পদার্থ বিজ্ঞানের বিবিধ কথা

মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে জানার জন্য পদার্থ বিজ্ঞানীরা একের পর এক শর্ত জুড়ে দিচ্ছেন। যেমন ৪ মহাবলকে জানা, ১৯৭০ সালে আবদুস সালামগংরা তাত্ত্বিকভাবে মোটামুটি ৩ বলের ব্যাখ্যা পেলেও আরও জানার জন্য শর্ত জুড়ে দিচ্ছেনযে প্রকৃতিতে এমন কণা থাকাচাই যা কিনা বস্তুকণাকে ভর প্রদানের জন্য দায়ী। ২০১২ সালে তা-ও আবিস্কার হলো। এখন বলা হচ্ছে বিশ্ব প্রকৃতিকে অআরও ভালভাবে জানতে দরকার এমন টুইন কণার যা হতে হবে রীতিমত অদৃশ্য। বিশ্ব প্রকৃতির সব কিছু জানতেই হবে এমনটা নাও হতে পারে। যেমন এমন একটা রশ্মি যা বোধের অগম্য হওয়া সত্ত্বেও তার অস্তিত্বকে মেনে নিয়েই তার সাথে ঘর সংসার করছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। রশ্মিটির নাম এক্স-রে। যা বুঝা যায় না-এমনটা বুঝাতে এক্স​ শব্দ ব্যবহার করা হয়। অদ্ভুত ব্যাপার স্যাপারকে বুঝাতে স্ট্রেন্জ শব্--দও/ব্যবহার করা হয়। অতিপারমাণবিক কণার জগতের উপসংহার বলা যেতে পারে যে কণাকে তার নাম-কোয়ার্ক ে।কোয়ার্ক মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেলের পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি পেতে বিজ্ঞানীদের এমন এক কোয়ার্কের বাস্তবতা মেনে নিতে হয়েছে যা রীতিমত অদ্ভূত। এমন কোয়ার্কের নাম স্ট্রেন্জ কোয়ার্ক। উল্লেখ্য, প্রকৃতি স্বয়ং নিজেই অবস্ট্রাক্ট অর্থাৎ অতীন্দ্রীয় বা বুঝার অক্ষম এমন বিষয়। কেবল শাব্দিকতা ছাড়া প্রকৃতির আর কোনো সংজ্ঞা ব্যাখ্যা অআছে কিনা জানা নেই। এমনকি প্রকৃতি কোত্থেকে এলে💚 এমন'কিনা জানা নেই। যা দেখা যায় না-তার অস্তিত্ব নেই (নিউটনীয় ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞান) পক্ষান্তরে ম্যাক্স প্ল্যাঙকীয় কোয়ান্টাম মেকানিক্স মতে, যা দেখা যায় না তা কণা ডিটেক্টরে দেখা যেতে পারে। যা কণা ডিটেক্টরে দেখা যায় না তা তরঙ্গ ডিটেক্টরে দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে স্ট্রিং থিওরি মতে যা তরঙ্গ ডিটেক্টরে দেখা যায় না তা ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতাদর্শী সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে দেখা যেতে পারে। বর্তমান সাধারণ ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে একালের সর্বোচ্চ ক্ষুদ্র অণুকণা কোয়ার্ক দেখা যায় ১০-১৬ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতাদর্শী সাধারণ ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে। সুতরাং, ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতাদর্শী সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ এই মুহুর্তে বিজ্ঞানীদেী-জন্য-ডিজিটাল আকাশ কুসুম কল্পনা মাত্র। যদি আমরা জীবিত ব্যক্তির প্রাণ আছে বিশ্বাস করি, মৃত ব্যক্তির প্রাণ নাই মনে করি, যদি না দেখেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কথায় বিশ্বাস করে করোনা-বিশ্বাস করি,১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতাদর্শী সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ-জন্য- এমন America’s Muslims: three centuries of forgotten history ©Getty Images Muslims have strongly influenced American history and culture for over three centuries, but you won’t find that information in a typical textbook. Instead, Muslims are largely portrayed as recent immigrants who found their way to the US sometime in the 20th century. Yet, Muslim presence and influence in the US were evident long before that. Tens of thousands of Muslims from African nations, who had practiced the religion since the eighth century, were a minority group among the enslaved Africans taken to the Americas. Donald J.Trump uses the name of Barak Obama with Hussein i.e., Ob Curious https://www.msn.com/en-xl/news/other/america-s-muslims-three-centuries-of-forgotten-history/ss-AA1MgCX3?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=69fe850ca36347e5a51186750cb14408&ei=23to know more about the forgotten history of America’s Muslims, who have shaped the nation since its inception? Click through the gallery.The quiet power of a mother’s love Opinion by Christine BiraroBefore becoming a mother, I never imagined that I could love someone more than I loved myself. Yet the moment I held my child, something changed. It was not simply a new responsibility; it was a transformation. Suddenly, someone else’s life, safety, and happiness mattered more than my own comfort. ALSO READ: Caring for new-borns: A guide for