মহাবিশ্বের প্রতি অংশে সমানভাবে ছড়িয়ে যেতো, ফলে CMBতে লাল এবং নীল বিন্যাসগুলো দেখা যেতো না। তাই এটা প্রায় নিশ্চিত যে, তপ্ত-কণারা ডার্ক-ম্যাটার হতে পারে না।
• নিউট্রিনো কি?
• (بالإنجليزية: (Neutrino): “নিউট্রিনো”(Neutrino)হচ্ছে বৈদ্যুতিক চার্জবিহীন দূর্বল ও সক্রিয় এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র পারমানবিক কণা। ধারণা করা হয়, এই ক্ষুদ্র কণা ‘অশুন্য’ (Non-Zero) ভরের কণা। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সার্ণের গবেষকরা এই নিউট্রিনো আবিস্কারের ঘোষণা করেন। বিজ্ঞানীদের দাবীঃ আবিস্কৃত নিউট্রিনো বর্তমান প্রচলিত সাধারণ আলোক কণা থেকে দ্রুত বেগ সম্পন্ন।
• বিজ্ঞানী পাউলি প্রথমবারের মত উপলদ্ধি করেন যে, ভরবেগ, শক্তি, কৌণিক ভরবেগ ইত্যাদি নিত্যতা বজায় রাখার জন্য ইলেকট্রনের সাথে আরেকটি খুবই হালকা, আধানহীন এবং প্রায় অদৃশ্য কণার উপস্থিতি প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্য, ১৯৩০ সালে পাউলি (Pauli) যখন প্রথমবার এই কণাটির অস্তিত্ব আছে বলে প্রস্তাব করেন, তাঁর কিছু পরেই নাকি তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “আমি একটি ভয়ানক কাজ করে ফেলেছি | আমি এমন একটি কণার অস্তিত্বের প্রস্তাব রেখেছি যা সনাক্ত করা অসম্ভব ।” [1] নিউট্রিনো শেষমেষ ১৯৫৬ সালে প্রথমবার সনাক্ত হয় এবং নামকরণ করা হয় “নিউট্রিনো”। নিউট্রিনোর ধারণা প্রথম বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন পরমাণুর বেটা ক্ষয়ের বিশ্নেষণ করতে গিয়ে। তাতে দেখা গেছে নিউট্রিনো ও ইলেকট্রন প্রকৃতিতে যেন দুই ভাইয়ের মত।
• উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে মৌলিক কণাগুলো প্রধানতঃ তিন প্রকার যথাঃ কোয়ার্ক, বোসন ও লেপটন। এর মধ্যে লেপটন দুই প্রকার যথাঃ ইলেকট্রন ও নিউট্রিনো। তিন ধরণের ইলেকট্রনের মধ্যে রয়েছে (১) ইলেকট্রন ইলেকট্রন (অথবা শুধুই ইলেকট্রন) (২) মিউ ইলেকট্রন (মিউয়ন) এবং (৩) টাউ ইলেকট্রন (টাউয়ন) এবং এর প্রতিটি ইলেকট্রনের সাথে আছে একটি করে নিউট্রিনো যথাঃ (১) ইলেকট্রন নিউট্রিনো, (২) মিউ নিউট্রিনো।
• “ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল” (Standard Model)
• পদার্থ বিদ্যার যে তত্ত্বের সাহায্যে কোন বস্তুর ভরের ব্যাখ্যা দাঁড় করানো হয় তাকে “ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল” (Standard Model) বলা হয়। এই ষ্ট্যান্ডার্ড মডেলটি অস্তিত্বশীল হতে হলে প্রয়োজন পড়ে এক অতি পারমাণবিক কণা। পদার্থ বিদ্যার এই ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে, মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুর ভর সৃষ্টির প্রাথমিক ভিত্তি হচ্ছে একটি “অদৃশ্য কণা”। বস্তুর ভরের মধ্যে ভিন্নতার কারণও এই অদৃশ্য কণাটিই। পদার্থের ভর কিভাবে তৈরি হয় তা জানতে ১৯৬৪ সাল থেকে শুরু হয় গবেষণা। ২০০১ সালে এসে গবেষকরা যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মিল্যাবের "টেভাট্টন" নামক যন্ত্ররে মাধ্যমে ওই কণার খোঁজ করতে শুরু করেন। এ কণার খোঁজে ২০০৮ সালে প্রতিযোগিতায় নামেন CERN এর খ্যাতনামা গবেষকরা। ২০১১ সালে CERN এর বিজ্ঞানীরা এ কণার প্রাথমিক অস্তিত্ব টের পান।
• পদার্থবিজ্ঞানের আইন প্রণয়নে কতিপয় তাত্ত্বিক কাঠামোর বিন্যাস
• বিংশ শতাব্দীতে, পদার্থবিজ্ঞানের আইন প্রণয়নের জন্য দুটি তাত্ত্বিক কাঠামো আবির্ভূত হয়। প্রথম i) আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব, অন্যটি ii) কোয়ান্টাম মেকানিক্স ।
• ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে uporokto এই দুইটি কাঠামো অতিপারমাণবিক মৌলিক কণাসহ মহাবিশ্বের পর্যবেক্ষণযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহকে ব্যাখ্যায় সফলতা অর্জন করে।
• https://bn.quora.com/স্ট্রিং-থিওরি-সম্পর্কে-কেউ
• পরীক্ষাগারে আলোর দ্বৈত ধর্ম প্রত্যেক বিষয় জোড়া জোড়া
• ►আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে, তেমনি আছে তরঙ্গ ধর্ম। আলো একধরনের শক্তি, কিন্তু এই শক্তি কোন রূপে থাকে, এটা নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ অনেককালের। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে তেমনি আলোর তরঙ্গ ধর্মও আছে, কিন্তু একই সঙ্গে দুটি নয়!
• তবে ►এ পর্যন্ত যত পরীক্ষা হয়েছে, তা কেবল হয় তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ দেয়, যেমন ইয়ংয়ের বিখ্যাত দ্বিচির বা টু-স্লিট পরীক্ষা ব্যতিচারের প্রমাণ দেয়, যা তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ। কিংবা আলোর কণা ধর্মও আছে, যার প্রমাণ মেলে আইনস্টাইনের আলোক তড়িৎক্রিয়া পরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু আলোর দুটি ধর্মই একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়—হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তার নীতির মূল কথাই হলো এটা।
• ►সুইস ফেডারেলের ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (EPFL-cole polytechnique fédérale de Lausanne is a research institute) বিজ্ঞানীদের কৌতূহল ছিল এই দ্বৈত আচরণ নিয়ে।
• ►অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা আলোর এই দ্বৈত আচরণের ছবি একই সময়ে নেওয়ার। ২০১৫ সালে তাঁদের অপেক্ষার অবসান ঘটে। তুলতে সক্ষম হন আলোর দ্বৈত চরিত্রের ছবি। সে বছর নেচার কমিউনিকেশন–এ প্রকাশিত হওয়া একটি প্রবন্ধে সেই ছবি সম্পর্কে খুঁটিনাটি আলোচনা করা হয়।
• ►কোনো ধাতব পাতে অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে আঘাত করলে তা থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন আলোর এই তড়িৎক্রিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য আলোকে কতগুলো নির্দিষ্ট শক্তির প্যাকেট হিসেবে কল্পনা করেন এবং প্রস্তাব করেন যে আলো এ রকম প্যাকেটের মতো গুচ্ছ আকারে উৎস থেকে আসে, যা কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা থেকে আসে। এ পরীক্ষাটিও আলোর কণাতত্ত্বের প্রমাণ দেয়। কিন্তু এ পরীক্ষাটিও আলোর দ্বৈত আচরণের অস্তিত্ব দৃশ্যত প্রমাণ করতে পারেনি।
• ►বিজ্ঞানী ফাব্রিজিও কার্বনের নেতৃত্বে একটি দল EPFL এ যে গবেষণায় নিযুক্ত ছিলেন তাতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি ছিল আলো তৈরিতে ইলেকট্রন ব্যবহার করা। এই দলের বিজ্ঞানীরা তাঁদের গবেষণায় অবশেষে সক্ষম হন প্রথমবারের মতো একটিমাত্র ছবিতে আলোর দুই রকম অবস্থাকে তুলে ধরতে, যে ছবি বলে দেয় আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে তেমনি তরঙ্গ ধর্মও আছে।
• বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করতে গেলে ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সাজিয়ে নিতে হয় নিজের মতো করে, ঠিক যেভাবে সাজালে তাদের অনুকল্প এবং পরীক্ষার ফলের সামঞ্জস্য আসবে।
• ►পরীক্ষাটি করার জন্য লেজার দিয়ে আলো ফেলেন ধাতব ন্যানোমিটার ব্যাসার্ধের তারের ভেতর দিয়ে। লেজার আলো ন্যানোতারের বাইরের পৃষ্ঠে থাকা চার্জিত কণাগুলোকে আন্দোলিত করে। এতে একধরনের স্থির তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, যা পরীক্ষায় আলোর উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তারপর ইলেকট্রন নিক্ষেপ করা হয় এই ন্যানোতারের পাশ দিয়ে। ফলে ইলেকট্রনগুলো ন্যানোতারের আলোক তরঙ্গের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ায় অংশ নেয়। এতে পরিবর্তিত হয় আলোক তরঙ্গের গতি।
• ►এখানে স্থির তরঙ্গ তৈরি হওয়া যেমন আলোর তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ দেয়। তেমনি ইলেকট্রনের সঙ্গে আলোর মিথস্ক্রিয়ার ফলে ইলেকট্রনগুচ্ছ এবং আলোর প্যাকেটের (কোয়ান্টা) মধ্যে পারস্পরিক শক্তি বিনিময়ের যে মিথস্ক্রিয়া, তা প্রমাণ করে আলোর কণা ধর্মের।https://www.bigganchinta.com/physics/
• আলহামদুলিল্লাহি = আলহামদুলিল্লাহ/ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। ফাতিরিছ ছামাওয়াতি ওয়াল আরদি = যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর স্রষ্টা। জায়িলিল মালায়িকাতি রুসুলান = তিনি মালাইকাকে/ ফেরেশতাদেরকে রসূল/ দূত হিসাবে নিয়োগকারী। ঊলী আজনিহাতিম মাছনা ওয়া ছুলাছা ওয়া রুবাআ = যারা দুই দুই, তিন তিন ও চার চার বাহু (= কর্মের মাত্রা উপযোগী শক্তি) বিশিষ্ট। ইয়াযীদুল ফিল খালক্বি = তিনি সৃষ্টিতে বাড়িয়ে দেন। মা ইয়াশাউ = যা তিনি ইচ্ছা করেন। ইন্নাল্লাহা = নিশ্চয় আল্লাহ। আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর = সকল সত্তা ও বিষয়ের উপর প্রাকৃতিক আইন নির্ধারণকারী ও সর্বশক্তিমান নিয়ন্ত্রণকারী। করেন। নিশ্চয় আল্লাহ সকল সত্তা ও বিষয়ের উপর প্রাকৃতিক আইন নির্ধারণকারী ও সর্বশক্তিমান নিয়ন্ত্রণকারী। ৩৫:২
