PART04 BENGLA
মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব আধ্যাত্মিকভাবে “কুন” নামক মাত্র একটি শব্দে, বৈজ্ঞানিকভাবে “বিগ ব্যাং” নামে মাত্র দুইটি শব্দে নিহিত। আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ মতে, “শব্দ”(Sound) শুধু শব্দ নয়, শক্তির ভিন্ন রূপমাত্র। এটি গ্রামোফোনে প্ল্যাস্টিকে, অডিও-তে যান্ত্রিকভাবে আবদ্ধ করা যায়। আধুনিক বিজ্ঞানে ইলেকট্রনিকভাবে এই শব্দ শত বছর পরেও জীবন্ত করা সম্ভব। মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, শব্দও এক প্রকার শক্তি। বজ্রপাতের প্রচন্ড শব্দে কম্পন সৃষ্টি হয়। ইসরাফিল আলাইহিমুস সালামের সিঙ্গার ফুঁৎকারের শব্দে কম্পমান হবে পৃথিবী। কণা পদার্থ বিজ্ঞানমতে, প্রতিটি কণা কম্পমান।স্ট্রিং থিওরি মতে, কম্পনের মাত্রার উপর নির্ভর সৃষ্ট কণাটি ইলেকট্রন হবে নাকি কোয়ার্ক হবে।শব্দে কম্পন হয়, শব্দ এক প্রকার শক্তি।কম্পনের জন্য শক্তির প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, একটি চিকন সরু তার নিই। উভয় প্রান্ত শক্তভাবে টান টান ভাবে বেঁধে নিই। কিন্ত্ত তারটি নীরব, নিথর, নিস্তেজ,অটল, অবিচল থাকবে ততক্ষণ যতক্ষণ তাতে শক্তি প্রয়োগ না হবে। নীরব, নিথর তারে অআলতোভাবে মৃদু শক্তি প্রয়োগ করলে তারে কম্পন সৃষ্টি হবে।একটু জোরে শক্তি প্রয়ে...