আপ ডেট ০২ তারিখঃ ১৩-৮-২০২৪
The Islamic Research for Reviving Science-Tech Center (IRRSTC) North Mughaltooly, West Madarbari, Chattagram-4100, Bangladesh. ramzanctg60@gmail.com irrstc1820@gmail.com newscience1443@gmail.com https://nwns1445.blogspot.com/ https://www.pinterest.com/ramzanctg60/new-science-new-world-1442/ https://www.linkedin.com/company/82102986/admin/
শক্তি
ওয়াহুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর জ্ঞান ওয়াহুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়্যিন ঈলমা
মিশন-ভিশনঃ মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে গ্রান্ড ইউনিফিকশনের মাধ্যমে “শক্তিতাত্ত্বিক” ‘এনালগ-ডিজিটাল’ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়ের “কুরআন-সুন্নাহ”র মধ্যপন্থার আলোকে নিউটনের ‘সরলীকরণ সূত্রে’ মীমাংসার মাধ্যমে “জ্ঞানতাত্ত্বিক” ‘মানবব কল্যাণধর্মী’ সুপার ডিজিটাল “ফ্রন্টিয়ার” নামক নতুন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু। লগোঃ ইক্বরা বিসমি রব (জ্ঞানের প্রসঙ্গ লইয়া হজরতের পয়গাম্বরী জীবন শুরু-(বিশ্বনবীঃকবি গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ)
ভূমিকাঃ বলা হয়ে থাকেঃ ‘বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিক থেকে শুরু-যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জেগেছিল’।বস্ত্ততঃ বিশ্বপ্রকৃতির (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/the-unique-natural-world-1442/) পরতে পরতে রয়েছে সত্য থেকে সত্যান্তরে পৌঁছার জীবন্ত দলিল-প্রমাণ। তাই বিজ্ঞানীরা প্রকৃতিভিত্তিক যে বিজ্ঞানের উদ্ভাবন করেছিলেন তার নাম “ফিজিক্স”https://www.pinterest.com/ramzanctg60/physics-world-1442/। ফিজিক্সে রয়েছে তাবৎ প্রাকৃতিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের অপূর্ব ভান্ডার(https://www.pinterest.com/ramzanctg60/safe-forest-safe-earth/)। কিন্ত্ত যেদিন থেকে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান তথা ফিজিক্স (https://en.wikipedia.org/wiki/Physics) ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সে (বস্ত্তবিজ্ঞানে) সীমাবদ্ধ হয়েছে-সেদিন থেকে গবেষণা এবং উদ্ভাবনের চাইতে পেশাভিত্তিক প্রকৌশল,চিকিৎসা এবং কৃষি-বস্ত্রে সীমিত হয়ে পড়ে। মহাবিশ্ব সম্পর্কে যাও ডেমোক্রিটাস, অ্যারিস্টটল, অআল জাবের ইবনে হাইয়ান ইবনে সিনা,মূসা অআল খাওয়ারিজমী, নিউটন, আইনস্টাইন,ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, হাইজেনবার্গ, স্টিফেন হকিং প্রমুখ যাওয়া গবেষণা করেছেন তাও ছিল মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামো কেমন এবং কিভাবে তাতেই সীমাবদ্ধ ছিল এবং বর্তমানেও আছে। মহাবিশ্ব এবং তার অণু-পরমাণু কি দিয়ে তৈরি? এর উত্তর রেখে দেওয়া হয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের অমীমাংসিত ১০ প্রধান বিষয়ের তালিকায়। মহাকাশের শেষ কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তরে কেবল বলা হচ্ছেঃ জানা আকাশের চেয়ে অজানা আকাশ “অ-নে-ক, অ-নে-ক দূর”?
উল্লেখ্য, বিশ্ব প্রকৃতিতে এমন প্রশ্ন রয়েছে যা বিজ্ঞানীদে কেবল বিরক্তিই বয়ে আনে। যেমন মহাবিশ্বের বস্ত্তকাঠামোর মূল কণা স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক স্ট্রেন্জ কেন? এসব অপ্রত্যাশিত প্রশ্নরোধন বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত হচছেঃ “এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে পাওয়া যাবে না”। পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগান বলেছিলেনঃ “পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং উত্তরের গভীরতা প্রয়োজন” (বিজ্ঞানচিন্তা)।
উল্লেখ্য, ডেমোক্রিটাস থেকে নিউটন পর্যন্ত সহস্রাধিক বছরের ব্যবধানে বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে যে ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটেছিল তাতে নিউটন গণিতের এমন যাদুকরি প্রয়োগ পদ্ধতি জানতেন যে, তাতে যত প্রকারের রহস্যই হোক না কেন, গণিত কষে তার কুল কিনারা লাভ করতেন চমৎকারভাবে। তাই আইনস্টাইন নিউটনকে বিজ্ঞানের ওস্তাদ মনে করতেন এবং দাবী করতেন নিউটন প্রকৃতির সব ভাষা বুঝতেন। কিন্ত্ত বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের দ্বিতীয় বর্ষে অর্থাৎ ১৯০১ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক যখন কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটান তখনই বিজ্ঞানের জানার চাকা যেন উল্টো দিকে ঘুরতে থাকে।
ফলে এ যাবৎ যত গবেষণা হয়েছে তাতে মহাবিশ্বের প্রকৃত সত্যকে জানার হার আশংকাজনকভাবে কমে এসেছে। বলা হচ্ছে, এতকাল বিজ্ঞানীরা যা দেখেছেন তাতে মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় তাহলে বিজ্ঞানীরা এতকাল দেখেছেন যেন বাঘের ল্যাজটি! বিশেষ করে এনালগ থেকে ডিজিটালে উন্নীত হওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/dark-energy%2Bdark-matter-1443/) আবর্তে পড়ে বিজ্ঞানে জানার হার মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এতে সত্যকে জানার যে অগ্রযাত্রা তা কেবল মন্থরই হয়েছে যা সত্যিই দুঃখজনক বটে।
আই.আর.আর.এস.সি-র গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ঃ পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে IRRSTC কর্তৃক বিশ্ব প্রকৃতি বিষয়ক কতিপয় নিম্নোক্ত এমন প্রশ্নের উত্তরের গভীরে যাওয়া-যাকে সুদূর অতীত থেকে এযাবৎকাল অতিপ্রাকৃতিক, অলৌকিক, ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে, টেলিপ্যাথি, ডার্ক (এনার্জি-ম্যাটার)+এক্স (রে),Transcendental Print (অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় ) প্রভৃতি শব্দে-বাক্যে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল তার রহস্য ভেদ করে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পুরাতন এনালগ-ডিজিটাল বিজ্ঞানকে মহান আল্লাহর তায়িদ-মদদে “ফ্রন্টিয়ার” নামক সুপার ডিজিটালীয় নতুন বিজ্ঞানে i) https://www.pinterest.com/ramzanctg60/islamic-new-science-new-world/ ii) https://www.pinterest.com/ramzanctg60/new-science-new-world-1442/ iii) https://nwns1445.blogspot.com) উন্নীতকরণ IRRSTC এর গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ।
এমতাবস্থায় সত্যকে জানার বিজ্ঞানের যে অগ্রযাত্রা তাকে আরও বেগবান করে মানব মনের অভীষ্ট প্রত্যাশাঃ ‘পরম সত্যে’ পৌঁছা; তারই মিশন-ভিশন নিয়ে মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে IRRSTC গ্রান্ড ইউনিফিকশনের মাধ্যমে “শক্তিতাত্ত্বিক” ‘এনালগ-ডিজিটাল’ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়ের “কুরআন-সুন্নাহ”র মধ্যপন্থার আলোকে নিউটনের ‘সরলীকরণ সূত্রে’ মীমাংসার মাধ্যমে “জ্ঞানতাত্ত্বিক”এবং‘মানব কল্যাণধর্মী’ সুপার ডিজিটাল “ফ্রন্টিয়ার” [https://www.linkedin.com/posts/frontiers-in-science_download-the-article-activity-7220000898079485952-V5Ka?utm_source=share&utm_medium=member_desktop] নামক নতুন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় নিম্নোক্ত নতুন প্রশ্ন এবং তার উত্তরকে প্রণিধানযোগ্য করে মধ্যযুগের ন্যায় আবারও জ্ঞান-বিজ্ঞানে নেতৃত্বাসীনে একান্ত ইচ্ছুক ।
১) মহাবিশ্ব (https://en.wikipedia.org/wiki/Universe) কি দিয়ে তৈরি?-এটি পদার্থ বিজ্ঞানের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের একটি যা দিয়ে ইনশা আল্লাহ নতুন বিজ্ঞানের নতুন ভাবনার অগ্রযাত্রা শুরু করা IRRSTC এর লক্ষ্য।
১.প্রশ্নঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি?