first-time mothers That experience helped me understand, in a deeper way, the love of God. As a Christian, I had always heard about unconditional love, but motherhood allowed me to experience a glimpse of it in everyday life. It reminded me that certain lessons arrive at the right moment and that some truths can only be fully understood through experience. ALSO READ: Motherhood: Time to lean in or lean out? Psychologists have long recognized the importance of this bond. British psychiatrist John Bowlby, known for his work on attachment theory, demonstrated that the emotional connection between a mother and her child forms the foundation for how children develop trust, security, and relationships later in life. Children who experience secure attachment early in life tend to develop greater emotional stability and confidence as they grow. ALSO READ: Absent parenting: The hidden toll on children's well-being Modern research continues to support this understanding. Studies in early childhood development indicate that strong maternal bonding contributes significantly to children’s emotional well-being, social skills, and readiness for school. Development experts often emphasize that the first years of life are the most critical for emotional and social development. The nurturing a child receives during this period can influence confidence, resilience, and relationships for decades. ALSO READ: Why marriage preparation is the foundation of good parenting Reflecting on motherhood also invites us to approach the subject with humility and compassion. Not every mother has had the same journey. Some women grew up carrying deep wounds or difficult experiences that shaped how they express love. This does not mean they love less; it reminds us that people often give from what they themselves have received. In our communities, we sometimes see difficult realities that reflect this complexity. Walking through places like CHIC or Nyabugogo, one may encounter mothers begging on the streets with their children beside them. These scenes can be heartbreaking. Yet even in such circumstances, many mothers hold tightly to their children and refuse to be separated from them. While some may judge these situations quickly, they can also reveal a powerful instinct to protect and remain close to their children despite hardship. This reflection is not meant to compare mothers or suggest that some succeed while others fail. Rather, it is an invitation to see motherhood with understanding. Each person gives love in the way they have learned, shaped by their experiences, their environment, and the support they have received. Of course, fathers also play an essential role in the lives of children. Many fathers experience their own transformation when they welcome a child into their lives, growing into the responsibility of being present, supportive, and protective. Their role is equally important in shaping strong families and communities. However, during this Women’s Month, it is fitting to pause and recognize the unique strength and sacrifice that mothers often carry quietly every day. Behind many strong individuals, there is often the silent influence of a mother who believed, protected, and endured. Perhaps the best way to honour mothers this month is simply to recognize the positive side of their love, the patience, the sacrifices, the sleepless nights, and the constant care that often go unnoticed. Motherhood may not always be perfect, but its love remains one of the quiet forces shaping our families, our communities, and the future of our societies. And perhaps during this Women’s Month, the most meaningful tribute we can offer mothers is simple: recognition, gratitude, and respect for the invisible work of love that shapes generations. Christine Biraro is an International Coaching Federation (ICF) certified coach and Customer Experience Manager at Bank of Kigali.What is infinity?The infinite enigma ©Shutterstock The concept of infinity is truly the embodiment of the limitless, the boundless, and the immeasurable. Despite centuries of exploration, infinity remains a paradox and continues to challenge human perception while shaping theories about the universe and our existence within it.https://www.msn.com/en-xl/news/other/what-is-infinity/ss-AA1zPstr?