• মা ইয়াফতাহিল্লাহু = যা কিছু আল্লাহ খুলে দেন। লিন্নাছি = মানুষের জন্য। মির রহমাতিন = তাঁর রহমত/ দয়া থেকে। ফালা মুমছিকা লাহা = তবে উহার জন্য কোন রোধকারী নেই। ওয়া = আর। মা ইউমছিকু = যা কিছু তিনি রোধ করে দেন। ফালা মুরছিলু লাহু মিম বা’দিহী = তবে উহার কোন প্রেরণকারী নেই তাঁর পরে (অর্থাৎ তিনি ছাড়া)। ওয়া = আর। হুয়াল আযীযুল হাকীমু = তিনি আযীয/ মহাশক্তিমান ও হাকীম/ মহাবিজ্ঞ।
•
• স্ট্রিং-তত্ত্বের ভিত্তি হলো অতিপ্রতিসাম্যতা (Supersymmetry)। স্ট্রিং-তত্ত্ব অনুসারে মহাবিশ্বের প্রতিটি কণার অতিপ্রতিসম-কণা আছে (Supersymmetric particles)। আমরা আগে প্রতিকণা দেখেছি, মূল কণার সাথে এদের পার্থক্য শুধু “চার্জে”। অন্যদিকে, অতিপ্রতিসম-কণা থেকে মূল কণার পার্থক্য শুধুই “স্পিনে”। ভালো করে বললে, স্ট্রিং-তত্ত্ব অনুসারে প্রতিটি ফার্মিয়নের একটি বোসন; এবং প্রতিটি বোসনের একটি ফার্মিয়ন অতিপ্রতিসম-কণা আছে। যেমন: ১/২-স্পিনযুক্ত ইলেক্ট্রনের প্রস্তাবিত অতিপ্রতিসম-কণা হলো ১-স্পিনের সিলেক্ট্রন (Selectron, বোসন); ১-স্পিনযুক্ত ফোটনের প্রস্তাবিত ফার্মিয়ন অতিপ্রতিসম-কণা হলো ১/২-স্পিনের ফোটিনো (ফার্মিয়ন)।
• ইয়া আইয়ুহান্নাছুযকুরূ = হে মানুষ, তোমরা স্মরণ করো। নি’মাতাল্লাহি আলাইকুম = তোমাদের উপর দেয়া আল্লাহর নেয়ামতসমূহকে। হাল মিন খালিক্বিন = কোন খালেক/ স্রষ্টা আছে কি? গায়রুল্লাহি = আল্লাহ ছাড়া। ইয়ারযুক্বুকুম = তিনি তোমাদেরকে রিযিক দেন। মিনাছ ছামায়ি ওয়াল আরদি = আকাশ ও পৃথিবী থেকে। লা ইলাহা ইল্লা হুয়া = কোন ইলাহ নেই, তিনি ছাড়া। ফাআন্না তু’ফাকূনা = সুতরাং তোমাদেরকে কোথা থেকে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে?
• হে মানুষ, তোমরা স্মরণ করো তোমাদের উপর দেয়া আল্লাহর নেয়ামতসমূহকে। কোন খালেক/ স্রষ্টা আছে কি, আল্লাহ ছাড়া? তিনি তোমাদেরকে রিযিক দেন আকাশ ও পৃথিবী থেকে। কোন ইলাহ নেই, তিনি ছাড়া। সুতরাং তোমাদেরকে কোথা থেকে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে?
• ৩৫:৪
•
মানুষ স্বভাবতঃ বিষন্ন ভাবাপন্ন কেন?
মানুষ স্বভাবতঃ বিষন্ন ভাবাপন্ন কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নিউরো বিশেষজ্ঞরা বলেন, মানুষ দৈহিক কাঠামোগতভাবে সরাসরি পৃথিবীর মাটির সাথে খনিজ উপাদানের কারণে সম্পৃক্ত হলেও প্রাণ বহিরাগত হওয়ার কারণে মানব মনে পৃথিবীটা অনেকটা প্রবাসের ন্যায়, তাই মানুষ মাত্রই প্রবাসী, প্রবাসীর মন সাধারণতঃ স্বদেশ, স্বজনের জন্য বিষন্ন থাকে। উল্লেখ্য পবিত্র ইসলামসহ সেমিটিক ধর্মাবলম্বীদের অভিন্ন বিশ্বাসঃ আদি পিতা আবুল বাশার হযরত আদম عَلَيْهِ ٱلسَّلَامُ আদি মাতা উম্মুল বাশার হযরত হাওয়া (ইভ ) عَلَيْهِ ٱلسَّلَامُ এর জন্ম এবং আবাসস্থল প্রাথমিকভাবে পৃথিবীর বাইরে ছিল।
আল্লাহ সরল, আল্লাহর পথও সরল। সত্য সহজ-সরল পথে অবস্থিত। এক জাতিকে গরু কুরবানীর আদেশ দেওয়া হলে যে কোন একটা গুর কুরবানী হলেও আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য হতো। কিন্ত্ নানান কথায় তাতে যতই বিলম্ব করা হয়েছিল ততই আল্লাহ কঠিন শর্ত চাপিয়ে দিয়েছিলেন। নিউটন বলেন সত্য সহজ পথে অবস্থিত। আই.আর.আর.এস.টি.সি সহজ সরল পথে বিজ্ঞানের অমীমাসিত বিষয় মীমাংসায় ইনশাআল্লাহ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মহাবিশ্বের দুইটি অবশম্ভাবী নিম্নরূপ বিপরীতমুখী বিষয় রয়েছেঃ
মহাবিশ্বের জড়-প্রাণীভিত্তিক বস্ত্তগত বিষয়াদি ব্যতিত রয়েছে মহাবিশ্বের পরিচালনা-ব্যবস্থাপনার ওৎপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেঃ ১.সত্য-মিথ্যা,২. ন্যায়-অন্যায় ৩. সৎ-অসৎ ৪.জানা-অজানা ৫.দেখা-অদেখা ৬.উপকারী-ক্ষতিকর ৭.শুন্য-অশুন্য ৮.সুখ-দুঃখ ৯. হাসি-কান্না ১০.জ্ঞানী-মূর্খ,১০. সুন্দর-অসুন্দর রাত-দিন, জোয়ার-ভাটা দোয়া-বদদোয়া,শাপ-অভিশাপ, পাপ-পূণ্য, স্বর্গ-নরক ইত্যাদি।
পানিতেও স্ট্রিং রয়েছে
• অনেকগুলো ইউনিভার্স একসাথে থাকতে পারে ।
• যদিও বিজ্ঞান এখনো সীমাবদ্ধ, প্যারালাল ইউনিভার্স এর বিষয়গুলো তাত্ত্বিকভাবে প্রমানীত হলেও বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ত্ব আবিষ্কার এখনো সম্ভব হয়নি। হয়তো ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের আরো অগ্রযাত্রার ফলে এগুলো প্রমান সম্ভব হয়ে উঠবে, এই সম্ভাবনা নিয়েই আমাদের সামনে এগুতে হবে।https://malayalamsub.com/প্যারালাল-ইউনিভার্স/
সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্ব
• আইনস্টাইন এমন একটি তত্ত্ব চেয়েছিলেন, যেটা একইসঙ্গে বৃহৎ বস্ত্তগুলোর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে পারবে, আবার খুদে কণার জগতেও স্বাচ্ছন্দে বিচরণ করতে পারবে। সেই তত্ত্বের খোঁজ এখনও চলছে। অনেকেই মনে করছেন স্ট্রিং থিওরিই সেই সর্বাত্মক তত্ত্ব বা থিওরি অব এভরিথিং ।
• একটি সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের খোঁজ করতে চাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা যে তত্ত্ব কোয়ান্টাম বল বিদ্যা ও জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি বা সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বকে এক সুতায় বাঁধবে (বিজ্ঞান চিন্তা, পৃষ্ঠা ৫৪)।
• মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্ব ব্যাখ্যা করতে অর্থাৎ বিগ ব্যাং তত্ত্বের সত্যিকার প্রমাণ পেতে দরকার কোয়ান্টাম বল বিদ্যা আর সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের মিলন। আবার ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ঞগহ্বরের ভেতরের খবর কিংবা ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি আসলে কী দিয়ে তৈরি-এসব জানতে দরকার এই দুই তত্ত্বের মিলন। জরুরী একটি সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের। (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠা ৪৫)।
• সার্বিক একীভূতকরণের উৎসমূল যদি হয় স্ট্রিংয়ের কম্পন এবং কম্পনের উৎসমূল যদি হয় শক্তি তাহলে শক্তির উৎসমূল ইসলামী আকিদামতে কুন এবং কুনের উৎসমূল হবেন তিনি যিনি হুয়াল আউয়ালু ওয়াল আখিরাহ যিনি লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ-যিনি হও শুধু এই শব্দ উচ্চারণ করলেই হয়ে যায় মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টি। পদার্থ বিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের শেষ কথাঃ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন এর পর যদি এই রেডিয়েশনের পূর্ববতী অআর কিছু আবিস্কার না হয় তাহলে বলা যাবে কুন শব্দে যা সৃষ্টি হয়েছিল তা হবে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যার মধ্যে বিজ্ঞানীদের দাবীমতে, এই রেডিয়েশনে মহাবিস্ফোরণের (বিগ ব্যাং) পূর্বে ৪ মহাবল একত্রিত ছিল। IRRSTC-এর মতে এতে ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটারও নিহিত থাকতে পারে ।
দোয়া কালামের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ
◊এ ব্যাপারে বিস্তারিত লেখার প্রস্ত্তি নিই অদ্য ২৩ জুলাই ২০২৪ স্থানীয় চট্গ্রাম, বাংলাদেশ সময় সকাল প্রায় সাড়ে ছয়টায় প্রাতঃকালীন উপাসনার সময়। প্রার্থনা শেষে লেখার প্রস্ত্ততির সময়টাতে প্রতিটি পদক্ষেপে বিসমিল্লাহ পড়ে এগুতে থাকলে প্রতিটি কাজে অতি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করলাম নিত্যদিনের চাইতে। ল্যাপটপ অন করার সময় বিসমিল্লাহ পড়তে ভুলে বসি। এমতাবস্থায় অন্যান্য দিন যেভাবে সুইচ দেয়ার সাথে সাথে ল্যাপটপ অন হতো তেমনি না হওয়ায় কোথাও বৈদ্যুতিক সংযোগে বিভ্রাট হয়েছে কিনা তা-ও পরীক্ষা করে কিছুতে কিছু হলো না, যখন বিসমিল্লাহ পড়ে নিলাম অমনি ল্যাপ টপ খুলে গেল।
◊তেইশে এপ্রিল রাত প্রায় গভীর, বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স তখন প্রায় মাঝপথে, বৈরি আবহাওয়ায় পতিত। বিমান অভ্যন্তরে রেড এলার্ট জারি যাত্রীরা যাতে ওয়াশ রুমে কিংবা চলাচল থেকে বিরত থাকতে বিমান কর্তৃপক্ষের ঘন ঘন নির্দেশনা জারি প্রবল ঘূর্ণিবার্তায় বিমান বিকট শব্দে হেলদুলে চলছিল, মনে হচ্ছিল এক্ষুনি জরুরী অবতরণের দরকার হঠাৎ মনে পড়ে গেল নিম্নোক্ত দোয়াটিঃ
“বিসমিল্লাহিল্লাজি লা-ইয়াদিররু মাআশমিহি শাইয়্যুন ফিল আরদ্বি. ওয়ালা-ফিস সামায়ি ওয়াহুয়াস সামিউ’ল আ’লীম”।
আলহামদুলিল্লাহ! উপরোক্ত দোয়াটি পড়ার সাথে সাথে কাল বিলম্ব হয়নি বিমান এমনভাবে স্থিতিশীল হয়ে পড়ে যে, কয়েক ঘন্টা পর জেদ্দা বিমান বন্দরে অবতরণের পূর্ব পর্যন্ত বিমান শান্ত অবস্থায়।
যে আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে দরজা খুলে যায়!