পদার্থ বিজ্ঞানঃ
“প্রকৃতিতে এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না” (বিজ্ঞানচিন্তা)।
উল্লেখ্য, পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ অমীমাংসিত বিষয়ের অন্যতম বিষয় হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নটি।
আই.আর.আর.এস.টি.সি
وَأَنزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ
“And We sent down Iron, In which is (material for) Mighty war, as well as Many benefits for mankind”.
(Source: Al Quran: Sūra 57: Hadīd, or Iron, Ayaat: 25, Verses 29 — Madani; Revealed at Madina — Sections 4, https://quranyusufali.com/57/)
লোহা-এতে রয়েছে শক্তি (আল কুরআনঃ সূরাহ আল হাদীদ, আয়াতঃ ২৫)
বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণঃ ভরশক্তিসমীকরণ মতেঃ “জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ বস্ত্তর মতো”। সেমতে, লোহা (Iron) (https://en.wikipedia.org/wiki/Iron) হচ্ছে জমে থাকা এক প্রকার শক্তি (Energy) (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/energy-power-physical-structure-of-the-universes/)। একাধিক কণার (Particle) সমষ্টি হচ্ছে লোহা তথা বস্ত্ত (Matter)। প্রতিটি কণা কম্পমান (vibration)। কম্পনের উৎস শক্তি। স্ট্রিং থিওরি মতে, কম্পনের ভিন্ন ভিন্ন মাত্রার উপর ইলেকট্রন, কোয়ার্ক ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন বস্ত্তকণার উৎপত্তি নির্ভরশীল । সুতরাং সকল বস্ত্ত এবং বস্ত্তকণার উৎস মূল “শক্তি”(Energy) আর “শক্তি” (Energy) (https://en.wikipedia.org/wiki/Energy)।
২. শক্তির উৎসমূল কে? কি? অথবা কোথায়?
সিদ্ধান্তঃ যেহেতু প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী আল আরাবী) সেহেতু শক্তির উৎসমূল “মহাশক্তি” যা জাগতিক পরিভাষায় *“প্রকৃতি” (Nature), আধ্যাত্মিক পরিভাষায় *গড/খোদা/*আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু।
“আমরা পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে পারি আমাদেরর প্রশ্ন করার সাহস ও উত্তরের গভীরতা দিয়ে”।(কার্ল সাগান)।
সুতরাং অর্থবহ পৃথিবীর লক্ষ্যে প্রশ্ন হতে পারেঃ বস্ত্তকণা তথা বস্ত্তর উৎসমূল যদি “শক্তি”(Energy) আর “শক্তি” (Energy) হয় তাহলে এই শক্তি আসলো কোত্থেকে? এ প্রশ্নের জন্য চাই উত্তরের গভীরতা অর্থাৎ অসীম বিজ্ঞচিত উত্তর।
যেহেতু “মানুষকে অল্প জ্ঞান দান করা হয়েছে”( আল কুরআন) এবং যেহেতু বিজ্ঞানীদের দাবীঃ “এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই”-সেহেতু এমন অনন্ত-অসীম সূ্ত্রে এই প্রশ্নের উত্তরের গভীরতা খুঁজতে হবে যিনি একাধারে আহাদ, সামাদ, সুবহান সর্বোপরি আ’ঝিঝুল হাকীম: প্রবল পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান (সূরাহ হাশর, সর্বশেষ আয়াত)। তিনি আর কেহ নন, রব্বুল আলামীন যিনি বিকুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, বিকুল্লি শাইয়্যিন ঈলমা অর্থাৎ তিনি আহাদঃ এক, একক, অদ্বিতীয় তিনি সামাদ অর্থাৎ কোন কিছু সৃষ্টি করতে জাগতিক যাবতীয় উপাদান-উপকরণ থেকে সম্পূর্ণ রূপে অমুখাপেক্ষি,অনির্ভরশীল অর্থাৎ সুবহান অর্থাৎ জাগতিক সর্ব প্রকার তত্ত্ব, তথ্য, উপাত্ত, সূত্র ইত্যাদি হতে সম্পূর্ণরূপে পুতঃপবিত্র ।
সিদ্ধান্তঃ মহাবিশ্ব শক্তি দ্বারা গঠিত/নির্মিত।
[উল্লেখ্য,*“প্রকৃতি” (Nature) এবং *গড যেমন সমার্থক নয়; অনুরুপ গড *গড এবং *আল্লাহ সমার্থক নয় । এ ব্যাপারে যথাস্থানে বিস্তারিত আলোচনা হবে ইনশাআল্লাহ]।
৩. হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সংঘটিত মহাবিস্ফোরণ (বিগব্যাং) কি নিছক দূর্ঘটনা নাকি সুপরিকল্পিত-উদ্দেশ্যপূর্ণ?
আই.আর.আর.এস.টি.সি Helium wiki
বিগ ব্যাং পরবর্তীতে সৃষ্ট মহাবিশ্বের (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/space-world-1442/) এনট্রপি শীতল মুখী হওয়া এবং বস্ত্তকণার গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহের [i) https://en.wikipedia.org/wiki/Quark ii) https://en.wikipedia.org/wiki/Electron iii) https://en.wikipedia.org/wiki/Nucleus iv) https://en.wikipedia.org/wiki/Neutron v) https://en.wiktionary.org/wiki/proton vi) https://en.wikipedia.org/wiki/Hydrogen vii) https://en.wikipedia.org/wiki/Helium ] (কোয়ার্ক-ইলেকট্রন-নিউক্লিয়াস-নিউট্রন-প্রোটন-হাইড্রোজেন-হিলিয়ামসহ ..মৌলিক কণাসহ) পর্যায়ক্রমিক উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বের ক্রমবিকাশ (এপক এরা্......) ধারায় প্রাণোপযোগী পৃথিবী সৃষ্টিতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সংঘটিত মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) নিছক দূর্ঘটনা ছিল না, প্রচ্ছন্নভাবে সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত এবং প্রাণবান্ধব উদ্দেশ্যপূর্ণ।
৪. মহাকর্ষ টানে নাকি চাপে?
