আপ ডেট ১৩ আগষ্ট ২০২৪
The Islamic Research for Reviving Science-Tech Center (IRRSTC) North Mughaltooly, West Madarbari, Chattagram-4100, Bangladesh. ramzanctg60@gmail.com irrstc1820@gmail.com newscience1443@gmail.com https://nwns1445.blogspot.com/ https://www.pinterest.com/ramzanctg60/new-science-new-world-1442/ https://www.linkedin.com/company/82102986/admin/
আল্লাহ সর্বশক্তিমান
আল্লাহ মানুষের জন্য যে রহমত খুলে দেন বস্ত্তত তা অবরোধকারী কেউ নেই, আর যা তিনি বন্ধ করে দেন, অনন্তর তারপর কেউ তার প্রবর্তনকারী নেই, আর তিনিই পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাবান।
তোমাদের সৃষ্টি কঠিন না নভোমন্ডল?
“আমি আল্লাহরই উপর ভরসা করেছি,যিনি আমারও মালিক তোমাদেরও মালিক, ভূ-পৃষ্ঠে যত বিচরণকারী রয়েছে তাদের সকলের ঝুটি তিনি ধারণ করে রেখেছেন। নিশ্চয় আমার প্রভূ সরল পথের উপর বিদ্যমান”।
লক্ষ্যনীয় যে, আলোচ্য আয়াতে ঝুটি ধরার উল্লেখ করা হয়েছে বিচরণশীল প্রাণীদের ব্যাপারে, বিচরণবিহীন গাছ পালা, পাহাড় পর্বত, নদ-নদীর কথাবলা হয়নি কারণ, গাছ শেকড়ে আটকা আছে ,পাহাড় পেরেকের মত ভৃত্বকে গেঁথে আছে। নদনদী, সাগর মহাসাগরের পানিও প্রবাহমান হিসাবে বিচরণকারীর মধ্যে গণ্য তাদের ঝুটিও আল্লাহর ধারণ ক্ষমতার আওতায় বলা যেতে পারে।
পরদিন চব্বিশে জুলাই বুধবার সকাল পাঁচটা আঠারো উনিশ মিনিট সময়ে ইয়া আল্লাহু রহমানু রহিমু ইয়া হাইয়্যু, ইয়া কাইউমু পড়ার সাথে সাথে ল্যাপটপ খুলে যায় মাশা আল্লাহ।
মানব চিন্তাধারার উৎস মস্তিস্কের কিংবা দেহের কোনো অঙ্গ প্রত্যঙ্গে যেমনি বিজ্ঞানীরা পাননি তেমনি নেই প্রাণধারার উৎসও এই পৃথিবীর কোথাও খুঁজে পান নি বিধায় ধারণা করছেন যে, সুদূর অতীতে পৃথিবীতে মহাকাশ হতে পতিত কোনো গ্রহাণু এই প্রাণ বয়ে এনেছিল। আইনস্টাইন বলতেন আমি জ্ঞান থেকে নয় আমার কল্পনা থেকে গবেষণা করে থাকি।নিউটন বলতেন, :আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
বক্তার অনর্গল বক্তৃতা, লেখকের লেখার স্রোতধারা, বিজ্ঞের বিজ্ঞোচিত উক্তি-এই সবের উৎস বহির্জগত। বিজ্ঞানীদের মতে, দূরতম গ্যালাক্সি এলাকায় উৎপন্ন গামা রশ্মি মানব মস্তিস্কে উদ্ভূত চিন্তাধারার প্রভাবক।
কল্যাণকর চিন্তাধারার উৎসকে ইসলামী পরিভাষায় বলা হয় ইলহাম, ইলকা আর অকল্যাণকর চিন্তাধারার উৎসকে বলা হয় ইস্তিদরাজ সার্চ।
বিজ্ঞানীদের মতে, প্রকৃতিতে হ্যাঁ এবং না-বোধক একটা উহ্য বিষয় রয়েছে যা সত্য-মিথ্যাকে প্রতিপন্ন করে যা কম্পিটারিং পরিভাষায় বলা হয় বাইনারি কোড। অনুরুপ মহাজাগতিক জীবনে বাইনারি কোড কিংবা হ্যাঁ-না-বোধকরূপে রাত-দিন, জোয়ার-ভাটা, পূর্ণিমা-আমাবস্যা,হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ, ন্যায়-অন্যায়, লাভ-ক্ষতি, উপকারী অপকারী, জ্ঞানী –অজ্ঞ ইত্যাদি বিপরীতমুখী বিষয় রয়েছে যা অনস্বীকার্য যা বস্ত্তনির্ভর পদার্থ বিজ্ঞানে অনালোচিত, অব্যাখ্যাত।
“১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলোর তরঙ্গের কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক স্থাপন করেন। কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক সমানুপাতিক। তরঙ্গের কম্পাংক যত বেশি, শক্তিও তত বেশি হবে” (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২০, পৃষ্ঠা ৫৮)।
বিশ্ব চলে মধ্যপন্থায়
“আইনস্টাইন বিশ্বাস করেছেন, বিশ্বের সব ঘটনার একটি সুনির্দিষ্ট পরিণতি থাকে। অন্যদিকে কোয়ান্টাম মেকানিকস অনুসারে পৃথিবীর সব ঘটনাই সম্ভাবনার সূত্রের উপর প্রতিষ্ঠিত” (বিজ্ঞানচিন্তা, ২০২০, পৃষ্ঠা ১৪)।
IRRSTC: উপরোক্ত বিভক্ত মতের উপর ইসলামী মধ্যপন্থী আকিদা-বিশ্বাস হচ্ছে মহাবিশ্ব ১) অপরিবর্তনীয় স্থায়ী তাকদির এবং ২) পরিবর্তনশীল অস্থায়ী তাকদিরের উপর প্রতিষ্ঠিত।
উল্লেখ্য,আল্লাহ যদি মানুষের প্রতি দয়ার ভান্ডার খুলে দেন তাহলে তার রদকারী কেহ নেই। আর যা দিতে চান না, জগতের সব শক্তি একত্রিত হলেও তা সম্ভব হবে না। তাকদিরে যা অপরিবর্তনশীল রেখেছেন তা এমনকি দোয়া –কালামে, ওষুধ-পথ্যে তার পরিবর্তন হবে না। কেবল দোয়া-কালাম, ওষুধ-পথ্যে কিংবা জাগতিক চেষ্টা-তদ্বিরে তা-ই পরিবর্তন হবে যা আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক পরিবর্তনশীল করেছেন।
মানুষ স্বভাবতঃ বিষন্ন ভাবাপন্ন কেন?
মানুষ স্বভাবতঃ বিষন্ন ভাবাপন্ন কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নিউরো বিশেষজ্ঞরা বলেন, মানুষ দৈহিক কাঠামোগতভাবে সরাসরি পৃথিবীর মাটির সাথে খনিজ উপাদানের কারণে সম্পৃক্ত হলেও প্রাণ বহিরাগত হওয়ার কারণে মানব মনে পৃথিবীটা অনেকটা প্রবাসের ন্যায়, তাই মানুষ মাত্রই প্রবাসী, প্রবাসীর মন সাধারণতঃ স্বদেশ, স্বজনের জন্য বিষন্ন থাকে। উল্লেখ্য পবিত্র ইসলামসহ সেমিটিক ধর্মাবলম্বীদের অভিন্ন বিশ্বাসঃ আদি পিতা আবুল বাশার হযরত আদম عَلَيْهِ ٱلسَّلَامُ আদি মাতা উম্মুল বাশার হযরত হাওয়া (ইভ ) عَلَيْهِ ٱلسَّلَامُ এর জন্ম এবং আবাসস্থল প্রাথমিকভাবে পৃথিবীর বাইরে ছিল।
আল্লাহ সরল, আল্লাহর পথও সরল। সত্য সহজ-সরল পথে অবস্থিত। এক জাতিকে গরু কুরবানীর আদেশ দেওয়া হলে যে কোন একটা গুর কুরবানী হলেও আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য হতো। কিন্ত্ নানান কথায় তাতে যতই বিলম্ব করা হয়েছিল ততই আল্লাহ কঠিন শর্ত চাপিয়ে দিয়েছিলেন। নিউটন বলেন সত্য সহজ পথে অবস্থিত। আই.আর.আর.এস.টি.সি সহজ সরল পথে বিজ্ঞানের অমীমাসিত বিষয় মীমাংসায় ইনশাআল্লাহ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মহাবিশ্বের দুইটি অবশম্ভাবী নিম্নরূপ বিপরীতমুখী বিষয় রয়েছেঃ
মহাবিশ্বের জড়-প্রাণীভিত্তিক বস্ত্তগত বিষয়াদি ব্যতিত রয়েছে মহাবিশ্বের পরিচালনা-ব্যবস্থাপনার ওৎপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেঃ ১.সত্য-মিথ্যা,২. ন্যায়-অন্যায় ৩. সৎ-অসৎ ৪.জানা-অজানা ৫.দেখা-অদেখা ৬.উপকারী-ক্ষতিকর ৭.শুন্য-অশুন্য ৮.সুখ-দুঃখ ৯. হাসি-কান্না ১০.জ্ঞানী-মূর্খ,১০. সুন্দর-অসুন্দর রাত-দিন, জোয়ার-ভাটা দোয়া-বদদোয়া,শাপ-অভিশাপ, পাপ-পূণ্য, স্বর্গ-নরক ইত্যাদি।
পানিতেও স্ট্রিং রয়েছে
• অনেকগুলো ইউনিভার্স একসাথে থাকতে পারে ।
• যদিও বিজ্ঞান এখনো সীমাবদ্ধ, প্যারালাল ইউনিভার্স এর বিষয়গুলো তাত্ত্বিকভাবে প্রমানীত হলেও বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ত্ব আবিষ্কার এখনো সম্ভব হয়নি। হয়তো ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের আরো অগ্রযাত্রার ফলে এগুলো প্রমান সম্ভব হয়ে উঠবে, এই সম্ভাবনা নিয়েই আমাদের সামনে এগুতে হবে।https://malayalamsub.com/প্যারালাল-ইউনিভার্স/
সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্ব
• আইনস্টাইন এমন একটি তত্ত্ব চেয়েছিলেন, যেটা একইসঙ্গে বৃহৎ বস্ত্তগুলোর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে পারবে, আবার খুদে কণার জগতেও স্বাচ্ছন্দে বিচরণ করতে পারবে। সেই তত্ত্বের খোঁজ এখনও চলছে। অনেকেই মনে করছেন স্ট্রিং থিওরিই সেই সর্বাত্মক তত্ত্ব বা থিওরি অব এভরিথিং ।
• একটি সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের খোঁজ করতে চাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা যে তত্ত্ব কোয়ান্টাম বল বিদ্যা ও জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি বা সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বকে এক সুতায় বাঁধবে (বিজ্ঞান চিন্তা, পৃষ্ঠা ৫৪)।
• মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্ব ব্যাখ্যা করতে অর্থাৎ বিগ ব্যাং তত্ত্বের সত্যিকার প্রমাণ পেতে দরকার কোয়ান্টাম বল বিদ্যা আর সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের মিলন। আবার ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ঞগহ্বরের ভেতরের খবর কিংবা ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি আসলে কী দিয়ে তৈরি-এসব জানতে দরকার এই দুই তত্ত্বের মিলন। জরুরী একটি সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্বের। (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠা ৪৫)।
• সার্বিক একীভূতকরণের উৎসমূল যদি হয় স্ট্রিংয়ের কম্পন এবং কম্পনের উৎসমূল যদি হয় শক্তি তাহলে শক্তির উৎসমূল ইসলামী আকিদামতে কুন এবং কুনের উৎসমূল হবেন তিনি যিনি হুয়াল আউয়ালু ওয়াল আখিরাহ যিনি লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ-যিনি হও শুধু এই শব্দ উচ্চারণ করলেই হয়ে যায় মহাবিশ্বের মহাসৃষ্টি। পদার্থ বিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের শেষ কথাঃ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন এর পর যদি এই রেডিয়েশনের পূর্ববতী অআর কিছু আবিস্কার না হয় তাহলে বলা যাবে কুন শব্দে যা সৃষ্টি হয়েছিল তা হবে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যার মধ্যে বিজ্ঞানীদের দাবীমতে, এই রেডিয়েশনে মহাবিস্ফোরণের (বিগ ব্যাং) পূর্বে ৪ মহাবল একত্রিত ছিল। IRRSTC-এর মতে এতে ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটারও নিহিত থাকতে পারে ।
দোয়া কালামের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ
◊এ ব্যাপারে বিস্তারিত লেখার প্রস্ত্তি নিই অদ্য ২৩ জুলাই ২০২৪ স্থানীয় চট্গ্রাম, বাংলাদেশ সময় সকাল প্রায় সাড়ে ছয়টায় প্রাতঃকালীন উপাসনার সময়। প্রার্থনা শেষে লেখার প্রস্ত্ততির সময়টাতে প্রতিটি পদক্ষেপে বিসমিল্লাহ পড়ে এগুতে থাকলে প্রতিটি কাজে অতি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করলাম নিত্যদিনের চাইতে। ল্যাপটপ অন করার সময় বিসমিল্লাহ পড়তে ভুলে বসি। এমতাবস্থায় অন্যান্য দিন যেভাবে সুইচ দেয়ার সাথে সাথে ল্যাপটপ অন হতো তেমনি না হওয়ায় কোথাও বৈদ্যুতিক সংযোগে বিভ্রাট হয়েছে কিনা তা-ও পরীক্ষা করে কিছুতে কিছু হলো না, যখন বিসমিল্লাহ পড়ে নিলাম অমনি ল্যাপ টপ খুলে গেল।
◊তেইশে এপ্রিল রাত প্রায় গভীর, বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স তখন প্রায় মাঝপথে, বৈরি আবহাওয়ায় পতিত। বিমান অভ্যন্তরে রেড এলার্ট জারি যাত্রীরা যাতে ওয়াশ রুমে কিংবা চলাচল থেকে বিরত থাকতে বিমান কর্তৃপক্ষের ঘন ঘন নির্দেশনা জারি প্রবল ঘূর্ণিবার্তায় বিমান বিকট শব্দে হেলদুলে চলছিল, মনে হচ্ছিল এক্ষুনি জরুরী অবতরণের দরকার হঠাৎ মনে পড়ে গেল নিম্নোক্ত দোয়াটিঃ
“বিসমিল্লাহিল্লাজি লা-ইয়াদিররু মাআশমিহি শাইয়্যুন ফিল আরদ্বি. ওয়ালা-ফিস সামায়ি ওয়াহুয়াস সামিউ’ল আ’লীম”।
আলহামদুলিল্লাহ! উপরোক্ত দোয়াটি পড়ার সাথে সাথে কাল বিলম্ব হয়নি বিমান এমনভাবে স্থিতিশীল হয়ে পড়ে যে, কয়েক ঘন্টা পর জেদ্দা বিমান বন্দরে অবতরণের পূর্ব পর্যন্ত বিমান শান্ত অবস্থায়।
যে আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে দরজা খুলে যায়!