বলা হলো অআপার ক্লাসের হোটেল বোডিং। বিমান যাত্রার দুই ঘন্টা বিলম্বের পর যাত্রার সময় অআটকা পড়ে গেলাম বোর্ডিংয়ের ওয়াশ রুমে। কিছুতে খোলা যাচ্ছিল না দরজা। এমনিতে দুই ঘন্টা বিলম্ব, তাই আমাকে রেখেই বিমান বন্দরে রওয়ানা দিল কাফেলা। অআমিও অআশা ছেড়ে দিলাম। তবে প্রাণান্তকর চেষ্টার ত্রুটি করি নি। এক পর্যায়ে হোটেলে কর্মরত কর্মচারীরা এসেও অনেক চেষ্টা করে দরজার একটি তালা ভাঙতে পারলেও দ্বিতীয় তাা কিছুতেই ভাঙতে না পারায় অগত্যা বাইর থেকে তালা ভাঙার লোক খ_জতে গেল ইতাবসরে মনে পড়ে গেল সেই হাদিসের কথা।
যে দোয়ায় খুলে গেল দরজা! ঠিক দোয়া নয়, বরং আল্লাহর সাথে এক প্রকার আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের মত।
পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র মতে, আমাদের প্রত্যাহিক কর্মের সাথে একাধারে জ্ঞান, দর্শন এবং শক্তি নিবিড়ভাবে জড়িত।এক্ষেত্রে জ্ঞান এবং দর্শন হচ্ছে কর্ম এবং শক্তির সেতুবন্ধ।মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর ভিত্তিমূল যদি ইট স্বরূপ কোয়ার্ক হয়ে থাকে তার সিমেন্টস্বরূপ শক্তি হচ্ছে হিগস বোসন কণা অনুরূপ অআমাদের প্রাত্যাহিক কর্ম যদি কোয়ার্ক বা দেওয়াল হয় সিমেন্টরূপ বোসন হচ্ছে শক্তি যার তৃতীয় মাধ্যম হচ্ছে দর্শন এবং চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে জ্ঞান।অআইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ মতে জ্ঞান, দর্শন কর্ম এবং শক্তি পরস্পর এক এবং অভিন্ন।ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং দর্শন মতে,প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে যার বস্ত্তগত মূল হচ্ছে শক্তি এবং অবস্ত্তগত মূল হচ্ছে জ্ঞান।ভরশক্তিসমীকরণ মতে, শব্দ এক প্রকার শক্তি যা মহাবিশ্বের উৎসমূল পবিত্র কুরঅআনের সুরাহ ইয়াসীনে বর্ণিতঃ কুন শব্দে নিহিত রয়েছে ফায়াকুন।তাই শব্দ নিছক শব্দ নয়। ইসলামী সকল দোয়াই শব্দ-বাক্যের উপর ভিত্তিশীল। দোয়াতে একাধারে নেকী যা পরকালে ওজনে পরিমাপযোগ্য,দৈহিক শক্তিবর্ধক যা ফাতিমী তাছবীহতে বিদ্যমান এবং কর্মে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক।
• স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব
• আমাদের চারপাশে যত বস্তু আছে-সেগুলো সবই বিভিন্ন প্রকার অণু-পরমাণু দ্বারা গঠিত। ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত হয় পরমাণু এবং এক বা একাধিক পরমাণু দিয়ে গঠিত হয় অণু। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস,ইলেকট্রনগুলো এই নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে থাকে। কিন্তু এই ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন আসলে কি? আর এগুলো কোন বল দ্বারা এবং কিভাবে একত্রিত অবস্থায় থাকে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে পদার্থবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন তত্ত্ব দিয়েছেন, যেগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য হল স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব (Standard Model Theory) স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব আমাদের চারপাশে যত বস্তু আছে-সেগুলো সবই বিভিন্ন প্রকার অণু-পরমাণু দ্বারা গঠিত। ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত হয় পরমাণু এবং এক বা একাধিক পরমাণু দিয়ে গঠিত হয় অণু। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস,ইলেকট্রনগুলো এই নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে থাকে। কিন্তু এই ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন আসলে কি? আর এগুলো কোন বল দ্বারা এবং কিভাবে একত্রিত অবস্থায় থাকে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে পদার্থবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন তত্ত্ব দিয়েছেন, যেগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য হল স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব (Standard Model Theory) সত্তুরের দশকে প্রতিষ্ঠিত হয় স্ট্যান্ডার্ড মডেল। (Source: https://www.bigganbangla.com/স্ট্যান্ডার্ড-মডেল/)
• স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব কতিপয় বৈজ্ঞানিক অর্জন
• স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অধীনে ১৯৯৫-এ টপ কোয়ার্ক ১৯৭৭-এ বটম কোয়ার্ক, ও ২০০০-এ টাউ নিউট্রিনো 2012 হিগ্স বোসন কণিকা আবিষ্কৃত হয়। তবে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। যেমন– এ তত্ত্বে ডার্ক ম্যাটারের কোন স্থান রাখা হয়নি, এ তত্ত্ব মাধ্যাকর্ষন বল ব্যাখ্যা করতে পারে না। এ সত্ত্বেও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের গুরুত্ব অপরিসীম, তাই একে বলা হয় প্রায় সবকিছুর তত্ত্ব (Theory of almost everything)। পদার্থবিজ্ঞানীদের মতে, সবগুলো মৌলিক বল একত্রিত করে একটি সবকিছুর তত্ত্বও (Theory of everything) বের করা সম্ভব।
• তথ্যসূত্রঃ
• ১. http://physics.info/standard/
• 2. http://h2g2.com/dna/h2g2/A666173
• প্রজেক্ট অপেরা’ নামের এক বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের অধীনে ইউরোপীয় পারমানবিক গবেষণা কেন্দ্র সাড়া জাগানো নিউট্রিনো আবিস্কারের পদক্ষেপ গ্রহণ করে। নিউট্রিনো আবিস্কারের ক্ষেত্রে গৃহীত এক পরীক্ষার প্রথম ধাপে সুইজারল্যান্ডের সিনক্রোটোন নামের একটি ভূগর্ভ যন্ত্রে প্রোটন কণা তৈরী করে তা গ্রাফাইটের ওপর নিক্ষেপ করা হয়। এতে প্রোটন কণাগুলি ভেঙে কিছু জটিল কণা তৈরী হয়, যেগুলি অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষয় হয়ে মিউয়ন এবং মিউ নিউট্রিনো তৈরী করে। এ কণাগুলিকে তখন লোহার ওপর নিক্ষেপ করা হয়। এতে মিউয়ন নিউট্রিনো বাদে অন্য সব কণা প্রতিফলিত বা শোষিত হয়। মিউয়ন নিউট্রিনোগুলি পৃথিবীর মাটি-পাথর ভেদ করে চলে প্রায় ৭৫০কিলোমিটার দূরে ইতালিতে পৌঁছায়। এই ভাবে নিউট্রিনো লোহাও ভেদ করে অনায়াসে এপার থেকে ওপারে ছুটে যেতে পারে আলোর গতির চাইতেও বেশী গতিতে। মজার ব্যাপার হলো যে, ভরবিহীন অর্থাৎ অশুন্য ভরের অধিকারী আলোর কণাই সাধারণতঃ ভরপূর্ণ পারমানবিক কণার চাইতে দ্রুতগামী হয়ে থাকে। কিন্তু অশুন্য ভরের অধিকারী অর্থাৎ ভরযুক্ত নিউট্রিনো যার গতিবেগ নাকি শুন্য ভরের আলোকেও ছাড়িয়ে গেছে। এখানেই বৈজ্ঞানিক জগতের চরম ও পরম বিস¥য়। অপেরা পরীক্ষণের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, নিউট্রিনোর গতি হলো আলোর গতির ১.০০০০২৫ গুণ অর্থাণ ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অধিক দ্রুত।