কেহ বলেন, মহাকর্ষ টানে, কেহ বলেন, মহাকর্ষ টানে সত্য কিন্ত্ত জড়ায় না। এ প্রসঙ্গে আইজাক নিউটন বলেনঃ অদৃশ্য দড়িতে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে আছে পৃথিবী আর সূর্য (তাই একে অপরের সাথে জড়ায় না)।পক্ষান্তরে আলবার্ট আইনস্টাইনের মতে, মহাকর্ষ বলতে কিছু নেই-এটা আসলে মহাকাশে বিদ্যমান অতিভারী বস্ত্তর কারণে দূর নক্ষত্রের আলো সূর্যের কোল ঘেঁষে পৃথিবীতে আসার সময় স্থান-কালের বক্রতা মাত্র । আলো কিছুটা বেঁকে পৃথিবীতে আসে। এটাই মহাকর্ষ সম্পর্কে আইনস্টাইনীয় সমীকরণ। এ অবস্থাকে নিউটন মহাকর্ষ বলেছিলেন ।
IRRSTC এর সিদ্ধান্তঃ মহাকর্ষ টানে না বরং চাপে-যার কারণে যেখানে মহাকর্ষ প্রবল সেখানে পা তুলতে হিমশিম খেতে হয়। অন্যদিকে যেখানে মহাকর্ষ হালকা সেখানে হাঁটতে হয় লাফিয়ে লাফিয়ে, কারণ সেখানে পা ফেলতে হিমশিম খেতে হয়। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ২১শে জুলাই যখন নীল আর্মষ্ট্রং মানবোতিহাসে প্রথমবারের মতো চাঁদে পা রাখেন তখন তাঁর পা ফেলতে হয় অনেক কষ্টে। হাঁটতে হয়েছিল তাই লাফিয়ে লাফিয়ে। কারণ চাঁদে পৃথিবীর তুলনায় মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ অনেক কম। তাছাড়া ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্তের (Event Horizon) অভ্যন্তরে মহাকর্ষের প্রবল স্রোতের “চাপে” আলো কেবল সামনের দিকেই ভেসে যাওয়া গত্যন্তর না থাকায় আর ফিরে আসতে পারে না। (বিস্তারিত ব্যাখ্যা পরবর্তীতে ইনশাআল্লাহ)
৫. স্ট্রিং থিওরি কি স্বপ্ন নাকি বাস্তব?
“স্ট্রিং থিওরির প্রমাণ আছে” (অশোক সেন, বিশিষ্ট স্ট্রিং বিজ্ঞানী)।
পদার্থ চুপসে যেতে যেতে পুরোপুরি ভ্যানিশ না হয়ে এক পর্যায়ে পরম বিন্দুতে এসে থেমে যায়। এমতাবস্থাকে আইনস্টাইন এই পরম বিন্দুকে সিঙ্গুলারিটি বলতেন। স্ট্রিং থিওরী মতে, সিঙ্গুলারিটি কিংবা বিন্দু নয়- এটি অতি সূক্ষ্ণ তারের কম্পন মাত্র। কম্পনের মাত্রার উপর নির্ভর করে বস্ত্তকণার ভর,আধান,শক্তির ধরণ এবং তা ইলেকট্রন হবে নাকি কোয়ার্ক কিংবা অন্য কোনো মৌলিক কণা হবে?
সিদ্ধান্তঃ ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার মহাজাগতিক আদি কণা হিগস বোসন আবিস্কারের খবর সার্ণ কর্তৃক ঘোষিত হয়। সার্ণ তার নিজস্ব কণাচূর্ণকারী সাইক্লোটন যন্ত্র ‘ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে’ প্রায় আলোর গতিতে হ্যাড্রন জাতীয় বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে লক্ষ গুণ সৌর কেন্দ্রিক উত্তাপ সৃষ্টি করে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে মহাজাগতিক আদি ভরযুক্ত প্রথম কণিকা হিগস বোসন কৃত্রিমভাবে উৎপন্ন করা হয়। এতে প্রমাণিত হয় ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের চাইতে আরও উন্নততর প্রযুক্তিসম্পন্ন ১০-৩৩ সেন্টিমিটারের সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে দেখা সম্ভবপর ।
সুতরাং এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, স্ট্রিং থিওরি স্বপ্ন নয়; বাস্তব।
মহাবিশ্ব সংক্রান্ত কতিপয় নতুন প্রশ্নমালা নিম্নরূপঃ
►মস্তিস্ক দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে নির্দেশ দেয়, মস্তিস্ককে নির্দেশ দেন কে?
মস্তিস্ক কর্তৃক দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে প্রদত্ত সকল নির্দেশনার উৎসমূল বিজ্ঞানীরা আজ পর্যন্ত দেহের কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গেই খুঁজে পাননি। স্মায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, মস্তিস্কের নির্দেশ দানে সুদূর গ্যালাক্সি থেকে উৎসারিত গামা রশ্মির প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে।
IRRSTC
কার্ল সাগান উক্ত অর্থবহ পৃথিবী গড়তে সাহসী প্রশ্ন জরুরী। সেমতে, প্রশ্ন হতে পারে গামা রশ্মির প্রভাবক কে?জাগতিক পরিভাষায় তার শেষ উত্তর হতে পারে প্রকৃতি নেচার, আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড,খোদা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু।
►হার্টবিটার কে?
হৃদবিশেষজ্ঞ তথা শরীর তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা আজও হার্টবিটের জন্য শরীরের কোনো অঙ্গ প্রত্যঙ্গের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা পান নি।
IRRSTC
জাগতিক পরিভাষায় হার্টবিটার কে? এই প্রশ্নের সর্বশেষ উত্তর হতে পারে জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি নেচার, আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড,খোদা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু।
►অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলে না কিছু। কিন্ত্ত সূর্যে অক্সিজেন নেই । তবুও সূর্য জ্বলে কেন? কিংবা সূর্যকে জ্বালায় কে?
নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান মতে, আগুন জ্বলার অপরিহার্য শর্ত অক্সিজেন তবে এই শর্ত কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানসূত্রে আপেক্ষিক, ইনভেরিয়েন্ট নয়। আইনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলিটিভিটির মূল কথাঃ প্রত্যেক বিষয়ের একটা পরম পরিণতি রয়েছে। অনুরুপ সূর্যকে জ্বালায় কে? এই প্রশ্নের উত্তর নিহিত রয়েছে এই বিষয়ের পরম পরিণতির উৎসমূল হিসাবে জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি নেচার, আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড,খোদা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু।
►প্রকৃতপক্ষে প্রকৃতিতে বিদ্যমান আলোর ভগ্নাংশ (ফ্যারাকশন) গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২০০ মাইলের কিছু বেশি। রাউন্ড গতি কেবল ১৮৬০০০ মাইল। এতদ্বসত্ত্বেও CERN কর্তৃক সহস্রবার প্রমাণিত নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে যাওয়ায় কেন আপত্তি? এর নিউটনীয় সরলীকরণতত্ত্বমতে ইসলামী মধ্যপন্থী বৈজ্ঞানিক সমাধান কোথায়?