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=69fe7eb59c5b4d93bbfa78716ba229ce&ei=26#image=2 Is there anything faster than light?নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রা যে পথে Speed of light ©Shutterstock Light is fast, real fast. We’re talking about 186,282 miles per second fast (around 300,000 kilometers per second).https://www.msn.com/en-xl/news/other/is-there-anything-faster-than-light/ss-AA1tAFo5?ocid=msedgdhp&pc=U531&cvid=69fe72f1f9944010bb49da3a908d09ab&ei=73#image=2 শক্তি কেন্দ্রিক বস্তুগত মহাবিশ্বের ব্যবস্থাপনার ইতিকথা নতুন বিজ্ঞানঃ সত্য অনেক সময় সরলতায় পাওয়া যেতে পারে-বক্রতায় নয় (স্যার আইজাক নিউটন) নিউটনের এই সরলীকরণ দার্শনিক তত্ত্ব-মতে, নতুন বিজ্ঞান-ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রাে নিহিত রয়েছে-মহাবিশ্ব কেন্দ্রিক মাত্র ২টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে। বিষয় দুইটি হচ্ছেঃ ১)মহাবিশ্বের বস্তুগত সত্বা এবং ২) অবস্তুগত সত্বা। WISTRC এর মতে, শক্তিই হতে পারে মহাবিশ্বের বস্তুগত সত্বার শেষ কথা এবং পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার। WISTRC আরও মনে করে যে, মহাবিশ্বের সত্বাগত এমন সমীকরণ মহাবিশ্বের পুরো সত্য জানার ক্ষেত্রে বস্তু কেন্দ্রিক যে সীমাবদ্ধতা তা কাটিয়ে উঠা সম্ভব এবং এতে প্রকৃতি বিজ্ঞান ফিজিক্সের অসীমের পথে অগ্রযাত্রা শুরুর দরজা খুলে যেতে পারে। ফলশ্রুতিতে মহাবিশ্বে সংঘটিত এতকাল যাবৎ এমন সব ঘটনা এবং পরিঘটনা-যাকে বলা হয় অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, টেলিপ্যাথি, অতিপ্রাকৃতিক,ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে বলে উড়িয়ে দেওয়ার যে সাধারণ প্রবণতা- তার কূল কিনারা বা রহস্য জানা যেতে পারে। New Science: Truth is often found in simplicity, not in curvature (Sir Isaac Newton) According to Newton's simplified philosophical theory, new science - the advance of frontier science - is based on only 2 issues centered on the universe. The two issues are: 1) the material nature of the universe and 2) the intangible nature. According to WISTRC, energy may be the last word on the material nature of the universe and the conclusion of physics. WISTRC also believes that such an equation about the nature of the universe can overcome the limitations of the material nature in knowing the whole truth of the universe and can open the door to the beginning of the progress of physics on the path of infinity. As a result, the root cause or mystery of all the events and phenomena that have occurred in the universe over the years - which are called incredible but true, telepathy, supernatural, ghostly, and bizarre - can be known. বৈজ্ঞানিক দৃষ্টি মহাবিশ্বের এমন সুদূর অন্চলে এসে স্থবির হয়ে আছে যার ওপারে দৃষ্টিি দিতে পদার্থবিজ্ঞানে-জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। যেমন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এমন প্রশ্নের উপরে -যার উত্তর পদার্থবিজ্ঞানমতে এ জগতে নেই। শক্তি কি দিয়ে তৈরি কিংবা প্রকৃতি অথবা প্রাণ কি দিয়ে তৈরি অথবা প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি? এসব প্রশ্ন উক্ত নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন। শক্তি সম্পর্কে এ পর্যন্ত পদার্থ বিজ্ঞান যা জানিয়েছে মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামো সম্পর্কে সম্যক জানতে যথেষ্ট। কারণ, শক্তির নিত্যতা সূত্রমতে, শক্তির ক্ষয়-লয় যেমন নেই তেমনি শক্তি সৃষ্টির কোনো উৎসও বিজ্ঞানীদের জানা নেই। The scientific vision has come to a standstill in such a remote region of the universe that physics has banned it from looking beyond. For example, there is a ban on questions that physics says have no answer to. What is energy made of, or what is nature or life made of, or what are these particles in nature made of? These questions are covered by the ban. What physics has revealed so far about energy is enough to know the material structure of the