• পরীক্ষার নির্ভুলতাঃ নিউট্রিনো প্রচলিত আলোর গতিতে (প্রতি সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল বেগে) ছুটে চলে¬ সুইজারল্যান্ড হতে ইতালিতে আসতে যে সময় লাগত পরীক্ষান্তে দেখা গেছে যে, বর্তমান প্রচলিত আলোর গতির চাইতে অন্ততঃ ৬০ ন্যানো সেকেন্ড (১ ন্যানো সেকেন্ড=১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ) আগে ইতালিতে নিউট্রিনো পৌঁছে গেছে। উলে-খ্য, যেকোন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর বিজ্ঞানীদের প্রথম কাজই হলো, পরীক্ষাটির ভুলত্রুটি দূর করা। এ ধরণের ভুলত্রুটি দূর করার জন্য বিজ্ঞানীরা যা করে থাকেন তা হচ্ছে একই পরীক্ষা বার বার করা। বিভিন্ন কারণে পরীক্ষার ফলাফল অভিন্ন নাও আসতে পারে। তখন একাধিক পরীক্ষার গড় ফলাফল হিসাব করা হয়। সেই সাথে ভুলের আশংকাও হিসাব করা হয়। আলোচ্য অপেরা পরীক্ষায় নিউট্রিনোর গতি পরিমাপ করা হয়েছে কয়েক বছর ব্যাপী প্রায় ১৬,০০০ (ষোল হাজার) বার। তারপরও গড় যে ফলাফল পাওয়া গেছে, তাতে ভুলের আশংকা গণ্য করার পরও নিউট্রিনোর গতি আলোর গতির চেয়ে বেশী প্রমাণিত হয়। এখন বাকী থাকল আসলে পরীক্ষাটিতেই অন্তর্নিহিত কোন ভুল আছে কিনা- তা যাচাই করা। অপেরা পরীক্ষাটিতে এখন পর্যন্ত কোন ভুল পাওয়া যায়নি। পরীক্ষকরা তাই সব তথ্য ইন্টারনেটে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
• নিউট্রিনোর ইসলামী মূল্যায়নঃ ‘বুরাক’ আরবী ‘বরকুন’ শব্দ থেকে নিস্পন্ন যার অর্থ বিদ্যুৎ (Electric/Current)| । বিদ্যুতের অন্যতম প্রধান ধর্ম হচ্ছে দ্রুত পরিবাহিত হওয়া যার জন্য দ্রুতগতি বুঝাতে বলা হয়ে থাকে বিদ্যুত গতি। উল্লেখ্য, প্রথমতঃ পবিত্র মেরাজুন্নবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বে পবিত্র মক্কা আল মুয়াজ্জিমা থেকে পবিত্র মসজিদুল আল আক্সা পর্যন্ত রাত্রিকালীন মহানবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিভ্রমণকে ইসলামের ইতিহাসে ‘ইস্রা’ বলা হয় । ইসরা-তে মহানবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বহনকারী যানের নাম ছিল বুরাক- যা এক অতি দ্রুতগামী বদ্বিতীয়তঃ পবিত্র মেরাজুন্নবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম সংঘটিত হয়েছিল ঐ রাতের দ্বিতীয় পর্যায়ে মিরাজ বা সিঁড়িযোগে মসজিদুল আল আকসা হতে সাত আসমানের সর্বশেষ সীমানা সিদরাতুল মুনতাহা এবং তৃতীয়তঃ সিদরাতুল মুন্তাহা হতে রফ্ রফ যানে ‘আরশে ‘আজীম পর্যন্ত পৌঁছা এসবই দুনিয়াবী সাধারণ আলোর গতিতে নয় স্রেফ আল্লাহ পাকের সৃষ্ট অকল্পনীয় কুদরতি গতি সম্পন্ন হয়েছে- যে গতিতে রাণী বিলকিসের সিংহাসন চোখের পলকে বাদশাহ সোলায়মান ‘আলাইহিস্ সালামের নিকট আল্লাহপাকের হুকুমে পৌঁছে গিয়েছিল একইভাবে আখেরাতে নেক্কার বান্দারাও আল্লাহপাকের কুদরতি গতিতেই মুহুর্তের মধ্যে অতি দ্রুততার সাথে পুলসিরাত পার হয়ে জান্নাত বাসী হবেন। আলোর গতির চাইতেও যে বস্তু বা বস্তু কণার গতি যে বেশি হতে পারে সার্ণ কর্তৃক আলোর চাইতে দ্রুতগতি সম্পন্ন বস্তু কণা নিউট্রিনো আবিস্কারে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান এবং মিরাজসহ ইসলামের অন্যান্য গতি বিষয়ক বিষয়াদির বৈজ্ঞানিক সত্যতা আল্লাহ পাকের মেহেরবাণীতে আবার
• এই সৃষ্টিতত্ত্ব বিজ্ঞানমনস্ক ধর্মবিশ্বাসী সাধারণ জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদের ধারণা-বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। আস্তিক্যবাদী এই সৃষ্টি তত্ত্বের নাম ইমানিসনিজম (Emanisnizm)| । ‘ইমানিসনিজম’ (মহাবিশ্বের উৎপত্তি, সৃষ্টি ও পরিবর্তন সম্পকিত একটি ধারণার নাম। ইংরেজী ‘Emanisnizm’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন Latin emanatus, past participle of emanare, from e- + manare i.e., to flow from...to pour fourth or out of অর্থাৎ কোন উৎস হতে বয়ে আসা, প্রবাহিত বা আগত, উৎসারিত ইত্যাদি। ইমানিজমের ধারণা-বিশ্বাস হচ্ছে, সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। ইমানিশনিজম হচ্ছে Transcendental Print অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictonary)|
আজ থেকে শতাধকি বছর আগে প্রখ্যাত র্জামান পর্দাথ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আবস্কিৃত বিখ্যাত সমীকরণ E= MC2 (Theory of Special Relativity বা ‘বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত¡’) এর আলোকে ঘোষণা করেছিলেন যে, “আলোর চেয়ে দ্রুতগতির আর কিছু নেই”। পক্ষান্তরে Center for European Research of Neuclears (CERN) এর বিজ্ঞানীরা ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্ববাসীর উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানকিভাবে এ মর্মে ঘোষণা করে যে, “আলোর গতির চেয়ে ‘নিউট্রিনো’র গতি অন্ততঃ ২৫ ন্যানো সেকেন্ডে বেশি” । অন্যদিকে মিরাজুন্নবী ((সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম) উপলক্ষ্যে বুরাক যোগে মক্কা শরীফ মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আক্সা তথা হতে বিশেষ সিঁড়ি (মিরাজ) যোগে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম আকাশের শেষ সীমানা ‘সিদ্রাতুল মুনতাহা’ তথা হতে দ্রুতগামী রফরফ যোগে ৮ জান্নাত, আর্শে আজীম পর্যন্ত পৌঁছার পর এক রাতের মধ্যে পুনরায় পৃথিবীতে নেমে আসার জন্য প্রয়োজন বর্তমান বিদ্যমান সাধারণ আলোর গতির চাইতেও দ্রুততম গতি সত্বা-যা নিউট্রিনোর মাধ্যমে আমরা আশা করি, পবিত্র ইস্রা, মিরাজুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রভৃতি দ্বীন-ধর্ম বিষয়ক ঘটনাবলীর একটা বৈজ্ঞানিক সদুত্তর পাওয়া যাবে ইন্শাআল্লাহ/
•
আখেরাতে (পরকালে) শব্দভিত্তিক দোয়া-কালামের নেকি-বদির পাল্লায় ওজন বৈজ্ঞানিক সত্য
সূরাহ হাদীদের নিম্নোক্ত ২৫ নং আয়াতমতে, যেহেতু “লোহা” শক্তি বিশেষ এবং যেহেতু আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ অনুযায়ী লোহা,শব্দ, আলো ইত্যাদি জমে থাকা “শক্তি” বিশেষ এবং যেহেতু “কুন”শব্দও জমে থাকা শক্তিবিশেষ এবং যেহেতু শক্তির ভর আছে এবং ভরও জমে থাকা শক্তিবিশেষ সেহেতু প্রতিটি হরফ (অক্ষর)ও ভরসম্পন্ন শক্তি বিশেষ বিধায় আখেরাতে (পরকালে) শব্দভিত্তিক দোয়া-কালামের নেকি-বদির পাল্লায় ওজন করা বৈজ্ঞানিক সত্য বটে।
• ভর আর শক্তি কি একই জিনিস হয়? মানুষ যতই জানুক না কেনো, কিছু জিনিস এখনো আছে যা মানুষের ধরা ছোয়ার বাইরে এমনকি ধারনারও অনেক বাইরে।
• আজকের এই পদার্থবিজ্ঞান দুই একদিনের পরিশ্রমের ফল নয়, হাজার হাজার বছর ধরে বিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলাফল আজকের এই পদার্থ বিজ্ঞান। মনে করুন, আপনি একটি অন্ধকার ঘরের মধ্যে আছেন, এবং আপনার হাতে একটি আপেল আছে। আর ঘরটিতে কিছুই নেই বা কোনো প্রকার আলোর উৎস ও নেই। এখন ঘরটি থেকে বের হতে গেলে আপনার কাছে আলোর উৎস থাকতে হবে, এমতবস্থাই আপনি আইন্সটাইনের E=mc^2 সমীকরণের মাধ্যমে আপনার হাতের আপেল থেকে আলোর উৎস তৈরি করতে পারবেন। অর্থাৎ হাতের আপেলের ভরকে শক্তিতে রুপান্তর করতে পারবেন, হোক সেটা আলোকশক্তি, যান্ত্রিক শক্তি বা বৈদ্যুতিক শক্তি।লাঠি-সাপ তত্ত্ব
• আজকের এই পদার্থবিজ্ঞান দুই একদিনের পরিশ্রমের ফল নয়, হাজার হাজার বছর ধরে বিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলাফল আজকের এই পদার্থ বিজ্ঞান।
পদার্থ বিজ্ঞানের আলোকে কুদরাতি শব্দ “কুন” এর সৃষ্টিতাত্ত্বিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
সর্ববিষয়োপরি সর্বশক্তিমান আল্লাহর জন্য “আরাদা শাইয়ুনই যথেষ্ট, “কুন” না বল্লেও হয়ে যেত সব কিছু। “কুন” আরবী তিন অক্ষর বিশিষ্ট একটি সৃষ্টিতাত্ত্বিক শব্দ বিশেষ । পবিত্র কুরআনের ১১৪ সূরাহর সব শব্দই আল্লাহর কালামের অন্তর্ভূক্ত-যার প্রতি হরফে দশ নেকি-যা ওজনদার এবং ভরসম্পন্ন। সেমতে পবিত্র কুরআনের সূরাহ ইয়াসিনের...নং আয়াতের ..নং কালামে বর্ণিত “কুন” শব্দটির নেকির পরিমান ৩x১০=৩০ (ত্রিশ)।যা ওজনদার। একাধিক ভরের নাম ওজন। অজস্র কম্পাংক থেকে শব্দের উৎপত্তি যা একপ্রকার শক্তি বিশেষ।