বলা হলো অআপার ক্লাসের হোটেল বোডিং। বিমান যাত্রার দুই ঘন্টা বিলম্বের পর যাত্রার সময় অআটকা পড়ে গেলাম বোর্ডিংয়ের ওয়াশ রুমে। কিছুতে খোলা যাচ্ছিল না দরজা। এমনিতে দুই ঘন্টা বিলম্ব, তাই আমাকে রেখেই বিমান বন্দরে রওয়ানা দিল কাফেলা। অআমিও অআশা ছেড়ে দিলাম। তবে প্রাণান্তকর চেষ্টার ত্রুটি করি নি। এক পর্যায়ে হোটেলে কর্মরত কর্মচারীরা এসেও অনেক চেষ্টা করে দরজার একটি তালা ভাঙতে পারলেও দ্বিতীয় তাা কিছুতেই ভাঙতে না পারায় অগত্যা বাইর থেকে তালা ভাঙার লোক খ_জতে গেল ইতাবসরে মনে পড়ে গেল সেই হাদিসের কথা।
যে দোয়ায় খুলে গেল দরজা! ঠিক দোয়া নয়, বরং আল্লাহর সাথে এক প্রকার আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের মত।
পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র মতে, আমাদের প্রত্যাহিক কর্মের সাথে একাধারে জ্ঞান, দর্শন এবং শক্তি নিবিড়ভাবে জড়িত।এক্ষেত্রে জ্ঞান এবং দর্শন হচ্ছে কর্ম এবং শক্তির সেতুবন্ধ।মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর ভিত্তিমূল যদি ইট স্বরূপ কোয়ার্ক হয়ে থাকে তার সিমেন্টস্বরূপ শক্তি হচ্ছে হিগস বোসন কণা অনুরূপ অআমাদের প্রাত্যাহিক কর্ম যদি কোয়ার্ক বা দেওয়াল হয় সিমেন্টরূপ বোসন হচ্ছে শক্তি যার তৃতীয় মাধ্যম হচ্ছে দর্শন এবং চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে জ্ঞান।অআইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ মতে জ্ঞান, দর্শন কর্ম এবং শক্তি পরস্পর এক এবং অভিন্ন।ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং দর্শন মতে,প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে যার বস্ত্তগত মূল হচ্ছে শক্তি এবং অবস্ত্তগত মূল হচ্ছে জ্ঞান।ভরশক্তিসমীকরণ মতে, শব্দ এক প্রকার শক্তি যা মহাবিশ্বের উৎসমূল পবিত্র কুরঅআনের সুরাহ ইয়াসীনে বর্ণিতঃ কুন শব্দে নিহিত রয়েছে ফায়াকুন।তাই শব্দ নিছক শব্দ নয়। ইসলামী সকল দোয়াই শব্দ-বাক্যের উপর ভিত্তিশীল। দোয়াতে একাধারে নেকী যা পরকালে ওজনে পরিমাপযোগ্য,দৈহিক শক্তিবর্ধক যা ফাতিমী তাছবীহতে বিদ্যমান এবং কর্মে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক।
• স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব
• আমাদের চারপাশে যত বস্তু আছে-সেগুলো সবই বিভিন্ন প্রকার অণু-পরমাণু দ্বারা গঠিত। ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত হয় পরমাণু এবং এক বা একাধিক পরমাণু দিয়ে গঠিত হয় অণু। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস,ইলেকট্রনগুলো এই নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে থাকে। কিন্তু এই ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন আসলে কি? আর এগুলো কোন বল দ্বারা এবং কিভাবে একত্রিত অবস্থায় থাকে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে পদার্থবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন তত্ত্ব দিয়েছেন, যেগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য হল স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব (Standard Model Theory)
►Science is not only compatible with spirituality; it is a profound source of spirituality. (Carl Sagan, American renewed physicist)
►বিজ্ঞান শুধুমাত্র আধ্যাত্মিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এটি আধ্যাত্মিকতার একটি গভীর উৎস।
• স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব আমাদের চারপাশে যত বস্তু আছে-সেগুলো সবই বিভিন্ন প্রকার অণু-পরমাণু দ্বারা গঠিত। ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত হয় পরমাণু এবং এক বা একাধিক পরমাণু দিয়ে গঠিত হয় অণু। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস,ইলেকট্রনগুলো এই নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে থাকে। কিন্তু এই ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন আসলে কি? আর এগুলো কোন বল দ্বারা এবং কিভাবে একত্রিত অবস্থায় থাকে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে পদার্থবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন তত্ত্ব দিয়েছেন, যেগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য হল স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব (Standard Model Theory) সত্তুরের দশকে প্রতিষ্ঠিত হয় স্ট্যান্ডার্ড মডেল। (Source: https://www.bigganbangla.com/স্ট্যান্ডার্ড-মডেল/)
• স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব কতিপয় বৈজ্ঞানিক অর্জন
• স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অধীনে ১৯৯৫-এ টপ কোয়ার্ক ১৯৭৭-এ বটম কোয়ার্ক, ও ২০০০-এ টাউ নিউট্রিনো 2012 হিগ্স বোসন কণিকা আবিষ্কৃত হয়। তবে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। যেমন– এ তত্ত্বে ডার্ক ম্যাটারের কোন স্থান রাখা হয়নি, এ তত্ত্ব মাধ্যাকর্ষন বল ব্যাখ্যা করতে পারে না। এ সত্ত্বেও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের গুরুত্ব অপরিসীম, তাই একে বলা হয় প্রায় সবকিছুর তত্ত্ব (Theory of almost everything)। পদার্থবিজ্ঞানীদের মতে, সবগুলো মৌলিক বল একত্রিত করে একটি সবকিছুর তত্ত্বও (Theory of everything) বের করা সম্ভব।
• তথ্যসূত্রঃ
• ১. http://physics.info/standard/
• 2. http://h2g2.com/dna/h2g2/A666173
আখেরাতে (পরকালে) শব্দভিত্তিক দোয়া-কালামের নেকি-বদির পাল্লায় ওজন বৈজ্ঞানিক সত্য
সূরাহ হাদীদের নিম্নোক্ত ২৫ নং আয়াতমতে, যেহেতু “লোহা” শক্তি বিশেষ এবং যেহেতু আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ অনুযায়ী লোহা,শব্দ, আলো ইত্যাদি জমে থাকা “শক্তি” বিশেষ এবং যেহেতু “কুন”শব্দও জমে থাকা শক্তিবিশেষ এবং যেহেতু শক্তির ভর আছে এবং ভরও জমে থাকা শক্তিবিশেষ সেহেতু প্রতিটি হরফ (অক্ষর)ও ভরসম্পন্ন শক্তি বিশেষ বিধায় আখেরাতে (পরকালে) শব্দভিত্তিক দোয়া-কালামের নেকি-বদির পাল্লায় ওজন করা বৈজ্ঞানিক সত্য বটে।
• ভর আর শক্তি কি একই জিনিস হয়? মানুষ যতই জানুক না কেনো, কিছু জিনিস এখনো আছে যা মানুষের ধরা ছোয়ার বাইরে এমনকি ধারনারও অনেক বাইরে।
• আজকের এই পদার্থবিজ্ঞান দুই একদিনের পরিশ্রমের ফল নয়, হাজার হাজার বছর ধরে বিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলাফল আজকের এই পদার্থ বিজ্ঞান। মনে করুন, আপনি একটি অন্ধকার ঘরের মধ্যে আছেন, এবং আপনার হাতে একটি আপেল আছে। আর ঘরটিতে কিছুই নেই বা কোনো প্রকার আলোর উৎস ও নেই। এখন ঘরটি থেকে বের হতে গেলে আপনার কাছে আলোর উৎস থাকতে হবে, এমতবস্থাই আপনি আইন্সটাইনের E=mc^2 সমীকরণের মাধ্যমে আপনার হাতের আপেল থেকে আলোর উৎস তৈরি করতে পারবেন। অর্থাৎ হাতের আপেলের ভরকে শক্তিতে রুপান্তর করতে পারবেন, হোক সেটা আলোকশক্তি, যান্ত্রিক শক্তি বা বৈদ্যুতিক শক্তি।লাঠি-সাপ তত্ত্ব
• আজকের এই পদার্থবিজ্ঞান দুই একদিনের পরিশ্রমের ফল নয়, হাজার হাজার বছর ধরে বিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলাফল আজকের এই পদার্থ বিজ্ঞান।
পদার্থ বিজ্ঞানের আলোকে কুদরাতি শব্দ “কুন” এর সৃষ্টিতাত্ত্বিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
সর্ববিষয়োপরি সর্বশক্তিমান আল্লাহর জন্য “আরাদা শাইয়ুনই যথেষ্ট, “কুন” না বল্লেও হয়ে যেত সব কিছু। “কুন” আরবী তিন অক্ষর বিশিষ্ট একটি সৃষ্টিতাত্ত্বিক শব্দ বিশেষ । পবিত্র কুরআনের ১১৪ সূরাহর সব শব্দই আল্লাহর কালামের অন্তর্ভূক্ত-যার প্রতি হরফে দশ নেকি-যা ওজনদার এবং ভরসম্পন্ন। সেমতে পবিত্র কুরআনের সূরাহ ইয়াসিনের...নং আয়াতের ..নং কালামে বর্ণিত “কুন” শব্দটির নেকির পরিমান ৩x১০=৩০ (ত্রিশ)।যা ওজনদার। একাধিক ভরের নাম ওজন। অজস্র কম্পাংক থেকে শব্দের উৎপত্তি যা একপ্রকার শক্তি বিশেষ।
“১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলোর তরঙ্গের কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক স্থাপন করেন। কম্পাংক ও শক্তির সম্পর্ক সমানুপাতিক। তরঙ্গের কম্পাংক যত বেশি, শক্তিও তত বেশি হবে” (বিজ্ঞানচিন্তা, জানুয়ারি, ২০২০, পৃষ্ঠা ৫৮)।
পদার্থ বিজ্ঞানের কণাতত্ত্বমতে, প্রতিটি কণা কম্পনশীল। আর স্ট্রিং থিওরিমতে, প্রতিটি কণা প্রতিটি স্ট্রিংয়ের কম্পন বিশেষ। কম্পনের মাত্রা অনুযায়ী সৃষ্টি হয় ইলেকট্রন, কোয়ার্ক, হিগস বোসন ইত্যাদি কণা। কোয়ার্ককে যদি বলা হয় মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর (স্ট্রাকচার) ইট-দেওয়াল সেক্ষেত্রে হিগস বোসন কণা হবে মহাবিশ্বের সেই দেওয়ালের শক্তিবর্ধক সিমেন্ট।
উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, যেহেতু “কুন” কুদরাতি শব্দ যার একমাত্র সৃষ্টিকর্তা অআল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু যিনি আহাদ, সামাদ এবং সুবহান অর্থাৎ এক, একক এমন মহান সত্বা যিনি সামাদ (গায়রুল্লাহ থেকে সম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষি, যিনি সুবহান অর্থাৎ সৃষ্টির ক্ষেত্রে যাবতীয় উপাদান-উপকরণ, বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, সূত্র ইত্যাদির মুখাপেক্ষিতা থেকে সম্পূর্ণ পুতঃপবিত্র,স্বাধীন অর্থাৎ যাঁর সৃষ্টির মধ্যে যে শক্তি পাওয়া যায় সে শক্তির মূল উৎস পার্থিব উপাদান-উপকরণ থেকে বিমুক্ত বিধায় সেই মহাশক্তির কোন প্রকার জাগতিক প্রশ্ন কিংবা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা যেমন নেই বিশ্লেষণ বিহীনও। এখানেই পদার্থ বিজ্ঞানের সেই নীতিবাক্য প্রযোজ্য তা হচ্ছেঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই। প্রশ্নটি হচ্ছেঃ মহাশক্তির স্রষ্টা কে? এর উত্তর স্বয়ং মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রব্বুল আ'লামীন দিয়েছেন এই বলেঃ লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ অর্থাৎ তিনি (আল্লাহ) কাউকে জন্ম দেন নি, কারো থেকে জন্ম নেন নি।