বিশ্লেষণঃ ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইউরোপীয় পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সার্ণ কর্তৃক ঘোষণা করে যে, নিউট্রিনো আলোর স্বাভাবিক গতির চাইতে ষাট ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামী। এই আবিস্কার স্টিফেন হকিংসহ বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় বিজ্ঞানীরা মেনে নেননি এবং এই অআবিস্কার প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য সার্ণ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়। কারণ স্বরূপ বলা হয়ঃ এই আবিস্কারের ফলে সফলভাবে কার্যকর মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্রসমূহ ভেঙ্গে পড়তে পারে।
IRRSTC
নিউটন প্রেমিক আইনস্টাইন ছিলেন নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের একনিষ্ঠ ভক্ত-অনুরক্ত। নিউটনের প্রতি পরম শ্রদ্ধাবশতঃ স্পেশাল রিলিটিভিটি রচনায় মহাবিশ্বকে স্থির ধরে রচনা করেছিলেন এবংনিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম থিওরি যখন হেগেনবার্গে নিলস বোর কর্তৃক প্রশংসিতভাবে তুলে ধরেছিলেন তখন আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সরাসরি বিরোধিতা করে নিলস বোরের সাথে যে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তা বিজ্ঞানের ইতিহাসে “হেগেনবার্গ ব্যাখ্যা” নামে পরিচিত।
উল্লেখ্য, ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞানমতে, বস্ত্তকণা গতি প্রাপ্ত হলে তার স্বাভাবিক ভর বেড়ে যায়-আইনস্টাইন এই সূ্ত্রটি অন্তরের অন্তর্স্থলে গেঁথে নিয়ে রচনা করেছিলেন যুগান্তকরী থিওরিঃ E=mc2 তাতে দেখানো হয় বস্ত্তকণা গতি প্রাপ্ত হলে তার স্বাভাবিক ভর বেড়ে গেলে সেই বস্ত্তকণা কখনও ‘অসীম শক্তি’ প্রয়োগ ব্যতিত আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে না ।
আইনস্টাইনের দাবীঃ আলোর গতি ইনভেরিয়েন্ট, আপেক্ষিক নয়-এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্র রচিত। স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্র সুরক্ষার তাগিদে স্টিফেন হকিংসহ খ্যাতনামা বিজ্ঞানীরা ভরবিহীন আলোর চাইতে ভর সম্পন্ন নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামী হওয়ার স্বীকৃতি দিতে অনিচ্ছুক ছিলেন যদিও প্রকৃতিতে বিদ্যমান আলোর স্বাভাবিক ভগ্নাংশ (ফ্যারাকশন) গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২০০ মাইলের সামান্য কিছু বেশি।
লক্ষ্যণীয় যে, E=mc2 সমীকরণে আইনস্টাইন আলোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে সম্ভাবনা সূচক বাক্য ব্যবহার করেছিলেন তা ছিলঃ‘অসীম শক্তি প্রয়োগ’ অর্থাৎ অসীম শক্তি প্রয়োগ ব্যতিত কোনো বস্ত্তকণা পদার্থ বিজ্ঞানের নিয়ম ভেঙ্গে আলোর বেগে চলতে পারে না। অবশ্য E=mc2 সূত্র রচনার সময় অসীম শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাকে ‘অসম্ভব’ বলে ‘মন্তব্য করেছিলেন।
Einstian Standard Light Force (ESLF) প্রস্তাবনা
IRRSTC মনে করে ‘অসম্ভব’ শব্দটি স্থিতিশীল পদার্থ বিজ্ঞানের জন্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ এবং প্রস্তাব করে যে, স্থিতিশীল কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্রসমূহের সুরক্ষার জন্য গ্রীনীচ মান সময়ের মতো স্ট্যান্ডার্ড লাইট ফোর্সও জরুরী। সেমতে আলোর রাউন্ড গতি ১,৮৬,০০০ মাইলকে ইনভেরিয়েন্ট করার জন্য “Einstian Standard Light Force (ESLF)” ঘোষণা করা যেতে পারে। তাহলে নিউট্রনোকে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামিতার ছাড়পত্র দেওয়া হলে কিংবা মহাকাশে অআলো কিছুটা বেঁকে চলার কারণে যদি প্রমাণিত হয় অআলো কয়েক ন্যানো সেকেন্ড গতি কমে যায় তাতেও হেরফের হবে না বেধে দেওয়া অআলোর গতির। স্থায়িত্ব লাভ করবে স্ট্যান্ডার্ড মডেল সূত্র এবং পদার্থ বিজ্ঞানের যাবতীয় পরীক্ষিত এবং প্রমাণিত সূত্র গুলো। তবে বিশ্বশান্তি স্থিতিশীলতা বিশেষ করে “জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র” উদ্ভাবনের বৃহত্তর স্বার্থে IRRSTC মনে করে পদার্থ বিজ্ঞানে ব্যতিক্রম হিসাবে নিউটনের তৃতীয় সূত্রের সংস্কার জরুরী।
জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র কি এবং কিভাবে?
মানব সাধারণতঃ সুখ প্রিয় হলেও শান্তি হচ্ছে মানব জাতির পরম প্রত্যাশা যার কারণে মানব মাত্রই চিরস্থায়ী শান্তির স্থান রূপে বেছে নিয়েছে জান্নাত বা বেহেশত বা স্বর্গ (Heaven)। পার্থিব জগতেও মানব মন শান্তি প্রত্যাশি। এ কারণে মানুষ যুদ্ধের পাশাপাশি শান্তি সম্মেলনও অনুষ্ঠান করে থাকেন । শান্তির স্বার্থে পৃথিবীকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানিক কেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠিত করতে যুগে যুগে অনেক শান্তি চুক্তি হয়েছে, হচ্ছে, ইনশাআল্লাহ হবে সত্য, কিন্ত্ত প্রত্যাশিত শান্তি মানব জাতি আজও খুঁজে পায়নি। প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থবিজ্ঞানী মানবতাবাদী কার্ল সাগানের মতে, পৃথিবীটা হলো অসম্ভব ভালবাসার স্থান। কিন্ত্ত
পক্ষান্তরে ফরাসী সমাজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম সরোকিনের মতে, We are living in a dying culture-আমরা মৃত্যুমুখী সংস্কৃতিতে বাস করছি। অন্যদিকে, জাতিসংঘের জলবায়ু সংক্রান্ত অআন্তঃসরকার প্যানেল কমিটির অন্ততঃ ছয় শতাধিক পরিবেশ বিজ্ঞানীদের সর্বসম্মত অভিমতঃ মানব অনৈতিকতার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। IRRSTC মনে করে, কল্যাণকর প্রযুক্তির অজ্ঞতাপ্রসূত অকল্যাণকর ব্যবহারের দরুন স্বাস্থ্যসহ পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। এমতাবস্থায় পৃথিবীকে পরিবেশবান্ধব প্রাণোপযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে জ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তির কল্যাণকর ব্যবহারের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে মহান অআল্লাহর অশেষ রহমতে অর্ধ দশক ব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন গবেষণায় রচিতঃ জ্ঞানের আলোকে শান্তির খসড়া বৈজ্ঞানিক সূত্র নিম্নরূপঃ........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
ব্যাখ্যাঃ সাধারণতঃ কোনটি ভাল-মন্দ, কোনটি সত্য-মিথ্যা, কোনটি উপকারী-ক্ষতিকর, কোনটি ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করার বুঝ-সমঝদারিকে জ্ঞান বলা হয়। পৃথিবীতে প্রাণীকূলের মধ্যে মানব শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম কারণ জ্ঞান যা মানুষকে দেয়া হয়েছে অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় অনেক বেশি।
যতদিন মানুষ স্বীয় জ্ঞান-কে কল্যাণের পথে ব্যয় করেছে ততদিন শান্তিতে ছিল, যখনই অর্জিত জ্ঞান ক্ষতিকর পথে ব্যয় করে তখনই মানুষ বহুমুখী সমস্যায় ভারক্রান্ত হয়ে পড়ে। এ থেকে নিস্কৃতির জন্য জরুরী হচ্ছে জ্ঞানের অআলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র যা মানুষকে ভাল-মন্দ, কোনটি সত্য-মিথ্যা, কোনটি উপকারী-ক্ষতিকর, কোনটি ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করে শান্তিপূর্ণ নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে যুগান্তরী ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।
ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটার হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অবিস্ফোরিত অংশ!