“১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলোর তরঙ্গের কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক স্থাপন করেন। কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক সমানুপাতিক। তরঙ্গের কম্পাংক যত বেশি, শক্তিও তত বেশি হবে” (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২০, পৃষ্ঠা ৫৮)।
পদার্থ বিজ্ঞানের কণাতত্ত্বমতে, প্রতিটি কণা কম্পনশীল। আর স্ট্রিং থিওরিমতে, প্রতিটি কণা প্রতিটি স্ট্রিংয়ের কম্পন বিশেষ। কম্পনের মাত্রা অনুযায়ী সৃষ্টি হয় ইলেকট্রন, কোয়ার্ক, হিগস বোসন ইত্যাদি কণা। কোয়ার্ককে যদি বলা হয় মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর (স্ট্রাকচার) ইট-দেওয়াল সেক্ষেত্রে হিগস বোসন কণা হবে মহাবিশ্বের সেই দেওয়ালের শক্তিবর্ধক সিমেন্ট।
উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, যেহেতু “কুন” কুদরাতি শব্দ যার একমাত্র সৃষ্টিকর্তা অআল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু যিনি আহাদ, সামাদ এবং সুবহান অর্থাৎ এক, একক এমন মহান সত্বা যিনি সামাদ (গায়রুল্লাহ থেকে সম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষি, যিনি সুবহান অর্থাৎ সৃষ্টির ক্ষেত্রে যাবতীয় উপাদান-উপকরণ, বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, সূত্র ইত্যাদির মুখাপেক্ষিতা থেকে সম্পূর্ণ পুতঃপবিত্র,স্বাধীন অর্থাৎ যাঁর সৃষ্টির মধ্যে যে শক্তি পাওয়া যায় সে শক্তির মূল উৎস পার্থিব উপাদান-উপকরণ থেকে বিমুক্ত বিধায় সেই মহাশক্তির কোন প্রকার জাগতিক প্রশ্ন কিংবা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা যেমন নেই বিশ্লেষণ বিহীনও। এখানেই পদার্থ বিজ্ঞানের সেই নীতিবাক্য প্রযোজ্য তা হচ্ছেঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই। প্রশ্নটি হচ্ছেঃ মহাশক্তির স্রষ্টা কে? এর উত্তর স্বয়ং মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রব্বুল আ'লামীন দিয়েছেন এই বলেঃ লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ অর্থাৎ তিনি (আল্লাহ) কাউকে জন্ম দেন নি, কারো থেকে জন্ম নেন নি।
মহাবিশ্বের যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তার মূল উপাদান-উপকরণ সৃষ্টি করেছেন শুধুমাত্র “কুন” শব্দে যা স্তরে স্তরে বিন্যাস করেছেন যথাক্রমে দুই দিন এবং ছয় দিনে অথবা দুই মহাকাল এবং ছয় মহাকালে। পক্ষান্তরে, কসমোলজিকাল স্ট্যান্ডার্ড মডেলমতে, মহাবিশ্বের মূল উপাদান উপকরণ সৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রথমতঃ বিগ ব্যাংয়ের প্ল্যাংক সময় অতঃপর বিগ ব্যাং পরবর্তী......সেকেন্ডে.......................।
“এ পর্যন্ত মহাবিশ্বের মূল কণিকার সংখ্যা হলো ১৬। এগুলোর মধ্যে সব ধরণের কোয়ার্ক ইলেকট্রনসহ ১২টি-কে বলে ফার্মিয়ান শ্রেণীর কণা। আলোর ভরশুন্য ফোটন কণাসহ বাকী ৪টি-কে বলে বোসন শ্রেণীর কণা। কিন্ত্ত স্ট্রিং তত্ত্ব অনুযায়ী এই ১৬টি কণাই শেষ কথা নয়; বস্ত্তর আরও ক্ষুদ্রতম অস্তিত্ব রয়েছে, সেটা হলো স্ট্রিং বা তন্ত্ত। স্ট্রিংয়ের ঘূর্ণনেই বস্ত্ত কণার সৃষ্টি” (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠাঃ ৫৪)।
“ধরা যাক, ইলেকট্রন বা কোয়ার্কের কথা। এগুলোকে যদি খুব সূক্ষ্ণভাবে দেখা যেতো (১০-৩৩ সেন্টিমিটার মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রে), তাহলে দেখতাম, আসলে এগুলো কণা বা বিন্দু নয়, সুতার মতো অতি সূক্ষ্ণ তন্ত্তর কম্পন। সুতার বিভিন্ন মাত্রার কম্পনের ফলে বিভিন্ন কণার সৃষ্টি। ইলেকট্রনের জন্য তন্ত্তর কম্পনমাত্রা এক রকম। কোয়ার্কের জন্য তন্ত্তর কম্পনমাত্রা আরেক রকম। অন্য ১৪টি কণার জন্য তন্ত্তর আলাদা কম্পন নির্দিষ্ট আছে। তন্ত্তর কম্পনের মাত্রাই ঠিক করে দেয় তা থেকে সৃষ্ট কণার ভর, চার্জ, স্পিন কেমন হবে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই এক ধরণের কণা (কম্পন) আরেক ধরণের কণার (কম্পন) মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। এসব বিচিত্র কণা (কম্পন) দিয়েই গড়ে উঠেছে আমাদের মহাবিশ্ব। এই বিশ্ব তাই সুতায় বোনা মহাবিশ্ব” (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠাঃ ৫৪)।
“সত্তর দশকে যে স্ট্রিং তত্ত্ব কোয়ার্ক ইন্টার অ্যাকশনজনিত কারণে ধাক্কা খেয়ে পিছিয়ে গিয়েছিল সেই স্ট্রিংয়ে একবিংশ শতাব্দীতে এসে বিজ্ঞানীরা আশার আলো দেখছেন একটি সার্বিক একীভূত তত্ত্বের প্রত্যাশায় যাতে কোয়ান্টাম বল বিদ্যা ও অআপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বকে এক সুতায় বাঁধবে (প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ৫৪)।
“একটি দানবীয় অআকারের নক্ষত্র অকল্পনীয় কোনো ক্ষুদ্র বিন্দুতে সংকুচিত হলেই তাকে বলে পরম বিন্দু বা সিঙ্গুলারিটি (ডেভিড শুকম্যান, উপস্থাপক বিবিসি রেডিও-এর রিখ লেকচার, বিবিসি নিউজ সায়েন্সের এডিটর, বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৮)।
• ফোটন কী ?
• হাইয়ে্স্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বিস্ফোরণ জনিত কারণে সৃষ্ট বিগ ব্যাং ঘটনার মাধ্যমে মহাবিশ্বের যে সূচনা- সে সূচনালগ্নের সর্বপ্রথম সৃষ্ট উপাদানটির নাম ফোটন যা মূলতঃ আলোর কোয়ান্টা।
• ফোটনের কাজ
প্রোটিন এবং ইলেক্ট্রন তাদের চার্জ সম্পর্কিত তথ্যের আদান-প্রাদান করে ফোটনের মাধ্যমে। ফোটন চার্জবিহীন। তাই একটা ফোটন কখনো অন্য ফোটনের সাথে মিথস্ক্রিয়া অর্থাৎ কোনো ধরণের কার্যকলাপে জড়ায় না। এই ফোটনদের আমরা প্রকৃতিতে বিদ্যুৎচুম্বকীয় বল রূপে দেখি।
• প্রকৃতিতে হ্যাড্রন বর্ণহীন। এই বর্ণহীন হ্যাড্রন গঠন করা সম্ভব ব্যারিয়নের মাধ্যমে (ওপরে দুটি), কিংবা মেসনের মাধ্যমে (নিচের তিনটি)।
• কোয়ার্কদের এই রঙের কারণে গ্লুয়নদেরও রং আছে। প্রকৃতিতে গ্লুয়ন পাওয়া যায় মোট আটটি সেটে (Set), প্রতিটি সেটে রয়েছে একটি গ্লুয়ন এবং একটি এন্টি-গ্লুয়ন।
• (দুই) তপ্ত-কণা: মহাবিশ্বের সূচনালগ্নে শীতল-কণার মতোই এমন কণা এবং প্রতিকণা তৈরি হবার সম্ভাবনা ছিলো যারা খুব হালকা। হালকা বলে এদের গতি প্রায় আলোর কাছাকাছি। তাই এদের বলে তপ্ত-কণা (Hot particles)। বস্তুত, স্ট্যান্ডার্ড-মডেলে একটি কণা আছে যার বৈশিষ্ট্য হুবুহু তপ্ত কণাদের মতো। কণাটির হলো নিউট্রিনো। নিউট্রিনো অত্যন্ত হালকা, এর গতি আলোরগতির কাছাকাছি। নিউট্রিনো লেপ্টন পরিবারের তাই এরা প্রবল-নিউক্লিয়ার বলে সাড়া দেয়না, নিউট্রিনো চার্জহীন তাই এরা বিদ্যুৎচুম্বকীয় বলেও সাড়া দেয়না। সমস্যা হলো, নিউট্রিনো গতি আলোর কাছাকাছি, ফলে এরা গ্যালাক্সি বা ক্লাস্টারের মতো কাঠামোতে আবদ্ধ থাকে না। ডার্ক-ম্যাটারের পরিমাণ সাধারণ-পদার্থের পাঁচগুণ, তাই নিউট্রিনো যদি ডার্ক-ম্যাটার হতো তবে সমস্ত পদার্থ মহাবিশ্বের প্রতি অংশে সমানভাবে ছড়িয়ে যেতো, ফলে CMBতে লাল এবং নীল বিন্যাসগুলো দেখা যেতো না। তাই এটা প্রায় নিশ্চিত যে, তপ্ত-কণারা ডার্ক-ম্যাটার হতে পারে না।
• নিউট্রিনো কি?
