https://www.linkedin.com/pulse/ওয়রলড-সয়নস-টক-রসরচ-সনটর-মহবশবর-সষটতততব-বষয়ক-চড়নত-দবতয়-hossain-zrpsc/
بِسۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯
In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.
٢. ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَـٰلَمِينَِ ◯
2. Praise be to Allah,
The Cherisher and Sustainer of the Worlds ;
https://quranyusufali.com/1/
নাহমুদুহু ওয়া নুসল্লি আ’লা-রসূলিহিল কারীম।
মহাবিশ্বের গোড়ার কথা
-মুহাম্মাদ শেখ রমজান হোসেন
মহাবিশ্বে-দৃশ্যমান বস্ত্তগত অবকাঠামোর উদ্ভব প্রক্রিয়া এবং বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচালনা-ব্যবস্থাপনার নিরিখে মহাবিশ্বের ধরণ মূলতঃ দু প্রকার যথাঃ ১) Energy & ২) Knowledge
নিম্নে মুহতারাম পাঠকবৃন্দের খেদমত ও সদয় অবগতির জন্য এতদ্বসম্পর্কে বিশদ আলোচনা-পর্যালোচনা করা গেলঃ
মৌলিকভাবে মহাবিশ্বকে জানতে প্রয়োজন মাত্র দুটি বিষয় যথাঃ এক.মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি, দুই.মহাবিশ্ব কিভাবে-পরিচালিত? মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি, তা জানা গেছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন-দিয়ে-যার সত্যায়ন পাওয়া যায় আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতার বিশেষ ভরশক্তি সমীকরণ E=mc2-এ।
সুতরাং এ ক্ষেত্রে পদার্থ বিজ্ঞান শতভাগ সফল-এই সফলতায় নিহিত আছে মহাবিশ্ব কিভাবে পরিচালিত?এই প্রশ্নের উত্তর। বুদ্ধিমাত্রিক এন্ট্রপির মাধ্যম...-যা পদার্থ বিজ্ঞানের বড় অর্জন।
সৃষ্টিতত্ত্ব (Creationism) বিষয়ে রয়েছে একাধিক তত্ত্ব যথাঃ (ক) আস্তিক্যবাদী সৃষ্টিতত্ত্ব এবং (খ) প্রকৃতিবাদী সৃষ্টিতত্ত্ব ।
(ক) আস্তিক্যবাদী সৃষ্টি তত্ত্ব
এই সৃষ্টিতত্ত্ব বিজ্ঞানমনস্ক ধর্মবিশ্বাসী সাধারণ জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদের ধারণা-বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। আস্তিক্যবাদী এই সৃষ্টি তত্ত্বের নাম ইমানিসনিজম। ‘ইমানিসনিজম’ (মহাবিশ্বের উৎপত্তি, সৃষ্টি ও পরিবর্তন সম্পকিত একটি ধারণার না।
ইংরেজী ‘ইমানিসনিজম’’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘Emanate’ শব্দ থেকে যার অর্থ To flow from...to pour fourth or out of অর্থাৎ কোন উৎস হতে বয়ে আসা, প্রবাহিত বা আগত, উৎসারিত ইত্যাদি।
ইমানিজমের ধারণা-বিশ্বাস হচ্ছে, সব সৃষ্টির, সব বস্তুর উদ্ভব হয়েছে First Reality বা First Principle বা Perfect God থেকে। ‘ইমানিসনিজম’ হচ্ছে Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)|
Latin emanatus, past participle of emanare, from e- + manare to flow
Relavant Synonym for emanate
emanate applies to the coming of something immaterial (such as a thought) from a source.