universe. Because, according to the principle of the conservation of energy, just as there is no decay of energy, scientists also do not know any source of energy creation. শক্তি সম্পর্কে এ পর্যন্ত পদার্থ বিজ্ঞান যা জানিয়েছে পদার্থ বিজ্ঞানের মহান শিক্ষক হিসেবে খ্যাত মার্কিন বিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান বলেছিলেন,প্রকৃতি কীভাবে কাজ করে, সেটি বুঝতে হলে ক্লাসিক্যাল ফিজিকসের পাশাপাশি কোয়ান্টাম মেকানিকস বোঝাও খুব জরুরি। তিনি হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্বেরও একটি চমৎকার সমাধান করেছিলেন। অনিশ্চয়তা তত্ত্ব থেকে বেরিয়ে আসে কণাদের কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের ধারণা। এই ধারণা বলে, শূন্যস্থান একেবারে শূন্য নয়; সেখানেও শক্তি আছে। সেই শক্তিকে বলে জিরো পয়েন্ট এনার্জি। এই শক্তি কীভাবে কাজ করে, তার ব্যাখ্যা আছে ফাইনম্যান ডায়াগ্রামে।তাঁর তত্ত্ব অনুযায়ী, শূন্যস্থানে সব সময় কণা ও প্রতিকণাদের ভাঙাগড়ার খেলা চলে। শূন্যস্থানের ওই শক্তি থেকে প্রতিটা বিন্দুতেই একটি করে কণা ও তার প্রতিকণা তৈরি হয়। এসব কণা আবার সময়ের উল্টো দিকে গিয়ে পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটায়। কণা-প্রতিকণার সংঘর্ষে উভয় কণাই ধ্বংস হয়ে যায় এবং শক্তি নির্গত হয়। পরক্ষণেই সেই শক্তি থেকে আবার একজোড়া কণা এবং প্রতিকণা তৈরি হয়। এদের বলা হয় ভার্চ্যুয়াল কণা। এভাবে শূন্যস্থানে প্রতিনিয়ত শক্তি ও কণা-প্রতিকণার জন্ম-মৃত্যু ঘটে। অর্থাৎ, শূন্যস্থান নিছক শূন্য ও নিশ্চল নয়। এর প্রতিটা বিন্দুতেই শক্তির খেলা চলে। American scientist Richard Feynman, known as a great teacher of physics, said that to understand how nature works, it is very important to understand quantum mechanics as well as classical physics. He also came up with an excellent solution to Heisenberg's uncertainty principle. The concept of quantum fluctuations of particles comes out of the uncertainty principle. This concept says that vacuum is not completely empty; there is energy there too. That energy is called zero point energy. How this energy works is explained in the Feynman diagram. According to his theory, particles and antiparticles are always in a state of energy in vacuum. From that energy in vacuum, a particle and its antiparticle are created at every point. These particles again go in the opposite direction of time and collide with each other. In the collision of particle and antiparticle, both particles are destroyed and energy is released. After a while, a pair of particles and antiparticles are created again from that energy. These are called virtual particles. In this way, energy and particles and antiparticles are constantly being born and died in vacuum. In other words, vacuum is not simply empty and still. Energy plays a role in every point of it. UU ভরশক্তি সমীকরণের সাথে আলোর গতির সম্পর্ক গাণিতিক, প্রাকৃতিক নয়। আলোর গাণিতিক গতিবেগ সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল অআর প্রাকৃতিক গতি ১৮৬২৮২ মাইলের কিছু বেশি। আলোর সহজ বর্ণগুণের সুবিধার্থে আইনস্টাইন বেছে নিয়েছিলেন আলোর গাণিতিক গতিবেগ। তাই নিউট্রিনোর অআলোর গতি ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে চলার মধ্যে ...মতে ভরশক্তি সমীকরণের জন্য সমস্যা হওয়ার কথা নয়। অবশ্য অআইনস্টাইন নিজেই ভরশক্তি সমীকরণের ব্যাখ্যা দেওয়ার সময় প্রসঙ্গক্রমে বলেছিলেনঃ অসীম শক্তি ব্যতিত কোনো কণা-পদার্থ অআলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে না। অবশ্য পরক্ষণেই বলা হয়েছিল এটা অসম্ভব কেননা যতই গতি বাড়বে ততই কণা-পদার্থ অসীম ভরত্ব লাভ করে গতি শ্লথ হয়ে পড়বে। তাই চিরকালের জন্য অআলোর গতি অতিক্রম করতে পারে না কোনো বস্তু-পদার্থ।