মহাবিশ্বের যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তার মূল উপাদান-উপকরণ সৃষ্টি করেছেন শুধুমাত্র “কুন” শব্দে যা স্তরে স্তরে বিন্যাস করেছেন যথাক্রমে দুই দিন এবং ছয় দিনে অথবা দুই মহাকাল এবং ছয় মহাকালে। পক্ষান্তরে, কসমোলজিকাল স্ট্যান্ডার্ড মডেলমতে, মহাবিশ্বের মূল উপাদান উপকরণ সৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রথমতঃ বিগ ব্যাংয়ের প্ল্যাংক সময় অতঃপর বিগ ব্যাং পরবর্তী......সেকেন্ডে.......................।
“এ পর্যন্ত মহাবিশ্বের মূল কণিকার সংখ্যা হলো ১৬। এগুলোর মধ্যে সব ধরণের কোয়ার্ক ইলেকট্রনসহ ১২টি-কে বলে ফার্মিয়ান শ্রেণীর কণা। আলোর ভরশুন্য ফোটন কণাসহ বাকী ৪টি-কে বলে বোসন শ্রেণীর কণা। কিন্ত্ত স্ট্রিং তত্ত্ব অনুযায়ী এই ১৬টি কণাই শেষ কথা নয়; বস্ত্তর আরও ক্ষুদ্রতম অস্তিত্ব রয়েছে, সেটা হলো স্ট্রিং বা তন্ত্ত। স্ট্রিংয়ের ঘূর্ণনেই বস্ত্ত কণার সৃষ্টি” (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠাঃ ৫৪)।
“ধরা যাক, ইলেকট্রন বা কোয়ার্কের কথা। এগুলোকে যদি খুব সূক্ষ্ণভাবে দেখা যেতো (১০-৩৩ সেন্টিমিটার মাইক্রোস্কোপ যন্ত্রে), তাহলে দেখতাম, আসলে এগুলো কণা বা বিন্দু নয়, সুতার মতো অতি সূক্ষ্ণ তন্ত্তর কম্পন। সুতার বিভিন্ন মাত্রার কম্পনের ফলে বিভিন্ন কণার সৃষ্টি। ইলেকট্রনের জন্য তন্ত্তর কম্পনমাত্রা এক রকম। কোয়ার্কের জন্য তন্ত্তর কম্পনমাত্রা আরেক রকম। অন্য ১৪টি কণার জন্য তন্ত্তর আলাদা কম্পন নির্দিষ্ট আছে। তন্ত্তর কম্পনের মাত্রাই ঠিক করে দেয় তা থেকে সৃষ্ট কণার ভর, চার্জ, স্পিন কেমন হবে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই এক ধরণের কণা (কম্পন) আরেক ধরণের কণার (কম্পন) মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। এসব বিচিত্র কণা (কম্পন) দিয়েই গড়ে উঠেছে আমাদের মহাবিশ্ব। এই বিশ্ব তাই সুতায় বোনা মহাবিশ্ব” (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠাঃ ৫৪)।
“সত্তর দশকে যে স্ট্রিং তত্ত্ব কোয়ার্ক ইন্টার অ্যাকশনজনিত কারণে ধাক্কা খেয়ে পিছিয়ে গিয়েছিল সেই স্ট্রিংয়ে একবিংশ শতাব্দীতে এসে বিজ্ঞানীরা আশার আলো দেখছেন একটি সার্বিক একীভূত তত্ত্বের প্রত্যাশায় যাতে কোয়ান্টাম বল বিদ্যা ও অআপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বকে এক সুতায় বাঁধবে (প্রাগুক্ত পৃষ্ঠা ৫৪)।
“একটি দানবীয় অআকারের নক্ষত্র অকল্পনীয় কোনো ক্ষুদ্র বিন্দুতে সংকুচিত হলেই তাকে বলে পরম বিন্দু বা সিঙ্গুলারিটি (ডেভিড শুকম্যান, উপস্থাপক বিবিসি রেডিও-এর রিখ লেকচার, বিবিসি নিউজ সায়েন্সের এডিটর, বিজ্ঞানচিন্তা, মার্চ, ২০২০, পৃষ্ঠা ৩৮)।
• ফোটন কী ?
• হাইয়ে্স্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বিস্ফোরণ জনিত কারণে সৃষ্ট বিগ ব্যাং ঘটনার মাধ্যমে মহাবিশ্বের যে সূচনা- সে সূচনালগ্নের সর্বপ্রথম সৃষ্ট উপাদানটির নাম ফোটন যা মূলতঃ আলোর কোয়ান্টা।
• ফোটনের কাজ
প্রোটিন এবং ইলেক্ট্রন তাদের চার্জ সম্পর্কিত তথ্যের আদান-প্রাদান করে ফোটনের মাধ্যমে। ফোটন চার্জবিহীন। তাই একটা ফোটন কখনো অন্য ফোটনের সাথে মিথস্ক্রিয়া অর্থাৎ কোনো ধরণের কার্যকলাপে জড়ায় না। এই ফোটনদের আমরা প্রকৃতিতে বিদ্যুৎচুম্বকীয় বল রূপে দেখি।
• প্রকৃতিতে হ্যাড্রন বর্ণহীন। এই বর্ণহীন হ্যাড্রন গঠন করা সম্ভব ব্যারিয়নের মাধ্যমে (ওপরে দুটি), কিংবা মেসনের মাধ্যমে (নিচের তিনটি)।
• কোয়ার্কদের এই রঙের কারণে গ্লুয়নদেরও রং আছে। প্রকৃতিতে গ্লুয়ন পাওয়া যায় মোট আটটি সেটে (Set), প্রতিটি সেটে রয়েছে একটি গ্লুয়ন এবং একটি এন্টি-গ্লুয়ন।
• (দুই) তপ্ত-কণা: মহাবিশ্বের সূচনালগ্নে শীতল-কণার মতোই এমন কণা এবং প্রতিকণা তৈরি হবার সম্ভাবনা ছিলো যারা খুব হালকা। হালকা বলে এদের গতি প্রায় আলোর কাছাকাছি। তাই এদের বলে তপ্ত-কণা (Hot particles)। বস্তুত, স্ট্যান্ডার্ড-মডেলে একটি কণা আছে যার বৈশিষ্ট্য হুবুহু তপ্ত কণাদের মতো। কণাটির হলো নিউট্রিনো। নিউট্রিনো অত্যন্ত হালকা, এর গতি আলোরগতির কাছাকাছি। নিউট্রিনো লেপ্টন পরিবারের তাই এরা প্রবল-নিউক্লিয়ার বলে সাড়া দেয়না, নিউট্রিনো চার্জহীন তাই এরা বিদ্যুৎচুম্বকীয় বলেও সাড়া দেয়না। সমস্যা হলো, নিউট্রিনো গতি আলোর কাছাকাছি, ফলে এরা গ্যালাক্সি বা ক্লাস্টারের মতো কাঠামোতে আবদ্ধ থাকে না। ডার্ক-ম্যাটারের পরিমাণ সাধারণ-পদার্থের পাঁচগুণ, তাই নিউট্রিনো যদি ডার্ক-ম্যাটার হতো তবে সমস্ত পদার্থ মহাবিশ্বের প্রতি অংশে সমানভাবে ছড়িয়ে যেতো, ফলে CMBতে লাল এবং নীল বিন্যাসগুলো দেখা যেতো না। তাই এটা প্রায় নিশ্চিত যে, তপ্ত-কণারা ডার্ক-ম্যাটার হতে পারে না।
• নিউট্রিনো কি?
• (بالإنجليزية: (Neutrino): “নিউট্রিনো”(Neutrino)হচ্ছে বৈদ্যুতিক চার্জবিহীন দূর্বল ও সক্রিয় এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র পারমানবিক কণা। ধারণা করা হয়, এই ক্ষুদ্র কণা ‘অশুন্য’ (Non-Zero) ভরের কণা। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সার্ণের গবেষকরা এই নিউট্রিনো আবিস্কারের ঘোষণা করেন। বিজ্ঞানীদের দাবীঃ আবিস্কৃত নিউট্রিনো বর্তমান প্রচলিত সাধারণ আলোক কণা থেকে দ্রুত বেগ সম্পন্ন।
• বিজ্ঞানী পাউলি প্রথমবারের মত উপলদ্ধি করেন যে, ভরবেগ, শক্তি, কৌণিক ভরবেগ ইত্যাদি নিত্যতা বজায় রাখার জন্য ইলেকট্রনের সাথে আরেকটি খুবই হালকা, আধানহীন এবং প্রায় অদৃশ্য কণার উপস্থিতি প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্য, ১৯৩০ সালে পাউলি (Pauli) যখন প্রথমবার এই কণাটির অস্তিত্ব আছে বলে প্রস্তাব করেন, তাঁর কিছু পরেই নাকি তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “আমি একটি ভয়ানক কাজ করে ফেলেছি | আমি এমন একটি কণার অস্তিত্বের প্রস্তাব রেখেছি যা সনাক্ত করা অসম্ভব ।” [1] নিউট্রিনো শেষমেষ ১৯৫৬ সালে প্রথমবার সনাক্ত হয় এবং নামকরণ করা হয় “নিউট্রিনো”। নিউট্রিনোর ধারণা প্রথম বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন পরমাণুর বেটা ক্ষয়ের বিশ্নেষণ করতে গিয়ে। তাতে দেখা গেছে নিউট্রিনো ও ইলেকট্রন প্রকৃতিতে যেন দুই ভাইয়ের মত।
• উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে মৌলিক কণাগুলো প্রধানতঃ তিন প্রকার যথাঃ কোয়ার্ক, বোসন ও লেপটন। এর মধ্যে লেপটন দুই প্রকার যথাঃ ইলেকট্রন ও নিউট্রিনো। তিন ধরণের ইলেকট্রনের মধ্যে রয়েছে (১) ইলেকট্রন ইলেকট্রন (অথবা শুধুই ইলেকট্রন) (২) মিউ ইলেকট্রন (মিউয়ন) এবং (৩) টাউ ইলেকট্রন (টাউয়ন) এবং এর প্রতিটি ইলেকট্রনের সাথে আছে একটি করে নিউট্রিনো যথাঃ (১) ইলেকট্রন নিউট্রিনো, (২) মিউ নিউট্রিনো।
• “ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল” (Standard Model)
• পদার্থ বিদ্যার যে তত্ত্বের সাহায্যে কোন বস্তুর ভরের ব্যাখ্যা দাঁড় করানো হয় তাকে “ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল” (Standard Model) বলা হয়। এই ষ্ট্যান্ডার্ড মডেলটি অস্তিত্বশীল হতে হলে প্রয়োজন পড়ে এক অতি পারমাণবিক কণা। পদার্থ বিদ্যার এই ষ্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে, মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুর ভর সৃষ্টির প্রাথমিক ভিত্তি হচ্ছে একটি “অদৃশ্য কণা”। বস্তুর ভরের মধ্যে ভিন্নতার কারণও এই অদৃশ্য কণাটিই। পদার্থের ভর কিভাবে তৈরি হয় তা জানতে ১৯৬৪ সাল থেকে শুরু হয় গবেষণা। ২০০১ সালে এসে গবেষকরা যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মিল্যাবের "টেভাট্টন" নামক যন্ত্ররে মাধ্যমে ওই কণার খোঁজ করতে শুরু করেন। এ কণার খোঁজে ২০০৮ সালে প্রতিযোগিতায় নামেন CERN এর খ্যাতনামা গবেষকরা। ২০১১ সালে CERN এর বিজ্ঞানীরা এ কণার প্রাথমিক অস্তিত্ব টের পান।
• পদার্থবিজ্ঞানের আইন প্রণয়নে কতিপয় তাত্ত্বিক কাঠামোর বিন্যাস
• বিংশ শতাব্দীতে, পদার্থবিজ্ঞানের আইন প্রণয়নের জন্য দুটি তাত্ত্বিক কাঠামো আবির্ভূত হয়। প্রথম i) আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব, অন্যটি ii) কোয়ান্টাম মেকানিক্স ।
• ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে uporokto এই দুইটি কাঠামো অতিপারমাণবিক মৌলিক কণাসহ মহাবিশ্বের পর্যবেক্ষণযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহকে ব্যাখ্যায় সফলতা অর্জন করে।
• পরীক্ষাগারে আলোর দ্বৈত ধর্ম প্রত্যেক বিষয় জোড়া জোড়া
• ►আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে, তেমনি আছে তরঙ্গ ধর্ম। আলো একধরনের শক্তি, কিন্তু এই শক্তি কোন রূপে থাকে, এটা নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ অনেককালের। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে তেমনি আলোর তরঙ্গ ধর্মও আছে, কিন্তু একই সঙ্গে দুটি নয়!