• (بالإنجليزية: (Neutrino): “নিউট্রিনো”(Neutrino)হচ্ছে বৈদ্যুতিক চার্জবিহীন দূর্বল ও সক্রিয় এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র পারমানবিক কণা। ধারণা করা হয়, এই ক্ষুদ্র কণা ‘অশুন্য’ (Non-Zero) ভরের কণা। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সার্ণের গবেষকরা এই নিউট্রিনো আবিস্কারের ঘোষণা করেন। বিজ্ঞানীদের দাবীঃ আবিস্কৃত নিউট্রিনো বর্তমান প্রচলিত সাধারণ আলোক কণা থেকে দ্রুত বেগ সম্পন্ন।
• বিজ্ঞানী পাউলি প্রথমবারের মত উপলদ্ধি করেন যে, ভরবেগ, শক্তি, কৌণিক ভরবেগ ইত্যাদি নিত্যতা বজায় রাখার জন্য ইলেকট্রনের সাথে আরেকটি খুবই হালকা, আধানহীন এবং প্রায় অদৃশ্য কণার উপস্থিতি প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্য, ১৯৩০ সালে পাউলি (Pauli) যখন প্রথমবার এই কণাটির অস্তিত্ব আছে বলে প্রস্তাব করেন, তাঁর কিছু পরেই নাকি তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “আমি একটি ভয়ানক কাজ করে ফেলেছি | আমি এমন একটি কণার অস্তিত্বের প্রস্তাব রেখেছি যা সনাক্ত করা অসম্ভব ।” [1] নিউট্রিনো শেষমেষ ১৯৫৬ সালে প্রথমবার সনাক্ত হয় এবং নামকরণ করা হয় “নিউট্রিনো”। নিউট্রিনোর ধারণা প্রথম বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন পরমাণুর বেটা ক্ষয়ের বিশ্নেষণ করতে গিয়ে। তাতে দেখা গেছে নিউট্রিনো ও ইলেকট্রন প্রকৃতিতে যেন দুই ভাইয়ের মত।
• উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে মৌলিক কণাগুলো প্রধানতঃ তিন প্রকার যথাঃ কোয়ার্ক, বোসন ও লেপটন। এর মধ্যে লেপটন দুই প্রকার যথাঃ ইলেকট্রন ও নিউট্রিনো। তিন ধরণের ইলেকট্রনের মধ্যে রয়েছে (১) ইলেকট্রন ইলেকট্রন (অথবা শুধুই ইলেকট্রন) (২) মিউ ইলেকট্রন (মিউয়ন) এবং (৩) টাউ ইলেকট্রন (টাউয়ন) এবং এর প্রতিটি ইলেকট্রনের সাথে আছে একটি করে নিউট্রিনো যথাঃ (১) ইলেকট্রন নিউট্রিনো, (২) মিউ নিউট্রিনো।
• “ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল” (Standard Model)
• পদার্থ বিদ্যার যে তত্ত্বের সাহায্যে কোন বস্তুর ভরের ব্যাখ্যা দাঁড় করানো হয় তাকে “ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল” (Standard Model) বলা হয়। এই ষ্ট্যান্ডার্ড মডেলটি অস্তিত্বশীল হতে হলে প্রয়োজন পড়ে এক অতি পারমাণবিক কণা। পদার্থ বিদ্যার এই ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে, মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুর ভর সৃষ্টির প্রাথমিক ভিত্তি হচ্ছে একটি “অদৃশ্য কণা”। বস্তুর ভরের মধ্যে ভিন্নতার কারণও এই অদৃশ্য কণাটিই। পদার্থের ভর কিভাবে তৈরি হয় তা জানতে ১৯৬৪ সাল থেকে শুরু হয় গবেষণা। ২০০১ সালে এসে গবেষকরা যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মিল্যাবের "টেভাট্টন" নামক যন্ত্ররে মাধ্যমে ওই কণার খোঁজ করতে শুরু করেন। এ কণার খোঁজে ২০০৮ সালে প্রতিযোগিতায় নামেন CERN এর খ্যাতনামা গবেষকরা। ২০১১ সালে CERN এর বিজ্ঞানীরা এ কণার প্রাথমিক অস্তিত্ব টের পান।
• পদার্থবিজ্ঞানের আইন প্রণয়নে কতিপয় তাত্ত্বিক কাঠামোর বিন্যাস
• বিংশ শতাব্দীতে, পদার্থবিজ্ঞানের আইন প্রণয়নের জন্য দুটি তাত্ত্বিক কাঠামো আবির্ভূত হয়। প্রথম i) আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব, অন্যটি ii) কোয়ান্টাম মেকানিক্স ।
• ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে uporokto এই দুইটি কাঠামো অতিপারমাণবিক মৌলিক কণাসহ মহাবিশ্বের পর্যবেক্ষণযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহকে ব্যাখ্যায় সফলতা অর্জন করে।
• পরীক্ষাগারে আলোর দ্বৈত ধর্ম প্রত্যেক বিষয় জোড়া জোড়া
• ►আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে, তেমনি আছে তরঙ্গ ধর্ম। আলো একধরনের শক্তি, কিন্তু এই শক্তি কোন রূপে থাকে, এটা নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ অনেককালের। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে তেমনি আলোর তরঙ্গ ধর্মও আছে, কিন্তু একই সঙ্গে দুটি নয়!
• তবে ►এ পর্যন্ত যত পরীক্ষা হয়েছে, তা কেবল হয় তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ দেয়, যেমন ইয়ংয়ের বিখ্যাত দ্বিচির বা টু-স্লিট পরীক্ষা ব্যতিচারের প্রমাণ দেয়, যা তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ। কিংবা আলোর কণা ধর্মও আছে, যার প্রমাণ মেলে আইনস্টাইনের আলোক তড়িৎক্রিয়া পরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু আলোর দুটি ধর্মই একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়—হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তার নীতির মূল কথাই হলো এটা।
• ►সুইস ফেডারেলের ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (EPFL-cole polytechnique fédérale de Lausanne is a research institute) বিজ্ঞানীদের কৌতূহল ছিল এই দ্বৈত আচরণ নিয়ে।
• ►অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা আলোর এই দ্বৈত আচরণের ছবি একই সময়ে নেওয়ার। ২০১৫ সালে তাঁদের অপেক্ষার অবসান ঘটে। তুলতে সক্ষম হন আলোর দ্বৈত চরিত্রের ছবি। সে বছর নেচার কমিউনিকেশন–এ প্রকাশিত হওয়া একটি প্রবন্ধে সেই ছবি সম্পর্কে খুঁটিনাটি আলোচনা করা হয়।
• ►কোনো ধাতব পাতে অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে আঘাত করলে তা থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন আলোর এই তড়িৎক্রিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য আলোকে কতগুলো নির্দিষ্ট শক্তির প্যাকেট হিসেবে কল্পনা করেন এবং প্রস্তাব করেন যে আলো এ রকম প্যাকেটের মতো গুচ্ছ আকারে উৎস থেকে আসে, যা কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা থেকে আসে। এ পরীক্ষাটিও আলোর কণাতত্ত্বের প্রমাণ দেয়। কিন্তু এ পরীক্ষাটিও আলোর দ্বৈত আচরণের অস্তিত্ব দৃশ্যত প্রমাণ করতে পারেনি।
• ►বিজ্ঞানী ফাব্রিজিও কার্বনের নেতৃত্বে একটি দল EPFL এ যে গবেষণায় নিযুক্ত ছিলেন তাতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি ছিল আলো তৈরিতে ইলেকট্রন ব্যবহার করা। এই দলের বিজ্ঞানীরা তাঁদের গবেষণায় অবশেষে সক্ষম হন প্রথমবারের মতো একটিমাত্র ছবিতে আলোর দুই রকম অবস্থাকে তুলে ধরতে, যে ছবি বলে দেয় আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে তেমনি তরঙ্গ ধর্মও আছে।
• বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করতে গেলে ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সাজিয়ে নিতে হয় নিজের মতো করে, ঠিক যেভাবে সাজালে তাদের অনুকল্প এবং পরীক্ষার ফলের সামঞ্জস্য আসবে।
• ►পরীক্ষাটি করার জন্য লেজার দিয়ে আলো ফেলেন ধাতব ন্যানোমিটার ব্যাসার্ধের তারের ভেতর দিয়ে। লেজার আলো ন্যানোতারের বাইরের পৃষ্ঠে থাকা চার্জিত কণাগুলোকে আন্দোলিত করে। এতে একধরনের স্থির তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, যা পরীক্ষায় আলোর উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তারপর ইলেকট্রন নিক্ষেপ করা হয় এই ন্যানোতারের পাশ দিয়ে। ফলে ইলেকট্রনগুলো ন্যানোতারের আলোক তরঙ্গের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ায় অংশ নেয়। এতে পরিবর্তিত হয় আলোক তরঙ্গের গতি।
• ►এখানে স্থির তরঙ্গ তৈরি হওয়া যেমন আলোর তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ দেয়। তেমনি ইলেকট্রনের সঙ্গে আলোর মিথস্ক্রিয়ার ফলে ইলেকট্রনগুচ্ছ এবং আলোর প্যাকেটের (কোয়ান্টা) মধ্যে পারস্পরিক শক্তি বিনিময়ের যে মিথস্ক্রিয়া, তা প্রমাণ করে আলোর কণা ধর্মের।https://www.bigganchinta.com/physics/
• মৌলিক কণা টাউ কণা টাউ নিউট্রিনো টপ কোয়ার্ক
ইলেকট্রন
ইলেকট্রন নিউট্রিনো
আপ কোয়ার্ক
মিউন মিউন নিউট্রিনো
( ........................)
টু-ইনঃ এস.ইলেকট্রন
ধনাত্মক আধানযুক্ত। যুক্তভাবে বা পরমাণুর মধ্যে থাকতে পারে।Two-in: S.Electron
positively charged. May exist in bonds or between atoms.
ইলেকট্রন এস. নিউট্রিনো
খুব সামান্য ভর বিশিষ্ট। অআধানহীন কণা। তেজস্ত্রিয়তায় জড়িত।Electron s. the neutrino
Very little mass. Non-conductive particles. Involved in radiation.
এস. আপ কোয়ার্ক) ও ডাউন কোয়ার্ক (এস. ডাউন কোয়ার্ক।
সাধারণ পদার্থের ক্ষুদ্র কণা। প্রোটন ও নিউট্রনে অআপ কোয়ার্ক ও ডাউন কোয়ার্ক থাকে।S. up quark) and down quark (S. down quark.
Small particles of common matter. Protons and neutrons have up quarks and down quarks.
এস.মিউন
ইলেকট্রনের মতো হলেও এর চেয়ে ৩০০ গুণ ভারী ও তেজস্ত্রিয়ভাবে অস্থিতিশীল।S. Mun
Similar to an electron but 300 times heavier and radiologically unstable.
মিউন এস নিউট্রিনো
মিউওনের মতোই, তবে সামান্য ভারী।muon s neutrino
Similar to the muon, but slightly heavier.
চার্ম কোয়ার্ক স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক টপ-বটম কোয়ার্ক টাউ কণা টাউ নিউট্রিনো
প্রোটনের চেয়ে তিন গুণ ভারী ও ধনাত্মক আধানযুক্ত।Three times heavier than proton and positively charged.
ঋণাত্মক আধানযুক্ত।negatively charged.
টপ কোয়ার্ক সবচেয়ে ভারী মৌলিক কণা। ভর প্রায় স্বর্ণের পরমাণুর সমান। বটম কোয়ার্ক প্রোটনের চেয়ে চার গুণ ভারী। টপ কোয়ার্কের ভাঙনে সৃষ্টি হয়।The top quark is the heaviest elementary particle. The mass is about the same as the gold atom. The bottom quark is four times heavier than the proton. It is created by the decay of the top quark.