এটা অআইনস্টাইনের সহজ-সরল যুক্তি মাত্র। বাস্তবতা হলো মহাবিশ্বের পরিচালনা-ব্যবস্থাপনা দ্বৈতবাদের অনুসরণে ঘটে। দ্বৈতবাদ হচ্ছে মহাবিশ্ব কখনও ইনভেরিয়েন্ট এবং রিলেটিভিটি উভয় মতে চলে। শুধুই ইনভেরিয়েন্টে নয় অআবার শুধুই রিলেটিভিটিতে নয়। সময়ে ইনভেরিয়েন্টে সময়ে রিলেটিভিটি অনুরণ করা হয়। যেমন কণা পদার্থ কখনও পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে কখনও মেনে চলে না। কখনও নিউটনের ক্লাসিক্যাল বল বিজ্ঞানে কখনও ম্যাক্স প্ল্যাংকের কোয়ান্টাম মেকানিক্স কিংবা হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদে পরিচালিত হয়ে থাকে। ওজনের সাথে ভরের এবং ভরের সাথে শক্তির সম্পর্ক। নিউট্রোন অআর পজিট্রনের মিথস্ক্রিয়ার পরিণতিতে পুরোপুরি ভ্যানিশ (ধ্বংস) না হয়ে নিউট্রন-পজিট্রন শক্তিতে পরিণত হয়। শক্তি থেকে কম্পন এবং কম্পন অআবার শক্তিতে পরিণত হয়। বজ্রপাতের শব্দ জানালার কাঁচে কম্পন সৃষ্টি করার ফলে কাঁচ ভেঙে যায়। ইসরাফিলের সিঙার শব্দে কম্পন সৃষ্ট হবে সে কম্পনে বিশ্ব ধ্বসং পুরোপুরি। কুন শব্দে সৃষ্টি। পুনর্জন্মের বৈজ্ঞানিক সত্যতাঃ পদার্থ চুপসে যেতে যেতে এক সময় চুপসানো থেমে যায় যখন বস্তুকণা পরম বিন্দুতে পরিণত হয়। পরম বিন্দুটিকে বলা হয় সিঙ্গুলারিটি। কণা পদার্থ বিজ্ঞানমতে প্রতিটি কণা কম্পমান যা স্ট্রিং থিওরির মূল কথা। পক্ষান্তরে কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলোঃ তরঙ্গও এক প্রকার কণা। ভরশক্তি সমীকরণের মূল কথা প্রতিটি কণা, প্রতিটি তরঙ্গ ভরের সমস্টি অআর ভর জমে থাকা শক্তির নাম। নিউট্রন অআর পজিট্রন এক সাথে নিউট্রন প্রোটনের মতো নিউক্লিয়ার্সে শান্তিতে সহাবস্থান না করে পরস্পর ভ্যানিশ হয়ে একেবারে বিলীন না হয়ে শক্তিতে পরিণত হয়ে থাকে। তাই শক্তি হচ্ছে বস্তু-কণার শেষ পরিণতি, পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার। স্ট্রিং যেমন শক্তির প্রকাশ মাত্র তেমন কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনও শক্তির প্রকাশ মাত্র। নিউট্রন-প্রোটনের মধ্যে প্রীতির বন্ধনে মেসনের ভূমিকা যেমন, কোয়ার্ক এবং এন্টি কোয়ার্কের প্রীতির বন্ধনের জন্য যেমন গ্লয়োনের ভূমিকা যেমন তেমন পৃথিবীর সাথে চাঁদের, সূর্যের কিংবা অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহ, নক্ষত্র এমনকি গ্যালাক্সি সমূহের একে অপরের সাথে মিথস্‌ক্রিয়া বা মুখোমুখি সংঘর্ষের পরবর্তে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে মেসন-গ্লয়োনের ন্যায় অন্যন্য ভূমিকা পালন করে কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন। বিষয়টির ব্যাখ্যা নিম্নরূপঃ মহাবিশ্বকে পুরোপুরি জানতে একমাত্রিকতায় যে প্রয়োজনীয়তা অআইনস্টাইনসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা ভাবছিলেন WISTRC মনে করে মধ্যপন্থা হতে পারে মহাবিশ্বের সত্যকে জানার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।এ জন্য প্রয়োজন মিথের সংস্কার। প্রত্যেক বিষয় এবং বস্তু জোড়া জোড়া-এটাই মহাবিশ্বের পরম বাস্তবতা। এজোড় বিগ ব্যাং থেকেই শুরু। কুন একটি কুদরাতি শব্দ যা থেকে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের উদ্ভব। এর মহাবিস্ফোরণটার বৈজ্ঞানিক নাম বিগ ব্যাং যা ছিল বুদ্ধিদীপ্ত যার ইসলামী নাম হচ্ছে হিকমাত। কারণ এতে জোড়ত্ব অনুসরণ হয়েছে যা অর্থবহ। গভীর তাৎপর্যপূর্ণ। যদি ধরে নেওয়া হয় বিগ ব্যাংয়ের উদ্দেশ্য আজকের মহাবিশ্বের : ১) মহাশুন্য এবং ২) বস্তুুরূপ প্রথমে ভরশুন্য ফোটন জাতীয় কণা, পরে ভরসম্পন্ন হিগস বোসন কণ্যর মাধ্যমে মহাবিশ্বের প্রাথমিক অবস্থার সূত্রপাত। এ যাবৎকালের সবচেয়ে পদার্থ বিজ্ঞানের জটিল যে বিষয়টি নিয়ে প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক-বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে গ্যালিলিও-নিউটন-আইনস্টাইন ভেবেছেন, গবেষণা করেছেন এবং সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা হচ্ছে মহাকর্ষ। মহাকর্ষের জীবন্ত প্রমাণ পাওয়া যায় মহাকাশে বিদ্যমান ল্যাগ্রান্জ নামক অন্ততঃ ৫টি পয়েন্টে। তাছাড়া নভোচারীরা মহাকর্ষের জীবন্ত সাক্ষী। কিন্তু মহাকর্ষ মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরির স্বীকৃতির জন্য যে বিষয়টির জন্য অআটকে অআছে তা হচ্ছে মহাকর্ষের প্রতিকণা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন। ৩ মহাবলের প্রতিবল ১৯৭০ সালে পাওয়ার পর চতুর্থ মহাকর্ষ বলেরও সংগত কারণে প্রতিবল বা প্রতিকণা থাকা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাছাড়া মহাবিশ্বের মৌলিক প্রকৃতিই হচ্ছে জোড়া জোড়া সেই বিগ ব্যাং থেকে। তাই মহাকর্ষের জন্য যে প্রতিবলের প্রবল সম্ভাবনার কথা পদার্থবিজ্ঞানীরা ভেবেছেন তার কাল্পনিক নামও জুড়ে দিয়েছেন নামটি হচ্ছে গ্র্যাভিটন। পুরো নামঃ কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন। কিন্তু বাস্তবতা কতটুকু-এটাই অনন্ত প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বীকার করা হচ্ছে এই কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনই হতে চলেছে মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়। এতকাল বলা হয়েছিল মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়। এখন বলা হচ্ছেঃ গ্র্যাভিটনঃ মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়। ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টার মনে করে গ্র্যাভিটনও মহাকর্ষের মত সহজ-সরল। নিউটন বলেনঃসত্য অনেক সময় সরল পথে নিহিত, দুর্বোধ্যে নয়। অবশ্য এক্ষেত্রে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক মিথ বা বদ্ধমূল ধারণার সংস্কার প্রয়োজন মনে করে ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টার। সংস্কারগুলি নিম্নরূপঃ ১) প্রথমতঃ মহাকর্ষ এবং মাধ্যাকর্ষণকে এক অভিন্ন ধারণা থেকে সরে এসে পৃথক মনে করতে হবে। ২) দ্বিতীয়তঃ মহাকর্ষকে নয় মহাকর্ষের প্রতিকণা গ্র্যাভিটনকে বিবেচ্য বিষয় ধরতে হবে। যাতে মহাকর্ষের সাথে গ্র্যাভিটনের মিথস্ক্রিয়া করে দূর্বল মহাকর্ষকে সবল ধরে ধনাত্মক চার্জে পরিণত করা যায় নিম্নমতে ক)মহাকাশে বিদ্যমান বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের বাহক কণা আলোর আকর্ষণধর্মী (ম্যাগনেটিক) কোয়ান্টা কণা ফোটনের সাথে মহাকাশে বিদ্যমান চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে আকর্ষণধর্মী মহাকর্ষের মিথস্ত্রিয়ার উদ্ভব ঘটতে পারে আকর্ষণধর্মী ধনাত্মক চার্জের। উল্লেখ্য, সূর্যেও রয়েছে ধনাত্মক+ঋণাত্মক চার্জ যেমন রয়েছে পৃথিবীতেও। এমনকি মানুষসহ বিচরণশীল প্রাণীর ক্ষেত্রেও। খনিজ ম্যাগনেশিয়াম এবং খনিজ ি লৌহ কণিকার কারণে। আকর্ষণধর্মী খনিজ ম্যাগনেশিয়ামকে ধনাত্মক চার্জ এব ং বিকর্ষণধর্মী খনিজ ি লৌহ কণিকার কারণে। আকর্ষণধর্মী খনিজ ম্যাগনেশিয়ামকে ধনাত্মক চার্জ এব ং বিকর্ষণধর্মী খনিজ ি লৌহ কণিকাকে ঋণাত্মক চার্জ ধরা যেতে পারে যাতে উভয়ের মিথস্ত্রিয়ায় উদ্ভব ঘটতে পারে বহুল প্রত্যাশিত গ্র্যাভিটন কণার। তবে মহাবিশ্বের যে বাস্তবতা অন্ততঃ পৃথিবীর বেলায় তাতে এই ধনাত্মক-ঋণাত্মক চার্জ ধোপে টেকার কথা নয় কারণ, পৃথিবীর ভূগর্ভের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে চুম্বক প্রবাহ। চুম্বকের ধর্ম একমাত্র লোহাকে চুম্বকায়িত করে। সেমতে, ভূগর্ভের খনিজ লৌহ কণিকা চুম্বকায়িত হওয়ারই কথা। তাহলে পৃথিবীও ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট হওয়ার কথা। এরপরও ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক বৈশিষ্ট্য থেকে যায় মহাকর্ষের বিস্ময়কর দূর্বলতা এবং পৃথিবীর বিশাল অআকৃতির কারণে। মহাকর্ষ ১০৩৬ গুণ দূর্বল হওয়ার রহস্য সম্ভবতঃ এখানেই। যদি মহাকর্ষ ও তার গ্র্যাভিটন দূর্বল না হতো, পৃথিবী বিশাল আকারের ভারী না হয়ে হালকা হতো তাহলে মহাকাশে বিদ্যমান বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের বাহক কণা আলোর আকর্ষণধর্মী (ম্যাগনেটিক) কোয়ান্টা কণা ফোটন+মহাকাশে বিদ্যমান চৌম্বক ক্ষেত্র+ বাতাসের প্রবল উর্ধ্বমুখী চাপ এবং সেই সাথে আকর্ষণধর্মী মহাকর্ষ টানতো হালকা পৃথিবীকে। কিন্তু যেহেতু পৃথিবীও চুম্বকায়িত তখন পৃথিবী পরিণত হয় বড়মাপের চুম্বকে। ফলশ্রুতিতে পৃথিবী মাধ্যাকর্ষণ নামে টেনে আনে মহাকাশে বিদ্যমান বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের বাহক কণা আলোর আকর্ষণধর্মী (ম্যাগনেটিক) কোয়ান্টা কণা ফোটন+মহাকাশে বিদ্যমান চৌম্বক ক্ষেত্রকে। যে প্রক্রিয়ায় মহাকর্ষ ধনাত্মক চার্জধর্মী ১০ ৩৬ গুণ দূর্বল হলেও মহাকর্ষ একমুখী অর্থাৎ শতভাগ নিরেট ম্যাগনেটিক বা আকর্ষণধমীর্। তাছাড়া মহাকর্ষ মহাকাশের শুন্যময় অবস্থানে বিদ্যমান থাকায় কোয়ান্টাম মেকানিক্সমতে শুন্য স্থানও-েশুন্ নয়।বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলের বাহক কণা আলোর আকর্ষণধর্মী (ম্যাগনেটিক) কোয়ান্টা কণা ফোটন+মহাকাশে বিদ্যমান চৌম্বক ক্ষেত্র এবং মহাকর্ষ অআকর্ষণধর্মী হওয়া এবং পৃথিবীও তার ভূগর্ভে চুম্বক প্রবাহের কারণে চুম্বকধর্মী হওয়ায় সব মিলে মহাকর্ষ এবং তার প্রতিবল '' পুরো বিষয়টি ম্যাগনেটিক হয়ে পড়ে। প্রশ্ন দাঁড়ায় ম্যাগনেট কি দিয়ে তৈরি? এ ধরণের প্রশ্নকে বলা হয় পদার্থ বিজ্ঞানের অমীমাংসিত প্রশ্ন। এমন প্রশ্ন করতেমানা যার উত্তর এ জগতে নেই মর্মে পদার্থ বিজ্ঞানের দাবী। ওয়ালড মনে করে স্ট্রিং থিওরির স্ট্রিংয়ের কম্পন হতে পারে এ প্রশ্নে যথার্থ উত্তর। কারণ স্ট্রিংয়ের কম্পনে উৎপন্ন হয় ইলেকট্রন কোয়ার্ক। তার প্রমাণ ২০১২ সালে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষটি করে কৃত্রিমভাবে হিগস বোসন কণা উদ্ভাবন ৮ টেরা ভোলটে। ১৩ টেরা ভোল্টে কোয়ার্ক-ইলেকট্রনসহ ম্যাগনেশিয়ামও : যেহেতু কম্পনের উৎস শক্তি সেহেতু স্ট্রিং যেমন শক্তি তেমনি গ্র্যাভিটনও এক প্রকার ভিন্নরূপী শক্তি। প্রাণী ভূগর্ভজাত উদ্ভিদভূক বিধায় মানুষসহ প্রতিটি প্রাণী ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক চার্জের অধিকারী। প্রমাণঃ চুম্বকের কারণে ভূত্বকে পদত্বকের কেবল স্পর্শজনিত কারণে বাতাসের প্রবল উর্দ্ধচাপ সত্ত্বেও গাছের ন্যায় শেকড় ছাড়া, দালান কোঠার ন্যায় ফাউন্ডেশন ছাড়া বহাল তবিয়তে চলাচল করছেন। শিশু এবং বৃদ্ধ কিংবা রোগাক্রান্তদের ম্যাগনেট স্বল্পতার কারণে ঢলে পড়তে চান। বৃদ্ধদের বা রোগিদেরকে পানিতে দাড়াতে কষ্ট হয়। বজ্রপাতে মৃত দেহ দাড়িয়ে থাকার কারণ ম্যাগনেট। ঘোড়া...