emanate
verb
em·a·nate ˈem-ə-ˌnāt
emanated; emanating
: to come out from a source
(খ) প্রকৃতিবাদী বৈজ্ঞানিক সৃষ্টি তত্ত্ব
বৈজ্ঞানিক ভাষ্যমতে Highest Energetic Radiation-এ মহাবিস্ফোরণ (big bang) ঘটার পর মুহুর্তে তাপমাত্রা 10³ºk থেকে দ্রুত 10²8-এ নেমে আসে তখন (highest energetic photon) কণিকারা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটিয়ে পদার্থ কণিকা হিসেবে প্রথম বারের মত ‘কোয়ার্ক’ এবং এন্টি কোয়ার্ক এর জন্ম দেয়।
অতঃপর তাপমাত্রা যখন আরো নিচে নেমে 10¹³k কেলভিনে দাঁড়ায় তখন কোয়ার্ক এবং এন্টি কোয়ার্কের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় এর ব্যাপক ধ্বংস সাধন ঘটে এবং অবশিষ্ট থেকে যায় কিছু কোয়ার্ক। এরপর যখন তাপমাত্রা আরো কমে গিয়ে 10¹ºk কেলভিন-এ দাঁড়ায় তখন ৩টি কোয়ার্ক (১টি আপ কোয়ার্ক এবং ২টি ডাউন কোয়ার্ক মিলিত হয়ে প্রোটন কণিকা (Proton Particle) এবং ৩টি কোয়ার্ক (২টি আপ কোয়ার্ক এবং ১টি ডাউন কোয়ার্ক) মিলিত হয়ে নিউট্রন কণিকা (Neutron Particle) সৃষ্টি হতে থাকে।
তারপর তাপমাত্রা যখন 10000000000 কেলভিন-এ নেমে আসে তখন পরিবেশ আরো অনুকুলে আসায় সৃষ্ট প্রোটন কণিকা ও নিউট্রন কণিকা পরষ্পর মিলিত হয়ে প্রথমবারের মত মহাবিশ্বে এটমিক নিউক্লি গঠিত হতে থাকে। এরপর তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে 1000000000 কেলভিন তখন এটমিক নিউক্লি মহাবিশ্বে বিক্ষিপ্ত ভাবে ছুটে চলা ইলেকট্রনিক কণিকাকে (Electronic Particle) চর্তুদিকের কক্ষপথে ধারণ করে।
ফলে প্রথমবারের মত অণু'র (atoms) সৃষ্টি হয়। আরও পরে যখন তাপমাত্রা ৩,০০০ কেলভিনে উপনীত হয় তখন মহাবিশ্বের মূল সংগঠন গ্যালাক্সি (Galaxy) সৃষ্টি হতে থাকে। পরবর্তীতে এর ভেতর নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ ইত্যাদি সৃষ্টি হতে থাকে। অতঃপর তাপমাত্রা যখন আরো নিম্নগামী হয়ে মাত্র ৩ কেলভিনে নেমে আসে তখন সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় পৃথিবীতে গাছ-পালা, জীব-জন্তু ও প্রাণের ব্যাপক সমাবেশ সমাগম ঘটতে থাকে।
প্রাকৃতিকভাবে প্রকৃতির পরতে পরতে রয়েছে মায়ার বন্ধন স্ট্রিং থিওরির স্ট্রিয়ের জীবন্ত প্রমাণ!
নিউটনীয় সরলীকরণ তত্ত্বের আলোকে মহাকর্ষ, মাধ্যাকর্ষণ এবং গ্র্যাভিটন বিষয়ে ৩ মহাবলের ন্যায় কোন রকমে তাত্ত্বিক উপসংহারের পৌঁছা গেলেও সর্ববিষয়ক তত্ত্ব (Theory of Everything) তথা সার্বিক একীভূতকরণ তত্ত্ব Grand Unification Theory প্রমাণের জন্য ১০-৩৫ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিমাপক সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের বিজ্ঞানীদের আরোপিত কঠিন শর্ত পূরণের সক্ষমতা এই মুহুর্তে বিজ্ঞানীদের জন্য আকাশ কুসুম কল্পনা মাত্র। কারণ ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের বর্তমান সক্ষমতা সর্বোচ্চ ১০-১৭ সেন্টিমিটার-যদ্বারা ১০-১৬ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণ কোয়ার্ক দর্শন সম্ভবপর হয়েছে। অথচ প্রাকৃতিকভাবে প্রকৃতির পরতে পরতে রয়েছে স্ট্রিংয়ের জীবন্ত প্রমাণ https://www.linkedin.com/pulse/সটর-থওর-বজঞনদর-আশর-আল-ramzan-hossain/। যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপঃ
মানব মস্তিস্কে স্ট্রিং
Article content
উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছিল যে, নিউটনীয় ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞানের বদৌলতে যা যা আবিস্কার তা হয়ে গেছে। কারণ, আইনস্টাইনসহ তখনকার দিনের খ্যাতনামা বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন যে নিউটন প্রকৃতির সব ভাষা বুঝতেন। তবে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা যেমন ঘূর্ণিঝড়,ভূমিকম্প,দাবানল, অগ্নুৎপাত ইত্যাদির আগাম পূর্বাভাষ বিশেষ করে দূর মহাকাশের গভীর-গহীন থেকে উৎসারিত থোকা থোকা কোয়ান্টা আকারে নির্গত আলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে নিউটনের দর্শনতত্ত্ব অনুসরণে বলা হতো এসব ঘটনা অতিপ্রাকৃতিক, টেলিপ্যাথি, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ইত্যাদি.। এ ধারণায় পরিবর্তন আসে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের প্রথম দিকে ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম মেকানিকস এবং হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাতত্ত্বের মাধ্যমে।