খুব স্বল্পায়ু। ইলেকট্রনের চেয়ে ৩,৫০০ গুণ ভারী।very short lived 3,500 times heavier than an electron.
আধানহীন অন্যান্য নিউট্রিনোর চেয়ে সামান্য ভারী।Slightly heavier than other uncharged neutrinos.
ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্বের ইতিকথা
কুন>ফায়া
কুনঃ হয়ে যাও >ফায়া কুনঃ হয়ে গেছে>তাতে হয়ে যায় অখন্ড মহাবিশ্ব-যার “বৈজ্ঞানিক নাম হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন>অবিশ্বাসীর কি দেখে না যে, আসমান জমিন একসঙ্গে ছিল, পরে পৃথক হয়েছে। আল্লাহু বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব>তাতে সৃষ্টি হয় সাত আকাশ সাত জমিন । পৃথিবী প্রথম আসমানে অবস্থিত। ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্ব অনুসারে প্রথম আকাশের চেয়ে দ্বিতীয় আকাশ বড়, দ্বিতীয় আকাশের চেয়ে তৃতীয় আকাশ বড়,তৃতীয় আকাশের চেয়ে চতুর্থ আকাশ বড়, চতুর্থ আকাশের চেয়ে পন্চম আকাশ, পন্চম আকাশের চেয়ে ষষ্ঠ আকাশ, ষষ্ঠ আকাশের চেয়ে সপ্তম আকাশ বড়।
“মৌলিকভাবে স্ট্রিং থিওরির কিছু প্রমাণ আছে। খুব উচ্চশক্তিতে পার্টিকেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটালে স্ট্রিংগুলোর কাঠামো দেখতে পাওয়ার কথা” (স্ট্রিং তত্ত্ববিদ অশোক সেন)।
“মৌলিকভাবে স্ট্রিং থিওরির কিছু প্রমাণ আছে।
শ্রবণ তন্ত্তঃ
শব্দ শুনতে পায়-এমন সব জীবে শব্দ বা জড় মাধ্যমের কম্পন শনাক্ত করার প্রক্সি হিসাবে কাজ করে কানের একদম ভেতরকার এক জাতীয় তরল পদার্থ। সেই তরল পদার্থ ডেউ খেলে গেলে সেখানে থাকা বিশেষ কোষের ভাসমান তন্ত্ত গুলো নড়েচড়ে ওঠে। সেই নড়াচড়ার যান্ত্রিক শক্তিকে কোষ বৈদ্যুতিক শক্তিতে পরিণত করে এবং সংকেতটি স্মায়ুর মাধ্যমে বাহিত হয়ে মস্তিস্কে প্রবেশ করলে শব্দের অনুভূতি জাগে। বাহ্যিক শব্দ ছাড়াও স্রেফ উল্লেখিত তরল বা ভাসমান কোষীয় তন্ত্ত গুলো নাড়িয়ে দিতে পারলেও কিন্ত্ত মস্তিস্ক সেটা শব্দ হিসাবে গণ্য করবে। (বিজ্ঞানচিন্তা,অক্টোবর, ২০২১, পৃষ্ঠা ২৮)।
খুব উচ্চশক্তিতে পার্টিকেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে স্ট্রিংগুলোর কাঠামো দেখতে হলে পৃথিবীকে বিপজ্জনক অবস্থায় ফেলতে হবে যেমন হিগস বোসন কণা অআবিস্কার করতে গিয়ে এ ধরণের বিপজ্জনক ঝুঁকি বিজ্ঞানীদের নিতে হয়েছে। এ বিজ্ঞানীরা এতে ছোটখাটো মহাপ্রলয়ের অআশংকা করেছিলেন কারণ বিলিয়ন বিলিয়ন হ্যাড্রন জাতীয় প্রোটন কণার প্রায় অআলোর গতিতে পরস্পর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটাতে গিয়ে সৌর কেন্দ্রের উত্তাপের চাইতে লক্ষ গুণ বেশি উত্তাপ সৃষ্টি করেছিল । স্ট্রিংয়ের জন্য বিলিয়ন এমনকি ট্রিলিয়ন গুণ উত্তাপ সৃষ্টির আশংকা রয়েছে কারণ স্ট্রিংয়ের সূক্ষ্ণতার পরিমান ১০-৩৩ সেন্টিমিটার। এর জন্য সার্ণের সাইক্লাটন যন্ত্র ল্যার্জ হ্যাড্রনের চাইতে কোটি গুণ শক্তি সম্পন্ন হতে হবে। অআই.অআর.অআর.এস.টি.সি. মনে করে এমনিতে প্রযুক্তির অপব্যবহার জনিত ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে পরিবেশবাদীরা ক্রমেই বিজ্ঞান বিরুদ্ধ মনোভাবাপন্ন হয়ে উঠছে। যার কারণে এন্ড্র আয়ান মন্তব্য করেনঃ আমি অনেক মেধাবী ছেলেকে চিনি যারা বিজ্ঞানকে ঘৃণা করে।এমতাবস্থায় ক্ষতিকর কোন উদ্যোগ বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যতে বিপদ ডেকে আনতে পারে।
স্ট্রিং তত্ত্ব বিজ্ঞানীদের মতে, স্ট্রিংয়ের সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণ, ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্রতা হচ্ছে ১০-৩৩ সেন্টিমিটার। উল্লেখ্য, বর্তমানে বিজ্ঞানীদের হাতে যে সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ যন্ত্র রয়েছে তার সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ১০-১৭ সেন্টিমিটার। এ মাত্রার সূক্ষ্ণতম কণিকা আজও পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীদের মতে, ইলেকট্রনের সূক্ষ্ণতা কোয়ার্ক থেকেও কম নয়, বেশি হওয়ার সম্ভাবনা। কোয়ার্কের সূক্ষ্ণতার মাত্রা ১০-১৭ সেন্টিমিটার। এমতাবস্থায় স্ট্রিং প্রমাণের জন্য ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা দর্শন ক্ষমতা সম্পন্ন সুপার হাইয়েস্ট ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের শর্ত বেঁধে দেওয়ার অর্থ দূরতম গ্রহের এলিয়েন জাতীয় অতি বুদ্ধিমান প্রাণীর অতিবুদ্ধিমাত্রিক প্রযুক্তিধর জাতির জন্য অপেক্ষমান থাকা ছাড়া অআমরা মানব জাতির জন্য আর গত্যন্তর নেই বল্লেই চলে।
১) মহাকর্ষ সম্পর্কে সাধারণ মীথ (বদ্ধমূল ধারণা) হচ্ছে মহাকর্ষ টানে। যেহেতু মহাকর্ষ মহাকাশীয় আর মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর ভূত্বকীয় ব্যাপার সেহেতু মহাকর্ষ নয় মাধ্যাকর্ষণ আমাদেরকে টানার কথা। পক্ষান্তরে মহাকর্ষ স্বয়ং নিজে কিংবা গ্র্যাভিটন আকারে আমাদেরকে চাপে।
IRRSTC এর ব্যাখ্যাঃ পূর্ব থেকেই বিজ্ঞানীরা মহাকর্ষ মহাকাশে এবং মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর ভূত্বকে ক্রিয়াশীল বলে ধরে নিয়েছে। IRRSTC মনে করে
লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, বিজ্ঞানচিন্তা
সূত্র: উই হ্যাভ নো আইডিয়া/ জর্জ চ্যাম ও ড্যানিয়েন হোয়াইটসন;
গ্র্যাভিটি/মার্কাস চোন; উইকিপিডিয়া
মমমমহাবিশ্বের শক্তির স্বরূপ
মহাজাগতিক বস্তু-পদার্থের কিছু হচ্ছে মৌলিক,কিছু পদার্থ তেজোস্ত্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে নিজেকে ভেঙ্গে অন্য মৌলের পরমাণুতে রূপ বদল করে (বিজ্ঞানচিন্তা, জুন, ২০১৯, পৃষ্ঠা ৪৪)। গ্রহ-নক্ষত্রের জন্ম-মৃত্যু সবই আসলে ঘটছে অ্যাটম বা পরমাণুর ভাঙা গড়ার খেলার ফলাফল থেকে (বিচি জুন, ২০১৯, পৃষ্ঠা ২৪)।তাছাড়া কিছু বস্ত্ত রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে রূপ-রূপান্তর ঘটে।
“প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে” (ফারাবী আল আরাবী)। মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, মহাজাগতিক সকল মৌলিক এককবস্তুর নাম “হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন”-যার মহাবিস্ফোরণে শুন্যময় আকাশ-মহাকাশ এবং বস্ত্তময় সকল গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, (তারা) গ্রহ-উপগ্রহ ইত্যাদির উদ্ভব। মহাবিশ্বকে সমুদ্র ধরলে তার ৭০% পানি এবং বাকী ৩০% ভূমি। মহাবিশ্বকে রক্ত ধরলে তার ৭০% পানি এবং ৩০% অন্যান্য উপাদান। অনুরূপ মহাবিশ্বের শুন্যময় স্থান যদি হয় ৭০% বাকী ৩০% বস্ত্তময় গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, (তারা) গ্রহ-উপগ্রহ ইত্যাদি।
যেহেতু শুন্য স্থানে শক্তি বিরাজমান থাকা কোয়ান্টাম মেকানিকসে নতুন কথা নয় এবং যেহেতু পবিত্র কুরআনের সূরাহ হাদীদের ২৫নং নিম্নোক্ত আয়াত মতে,
লোহা তাতে রয়েছে শক্তি
..........................................................................................এবং যেহেতু আইনস্টাইনের E=mc2 ভরশক্তি সমীকরণ মতে, জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ বস্ত্তুর ন্যায় এবং যেহেতু কম্পন থেকে শব্দ এবং শব্দ থেকে কম্পনের সৃষ্টি হয় যা সমার্থক এবং শব্দ থেকে শক্তির উদ্ভব হয় সেহেতু বস্ত্ত মানে শক্তি, শক্তি মানে বস্তু, এবং যেহেতু বস্ত্তর ভর আছে, ভর হচ্ছে হিগস ফিল্ডে বিরাজমান শক্তিক্ষেত্রের শক্তি সেহেতু শুন্য,কম্পন, শব্দ,ভর,ওজন,বস্তু-পদার্থের উৎসমূল শক্তি আর শক্তি।
আবহাওয়া সুস্থির নয় কেন?