• তবে ►এ পর্যন্ত যত পরীক্ষা হয়েছে, তা কেবল হয় তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ দেয়, যেমন ইয়ংয়ের বিখ্যাত দ্বিচির বা টু-স্লিট পরীক্ষা ব্যতিচারের প্রমাণ দেয়, যা তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ। কিংবা আলোর কণা ধর্মও আছে, যার প্রমাণ মেলে আইনস্টাইনের আলোক তড়িৎক্রিয়া পরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু আলোর দুটি ধর্মই একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়—হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তার নীতির মূল কথাই হলো এটা।
• ►সুইস ফেডারেলের ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (EPFL-cole polytechnique fédérale de Lausanne is a research institute) বিজ্ঞানীদের কৌতূহল ছিল এই দ্বৈত আচরণ নিয়ে।
• ►অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা আলোর এই দ্বৈত আচরণের ছবি একই সময়ে নেওয়ার। ২০১৫ সালে তাঁদের অপেক্ষার অবসান ঘটে। তুলতে সক্ষম হন আলোর দ্বৈত চরিত্রের ছবি। সে বছর নেচার কমিউনিকেশন–এ প্রকাশিত হওয়া একটি প্রবন্ধে সেই ছবি সম্পর্কে খুঁটিনাটি আলোচনা করা হয়।
• ►কোনো ধাতব পাতে অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে আঘাত করলে তা থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন আলোর এই তড়িৎক্রিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য আলোকে কতগুলো নির্দিষ্ট শক্তির প্যাকেট হিসেবে কল্পনা করেন এবং প্রস্তাব করেন যে আলো এ রকম প্যাকেটের মতো গুচ্ছ আকারে উৎস থেকে আসে, যা কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা থেকে আসে। এ পরীক্ষাটিও আলোর কণাতত্ত্বের প্রমাণ দেয়। কিন্তু এ পরীক্ষাটিও আলোর দ্বৈত আচরণের অস্তিত্ব দৃশ্যত প্রমাণ করতে পারেনি।
• ►বিজ্ঞানী ফাব্রিজিও কার্বনের নেতৃত্বে একটি দল EPFL এ যে গবেষণায় নিযুক্ত ছিলেন তাতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি ছিল আলো তৈরিতে ইলেকট্রন ব্যবহার করা। এই দলের বিজ্ঞানীরা তাঁদের গবেষণায় অবশেষে সক্ষম হন প্রথমবারের মতো একটিমাত্র ছবিতে আলোর দুই রকম অবস্থাকে তুলে ধরতে, যে ছবি বলে দেয় আলোর যেমন কণা ধর্ম আছে তেমনি তরঙ্গ ধর্মও আছে।
• বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করতে গেলে ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সাজিয়ে নিতে হয় নিজের মতো করে, ঠিক যেভাবে সাজালে তাদের অনুকল্প এবং পরীক্ষার ফলের সামঞ্জস্য আসবে।
• ►পরীক্ষাটি করার জন্য লেজার দিয়ে আলো ফেলেন ধাতব ন্যানোমিটার ব্যাসার্ধের তারের ভেতর দিয়ে। লেজার আলো ন্যানোতারের বাইরের পৃষ্ঠে থাকা চার্জিত কণাগুলোকে আন্দোলিত করে। এতে একধরনের স্থির তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, যা পরীক্ষায় আলোর উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তারপর ইলেকট্রন নিক্ষেপ করা হয় এই ন্যানোতারের পাশ দিয়ে। ফলে ইলেকট্রনগুলো ন্যানোতারের আলোক তরঙ্গের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ায় অংশ নেয়। এতে পরিবর্তিত হয় আলোক তরঙ্গের গতি।
• ►এখানে স্থির তরঙ্গ তৈরি হওয়া যেমন আলোর তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ দেয়। তেমনি ইলেকট্রনের সঙ্গে আলোর মিথস্ক্রিয়ার ফলে ইলেকট্রনগুচ্ছ এবং আলোর প্যাকেটের (কোয়ান্টা) মধ্যে পারস্পরিক শক্তি বিনিময়ের যে মিথস্ক্রিয়া, তা প্রমাণ করে আলোর কণা ধর্মের।https://www.bigganchinta.com/physics/
• মৌলিক কণা টাউ কণা টাউ নিউট্রিনো টপ কোয়ার্ক
ইলেকট্রন
ইলেকট্রন নিউট্রিনো
আপ কোয়ার্ক
মিউন মিউন নিউট্রিনো
( ........................)
টু-ইনঃ এস.ইলেকট্রন
ধনাত্মক আধানযুক্ত। যুক্তভাবে বা পরমাণুর মধ্যে থাকতে পারে।Two-in: S.Electron
positively charged. May exist in bonds or between atoms.
ইলেকট্রন এস. নিউট্রিনো
খুব সামান্য ভর বিশিষ্ট। অআধানহীন কণা। তেজস্ত্রিয়তায় জড়িত।Electron s. the neutrino
Very little mass. Non-conductive particles. Involved in radiation.
এস. আপ কোয়ার্ক) ও ডাউন কোয়ার্ক (এস. ডাউন কোয়ার্ক।
সাধারণ পদার্থের ক্ষুদ্র কণা। প্রোটন ও নিউট্রনে অআপ কোয়ার্ক ও ডাউন কোয়ার্ক থাকে।S. up quark) and down quark (S. down quark.
Small particles of common matter. Protons and neutrons have up quarks and down quarks.
এস.মিউন
ইলেকট্রনের মতো হলেও এর চেয়ে ৩০০ গুণ ভারী ও তেজস্ত্রিয়ভাবে অস্থিতিশীল।S. Mun
Similar to an electron but 300 times heavier and radiologically unstable.
মিউন এস নিউট্রিনো
মিউওনের মতোই, তবে সামান্য ভারী।muon s neutrino
Similar to the muon, but slightly heavier.
শক্তি জ্ঞান
মিশন-ভিশনঃ মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে গ্রান্ড ইউনিফিকশনের মাধ্যমে “শক্তিতাত্ত্বিক” ‘এনালগ-ডিজিটাল’ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়ের “কুরআন-সুন্নাহ”র আলোকে নিউটনের ‘সরলীকরণ সূত্রে’ মীমাংসার মাধ্যমে “জ্ঞানতাত্ত্বিক” ‘মানববান্ধব’ সুপার ডিজিটাল “ফ্রন্টিয়ার” নামক নতুন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু। লগোঃ ইক্বরা বিসমি রব (জ্ঞানের প্রসঙ্গ লইয়া হজরতের পয়গাম্বরী জীবন শুরু-(বিশ্বনবীঃকবি গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ)
ভূমিকাঃ বলা হয়ে থাকেঃ বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিক থেকে শুরু-যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জেগেছিল।বস্ত্ততঃ বিশ্বপ্রকৃতির পরতে পরতে রয়েছে সত্য থেকে সত্যান্তরে পৌঁছার জীবন্ত দলিল-প্রমাণ। তাই বিজ্ঞানীরা প্রকৃতি ভিত্তিক যে বিজ্ঞানের উদ্ভাবন করেছেন তার নাম “ফিজিক্স” (https://en.wikipedia.org/wiki/Physics)। ফিজিক্সে রয়েছে তাবৎ প্রাকৃতিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের অপূর্ব ভান্ডার (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/the-unique-natural-world-1442/ )। কিন্ত্ত যেদিন থেকে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান তথা ফিজিক্স ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সে (বস্ত্তবিজ্ঞানে) সীমাবদ্ধ হয়েছে-সেদিন থেকে সত্যকে জানার হার দ্রুত কমে এসেছে। অধিকন্ত্ত এনালগ থেকে ডিজিটালে উন্নীতকরণ সত্ত্বেও বর্তমানে ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের আবর্তে পড়ে বিজ্ঞানে জানার হার মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে যা সত্যকে জানার যে অগ্রযাত্রাকে মন্থর করে দিচ্ছে যা সত্যিই দুঃখজনক বটে।
তাছাড়া, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সে (বস্ত্তবিজ্ঞানে) যত সংখ্যক প্রকৌশলী, চিকিৎসক, প্রফেসর হচ্ছেন সে তুলনায় পদার্থ বিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানী, কৃষি বিজ্ঞানী তেমনটি হচ্ছেন না। হাতে গোনা যাও ছিটেফোটা বিজ্ঞানী জন্মাচ্ছেন তা দিয়ে ডেমোক্রিটাস, অ্যারিস্টটল, জাবের ইবনে হাইয়ান, ইবনে সিনা, মূসা আল খারিজম, নিউটন, আইনস্টাইন, ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, হাইজেনবার্গ প্রমুখ জন্মাচ্ছেন না- যা হতাশাব্যান্জক বটে। এমতাবস্থায় বিজ্ঞানমনস্ক জাতি বিনির্মাণের বিকল্প নেই বলে IRRSTC মনে করে।
বর্ণিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সত্যকে জানার বিজ্ঞানের যে অগ্রযাত্রা তাকে আরও বেগবান করে পরম সত্যে পৌঁছার মিশন-ভিশন নিয়ে গ্রান্ড ইউনিফিকশনের মাধ্যমে “শক্তিতাত্ত্বিক” ‘এনালগ-ডিজিটাল’ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়ের “কুরআন-সুন্নাহ”র আলোকে নিউটনের ‘সরলীকরণ সূত্রে’ মীমাংসার মাধ্যমে মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে “জ্ঞানতাত্ত্বিক” ‘মানববান্ধব’ সুপার ডিজিটাল “ফ্রন্টিয়ার” নামক নতুন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু।
আই.আর.আর.এস.সি-র গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ঃ পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে IRRSTC কর্তৃক বিশ্ব প্রকৃতি (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/the-unique-natural-world-1442/ ) বিষয়ক কতিপয় নিম্নোক্ত এমন প্রশ্নের উত্তরের গভীরে যাওয়া-যাকে এযাবৎকাল অতিপ্রাকৃতিক, অলৌকিক, অদ্ভূতুড়ে, টেলিপ্যাথি, ডার্ক+এক্স প্রভৃতি শব্দে-বাক্যে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল তার রহস্য ভেদ করে পুরাতন পৃথিবীকে ফ্রন্টিয়ার নামক নতুন বিজ্ঞানে উন্নীতকরণ
১) মহাবিশ্ব (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/world-universe-1444/) কি দিয়ে তৈরি?-এটি পদার্থ বিজ্ঞানের (https://www.pinterest.com/ramzanctg60/physics-world-1442/)দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের একটি যা দিয়ে ইনশা আল্লাহ নতুন বিজ্ঞানের নতুন ভাবনার অগ্রযাত্রার শুরু করা IRRSTC এর লক্ষ্যাদর্শ।
وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّـهِ ۚ
And my success (in my task) Can only come from Allah.