প্রাণী দেহে লোহ থাকার প্রমাণ রক্তে লৌহ কণিকা। তাছাড়া একজন মানুষকে দেওয়ালে বিদ্ধ করে রাখার মতো পেরেক তৈরি সম্ভব। গ্রহানুতে ৮৪ শতাংশ লৌহ কণিকা পাওয়া গেছে। বাতাসের উর্ধ্বচাপে শেকড়সহ গাছ উপড়ে যায় কিন্তু পিপড়া সাপ বিচ্ছু হাতি ঘোড়া প্রবল ঘূর্ণিঝড়েও উড়ে না কেন? এসব প্রশ্ন পদার্থ বিজ্ঞানে নিষিদ্ধ। তাই নতুন বিজ্ঞান হতে পারে এসব প্রশ্নের উত্তর জানার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। আল্লাহ হাফেজ। আলোর গতিতে চ ললে কণা <মহান আল্লাহর অশেষ রহমতb>শক্তি কেন্দ্রিক বস্তুগত মহাবিশ্বের আলোকেমহান আল্লাহর অশেষ রহমতে জ্ঞান-প্রজ্ঞা কেন্দ্রিক অবস্তুগত মহাবিশ্বের আলোকেbযে সব বিষয়ে গবেষণা হবে ইনশা আল্লাহ ১। বিগ ব্যাং উত্তর মহাবিশ্বের উদ্ভব কি দূর্ঘটনা, নাকি উদ্দেশ্যপূর্ণ? ২। বিগ ব্যাং উত্তর মহাবিশ্বের এন্ট্রপি কেন শীতল মুখী? ২। সময় কেন এগিয়ে চলে? ৩। পানি কেন গড়িয়ে চলে? ৪। পুকুর ডোবার নতুন পানিতে কিভাবে দেশীয় ছোট জাতের মাছ জন্মে? ৬। মহাকাশের শেষ কোথায়? ৭। প্রথম জীব-জন্তু, প্রথম গাছপালা কিভাবে জন্মেছিল?: ৮। প্রত্যেক বিষয় জোড়ায়, জোড়ায় কেন? By the infinite mercy of Allah Almighty, research has been conducted on the following topics: 1. Kun and Islamic cosmology 2. The intellectual origin and development of the universe in the light of knowledge 3. Gravity and Islam 4. String theory and Islam 5. The speed of light as determined by Einstein and the Standard Model Theory is not invariant; it is relative. By the infinite mercy of Allah Almighty, research will be conducted on these topics, Insha Allah 1. Is the origin of the universe after the Big Bang an accident or a purpose? 2. Why is the entropy of the universe after the Big Bang cold? 3. Why does time move forward? 4. Why does water move? 4. How do small native fish breed in the new water of a pond? 6. Where is the end of space? 7. How did the first living things, the first plants grow? 8. Why do everything come in pairs? Send feedback xxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxx WISTRC এর মতে কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন, স্ট্রিং থিওরির প্রমাণ, আলোর গতি সম্পর্কিত অচলাবস্থাসহ পদার্থ বিজ্ঞানের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্ন ইত্যাদি হচ্ছে মহাবিশ্বের বস্তুগত সত্বা সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রে একান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়মাত্র যা মৌলিক নয়। মৌলিক হচ্ছে মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামো কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্ন যার উত্তর শক্তিতে নিহিত। কারণ, মহাবিশ্বের উদ্ভব বিগ ব্যাং থেকে। বিগ ব্যাং হচ্ছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন থেকে। পদার্থ বিজ্ঞানের-এই জ্ঞান অর্জন মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরির মূল অর্জন যা ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশনের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত। সুতরাং প্রশ্ন হতে পারে, প্রকৃতিতে এত এত কণা এসব কিভাবে তৈরি? ডেমোক্রিটাসের তত্ত্বমতে এর উত্তর হবে অ্যাটম হতে, রাদারফোর্ডের মতে নিউক্লিয়ার হতে, মারে গেলমারের মতে কোয়ার্ক হতে।..স্ট্রিং তত্ত্ববিজ্ঞানী গ্যাবিয়েলের মতে স্ট্রিংয়ের কম্পন হতে। WISTRC এর মতে কম্পন শক্তি হতে উৎপন্ন। পদার্থ বিজ্ঞানে প্রশ্ন করার'ক্ষেত্রে যে-নিষেধাজ্ঞা তা-মেনে-যদি আমরা র্শক্তি কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্ন না করি-তাহলে পদার্থ বিজ্ঞানে বেজে যেতে পারে মহাবিশ্বের বত্ত্বগত সত্বা সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রে প্রায় শতভাগ অর্জনের বিজয় ঘন্টা। পরিণামে বিজ্ঞানীরা নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রার সূচনা করতে পারেন পদার্থ বিজ্ঞান তিন মিলেনিয়াম জয়ন্তি উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে। এখন নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রা শুরু করতে দরকার মহাবিশ্বের দ্বিতীয় মৌলিক স্তর: মহাবিশ্বের পরিচালনা-ব্যবস্থাপনার উৎস কি? এই প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধানেে পাওয়া যেতে পারে, এতকাল যাবৎ কথিত: অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে, অলৌকিক, অতিপ্রাকৃতিক, টেলিপ্যাথিক, হ্যালুয়েশন ইত্যাদি চিরায়ত শব্দ-বাক্যে এড়িয়ে যাওয়া মহাবিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সংঘটিত