►মহাবিশ্বে এক ধরনের অদ্ভূত অদৃশ্য বস্তু রয়েছে যার ২৭% অদৃশ্য বস্ত্ত (Dark Matter) এবং ৬৮%,অদৃশ্য শক্তি (Dark Energy) । বাকী ৫% বস্তু আমাদের চেনাজানা বস্তু।অর্থাৎ সিংহভাগ (৯৫%) আমাদের জ্ঞান বুদ্ধির বাইরের বিষয়।
►ডার্ক ম্যাটারের ক্ষেত্রে দেখা যায়, এরা একমাত্র মহাকর্ষ ছাড়া আর কোনো বলের সাথে মিথস্ত্রিয়া করে না। ...এই অদৃশ্য বস্তুরা হয়তো এমন কোনো মিথস্ত্রিয়ায় অংশ নেয়, যা আমাদের কাছে এখনও অজানা কিংবা আমাদের টেলিস্কোপ বা ডিটেক্টরে তা ধরা পড়ে না। সে কারণেই ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণা করা এত কঠিন।
►ডার্ক ম্যাটারে যে মহাকর্ষ আছে তা নিশ্চিত। কারণ, এর ভর আছে। আর ভর আছে বলেই তা ছায়াপথের নক্ষত্রগুলোকে ছিটকে পড়া থেকে আটকে রাখতে পারছে। এটাই ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্বের শক্ত প্রমাণ।
►১৯৭৮ সালে ১১টি সর্পিল ছায়াপথ পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দেখতে পান যে, উক্ত ছায়াপথের প্রতিটি এতই জোরে ঘুরছিল যে, নিউটনের সূত্র অনুযায়ী তাদের কোনোভাবে একত্রে থাকার কথা নয়। এসব মহাকাশীয় ঘটনা জ্যোতির্বিদদের বুঝতে সহায়ক হয়েছিল যে, আসলে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি নামে অদৃশ্য, প্রবল শক্তিমত্তার অধিকারী বলে মহাবিশ্ব জুড়ে সত্যিই কিছু আছে।
►মহাবিশ্ব তথা প্রকৃতির অন্তনির্হিত তত্ত্ব-তথ্য জানতে চাওয়াটাই বিজ্ঞানীদের জন্য যেন এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ত্রিশের দশক থেকে এ পর্যন্ত অজানা অদৃশ্য ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটার সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা গেছে। তাতে কোনো সমাধান নয়, বরং যেন আরও গভীর হয়েছে আমাদের অজানাটাই। কারণ, খুঁজে পাওয়া যায়নি ওই রহস্যময় বস্তু ও শক্তির উৎসমূল। তাই ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটার এখন বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় রহস্যগুলোর মধ্যে অন্যতম।
IRRSTC:
►ডার্ক ম্যাটারে যে মহাকর্ষ আছে তা নিশ্চিত। কারণ, এর ভর আছে। আর ভর আছে বলেই তা ছায়াপথের নক্ষত্রগুলোকে ছিটকে পড়া থেকে আটকে রাখতে পারছে। এটাই ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্বের শক্ত প্রমাণ। ভরশক্তি সমীকরণমতে, ভর এবংশক্তি সমার্থক সেহেতু ডার্ক এনার্জি আর ম্যাটার হতে পারে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অবিস্ফোরিত অংশ। সূরাহ হাদীদের ২৫নং আয়াত মতে লোহা একপ্রকার শক্তি এবং আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ মতে শক্তির জমাটবদ্ধতার নাম বস্ত্ত (লোহা)।
উল্লেখ্য, ডার্ক এনার্জির জমাট রূপ হচ্ছে ডার্ক ম্যাটার। সেমতে, এনার্জি এবং ম্যাটার উভয়টিই শক্তি আর শক্তির সমাহার বিধায় এটা হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অবিস্ফোরিত অবিচ্ছেদ্য অংশ বটে।
এখনও মহাবিশ্ব যে প্রক্রিয়ায় বিগ ব্যাং পূর্বাবস্থায় রয়েছে
সাধারণ চর্ম চক্ষে দেখা সবই যেন আপেক্ষিক, ইনভেরিয়েন্ট বা চূড়ান্ত নয়। এমনকি এখনও যেন বাস্তবে মহাবিশ্ব বিগ ব্যাং পূর্বাবস্থায় রয়েছে বিগ ব্যাং যেন হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অআভ্যন্তরীণ বিস্ফোরণ মাত্র যার বাহ্যিক অবস্থা যেন বিগ ব্যাং পূর্ব অবস্থাতেই রয়ে গেছে।
প্রমাণঃ দূরে বলে ছোট দেখি, বড় বলে চোখে দেখি । তবে বেশি দূরের জিনিস ছোটও দেখি না, তা যত বড়ই হোক না কেন টেলিস্কোপ ছাড়া।
ধর্ম এবং বিজ্ঞানের গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশনঃ
আল্লাহ একাধারেঃ আহাদ, সামাদ, সুবহান, মালিকুল কুদ্দুস,সালাম, মুমিনুল, মুহাইমিনুল, আজিজুল, জাব্বারুল মুতাকাব্বির, খালিকুল, বারিউল, মুসাওইউরি, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব যিনি রহমান-রহিমও বটে। এসব বিরল, কুদরাতি গুণাবলী প্রকৃতিতে নেই। তাই গড-আল্লাহর বিকল্প হতে পারে না নেচার বা প্রকৃতি। বরং নেচার বা প্রকৃতির সৃষ্টিকর্তাও স্বয়ং আল্লাহ গড। মানব হস্তমুক্ত যা কিছু সামনে-পিছনে, ডানে-বায়ে, উপরে-নীচে দৃশ্যমান-অদৃশ্যমান যা কিছু রয়েছে তার একক নামক “প্রকৃতি”(Nature)- যার সবটুকুই সৃষ্টি বা মাখলুক্ব যার একক স্রষ্টার নাম “গড” অর্থাৎ “আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু”।
গড পার্টকেল নয়-গড’স পার্টিকেল
গড কর্তৃক সৃষ্ট সৃষ্টির একক নাম প্রকৃতি। সেমতে, ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক যান্ত্রিক উপায়ে কৃত্রিম সৃষ্ট হিগস বোসন এর উপনাম গড পার্টিকেল আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃত অর্থ হবেঃ গড’স পার্টিকেল (গড পার্টিকেল নয়)।
উল্লেখ্য, হযরত আদম আলাইহিমুস সালাম থেকে শুরু করে মানব জাতির একক সৃষ্টিকর্তার নাম আল্লাহ। “সৃষ্টিকর্তা বিষয়ক গড, খোদা এসব পরবর্তীতে শাব্দিক কিংবা ভাষার বিবর্তনের ফসল যা মহান আল্লাহর ওয়াহদানিয়াত বা একত্ববাদের সাথে সংগতিশীল নয়।
এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল?
এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল এ প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হচ্ছে জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড।
পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর নেই যেমন স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কেমন? ঘূর্ণিঝড় শেষ মুহুর্তে দিক পরিবর্তন করে কেন?ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাষ পাওয়া যায় না কেন? স্ট্যান্ডার্ড মডেল স্বীকৃত বিগ ব্যাং পূর্ব হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল কিংবা কে ছিলেন? এসবের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। অনুরূপ উত্তর পাওয়া না যাওয়া আরেক প্রশ্ন হচ্ছেঃ প্রকৃতি কি? কেমন?
আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতি কি? কেমন? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছেঃ গড কর্তৃক সৃষ্ট সবই প্রকৃতি আর মানব নির্মিত ম্যান মেইড সবই আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম।
উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের মূল বস্ত্তগত ভিত্তি কোয়ার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে “অদৃশ্য স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক”। সত্যাসত্যতার ভিত্তি সরেজমিনে দর্শন হলেও তা স্থান, কাল, পাত্রভেদে আপেক্ষিক। মামলার সাক্ষ্যের জন্য প্রত্যক্ষ দর্শন জরুরী তেমনি না দেখে বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস স্থাপন জরুরী একজন বিজ্ঞানের ছাত্রের জন্য নিউটন বা আইনস্টাইনের সূত্রে বিশ্বাস জরুরী, কলা বা আর্টের ছাত্রের জন্য তত জরুরী নয়
নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে সত্যাসত্যতার ভিত্তি যেমন সরেজমিনে দর্শন অন্যদিকে কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে তা নয়। যেমন প্রাণ, প্রকৃতি কিংবা স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক এসবের ক্ষেত্রে দর্শন শর্তমুক্ত।
ধর্ম এবং বিজ্ঞানের গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশনঃ
অর্থহীন প্রশ্ন এবং অর্থহীন উত্তরে আর যাই হোক মহাবিশ্বকে পুরোপুরি জানা সম্ভবপর হবে না। প্রশ্নের পর প্রশ্ন এবং উত্তরের পর উত্তরের পরিসমাপ্তির জন্য আমাদেরকে অসীমকে বরণ করে নিতে দ্বিধা থাকা উচিত নয়, যদিও অবচেতন মনে অআমরা সত্যই জ্ঞাত কিংবা অজ্ঞাতসারে আমরা অসীমকে ধারণ করেই চলেছি জীবনভর। ধারণকৃত অসীমটি হচ্ছে প্রকৃতি বা নেচার। তা-ও আবার এটা স্বয়ং সম্পূর্ণ সত্বার অধিকারী নয় সংগত কারণে। নেচার বা প্রকৃতির মৌখিক কিংবা লিখিত কোন দলিল প্রমাণ নেই। প্রকৃতি সরব বাকশক্তির অধিকারী নয় বরং বড়জোর এটি একটা কথার কথা বা হাইপো....ক্যাল ব্যাপার হতে পারে। পক্ষান্তরে গড নামক অসীম ধারণামতে,এটি হাইউল কাইউম, জীবন্ত,চিরস্থায়ী একক সত্বা বিশেষ। তিনি এমন সত্বা যিনি একাধারে আহাদ, সামাদ এবং সুবহান যে গুণাবলীতে তিনি বস্ত্ত –পদার্থ বিনা উপাদান-উপকরণে সম্পূর্ণ কুদরাতিভাবে সৃষ্ট যিনি কুদরাতিভাবে ক্ষুদ্র-বৃহৎ সবার ঝুটি ধারণ করে আছেন। প্রকাশ ঘটনা রহমানিয়াত এবং রহিমিয়াতও। মহাকর্ষ নামে হোক মাধ্যাকর্ষণ নামে হোক, যে নামেই হোক না কেন সবই মহান আল্লাহর অপার দান মাত্র।
প্রাণের অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়ে আমরা আমাদের দৈহিক জীবনাচারে বিশ্বাসী যার কারণে কেহ মৃত্যু বরণ করলে আমরা বলিঃ “প্রাণ ত্যাগ করলো”। তেমনি প্রকৃতির অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়ে মহাবিশ্বকে বলে থাকি “বিশ্বপ্রকৃতি”। প্রাণ যেমন অদেখা একটি বিষয় তেমনি প্রকৃতিও একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট (অতীন্দ্রীয়) বিষয় ।
পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর নেই যেমন স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কেমন? ঘূর্ণিঝড় শেষ মুহুর্তে দিক পরিবর্তন করে কেন?ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাষ পাওয়া যায় না কেন? স্ট্যান্ডার্ড মডেল স্বীকৃত বিগ ব্যাংয়ের আগে কি ছিল? এর উত্তর হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন হলেও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল কিংবা কে ছিলেন? এসবের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। অনুরূপ উত্তর পাওয়া না যাওয়া আরেক প্রশ্ন হচ্ছেঃ প্রকৃতি কি? কেমন?
আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতি কি? কেমন? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছেঃ গড কর্তৃক সৃষ্ট সবই প্রকৃতি আর ম্যান মেইড সবই আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম। অর্থাৎ গড সৃষ্ট সৃষ্টির নাম প্রকৃতি। সেমতে, ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক যান্ত্রিক উপায়ে কৃত্রিম সৃষ্ট হিগস বোসন এর উপনাম গড পার্টিকেল আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃত অর্থ হবেঃ গড’স পার্টিকেল (গড পার্টিকেল নয়)।
অনুরূপ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল এ প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হচ্ছে প্রকৃতি কিংবা গড।
উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের মূল বস্ত্তগত ভিত্তি কোয়ার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে “অদৃশ্য স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক”। সত্যাসত্যতার ভিত্তি সরেজমিনে দর্শন হলেও তা স্থান, কাল, পাত্রভেদে আপেক্ষিক। মামলার সাক্ষ্যের জন্য প্রত্যক্ষ দর্শন জরুরী তেমনি না দেখে বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস স্থাপন জরুরী একজন বিজ্ঞানের ছাত্রের জন্য নিউটন বা আইনস্টাইনের সূত্রে বিশ্বাস জরুরী, কলা বা আর্টের ছাত্রের জন্য তত জরুরী নয়
নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে সত্যাসত্যতার ভিত্তি যেমন সরেজমিনে দর্শন অন্যদিকে কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে তা নয়। যেমন প্রাণ, প্রকৃতি কিংবা স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক এসবের ক্ষেত্রে দর্শন শর্তমুক্ত।
বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল যে ক্ষেত্রে অকার্যকর
বৃহৎ পরিসরে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের ক্ষেত্রে বিপর্যয় ঘটতে দেখা যায়। যেমন পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে। তাই তারা বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে পরস্পরকে সেভাবে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়। তাই সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল বাতিল হয়ে যায়।
সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত।
যেভাবে গ্র্যাভিটন সৃষ্টি হচ্ছে