(Source: Sūra 11: Hūd (The Prophet Hūd), Ayat: 88, https://quranyusufali.com/11/)
১.প্রশ্নঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি?
পদার্থ বিজ্ঞানঃ
প্রকৃতিতে এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না (বিজ্ঞানচিন্তা)।
উল্লেখ্য, পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ অমীমাংসিত বিষয়ের অন্যতম বিষয় হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নটি।
আই.আর.আর.এস.টি.সি
وَأَنزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ
And We sent down Iron, In which is (material for) Mighty war, as well as Many benefits for mankind,
(Al Quran: (Al Quran: Sūra 57: Hadīd, or Iron Ayat: 25,Verses 29 — Madani; Revealed at Madina — Sections 4, https://quranyusufali.com/57/)
বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণঃ ভরশক্তিসমীকরণ মতেঃ “জমে থাকা শক্তি জমাটবদ্ধ বস্ত্তর মতো”। সেমতে, লোহা (Iron) হচ্ছে জমে থাকা এক প্রকার শক্তি (Energy)। কণার (Particle) সমষ্টি হচ্ছে লোহা তথা বস্ত্ত (Mater)। প্রতিটি কণা কম্পমান ( )। কম্পনের উৎস শক্তি। স্ট্রিং থিওরি মতে, কম্পনের ভিন্ন ভিন্ন মাত্রার উপর ইলেকট্রন, কোয়ার্ক ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন বস্ত্তকণার উৎপত্তি নির্ভরশীল । সুতরাং সকল বস্ত্ত এবং বস্ত্তকণার উৎস মূল “শক্তি”(Energy) আর “শক্তি” (Energy)।
২. শক্তির উৎসমূল কে? কি? অথবা কোথায়?
সিদ্ধান্তঃ যেহেতু প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী আল আরাবী) সেহেতু শক্তির উৎসমূল “মহাশক্তি” যা জাগতিক পরিভাষায় *“প্রকৃতি” (Nature), আধ্যাত্মিক পরিভাষায় *গড/খোদা/*আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু।
“আমরা পৃথিবীকে অর্থবহ করে তুলতে পারি আমাদেরর প্রশ্ন করার সাহস ও উত্তরের গভীরতা দিয়ে”।(কার্ল সাগান)।
সুতরাং অর্থবহ পৃথিবীর লক্ষ্যে প্রশ্ন হতে পারেঃ বস্ত্তকণা তথা বস্ত্তর উৎসমূল যদি “শক্তি”(Energy) আর “শক্তি” (Energy) হয় তাহলে এই শক্তি আসলো কোত্থেকে? এ প্রশ্নের জন্য চাই উত্তরের গভীরতা অর্থাৎ অসীম বিজ্ঞচিত উত্তর।
যেহেতু মানুষকে অল্প জ্ঞান দান করা হয়েছে( আল কুরআন) এবং যেহেতু বিজ্ঞানীদের দাবীঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই-সেহেতু এমন অনন্ত-অসীম সূ্ত্রে এই প্রশ্নের উত্তরের গভীরতা খুঁজতে হবে যিনি একাধারে আহাদ, সামাদ, সুবহান সর্বোপরি আঝিঝুল হাকীম প্রবল পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাবান। তিনি আর কেহ নন, রব্বুল আলামীন যিনি বিকুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর, বিকুল্লি শাইয়্যিন ঈলমা অর্থাৎ তিনি আহাদঃ এক, একক, অদ্বিতীয় তিনি সামাদ অর্থাৎ কোন কিছু সৃষ্টি করতে জাগতিক যাবতীয় উপাদান-উপকরণ থেকে সম্পূর্ণ রূপে অমুখাপেক্ষি,অনির্ভরশীল অর্থাৎ সুবহান অর্থাৎ জাগতিক সর্ব প্রকার তত্ত্ব, তথ্য, উপাত্ত, সূত্র ইত্যাদি হতে সম্পূর্ণরূপে পুতঃপবিত্র ।
সিদ্ধান্তঃ মহাবিশ্ব শক্তি দ্বারা গঠিত/নির্মিত।
[উল্লেখ্য,*“প্রকৃতি” (Nature) এবং *গড যেমন সমার্থক নয়; অনুরুপ গড *গড এবং *আল্লাহ সমার্থক নয় । এ ব্যাপারে যথাস্থানে বিস্তারিত আলোচনা হবে ইনশাআল্লাহ]।
৩. হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সংঘটিত মহাবিস্ফোরণ (বিগব্যাং) কি নিছক দূর্ঘটনা নাকি সুপরিকল্পিত-উদ্দেশ্যপূর্ণ?
আই.আর.আর.এস.টি.সি
বিগ ব্যাং পরবর্তীতে সৃষ্ট মহাবিশ্বের এনট্রপি শীতল মুখী হওয়া এবং বস্ত্তকণার গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহের (কোয়ার্ক-ইলেকট্রন-নিউক্লিয়াস-নিউট্রন-প্রোটন-হাইড্রোজেন-হিলিয়ামসহ ..মৌলিক কণাসহ) পর্যায়ক্রমিক উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বের ক্রমবিকাশ (এপক এরা্......) ধারায় প্রাণোপযোগী পৃথিবী সৃষ্টিতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে সংঘটিত মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) নিছক দূর্ঘটনা ছিল না, প্রচ্ছন্নভাবে সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত এবং প্রাণবান্ধব উদ্দেশ্যপূর্ণ।
৪. মহাকর্ষ টানে নাকি চাপে?
কেহ বলেন, মহাকর্ষ টানে, কেহ বলেন, মহাকর্ষ টানে সত্য কিন্ত্ত জড়ায় না। এ প্রসঙ্গে আইজাক নিউটন বলেনঃ অদৃশ্য দড়িতে চিরকালের জন্য বাধা পড়ে আছে পৃথিবী আর সূর্য (তাই একে অপরের সাথে জড়ায় না)।পক্ষান্তরে আলবার্ট আইনস্টাইনের মতে, মহাকর্ষ বলতে কিছু নেই-এটা আসলে মহাকাশে বিদ্যমান অতিভারী বস্ত্তর কারণে দূর নক্ষত্রের আলো সূর্যের কোল ঘেঁষে পৃথিবীতে আসার সময় স্থান-কালের বক্রতা মাত্র । আলো কিছুটা বেঁকে পৃথিবীতে আসে। এটাই মহাকর্ষ সম্পর্কে আইনস্টাইনীয় সমীকরণ। এ অবস্থাকে নিউটন মহাকর্ষ বলেছিলেন ।
IRRSTC এর সিদ্ধান্তঃ মহাকর্ষ টানে না বরং চাপে-যার কারণে যেখানে মহাকর্ষ প্রবল সেখানে পা তুলতে হিমশিম খেতে হয়। অন্যদিকে যেখানে মহাকর্ষ হালকা সেখানে হাঁটতে হয় লাফিয়ে লাফিয়ে, কারণ সেখানে পা ফেলতে হিমশিম খেতে হয়। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ২১শে জুলাই যখন নীল আর্মষ্ট্রং মানবোতিহাসে প্রথমবারের মতো চাঁদে পা রাখেন তখন তাঁর পা ফেলতে হয় অনেক কষ্টে। হাঁটতে হয়েছিল তাই লাফিয়ে লাফিয়ে। কারণ চাঁদে পৃথিবীর তুলনায় মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ অনেক কম। তাছাড়া ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্তের (Event Horizon) অভ্যন্তরে মহাকর্ষের প্রবল স্রোতের “চাপে” আলো কেবল সামনের দিকেই ভেসে যাওয়া গত্যন্তর না থাকায় আর ফিরে আসতে পারে না। (বিস্তারিত ব্যাখ্যা পরবর্তীতে ইনশা আল্লাহ)
৫. স্ট্রিং থিওরি কি স্বপ্ন নাকি বাস্তব?
“স্ট্রিং থিওরির প্রমাণ আছে” (অশোক সেন, বিশিষ্ট স্ট্রিং বিজ্ঞানী)।
পদার্থ চুপসে যেতে যেতে পুরোপুরি ভ্যানিশ না হয়ে এক পর্যায়ে পরম বিন্দুতে এসে থেমে যায়। এমতাবস্থাকে আইনস্টাইন এই পরম বিন্দুকে সিঙ্গুলারিটি বলতেন। স্ট্রিং থিওরী মতে, সিঙ্গুলারিটি কিংবা বিন্দু নয়- এটি অতি সূক্ষ্ণ তারের কম্পন মাত্র। কম্পনের মাত্রার উপর নির্ভর করে বস্ত্তকণার ভর,আধান,শক্তির ধরণ এবং তা ইলেকট্রন হবে নাকি কোয়ার্ক কিংবা অন্য কোনো মৌলিক কণা হবে?
সিদ্ধান্তঃ ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার মহাজাগতিক আদি কণা হিগস বোসন আবিস্কারের খবর সার্ণ কর্তৃক ঘোষিত হয়। সার্ণ তার নিজস্ব কণাচূর্ণকারী সাইক্লোটন যন্ত্র ‘ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে’ প্রায় আলোর গতিতে হ্যাড্রন জাতীয় বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে লক্ষ গুণ সৌর কেন্দ্রিক উত্তাপ সৃষ্টি করে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে মহাজাগতিক আদি ভরযুক্ত প্রথম কণিকা হিগস বোসন কৃত্রিমভাবে উৎপন্ন করা হয়। এতে প্রমাণিত হয় ল্যার্জ হ্যাড্রন কলাইডারের চাইতে আরও উন্নততর প্রযুক্তিসম্পন্ন ১০-৩৩ সেন্টিমিটারের সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে দেখা সম্ভবপর ।
সুতরাং এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, স্ট্রিং থিওরি স্বপ্ন নয়; বাস্তব।
মহাবিশ্ব সংক্রান্ত কতিপয় নতুন প্রশ্নমালা নিম্নরূপঃ
৬. মস্তিস্ক দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে নির্দেশ দেয়, মস্তিস্ককে নির্দেশ দেন কে?
মস্তিস্ককে বলা হয় দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশক। কিন্ত্ত মস্তিস্ককে কে নির্দেশ দেন? আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা দেহের কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গেই খুঁজে পাননি। স্মায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, মস্তিস্কের নির্দেশ দানে সুদূর গ্যালাক্সি থেকে উৎসারিত গামা রশ্মির প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে।
IRRSTC
কার্ল সাগান উক্ত অর্থবহ পৃথিবী গড়তে সাহসী প্রশ্ন জরুরী। সেমতে, প্রশ্ন হতে পারে গামা রশ্মির প্রভাবক কে?জাগতিক পরিভাষায় তার শেষ উত্তর হতে পারে প্রকৃতি নেচার, আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড,খোদা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু।
►হার্টবিটার কে?
হৃদবিশেষজ্ঞ তথা শরীর তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা আজও হার্টবিটের জন্য শরীরের কোনো অঙ্গ প্রত্যঙ্গের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা পান নি।
IRRSTC
হার্টবিটার কে? এই প্রশ্নের সর্বশেষ উত্তর হতে পারে জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি নেচার, আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড,খোদা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু।
►অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলে না কিছু। কিন্ত্ত সূর্যে অক্সিজেন নেই । তবুও সূর্য জ্বলে কেন? কিংবা সূর্যকে জ্বালায় কে?
নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান মতে, আগুন জ্বলার অপরিহার্য শর্ত অক্সিজেন তবে এই শর্ত কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানসূত্রে আপেক্ষিক, ইনভেরিয়েন্ট নয়। আইনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলিটিভিটির মূল কথাঃ প্রত্যেক বিষয়ের একটা পরম পরিণতি রয়েছে। অনুরুপ সূর্যকে জ্বালায় কে? এই প্রশ্নের উত্তর নিহিত রয়েছে এই বিষয়ের পরম পরিণতির উৎসমূল হিসাবে জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি নেচার, আর আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড,খোদা আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু।
►প্রকৃতপক্ষে প্রকৃতিতে বিদ্যমান আলোর ভগ্নাংশ (ফ্যারাকশন) গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২০০ মাইলের কিছু বেশি। রাউন্ড গতি কেবল ১৮৬০০০ মাইল। এতদ্বসত্ত্বেও CERN কর্তৃক সহস্রবার প্রমাণিত নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে যাওয়ায় কেন আপত্তি? এর নিউটনীয় সরলীকরণতত্ত্বমতে ইসলামী মধ্যপন্থী বৈজ্ঞানিক সমাধান কোথায়?