নুনতত্ত্ব সল্ট থিওরিঃ জাবেরীয় পর্যায়সারণীতে সংস্কার আনতে নুনতত্ত্ব প্রয়োগ করেছিলেন....এটি মহাকর্ষের দূর্বল তত্ত্বের সাথেও সংগতিশীল। চিনি বনাম নুনের মধ্যে নুন শক্তিশালী।পরিমাণে কম,প্রভাব বেশী তার নাম নুন। প্রচুর পরিমাণের খাদ্যে সামান্য পরিমাণ নুনে বয়ে আনে খাদ্যের সুস্বাদুতা। পদার্থ বিজ্ঞানে জানার হার কমছে জানার মাধ্যমে। এ কমার কারণ, ডার্ক এনার্জি,ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব অনুভব-এটাও পদার্থ বিজ্ঞানের বড় অর্জন। মহাকর্ষ দূর্বল হওয়ার কারণে তা বিচরণশীল প্রাণীর জন্য অর্থবহ হয়েছে। সামান্য পরিমাণ বেশী হলে প্রচন্ড চাপে পা তুলতে হিমশিম খেতে হতো ব্ল্যাকহোলের আশপা
শান্তির জন্য বৈজ্ঞানিক সংস্কার
শান্তি মানব জাতির পরম প্রত্যাশিত বিষয়-যা আজও ধরা ছোঁয়ার বাইরে যার কারণে বলা হচ্ছেঃ “শান্তি সেতো সোনার হরিণ”, “আমাবশ্যার চাঁদ” কিংবা “অশ্ব ডিম্ব” ইত্যাদি। কারণ, ডিজিটাল প্রাযুক্তিক সুবিধা মানব মনে নয়; মানব দেহের দৈহিক সুখোৎস । তাই নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রাধিকার প্রাপ্ত বিষয়ের অন্যতম জ্ঞানের আলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র অবিস্কার।
নিউটন প্রেমী আলবার্ট আইনস্টাইন নিউটনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিউটনের বিশ্বাস অনুসরণে মহাবিশ্বকে স্থির ধরে ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব রচনা করেছিলেন।কিন্ত্ত মহাকর্ষের সত্যান্বেষণের স্বার্থে ১৯১৫ সালে আইনস্টাইন নিউটন তত্ত্বের বাইরে মহাকর্ষকে স্থান-কালের বক্রতা ব্যতিরেকে আর কিছু ধারণা করেন নি। WSTRC মনে করে, শান্তির স্বার্থে নিউটনের তৃতীয় সূত্রের কিছুটা সংস্কার জরুরী। Action to Reaction এর পরিবর্তে Action to Proaction-এ উত্তরণ প্রয়োজন।
উপসংহারঃ পদার্থ বিজ্ঞান হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মাধ্যমে (যার মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাংয়ে মহাবিশ্বের উদ্ভব)মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর একেবারে প্রান্তিক সীমায় পৌঁছার পরও বলা হচ্ছে, মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় তাহলে বিজ্ঞানীরা সেই প্রাচীন গ্রীক বিজ্ঞানী অ্যাটম আবিস্কারক ডেমোক্রিটাস থেকে শুরু করে অ্যারিস্টটল, জাবের ইবনে হাইয়ান, নিউটন, মারে গেলমান, আইনস্টাইন, ম্যাক্স প্ল্যাংক, হাইজেনবার্গ নাকি সেই বাঘের লেজ না নাড়াচাড়া করেছেন, আইনস্টাইন ক্ষেপে গিয়ে বলেছিলেনঃ এই যদি হয় গবেষণার ফসল, তাহলে বিজ্ঞানী না হয়ে বেয়ারা হয়ে থাকাই ভালো ছিল। নিউটন তো মাধ্যাকর্ষণের সাথে মহাকর্ষের মিল খুঁজে না পেয়ে মাওলানা, সাধু, পুরোহিত বনে যান রাতারাতি এই বলেঃ
►মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখ্যা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে। কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন?।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
►আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
► “আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র বেলাভূমিতে বসে খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল”।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
► অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
► আইজাক_নিউটন বলেন:আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন
রজাগতিক সেটিং কেন পৃথিবীর পরিবেশ মুখী?