বস্ত্তর ক্ষুদ্রতম জগৎ আপাতদৃষ্টে যতটুকু শৃঙ্খলা মেনে চলে মনে করা হয়, আসলে ততটা নয়। তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাসের অণুগুলো ছোটাছুটি করে ফলে ইলেকট্রনের মতো তাদের সঠিক অবস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। (বিচি, প্রাগুক্ত ৩৫)।
পৃথিবী যেভাবে মহাজাগতিক সুরক্ষা পাচ্ছে
পৃথিবীতে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় উল্কাপিন্ডটি দক্ষিণ আফ্রিকার নাবিবিয়ার হোবা নামক এক কৃষি খামার সংলগ্ন এলাকায় ৮০,০০০ (আশি হাজার) বছর পূর্বে মহাকাশ থেকে আছড়ে পড়েছিল। হাজার হাজার বছর লয়-ক্ষয়ের পরও বর্তমানে এর ওজন দাঁড়ায় প্রায় ৬০ টন। উল্কা পিন্ডটির ৮৪% লোহা এবং ১৬% নিকেল, কোবাল্ট ও অন্যান্য ধাতু মিশ্রিত । বিজ্ঞানীদের ধারণা মানব জাতির উদ্ভব ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) বছর পূর্বে।
স্বল্প জনবসতিতে আগুনী উল্কার আবির্ভাব
২০১৩ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি। রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে ১৪০০ কিঃমিটার দূরে চেলিয়াবিনস্ক নগরীর স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২০ মিনিটে শাই শাই শব্দে আকাশ থেকে আগুনী উল্কাপিন্ড নেমে ছুটতে ছুটতে অবশেষে অপেক্ষাকৃত কম জনবসতির এলাকায় এসে যাত্রা বিরতি করে। এতে করে ক্ষতিকর কিছু ঘটার সুযোগ হয়নি।
মহাবিশ্বের রূপ-রূপান্তরের স্বরূপ
◊নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান প্রোটন কণার সংখ্যাভেদে বস্ত্তকণার রূপ-রূপান্তর ঘটে।
◊ইন ইলাস্টিক স্ক্যাটারিংয়ে ফোটনের শক্তির পরিবর্তন হয় (বিচি জানুয়ারি ২০২০, পৃষ্ঠা ৫৮)।
◊ কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে ১০০ কোটি আলোক বর্ষ দূরত্বের ভেতর কসমিক নেটওয়ার্ক যেটুকু দেখা যায় তাতে দেখা যায় মহাবিশ্ব স্ট্রি বা সুতায় বোনানো (বিচি, ডিসেম্বর, ২০২০, বর্ষ ৫, সংখ্যা পৃষ্ঠা ৫২)
►নিউটনের সূত্রমতে, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষ বল এমনভাবে থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দুটিকে বেঁধে রাখা হয়েছে। ফলে সূর্যের চারপাশের কক্ষপথে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে পৃথিবী। কিন্ত্ত অআইনস্টাইন নতুন তত্ত্বে বললেন, নিউটনের এই ধারণা ভুল। বরং সূর্যের মতো ভারী বস্ত্ত আসলে তার চার পাশের স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দিয়ে উপত্যকার মতো তৈরি হয়, আর উপত্যকার ঢালুতে গড়িয়ে চলতে বাধ্য হয় পৃথিবী (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠাঃ ৬৩)।
IRRSTC মনে করে বিজ্ঞানকে অর্থবহ করে তুলতে হলে নতুন একটি কার্ল সাগান উক্ত সাহসী নতুন প্রশ্ন জরুরী। প্রশ্নটি হচ্ছেঃ অআইনস্টাইন উক্তঃ উপত্যকার ঢালুতে গড়িয়ে চলতে বাধ্য পৃথিবী কেন সূর্যের বুকে আছড়ে পড়ে না? এই প্রশ্নেরই উত্তর রয়েছে নিউটনের এই উক্তিতেঃ “সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে মহাকর্ষ বল এমনভাবে থাকে যেন অদৃশ্য কোনো দড়ি দিয়ে এই বস্ত্ত দুটিকে বেঁধে রাখা হয়েছে”। অবশ্য নিউটন উক্ত উক্তিটি করে নিজেই আরেকটি প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন এই বলেঃ “মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে। কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন?”।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
নতুন উত্তরঃ জাগতিক পরিভাষায়ঃ প্রকৃতি, আধ্যাত্মিক পরিভাষায়ঃ গড, খোদা, আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়াশানুহু যিনি বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব।
“আইনস্টাইনের তত্ত্বমতে, বক্র স্থান-কালই হলো মহাকর্ষ। আমাদের স্থান-কাল চার মাত্রিক। কিন্ত্ত ত্রিমাত্রিক জীব হওয়ার কারণে স্থান-কালের এই উপত্যকাকে আমরা বুঝতে পারি না। সূর্যের চার পাশে পৃথিবীর মতো গতি ব্যাখ্যা করতে আমাদেরকে তাই এতকাল মহাকর্ষের মতো একটা তত্ত্ব উদ্ভাবন করতে হয়েছে (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠা ৬৩)। স্টিফেন হকিং বলেছেন, মহাবিশ্বের উদ্ভব হয়েছিল মহাকর্ষ থেকে।
নতুন প্রশ্নঃ মহাকর্ষের উদ্ভব কোত্থেকে?
রহস্যময় মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যা কী?
মহাকর্ষ বল দূর্বল কেন?
মহাকর্ষ বল দূর্বল কেন? IRRSTC মনে করে এই বল দূর্বল হওয়ার কারণ
মনে করি, কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন হচ্ছে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয়, সবল এবং দূর্বল নিউক্লীয় বলের সাথে মহাকর্ষের মিথস্ত্রিয়ার একক রূপ যা আস্ত একটা ম্যাগনেটিক শক্তির আকর। কল্পিত এই গ্র্যাভিটন তিন ভরবিশিষ্ট হওয়ায় সবল প্রকৃতির হওয়ার কথা ।কিন্ত্ত এক্ষেত্রে প্রস্তাবিত কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন মেনে চলবে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অর্থাৎ অবস্থাভেদে ভেক বদলিয়ে দূর্বল প্রকৃতির হয়ে যাবে অজ্ঞাত কারণে। কারণটি হতে পারেঃসাধারণতঃ চুম্বক লোহাকে টানে যদি চুম্বক লোহা অপেক্ষা বড় হয়, কিন্ত্ত লোহা যদি চুম্বক থেকে বড় হয় তাহলে আপেক্ষিকতার সূত্রের কারণে মনে হবে, লোহা চুম্বককে টানছে। মহাকর্ষ দূর্বল হওয়ার কারণে পৃথিবী,চাঁদ প্রভৃতির লৌহ কণিকা সমৃদ্ধ ভূত্বক মহাকর্ষকে টানে। মহাকর্ষ এই টানে সাড়া দিতে নিম্নমুখি হওয়ার সময় যেহেতু মহাকর্ষ এক প্রকার শক্তি যার ভর আছে তাই এই ভরসহ ভূত্বকে নেমে আসার সময় এক প্রকার ভারী চাপের সৃষ্টি হয় যার চাপে পড়ে চলৎশক্তি সম্পন্ন মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীকূল যা আমাদের পায়ের ত্বককে ভূত্বকে লেগে থাকতে সহায়ক হয়। মহাকর্ষ অবিশ্বাস্য রকমের দূর্বল না হলে আমাদের দেহে যে লৌহ কণিকা বা আয়রণ রয়েছে তা দিয়ে এমন একটি পেরেক তৈরি হবে যদ্বারা অনায়াসে এক ব্যক্তিকে তার দেহস্থিত লৌহ কণিকায় প্রস্ত্তত পেরেক দ্বারা দেওয়ালে গেঁথে রাখা যাবে। আয়রণসমৃদ্ধ এই দেহ স্বাভাবিকভাবে মহাকর্ষের ম্যাগনেটিক পাওয়ারের কারণে মহাকর্ষ দ্বারা আকর্ষিত হওয়ার কথা। কিন্ত্ত মহাকর্ষে ভীষন দূর্বলতার কারণে আমাদের দেহে এই আকর্ষণ হয় খুবই ক্ষীণ, তা নাহলে মহাকর্ষ আমাদের দেহকে উপরে উঠিয়ে নিয়ে যেত অনায়াসে। সম্ভবতঃ এ কারণে প্রকৃতি মহাকর্ষকে দূর্বল করে বানিয়েছে !
........................ তখন এই গ্র্যাভিটন রূপ নেবে সলটেজ গ্রাভিটনে। নুন (সল্ট) যেমন পরিমাণে কম, কিন্ত্ত এর ক্রিয়া বেশি, তেমনি কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন হালকা বটে কিন্ত্ত মহাবিশ্বে বিচরণশীল প্রাণীর দেহে ছড়ায় ম্যাগনেটিক পাওয়ার যা লৌহ কণিকা সমৃদ্ধ ভূত্বকে আকর্ষণ সৃষ্টি করে আটকিয়ে রাখতে বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখে।
সৃষ্টি হয় পুরোপুরি ম্যাগনেট আকারে। পক্ষান্তরে পৃথিবী, চাঁদ (সূর্য নয়- কারণ গ্যাসীয় পদার্থ),মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্রসহ উল্কাপিন্ড (দক্ষিণ আফ্রিকার নাবিবিয়ার হোবা নামক এক কৃষি খামার সংলগ্ন এলাকায় ৮০,০০০ (আশি হাজার) বছর পূর্বে মহাকাশ থেকে পতিত হাজার হাজার বছর লয়-ক্ষয়ের পরও বর্তমানে ৬০ টন উল্কাপিন্ডটির ৮৪% লোহা এবং ১৬% নিকেল, কোবাল্ট ও অন্যান্য ধাতু মিশ্রিত)সবই খনিজ লৌহ কণিকা সমৃদ্ধ।
মহাকর্ষ বল বা শক্তি বিশেষ এ কারণে স্বাভাবিকভাবে দূর্বল হওয়ায় লৌহজাত ভূত্বকের সাথে মিথস্ত্রিয়া করতে গিয়ে ভরত্ব এবং ভূত্বকের লৌহকণিকা কারণে নিজেই নিম্নগামী হওয়ার সময় ভারজনিত ভারী নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় তাকে বলা যেতে পারে কোয়ান্টাম-আপেক্ষিক গ্র্যাভিটি। হয় অর্থাৎ ভূত্বকের আকর্ষণের শিকার হয় উল্টোভাবে।
মহাকর্ষের দূর্বলতা ব্যাখ্যা সাপেক্ষে যে প্রক্রিয়ায় কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটিকে আপেক্ষিকতার সাথে মিলন ঘটানো যায়ঃ
Comments
Post a Comment