বিশ্লেষণঃ ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইউরোপীয় পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সার্ণ কর্তৃক ঘোষণা করে যে, নিউট্রিনো আলোর স্বাভাবিক গতির চাইতে ষাট ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামী। এই আবিস্কার স্টিফেন হকিংসহ বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় বিজ্ঞানীরা মেনে নেননি এবং এই অআবিস্কার প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য সার্ণ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়। কারণ স্বরূপ বলা হয়ঃ এই আবিস্কারের ফলে সফলভাবে কার্যকর মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্রসমূহ ভেঙ্গে পড়তে পারে।
IRRSTC
নিউটন প্রেমিক আইনস্টাইন ছিলেন নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের একনিষ্ঠ ভক্ত-অনুরক্ত। নিউটনের প্রতি পরম শ্রদ্ধাবশতঃ স্পেশাল রিলিটিভিটি রচনায় মহাবিশ্বকে স্থির ধরে রচনা করেছিলেন এবংনিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম থিওরি যখন হেগেনবার্গে নিলস বোর কর্তৃক প্রশংসিতভাবে তুলে ধরেছিলেন তখন আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সরাসরি বিরোধিতা করে নিলস বোরের সাথে যে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তা বিজ্ঞানের ইতিহাসে “হেগেনবার্গ ব্যাখ্যা” নামে পরিচিত।
উল্লেখ্য, ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞানমতে, বস্ত্তকণা গতি প্রাপ্ত হলে তার স্বাভাবিক ভর বেড়ে যায়-আইনস্টাইন এই সূ্ত্রটি অন্তরের অন্তর্স্থলে গেঁথে নিয়ে রচনা করেছিলেন যুগান্তকরী থিওরিঃ E=mc2 তাতে দেখানো হয় বস্ত্তকণা গতি প্রাপ্ত হলে তার স্বাভাবিক ভর বেড়ে গেলে সেই বস্ত্তকণা কখনও ‘অসীম শক্তি’ প্রয়োগ ব্যতিত আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে না ।
আইনস্টাইনের দাবীঃ আলোর গতি ইনভেরিয়েন্ট, আপেক্ষিক নয়-এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্র রচিত। স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্র সুরক্ষার তাগিদে স্টিফেন হকিংসহ খ্যাতনামা বিজ্ঞানীরা ভরবিহীন আলোর চাইতে ভর সম্পন্ন নিউট্রিনোর ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামী হওয়ার স্বীকৃতি দিতে অনিচ্ছুক ছিলেন যদিও প্রকৃতিতে বিদ্যমান আলোর স্বাভাবিক ভগ্নাংশ (ফ্যারাকশন) গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২০০ মাইলের সামান্য কিছু বেশি।
লক্ষ্যণীয় যে, E=mc2 সমীকরণে আইনস্টাইন আলোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে সম্ভাবনা সূচক বাক্য ব্যবহার করেছিলেন তা ছিলঃ‘অসীম শক্তি প্রয়োগ’ অর্থাৎ অসীম শক্তি প্রয়োগ ব্যতিত কোনো বস্ত্তকণা পদার্থ বিজ্ঞানের নিয়ম ভেঙ্গে আলোর বেগে চলতে পারে না। অবশ্য E=mc2 সূত্র রচনার সময় অসীম শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাকে ‘অসম্ভব’ বলে ‘মন্তব্য করেছিলেন।
Einstian Standard Light Force (ESLF) প্রস্তাবনা
IRRSTC মনে করে ‘অসম্ভব’ শব্দটি স্থিতিশীল পদার্থ বিজ্ঞানের জন্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ এবং প্রস্তাব করে যে, স্থিতিশীল কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিসহ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রচলিত সূত্রসমূহের সুরক্ষার জন্য গ্রীনীচ মান সময়ের মতো স্ট্যান্ডার্ড লাইট ফোর্সও জরুরী। সেমতে আলোর রাউন্ড গতি ১,৮৬,০০০ মাইলকে ইনভেরিয়েন্ট করার জন্য “Einstian Standard Light Force (ESLF)” ঘোষণা করা যেতে পারে। তাহলে নিউট্রনোকে ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামিতার ছাড়পত্র দেওয়া হলে কিংবা মহাকাশে অআলো কিছুটা বেঁকে চলার কারণে যদি প্রমাণিত হয় অআলো কয়েক ন্যানো সেকেন্ড গতি কমে যায় তাতেও হেরফের হবে না বেধে দেওয়া অআলোর গতির। স্থায়িত্ব লাভ করবে স্ট্যান্ডার্ড মডেল সূত্র এবং পদার্থ বিজ্ঞানের যাবতীয় পরীক্ষিত এবং প্রমাণিত সূত্র গুলো। তবে বিশ্বশান্তি স্থিতিশীলতা বিশেষ করে “জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র” উদ্ভাবনের বৃহত্তর স্বার্থে IRRSTC মনে করে পদার্থ বিজ্ঞানে ব্যতিক্রম হিসাবে নিউটনের তৃতীয় সূত্রের সংস্কার জরুরী।
জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র কি এবং কিভাবে?
মানব সাধারণতঃ সুখ প্রিয় হলেও শান্তি হচ্ছে মানব জাতির পরম প্রত্যাশা যার কারণে মানব মাত্রই চিরস্থায়ী শান্তির স্থান রূপে বেছে নিয়েছে জান্নাত বা বেহেশত বা স্বর্গ (Heaven)। পার্থিব জগতেও মানব মন শান্তি প্রত্যাশি। এ কারণে মানুষ যুদ্ধের পাশাপাশি শান্তি সম্মেলনও অনুষ্ঠান করে থাকেন । শান্তির স্বার্থে পৃথিবীকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানিক কেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠিত করতে যুগে যুগে অনেক শান্তি চুক্তি হয়েছে, হচ্ছে, ইনশাআল্লাহ হবে সত্য, কিন্ত্ত প্রত্যাশিত শান্তি মানব জাতি আজও খুঁজে পায়নি। প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থবিজ্ঞানী মানবতাবাদী কার্ল সাগানের মতে, পৃথিবীটা হলো অসম্ভব ভালবাসার স্থান। কিন্ত্ত
পক্ষান্তরে ফরাসী সমাজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম সরোকিনের মতে, We are living in a dying culture-আমরা মৃত্যুমুখী সংস্কৃতিতে বাস করছি। অন্যদিকে, জাতিসংঘের জলবায়ু সংক্রান্ত অআন্তঃসরকার প্যানেল কমিটির অন্ততঃ ছয় শতাধিক পরিবেশ বিজ্ঞানীদের সর্বসম্মত অভিমতঃ মানব অনৈতিকতার কারণে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। IRRSTC মনে করে, কল্যাণকর প্রযুক্তির অজ্ঞতাপ্রসূত অকল্যাণকর ব্যবহারের দরুন স্বাস্থ্যসহ পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। এমতাবস্থায় পৃথিবীকে পরিবেশবান্ধব প্রাণোপযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে জ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তির কল্যাণকর ব্যবহারের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে মহান অআল্লাহর অশেষ রহমতে অর্ধ দশক ব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন গবেষণায় রচিতঃ জ্ঞানের আলোকে শান্তির খসড়া বৈজ্ঞানিক সূত্র নিম্নরূপঃ........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
ব্যাখ্যাঃ সাধারণতঃ কোনটি ভাল-মন্দ, কোনটি সত্য-মিথ্যা, কোনটি উপকারী-ক্ষতিকর, কোনটি ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করার বুঝ-সমঝদারিকে জ্ঞান বলা হয়। পৃথিবীতে প্রাণীকূলের মধ্যে মানব শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম কারণ জ্ঞান যা মানুষকে দেয়া হয়েছে অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় অনেক বেশি।
যতদিন মানুষ স্বীয় জ্ঞান-কে কল্যাণের পথে ব্যয় করেছে ততদিন শান্তিতে ছিল, যখনই অর্জিত জ্ঞান ক্ষতিকর পথে ব্যয় করে তখনই মানুষ বহুমুখী সমস্যায় ভারক্রান্ত হয়ে পড়ে। এ থেকে নিস্কৃতির জন্য জরুরী হচ্ছে জ্ঞানের অআলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র যা মানুষকে ভাল-মন্দ, কোনটি সত্য-মিথ্যা, কোনটি উপকারী-ক্ষতিকর, কোনটি ন্যায়-অন্যায় পার্থক্য করে শান্তিপূর্ণ নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে যুগান্তরী ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।
ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটার হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অবিস্ফোরিত অংশ!
►মহাবিশ্বে এক ধরনের অদ্ভূত অদৃশ্য বস্তু রয়েছে যার ২৭% অদৃশ্য বস্ত্ত (Dark Matter) এবং ৬৮%,অদৃশ্য শক্তি (Dark Energy) । বাকী ৫% বস্তু আমাদের চেনাজানা বস্তু।অর্থাৎ সিংহভাগ (৯৫%) আমাদের জ্ঞান বুদ্ধির বাইরের বিষয়।
►ডার্ক ম্যাটারের ক্ষেত্রে দেখা যায়, এরা একমাত্র মহাকর্ষ ছাড়া আর কোনো বলের সাথে মিথস্ত্রিয়া করে না। ...এই অদৃশ্য বস্তুরা হয়তো এমন কোনো মিথস্ত্রিয়ায় অংশ নেয়, যা আমাদের কাছে এখনও অজানা কিংবা আমাদের টেলিস্কোপ বা ডিটেক্টরে তা ধরা পড়ে না। সে কারণেই ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণা করা এত কঠিন।
►ডার্ক ম্যাটারে যে মহাকর্ষ আছে তা নিশ্চিত। কারণ, এর ভর আছে। আর ভর আছে বলেই তা ছায়াপথের নক্ষত্রগুলোকে ছিটকে পড়া থেকে আটকে রাখতে পারছে। এটাই ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্বের শক্ত প্রমাণ।
►১৯৭৮ সালে ১১টি সর্পিল ছায়াপথ পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দেখতে পান যে, উক্ত ছায়াপথের প্রতিটি এতই জোরে ঘুরছিল যে, নিউটনের সূত্র অনুযায়ী তাদের কোনোভাবে একত্রে থাকার কথা নয়। এসব মহাকাশীয় ঘটনা জ্যোতির্বিদদের বুঝতে সহায়ক হয়েছিল যে, আসলে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি নামে অদৃশ্য, প্রবল শক্তিমত্তার অধিকারী বলে মহাবিশ্ব জুড়ে সত্যিই কিছু আছে।
►মহাবিশ্ব তথা প্রকৃতির অন্তনির্হিত তত্ত্ব-তথ্য জানতে চাওয়াটাই বিজ্ঞানীদের জন্য যেন এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ত্রিশের দশক থেকে এ পর্যন্ত অজানা অদৃশ্য ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটার সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা গেছে। তাতে কোনো সমাধান নয়, বরং যেন আরও গভীর হয়েছে আমাদের অজানাটাই। কারণ, খুঁজে পাওয়া যায়নি ওই রহস্যময় বস্তু ও শক্তির উৎসমূল। তাই ডার্ক এনার্জি এবং ডার্ক ম্যাটার এখন বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় রহস্যগুলোর মধ্যে অন্যতম।
IRRSTC:
►ডার্ক ম্যাটারে যে মহাকর্ষ আছে তা নিশ্চিত। কারণ, এর ভর আছে। আর ভর আছে বলেই তা ছায়াপথের নক্ষত্রগুলোকে ছিটকে পড়া থেকে আটকে রাখতে পারছে। এটাই ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্বের শক্ত প্রমাণ। ভরশক্তি সমীকরণমতে, ভর এবংশক্তি সমার্থক সেহেতু ডার্ক এনার্জি আর ম্যাটার হতে পারে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অবিস্ফোরিত অংশ। সূরাহ হাদীদের ২৫নং আয়াত মতে লোহা একপ্রকার শক্তি এবং আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ মতে শক্তির জমাটবদ্ধতার নাম বস্ত্ত (লোহা)।
উল্লেখ্য, ডার্ক এনার্জির জমাট রূপ হচ্ছে ডার্ক ম্যাটার। সেমতে, এনার্জি এবং ম্যাটার উভয়টিই শক্তি আর শক্তির সমাহার বিধায় এটা হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অবিস্ফোরিত অবিচ্ছেদ্য অংশ বটে।
এখনও মহাবিশ্ব যে প্রক্রিয়ায় বিগ ব্যাং পূর্বাবস্থায় রয়েছে
সাধারণ চর্ম চক্ষে দেখা সবই যেন আপেক্ষিক, ইনভেরিয়েন্ট বা চূড়ান্ত নয়। এমনকি এখনও যেন বাস্তবে মহাবিশ্ব বিগ ব্যাং পূর্বাবস্থায় রয়েছে বিগ ব্যাং যেন হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অআভ্যন্তরীণ বিস্ফোরণ মাত্র যার বাহ্যিক অবস্থা যেন বিগ ব্যাং পূর্ব অবস্থাতেই রয়ে গেছে।
প্রমাণঃ দূরে বলে ছোট দেখি, বড় বলে চোখে দেখি । তবে বেশি দূরের জিনিস ছোটও দেখি না, তা যত বড়ই হোক না কেন টেলিস্কোপ ছাড়া।
ধর্ম এবং বিজ্ঞানের গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশনঃ
আল্লাহ একাধারেঃ আহাদ, সামাদ, সুবহান, মালিকুল কুদ্দুস,সালাম, মুমিনুল, মুহাইমিনুল, আজিজুল, জাব্বারুল মুতাকাব্বির, খালিকুল, বারিউল, মুসাওইউরি, বাদিউস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব যিনি রহমান-রহিমও বটে। এসব বিরল, কুদরাতি গুণাবলী প্রকৃতিতে নেই। তাই গড-আল্লাহর বিকল্প হতে পারে না নেচার বা প্রকৃতি। বরং নেচার বা প্রকৃতির সৃষ্টিকর্তাও স্বয়ং আল্লাহ গড। মানব হস্তমুক্ত যা কিছু সামনে-পিছনে, ডানে-বায়ে, উপরে-নীচে দৃশ্যমান-অদৃশ্যমান যা কিছু রয়েছে তার একক নামক “প্রকৃতি”(Nature)- যার সবটুকুই সৃষ্টি বা মাখলুক্ব যার একক স্রষ্টার নাম “গড” অর্থাৎ “আল্লাহ জাল্লা জালালুহু ওয়া শানুহু”।
গড পার্টকেল নয়-গড’স পার্টিকেল
গড কর্তৃক সৃষ্ট সৃষ্টির একক নাম প্রকৃতি। সেমতে, ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক যান্ত্রিক উপায়ে কৃত্রিম সৃষ্ট হিগস বোসন এর উপনাম গড পার্টিকেল আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃত অর্থ হবেঃ গড’স পার্টিকেল (গড পার্টিকেল নয়)।
উল্লেখ্য, হযরত আদম আলাইহিমুস সালাম থেকে শুরু করে মানব জাতির একক সৃষ্টিকর্তার নাম আল্লাহ। “সৃষ্টিকর্তা বিষয়ক গড, খোদা এসব পরবর্তীতে শাব্দিক কিংবা ভাষার বিবর্তনের ফসল যা মহান আল্লাহর ওয়াহদানিয়াত বা একত্ববাদের সাথে সংগতিশীল নয়।
এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল?
এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল এ প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হচ্ছে জাগতিক পরিভাষায় প্রকৃতি আধ্যাত্মিক পরিভাষায় গড।
পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর নেই যেমন স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কেমন? ঘূর্ণিঝড় শেষ মুহুর্তে দিক পরিবর্তন করে কেন?ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাষ পাওয়া যায় না কেন? স্ট্যান্ডার্ড মডেল স্বীকৃত বিগ ব্যাং পূর্ব হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল কিংবা কে ছিলেন? এসবের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। অনুরূপ উত্তর পাওয়া না যাওয়া আরেক প্রশ্ন হচ্ছেঃ প্রকৃতি কি? কেমন?
আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতি কি? কেমন? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছেঃ গড কর্তৃক সৃষ্ট সবই প্রকৃতি আর মানব নির্মিত ম্যান মেইড সবই আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম।
উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের মূল বস্ত্তগত ভিত্তি কোয়ার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে “অদৃশ্য স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক”। সত্যাসত্যতার ভিত্তি সরেজমিনে দর্শন হলেও তা স্থান, কাল, পাত্রভেদে আপেক্ষিক। মামলার সাক্ষ্যের জন্য প্রত্যক্ষ দর্শন জরুরী তেমনি না দেখে বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস স্থাপন জরুরী একজন বিজ্ঞানের ছাত্রের জন্য নিউটন বা আইনস্টাইনের সূত্রে বিশ্বাস জরুরী, কলা বা আর্টের ছাত্রের জন্য তত জরুরী নয়
নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে সত্যাসত্যতার ভিত্তি যেমন সরেজমিনে দর্শন অন্যদিকে কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে তা নয়। যেমন প্রাণ, প্রকৃতি কিংবা স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক এসবের ক্ষেত্রে দর্শন শর্তমুক্ত।
ধর্ম এবং বিজ্ঞানের গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশনঃ
অর্থহীন প্রশ্ন এবং অর্থহীন উত্তরে আর যাই হোক মহাবিশ্বকে পুরোপুরি জানা সম্ভবপর হবে না। প্রশ্নের পর প্রশ্ন এবং উত্তরের পর উত্তরের পরিসমাপ্তির জন্য আমাদেরকে অসীমকে বরণ করে নিতে দ্বিধা থাকা উচিত নয়, যদিও অবচেতন মনে অআমরা সত্যই জ্ঞাত কিংবা অজ্ঞাতসারে আমরা অসীমকে ধারণ করেই চলেছি জীবনভর। ধারণকৃত অসীমটি হচ্ছে প্রকৃতি বা নেচার। তা-ও আবার এটা স্বয়ং সম্পূর্ণ সত্বার অধিকারী নয় সংগত কারণে। নেচার বা প্রকৃতির মৌখিক কিংবা লিখিত কোন দলিল প্রমাণ নেই। প্রকৃতি সরব বাকশক্তির অধিকারী নয় বরং বড়জোর এটি একটা কথার কথা বা হাইপো....ক্যাল ব্যাপার হতে পারে। পক্ষান্তরে গড নামক অসীম ধারণামতে,এটি হাইউল কাইউম, জীবন্ত,চিরস্থায়ী একক সত্বা বিশেষ। তিনি এমন সত্বা যিনি একাধারে আহাদ, সামাদ এবং সুবহান যে গুণাবলীতে তিনি বস্ত্ত –পদার্থ বিনা উপাদান-উপকরণে সম্পূর্ণ কুদরাতিভাবে সৃষ্ট যিনি কুদরাতিভাবে ক্ষুদ্র-বৃহৎ সবার ঝুটি ধারণ করে আছেন। প্রকাশ ঘটনা রহমানিয়াত এবং রহিমিয়াতও। মহাকর্ষ নামে হোক মাধ্যাকর্ষণ নামে হোক, যে নামেই হোক না কেন সবই মহান আল্লাহর অপার দান মাত্র।
প্রাণের অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়ে আমরা আমাদের দৈহিক জীবনাচারে বিশ্বাসী যার কারণে কেহ মৃত্যু বরণ করলে আমরা বলিঃ “প্রাণ ত্যাগ করলো”। তেমনি প্রকৃতির অস্তিত্বে বিশ্বাস নিয়ে মহাবিশ্বকে বলে থাকি “বিশ্বপ্রকৃতি”। প্রাণ যেমন অদেখা একটি বিষয় তেমনি প্রকৃতিও একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট (অতীন্দ্রীয়) বিষয় ।
পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয় এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর নেই যেমন স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক কেমন? ঘূর্ণিঝড় শেষ মুহুর্তে দিক পরিবর্তন করে কেন?ভূমিকম্পের আগাম পূর্বাভাষ পাওয়া যায় না কেন? স্ট্যান্ডার্ড মডেল স্বীকৃত বিগ ব্যাংয়ের আগে কি ছিল? এর উত্তর হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন হলেও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল কিংবা কে ছিলেন? এসবের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। অনুরূপ উত্তর পাওয়া না যাওয়া আরেক প্রশ্ন হচ্ছেঃ প্রকৃতি কি? কেমন?
আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃতি কি? কেমন? এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছেঃ গড কর্তৃক সৃষ্ট সবই প্রকৃতি আর ম্যান মেইড সবই আর্টিফিশিয়াল বা কৃত্রিম। অর্থাৎ গড সৃষ্ট সৃষ্টির নাম প্রকৃতি। সেমতে, ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক যান্ত্রিক উপায়ে কৃত্রিম সৃষ্ট হিগস বোসন এর উপনাম গড পার্টিকেল আই.আর. আর.এস.টি.সির মতে প্রকৃত অর্থ হবেঃ গড’স পার্টিকেল (গড পার্টিকেল নয়)।
অনুরূপ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বে কি ছিল এ প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হচ্ছে প্রকৃতি কিংবা গড।
উল্লেখ্য, মহাবিশ্বের মূল বস্ত্তগত ভিত্তি কোয়ার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে “অদৃশ্য স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক”। সত্যাসত্যতার ভিত্তি সরেজমিনে দর্শন হলেও তা স্থান, কাল, পাত্রভেদে আপেক্ষিক। মামলার সাক্ষ্যের জন্য প্রত্যক্ষ দর্শন জরুরী তেমনি না দেখে বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস স্থাপন জরুরী একজন বিজ্ঞানের ছাত্রের জন্য নিউটন বা আইনস্টাইনের সূত্রে বিশ্বাস জরুরী, কলা বা আর্টের ছাত্রের জন্য তত জরুরী নয়
নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে সত্যাসত্যতার ভিত্তি যেমন সরেজমিনে দর্শন অন্যদিকে কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানে তা নয়। যেমন প্রাণ, প্রকৃতি কিংবা স্ট্রেন্জ্ঞ কোয়ার্ক এসবের ক্ষেত্রে দর্শন শর্তমুক্ত।
বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল যে ক্ষেত্রে অকার্যকর
বৃহৎ পরিসরে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের ক্ষেত্রে বিপর্যয় ঘটতে দেখা যায়। যেমন পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে। তাই তারা বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে পরস্পরকে সেভাবে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়। তাই সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল বাতিল হয়ে যায়।
সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত।
যেভাবে গ্র্যাভিটন সৃষ্টি হচ্ছে
আমরা জানি, বিগ ব্যাংয়ের পর হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে বিদ্যমান যে ৪ মহাবল শুরুতে বিভক্ত না হলেও পরবর্তীতে পৃথক হয়ে বর্তমানে ভিন্ন ভিন্নভাবে মহাবিশ্বের সর্বত্র অবস্থান করছে তার অন্যতম হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল। পদার্থ বিজ্ঞানে মহাকর্ষকে এক প্রকার ‘কসমিক ম্যাগনেট’ হিসাবে বিবেচনা করায় মহাকর্ষ বস্ত্ত-পদার্থকে টানা না টানা, চাপ না চাপার বিষয়টি উঠে এসেছে। এমনিতে পৃথিবীর নিকটবর্তী উর্ধ্বাকাশে রয়েছে চুম্বক ক্ষেত্রে তার সাথে রয়েছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল। এটি শুন্যে এক প্রকার চুম্বকীয় আবহ সৃষ্টি করে রেখেছে যাকে কোয়ান্টাম মেকানিক্সে বলা হয় শক্তি। পক্ষান্তরে জমাট বদ্ধ বস্ত্ হচ্ছে একাধিক শক্তির একক রূপ। পৃথিবীর ভূগর্ভে এসব শক্তি কোবাল্ট, ম্যাগনেট, আয়রন ইত্যাদি খনিজ উপাদান হিসাবে বিদ্যমান। তবে মাটিতে খনিজ আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকায় ভূগর্ভস্থিত পানিতে প্রচুর আয়রন দেখা যায়।
উল্লেখ্য, ৮০,০০০ বছর পূর্বে আকাশ থেকে পতিত বৃহাদাকারের উল্কাপিন্ডের ....ভাগ ছিল আয়রন। সেমতে মহাকর্ষকে একটা আস্ত মহাকাশীয় ম্যাগনেট এবং পৃথিবীকে আস্ত একটা লোহা খন্ড বিবেচনা করলে মধ্যবর্তী শুন্য স্থানে সৃষ্টি হবে পৃথিবীমুখী (নিম্নমুখী) গ্র্যাভিটন কণা।