আমরা জানি, বিগ ব্যাংয়ের পর হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে বিদ্যমান যে ৪ মহাবল শুরুতে বিভক্ত না হলেও পরবর্তীতে পৃথক হয়ে বর্তমানে ভিন্ন ভিন্নভাবে মহাবিশ্বের সর্বত্র অবস্থান করছে তার অন্যতম হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল। পদার্থ বিজ্ঞানে মহাকর্ষকে এক প্রকার ‘কসমিক ম্যাগনেট’ হিসাবে বিবেচনা করায় মহাকর্ষ বস্ত্ত-পদার্থকে টানা না টানা, চাপ না চাপার বিষয়টি উঠে এসেছে। এমনিতে পৃথিবীর নিকটবর্তী উর্ধ্বাকাশে রয়েছে চুম্বক ক্ষেত্রে তার সাথে রয়েছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল। এটি শুন্যে এক প্রকার চুম্বকীয় আবহ সৃষ্টি করে রেখেছে যাকে কোয়ান্টাম মেকানিক্সে বলা হয় শক্তি। পক্ষান্তরে জমাট বদ্ধ বস্ত্ হচ্ছে একাধিক শক্তির একক রূপ। পৃথিবীর ভূগর্ভে এসব শক্তি কোবাল্ট, ম্যাগনেট, আয়রন ইত্যাদি খনিজ উপাদান হিসাবে বিদ্যমান। তবে মাটিতে খনিজ আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকায় ভূগর্ভস্থিত পানিতে প্রচুর আয়রন দেখা যায়।
উল্লেখ্য, ৮০,০০০ বছর পূর্বে আকাশ থেকে পতিত বৃহাদাকারের উল্কাপিন্ডের ....ভাগ ছিল আয়রন। সেমতে মহাকর্ষকে একটা আস্ত মহাকাশীয় ম্যাগনেট এবং পৃথিবীকে আস্ত একটা লোহা খন্ড বিবেচনা করলে মধ্যবর্তী শুন্য স্থানে সৃষ্টি হবে পৃথিবীমুখী (নিম্নমুখী) গ্র্যাভিটন কণা।
পক্ষান্তরে মানুষসহ প্রাণীদেহে উদ্ভিদজাত খাদ্য গ্রহণের কারণে খনিজজাত আয়রন এবং ম্যাগনেটসহ বিভিন্ন প্রকার খনিজ উপাদান থাকে। উল্লেখ্য, একজন মানুষের দেহে যে পরিমাণ আয়রণ (লৌহ কণিকা) রয়েছে তা দিয়ে এত বড় পেরেক তৈরি করা সম্ভব যাতে করে তাকে অনায়াসে দেওয়ালে গেঁথে রাখা সম্ভবপর হবে। পাশাপাশি দেহে রয়েছে খনিজজাত ম্যাগনেটও। কখনও ধনাত্মক কখনও ঋণাত্মক কখনও আশার অআলো কখনও নিরাশার অন্ধকার যেন লেগেই আছে মহাকর্ষের পরতে পরতে। এতক্ষণ পৃথিবীর ভূখন্ডে খনিজ আয়রণকে প্রাধান্য দিয়ে একটি সিদ্ধান্তের যে কোশেশ তা যেন ম্লান হয়ে পড়ে যখন জানা যায় ভূগর্ভে চুম্বক প্রবাহ চলমান রয়েছে। এতে উর্ধ্বাকাশে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের প্রভাব ভূগর্ভে ম্যাগনেটিক ফ্লো এর ফলে অআকর্ষণ পরিণত হয় বিকর্ষণে। যদি তাই হয় তাহলে লোহা-ইস্পাত নির্মিত সমুদ্রগামী নৌযানকে ভূত্বকের ম্যাগনেটিক পাওয়ার পানির নীচে তলিয়ে নিয়ে যাওয়ারই কথা। ধরে নেয়া যায় যে, পানির .......এর তুলনায় ম্যাগনেটিক পাওয়ার মহাকর্ষের মতই দূর্বল। মহাকর্ষের দূর্বলতার কারণে সম্ভবতঃ আয়রনসমৃদ্ধ আমাদের দেহকে উপরে উঠিয়ে নেওয়া সম্ভবপর হচ্ছে না।
প্রমাণঃ দূর্বল রোগী এবং বৃদ্ধের দেহে বিদ্যমান আয়রন, ম্যাগনেটসহ নানান উপাদান কমে যেতে পারে। বিশেষ করে ম্যাগনেট পাওয়ার কমে যাওয়ায় দূর্বল রোগী ও বৃদ্ধদের ভূত্বকে মাধ্যাকর্ষণের ভারসাম্যতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা ঠাই দাড়িয়ে থাকতে পারে না।
পুকুরে পানির উর্ধ্বচাপ এবং ম্যাগনেট কমে যাওয়ায় দূর্বল রোগী এবং বৃদ্ধরা বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
সম্ভবতঃ ঘোড়ায় যথাযথ ম্যাগনেটিক পাওয়ার থাকার কারণে রাতে ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে। বজ্রে নিহিত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বলের প্রভাবের কারণে বজ্রঘাতে নিহত ব্যক্তিকে ঠাই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। স্পর্শ পেলে ডলে পড়ার কারণ নিহত ব্যক্তির দেহ থেকে বিদ্যুৎ চুম্বকের স্থানান্তর হওয়া।
ফলে মহাকর্ষীয় ম্যাগনেট এবং ভূত্বকীয় আয়রন প্রভাববিহীন হওয়ার কথা সূর্য এবং পৃথিবীর সমমানের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের মতো।
বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর মানে দাঁড়ায়, মহাকর্ষকে বাতিল করা যায় না। কিন্তু বৃহৎ পরিসরে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের ক্ষেত্রে তা ঘটতে দেখা যায়।
সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত।
irrstc; পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে। তাই তারা বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে পরস্পরকে সেভাবে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়। তাই সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল বাতিল হয়ে যায়।
অনুরুপ যদি পৃথিবীর ভূখন্ডকে বেশির ভাগ খনিজ আয়রণ উপাদানসমৃদ্ধ ভূত্বক বিবেচনা করা হলে এবং মহাকর্ষকে মহাকাশের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের সাথে মিথস্ত্রিয়ায় সৃষ্ট ম্যাগনেটিক বল ধরা হলে পৃথিবীর আয়রণসমৃদ্ধ ভূত্বক স্বাভাবিকভাবে চৌম্বকধর্মী মহাকর্ষকে সংগত যে কারণে উপর থেকে টেনে নিচে নামাতে চেষ্টা করবে সে কারণটি হচ্ছেঃ যদিও চুম্বক লোহাকে টানার কথা যদি চুম্বক লোহা থেকে বড় হয় কিন্ত্ত লোহা যদি বৃহাদাকারে ভারী হয় তাহলে লোহা স্বয়ক্রিয়ভাবে চুম্বককে টানবে অথবা চুম্বক নিজেই লোহায় মিথস্ত্রিয়া করবে । শুন্যে বিরাজমান চৌম্বকধর্মী মহাকর্ষ স্বাভাবিকভাবে আয়রনসমৃদ্ধ ভূত্বককে আকর্ষণ করতে গিয়ে মধ্যবর্তি স্থানে নিম্নচাপধর্মী গ্র্যাভিটন অবস্থার সৃষ্টি হবে। এই নিম্নচাপের দরুন মধ্যবর্তী ভূত্বক অবস্থানে অবস্থানরত মানুষসহ সকল প্রাণী চুম্বক প্রভাবিতত মহাকর্ষের চুম্বকের প্রভাবে বস্তাচাপার মত চাপা পড়ার কথা। কারণ, যেখানে মহাকর্ষ প্রবল সেখানে মহাকর্ষীয় নিম্নচাপ জনিত কারণে পা তুলতে হিমশিম খেতে হয়, ঘটনা দিগন্তে এই চাপের দরুন আলো পর্যন্ত ফিরে আসতে পারে না। চাঁদে মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ পৃথিবীর ত্বরণের চাইতে কম হওয়ায় অ্যাপোলো-১১ এর নভোচারী নিলস আর্মস্ট্রং-কে চাঁদের ভূত্বকে অনায়াসে পা তোলা সম্ভব করেছিল।
(।) সমস্যা হচ্ছে এ যুক্তি ধোপে ঠিকছে না কারণ সূর্য এবং পৃথিবীর মত আমাদের দেহে রয়েছে একাধারে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক খনিজ আয়রণ এবং ম্যাগনেট। ফলে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ এর কারণে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে যেভাবে সূর্য এবং পৃথিবি পরস্পরকে প্রভাবিত করে না কারণ পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়।
এমতাবস্থায় সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল যেমন বাতিল হয়ে যায় অনুরূপ মহাকর্ষের চুম্বক শক্তি এবং ভুত্বকের খনিজজাত আয়রণ ভিত্তিক মহাকর্ষীয় তত্ত্ব ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ এর কারণে বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা।
"থিওরি অভ এভরিথিং"