ঘটনা-পরিঘটনার রহস্যের কূল কিনারা। মহাবিশ্বের পরম বাস্তবতা নিহিত রয়েছে মধ্যপন্থায় দ্বিমাত্রিকতায়। একটি বস্তুগত বা পার্থিব আরেকটি অবস্তুগত বা পার্থিব। মহাবিশ্বের বস্তুগত উৎসমূল শক্তি আর শক্তি যা নিত্যতার সূত্র। আর অবস্তুগত উৎসমূল হচ্ছে বুদ্ধিমাত্রিক জ্ঞান-প্রজ্ঞা। মহাবিশ্বের উৎসমূল বিগ ব্যাং, বিগ ব্যাংয়ের উৎসমূল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন-এটাই পদার্থ বিজ্ঞানের পরম উপসংহার। xxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxxx গত শতাব্দীর তৃতীয় দশক। কোয়ান্টাম কণা পদার্থ বিজ্ঞানী নীল বোর সহ তরুণ কোয়ান্টাম তত্ত্ববিদেরা একের পর এক অদ্ভুত সব তত্ত্ব হাজির করছেন। কিন্তু সেগুলো হজম করা বিজ্ঞানীদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আইনস্টাইন বিরক্ত হয়ে বলেন, ‘নিশ্চয়ই ঈশ্বর (গড) পাশা খেলেন না!’ জবাবে নীল বোর বলেছিলেন, ‘ঈশ্বর কী করবেন আর কী করবেন না, সেটা আপনাকে বলে দিতে হবে না।’ wstrc মনে করে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের রহস্য আলোচনা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা ১) প্রকৃতি (নেচার)এব ংঈশ্বর (গড) শব্দ দুটি ব্যবহার করেন উভয়টিই অবস্তুগত বা অপার্থিব। বিশ্ব প্রকৃতির শতভাগ বুঝতে যেমন পদার্থ বিজ্ঞানের নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের পাশাপাশি কোয়ান্টাম মেকানিক্সও বুঝা দরকার তেমনি পাশাপাশি মহবিশ্বের দ্বিতীয় মূল স্তর অপার্থিব অবস্তুগত বিষয়টিকেও বিবেচনা করতে হবে বিশেষ করে অসীম অর্থে প্রকৃতি এবং গডের বিষয়টি যাতে থাকতে পারে মহাবিশ্বের উদ্ভব পরবর্তী এন্ট্রপিতে প্রকৃতি কিংবা গডের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ ভূমিকার স্বরূপ সবচেয়ে বেশি প্রতিবাদ আসে আইনস্টাইনের কাছ থেকে। কোয়ান্টামের অদ্ভুত নীতিগুলোকে তাঁর কাছে বড্ড অলৌকিক ও বিভ্রম মনে হয়। তাই তিনি তোপ দাগেন নীলস বোরের বিরুদ্ধে, কোপেনহেগেনের কোয়ান্টাম কারিগরদের বিরুদ্ধে। কিন্তু আইনস্টাইনের প্রতিটি যুক্তির জবাব পাল্টা যুক্তি দিয়ে খণ্ডন করেন বোর এবং বিতর্কে আইনস্টাইনকে হারিয়ে দেন। এতে হতাশ আইনস্টাইন বিরক্ত হয়ে বলেন, ‘নিশ্চয়ই ঈশ্বর পাশা খেলেন না!’ জবাবে বোর বলেছিলেন, ‘ঈশ্বর কী করবেন আর কী করবেন না, সেটা আপনাকে বলে দিতে হবে না।’ তাঁদের এই বিতর্ক থেকেই স্পষ্ট, বোর নিজেই কোয়ান্টামের অদ্ভুত জগৎটা স্বচ্ছ আয়নার মতো দেখতে পেতেন। যে আইনস্টাইন কোয়ান্টামের তীব্র বিরোধিতা করতেন, তিনিও নিশ্চয়ই এই জগৎটা বুঝতেন। বেশ ভালোমতোই বুঝতেন। বুঝতেন বলেই পরে নিজের আপেক্ষিকতা তত্ত্বের সাথে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের একীভূতকরণ করে ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট তত্ত্ব রচনা করে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন অথচ বিশেষ এবং সাধারণ কোনো অআপেক্ষিকতা তত্ত্বের জন্য আইনস্টাইন নোবেল পুরস্কার পাননি। এটাও এক প্রকার অনিশ্চয়তা তত্তের ব্যাপার রয়েছে মনে করে WISTRCএই আপেক্ষিকতার কারণে এর বাইরে যাওয়া পদার্থ বিজ্ঞানে যে নিষেধাজ্ঞা WISTRC মতে এটা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতাভূক্ত করা হলে পদার্থ বিজ্ঞান প্রায় জিরো থেকে হিরোতে পরিণত হতে যথেষ্ট হতে পারে। বিজ্ঞানীরা বিশেষ জ্ঞানে পরম সত্যকে জানার চেষ্টা করেন গবেষণার নামে। জাগতিক বৈজ্ঞানিক সাজসরন্জামের পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা অন্তর্দৃষ্টির সাহায্যও গ্রহণ করে থাকেন। যার কারণে অআইনস্টাইন বলতেনঃ তিনি জ্ঞান নয় বরং কল্পনাশক্তির সাহায্যে গবেষণা করেন। অন্যদিকে নিউটন বলতেন তাঁর অর্জন প্রার্থনার ফসল যা মধ্যযুগে অআরব বিজ্ঞানীদের মধ্যে দেখা যেত। খুদে কণাদের আচরণ বুঝতে ‘কোয়ান্টাম মেকানিকস তত্ত্বের কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক কণা পদার্থবিজ্ঞান, নক্ষত্রের ভেতরের কাণ্ডকারখানা, এমনকি জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানও কোয়ান্টাম তত্ত্ব ছাড়া অচল। পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল তত্ত্ব বলা হয় একেই। গত এক শতাব্দীতে শত শত পরীক্ষায় সফলভাবে উতরে গেছে এটি। বোঝাই যদি না যাবে, তাহলে এটা নিয়ে বিজ্ঞানীরা এত কাজ করছেন কীভাবে? তাহলে সবাই কেন বলেন, কোয়ান্টাম কেউ বোঝে না? এর মূল কারণ হলো অনিশ্চয়তা তত্ত্ব এবং এর পরীক্ষালব্ধ ফলাফলগুলোর ভুতুড়ে আচরণ। কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নীলস বোর বলেছিলেন, ‘কোয়ান্টাম জগৎ প্রথমবার দেখে যে ভিমরি খাবে না, সে আসলে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা বোঝেই না।’

Comments

Popular posts from this blog

IRRSTC, 23 JANUARY, 2024

উপসংহার