পক্ষান্তরে মানুষসহ প্রাণীদেহে উদ্ভিদজাত খাদ্য গ্রহণের কারণে খনিজজাত আয়রন এবং ম্যাগনেটসহ বিভিন্ন প্রকার খনিজ উপাদান থাকে। উল্লেখ্য, একজন মানুষের দেহে যে পরিমাণ আয়রণ (লৌহ কণিকা) রয়েছে তা দিয়ে এত বড় পেরেক তৈরি করা সম্ভব যাতে করে তাকে অনায়াসে দেওয়ালে গেঁথে রাখা সম্ভবপর হবে। পাশাপাশি দেহে রয়েছে খনিজজাত ম্যাগনেটও। কখনও ধনাত্মক কখনও ঋণাত্মক কখনও আশার অআলো কখনও নিরাশার অন্ধকার যেন লেগেই আছে মহাকর্ষের পরতে পরতে। এতক্ষণ পৃথিবীর ভূখন্ডে খনিজ আয়রণকে প্রাধান্য দিয়ে একটি সিদ্ধান্তের যে কোশেশ তা যেন ম্লান হয়ে পড়ে যখন জানা যায় ভূগর্ভে চুম্বক প্রবাহ চলমান রয়েছে। এতে উর্ধ্বাকাশে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের প্রভাব ভূগর্ভে ম্যাগনেটিক ফ্লো এর ফলে অআকর্ষণ পরিণত হয় বিকর্ষণে। যদি তাই হয় তাহলে লোহা-ইস্পাত নির্মিত সমুদ্রগামী নৌযানকে ভূত্বকের ম্যাগনেটিক পাওয়ার পানির নীচে তলিয়ে নিয়ে যাওয়ারই কথা। ধরে নেয়া যায় যে, পানির .......এর তুলনায় ম্যাগনেটিক পাওয়ার মহাকর্ষের মতই দূর্বল। মহাকর্ষের দূর্বলতার কারণে সম্ভবতঃ আয়রনসমৃদ্ধ আমাদের দেহকে উপরে উঠিয়ে নেওয়া সম্ভবপর হচ্ছে না।
প্রমাণঃ দূর্বল রোগী এবং বৃদ্ধের দেহে বিদ্যমান আয়রন, ম্যাগনেটসহ নানান উপাদান কমে যেতে পারে। বিশেষ করে ম্যাগনেট পাওয়ার কমে যাওয়ায় দূর্বল রোগী ও বৃদ্ধদের ভূত্বকে মাধ্যাকর্ষণের ভারসাম্যতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা ঠাই দাড়িয়ে থাকতে পারে না।
পুকুরে পানির উর্ধ্বচাপ এবং ম্যাগনেট কমে যাওয়ায় দূর্বল রোগী এবং বৃদ্ধরা বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
সম্ভবতঃ ঘোড়ায় যথাযথ ম্যাগনেটিক পাওয়ার থাকার কারণে রাতে ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমাতে পারে। বজ্রে নিহিত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বলের প্রভাবের কারণে বজ্রঘাতে নিহত ব্যক্তিকে ঠাই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। স্পর্শ পেলে ডলে পড়ার কারণ নিহত ব্যক্তির দেহ থেকে বিদ্যুৎ চুম্বকের স্থানান্তর হওয়া।
ফলে মহাকর্ষীয় ম্যাগনেট এবং ভূত্বকীয় আয়রন প্রভাববিহীন হওয়ার কথা সূর্য এবং পৃথিবীর সমমানের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের মতো।
বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর মানে দাঁড়ায়, মহাকর্ষকে বাতিল করা যায় না। কিন্তু বৃহৎ পরিসরে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের ক্ষেত্রে তা ঘটতে দেখা যায়।
সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত।
irrstc; পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে। তাই তারা বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে পরস্পরকে সেভাবে প্রভাবিত করে না। পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়। তাই সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল বাতিল হয়ে যায়।
অনুরুপ যদি পৃথিবীর ভূখন্ডকে বেশির ভাগ খনিজ আয়রণ উপাদানসমৃদ্ধ ভূত্বক বিবেচনা করা হলে এবং মহাকর্ষকে মহাকাশের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের সাথে মিথস্ত্রিয়ায় সৃষ্ট ম্যাগনেটিক বল ধরা হলে পৃথিবীর আয়রণসমৃদ্ধ ভূত্বক স্বাভাবিকভাবে চৌম্বকধর্মী মহাকর্ষকে সংগত যে কারণে উপর থেকে টেনে নিচে নামাতে চেষ্টা করবে সে কারণটি হচ্ছেঃ যদিও চুম্বক লোহাকে টানার কথা যদি চুম্বক লোহা থেকে বড় হয় কিন্ত্ত লোহা যদি বৃহাদাকারে ভারী হয় তাহলে লোহা স্বয়ক্রিয়ভাবে চুম্বককে টানবে অথবা চুম্বক নিজেই লোহায় মিথস্ত্রিয়া করবে । শুন্যে বিরাজমান চৌম্বকধর্মী মহাকর্ষ স্বাভাবিকভাবে আয়রনসমৃদ্ধ ভূত্বককে আকর্ষণ করতে গিয়ে মধ্যবর্তি স্থানে নিম্নচাপধর্মী গ্র্যাভিটন অবস্থার সৃষ্টি হবে। এই নিম্নচাপের দরুন মধ্যবর্তী ভূত্বক অবস্থানে অবস্থানরত মানুষসহ সকল প্রাণী চুম্বক প্রভাবিতত মহাকর্ষের চুম্বকের প্রভাবে বস্তাচাপার মত চাপা পড়ার কথা। কারণ, যেখানে মহাকর্ষ প্রবল সেখানে মহাকর্ষীয় নিম্নচাপ জনিত কারণে পা তুলতে হিমশিম খেতে হয়, ঘটনা দিগন্তে এই চাপের দরুন আলো পর্যন্ত ফিরে আসতে পারে না। চাঁদে মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ পৃথিবীর ত্বরণের চাইতে কম হওয়ায় অ্যাপোলো-১১ এর নভোচারী নিলস আর্মস্ট্রং-কে চাঁদের ভূত্বকে অনায়াসে পা তোলা সম্ভব করেছিল।
(।) সমস্যা হচ্ছে এ যুক্তি ধোপে ঠিকছে না কারণ সূর্য এবং পৃথিবীর মত আমাদের দেহে রয়েছে একাধারে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক খনিজ আয়রণ এবং ম্যাগনেট। ফলে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ এর কারণে বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয়ভাবে যেভাবে সূর্য এবং পৃথিবি পরস্পরকে প্রভাবিত করে না কারণ পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়।
এমতাবস্থায় সব বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল যেমন বাতিল হয়ে যায় অনুরূপ মহাকর্ষের চুম্বক শক্তি এবং ভুত্বকের খনিজজাত আয়রণ ভিত্তিক মহাকর্ষীয় তত্ত্ব ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ এর কারণে বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা।
"থিওরি অভ এভরিথিং"
আইন্সটাইন তার জীবনের বাকী বছরগুলোতে পাগলপ্রায় ছিলেন শুধু একটামাত্র তত্ত্বের সন্ধানে "থিওরি অভ এভরিথিং" যা পূর্ণমাত্রায় মহাবিশ্বের ভবিষ্যতবাণী করতে সক্ষম। আফসোস তিনি সফল হতে পারেননি। এর অর্থ তিনি জানতেন তার জন্ম দেয়া আপেক্ষিকতাবাদ মহাবিশ্বকে বুঝার জন্য যথেষ্টও নয়।
প্রখ্যাত বৃটিশ পদার্থ বিজ্ঞান, বিগ ব্যা এর অন্যতম স্থপতি স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, তিনি নাকি প্রতি সপ্তাহে দু-একটি করে চিঠি পেতেন যে, আপেক্ষিকতাবাদ আসলে ভুল।
এ প্রসঙ্গে স্টিফেন হকিং আরও বলেনঃ আমার ধারনা অধিকাংশ মানুষ যারা বিজ্ঞানকে বুঝেন তারা আপেক্ষিকতাবাদকে খুবই উপভোগ করেছেন। কিন্তু আমি মনে করি আপেক্ষিকতাবাদ আসলে মহাবিশ্বের কিছুই ব্যাখ্যা করতে পারেনা। সার্বিক আপেক্ষিকতাবাদে যেখানে মহাকর্ষকে চতুর্মাত্রিক স্থান-কাল ফেব্রিক্স হিসেবে চিত্রায়িত করা হয়েছে সেখানে সূর্যের চেয়ে তার গ্রহগুলির স্থান-কালের বুনন বেশী হয়ে যায় অর্থাৎ দুজন জমজের ওজন পৃথিবীর তুলনায় যিনি চাঁদে বাস করবেন তার ওজন বেশী হয়ে যাচ্ছে, অর্থাৎ আমরা যা জানি তার বিপরীত হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ পৃথিবীতে ১ কেজি =চাঁদে সেটা হবে ১০ কেজি সূর্যে সেটা হবে মাত্র ১০ গ্রাম যদিও মহাকর্ষের চাপের কারণে প্রকৃতপক্ষে যা পৃথিবীতে ১০ কেজি =চাঁদে সেটা হবে ১ কেজি।
স্টিফেন হকিং বলেন, আইনস্টাইনের মহাকর্ষ সূত্রকে বলা হতো মহাবিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর তত্ত্ব সেটা আদতে ভুল ছাড়া আর কিছুই নয় যা কিনা নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্রে পূর্ণতা ছিল। আমার মনে হয় নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র আরো সূন্দরভাবে মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। বলে রাখা ভালো যে,নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্রে সময়ের অস্তিত্ব নেই অর্থাৎ মহাবিশ্বের একপ্রান্ত হতে বিশাল দূরত্বের অপরপ্রান্তে বস্তুদ্বয়ের মধ্যে আকর্ষণ বল ক্রিয়াশীল হতে কোনো সময়ের প্রয়োজন নেই।
স্টিফেন হকিং বলেন মহাকর্ষকে কোনো কণাবাদী ও তরঙ্গবাদীতত্ত্ব দ্বারা বা স্থান-কাল বুনন দিয়ে ব্যাখ্যা করতে গেলে সে তত্ত্বকে দেখতে সাদামাটা ও অতিশয় সৌন্দর্য দেখাবে কিন্তু একটু গভীরভাবে দেখলে এই তত্ত্বগুলো হাতে মগজ ধরিয়ে দেবে। আইনস্টাইন তার তত্ত্বকে গভীরভাবে নেননি, এটাও তার জীবনের একটা বড় ভুল।
আইনস্টাইনের মহাকর্ষের সূত্রানুযায়ী সৌরজগতের সমস্ত গ্রহাদির কক্ষপথ বৃত্তাকার হওয়ার কথা,কিন্তু এখানেও আমরা দেখি যে গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথ অনুসরণ করে -এটাও তার তত্ত্বের একটা অন্ধকার দিক। তাহলে আপেক্ষিকতাবাদে আলোক রশ্মি সূর্যের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বেঁকে যায় এই ভবিষ্যৎবাণী?
lRRSTC মনে করে, সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদে আইনস্টাইন মহাকর্ষকে গভীরভাবে নেননি, বরং এটাকে অতি সাদামাটা ভাবে নিতে গিয়ে বলেছিলেনঃ মহাকর্ষ বলতে কিছু নেই-এটি স্থান কালের বক্রতা মাত্র। স্থান কালের বক্রতায় যত না মহাকর্ষের প্রসঙ্গ ছিল তার চেয়ে বেশি প্রসঙ্গ ছিল ব্ল্যাক হোলের সম্ভাব্যতা তা-ও আইনস্টাইনের জন্য নিছক একটা তাত্ত্বিক বিষয়। ব্ল্যাকহোলের বাস্তবিক স্থপতি ছিলেন জার্মানীর কার্ল সোয়ার্জশিল্ড। আইনস্টাইন কর্তৃক আপেক্ষিকতাবাদ রচনা পূর্তির এক মাস পেরুবার আগেই পূর্ব বার্লিনের এক সামরিক হাসপাতালে মুমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসারত থাকাকালীন সময়ে হাতে পৌঁছলে সোয়ার্জশিল্ড তা নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে গিয়ে মহাকাশে অসীম ভরত্ব সম্পন্ন বস্ত্তর উপস্থিতি অনুভব করেন যাকে বর্তমানে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকহোল।
Comments
Post a Comment