৯. গরম কেন ঠান্ডা হয়, ঠান্ডা কেন গরম হয় না?
১০. আবহাওয়া কিংবা ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাষ মোড় পরিবর্তন করে কেন?
১১. ভূমিকম্প, অগ্নুৎপাত, দাবানলের পূর্বাভাষ নেই কেন?
১২. ডাইনোসর বিধ্বংসী বিশাল আকৃতির উল্কাপাত এখন বন্ধ কেন?
১৩. সময় কেন কেবল সামনে চলে?
১৪. হৃদপিন্ড স্পন্দিত হয় কোন্ সূত্রে?
১৫. রাতে দেখা স্বপ্ন দিনে কখনও সত্য হয়ে দেখা দেয় কিভাবে?
১৬. মৃত ব্যক্তি স্বপ্নে স্বজন মাঝে বার্তা পৌঁছায় কেমন করে?
১৭. প্রাণীর মাথায় হেলমেট কেন?
১৮.পথিকের বিশ্রামাগার বিশাল বট গাছের ফল ছোট কেন?
১৯. কুকুর-বিড়লসহ নিরীহ প্রাণীরা দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে, লোকারণ্যে,অপেক্ষাকৃত কম হিংস্র শেয়াল জাতীয় প্রাণীরা রাতের অন্ধকারে লোকালয়ে গুহাবাসী নিশাচর আর বাঘ-সিংহসহ হিংস্র প্রাণীরা লোকালয়ের বাইরে সংরক্ষিত বন-জঙ্গলে কেন
https://www.linkedin.com/pulse/ওয়রলড-সয়নস-টক-রসরচ-সনটর-মহবশবর-সষটতততব-বষয়ক-চড়নত-দবতয়-hossain-zrpsc/
https://www.linkedin.com/pulse/দ-ওয়রলড-সয়নস-টক-রভউ-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-oldoc/?trackingId=0dwPX%2FMGTJWhHucChkNlYA%3D%3D
https://www.linkedin.com/pulse/world-islamic-science-tech-review-special-supplement-holly-hossain-uylac/?trackingId=bT9Z1Y6kQF%2BNGyPM4m7tkQ%3D%3D
https://www.linkedin.com/pulse/ওয়রলড-সয়নস-টক-রসরচ-সনটর-মহবশবর-সষটতততব-বষয়ক-চড়নত-দবতয়-hossain-zrpsc/?trackingId=8g2Aq8JlQP21v56O9Gk4%2FA%3D%3D
https://www.linkedin.com/pulse/ওয়রলড-সয়নস-টক-রসরচ-সনটর-মহবশবর-সষটতততব-বষয়ক-চড়নত-hossain-hujoc/?trackingId=n0Hzl2mtTLqH18FBNmEofg%3D%3D
https://www.linkedin.com/pulse/ওয়রলড-সয়নস-টক-রসরচ-সনটর-5-উপসহর-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-oh5mc/?trackingId=cwGlZpL2SpSAWVFLTSu2tA%3D%3Dhttps://www.linkedin.com/pulse/ইসলম-সষটতততবর-পথ-আধনক-বজঞন-এব-পরযকত-ramzan-hossain/https://www.linkedin.com/pulse/সটর-থওর-বজঞনদর-আশর-আল-ramzan-hossain/
Comments
Post a Comment