আইন্সটাইন তার জীবনের বাকী বছরগুলোতে পাগলপ্রায় ছিলেন শুধু একটামাত্র তত্ত্বের সন্ধানে "থিওরি অভ এভরিথিং" যা পূর্ণমাত্রায় মহাবিশ্বের ভবিষ্যতবাণী করতে সক্ষম। আফসোস তিনি সফল হতে পারেননি। এর অর্থ তিনি জানতেন তার জন্ম দেয়া আপেক্ষিকতাবাদ মহাবিশ্বকে বুঝার জন্য যথেষ্টও নয়।
প্রখ্যাত বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞান, বিগ ব্যা এর অন্যতম স্থপতি স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, তিনি নাকি প্রতি সপ্তাহে দু-একটি করে চিঠি পেতেন যে, আপেক্ষিকতাবাদ আসলে ভুল।
এ প্রসঙ্গে স্টিফেন হকিং আরও বলেনঃ আমার ধারনা অধিকাংশ মানুষ যারা বিজ্ঞানকে বুঝেন তারা আপেক্ষিকতাবাদকে খুবই উপভোগ করেছেন। কিন্তু আমি মনে করি আপেক্ষিকতাবাদ আসলে মহাবিশ্বের কিছুই ব্যাখ্যা করতে পারেনা। সার্বিক আপেক্ষিকতাবাদে যেখানে মহাকর্ষকে চতুর্মাত্রিক স্থান-কাল ফেব্রিক্স হিসেবে চিত্রায়িত করা হয়েছে সেখানে সূর্যের চেয়ে তার গ্রহগুলির স্থান-কালের বুনন বেশী হয়ে যায় অর্থাৎ দুজন জমজের ওজন পৃথিবীর তুলনায় যিনি চাঁদে বাস করবেন তার ওজন বেশী হয়ে যাচ্ছে, অর্থাৎ আমরা যা জানি তার বিপরীত হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ পৃথিবীতে ১ কেজি =চাঁদে সেটা হবে ১০ কেজি সূর্যে সেটা হবে মাত্র ১০ গ্রাম যদিও মহাকর্ষের চাপের কারণে প্রকৃতপক্ষে যা পৃথিবীতে ১০ কেজি =চাঁদে সেটা হবে ১ কেজি।
স্টিফেন হকিং বলেন, আইনস্টাইনের মহাকর্ষ সূত্রকে বলা হতো মহাবিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর তত্ত্ব সেটা আদতে ভুল ছাড়া আর কিছুই নয় যা কিনা নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্রে পূর্ণতা ছিল। আমার মনে হয় নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র আরো সূন্দরভাবে মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। বলে রাখা ভালো যে,নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্রে সময়ের অস্তিত্ব নেই অর্থাৎ মহাবিশ্বের একপ্রান্ত হতে বিশাল দূরত্বের অপরপ্রান্তে বস্তুদ্বয়ের মধ্যে আকর্ষণ বল ক্রিয়াশীল হতে কোনো সময়ের প্রয়োজন নেই।
স্টিফেন হকিং বলেন মহাকর্ষকে কোনো কণাবাদী ও তরঙ্গবাদীতত্ত্ব দ্বারা বা স্থান-কাল বুনন দিয়ে ব্যাখ্যা করতে গেলে সে তত্ত্বকে দেখতে সাদামাটা ও অতিশয় সৌন্দর্য দেখাবে কিন্তু একটু গভীরভাবে দেখলে এই তত্ত্বগুলো হাতে মগজ ধরিয়ে দেবে। আইনস্টাইন তার তত্ত্বকে গভীরভাবে নেননি, এটাও তার জীবনের একটা বড় ভুল।
আইনস্টাইনের মহাকর্ষের সূত্রানুযায়ী সৌরজগতের সমস্ত গ্রহাদির কক্ষপথ বৃত্তাকার হওয়ার কথা,কিন্তু এখানেও আমরা দেখি যে গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথ অনুসরণ করে -এটাও তার তত্ত্বের একটা অন্ধকার দিক। তাহলে আপেক্ষিকতাবাদে আলোক রশ্মি সূর্যের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বেঁকে যায় এই ভবিষ্যৎবাণী?
lRRSTC মনে করে, সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদে আইনস্টাইন মহাকর্ষকে গভীরভাবে নেননি, বরং এটাকে অতি সাদামাটা ভাবে নিতে গিয়ে বলেছিলেনঃ মহাকর্ষ বলতে কিছু নেই-এটি স্থান কালের বক্রতা মাত্র। স্থান কালের বক্রতায় যত না মহাকর্ষের প্রসঙ্গ ছিল তার চেয়ে বেশি প্রসঙ্গ ছিল ব্ল্যাক হোলের সম্ভাব্যতা তা-ও আইনস্টাইনের জন্য নিছক একটা তাত্ত্বিক বিষয়। ব্ল্যাকহোলের বাস্তবিক স্থপতি ছিলেন জার্মানীর কার্ল সোয়ার্জশিল্ড। আইনস্টাইন কর্তৃক আপেক্ষিকতাবাদ রচনা পূর্তির এক মাস পেরুবার আগেই পূর্ব বার্লিনের এক সামরিক হাসপাতালে মুমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসারত থাকাকালীন সময়ে হাতে পৌঁছলে সোয়ার্জশিল্ড তা নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে গিয়ে মহাকাশে অসীম ভরত্ব সম্পন্ন বস্ত্তর উপস্থিতি অনুভব করেন যাকে বর্তমানে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকহোল।
বিজ্ঞানীদের আধ্যাত্মিক জীবন কাহিনী
গ্রিক দার্শনিক-বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটলঃ ধর্ম বিশ্বাস থেকে অ্যারিস্টটলের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তত্ত্বে বলা হয়ঃ যে বস্ত্ত স্বর্গীয় নয় তা পতনশীল আর যা কিছু স্বর্গীয় তা উর্ধ্বগামী। অআকাশ স্বর্গে যাওয়ার মাধ্যম। তাই আজও ইংরেজীতে আকাশের অনুবাদ করা হয় হেভেন হিসাবে। যেমনঃ..................।
আইজাক নিউটনঃ যদিও নিউটন বিজ্ঞানকে বাইবেল ভিত্তিক না করে গণিতভিত্তিক মূল্যায়ন করতেন তথাপি তিনি কোন তত্ত্বের গভীরে যেতে গডের সাহায্য কামনা করতেন। এ প্রসঙ্গে নিউটন বলেনঃ আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►নিউটনকে আধ্যাত্মিকতায় সবচেয়ে বেশি পেয়ে বসেছিল মহাকর্ষের সাথে মাধ্যাকর্ষণের যোগসূত্র খুঁজে না পেয়ে। এ প্রসঙ্গে নিউটন বলেনঃ “মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে । কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন?”https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
সরল পথে সত্যকে খুঁজতে গিয়ে নিউটন সৃষ্টিকর্তাকে খুঁজে পান তাঁর বৃদ্ধাজ্গুলিতে এই বলেঃ অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►নাস্তিকতা এত নির্বোধ। যখন আমি সৌরজগতের দিকে তাকাই, আমি পৃথিবীকে সূর্য থেকে সঠিক দূরত্বে দেখি তাপ এবং আলোর সঠিক পরিমাণ পেতে https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন।
► পৃথিবীর এই বিপুল জ্ঞানভাণ্ডারকে জানার ক্ষেত্রে আমি সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এক শিশুর মতো, যে শুধু সারাজীবন নুড়িই কুড়িয়ে গেল। সমুদ্রের জলরাশির মতো বিশাল এই জ্ঞান আমার অজানাই থেকে গেল https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
আইনস্টাইনঃ আইনস্টাইন শিশুকাল থেকে ধর্মানুরাগী ছিলেন বটে তবে তিনি ঈশ্বরের নিকট নিজেকে একমাত্র শ্রেষ্ঠ মনে করতেন না।তিনি বলতেন জ্ঞান থেকে নয় কল্পনা থেকে তিনি আবিস্কারের সূত্র পেতেন। বিষয়টি নিউরোজিক্যাল বিশ্লেষণের দাবি রাখে। অআইনস্টাইন জীবনের সুদীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে নিরলস সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের পেছনে অবসর সময় ব্যয় করেছিলেন তাতে অআপেক্ষিকার সাথে কোয়ান্টামের পাশাপাশি ধর্ম এবং বিজ্ঞানেরও একীভূতকরণ কামনা করতেন। তৎপরিপ্রেক্ষিতে যে মন্তব্য করছিলেন তা বিজ্ঞান জগতে প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে আছে। মন্তব্যটি হচ্ছেঃ Science without religion blind.......................
Comments
Post a Comment